পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের সংবিধান ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ড. কামাল হোসেন কোন কোন দেশ সফর করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  2. খ) ভারত ও রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও ভারত
ব্যাখ্যা

খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে যুক্তরাজ‍্য ও ভারত সফর করেন।
- গণপরিষদের আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন ডঃ কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির গঠন করা হয় -১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
সংবিধানের মৌলিক সংশোধনী (চতুর্থ সংশোধনী) সাধিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
  3. গ) ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে
ব্যাখ্যা

১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন সাধিত হয়।
- সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতি পরিত্যক্ত হয় এবং এক-দলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল সময়কালে মাঝেমধ্যে বেসামরিক সরকারের আগমনসহ কয়েক দফা সামরিক আইন বহাল থাকে।
- এ সময় বেসামরিক বা সামরিক কোনো সরকারই সংবিধান রদ করে নি, আবার সম্পূর্ণরূপে অনুসরণও করেনি।
- প্রতিটি শাসনামলেই অংশত ডিক্রি এবং অংশত সংবিধান দ্বারা শাসনকার্য পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
খসড়া সংবিধান কতটি সংশোধনীর পর অনুমোদন করা হয়?
  1. ক) 62
  2. খ) 55
  3. গ) 75
  4. ঘ) 65
ব্যাখ্যা

৬৫টি সংশোধনীসহ খসড়া সংবিধান অনুমোদন করা হয়।
- ড.কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদে বিবেচনার জন্য ১২ অক্টোবর সংবিধান বিল উত্থাপন করা হয়।
- খসড়া সংবিধানের প্রথম পাঠ শুরু হয় ১৯ অক্টোবর এবং ১৯৭২ সালের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।
- দ্বিতীয় পাঠ চলে ৩১ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত।
- তৃতীয় পাঠ শুরু হয় ৪ নভেম্বর এবং ৬৫টি সংশোধনীসহ তা অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের কোন আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ৮১ (১)
  3. গ) ৮১ (২)
  4. ঘ) ৮২ (১)
ব্যাখ্যা

 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের ৮১ (১) আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

.
“Impeachment of the President” কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৫১(১)
  2. খ) ৪৯
  3. গ) ৫২(১)
  4. ঘ) ৫২(৪)
ব্যাখ্যা

 “Impeachment of the President” ৫২(১) অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির কথা ৫১(১) এ উল্লেখ আছে ।
- ৪৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

.
ন্যায়পালের উদ্ভব হয় কোন দেশে?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) নেদারল্যান্ড
  3. গ) আইসল্যান্ড
  4. ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা

ন্যায়পাল (Ombudsman) জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয় এবং ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়।
- সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।
- সরকারি আমলা ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী সরকারি এজেন্ট হিসেবে ন্যায়পাল থাকেন স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ও অভিগম্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
সংসদের “বিশেষ অধিকার কমিটি” কোন ধরনের কমিটি?
  1. ক) সাংবিধানিক অস্থায়ী কমিটি
  2. খ) স্পিকারের ইচ্ছায় মাঝে মধ্যে গঠিত কমিটি
  3. গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
  4. ঘ) বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবেলা কমিটি
ব্যাখ্যা

সংসদের “বিশেষ অধিকার কমিটি” হল সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি।
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া

.
১২৫ নং অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত-
  1. ক) ভোটার তালিকায় নাম ভক্তি যোগ্যতা
  2. খ) নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
  3. গ) নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
  4. ঘ) নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়
ব্যাখ্যা

১২৫ নং অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা সম্পর্কে।
- ১২২(২) অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় নাম ভক্তি যোগ্যতা।
- ১২৪ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা 
- এবং ১২৩ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় এর কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

.
মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব সম্পর্কে সংবিধানের অনুচ্ছেদটি হল-
  1. ক) ১২৭
  2. খ) ১২৮
  3. গ) ১২৯
  4. ঘ) ১৩০
ব্যাখ্যা

মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব সম্পর্কে সংবিধানের অনুচ্ছেদটি হল ১২৮।
- ১২৭ এ মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- ১২৯ এ মহা হিসাব নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ।
- ১৩০ এ অস্থায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক এর কথা বলা হয়েছে।

উৎস:গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১০.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তির মালিকানা গণপ্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হয় - এই সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ১৪৩(১)(গ)
  2. খ) ১৪৩(১)(খ)
  3. গ) ১৪৩(১)(ক)
  4. ঘ) ১৪৩(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তির গণপ্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হওয়া সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১৪৩(১)(গ) উল্লেখ আছে।
- ১৪৩(১)(ক) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৩(১)(খ) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৫ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক চুক্তির কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১১.
২০০৮ সালের পর কতটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয়?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা

 ২০০৮ সালের পর ৩ টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয় ।
- নিবন্ধন বাতিল হওয়া দলগুলো হলো: বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল( জে এস ডি) এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।

উৎস:বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন(ecs.gov.bd)

১২.
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) খালেদ নেওয়াজ খান
  2. খ) কোভিদ আহমেদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) নাঈম উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক নাঈম উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ।
- ইতিহাস ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৩.
প্রথম কত সালে শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের সভাপতি হন ?
  1. ক) ১৯৫৪
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৯৬৬
  4. ঘ) ১৯৬২
ব্যাখ্যা

প্রথম ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগের সভাপতি হন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তিনবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৪.
ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ছিল কতদিন?
  1. ক) ১০ দিল
  2. খ) ৩০ দিন
  3. গ) ২১ দিন
  4. ঘ) ১২ দিন
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ (১৯ মার্চ ১৯৯৬ - ৩০ মার্চ ১৯৯৬) ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়।
-  ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- অধিকাংশ প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল নির্বাচনটি বর্জন করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৫.
স্বৈরাচার পতন দিবস কবে ?
  1. ক) ২৭ নভেম্বর
  2. খ) ১৭ নভেম্বর
  3. গ) ৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৬ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

৬ ডিসেম্বর, স্বৈরাচার পতন দিবস।
- গণ-আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের এই দিনে পদত্যাগ করেন তৎকালীন স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- এই দিনে তিনি অস্থায়ী সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এর মাধ্যমে অবসান হয় ৯ বছরের স্বৈরশাসনের।
- মুক্তি পায় গণতন্ত্র। 
 -১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর হরতালের সময় নূর হোসেনকে স্বৈরাচার এরশাদের বাহিনী গুলি করে। নূর হোসেনের বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক—গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লেখা ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৬.
মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ?
  1. ক) শিক্ষা
  2. খ) তথ্য
  3. গ) সংস্কৃতি
  4. ঘ) জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সংযুক্ত সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর ঢাকার তেজগাঁও শিল্ল এলাকায় অবস্থিত।
- সরকার ২৬-০৪-২০০৫ তারিখে পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করে এবং ১৫-০৬-২০১০ তারিখে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর হিসেবে ঘোষণা করে।

 উৎস: dpp.gov.bd

১৭.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রুপ কি?
  1. ক) MoFA
  2. খ) MOAP
  3. গ) MoE
  4. ঘ) MoPA
ব্যাখ্যা

MoPA (Ministry of Public Administration) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ ।
-সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম হলো ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

১৮.
বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর চৌকস ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন কে?
  1. ক) রিজিয়া সুলতানা
  2. খ) তারামন বিবি
  3. গ) ফেরদৌসী রহমান
  4. ঘ) রিয়ানা আজাদ
ব্যাখ্যা

প্রশিক্ষণ কোর্সের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট ক্যাডেট হিসেবে 'সোর্ড অব অনার' পেলেন ফ্লাইং অফিসার রিয়ানা আজাদ।
- বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে তিনি প্রথম নারী পাইলট।
- যিনি প্রশিক্ষণকালে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব অর্জন করেন।

উৎস: প্রথম আলো

১৯.
বাংলাদেশের উপজেলা নামকরণ হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৮২
  2. খ) ১৯৮৩
  3. গ) ১৯৮৫
  4. ঘ) ১৯৮৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে থানার পরিবর্তে উপজেলা নামকরণ করা হয়-১৪ মার্চ ১৯৮৩।
- উপজেলার প্রধান কর্মকর্তা হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২০.
ইউনিয়নের সালিশি আদালত গঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জন সদস্য নিয়ে
  2. খ) ৬ সদস্য নিয়ে
  3. গ) ৩ জন সদস্য নিয়ে
  4. ঘ) ৫ জন সদস্য নিয়ে
ব্যাখ্যা

৫ (১) একজন চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট চারজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হইবেঃতবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হইবে
- [:তবে আরো শর্ত থাকে যে, তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী মামলার সহিত নাবালক এবং তফসিলের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশে বর্ণিত ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলার সহিত কোন নারীর স্বার্থ জড়িত থাকিলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে একজন নারীকে সদস্য হিসাবে মনোনয়ন প্রদান করিবেন।]

উৎস: গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (http://bdlaws.minlaw.gov.bd/)

২১.
প্রশাসনিক সংস্কার কমিটির নাম -
  1. ক) NICAR
  2. খ) ECNEC
  3. গ) NILG
  4. ঘ) LGRD
ব্যাখ্যা

NICAR = National Implementation Committee for Administrative Reorganization-Reform.
- বাংলা অর্থ দাঁড়ায় - প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার কর্তৃক গঠিত একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান।
- এ কমিটিকে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- কমিটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য-সচিব এবং ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্যসহ মোট নয় জন সদস্য ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২২.
বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম কি?
  1. ক) প্রেসিডেন্টস গার্ড ব্যাটালিয়ন
  2. খ) প্রেসিডেন্ট গার্ড ফোর্স
  3. গ) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
  4. ঘ) প্রেসিডেন্ট সিকিউরিটি ফোর্স
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম  প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ।
- প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) (ইংরেজি: President Guard Regiment) বঙ্গভবনে অবস্থিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নির্বাহী অফিসের একটি সত্তা, রাষ্ট্রপতির বিদেশ ভ্রমণ, রাষ্ট্রপতির সাধারণ যাতায়াত, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, এবং আতিথেয়তা পরিষেবা সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৩.
বাংলাদেশের অষ্টম ইপিজেড এর নাম কি?
  1. ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. খ) কুমিল্লা ইপিজেড
  3. গ) আদমজী ইপিজেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অষ্টম ইপিজেড এর হল কর্ণফুলী ইপিজেড।
- কর্ণফুলী ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- ইপিজেড হলো রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল যা বেপজা এর নিয়ন্ত্রণাধীন।-
বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

২৪.
দেশে প্রথম Warrant of precedence জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪
  2. খ) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৫
  3. গ) ১৫ মার্চ ১৯৭৪
  4. ঘ) ২১ এপ্রিল ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

দেশে প্রথম Warrant of precedence জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪।
- Warrant of precedence হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পদমর্যাদার ক্রম।
- দেশে Warrant of precedence ২৫ টি ক্রমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবস্থান নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।- বর্তমানে Warrant of precedence -1986 অনুযায়ী প্রদক্রম নির্ধারণ করা আছে। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২৫.
খাসিয়াদের ভাষা -
  1. ক) ককবরক
  2. খ) মাঝি
  3. গ) পুঞ্জি
  4. ঘ) বর্মী
ব্যাখ্যা

খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- ককবরক ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর ভাষা।
- খাসিয়াদের গ্রামগুলি পুঞ্জি নামে পরিচিত। - পুঞ্জি প্রধান হলেন সায়েম।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২৬.
কুরুখ নামে পরিচিত কোন জাতিগোষ্ঠী?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মুরং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) ওঁরাও
ব্যাখ্যা

ওরাঁও রা যে ভাষায় কথা বলেন, তার নাম কুরুখ ভাষা। তাদেরকে কুরুখ জাতিও বলা হয়।
- ওরাওঁ আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরূষ।
- বাংলাদেশে বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওরাওঁদের প্রধান বসতিস্থল।

উৎস: http://nrigostisanad.gov.bd/

২৭.
পার্বত্য তিন জেলার আয়তন -
  1. ক) ৯২৯৫ বর্গ কি.মি
  2. খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
  3. গ) ২৩৮৯১ বর্গ কি.মি
  4. ঘ) ১৭৭২৫ বর্গ কি.মি
ব্যাখ্যা

পার্বত্য তিনটি জেলার মোট আয়তন ১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার।
- ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এ অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ১৫,৮৭,০০০ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিসত্তা সমূহের অধিবাসীদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চংগ্যা, ম্রো, লুসাই, বোম, পাংখো, খুমি, চাক, খেয়াং প্রভৃতি উপজাতি রয়েছে।
- অ-উপজাতীয়দের মধ্যে ৪৮ ভাগ মুসলমান এবং বাকীরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী|

উৎস: mochta.gov.bd(পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

২৮.
ঝুমুর কোন অঞ্চলের নাচ হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ক) রংপুর, রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর, গাইবান্ধা
  3. গ) বরিশাল, পটুয়াখালী
  4. ঘ) ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঝুমুর  রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলের নাচ ।
- অদ্ভুত মনোমুগ্ধকর নাচের নাম ঝুমুর নাচ। মূলত ঝুমুর গান প্রাচীন ধারার লোকসঙ্গীত। অনেক কাল আগে বিশেষ করে সাঁওতালদের মাঝে এটির প্রচলন ছিল।
- প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদেও এ নাচের কথা উল্লেখ রয়েছে। সাহিত্যরত্ন হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের মতে ঝুমুরের সঙ্গে কীর্তন মিশে পরবর্তীকালে যাত্রার উদ্ভব ঘটেছে।
- চা বাগানে বসবাসরত চা শ্রমিকেরা প্রায় দেড়শ’ বছর আগে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এদেশে আসে।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

২৯.
ময়মনসিংহের গারোপাহাড়ের অধিবাসী গারো জাতিগোষ্ঠীর প্রকৃত নাম-
  1. ক) কান্দি
  2. খ) নান্দি
  3. গ) মান্দে
  4. ঘ) তান্দি
ব্যাখ্যা

গারোরা নিজেদের আচিক মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- সমগ্র গারো সমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। এরা হলো: আওয়ে, আবেং, আত্তং, রূগা, চিবক, চিসক, দোয়াল, মাচ্চি, কচ্চু, আতিয়াগ্রা, মাৎজাংচি, গারা-গানচিং ও মেগাম।
_ বাংলাদেশে আবেং, রূগা, আত্তং, মেগাম, চিবক প্রভৃতি দলভুক্ত গারোরাই বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩০.
বাংলাদেশে বসবাস করে না-
  1. ক) মনিপুরী
  2. খ) রাজবংশী
  3. গ) শবর
  4. ঘ) জারোয়া
ব্যাখ্যা

জারোয়া ভারতের আন্দামান দ্বীপের বসবাসকারী একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। 
-ময়মনসিংহ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মণিপুরী জনগোষ্ঠীর লোক বাস করে।
- শবর নৃগোষ্ঠী মৌলভীবাজার জেলার হরিণছড়া, রাজঘাট ও নন্দরাণী এলাকায় বসবাস করতে থাকে।
- রাজবংশীরা বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।

উৎস: nrigostisanad.gov.bd

৩১.
মনিপুরীদের পূর্বপুরুষ হল-
  1. ক) সুসাইম
  2. খ) পাখাংবা
  3. গ) চান্দো
  4. ঘ) মাইতে
ব্যাখ্যা

মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩২.
পার্বত্য জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) সন্তু লারমা
  2. খ) ত্রিদিব রায়
  3. গ) দেবাশীষ রায়
  4. ঘ) মানবেন্দ্র লারমা
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধি ও কর্মীরা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) প্রতিষ্ঠা করেন।
- মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ছিলেন একজন বাংলাদেশী আদিবাসী নেতা ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।
- পাহাড়ি জনতার প্রাণের দাবিতে তিনি সারা জীবন আন্দোলন করে গেছেন।
- ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর তার আন্দোলনের সফলতা অর্জিত হয় শান্তিচুক্তির মাধ্যমে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) হার কত?
  1. ক) ২১ জন
  2. খ) ৮৫ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৪২ জন
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) ২১ জন।
- দেশে শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। স্বাধীনতার সময় শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪১, এখন তা ২১।
- শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৮৫ শতাংশ।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৩৪.
বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহিলা শিক্ষকের হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৭৫.৪৩
  2. খ) ৮৫.২১
  3. গ) ৭২.৪
  4. ঘ) ৬৪.২০
ব্যাখ্যা

বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা শিক্ষকের হার ৬৪.২০%।
- প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা শিক্ষকের নিয়োগ বিধি ৬০% প্রণয়ন করার ফলে ১৯৯১ সালে ২১.৯% থেকে ২০২১ সালে ৬৪.২০% উন্নীত হয়েছে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৩৫.
বর্তমানে Total Fertility Rate কত?-
  1. ক) ৩%
  2. খ) ২.০৪%
  3. গ) ২.৫%
  4. ঘ) ১.৩৭%
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে Total Fertility Rate ২.০৪% ।
- ২০০১ সালে Total Fertility Rate ছিল ৩%।
- ২০২২ সালে ২% নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৩৬.
শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী লাভ করেন-
  1. ক) ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. খ) planet 50-50
  3. গ) MDG award 2010
  4. ঘ) ইউনিসেফ এ্যাওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
- এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)

৩৭.
হীরক রাজার দেশে ছবিটির পরিচালক কে?
  1. ক) তানভীর মোকাম্মেল
  2. খ) হীরালাল সেন
  3. গ) সত্যজিৎ রায়
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
ব্যাখ্যা

সত্যজিৎ রায় ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক, সংগীত পরিচালক এবং লেখক।
- তাঁকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সত্যজিতের জন্ম কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্প সমাজে খ্যাতনামা রায় পরিবারে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৩৮.
খেলাঘর চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) খান আতাউর রহমান
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) তৌকির আহমেদ
  4. ঘ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

খেলাঘর এটি ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি
- এটি মূলত মাহমুদুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাহিনির খেলাঘর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চিরন্তন প্রেমের এই ছবি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৩৯.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্ধোধন করা হয়-
  1. ক) ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৫
  2. খ) ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭৭
  4. ঘ) ২ মার্চ ১৯৮২
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যেখানে গঠিত হয় সেখানে এই স্মৃতিসৌধটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- এর স্থপতি তানভীর কবির।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন হয়  ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে ।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে ২৩ স্তরের স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৪০.
রায়ের বাজার বধ্যভূমির স্থপতি কে?
  1. ক) শামীম সিকদার
  2. খ) হামিদুজ্জামান খান
  3. গ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেক
  4. ঘ) ফরিদউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- পরবর্তীতে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ এবং স্থপতি জামি-আল-শফি-র নকশায় ১৯৯৬ সালে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালে শেষ হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৪১.
সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) সমকাল
  2. খ) সমতট
  3. গ) সমান্তরাল
  4. ঘ) লোকায়ত
ব্যাখ্যা

১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট সিকান্দার আবু জাফর মৃত্যুবরণ করেন।
-তার একটি বিখ্যাত কবিতা হলো
জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে বাঁচবার অধিকার কাড়তে দস্যুর নির্মোক ছাড়তে অগণিত মানুষের প্রাণপণ যুদ্ধ চলবেই চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।
এটি পরে জনপ্রিয় গণসঙ্গীতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৪২.
একই টেস্টে হ্যাটট্রিক ও সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  3. গ) সোহাগ গাজী
  4. ঘ) আবুল হাসান
ব্যাখ্যা

একই টেস্টে হ্যাটট্রিক ও সেঞ্চুরিয়ান সোহাগ গাজী|
- টেস্ট ক্রিকেটে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একই ম্যাচে সেঞ্চুরি এবং হ্যাটট্রিকের বিরল ঘটনার অধিকারী বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সোহাগ গাজী।
- ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমন অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছিলেন সোহাগ গাজী।
- ১৩০ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা এই একবারই ঘটেছে।

উৎস:http://www.tigercricket.com.bd/(BCB)

৪৩.
২০২১ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) মোঃ রফিকুল ইসলাম
  2. খ) আব্দুল জব্বার
  3. গ) সফিউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) রফিকুন নবী
ব্যাখ্যা

জাতীয় পর্যায়ে মাতৃভাষার সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে অবদানের স্বীকৃতিসরূপ এবারের এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে।
- আর জাতীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতিসরূপ এই সম্মাননা পেয়েছেন খাগড়াছড়ির জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
- এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উজবেকিস্তানের গবেষক ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ এবং লাতিন আমেরিকার আদি ভাষাগুলো নিয়ে কাজ করা বলিভিয়ার অনলাইন উদ্যোগ অ্যাক্টিভিজমো লেংকুয়াস বাংলাদেশ সরকারের এই সম্মাননা পেয়েছে।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

৪৪.
প্রখ্যাত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান মৃত্যুবরণ করেন কবে?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  2. খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  3. গ) ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা

মৃত্যু এটিএম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সূত্রাপুরের দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন।
- এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালে।
-তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র নয়া জিন্দেগানী চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়নি।
-১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার এতটুকু আশা চলচ্চিত্রে তাকে খবরের কাগজ বিক্রেতা চরিত্রে প্রথমবারের মত পর্দায় দেখা যায়।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

৪৫.
বঙ্গবন্ধু “নদী পদক” প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৯
  2. খ) ২০১৭
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০২০
ব্যাখ্যা

পদক প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ব নৌ দিবসে বা প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময়ে এ পদক দেয়া হবে।
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পুরস্কারের সংখ্যা ও মূল্যমান বাস্তবতার নিরিখে পরিবর্তন করতে পারবে।
- প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু নদী পদক নীতিমালা-২০১৯' অনুমোদন করেছেন।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার