পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ বাংলা পরীক্ষা - ৩ (ব্যাকরণ) টপিক: ১. শব্দের উৎস ও শ্রেণি বিভাগ, ২. দ্বিরুক্ত শব্দ, ৩. সংখ্যাবাচক শব্দ, ৪. বচন, ৫. লিঙ্গ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. ডুবুরি
  2. লাল
  3. প্রশাসন
  4. গরমিল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
• লাল একটি মৌলিক শব্দ এবং ডুবুরি, প্রশাসন ও গরমিল হলো সাধিত শব্দ।

• গঠনগত দিক থেকে শব্দ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত।
যথা-
১. মৌলিক শব্দ: 
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
- উদাহরণ: গোলাপ, নাক, লাল, তিন।

২. সাধিত শব্দ: 
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
- উদাহরণ:
চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ), নীলাকাশ (নীল যে আকাশ), ডুবুরি (ডুব্‌+উরি), চলন্ত (চল্ + অন্ত), প্রশাসন (প্র+শাসন), গরমিল (গর+মিল) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
.
পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা বেশি বোঝালে কী ধরনের পূরণবাচক হয়?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. গুণিতক পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা বেশি বোঝাতে হয় - ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন - আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি [২০২২ সংস্করণ]।
.
অর্থগতভাবে শব্দকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• অর্থগতভাবে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. যৌগিক শব্দ:
- যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ।
- অন্যভাবে বলা যায়, যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ এক, সেসব শব্দকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। যেমন-
• কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত।
• বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন।
• পিতা + হীন = পিতৃহীন, অর্থ- যার পিতা নেই।
- এরূপ আরও কিছু শব্দের উদাহরণ হলো- গুণবান, পাঠক, মিতালি, ভাড়াটে, সংবাদদাতা, বিদ্যালয়, পাচক, এরূপ শব্দ হলো গুণবান, পাঠক, মিতালি, ভাড়াটে, সংবাদদাতা, বিদ্যালয়, পাচক, চরণ, পক্ষী ইত্যাদি।

২. রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ:
- সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ। যেমন-
• 'সন্দেশ' শব্দের মূল অর্থ 'সংবাদ' পরিবর্তিত হয়ে 'মিষ্টান্ন' অর্থ ব্যবহার হয়।
• 'চিকন' শব্দের মূল অর্থ 'চকচকে' পরিবর্তিত হয়ে 'সরু' অর্থ ব্যবহার হয়।

৩. যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ। যেমন-
• জলদ শব্দের মূল অর্থ যে জল দেয়, ব্যবহারিক অর্থ হলো মেঘ।
•  পঙ্কজ শব্দের মূল অর্থ যা পঙ্কে জন্মে, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম।

উৎস: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'শিল্পী' শব্দটি কোন লিঙ্গ?
  1. পুংলিঙ্গ
  2. স্ত্রীলিঙ্গ
  3. ক্লীবলিঙ্গ
  4. উভয়লিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উভয়লিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়লিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• 'শিল্পী' দ্বারা নারী বা পুরুষ উভয়ই বোঝায় তাই শিল্পী উভয়লিঙ্গ।

- যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বোঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ।
- উভয়লিঙ্গের উদাহরণ হলো: শিল্পী, ডাক্তার, শিশু, মানুষ, কবি ইত্যাদি।

• বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. পুংলিঙ্গ,
২. স্ত্রীলিঙ্গ,
৩. ক্লীবলিঙ্গ ও
৪. উভয়লিঙ্গ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পর্তুগিজ শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. ভবন
  2. তোশক
  3. বেগম
  4. মাস্তুল
সঠিক উত্তর:
মাস্তুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাস্তুল
ব্যাখ্যা
• 'মাস্তুল' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
- আলপিন, পাউরুটি, ইংরেজ, সাবান, তােয়ালে, বালতি, নিলাম, আলকাতরা, মার্কা, জানালা, পেরেক, ক্ৰশ, পরাত (বৃহৎ থালা), বারান্দা, নােনা, যিশু, বেহালা, পেঁপে, পাচার, পেয়ারা, বােতাম, আলমারি, মিস্ত্রি, গামলা, ফিতা, সেমিজ, কামিজ, গির্জা, চাবি, পাদ্রি, আনারস, টুপি, বােমা, কেরানি, কামরা, আতা, তামাক, ইস্পাত, আয়া, আচার, পিস্তল, বেহালা, মাস্তুল, মাইরি, গুদাম ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ভবন - তৎসত শব্দ।
- তোশক ও বেগম হলো তুর্কি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি বিশেষ্যের বহুবচন নির্দেশ করে না?
  1. দের
  2. গুলো
  3. টি
  4. রা
সঠিক উত্তর:
টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টি
ব্যাখ্যা
• একবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
- যেমন:  শিক্ষক ক্লাসে এসেছেন।

• বহুবচন:
যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহু বচন বলে।
- যেমন: মাঝিরা নৌকা চালায়।

• কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।
• কোনো কোনো সময় টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি যোগ করে বিশেষ্যের একবচন নির্দেশ করা হয়।
- যেমন- গরুটা, বাছুরটা, কলমটা, খাতাখানা, বইখানি ইত্যাদি।
• বাংলায় বহুবচন প্রকাশের জন্য রা, এরা, গুলা, গুলি, গুলো, দিগ, দের প্রভৃতি বিভক্তি যুক্ত হয় এবং সব, সকল, সমুদয়, কূল, বৃন্দ, বর্গ, নিচয়, রাজি, রাশি, পাল, দাম, নিকর, মালা, আবলি প্রভৃতি সমষ্টিবোধক শব্দ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'ইনী' প্রত্যয় যোগে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ কোনটি?
  1. জেলেনি
  2. মালিনী
  3. ভাগনী
  4. কামারনী
সঠিক উত্তর:
মালিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিনী
ব্যাখ্যা
• 'ইনী' প্রত্যয় যোগে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ - মালিনী।

• পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে-ইনী প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ:
গোয়ালা-গোয়ালিনী, বাঘ-বাঘিনী, কাঙাল-কাঙালিনী, ভাগা-অভাগিনী, বিহঙ্গ-বিহঙ্গিনী, চাতক-চাতকিনী, মালী-মালিনী, পাগল-পাগলিনী, সন্ন্যাস-সন্ন্যাসিনী, শ্বেতাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গিনী, সাপ-সাপিনী, গোপ-গোপিনী, রজক-রজকিনী, মাতঙ্গ-মাতঙ্গিনী।
• 'নী' প্রত্যয় যোগে রূপান্তরিত বা গঠিত নারীবাচক শব্দ: জেলে-জেলেনি।
• 'ঈ' প্রত্যয় যোগে গঠিত বাংলা স্ত্রীবাচক শব্দ হলো: ভাগনে-ভাগনী, কামার-কামারনী।

উৎস:
১. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
২. মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ইশারা' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তদ্ভব
  2. উর্দু
  3. আরবি
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
• "ইশারা" শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত। 

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ আরবি শব্দ:
- আদাব,
- আদালত,
- উকিল,
- ইবাদত,
- ইনসান,
- এতিম,
- এলাকা,
- এলাহি,
- কয়েদ,
- কসাই,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ,
- তকদির,
- ফসল,
- মজলুম,
- মুসাফির ইত্যাদি।

উৎস:
১. বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোন শব্দটি তুর্কি শব্দ?
  1. কোর্মা
  2. পেয়ারা
  3. ফিতা
  4. শিশি
সঠিক উত্তর:
কোর্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্মা
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'কোর্মা'- তুর্কি ভাষার শব্দ।
'কোর্মা' বলতে বোঝায়- তুর্কি পদ্ধতিতে দই সহযোগে অল্প মসলায় রাঁধা মাছ মাংস প্রভৃতি।

• তুর্কি ভাষার শব্দ -
কাঁচি, খোকা, বাবুর্চি, উজবুক, কোর্মা, তুরুক, বেগম, বাবা, বিবি।

অন্যদিকে,
'ফিতা, পেয়ারা'- পর্তুগিজ শব্দ।
'শিশি'- ফারসি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১০.
তৎসম শব্দের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. চাঁদ
  2. ধর্ম
  3. রাত্রি
  4. ভূমি
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
ব্যাখ্যা
• চাঁদ হলো তদ্ভব ভাষার শব্দ।

• তৎসম শব্দ:
- তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ [তৎ = তার, সম = সমান] তার সমান।
- এখানে 'তার' বলতে 'সংস্কৃত'র সমান বোঝানো হয়েছে।
- অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার যেসব শব্দ সরাসরি এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ।
- উদাহরণ চন্দ্র, সূর্য, ধর্ম, বৃক্ষ, মানব, পুত্র, রাত্রি, পর্বত, ভূমি, সিংহ, তাপসী, প্রশ্ন, পাত্র, জলধি ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এই 'তদ্ভব' পরিভাষার 'তৎ' = তার, এবং ভাব ('ভব') = উৎপন্ন অর্থ বুঝায়।
- এখানেও 'তার' বলতে 'সংস্কৃত'কে নির্দেশ করছে।
- অর্থাৎ যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তনের ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, তাদেরকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
- উদাহরণ- ভাত, চাঁদ, আজ, বউ, হাত, টাকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'আদিত্য' কী ধরণের শব্দ?
  1. রূঢ়ি শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন -
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতিবিশেষ'।
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- আদিত্য: ব্যুৎপত্তিগত অর্থ অদিতির পুত্র বা সকল দেবতা। কিন্তু আদিত্য মানে সূর্য।

উৎস:
১. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
২. ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১২.
লিঙ্গ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. রূপতত্ত্ব
  2. ধ্বনিতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. বাক্যতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• 'লিঙ্গ' ব্যাকরণের 'শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব' অংশের আলোচ্য বিষয়।

• রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।
- উপসর্গ, প্রত্যয়, শব্দগঠন, পদপরিচয়, ক্রিয়া, লিঙ্গ, পুরুষ, বচন ইত্যাদি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস:
১. মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি [২০২২ সংস্করণ]।
১৩.
নিচের কোনটি সাধিত শব্দ?
  1. সম্পাদকীয়
  2. গাছ
  3. গোলাপ
  4. পাখি
সঠিক উত্তর:
সম্পাদকীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদকীয়
ব্যাখ্যা
• সাধিত শব্দ - সম্পাদকীয়।

• গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মৌলিক শব্দ ও
২. সাধিত শব্দ।

• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন - পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।

- শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন - ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি [২০২২ সংস্করণ]।
১৪.
বচন দ্বারা কী নির্দেশিত হয়?
  1. গণনবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা
  2. বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের লিঙ্গের ধারনা
  3. বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের দোষ গুণ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গণনবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণনবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• বচন হল সংখ্যার ধারণা। এটি গণনাবাচক বিশেষ্য এবং সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশ করে।

- বাংলা ভাষায় বচন সাধারণত দুটি ভাগে বিভক্ত: একবচন ও বহুবচন। সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।
- তবে অনেক ক্ষেত্রে কোনো বচন লগ্নক ব্যবহার না করেও বহুবচন বোঝানো যায়। উদাহরণ হিসেবে নিচের বাক্যগুলো লক্ষ্য করা যেতে পারে:
• বাজারে লোক কম।
• মৌমাছি মৌচাক বানায়।
• সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে তিনি গবেষণা করছেন।
- এই ধরনের বাক্যে নির্দিষ্ট কোনো বহুবচন লগ্নক না থাকলেও অর্থ থেকে বহুবচন নির্দেশিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ।[২০২২ সংস্করণ]