পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
রিভিশন কুইজ [১৫০ দিনের সিলেবাসের বিগত ৫টি পরীক্ষার টপিকের উপর।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
অমিয় চক্রবর্তী ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ১৯৬৫
  2. ১৯৬০
  3. ১৯৮৬
  4. ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০
ব্যাখ্যা

 অমিয় চক্রবর্তী পদ্মভূষণ পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭০ সালে।
- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
-উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫;
তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই: কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার (১৯২৭),
- খসড়া (১৯৩৮),
- এক মুঠো (১৯৩৯),
- মাটির দেয়াল (১৯৪২),
- অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩),
- পারাপার (১৯৫৩),
- পালাবদল (১৯৫৫),
- ঘরে ফেরার দিন (১৯৬১),
- হারানো অর্কিড (১৯৬৬),
- পুষ্পিত ইমেজ (১৯৬৭),
- অমরাবতী (১৯৭২),
- অনিঃশেষ (১৯৭৬),
- নতুন কবিতা (১৯৮০),
- চলো যাই (১৯৬২),
- সাম্প্রতিক (১৯৬৩)।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

.
কোন রচনার মধ্য দিয়ে “মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়ার” দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠেছে?
  1. চারিদিকে যুদ্ধ
  2. এখনও ক্রীতদাস
  3. সূর্য দীঘল বাড়ি
  4. এবার ধরা দাও
সঠিক উত্তর:
এখনও ক্রীতদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখনও ক্রীতদাস
ব্যাখ্যা

এখনও ক্রীতদাস রচনার মধ্য দিয়ে “মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়ার” দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠেছে ।
- আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত এই নাটকের ঢাকা শহরে গলাচিপা বস্তির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়ার যুদ্ধপরবর্তী অসহায় জীবনযাপনের ইতিবৃত্ত তুলে ধরা হয়েছে।
- আবদুল্লাহ আল মামুন (১৯৪২-২০০৮) নাট্যকার, নাট্যনির্দেশক, অভিনেতা। ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগ থেকে বিএ অনার্স ও এমএ (১৯৬৪) ডিগ্রি অর্জন করেন।
- আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত নাটক:
- সুবচন নির্বাসনে (১৯৭৪)
- এখনও দুঃসময় (১৯৭৫)
- এবার ধরা দাও (১৯৭৭)
- শপথ (১৯৭৮)
- সেনাপতি (১৯৮০)
- অরক্ষিত মতিঝিল (১৯৮০)
- ক্রস রোডে ক্রসফায়ার (১৯৮১)
- শাহজাদীর কালো নেকাব (১৯৮৪)।
- তাঁর পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র-
- সারেং বউ
- সখী তুমি কার
- এখনই সময়
- দুই জীবন।
- আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত উপন্যাস:
-মানব তোমার সারাজীবন (১৯৮৮)
- আহ্ দেবদাস (১৯৮৯)
- তাহাদের যৌবনকাল (১৯৯১)।

সূত্র:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (সৌমিত্র শেখর)

.
কোনটি ত্রয়ী উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা
  2. ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  3. পরিত্যক্ত স্বামী
  4. দেয়াল
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
ব্যাখ্যা

ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন এই তিনটি উপন্যাস একত্রে ত্রয়ী উপন্যাস নামে পরিচিত ।
- আবু জাফর শামসুদ্দীন কর্তৃক উপন্যাসগুলো রচিত ।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস পরিত্যক্ত স্বামী প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩)
- পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪)
- সংকর সংকীর্তন (১৯৮০)
- দেয়াল (১৯৮৫)।
গল্পগ্রন্থ:
- জীবন (১৯৪৮)
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা (১৯৭৮)
- ল্যাংড়ী (১৯৮৪);
প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য (১৯৬৪),
- Sociology of Bengal Politics (১৯৭৩)
- সোচ্চার উচ্চারণ (১৯৭৭)
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি (১৯৮৮) ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (সৌমিত্র শেখর)

.
নিচের কোনটি উপন্যাস?
  1. চেহারার চতুরঙ্গ
  2. আগুনের মেয়ে
  3. কাবিলের বোন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

চেহারার চতুরঙ্গ, আগুনের মেয়ে, কাবিলের বোন তিনটি আল মাহমুদ কর্তৃক রচিত উপন্যাস।
- তার বিখ্যাত উপন্যাস ডাহুকী ও উপমহাদেশ।
- তার প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ সোনালী কাবিন।
- এছাড়াও তিনি লোক লোকান্তর, কালের কলস, বখতিয়ারের ঘোড়া, পাখির কাছে ফুলের কাছে নামক কাব্যগ্রন্থ গুলো রচনা করেন।

সূত্র: সাহিত্য পাঠ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
“বসুন্ধরা” চলচ্চিত্রটি কোন উপন্যাসের আলোকে নির্মিত?
  1. স্মৃতিস্তম্ভ
  2. কর্ণফুলী
  3. শাশ্বতবঙ্গ
  4. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা

তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটি আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস। 
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
(পরিচালক: সুভাষ দত্ত) উপন্যাস অবলম্বনে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা:
- কর্ণফুলী উপন্যাসটি পাহাড়-সমুদ্র ধরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- স্মৃতিস্তম্ভ একটি কাব্যগ্রন্থ যার উল্লেখযোগ্য কবিতা মানচিত্র।

- শাশ্বত বঙ্গ প্রবন্ধ কাজী আবদুল ওদুদ রচিত।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
শকুন্তলার পুত্রের নাম কি?
  1. নারায়ণ চন্দ্র
  2. দুষ্মন্ত
  3. মুনির
  4. ভরত
সঠিক উত্তর:
ভরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরত
ব্যাখ্যা

শকুন্তলার পুত্রের নাম ভারত এবং স্বামীর নাম রাজা দুষ্মন্ত।
- শকুন্তলা ছিল মুনির পালিত কন্যা।
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত অভিজ্ঞান শকুন্তলা নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান কাহিনী লিখে তার নাম দেন শকুন্তলা

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ১৮৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে সংস্কৃত কলেজ ত্যাগ করার অল্প পরেই তিনি ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা ভাষার প্রধান পন্ডিতের পদ লাভ করেন।
- তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে:
- বোধোদয় (১৮৫১)
- কথামালা (১৮৫৬)
- চরিতাবলী (১৮৫৬) এবং
- জীবনচরিত (১৮৫৯)।
- ব্যাকরণ-কৌমুদীও (১৮৫৩-৬৩) তাঁর ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক অবদান।

তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেতাল পঞ্চবিংশতি,
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস।

সূত্র: লাল নীল দীপাবলি (হুমায়ুন আজাদ)

.
”আব্দুল্লাহ” উপন্যাসটি কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো?
  1. কল্লোল
  2. মোসলেম ভারত
  3. বঙ্গদর্শন
  4. ভারতী
সঠিক উত্তর:
মোসলেম ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোসলেম ভারত
ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ (১৯৩৩) উপন্যাসটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
- উপন্যাসটি রচনা করেন কাজী ইমদাদুল হক।

কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর খুলনা জেলার গোদাইপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি শিক্ষক (১৯২০) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- আঁখিজল (১৯০০)
- মোসলেম জগতে বিজ্ঞান চর্চা (১৯০৪),
- ভূগোল শিক্ষা প্রণালী (দু ভাগ, ১৯১৩, ১৯১৬),
- নবীকাহিনী (১৯১৭),
- প্রবন্ধমালা (১৯১৮),
- কামারের কান্ড (১৯১৯) ।
১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

.
”রানী খালের সাঁকো” উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. আহসান হাবীব
  3. এস ওয়াজেদ আলী
  4. ইবরাহীম খাঁ
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

রানী খালের সাঁকো উপন্যাসটির রচয়িতা আহসান হাবীব।
- তিনি তকবীর (১৯৩৭), বুলবুল (১৯৩৭-৩৮) ও সওগাত (১৯৩৯-৪৩) পত্রিকায় কাজ করেন।
- সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।
- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।

 তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছায়াহরিণ (১৯৬২),
- সারা দুপুর (১৯৬৪)
- আশায় বসতি (১৯৭৪)
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬)
- দুহাতে দু আদিম পাথর (১৯৮০)
- প্রেমের কবিতা (১৯৮১)
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫)

তাঁর দুটি বিশিষ্ট উপন্যাস হলো :
- অরণ্য নীলিমা (১৯৬০) ও
- রাণীখালের সাঁকো (১৯৬৫)
তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর (১৯৭৭),

 সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন:
- ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১)
- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬১)
- আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪)
- নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৭৭)
- একুশে পদক (১৯৭৮)
- ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (সৌমিত্র শেখর)

.
”আলীনগর সন্ধি”’ স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. জন কার্টিয়ার
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

আলীনগর চুক্তি ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও রবার্ট ক্লাইভ এর মধ্যে মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- নওয়াব কলকাতার ইংরেজ বসতি অধিকার করেন (১৮-২০ জুন ১৭৫৬) এবং ইংরেজরা তাঁর প্রকৃত ক্ষতিসমূহের প্রতিবিধান করতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের কলকাতা শহর থেকে বিতাড়িত করেন।
- তিনি এ শহরের নতুন নামকরণ করেন আলীনগর।
- এ চুক্তি বেশি দিন স্থায়িত্বলাভ করে নি, এর প্রধান কারণ, ইংরেজরা এর শর্তাবলি মেনে চলে নি। ফলে চুক্তিটি ভেঙ্গে যায় এবং ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

১০.
কোন আইনের ফলে কোন কোম্পানির গভর্নরের পদ গভর্নর জেনারেল পদ উন্নীত করা হয়?
  1. পিট ভারত আইন
  2. নিয়ামক আইন
  3. বেঙ্গল মিউনিসিপাল অ্যাক্ট
  4. ইলবার্ট বিল
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
ব্যাখ্যা

নিয়ামক বা রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত প্রথম আইন।
- ব্রিটিশ কোম্পানির অবহেলা নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষার্থে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ইস্ট ইন্ডিয়া
- কোম্পানির শাসন কে নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ামক আইন পাশ করা হয়|
- এই আইনের ফলে কোম্পানির গভর্নর গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয় ।
-কোম্পানি কর্মকর্তাদের অসদাচরণ ও দুর্নীতি দমনই ছিল এ আইনের বিধানগুলির লক্ষ্য। অবশ্য এ আইন দুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি

১১.
প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. লর্ড লিটন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড মিন্টো
  4. উইলিয়াম হান্টার
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হান্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হান্টার
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন (১৮৮২) নামে পরিচিত। এটি ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত এ কমিশনের কাজ ছিল ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা প্রস্তাবের সময় থেকে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা।
-স্যার উইলিয়ম উইলসন হান্টারকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিশনের অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন আনন্দমোহন বসু, এ.ডব্লিউ ক্রফট্ (Director of Public Instruction, Bengal), ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, কাশীনাথ ত্রিম্বক তীলং এবং স্যার সৈয়দ আহমদ খান।
- অবশ্য সৈয়দ আহমদ খান পরবর্তীসময়ে তাঁর পুত্র সৈয়দ মুহম্মদের পক্ষে নিজের নিযুক্তি প্রত্যাহার করে নেন।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া

১২.
উপমহাদেশের অফিস আদালতে ফারসির বদলে ইংরেজি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৮৩৫
  2. ১৮১৭
  3. ১৮২৪
  4. ১৮৩৭
সঠিক উত্তর:
১৮৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৭
ব্যাখ্যা

অফিস আদালতে ফারসির বদলে ইংরেজি চালু হয় ১৮৩৭ সালে।
- ইংরেজরা তাদের শাসন পাকাপোক্ত করার জন্য দেশের মধ্যে থেকে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত একটি অনুগত শ্রেণি তৈরিতে কোন যোগ দেয়।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক এদেশে ইংরেজি শিক্ষার সম্প্রসারণ এর পক্ষে লর্ড মেকলে নামের একটি ইংরেজী শিক্ষা নীতির প্রস্তাব করেন।
- ১৮৩৫ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ এবং বোম্বাই এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন স্থাপিত করেন যার উচ্চ শিক্ষার মাধ্যম ছিল ইংরেজি।
- ১৮৪৫ চাকুরীতে ইংরেজি শিক্ষিতদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি প্রবর্তিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি

১৩.
জেনানা মিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য কি ছিল?
  1. ইংরেজিতে উচ্চশিক্ষা প্রণয়ন
  2. নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
  3. পুরুষদের খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত করা
  4. মুসলিম দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
ব্যাখ্যা

জেনানা মিশন বাঙালি ও ভারতীয়দের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতকরণের লক্ষ্যে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্দোলন।
- এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল জেনানা অর্থাৎ অন্তপুরে গিয়ে নারী কর্তৃক নারীদের পাশ্চাত্য শিক্ষা দেওয়া এবং ওই শিক্ষার মাধ্যমে নারীর সনাতন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো।
- বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে পাঠদান এবং পরিশেষে নারীদেরকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করাই ছিল জেনানা মিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য।
- মেরী জেইন কেনার্ড ছিলেন একজন খ্রিস্টান মিশনারি। ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতায় ১৮৫২ সালে তিনি ’জেনানা মিশন’ নামে নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ভারতে মহিলাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে জেনানা মিশনই প্রথম ভারতে মহিলা ধর্মপ্রচারক প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- জেনানা মিশন চার্চ মিশনারি সোসাইটি (প্রতিষ্ঠিত. ১৭৯৯ সাল)-এর অঙ্গ সংস্থারূপে ভারতে ধর্মপ্রচার পরিচালনা করে।
- ১৮৬৪ সালে ভারতে জেনানা মিশনের নতুন নাম হয় Indian Female Normal and Instruction Society।
- ১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে জেনানা মিশন নতুন কর্মকান্ড হিসেবে পাশ্চাত্য চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এর সঙ্গে মিশনের নতুন নামও দেওয়া হয় Zenana Bible and Medical Mission।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৪.
বাঙালি ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা “বাঘা যতীন” কোন অঞ্চল থেকে বিপ্লবী হয়ে ওঠেন?
  1. মেদিনীপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদ পুর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (৭ ডিসেম্বর ১৮৭৯ – ১০ সেপ্টেম্বর ১৯১৫) ছিলেন একজন বাঙালি ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা।
- তিনি বাঘা যতীন নামেই সকলের কাছে সমধিক পরিচিত।
- ভারতে ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।
- বাঘা যতীন ছিলেন বাংলার প্রধান বিপ্লবী সংগঠন যুগান্তর দলের প্রধান নেতা।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পূর্বে কলকাতায় জার্মান যুবরাজের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে তিনি জার্মানি থেকে অস্ত্র ও রসদের প্রতিশ্রুতি অর্জন করেছিলেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে 'জার্মান প্লট' তারই মস্তিষ্কপ্রসূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৫.
নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত বস্তু নয়?
  1. বেনজয়িক এসিড
  2. বেনজিন
  3. নিশাদল
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
ব্যাখ্যা

বেনজিন উর্ধ্বপাতিত বস্তু নয় ।
- উর্ধ্বপাতন হ'ল তরল অবস্থায় প্রবেশ না করেই পদার্থের কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে রূপান্তর।
- যেমন কর্পূর, গন্ধক, আয়োডিন, ন্যাপথলিন, নিশাদল, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্সেনিক ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি

১৬.
নাইট্রিক এসিডের মৌলিক পদার্থ কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. সোডিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

নাইট্রিক এসিডের মৌলিক পদার্থ হল হাইড্রোজেন।
- নাইট্রিক এসিডে(HNO3) হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন থাকলেও এখানে অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন নাইট্রেট যৌগমূলক রূপে অবস্থান করে|
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন মৌলের মধ্যে অবস্থান করে ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি

১৭.
বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কি?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. অলটিমিটার
  3. টেকোমিটার
  4. এনোমোমিটার
সঠিক উত্তর:
এনোমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনোমোমিটার
ব্যাখ্যা

বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম হল এনোমোমিটার ।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র অলটিমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র অডিওমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র অডিওমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র ল্যাকটোমিটার।

উৎস: Britannica.com

১৮.
মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. ইনফ্রারেড
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. আল্ট্রাভায়োলেট
  4. এক্স- রে
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয় মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি ।
- অণুতরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ (ইংরেজি: Microwave) দ্বারা সে সকল তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নির্দেশ করা হয় যাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ন্যূনতম ১ মিলিমিটার হতে সর্বোচ্চ ১ মিটার পর্যন্ত।
- এদের কম্পাঙ্ক ৩০০ মেগাহার্জ (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১ মিটার) হতে ৩০০ গিগাহার্জ (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১ মিলিমিটার) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

উৎস:সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণি

১৯.
একটি ৪০ ওয়াটের বাতি ১০ মিনিট ধরে জ্বললে বাতিটির ব্যয়িত শক্তির জুল কত হবে?
  1. ২১ X ১০ জুল
  2. ৬০ X ১০ জুল
  3. ৪০ X ১০ জুল
  4. ২৪ X ১০ জুল
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
ব্যাখ্যা

বৈদ্যুতিক ক্ষমতার,P =৪০ ওয়াট , সময় T= ১০ মিনিট=৬০০ সেকেন্ড।

 আমরা জানি,
কাজ(W)=( P X T) জুল
= (৪০ X ৬০০)
= ২৪০০০ বা ২৪ X ১০৩ জু

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

২০.
'বেকরেল' নিচের কোনটির একক?
  1. লেন্সের ক্ষমতা
  2. এক্সরে
  3. দীপন ক্ষমতা
  4. তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করার জন্য যে একক ধরা হয় তাকে বলা হয় বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা হলো যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।
- ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরণ নির্গত হয়।
- তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি।
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।

উৎস: Britannica.com

২১.
দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুকে আঘাত করলে কি উৎপন্ন হয়?
  1. এক্সরে
  2. নিউটন
  3. প্রোটন
  4. অণু
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
ব্যাখ্যা

দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন কোন ধাতুকে আঘাত করলে তা থেকে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন এক প্রকৃতির বিকিরণ উৎপন্ন হয়।
- এই বিকিরণকে বলা হয় এক্সরে বা এক্স রশ্মি(X-Ray)।
- ১৮৯৫ সালে নভেম্বর মাসের আট তারিখে উইলিয়াম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে রঞ্জন রশ্মি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণী

২২.
'কম্যুটেটর' কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রান্সফরমারের
  2. ডিসি মোটরে
  3. এসি মোটরে
  4. মাইক্রোফোনে
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
ব্যাখ্যা

প্রত্যেক ডিসি জেনারেটরের আর্মেচারে উৎপন্ন কারেন্ট সব সময় এসি হয়ে থাকে, ডিসি জেনারেটরের এই এসি ভোল্টেজকে বহিঃসার্কিটে ডিসি পাওয়ার জন্য যে ডিভাইস বা মেকানিজম ব্যবহৃত হয় তাকে কম্যুটেটর বলে।
- নরম লোহার উপরে তামার পুরো পাত একের পর এক সাজিয়ে কুণ্ডলী আকার বানিয়ে কম্যুটেটর বানানো হয় ।
- কম্যুটেটরের প্রধান কাজ হলো AC (অল্টারেন্ট কারেন্ট) কারেন্ট কে DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট) কারেন্টে রূপান্তরিত করা ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

২৩.
ট্রান্সফরমার এর মাধ্যমে কি প্রবাহিত হয়?
  1. বিদ্যুৎ
  2. ভোল্টেজ
  3. ফ্রিকোয়েন্সি
  4. বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত ও নিম্ন বিভক্তির ছবি ভাবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলেv
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ এবং তড়িৎ প্রবাহকে রূপান্তর করে।
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার । -

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

২৪.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. সিলভার সালফেটের
  4. সিলভার নাইট্রেটের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা

ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে|
- সিলভার ব্রোমাইডের। ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।
- এটি −১ (Br−) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু।
- যেমন সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br−) এর প্রতি ।
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়।
- সালফার ডাই ব্রোমাইড এর মত সমযোজী যৌগ ব্রোমাইড শব্দটি একটি ভ্রমণ পরমাণু কেউ বোঝাতে পারে যার জারণ সংখ্যা-১।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

২৫.
তর, তম, তন প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদের অন্ত ‘অ’ এর উচ্চারণ কীরূপ হয়?
  1. বিবৃত হয়
  2. প্রকৃত হয়
  3. সংবৃত হয়
  4. অপ্রকৃত হয়
সঠিক উত্তর:
সংবৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবৃত হয়
ব্যাখ্যা

তর, তম, তন প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদের অন্ত ‘অ’ সংবৃত হয়।
- সংস্কৃত প্রয়োগ অনুসারেই বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের মধ্যে আকর্ষিত রয়েছে। 

অ - ধ্বনির দুই রকম উচ্চারণ।
- বিবৃত বা স্বাভাবিক উচ্চারণ। যেমন : অমল, অনেক, কত।
- সংবৃত বা ও - ধ্বনির মতো উচ্চারণ। যেমন : ওধীর, ওতুল, মোন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)

২৬.
বাংলা একাক্ষর যুক্ত শব্দে 'ও' কার কি হয়?
  1. স্বল্প
  2. দীর্ঘ
  3. সমান থাকে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ
ব্যাখ্যা

বাংলা একাক্ষর যুক্ত শব্দে 'ও' কার দীর্ঘ হয়।
- যেমনঃ গো, জোর, রোগ ইত্যাদি। অন্যত্র সাধারণত হ্রস্ব হয়।
- ও এর উচ্চারণ ইংরেজিতে বোট শব্দের (oa) এর মত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)

২৭.
কোন ধ্বনি জিহব্বার অগ্রভাগের তলদেশ দ্বারা ওপরের দন্তমুলে দ্রুত আঘাত করে উচ্চারিত হয়?
  1. শিশধ্বনি
  2. কম্পনজাত ধ্বনি
  3. পার্শ্বিক ধ্বনি
  4. তাড়নজাত ধ্বনি
সঠিক উত্তর:
তাড়নজাত ধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়নজাত ধ্বনি
ব্যাখ্যা

তাড়নজাত ধ্বনি জিহব্বার অগ্রভাগের তলদেশ দ্বারা ওপরের দন্তমুলে দ্রুত আঘাত করে উচ্চারিত হয় ।
- বাংলা ভাষার ''ড়'' ও ''ঢ়'' বর্ণের উচ্চারণরীতি তাড়িত।
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি, সে ধ্বনিগুলিকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি। এ বর্ণ গুলি উচ্চারণের সময় শিশ দেওয়ার মতো শব্দ হয় যার ফলে এদেরকে শিশ ধ্বনিও বলা হয়।
- যেমন:শ, স, হ কে উষ্ম ধ্বনি বলা।
- কম্পনজাত ব্যঞ্জনধ্বনি সেই সমস্ত ধ্বনিকে বলা হয় যেসমস্ত ধ্বনির উচ্চারণকালে কোনো উচ্চারক একটি উচ্চারণস্থানের কাছে নিকটবর্তী হয়ে স্পন্দন বা কম্পন সৃষ্টি করে। যেমন: র।
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিব্বার এক বা দুই পারেতে বায়ু বের হয় তাকে পার্শ্বিক ধ্বনি বলে। যেমন: ল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম দশম শ্রেণি)

২৮.
পাক এর প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. পা +অক্
  2. প + অক
  3. পা + বর
  4. পচ্ + ঘঞ্
সঠিক উত্তর:
পচ্ + ঘঞ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পচ্ + ঘঞ্
ব্যাখ্যা
পচ্ + ঘঞ্= পাক, এটি বিশেষ নিয়মের প্রত্যয় সাধিত শব্দ।


পাক (বিশেষ্য):
অর্থ:
১. রন্ধন; রন্ধনকার্য (পাকের ঘর), অগ্নিতাপে সিদ্ধকরণ (সতীত্বে সাবিত্রী পাকে দ্রৌপদী সুন্দরী-দ্বিজেন্দ্রলাল রায়)।
২. অগ্নির উত্তাপে তৈরি করা (কবিরাজি তৈলাদির পাক)।
৩. হজম।
৪. পরিণতি; পরিণাম (বিপাক)।

{(তৎসম বা সংস্কৃত) পচ্‌ + অ (ঘঞ্‌)}

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২৯.
কোনটি বিদেশি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নয়?
  1. দারোয়ান
  2. জমিদারি
  3. কারিগর
  4. গিন্নিপনা
সঠিক উত্তর:
জমিদারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিদারি
ব্যাখ্যা

জমিদারি বিদেশি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নয়।

- কারিগর ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
ফারসি প্রত্যয় গুলো হল:
অট>ট, তর, গিরি, গর, দান, দানি, খানা,।
যেমনঃ চালবাজ, জমিদার।

দারোয়ান, গিন্নিপনা হিন্দি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ।
হিন্দি প্রত্যয় গুলো হলঃ সা, সে, আনা, আনি, আন আলা, পনা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা (হায়াৎ মামুদ)

৩০.
‘সুরঙ্গ’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. সংস্কৃত
  2. অর্ধ-তৎসম
  3. আরবি
  4. দেশি
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

সুরঙ্গ সংস্কৃত বা তৎসম ভাষার শব্দ।

সুরঙ্গ (বিশেষণ):
অর্থ -
১. অতি উজ্জ্বল রং বিশিষ্ট
২. সুড়ঙ্গ
শব্দের উৎস: সংস্কৃত {সু + রঙ্গ}

তৎসম ভাষার আরো শব্দ হল: অঞ্চল, পাত্র, পুত্র, ফল, পঞ্চম, ভাত, মানব, রাত্রি, ধর্ম, নদী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩১.
‘জেনানা’ কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. আরবি
  2. তুর্কি
  3. ফারসি
  4. হিন্দী
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
জেনান (বিশেষ্য):
অর্থ - নারী
বিশেষণ রূপের অর্থ - অন্তঃপুরবাসিনী
‘জেনানা’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত,

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩২.
‘পরিপূর্ণ জীবন বিকাশই হল শিক্ষা।’ - কার উক্তি?
  1. রুশো
  2. ভলতেয়ার
  3. স্পেন্সার
  4. ম্যাকাইভার
সঠিক উত্তর:
স্পেন্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন্সার
ব্যাখ্যা

হার্বার্ট স্পেন্সার এর মতে,'পরিপূর্ণ জীবন বিকাশই শিক্ষা'।
 - সক্রেটিস এর মতে, শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ ।
- সু অভ্যাস গঠনের নামে শিক্ষা- রুশো।- মহাত্মা গান্ধী বলেছেন, শিক্ষা হচ্ছে দেহ, মন ও আত্মার পরিপূর্ণ ও সুষম বিকাশ।
- শিশুর প্রথম শিক্ষালয় হলো পরিবার।

সূত্র: Britannica.com

৩৩.
আইন ও শাসন বিভাগের হস্তক্ষেপমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা নিচের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  2. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
  3. আইন বিভাগের স্বাধীনতা
  4. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

আইন ও শাসন বিভাগের হস্তক্ষেপমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে নির্দেশ করে ।
-সরকারের যে শাখা নতুন আইন প্রণয়ন, পুরাতন আইন সংশোধনও পরিবর্তন করে তাকে আইন বিভাগ বলে।
- অধ্যাপক গার্নার-এর ভাষায়, আইনসম্মতভাবে সরকারের ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত স্তরে চৌকিদার পর্যন্ত সকল কর্মচারীকে নিয়ে যে বিভাগ গঠিত হয়, সেই বিভাগকে শাসন বিভাগ বলা হয়।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।- বাংলাদেশ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় ২০০৭ সালে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)

৩৪.
সরকার ও জনগণের স্বার্থকে এক সুতোয় বাঁধার নাম-
  1. সুশাসন
  2. গণতন্ত্র
  3. মূল্যবোধ
  4. অর্থনৈতিক উন্নতি
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হলো এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ সমাজের সমস্যা ও চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সরকার ও জনগণের স্বার্থকে এক সুতোয় বাঁধার নাম সুশাসন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)

-
৩৫.
নাগরিকগণ আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ও অধিকার ভোগ করতে পারে-
  1. মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে
  2. নৈতিকতার প্রতিষ্ঠিত হলে
  3. সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে
  4. জবাবদিহিতার থাকলে
সঠিক উত্তর:
সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে
ব্যাখ্যা

নাগরিকগণ আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ও অধিকার ভোগ করতে পারেসুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে।
- সুশাসনের অর্থ : নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসনের ধারণা হল : বহুমাত্রিক।
-সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা : ২২টি।
- দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের সেবা থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয় : স্বজনপ্রীতির কারণে।
-সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না : সরকার পক্ষ ও কার্যকর প্রশাসন গড়তে ব্যর্থ হলে।
-সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যাহত করে : উচ্চাভিলাষী ও ভুল সিদ্ধান্ত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন(প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)