পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১১৬
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট - ২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১৬ প্রশ্ন

.
বৈদিক সাহিত্য কোন ধরনের সাহিত্যের অন্তর্গত?
  1. লোকসাহিত্য
  2. ধর্মসাহিত্য
  3. প্রাচীনতম সংস্কৃত সাহিত্য
  4. আখ্যানসাহিত্য
ব্যাখ্যা

বৈদিক সাহিত্য সংস্কৃত সাহিত্যের সূচনা পর্ব। এতে চার বেদ (ঋগ, যজুর, সাম, অথর্ব) অন্তর্ভুক্ত। এ সাহিত্য ধর্মীয় আচার, স্তোত্র, যজ্ঞবিধি ও তত্ত্বজ্ঞানভিত্তিক। এটি মূলত কবিত্বময় হলেও ধর্ম ও দর্শনের মিশ্রণে রচিত। ভাষাগত দিক থেকে এটি বৈদিক সংস্কৃত নামে পরিচিত। এজন্য একে সংস্কৃত সাহিত্যের প্রাচীনতম রূপ বলা হয়।

.
মহাভারতের রচয়িতা হিসেবে কাকে ধরা হয়?
  1. বাল্মীকি
  2. ব্যাস
  3. কালিদাস
  4. ভাস
ব্যাখ্যা

মহাভারত হলো বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ মহাকাব্য, যেখানে ১,০০,০০০ এরও বেশি শ্লোক রয়েছে। এর রচয়িতা মহর্ষি বেদব্যাস। মহাভারতের মূল কাহিনি কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ ও কৌরব-পাণ্ডব সংঘাতকে কেন্দ্র করে। এতে ধর্ম, নীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি প্রভৃতি আলোচিত হয়েছে। এজন্য একে “পঞ্চম বেদ” বলা হয়। ব্যাসদেব বেদগুলির সংকলনও করেছিলেন।

.
নাট্যশাস্ত্রের রচয়িতা কে?
  1. ভরত
  2. কালিদাস
  3. ভাস
  4. শূদ্রক
ব্যাখ্যা

নাট্যশাস্ত্র নাট্যকলার প্রাচীনতম গ্রন্থ। এর রচয়িতা মহর্ষি ভরত। গ্রন্থে নাটক, নৃত্য, সঙ্গীত, রস, অভিনয় ও মঞ্চব্যবস্থার নিয়ম বিস্তারিত বলা হয়েছে। নাট্যশাস্ত্রকে নাট্যকলার “এনসাইক্লোপিডিয়া” বলা হয়। এর মধ্যে রসতত্ত্ব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভরত নাট্যকলাকে সমাজ ও ধর্মজীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দেখিয়েছেন।

.
সংস্কৃত সাহিত্যে "মহাকাব্য" শব্দের প্রকৃত অর্থ কী?
  1. ধর্মকাব্য
  2. বৃহৎ আখ্যান
  3. ছোট কবিতা
  4. ছন্দবদ্ধ গদ্য
ব্যাখ্যা

মহাকাব্য মানে হলো “বৃহৎ কাব্য” বা মহৎ আখ্যান। এতে বীরপুরুষ, দেবতা বা মহান ঘটনার কাহিনি থাকে। মহাকাব্যের মূল লক্ষ্য কেবল বিনোদন নয়, নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শ উপস্থাপন। রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের প্রধান উদাহরণ। এ ধরনের কাব্যে বীররস ও শৃঙ্গার রস প্রধান থাকে। মহাকাব্যের মাধ্যমে সমাজজীবন ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটে।

.
‘মৃচ্ছকটিক’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. ভাস
  3. শূদ্রক
  4. রাজশেখর
ব্যাখ্যা

মৃচ্ছকটিক বা "মাটির গাড়ি" হলো সংস্কৃত সাহিত্যের একটি প্রসিদ্ধ প্রাচীন নাটক। এর রচয়িতা রাজা শূদ্রক। নাটকটিতে চারুদত্ত ও বসন্তসেনার প্রেমকাহিনি মূল বিষয় হলেও রাজনৈতিক ও সামাজিক চিত্রও ফুটে উঠেছে। নাটকে প্রেম, রাজনীতি, ষড়যন্ত্র ও মানবিকতার মিশ্রণ দেখা যায়। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব ছবি তুলে ধরা হয়েছে। এজন্য এটি অনন্য নাট্যকীর্তি।

.
‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের বিষয়বস্তু কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. ঋগ্বেদ
  2. রামায়ণ
  3. ভাগবত পুরাণ
  4. মহাভারত
ব্যাখ্যা

কালিদাস রচিত ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকের কাহিনি মহাভারতের আদি পর্ব থেকে গৃহীত। এতে ঋষি কন্যা শকুন্তলা ও রাজা দुष्यন্তের প্রেম ও পরিণয়ের কাহিনি বলা হয়েছে। কালিদাস কাহিনিকে কাব্যময় ও নাট্যোপযোগী করে তুলেছেন। নাটকে প্রকৃতির সৌন্দর্য, প্রেম, বেদনা ও পুনর্মিলনের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। এজন্য এটি বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য রত্ন।

.
গদ্যকাব্য ‘কাদম্বরী’ কার রচনা?
  1. বাণভট্ট
  2. হরষবর্ধন
  3. রাজশেখর
  4. দণ্ডী
ব্যাখ্যা

কাদম্বরী হলো সংস্কৃত সাহিত্যের একটি বিখ্যাত গদ্যকাব্য। এর রচয়িতা বাণভট্ট, যিনি সম্রাট হর্ষবর্ধনের সভাকবি ছিলেন। কাদম্বরী মূলত একটি প্রেমকাহিনি, যেখানে চমৎকার কল্পনা ও অলঙ্কার ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "আলঙ্কারিক গদ্য" সাহিত্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভাষাশৈলী, রস ও কাহিনির মোহনীয়তা একে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে তুলেছে।

.
‘দশকুমার চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. দণ্ডী
  3. ভাস
  4. বিষ্ণুশর্মা
ব্যাখ্যা

দণ্ডী ছিলেন সংস্কৃত সাহিত্যের গদ্যকার। তাঁর রচিত ‘দশকুমার চরিত’ একটি প্রসিদ্ধ আখ্যানমূলক গদ্যকাব্য। এতে দশজন যুবকের বিচিত্র অভিযান ও অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে। কাহিনিগুলোতে রোমাঞ্চ, রাজনীতি, নীতি ও কূটনীতির বিবরণ আছে। গ্রন্থটি গদ্যকাব্যের পরিণত রূপ হিসেবে গণ্য হয়। এজন্য দণ্ডীকে গদ্য সাহিত্যের জনক বলা হয়।

.
পঞ্চতন্ত্র কাহিনি কে রচনা করেছিলেন?
  1. বাণভট্ট
  2. বিষ্ণুশর্মা
  3. রাজশেখর
  4. ভরত
ব্যাখ্যা

পঞ্চতন্ত্র হলো নীতিকথা ও উপকথার প্রসিদ্ধ সংকলন। এর রচয়িতা বিষ্ণুশর্মা। তিনি শিশু রাজপুত্রদের নীতি ও রাজনীতি শেখানোর জন্য এই কাহিনিগুলো রচনা করেন। গল্পগুলো প্রাণী চরিত্র ও রূপকের মাধ্যমে বলা হয়েছে। এ কাহিনি বিশ্বসাহিত্যে নীতিগল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছে। এজন্য পঞ্চতন্ত্রকে সর্বজনীন শিক্ষামূলক গ্রন্থ ধরা হয়।

১০.
সংস্কৃত সাহিত্যের সুবর্ণযুগ হিসেবে কোন সময়কে ধরা হয়?
  1. বৈদিক যুগ
  2. মগধ যুগ
  3. গুপ্ত যুগ
  4. মৌর্য যুগ
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত সাহিত্যের সুবর্ণযুগ হলো গুপ্ত যুগ (৪র্থ–৬ষ্ঠ শতক খ্রিষ্টাব্দ)। এসময়ে কালিদাস, শূদ্রক, ভাস, বিষাখদত্ত, বাণভট্ট প্রমুখ মহান সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন। কাব্য, নাটক, গদ্য ও দর্শনসহ সাহিত্যচর্চার প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হয়। রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য ও শিল্পকলা সমৃদ্ধ হয়। এজন্য গুপ্ত যুগকে সংস্কৃত সাহিত্যের সোনালি যুগ বলা হয়।

১১.
সংস্কৃত সাহিত্যে ‘আদিকবি’ কাকে বলা হয়?
  1. ব্যাস
  2. বাল্মীকি
  3. কালিদাস
  4. ভাস
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য হলো ‘রামায়ণ’। এর রচয়িতা ঋষি বাল্মীকি। এজন্য তাঁকে আদিকবি বলা হয়। রামচন্দ্রের জীবনী ও রাক্ষসরাজ রাবণের বিরুদ্ধে রাম-রাবণ যুদ্ধ এ কাব্যের মূল বিষয়। বাল্মীকি রচনায় কাব্যধর্মিতা, আখ্যান, রস ও ধর্ম মিলেমিশে এক অনন্য রূপ পেয়েছে। তাই তিনি কাব্যসাহিত্যের পথিকৃৎ।

১২.
‘রঘুবংশ’ কার রচনা?
  1. ভাস
  2. কালিদাস
  3. বাণভট্ট
  4. শূদ্রক
ব্যাখ্যা

কালিদাস রচিত রঘুবংশ একটি প্রসিদ্ধ মহাকাব্য। এখানে রঘুবংশীয় রাজাদের বংশকাহিনি, বিশেষত রামচন্দ্রের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কাব্যে বীররস ও শৃঙ্গার রসের চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। এতে প্রকৃতির বর্ণনা, উপমা ও অলঙ্কারের সমৃদ্ধ ব্যবহার দেখা যায়। রঘুবংশ মহাকাব্যকে সংস্কৃত সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কাব্যগুলির মধ্যে ধরা হয়।

১৩.
‘কিরাতার্জুনীয়ম’ কাব্যের কবি কে?
  1. মাঘ
  2. ভাস
  3. ভারতিহর
  4. ভারবি
ব্যাখ্যা

‘কিরাতার্জুনীয়ম’ হলো মহাকাব্য, যার রচয়িতা ভারবি। এটি মহাভারতের এক পর্বকে অবলম্বন করে রচিত। এখানে অর্জুন ও শিব (কিরাত রূপে) এর দ্বন্দ্বযুদ্ধ ও শিবের বরপ্রদান কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কাব্যে বীররস প্রধান হলেও কাব্যশৈলী অত্যন্ত পরিশীলিত। এজন্য এটি গুপ্তযুগীয় সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

১৪.
সংস্কৃত গদ্যসাহিত্যের “চম্পূ কাব্য” বলতে কী বোঝায়?
  1. কেবল কাব্য
  2. কেবল গদ্য
  3. কাব্য ও গদ্যের সংমিশ্রণ
  4. মহাকাব্য
ব্যাখ্যা

চম্পূ কাব্য হলো এক বিশেষ ধরনের রচনা যেখানে কাব্য (পদ্য) ও গদ্যের মিশ্রণ থাকে। এই ধারা সংস্কৃত গদ্যসাহিত্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়। বাণভট্ট, দণ্ডী প্রমুখ এই ধারায় কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। পদ্যাংশ কাহিনিকে কাব্যময় করে তোলে, আর গদ্যাংশ কাহিনির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

১৫.
‘মেঘদূত’ কোন ধরনের কাব্য?
  1. মহাকাব্য
  2. ক্ষুদ্রকাব্য
  3. গদ্যকাব্য
  4. আখ্যান
ব্যাখ্যা

কালিদাস রচিত ‘মেঘদূত’ একটি ক্ষুদ্রকাব্য বা “লঘুকাব্য”। এখানে নির্বাসিত যক্ষ তার প্রিয়াকে বার্তা পাঠাতে মেঘকে দূত হিসেবে কল্পনা করেছে। কাব্যে প্রকৃতির অপূর্ব বর্ণনা, শৃঙ্গার রস ও কল্পনার সমাহার ঘটেছে। ‘মেঘদূত’ সংস্কৃত সাহিত্যের ক্ষুদ্রকাব্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

১৬.
ভাস কীর্তিমান কেন?
  1. মহাকাব্যের জন্য
  2. নাট্যরচনার জন্য
  3. গদ্যরচনার জন্য
  4. দর্শনের জন্য
ব্যাখ্যা

ভাস ছিলেন প্রাচীন সংস্কৃত নাট্যকার। তাঁর রচিত নাটকের সংখ্যা ১৩টিরও বেশি। এর মধ্যে ‘স্বপ্নবাসবদত্তম’, ‘প্রতিমা’, ‘অভিষেক’, ‘দূতঘটোৎকচ’ প্রসিদ্ধ। ভাসের নাটকে সংলাপ ও চরিত্রায়ণ অত্যন্ত প্রাণবন্ত। তিনি কালিদাসের পূর্বসূরি নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে খ্যাত।

১৭.
‘হর্ষচরিত’ কে রচনা করেছিলেন?
  1. বাণভট্ট
  2. কালিদাস
  3. মাঘ
  4. দণ্ডী
ব্যাখ্যা

‘হর্ষচরিত’ হলো বাণভট্ট রচিত জীবনীমূলক গদ্যকাব্য। এতে সম্রাট হর্ষবর্ধনের জীবন ও কর্মকাণ্ড বর্ণিত হয়েছে। এটি ভারতের প্রথম ঐতিহাসিক জীবনী হিসেবে ধরা হয়। রচনাশৈলী অত্যন্ত অলঙ্কারমণ্ডিত হলেও এর মধ্যে ইতিহাসের সত্যতা বিদ্যমান। এজন্য এটিকে ইতিহাস ও সাহিত্য উভয়ের নিদর্শন বলা যায়।

১৮.
‘শিশুপালবধ’ মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. মাঘ
  3. ভাস
  4. ভারতিহর
ব্যাখ্যা

‘শিশুপালবধ’ একটি মহাকাব্য, যার রচয়িতা মাঘ। কাব্যে শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক শিশুপালের বধের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এতে বীররস ও শৃঙ্গার রস উভয়ই আছে। ভাষার সৌন্দর্য, ছন্দের বৈচিত্র্য ও অলঙ্কারের ব্যবহার এটিকে মহৎ কাব্যে পরিণত করেছে। এজন্য মাঘকে “শব্দশিল্পী” বলা হয়।

১৯.
‘নীতিশতক’ কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. মাঘ
  2. ভাস
  3. রাজশেখর
  4. ভর্তৃহরি
ব্যাখ্যা

ভর্তৃহরি রচিত ‘নীতিশতক’ হলো নীতি ও জীবনদর্শন বিষয়ক শতক (১০০টি শ্লোক)। এর পাশাপাশি তাঁর ‘শৃঙ্গারশতক’ ও ‘বৈরাগ্যশতক’ও প্রসিদ্ধ। ভরতিহরের কাব্যে দার্শনিক ভাবনা ও বাস্তব জীবনের শিক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। এজন্য তিনি দার্শনিক কবি নামে পরিচিত।

২০.
সংস্কৃত সাহিত্যে ‘আলঙ্কারশাস্ত্র’-এর প্রবর্তক কে ধরা হয়?
  1. ভরত
  2. ভামহ
  3. ভাস
  4. কালিদাস
ব্যাখ্যা

ভামহ ছিলেন সংস্কৃত আলঙ্কারশাস্ত্রের প্রাচীন প্রবর্তক। তাঁর ‘কাব্যালঙ্কার’ গ্রন্থে কাব্যতত্ত্ব, অলঙ্কার ও রসের বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। ভামহ কাব্যকে মূলত অলঙ্কারনির্ভর বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর তত্ত্ব পরবর্তী কবি ও সমালোচকদের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এজন্য ভামহকে আলঙ্কারশাস্ত্রের জনক বলা হয়।

২১.
‘দেবীচন্দ্রগুপ্তম’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. বিষাখদত্ত
  3. ভাস
  4. রাজশেখর
ব্যাখ্যা

‘দেবীচন্দ্রগুপ্তম’ হলো বিষাখদত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। এখানে গুপ্তরাজবংশের রাজনৈতিক কাহিনি ও ষড়যন্ত্র ফুটে উঠেছে। নাটকে চন্দ্রগুপ্তের রাজ্যপ্রাপ্তি ও সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার কাহিনি বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। বাস্তব রাজনীতি, কূটনীতি ও ঐতিহাসিক সত্য এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। এজন্য একে প্রাচীন ভারতের রাজনৈতিক নাটক হিসেবে ধরা হয়।

২২.
‘মুদ্রারাক্ষস’ নাটক কিসের জন্য বিখ্যাত?
  1. প্রেমকাহিনি
  2. রাজনৈতিক কাহিনি
  3. পৌরাণিক কাহিনি
  4. মহাকাব্য
ব্যাখ্যা

বিষাখদত্ত রচিত ‘মুদ্রারাক্ষস’ হলো প্রাচীন রাজনৈতিক নাটক। এখানে চাণক্যের কূটনীতির মাধ্যমে চন্দ্রগুপ্ত মौर্যের সিংহাসনলাভ ও রাক্ষস নামক মন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের কাহিনি আছে। নাটকটি বাস্তবধর্মী ও ইতিহাসভিত্তিক। রাজনৈতিক চাল, কূটকৌশল ও কৌশলপূর্ণ সংলাপ এ নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য। এজন্য এটি সংস্কৃত নাটকের ভিন্নধর্মী উদাহরণ।

২৩.
‘সূর্যশতক’ কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. ভরতিহর
  3. ময়ূরভট্ট
  4. রাজশেখর
ব্যাখ্যা

‘সূর্যশতক’ হলো কবি ময়ূরভট্ট রচিত একটি প্রসিদ্ধ স্তোত্রকাব্য। এটি সূর্যদেবের স্তবকেন্দ্রিক। কাব্যের মাধ্যমে সূর্যের মাহাত্ম্য, শক্তি ও রোগনাশক ক্ষমতার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। কিংবদন্তি অনুযায়ী, ময়ূরভট্ট কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হলে সূর্যস্তবের মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করেন। কাব্যে ধর্ম, ভক্তি ও কবিত্বশক্তির সমন্বয় ঘটেছে।

২৪.
‘পদ্মকুমলম’ কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. নাটক
  2. গদ্য আখ্যান
  3. মহাকাব্য
  4. ক্ষুদ্রকাব্য
ব্যাখ্যা

‘পদ্মকুমলম’ হলো সংস্কৃত সাহিত্যের একটি প্রসিদ্ধ গদ্য আখ্যান। এর কাহিনি কল্পনাপ্রসূত হলেও রচনাশৈলী ও অলঙ্কারে ভরপুর। এতে চরিত্রচিত্রণ ও কাহিনির মোচড় অত্যন্ত আকর্ষণীয়। সংস্কৃত গদ্যসাহিত্যের বিকাশে এ ধরনের আখ্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

২৫.
‘হিতোপদেশ’ কে রচনা করেছিলেন?
  1. বিষ্ণুশর্মা
  2. নারায়ণ
  3. বাণভট্ট
  4. দণ্ডী
ব্যাখ্যা

হিতোপদেশ হলো নীতিকথাসংগ্রহ, যার রচয়িতা কবি নারায়ণ। এটি মূলত বিষ্ণুশর্মার পঞ্চতন্ত্র অবলম্বনে রচিত। কাহিনিগুলো প্রাণী চরিত্র ও রূপকের মাধ্যমে বলা হয়েছে। গ্রন্থের মূল লক্ষ্য শিশু ও তরুণদের নীতি ও জীবনের শিক্ষা দেওয়া। এজন্য হিতোপদেশকে শিক্ষামূলক সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ বলা হয়।

২৬.
ভগবদ্গীতা নিচের কোনটির সাররূপ বলে পরিচিত?
  1. ঈশোপনিষদ
  2. উপনিষদসমূহ
  3. আরণ্যকসমূহ
  4. পুরাণসমূহ
ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতা ৭০০ শ্লোকবিশিষ্ট একটি গ্রন্থ, যা মহাভারতের ভীষ্মপর্বে অন্তর্ভুক্ত। একে "উপনিষদসমূহের সার" বলা হয়। কারণ এতে ব্রহ্ম, আত্মা, ধর্ম, যোগ, জ্ঞান ও ভক্তির দার্শনিক তত্ত্বসমূহ সঙ্কলিত হয়েছে। উপনিষদগুলির গভীর দার্শনিক ভাব এখানে সহজভাষায় প্রকাশ পেয়েছে। এজন্য গীতাকে বলা হয় "উপনিষৎসার"।

২৭.
ভগবদ্গীতা মূলত কোন দার্শনিক সমস্যার সমাধান করে?
  1. কর্ম ও কর্তব্য
  2. রাজনীতি
  3. জ্ঞান ও শিক্ষা
  4. শিল্প ও সাহিত্য
ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতা মূলত কর্তব্য ও কর্মের দার্শনিক ব্যাখ্যা প্রদান করে। অর্জুন যখন যুদ্ধ করতে দ্বিধায় পড়ে, তখন শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে কর্ম ও কর্তব্যের প্রকৃত স্বরূপ ব্যাখ্যা করেন। কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগের মাধ্যমে মানুষ কিভাবে মুক্তি লাভ করতে পারে তা এখানে বলা হয়েছে। তাই গীতার মূল বিষয় কর্ম ও কর্তব্য।

২৮.
গীতায় ‘স্থিতপ্রজ্ঞ পুরুষ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
  1. যে ব্যক্তি জ্ঞানী ও নির্বিকার
  2. যে রাজা যুদ্ধজয়ী
  3. যে সাধু সংসারত্যাগী
  4. যে ভক্ত শুধুই পূজা করে
ব্যাখ্যা

গীতার দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘স্থিতপ্রজ্ঞ পুরুষ’-এর বর্ণনা পাওয়া যায়। এই পুরুষ সংসারজীবনে থেকেও সুখ-দুঃখ, লাভ-ক্ষতি, জয়-পরাজয়ে সমভাবে অটল থাকেন। তিনি জ্ঞান ও ভক্তির সমন্বয়ে নির্বিকার জীবনযাপন করেন। কামনা-বাসনা থেকে মুক্ত থাকাই তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাই স্থিতপ্রজ্ঞ পুরুষ হলেন আসল যোগী।

২৯.
ভগবদ্গীতার কোন অধ্যায়কে “যোগশাস্ত্র” বলা হয়?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. দশম অধ্যায়
  4. অষ্টাদশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতার ষষ্ঠ অধ্যায় ‘ধ্যানযোগ’ নামে পরিচিত, যাকে যোগশাস্ত্রও বলা হয়। এখানে যোগীর সংজ্ঞা, ধ্যানপদ্ধতি ও অন্তর্দর্শনের কথা বর্ণিত হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ বলেন, প্রকৃত যোগী সেই ব্যক্তি, যে নিজেকে সব জীবের সঙ্গে সমানভাবে অনুভব করে। এই অধ্যায়ে যোগ ও ধ্যানকে মুক্তির প্রধান পথ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

৩০.
ভগবদ্গীতায় ‘কর্মযোগ’ কিসের উপর ভিত্তি করে?
  1. নিস্ক্রিয়তা
  2. নিঃস্বার্থ কর্ম
  3. ধ্যান
  4. বৈরাগ্য
ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতায় কর্মযোগের মূল ভিত্তি হলো নিঃস্বার্থ কর্ম। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেন, ফলের আসক্তি না রেখে কর্তব্যকর্ম সম্পাদন করাই আসল ধর্ম। কর্ম করতে হবে ঈশ্বরকে উৎসর্গ করার মানসিকতা নিয়ে। এই কর্মফলত্যাগই যোগের মূল রহস্য। এজন্য কর্মযোগকে গীতার অন্যতম প্রধান শিক্ষা বলা হয়।

৩১.
ভগবদ্গীতায় কত প্রকার যোগের আলোচনা আছে?




ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতায় মূলত তিন প্রকার যোগের ব্যাখ্যা আছে— জ্ঞানযোগ, কর্মযোগ ও ভক্তিযোগ। জ্ঞানযোগ মানে জ্ঞান দ্বারা মুক্তি লাভ, কর্মযোগ মানে নিঃস্বার্থ কর্ম দ্বারা মুক্তি, আর ভক্তিযোগ মানে ভগবানের প্রতি অনন্য ভক্তির মাধ্যমে মুক্তি। এই তিনটি যোগই গীতার দার্শনিক মূল স্তম্ভ।

৩২.
গীতায় ‘অক্ষরব্রহ্ম যোগ’ কোন অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে?




ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতার অষ্টম অধ্যায় হলো ‘অক্ষরব্রহ্ম যোগ’। এখানে শ্রীকৃষ্ণ জন্ম-মৃত্যুর রহস্য ও পরম ব্রহ্মের অক্ষয় স্বরূপ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ব্রহ্ম চিরন্তন, অক্ষয় ও অবিনাশী। যিনি ব্রহ্মতত্ত্ব উপলব্ধি করেন, তিনি মোক্ষলাভ করেন। এই অধ্যায়ে আত্মার অমরত্ব বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।

৩৩.
ভগবদ্গীতাকে কেন “দার্শনিক কাব্য” বলা হয়?
  1. এটি গল্পমুখর গ্রন্থ
  2. এটি শুধুই স্তোত্র
  3. এটি মহাকাব্য
  4. এতে কাব্য ও দর্শনের সমন্বয়
ব্যাখ্যা

ভগবদ্গীতা কাব্য হলেও এর মূল বৈশিষ্ট্য দর্শন। এতে কবিত্বশক্তির মাধ্যমে গভীর দার্শনিক তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। কাব্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে ধর্ম, যোগ, জ্ঞান ও ভক্তির দার্শনিক ব্যাখ্যা যুক্ত হয়েছে। তাই এটি একাধারে কাব্য এবং দর্শনের গ্রন্থ। এজন্য গীতাকে বলা হয় "দার্শনিক কাব্য"।

৩৪.
ভগবদ্গীতায় ‘ক্ষেত্র’ ও ‘ক্ষেত্রজ্ঞ’ তত্ত্ব কোন অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে?
  1. অষ্টম অধ্যায়
  2. ষোড়শ অধ্যায়
  3. অষ্টাদশ অধ্যায়
  4. ত্রয়োদশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

গীতার ত্রয়োদশ অধ্যায় ‘ক্ষেত্র-ক্ষেত্রজ্ঞ বিভাগ যোগ’। এখানে দেহকে ‘ক্ষেত্র’ এবং আত্মাকে ‘ক্ষেত্রজ্ঞ’ বলা হয়েছে। ক্ষেত্র মানে যা পরিবর্তনশীল ও নশ্বর, আর ক্ষেত্রজ্ঞ মানে যে চিরন্তন আত্মা সবকিছু জানে। এই তত্ত্ব মানুষকে দেহ-আত্মার ভেদ বোঝায়। এজন্য এটি গীতার কঠিন ও গভীরতম দর্শন।

৩৫.
ভগবদ্গীতায় ‘ত্রিগুণময়ী মায়া’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. ধর্মের তিন রূপ
  2. জ্ঞানের তিন স্তর
  3. প্রকৃতির তিন গুণ
  4. ভক্তির তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন—সৃষ্টিজগৎ তিন গুণের দ্বারা গঠিত: সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ। এই ত্রিগুণময়ী মায়ার বন্ধনে সকল জীব আবদ্ধ। সত্ত্বগুণ আলো ও জ্ঞানের প্রতীক, রজোগুণ আসক্তি ও কর্মপ্রবণতার প্রতীক, আর তমোগুণ অজ্ঞান ও জড়তার প্রতীক। মুক্তি লাভের জন্য মানুষকে এই তিন গুণ অতিক্রম করতে হবে।

৩৬.
ভগবদ্গীতায় ‘বৈভব যোগ’ বা ঈশ্বরের ঐশ্বর্য কোন অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে?
  1. নবম অধ্যায়
  2. ষোড়শ অধ্যায়
  3. সপ্তম অধ্যায়
  4. দশম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

দশম অধ্যায়কে ‘বিভূতিযোগ’ বলা হয়। এখানে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর ঐশ্বর্য ও সর্বব্যাপী শক্তির কথা বলেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বে যা শ্রেষ্ঠ, সুন্দর, শক্তিশালী ও জ্ঞানসম্পন্ন—সবই তাঁর বিভূতি। সূর্যের আলো, সিংহের সাহস, গঙ্গার পবিত্রতা, আর ঋষিদের জ্ঞান—সবই ঈশ্বরের মহিমার প্রকাশ। এজন্য এই অধ্যায়কে বৈভব যোগ বলা হয়।

৩৭.
‘অনুষ্টুপ্‌ ছন্দ’-এ সাধারণত কত অক্ষর থাকে?
  1. ১২
  2. ১২৩
  3. ১৬
  4. ৩২
ব্যাখ্যা

অনুষ্টুপ্‌ ছন্দের প্রতিটি শ্লোক ৪টি পাদ বা চরণে বিভক্ত থাকে। প্রতিটি চরণে ৮টি অক্ষর থাকে। ফলে মোট ৪ × ৮ = ৩২ অক্ষর হয়। এটি মহাভারত ও রামায়ণের মতো মহাকাব্যে বহুল ব্যবহৃত। এজন্য অনুষ্টুপ্‌ ছন্দকে সংস্কৃত সাহিত্যে “শ্লোক ছন্দ” নামেও ডাকা হয়।

৩৮.
জগতি ছন্দে প্রতিটি চরণে কত অক্ষর থাকে?

  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৮
ব্যাখ্যা

জগতি ছন্দে প্রতিটি চরণে ১২টি অক্ষর থাকে। এটি ৪ পাদবিশিষ্ট ছন্দ হওয়ায় মোট অক্ষর হয় ৪ × ১২ = ৪৮। বৈদিক স্তোত্র ও পরবর্তী কাব্যে এই ছন্দের প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। এর মাধুর্য ও লয় অনেক দীর্ঘ কাব্যে মানানসই।

৩৯.
কোন ছন্দে ১৯ মাত্রা থাকে?
  1. উপেন্দ্রবজ্র
  2. ইন্দ্রবজ্রা
  3. বৃত্ততিলক
  4. আর্যা
ব্যাখ্যা

ইন্দ্রবজ্রা ছন্দে মোট ১৯ মাত্রা থাকে। এটি এক বিশেষ বৃত্ত, যেখানে গুরু-লঘুর সুনির্দিষ্ট বিন্যাস আছে। কবিরা এই ছন্দ ব্যবহার করে গম্ভীর ও বীররস প্রকাশ করেছেন। এর অনুরূপ একটি ছন্দ হলো উপেন্দ্রবজ্র।

৪০.
‘ধর্মঃ রক্ষতি রক্ষিতঃ’ ইংরেজিতে অনুবাদ করো।
  1. Religion protects men
  2. Religion protects the protector
  3. Dharma is truth
  4. Dharma creates law
ব্যাখ্যা

এখানে “ধর্মঃ রক্ষতি রক্ষিতঃ” মানে হলো—যে ব্যক্তি ধর্মকে রক্ষা করে, ধর্মও তাকে রক্ষা করে। ইংরেজিতে এটি হয় “Dharma protects the protector.” এই বাক্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।

৪১.
‘সত্যমেব জয়তে’ -এর ইংরেজি অনুবাদ -
  1. Only truth triumphs
  2. Truth is long
  3. Truth creates world
  4. Truth is beauty
ব্যাখ্যা

“সত্যমেব জয়তে” অর্থ হলো—শুধু সত্যই বিজয়ী হয়। এটি মুণ্ডক উপনিষদের উক্তি, যা আজ ভারতের জাতীয় মন্ত্র। ইংরেজি অনুবাদ হবে “Only truth triumphs.”

৪২.
‘বিদ্যাধনং সর্বধনাত্‌ প্রধানম্‌’ -বাক্যটির ইংরেজি অনুবাদ -
  1. Knowledge is wealth
  2. Knowledge is the best of all wealth
  3. Education creates money
  4. Education is power
ব্যাখ্যা

“বিদ্যাধনং সর্বধনাত্‌ প্রধানম্‌” মানে হলো—সব ধনের মধ্যে বিদ্যার ধন শ্রেষ্ঠ। ইংরেজি অনুবাদ হবে “Knowledge is the best of all wealth.” এতে বিদ্যার মাহাত্ম্য বোঝানো হয়েছে।

৪৩.
‘অতিথিদেবো ভব’ -এর ইংরেজি অনুবাদ -
  1. Be like God
  2. Guest is like God
  3. Respect God
  4. God is guest
ব্যাখ্যা

বৈদিক সংস্কৃতিতে অতিথিকে দেবতার সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তাই বাক্যের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হবে “Guest is like God.” এটি অতিথিপরায়ণতার মহান সংস্কার প্রকাশ করে।

৪৪.
‘আত্মানং বিদ্ধি’ অনুবাদ করো।
  1. Know yourself
  2. Save yourself
  3. See the soul
  4. Love yourself
ব্যাখ্যা

এখানে আত্মানং বিদ্ধি মানে হলো—নিজেকে জানো। ইংরেজিতে অনুবাদ হবে “Know yourself.” এটি দার্শনিক উপদেশ, যা স্ব-চেতনা অর্জনের পথ নির্দেশ করে।

৪৫.
"ধর্মক্ষেত্রে কুরুক্ষেত্রে সমবেতাঃ" এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
  1. ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রে সমবেত হয়েছিল।
  2. কুরুক্ষেত্র ধর্মক্ষেত্রে সমবেত।
  3. কুরুক্ষেত্র ধর্মক্ষেত্র হয়ে উঠল।
  4. ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ হলো।
ব্যাখ্যা

এই বাক্যে "সমবেতাঃ" শব্দটির অর্থ "সমবেত" বা "একত্রিত"। "ধর্মক্ষেত্রে কুরুক্ষেত্রে" হলো লোকেটিভ বিভক্তি (সপ্তমী), অর্থাৎ "কুরুক্ষেত্র নামক ধর্মক্ষেত্রে"। তাই সঠিক অনুবাদ হবে— "কুরুক্ষেত্র ধর্মক্ষেত্রে সমবেত।"

৪৬.
"যত্র নার্যঃ পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ" এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
  1. যেখানে নারী থাকে, সেখানে দেবতা বাস করে।
  2. দেবতারা সব স্থানে আনন্দ করেন।
  3. নারীরা দেবতাদের পূজা করে।
  4. যেখানে নারী পূজিত হয়, সেখানে দেবতা আনন্দ করেন।
ব্যাখ্যা

এই বাক্যে "যত্র" মানে "যেখানে", "নার্যঃ পূজ্যন্তে" মানে "নারীরা পূজিত হয়", এবং "রমন্তে তত্র দেবতাঃ" মানে "সেখানে দেবতারা আনন্দ করেন"। তাই সঠিক অনুবাদ হবে— "যেখানে নারী পূজিত হয়, সেখানে দেবতা আনন্দ করেন।"

৪৭.
"কালঃ সর্বং ভক্ষয়তি" এর বাংলা অনুবাদ কী?
  1. কাল সবকিছু ভক্ষণ করে।
  2. কাল সবকিছু রক্ষা করে।
  3. কাল সবকিছু সৃষ্টি করে।
  4. কাল কেবল জীবন ভক্ষণ করে।
ব্যাখ্যা

কালঃ মানে "সময়", সর্বং মানে "সবকিছু", আর ভক্ষয়তি মানে "গ্রাস করে/ভক্ষণ করে"। সুতরাং এই বাক্যের অনুবাদ হবে— "কাল সবকিছু ভক্ষণ করে।"

৪৮.
"শিক্ষা সর্বস্য ভূষণম্" এর বাংলা অনুবাদ কী?
  1. শিক্ষা ধনীদের অলংকার।
  2. শিক্ষা শুধু ব্রাহ্মণের অলংকার।
  3. শিক্ষা সবার জন্য অলংকার।
  4. শিক্ষা কেবল সৌন্দর্য।
ব্যাখ্যা

শিক্ষা মানে "বিদ্যা", সর্বস্য মানে "সবার", আর ভূষণম্ মানে "অলংকার"। তাই অনুবাদ হবে— "শিক্ষা সবার জন্য অলংকার।"

৪৯.
"লাভহানৌ জীবনমরণৌ" এর বাংলা অনুবাদ কী?
  1. লাভ ও হানি জীবনের মতো আর মরণও।
  2. লাভ-হানি জীবনের খেলা।
  3. লাভ মৃত্যু আর হানি জীবন।
  4. জীবন ও মৃত্যু লাভ-হানি।
ব্যাখ্যা

লাভ-হানিঃ মানে "লাভ ও ক্ষতি", জীবন-মরণৌ মানে "জীবন ও মৃত্যু"। অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি যেমন ঘটে, তেমনই জীবন ও মৃত্যু ঘটে। তাই অনুবাদ হবে— "লাভ ও হানি যেমন, জীবন ও মৃত্যু তেমনই।"

৫০.
শকুন্তলা কোন রাজার অশ্রমে বেড়ে উঠেছিল?
  1. রাজা দুষ্মন্ত
  2. রাজা সর্দুল
  3. রাজা ভরত
  4. রাজা অদিত্য
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা রাজা দুষ্মন্তের অশ্রমে বেড়ে উঠেছিলেন। এখানে তিনি সন্ন্যাসিনী মহিষীর শিকড়ে এবং বনজীবনের সান্নিধ্যে বড় হয়েছিলেন। দুষ্মন্তের সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয়ই নাটকের মূল ঘটনার ভিত্তি তৈরি করে। তাই নাটকের পটভূমি শকুন্তলার অশ্রম ও দুষ্মন্তের রাজত্বের সংযোগে আবর্তিত।

৫১.
শকুন্তলার সঙ্গে প্রথমবার দেখা কবে হয়?
  1. অশ্রমে শকুন্তলা প্রার্থনার সময়
  2. রাজপ্রাসাদে উৎসবে
  3. বনাঞ্চলে দুর্ঘটনাক্রমে
  4. রাজা দুষ্মন্তের শিকারযাত্রায়
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা ও রাজা দুষ্মন্তের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে যখন রাজা শিকার করতে আসে। শিকারকালে তিনি অশ্রমে প্রবেশ করেন এবং শকুন্তলার সঙ্গে পরিচয় হয়। এই প্রথম সাক্ষাৎ নাটকের প্রধান সম্পর্কের সূচনা।

৫২.
শকুন্তলার নামকরণ করেছিলেন কে ?
  1. রাজা দুষ্মন্ত
  2. শকুন্তলা নিজে
  3. অশ্রমের সন্ন্যাসীরা
  4. মহর্ষি কণ্ব
ব্যাখ্যা

শকুন্তলার নামকরণ করেছিলেন মহর্ষি কণ্ব। তিনি শকুন্তলাকে অশ্রমে নিয়ে আসার পরই এই নামকরণ করেছিলেন। এটি চরিত্রের পরিচয় ও নাটকের নামকরণের কারণ।

৫৩.
শকুন্তলার সঙ্গে রাজা দুষ্মন্তের সম্পর্কের চিহ্ন কী ছিল?
  1. কঙ্কন
  2. প্রণয়পত্র
  3. অঙ্গুরীয়
  4. চন্দনলতা
ব্যাখ্যা

রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে প্রণয়পত্র হিসেবে একটি অঙ্গুরীয় (অঙ্গমণি) দান করেন। এটি তাদের সম্পর্কের চিহ্ন। পরবর্তীতে শকুন্তলা ভুলে গিয়ে অঙ্গুরীয়টি হারান, যা নাটকের প্রধান আবেগ ও সমস্যা সৃষ্টি করে।

৫৪.
শকুন্তলা কোন কারণে রাজা দুষ্মন্তের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে আসেননি প্রথমে?
  1. শকুন্তলার অমঙ্গল
  2. রিং হারানো ও অভিশাপ
  3. রাজা অশ্রমে যাননি
  4. শকুন্তলার অশ্রমত্যাগ
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা রাজা দুষ্মন্তের স্মৃতিতে প্রথমে স্থায়ীভাবে আসতে পারেননি কারণ তিনি রিং হারান এবং সেই সময় মহর্ষি কণ্ভের অভিশাপের কারণে রাজা শকুন্তলার কথা ভুলে যান। এই ভুল স্মৃতির ঘটনা নাটকের প্রধান আবেগ ও নাটকীয়তা সৃষ্টি করে।

৫৫.
শকুন্তলার আত্মীয় বা সখী কারা ছিলেন?
  1. সৌমিত্রা, পদ্মিনী
  2. দেবী বা অশ্রমের সখীরা
  3. রাজা দুষ্মন্তের বেগম
  4. বনজীবনের পশুপক্ষী
ব্যাখ্যা

শকুন্তলার আত্মীয় ও সখীরা ছিলেন অশ্রমের অন্যান্য নারীরা ও দেবীসখীরা। তারা শকুন্তলাকে পরামর্শ, সান্ত্বনা এবং প্রেমের শিক্ষা দেন। নাটকের আবেগ ও চরিত্র বিকাশে এই সখীদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।

৫৬.
শকুন্তলা কার ঔরসজাত সন্তান ?
  1. মহর্ষি কণ্বের
  2. গৌতমীর
  3. উর্বসীর
  4. বিশ্বামিত্রের
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা ছিলেন মহর্ষি বিশ্বামিত্র এবং অপ্সরা মেনকার গর্ভে শকুন্তলার জন্ম হয়।শকুন্তলার জন্মের পরেই ঋষি বিশ্বামিত্র এবং অপ্সরা মেনকা তাদের কন্যাকে বনমাঝে ফেলে রেখে অন্যত্র চলে যান।

৫৭.
শকুন্তলার মূল আবেগ নাটকে কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে?
  1. বিদ্যা ও শিক্ষা
  2. শিকার ও রাজত্ব
  3. প্রেম, অভিশাপ ও প্রত্যাশা
  4. ভ্রমণ ও সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা

শকুন্তলার নাটকীয় আবেগ মূলত প্রেম, অভিশাপ ও প্রত্যাশার চারপাশে ঘোরে। রাজা দুষ্মন্তের সঙ্গে প্রেম, অভিশাপের কারণে ভুল স্মৃতি এবং সন্তান ও সম্পর্কের জন্য প্রত্যাশা এই আবেগকে কেন্দ্র করে নাটকের মূল কাহিনি গঠিত।

৫৮.
স্বপ্নবাসবদত্তম্ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. ভাস্কর
  2. কালিদাস
  3. ধ্রুব
  4. ভাস
ব্যাখ্যা

স্বপ্নবাসবদত্তম্ নাটক রচনা করেছিলেন প্রাচীন ভারতীয় নাট্যকার ভাস। তিনি নাট্যশাস্ত্রের নিয়ম মেনে চরিত্র, সংলাপ ও কাব্যিক রূপে নাটকটি রচনা করেছেন। এটি নাট্যশাস্ত্রের ধারা ও নাট্যরূপের উৎকর্ষের উদাহরণ।

৫৯.
বাসবদত্তার সঙ্গে প্রধান সম্পর্ক কার সাথে?
  1. রাজা উদয়ন
  2. রাজা দুষ্মন্ত
  3. রাজা অদিত্য
  4. রাজা ভরত
ব্যাখ্যা

বাসবদত্তার প্রধান সম্পর্ক ছিল রাজা রাজা উদয়নের সঙ্গে। নাটকের কাহিনির কেন্দ্রীয় আবেগ এবং রাজকীয় দায়িত্বের চাপে এই সম্পর্ক নাট্যগঠনকে পরিচালিত করে। প্রেম ও রাজকীয় দ্বন্দ্ব মূল গল্পের কেন্দ্রবিন্দু।

৬০.
নাটকের প্রধান সংঘাত কী?
  1. রাজকীয় যুদ্ধ
  2. প্রেম ও ভ্রান্তি
  3. বনাঞ্চলের দুঃখ
  4. ধর্মসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

নাটকের মূল সংঘাত হলো প্রেম ও ভ্রান্তি। রাজা হর্ষ এবং বাসবদত্তার প্রেমের মধ্যে মায়া, অভিশাপ এবং ভুল বোঝাবুঝি নাট্যঘটনা তৈরি করে। এটি নাটকের আবেগ ও নাট্যরূপকে কেন্দ্র করে।

৬১.
বাসবদত্তার চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. কৌশলী ও বিদ্বান
  2. সৌন্দর্য ও পরিশ্রম
  3. ধৈর্য ও সততা
  4. রাজকীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

বাসবদত্তার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ধৈর্য ও সততা। তার চরিত্রে প্রেম, মায়া ও সংকটের মধ্যে ধৈর্য ও নৈতিকতা প্রকাশ পায়। এটি দর্শককে চরিত্রের প্রতি সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল করে তোলে।

৬২.
নাটকের আবহ বা পটভূমি কোথায়?
  1. রাজপ্রাসাদ
  2. বনাঞ্চল ও অশ্রম
  3. শহর
  4. সাগর তীরবর্তী এলাকা
ব্যাখ্যা

নাটকের প্রধান ঘটনা ঘটে বনাঞ্চল ও অশ্রমে, যেখানে বাসবদত্তা বড় হয়েছেন। এই পটভূমি নাটকের আবেগ, চরিত্রের বিন্যাস ও নাট্যঘটনা প্রাকৃতিক ও ঐশ্বরিক পরিবেশে স্থান দেয়।

৬৩.
নাটকের মূল শিক্ষা বা বার্তা কী?
  1. রাজকীয় শক্তি
  2. প্রেম ও ধৈর্যের মূল্য
  3. যুদ্ধের কৌশল
  4. রাজনীতির নীতি
ব্যাখ্যা

নাটকের মূল বার্তা হলো প্রেম ও ধৈর্যের মূল্য। বাসবদত্তার চরিত্র এবং গল্পের সংঘাত দর্শককে প্রেমের প্রকৃত মান, ধৈর্য ও নৈতিকতা শেখায়। নাট্যরূপে এটি দর্শককে নৈতিক ও আবেগপ্রবণ করে তোলে।

৬৪.
'রাম + অর্চতি' কী ধরনের সন্ধি হবে?
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. বিসর্জনসন্ধি
  4. দ্বিগুন্দরসন্ধি
ব্যাখ্যা

'রাম' শেষ হচ্ছে স্বর 'অ' এবং 'অর্চতি' শুরু হচ্ছে স্বর 'অ'। একই স্বর মিলিয়ে একটি দীর্ঘ স্বর তৈরি হয়। ফলে সঠিক সন্ধি হলো স্বরসন্ধি, মিলিত রূপ হবে রামর্চতি।

৬৫.
'বিদ্যা + ঈশঃ' মিলিয়ে কী হবে?
  1. বিদ্যেশঃ
  2. বিদ্যা-ঈশঃ
  3. বিদ্যীশঃ
  4. বিদ্যা ঈশঃ
ব্যাখ্যা

'বিদ্যা' শেষ 'আ' এবং 'ঈশঃ' শুরু 'ঈ'। স্বরসন্ধি অনুযায়ী 'আ + ঈ = ঈ'। ফলে মিলিত রূপ হবে বিদ্যীশঃ।

৬৬.
'রামের গজ মারতে হবে' বাক্যে 'রামের' কোন কারক?
  1. কর্তা
  2. সম্পাদক
  3. করণ
  4. অনুবাদক
ব্যাখ্যা

'রামের' হলো করণ কারক, কারণ গজকে মারার জন্য 'রাম' ব্যবহার করা হচ্ছে। 'এণ' সমাপ্তি করণ নির্দেশ করে।

৬৭.
'অহং গজং পশ্যামি' বাক্যে 'গজং কোন বিভক্তি?
  1. প্রথমা
  2. দ্বিতীয়া
  3. তৃতীয়া
  4. চতুর্থী
ব্যাখ্যা

'গজং' হলো দ্বিতীয়া বিভক্তি, কারণ এটি ক্রিয়ার সরাসরি উদ্দেশ্য।

৬৮.
'হাতি + রাজা' মিলিয়ে কী সমাস হবে?
  1. দ্বন্দ্ব
  2. বহুব্রীহি
  3. কর্মধারয়
  4. তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

হাতি + রাজা = রাজা হলেও হাতি জাতীয়। এটি বহুব্রীহি সমাস, যেখানে সমাসের সমষ্টির অর্থ আলাদা ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশ করে।

৬৯.
'চিরং' এর অর্থ কোনটি?
  1. দীর্ঘ
  2. ছোট
  3. ধীর
  4. দ্রুত
ব্যাখ্যা

'চিরং' মানে দীর্ঘকাল। এটি অব্যয়, কারণ পরিবর্তনশীল নয়।

৭০.
'মিত্র + ঈ' যুক্ত হলে কী হবে?
  1. মিত্রী
  2. মিত্র্যা
  3. মিত্রা
  4. মিত্রম
ব্যাখ্যা

'মিত্র' + 'ঈ' = 'মিত্রী', অর্থ মহিলা বন্ধু। এটি স্ত্রীপ্রত্যয়।

৭১.
'পাঠ' ক্রিয়ার আত্মনেপদ রূপ কী?
  1. পাঠে
  2. পঠতে
  3. পাঠ্যত
  4. পাঠিত
ব্যাখ্যা

'পাঠ' এর আত্মনেপদ রূপ হলো 'পঠতে', অর্থ নিজস্ব উদ্দেশ্যে পাঠ করা।

৭২.
'ভোজ' ক্রিয়ার আত্মনেপদ রূপ কী?
  1. ভোজে
  2. ভোজন্যতে
  3. ভোজিত
  4. ভোজতেই
ব্যাখ্যা

'ভোজ' এর আত্মনেপদ রূপ হলো 'ভোজে', অর্থ নিজেই খায়।

৭৩.
'ফল + ত্ব' = ?
  1. ফলত্ব
  2. ফলত্বম
  3. ফলম
  4. ফলস্
ব্যাখ্যা

ফলের স্বাতন্ত্র্য নির্দেশ করতে 'ত্ব' যোগ করে 'ফলত্ব' শব্দ তৈরি হয়।

৭৪.
'শক্তি + ত্ব' = ?
  1. শক্তিত্ব
  2. শক্তিত্বম
  3. শক্তি
  4. শক্তঃ
ব্যাখ্যা

'শক্তি' + 'ত্ব' = শক্তিত্ব, যা ক্ষমতা বা শক্তির স্বাতন্ত্র্য বোঝায়।

৭৫.
মেঘদূতের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রিয়ার কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়া
  2. মেঘের সৌন্দর্য বর্ণনা
  3. দেবতাদের আরাধনা
  4. রাজ্যের খবর পাঠানো
ব্যাখ্যা

কাব্যের কেন্দ্রীয় বিষয় হলো, দূর্গম বনাঞ্চল থেকে মালতি বা প্রিয়ার কাছে প্রেমপত্র বা বার্তা পৌঁছে দেওয়া। মেঘকে দূত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। মেঘের মাধ্যমে প্রিয়ার প্রতি ভালোবাসা ও যন্ত্রণা প্রকাশ পায়।

৭৬.
মেঘদূতের যাত্রাপথের বিবরণে কোন অঞ্চলের বর্ণনা বেশি?
  1. নগর
  2. নদী
  3. পাহাড়
  4. বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

কাব্যে মেঘের যাত্রাপথের সময় বনাঞ্চলের প্রকৃতি, গাছপালা, নদী ও পশুপাখির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এটি কাব্যের আবহ তৈরি করে এবং প্রিয়ার সঙ্গে দূরের সম্পর্ককে নাটকীয়ভাবে দেখায়।

৭৭.
মেঘদূতে শকুন ও বন্যপ্রাণীর কোন ভূমিকা আছে?
  1. মেঘকে পথ দেখানো
  2. প্রিয়ার খবর নেওয়া
  3. শকুন ও বন্যপ্রাণী মূলত প্রাকৃতিক অলঙ্কার
  4. রাজকীয় সেবা
ব্যাখ্যা

শকুন, হরিণ ও অন্যান্য প্রাণীর বর্ণনা মূলত অলঙ্কার হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রাকৃতিক দৃশ্যের সৌন্দর্য ও আবহ তৈরিতে তাদের ভূমিকা রয়েছে, যা কাব্যের রসকে সমৃদ্ধ করে।

৭৮.
মেঘদূতে কোন রসের প্রাধান্য বেশি?
  1. হর্ষ
  2. ভয়
  3. করুণ
  4. রোমাঞ্চ
ব্যাখ্যা

মেঘদূতে করুণরসের প্রাধান্য দেখা যায়। প্রিয়ার প্রতি বিরহ, দূরের যন্ত্রণা ও ভালোবাসার ব্যথা কাব্যকে আবেগময় করে তোলে। রসের মাধ্যমে পাঠকের মনে সহানুভূতি জাগানো হয়।

৭৯.
মেঘদূতের ভাষাশৈলীর বিশেষত্ব কী?
  1. সরল ও গ্রাম্য
  2. অলঙ্কারময় এবং চিত্রণময়
  3. কঠিন এবং বদ্ধশৈলী
  4. তথ্যসংকীর্ণ
ব্যাখ্যা

কাব্যের ভাষা অলঙ্কারময় এবং চিত্রণময়। প্রতিটি দৃশ্য, নদী, বন, ফুল ও পাখির বর্ণনা অত্যন্ত কল্পনাপ্রসূত এবং সুন্দরভাবে অলঙ্কৃত। এটি পাঠকের কল্পনাশক্তি জাগায় এবং আবহকে জীবন্ত করে।

৮০.
মেঘদূতের মধ্যে শকুন ও মেঘের সম্পর্ক কীভাবে দেখানো হয়েছে?
  1. মেঘের বন্ধু
  2. পথনির্দেশক
  3. দূরের সংবাদ বাহক
  4. রাজকীয় প্রহরী
ব্যাখ্যা

শকুনকে প্রকৃতির অংশ হিসেবে মেঘের পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এটি মেঘের যাত্রাপথে সাহায্য ও দিকনির্দেশনার প্রতীক। পাশাপাশি কাব্যের সৌন্দর্যবোধ এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের অলঙ্কার বাড়ায়।

৮১.
মেঘদূতে প্রিয়ার মানসিক অবস্থা কিভাবে চিত্রিত হয়েছে?
  1. আনন্দময়
  2. বিচলিত ও বিষণ্ণ
  3. ক্রোধময়
  4. উদাসীন
ব্যাখ্যা

প্রিয়ার মানসিক অবস্থা বিচলিত ও বিষণ্ণ। দূরের প্রিয়ার প্রতি উদ্বেগ, প্রেমের ব্যথা এবং অপেক্ষার যন্ত্রণা কাব্যকে গভীর আবেগময় করে। এই ভাবনা কাব্যের করুণরসকে আরও স্পষ্ট করে।

৮২.
কিরাতার্জুনীয়মের মূল কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দু কী?
  1. অরণ্যভ্রমণ
  2. অর্জুনের কঠিন পরিশ্রম
  3. অর্জুনের এবং কিরাতের মধ্যকার সংঘাত
  4. রাজ্যের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

কাব্যের মূল কাহিনী হলো অর্জুনের বনবাসের সময় কিরাতের সঙ্গে সংঘাত। এখানে অর্জুনের শারীরিক শক্তি, যুদ্ধকৌশল এবং ধৈর্য পরীক্ষা করা হয়। কিরাতের সঙ্গে সংঘাত কাব্যের কেন্দ্রীয় নাট্যরূপ তৈরি করে।

৮৩.
কাব্যে কিরাত বা বনবাসী চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ভয়ঙ্কর
  2. ন্যায়পরায়ণ এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ
  3. রাজকীয়
  4. ধনবান
ব্যাখ্যা

কিরাতের চরিত্রে ন্যায়পরায়ণতা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি বনবাসের নিয়ম এবং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে আচরণ করেন। এটি কাব্যকে নৈতিক ও আবেগময় করে তোলে।

৮৪.
কাব্যের কেন্দ্রীয় যুদ্ধ বা সংঘাত কোথায় ঘটে?
  1. রাজপ্রাসাদে
  2. অরণ্যে
  3. নদীতটে
  4. পাহাড়ে
ব্যাখ্যা

সংঘাতের দৃশ্যটি অরণ্যে ঘটে। অর্জুন বনবাসে থাকাকালীন কিরাতের সঙ্গে সংঘর্ষের মাধ্যমে কাব্যে নাটকীয়তা এবং প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ তৈরি হয়।

৮৫.
কাব্যে অর্জুনের লক্ষ্য কী ছিল?
  1. শিকার করা
  2. প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারানো
  3. রাজ্যের পাহারা
  4. দেবতাদের প্রার্থনা
ব্যাখ্যা

অর্জুনের লক্ষ্য হলো কিরাতকে পরাজিত করা, যা তার দক্ষতা, কৌশল এবং ধৈর্য পরীক্ষা করে। এই উদ্দেশ্য কাব্যের প্রধান নাট্যঘটনার কেন্দ্র।

৮৬.
'কিরাতার্জুনীয়ম' কাব্যের ভাষাশৈলী কেমন?
  1. সরল
  2. অলঙ্কারময় এবং চিত্রণময়
  3. কঠিন এবং বন্ধনীপূর্ণ
  4. তথ্যসংকীর্ণ
ব্যাখ্যা

কাব্যের ভাষা অলঙ্কারময় ও চিত্রণময়। বন, পাহাড়, নদী ও যুদ্ধের দৃশ্যগুলি সুন্দরভাবে বর্ণিত। অলঙ্কার এবং রূপক ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠকের কল্পনা ও আবেগকে উদ্দীপ্ত করা হয়েছে।

৮৭.
কিরাতার্জুনীয়মের প্রধান রস কোনটি?
  1. হর্ষ
  2. করুণ
  3. ভয়
  4. রোমাঞ্চ
ব্যাখ্যা

কাব্যের মূল রস হলো রোমাঞ্চ, কারণ অর্জুন এবং কিরাতের সংঘাত, শারীরিক দক্ষতা এবং কৌশল দর্শককে উত্তেজিত করে। এটি কাব্যের নাট্যরূপকে প্রাণবন্ত করে।

৮৮.
কাব্যে অর্জুনের মানসিক অবস্থা কেমন দেখানো হয়েছে?
  1. শান্ত
  2. সংকটময় এবং মনোযোগী
  3. ক্রোধময়
  4. উদাসীন
ব্যাখ্যা

অর্জুন বনবাসে থাকা অবস্থায় সংকটময় ও মনোযোগী। শারীরিক এবং মানসিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে তার ধৈর্য ও বুদ্ধি প্রদর্শিত হয়।

৮৯.
কাব্যের শিক্ষা বা মূল বার্তা কী?
  1. ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং সাহসের মূল্য
  2. রাজকীয় শক্তি
  3. প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
  4. যুদ্ধে কৌশল
ব্যাখ্যা

কাব্যটি ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং সাহসের মূল্য শেখায়। অর্জুন ও কিরাতের সংঘাত থেকে পাঠক শিখতে পারে যে কৌশল, ধৈর্য এবং নৈতিকতা মিলিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়।

৯০.
স অদ্য বিদ্যালয়ং গমিষ্যতি।- এর ইংরেজি অনুবাদ হবে –
  1. He go school
  2. He is go to school
  3. He will go to school
  4. He has go school
ব্যাখ্যা

বাক্যে "যাবে" ভবিষ্যৎ কাল বোঝাচ্ছে। ইংরেজিতে ভবিষ্যৎ কাল প্রকাশ করতে will + verb ব্যবহার হয়। তাই সঠিক উত্তর – "He will go to school"।

৯১.
ত্বং মাং সাহায্যং করিষ্যসি কিম্? -এর ইংরেজি অনুবাদ হবে –
  1. Do you help me
  2. Are you help me
  3. You helped me
  4. Will you help me
ব্যাখ্যা

বাক্যটিতে ত্বম্ = তুমি(you) , মাং/মাম্= আমাকে, সাহায্যং= সাহায্য, করিষ্যসি= করবে, কিম্= কি
সুতরাং সংস্কৃত বাক্যটির বাংলা অনুবাদ হলো তুমি কি আমাকে সাহায্য করবে? এর ইংরেজি অনুবাদ হবে-Will you help me?

৯২.
সে প্রতিদিন সকালে প্রার্থনা করে।
সংস্কৃত অনুবাদ হবে –
  1. সঃ প্রতি দিন প্রার্থনাৎ
  2. সঃ প্রতি দিন প্রার্থনা ভবতি
  3. সঃ প্রতি দিন প্রার্থনা করোতি
  4. সঃ প্রতি দিন প্রার্থনা গচ্ছতি
ব্যাখ্যা

"করে" ক্রিয়া সংস্কৃতে "করোতি" দ্বারা প্রকাশিত হয়। তাই সঠিক অনুবাদ – "সঃ প্রতি দিন প্রার্থনা করোতি"।

৯৩.
শিক্ষক ছাত্রদের জ্ঞান দেন।
সংস্কৃত অনুবাদ হবে –
  1. আচার্যঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং দদাতি
  2. আচার্যঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং গচ্ছতি
  3. আচার্যঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং পঠতি
  4. আচার্যঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং ভবতি
ব্যাখ্যা

"দেন" ক্রিয়াটি সংস্কৃতে "দদাতি" দ্বারা প্রকাশিত হয়। তাই সঠিক অনুবাদ – "আচার্যঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং দদাতি"।

৯৪.
রাজা প্রতিদিন সকালে সভায় বসেন।
সংস্কৃত অনুবাদ হবে –
  1. রাজা প্রতি দিন প্রাতঃকালে সভায় গচ্ছতি
  2. রাজা প্রতি দিন প্রাতঃকালে সভায় পঠতি
  3. রাজা প্রতি দিন প্রাতঃকালে সভায় করোতি
  4. রাজা প্রতি দিন প্রাতঃকালে সভায় উপবিষ্টঃ ভবতি
ব্যাখ্যা

"বসেন" ক্রিয়াটি সংস্কৃতে "উপবিষ্টঃ ভবতি" দ্বারা প্রকাশিত হয়। তাই সঠিক অনুবাদ – "রাজা প্রতি দিন প্রাতঃকালে সভায় উপবিষ্টঃ ভবতি"।

৯৫.
শিক্ষক ছাত্রদের পাঠ শেখাচ্ছেন।
সংস্কৃত অনুবাদ হবে –
  1. আচার্যঃ ছাত্রেষু পাঠম্ পঠতি
  2. আচার্যঃ ছাত্রেষু পাঠম্ অধ্যাপয়তি
  3. আচার্যঃ ছাত্রেষু পাঠম্ গচ্ছতি
  4. আচার্যঃ ছাত্রেষু পাঠম্ ভবতি
ব্যাখ্যা

"শেখাচ্ছেন" সংস্কৃতে "অধ্যাপয়তি" দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই সঠিক অনুবাদ – "আচার্যঃ ছাত্রেষু পাঠম্ অধ্যাপয়তি"।

৯৬.
অহং গৃহে পুস্তকানি পঠামি।
এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে –
  1. আমি বিদ্যালয়ে বই লিখি
  2. আমি ঘরে বই পড়ি
  3. আমি মাঠে বই রাখি
  4. আমি ঘরে বই বিক্রি করি
ব্যাখ্যা

এখানে "অহং" মানে আমি, "গৃহে" মানে ঘরে, "পুস্তকানি পঠামি" মানে বই পড়ি। তাই সঠিক অনুবাদ – আমি ঘরে বই পড়ি।

৯৭.
শিক্ষকঃ ছাত্রেষু জ্ঞানং দদাতি।
এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে –
  1. শিক্ষক ছাত্রদের বই পড়েন
  2. শিক্ষক ছাত্রদের সঙ্গে খেলেন
  3. শিক্ষক ছাত্রদের বই আনেন
  4. শিক্ষক ছাত্রদের জ্ঞান দেন
ব্যাখ্যা

"শিক্ষকঃ" মানে শিক্ষক, "ছাত্রেষু" মানে ছাত্রদের মধ্যে, "জ্ঞানং দদাতি" মানে জ্ঞান দেন। তাই সঠিক অনুবাদ – শিক্ষক ছাত্রদের জ্ঞান দেন।

৯৮.
অহং জলং পিবামি।
এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে –
  1. আমি নদীতে যাই
  2. আমি জল পান করি
  3. আমি জল লিখি
  4. আমি জল রাখি
ব্যাখ্যা

"জলং পিবামি" মানে জল পান করি। তাই সঠিক অনুবাদ – আমি জল পান করি।

৯৯.
জননী সন্তানায় অন্নম্ দদাতি।
এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হবে –
  1. মা সন্তানকে অন্ন দেন
  2. মা সন্তানকে শাসন করেন
  3. মা সন্তানকে ঘুম পাড়ান
  4. মা সন্তানকে বই দেন
ব্যাখ্যা

"জননী" মানে মা, "অন্নম্ দদাতি" মানে অন্ন দেন। তাই অনুবাদ – মা সন্তানকে অন্ন দেন।

১০০.
The famous novel, The Bluest Eye, is written by -
  1. American author
  2. Irish author
  3. French author
  4. Russian author
ব্যাখ্যা

The famous novel, The Bluest Eye, is written by - American author.

• The Bluest Eye:

- এটি Toni Morrison রচিত।
- এটি একটি novel.
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

• Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান Novelist, essayist এবং Editor.
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম গুলো -
- Beloved,
- Song of Solomon,
- The Bluest Eye.

Source: Britannica.

১০১.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
- উপদেষ্টা পরিষদের বাকিরা হলেন: ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। এই সরকার ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল নির্দলীয় প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঐ সরকার গঠিত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন দেশ সহায়তা করবে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা:
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে চীন।

⇒ তিস্তা প্রকল্পের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে চীন থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছে ৫৫ কোটি ডলার। বাকিটা করা হবে সরকারি অর্থায়নে।
- চীনের রাস্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়টিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে তারা কাজ করছেন।
- চীনের বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই শেষে অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে।
- ২০২৬ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদীর ডান-বাম উভয় তীর ঘেঁষে ২২০ কিলোমিটার উঁচু গাইড বাঁধ, রিভার ড্রাইভ, হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র, ১৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা, ইপিজেড, ইকোনমিক জোন, কয়েক লাখ হেক্টর কৃষি জমি উদ্ধার, বনায়ন ইত্যাদি রয়েছে।
- এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পাড় হয়ে উঠবে পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির মতো সুন্দর নগরী।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১০৩.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৫৬টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৮টি
  4. ৫৯টি
ব্যাখ্যা

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৪.
কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় কবে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ২০০২ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৪ সাল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

১০৫.
পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কোনটি?
  1. ESCWA
  2. ESCAP
  3. ECLAC
  4. ECE
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

১০৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. অস্ট্রিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

১০৭.
ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানের নাম কী? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. অপারেশন রাইজিং লায়ন
  2. অপারেশন ডেইজ অফ রিপেন্টেন্স
  3. অপারেশন নাইট ফ্যাল
  4. অপারেশন ডার্ক হরাইজন
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১০৮.
IUCN-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. বার্ন, সুইজারল্যান্ড
  3. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  4. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৯.
IMF এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ক্রিস্টিন লাগার্দে
  2. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. রড্রিগো ডে রাতো
  4. মিশেল ক্যামডেসসুস
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১০.
P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?
  1. পিতা-মাতা
  2. ভাই-বোন
  3. মেয়ে-পিতা
  4. ছেলে-মেয়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?

সমাধান:
যেহেতু, P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয় সুতরাং Q হলো মেয়ে এবং P হচ্ছে পিতা।

সুতরাং, তাদের সম্পর্কটা মেয়ে-পিতা।

১১১.
নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

সমাধান:

একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 = ৮ টি
দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12, 34, 56, 78, 67, 58 = ৬ টি
চারটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1267, 3456 = ২টি
সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12345678 = ১ টি

সুতরাং, মোট ত্রিভুজ আছে = ৮ + ৬ + ২ + ১ = ১৭ টি

১১২.
একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?
  1. ৩ কেজি
  2. ২.৫ কেজি
  3. ৪ কেজি
  4. ২ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পানি ভর্তি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
অর্ধেক পানি ভর্তি বালতির ওজন = ৮ কেজি

​অর্ধেক বালতি পানির ওজন = (১৪ - ৮) কেজি = ৬ কেজি
∴ ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন = (৬ × ২) কেজি = ১২ কেজি

​আবার,
​পূর্ণ বালতি পানির ওজন + খালি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন
​⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ১২ = ২ কেজি

১১৩.
যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?
  1. UXGTMK
  2. KVETIW
  3. UGANDA
  4. KXFGDR
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?

সমাধান:
​যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = KVETIW

​ORANGE শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে পাওয়া যায়,
O(15) + 4 → S(19)
​R(18) + 4 → V(22)
​A(1) + 4 → E(5)
​N(14) + 4 → R(18)
​G(7) + 4 → K(11)
​E(5) + 4 → I(9)

​অনুরূপভাবে,
GRAPES শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে গেলে KVETIW শব্দটি পাওয়া যায়। অর্থাৎ,

​G(7) + 4 → K(11)
​R(18) +4 → V(24)
​A(1) + 4 → E(5)
​P(16) + 4 → T(20)
​E(5) + 4 → I(9)
​S(19) + 4 → W(23)

অর্থাৎ নির্ণেয় শব্দটি হবে KVETIW

১১৪.
যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?
  1. 124
  2. 711
  3. 609
  4. 412
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?

সমাধান:
এখানে
7 + 3 = 410 ⇒ 7 - 3 = 4, 7 + 3 = 10
3 + 2 = 15 ⇒ 3 - 2 = 1, 3 + 2 = 5
6 + 5 = 111 ⇒ 6 - 5 = 1, 6 + 5 = 11

একইভাবে,
8 - 4 = 4, 8 + 4 = 12
সুতরাং, 8 + 4 = 412

১১৫.
A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ১৭ কি.মি.
  2. ২৫ কি.মি.
  3. ১৩ কি.মি.
  4. ১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্যগুলোকে চিত্রের মাধ্যমে সাজিয়ে পাই,

এখন, উত্তর-দক্ষিণ দিকে- শুরুতে ৪ কি.মি. দক্ষিণ + পরে আরও ৮ কি.মি. দক্ষিণ = মোট ১২ কি.মি. দক্ষিণ
পূর্ব-পশ্চিম দিকে: শুধু পূর্ব দিকে ৫ কি.মি.

∴ সরাসরি দূরত্ব = √(১২ + ৫) = √(১৪৪ + ২৫)
= √১৬৯
= ১৩ কি.মি.

১১৬.
(A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

সমাধান:


সুতরাং, সঠিক উত্তর (2) নং