পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
Exam - 3 • The Code of Criminal Procedure, 1898
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
The Code of Criminal Procedure, 1898- কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law]:
⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

মৌলিক আইন [Substantive Law]:
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
.
What is a "Complaint" according to the Criminal Procedure Code?
  1. Only a police report
  2. An FIR registered with the police
  3. An oral or written allegation made to a Magistrate
  4. A criminal offense proven in court
সঠিক উত্তর:
An oral or written allegation made to a Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An oral or written allegation made to a Magistrate
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আদালতসমূহের শ্রেণীবিভাগ উল্লেখ আছে?
  1. ৩ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

ধারা ৬:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
.
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে- উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি ________ কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়, তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
  1. ২ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৭ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে, আপিলের ক্ষেত্রে পরপর চলমান একাধিক দণ্ড কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ দণ্ড কার্যকর হবে
  2. পৃথক দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  3. একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  4. শুধুমাত্র প্রথম দণ্ড কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
.
কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রয়োজন নেই?
  1. অপরাধী ঘোষণা করা হলে
  2. ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম থাকলে
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
.
হুলিয়া যথাযথভাবে জারি হয়েছে, তা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কখন গণ্য হবে?
  1. পুলিশের প্রতিবেদনের মাধ্যমে
  2. সাক্ষীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  3. আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান:
(১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারী করতে পারবেন।

(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারী করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।

(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারী হয়েছে তাহলে উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
.
ধারা ৮১ অনুসারে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
সঠিক উত্তর:
কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী,
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security)without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
.
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১০.
Under Section 152 of the CrPC, who has the authority to prevent injury to public property?
  1. Any citizen
  2. A Police-officer
  3. A Magistrate
  4. Session court
সঠিক উত্তর:
A Police-officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Police-officer
ব্যাখ্যা
Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯(৩) ধারায়, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নাম ও বাসস্থান প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে -
  1. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হবে
  3. ৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  4. তাকে আটকে রাখা হবে এবং তদন্ত করা হবে
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকেগ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১২.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা কে ইস্যু করতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100: Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
১৩.
'ম' এর বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক মিথ্যা ও তুচ্ছ অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করেন এবং অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। অভিযোগকারী যদি যথাযথ কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. অভিযোগকারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  2. অনধিক ৩০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কেবলমাত্র মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে, ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১৪.
Section 118 of the Criminal Procedure Code states that- no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, that specified in the order made under __________.
  1. Section 112
  2. Section 113
  3. Section 114
  4. Section 116
সঠিক উত্তর:
Section 112
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 112
ব্যাখ্যা
Section-118: Order to give security:
If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 

Provided- 
firstly , that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112:  
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির জামিন দেওয়া যাবে
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৭২ ঘণ্টা আটক রাখা যাবে
  4. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
 
Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১৬.
'ক' একটি সমনযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে 'ক' আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়ে, তার উকিলের মাধ্যমে হাজিরা দিতে চান। এক্ষেত্রে, আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীনে এই অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ৩৪৪
  2. ধারা ২০৫
  3. ধারা ২০৫গ
  4. ধারা ২০৫ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুযায়ী, অপরাধগুলি যদি এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে তা কীভাবে বিচার করা হবে?
  1. পৃথক পৃথক মামলায়
  2. একত্রে একটি মামলায়
  3. শুধুমাত্র প্রথম অপরাধের ভিত্তিতে
  4. উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
একত্রে একটি মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রে একটি মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 
 
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১৮.
কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়া হলে, তিনি কী করবেন?
  1. অপরাধীকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করবেন
  2. অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবেন
  3. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যেতে বলবেন
  4. সংবাদের সারাংশ লিখে তৎক্ষণাৎ তদন্ত শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যেতে বলবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যেতে বলবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৫- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১৯.
দায়রা আদালত কখন অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. পুলিশ প্রতিবেদন দিলে
  2. সরাসরি আমলে নিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারা- দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে নেয়া:
(১) এই কার্যবিধি অথবা সমকালে কার্যকর থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা ব্যক্তভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান দেওয়া থাকিলে তা ব্যতিরেকে, কোন দায়রা আদালত আদি অধিক্ষেত্রের আদালতরূপে কোন অপরাধকে আমলে নিবেন না, যদি না, এই কার্যবিধি মতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিষয়টি উহার নিকট প্রেরিত না হয়।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন দায়রা বিভাগের জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত ও যুগ্ম দায়রা জজগণ শুধুমাত্র সেসব মামলার বিচার করবেন।
২০.
কোন ব্যক্তি যদি পুলিশ হেফাজতে মারা যান, তবে তদন্তের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে?
  1. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র প্রথম ব দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
২১.
Under Section 404, in which situation can an appeal be made against a Criminal Court's decision?
  1. If the police recommend an appeal.
  2. Only if the Code or another law allows it.
  3. If the trial court permits an appeal.
  4. If the accused believes the judgment is unfair.
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
ব্যাখ্যা
Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
২২.
একটি মামলার বিচার চলাকালীন ম্যাজিস্ট্রেট প্রমাণের অভাবে, শাস্তির রায় না দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং অভিযুক্তকে মুক্তি দেন। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে তা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ২৪৭
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ৩৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার অধীনে পুলিশ কাকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  2. শুধুমাত্র ভুক্তভোগীকে
  3. শুধুমাত্র অভিযোগকারীকে
  4. ঘটনার তথ্যাদি সম্পর্কে অবগত যে কোনো ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘটনার তথ্যাদি সম্পর্কে অবগত যে কোনো ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার তথ্যাদি সম্পর্কে অবগত যে কোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:
(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
২৪.
ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন সাক্ষী হাজির হতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাক্ষীকে-
  1. জরিমানা করতে পারেন
  2. গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  3. মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
  4. হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
২৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর _________ অনুযায়ী, সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬২
  4. ধারা ২৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
২৬.
'A' একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করলেন, কিন্তু উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের মামলাটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. 'A' কে লিখিত নালিশ দিতে বলবেন
  2. নালিশের বিষয়ে তদন্ত শুরু করবেন
  3. 'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
  4. নালিশটি দাখিলের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেবেন
সঠিক উত্তর:
'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
২৭.
৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
  3. আসামীর সম্মতি
  4. আইনজীবীর অনুমতি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
- ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
- ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৯ অনুযায়ী, শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি পুলিশি হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে _____ দেওয়া হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ড প্রদান করা
  2. অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. অভিযোগকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. মামলার রায় প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৩০.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন ধরনের আপিল শুনানির ক্ষমতা রাখেন?
  1. শুধুমাত্র জামিন সংক্রান্ত আপিল
  2. সরকার নির্দেশিত আপিল
  3. দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন দুটি ধারার শর্ত পূরণ করা হলে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়?
  1. ৮৭ এবং ৮৮
  2. ৩৩৭ এবং ৩৩৮
  3. ৪০২ এবং ৪০৩
  4. ৫০২ এবং ৫০৩
সঠিক উত্তর:
৮৭ এবং ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭ এবং ৮৮
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
৩২.
According to Section 352, who has the authority to limit the public's access to the court during a trial or inquiry?
  1. The district magistrate
  2. The public prosecutor
  3. The presiding Judge or Magistrate
  4. The police officer in charge of the case
সঠিক উত্তর:
The presiding Judge or Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The presiding Judge or Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৩
  2. ধারা ৩৪৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৬৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায়, কোন ব্যক্তির জন্য খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ৬০ দিন?
  1. আসামি
  2. আদালত
  3. অভিযোগকারী
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯২ ধারায় যদি মামলা হস্তান্তরিত হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বাদীর এবং সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. বাদীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
৩৬.
যদি কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী গর্ভবতী হন, তবে আদালত কোন বিকল্প সাজা দিতে পারেন?
  1. অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৮২ অনুসারে,
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

৩৭.
স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মামলা আমলে নেবে?
  1. দায়রা জজ
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৩৮.
Under which section is the summary dismissal of an appeal mentioned?
  1. Section 427
  2. Section 425
  3. Section 423
  4. Section 421
সঠিক উত্তর:
Section 421
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 421
ব্যাখ্যা
Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:

(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারায় জামিনদার জামিন বাতিলের জন্য কখন আবেদন করতে পারবেন?
  1. যেকোনো সময়
  2. জামিন গ্রহনের পর ১৫ দিন মধ্যে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. শুধুমাত্র আদালত নির্দেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
৪০.
যদি কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে পরিচালিত হয়, তবে সেটি বাতিল হবে-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে
  2. যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
  3. অভিযোগকারীর আবেদনক্রমে
  4. প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৪১.
দায়রা জজের রিভিশনাল সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  3. পুনঃশুনানি সাপেক্ষ
  4. দ্বিতীয় রিভিশনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
৪২.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষীকে দলিল হাজির করতে বলার পর যদি তিনি তা উপস্থাপন করতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কতদিন তাকে কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।

Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
৪৩.
একজন অভিযোগকারী একটি মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং মামলা চলাকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তার অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন। এক্ষেত্রে, নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. মামলা স্থগিত করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা শুরু হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
  4. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৪৪.
কোন তারিখ থেকে আপিল আদালত ৯০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. অভিযোগের তারিখ
  2. নোটিশ জারির তারিখ
  3. আদালতের আদেশের তারিখ
  4. মামলার রেকর্ড প্রেরণের তারিখ
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৪৫.
Which court has inherent powers under Section 561A?
  1. Lower courts
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৪৬.
মহানগর দায়রা আদালতের রায়ের অনুলিপি কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. শুধুমাত্র আপিল আদালতে
  2. মহানগর পুলিশের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.