পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ নবায়ন যোগ্য/পারমাণবিক/খনিজ শক্তির উৎস, শক্তির রূপান্তর, জারণ, বিজারণ, তড়িৎ কোষ, জৈব ও অজৈব যৌগ। এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা, ফোটন কণা, আপেক্ষিক তত্ত্ব। এবং পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক-রে, ব্ল্যাক হোল, হিগের কণা এবং বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমন্ডল। [ক্লাস ১৬, ১৭, ১৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
শুষ্ক কোষে কোনটি ইলেকট্রন দান করে? 
  1. দস্তার খোল
  2. কার্বন দণ্ড
  3. কয়লার গুড়া
  4. ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ। 
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ক্যাপিং
  2. মিক্সিং
  3. ডোপিং
  4. ট্রান্সেন্ডিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে? 
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রীনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে? 
  1. ওপেনহাইমার
  2. রোজেনবার্গ
  3. অটোহ্যান
  4. আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
রবার্ট ওপেনহাইমার: 
- জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহাইমার এর জন্ম ২২ এপ্রিল, ১৯০৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। 
- রবার্ট ওপেনহাইমার পারমাণবিক বোমা আবিষ্কার করেন। 
- রবার্ট ওপেনহেইমার নিউ মেক্সিকোতে লস আলামোসের ল্যাবরেটরির পরিচালক ছিলেন। 
- সেখানে তিনি পরমাণু বোমার নকশা করেছিলেন। 
- তাকে 'Father of Atomic Bomb' হিসেবেও অভিহিত করা হয়। 
- পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় ইউরেনিয়াম-২৩৫। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান নামের যে দুটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল, ওই দুটি বোমা তৈরিতেই ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়েছিল। 
- মৃত্যু: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭ সালে নিউ জার্সির প্রিন্সটনে। 

উৎস: Britannica.