পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা- ১ টপিক GKPedia – আন্তর্জাতিক ক্লাস সূচনা, বিশ্ব পরিচিতি ও এশিয়া মহাদেশ – দক্ষিণ এশিয়া, মহাদেশ পরিচিতি – দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া [ক্লাস ১ ও ২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে মোট স্বাধীন দেশের সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৪টি
  2. ১৩টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ: - স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ১২টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: সুরিনাম (১৯৭৫)।

মহাদেশভিত্তিক স্বাধীন দেশের তথ্য:
• এশিয়া মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৪৮টি,
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: পূর্ব তিমুর (২০০২)।
- দ্রষ্টব্য: ফিলিস্তিন ও তাইওয়ানকে অনেকে দেশ হিসেবে গণ্য করলেও জাতিসংঘে তারা পূর্ণ সদস্য নয়।

আফ্রিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৫৪টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: দক্ষিণ সুদান (২০১১)।

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ২৩টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: সেন্ট কিটস ও নেভিস (১৯৮৩)

ইউরোপ মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ৪৮টি।
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: কসোভো (২০০৮)

ওশেনিয়া মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ১৪টি।
-  সর্বশেষ স্বাধীন দেশ: পালাউ (১ অক্টোবর, ১৯৯৪)।

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- স্বাধীন দেশ (সংখ্যা): ০টি

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
অমর্ত্য সেন অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কত সালে? 
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- পরিচয় (Identity): বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- বিশেষ পরিচিতি: মানব উন্নয়ন তত্ত্ব (Human Development Approach)-এর অন্যতম প্রবর্তক।
- গবেষণার ক্ষেত্র: দারিদ্র্য, দারিদ্র্য, জনকল্যাণ অর্থনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র।
- নোবেল পুরস্কার: ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ।
- নোবেল প্রাপ্তির কারণ: দারিদ্র্য ও দারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কারণ বিশ্লেষণ এবং জনকল্যাণমূলক অর্থনীতিতে মৌলিক অবদান।
- বিশ্বব্যাপী অবদান: মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) ধারণা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রধান গ্রন্থ: The Idea of Justice; Poverty and Famines: An Essay on Entitlements and Deprivation; Collective Choice and Social Welfare; On Economic Inequality; The Country of First Boys.
- বিশেষ তথ্য: দারিদ্র্য কেবল খাদ্য ঘাটতির নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক বঞ্চনার ফল এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
- গুরুত্ব: উন্নয়ন অর্থনীতিতে মানবকেন্দ্রিক ধারা রূপান্তরের পথপ্রদর্শক।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ব্রাজিল
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

আয়তনে বৃহত্তম দেশ:
১) রাশিয়া
২) কানাডা
৩) যুক্তরাষ্ট্র
৪) চীন
৫) ব্রাজিল

আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ:
১) ভ্যাটিকান সিটি
২) মোনাকো
৩) নাউরু
৪) টুভালু
৫) পালাউ

জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ :
১) ভারত
২) চীন
৩) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
৪) ইন্দোনেশিয়া
৫) ব্রাজিল

জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ:
১) ভ্যাটিকান সিটি
২) টুভালু
৩) নাউরু
৪) সান মারিনো
৫) পালাউ

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
২০০৭ সালে নেপালে কত বছরের পুরাতন রাজতন্ত্রের বিলোপ ঘটে?
  1. ২৩৫ বছর
  2. ২৪০ বছর
  3. ২৩৮ বছর
  4. ২৪৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২৪০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪০ বছর
ব্যাখ্যা

- ২০০৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর নেপালে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করা হয়।
- ওই দিন থেকে দেশটি ফেডারেল রিপাবলিক বা কেন্দ্রীয় প্রজাতন্ত্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- এবং ২০০৮ সালে নেপালের গণপরিষদ ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে দেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

নেপাল:

- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র,
- এটি বিশ্বের একমাত্র দেশ যার জাতীয় পতাকা চতুর্ভুজাকার নয়।
- অফিসিয়াল নাম: ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ নেপাল।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু (Kathmandu)।
- বৃহত্তম শহর: কাঠমান্ডু।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় প্রজাতন্ত্র।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি (NPR)।
- হিমালয়ের দেশ: বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে ৮টিই নেপালে অবস্থিত।
- স্থলবেষ্টিত অবস্থান: নেপাল উত্তর দিকে চীন (তিব্বত) এবং দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত।
- রাজতন্ত্রের অবসান: ২০০৮ সালে নেপাল দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্র ত্যাগ করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।
- ধর্ম: নেপালের জনসংখ্যার সিংহভাগ হিন্দু (৮১%), তবে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাবও অত্যন্ত গভীর।
- লুম্বিনী: গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হিসেবে লুম্বিনী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান তীর্থস্থান।

উৎস:  ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ। লিঙ্ক

.
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি? 
  1. গ্রানাডা
  2. সেন্ট লুসিয়া
  3. ডোমিনিকা 
  4. সেন্ট কিটস ও নেভিস
সঠিক উত্তর:
সেন্ট কিটস ও নেভিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্ট কিটস ও নেভিস
ব্যাখ্যা

উত্তর আমেরিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – কানাডা
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সেন্ট কিটস ও নেভিস
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – যুক্তরাষ্ট্র
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সেন্ট কিটস ও নেভিস।

এশিয়া:

- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – চীন,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – মালদ্বীপ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – ভারত,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – মালদ্বীপ।

আফ্রিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – আলজেরিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সিশেলস,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – নাইজেরিয়া, 
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সিশেলস,

দক্ষিণ আমেরিকা:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – ব্রাজিল, 
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – সুরিনাম ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – ব্রাজিল,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – সুরিনাম।

ইউরোপ:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – রাশিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – ভ্যাটিকান সিটি ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – রাশিয়া,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – ভ্যাটিকান সিটি।

ওশেনিয়া:
- সবচেয়ে বড় দেশ (আয়তন) – অস্ট্রেলিয়া,
- সবচেয়ে ছোট দেশ (আয়তন) – টুভালু ,
- সবচেয়ে জনবহুল দেশ – অস্ট্রেলিয়া,
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ – নাউরু।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
মালদ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

মালদ্বীপ:
- মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপ রাষ্ট্র।
- এটি মূলত প্রবাল দ্বীপ বা 'অ্যাটল' (Atoll)-এর সমন্বয়ে গঠিত এবং এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ।
- রাজধানী: মালে।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুফিয়া (MVR)।
- ভাষা: দিভেহি (Dhivehi)।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা মাত্র ১.৫ মিটার)।
- অ্যাটল পদ্ধতি: ২৬টি প্রাকৃতিক অ্যাটল বা দ্বীপবেষ্টনীতে বিভক্ত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে মালদ্বীপ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
- পর্যটন: মালদ্বীপের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো পর্যটন। মোট জিডিপির ২৮%-এর বেশি আসে এই খাত থেকে।

উল্লেখ্য,
- দীর্ঘমেয়াদী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকার 'হুলাহুমলে'  নামক একটি কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং আল জাজিরা।

.
ভুটান উন্নয়ন পরিমাপের জন্য কোন ধারণাকে রাষ্ট্রীয় দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছে?
  1. Gross Domestic Product 
  2. Gross National Happiness 
  3. Carbon Footprint Index
  4. Human Development Index
সঠিক উত্তর:
Gross National Happiness 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gross National Happiness 
ব্যাখ্যা

- ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র শাসনতান্ত্রিক রাজতন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
- দেশটি উন্নয়ন পরিমাপে প্রচলিত জিডিপির পরিবর্তে মোট জাতীয় সুখ (Gross National Happiness - GNH) ধারণাকে রাষ্ট্রীয় দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছে,
- যা সামাজিক কল্যাণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়। 
- ভুটান বিশ্বে পরিচিত কার্বন-নেগেটিভ রাষ্ট্র হিসেবে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকার জন্য।
- পাশাপাশি এটি ধূমপানমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবেও স্বীকৃত।

ভুটান :

- রাষ্ট্রীয় নাম: কিংডম অব ভুটান (Kingdom of Bhutan);
- পরিচিতি: বজ্র ড্রাগনের দেশ (Land of the Thunder Dragon);
- স্বাধীনতা লাভ: ১৯৪৯ সালে (ব্রিটিশ শাসনের অবসান পরবর্তী সময়);
- শাসনব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র;
- শাসনপদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র;
- রাজধানী: থিম্পু;
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা (বর্তমান রাজা: জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক);
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী (বর্তমান: দ্রুকপা টশেরিং তোবগে);
- আইনসভা: গণপরিষদ (পার্লামেন্ট / Druk Gyalpo's Parliament);
- উচ্চকক্ষ: জাতীয় পরিষদ (National Council); নিম্নকক্ষ: জাতীয় সভা (National Assembly);
- প্রকৃতি: হিমালয়ান দেশ (পাহাড়ি ও বনভূমি সমৃদ্ধ);
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: দোজংখা (Dzongkha);
- মুদ্রা: ভুটানি গুলট্রাম (Bhutanese Ngultrum,
- ভারতীয় রুপির সাথে সমমূল্য);
- ধর্ম: বজ্রযান বৌদ্ধধর্ম (রাষ্ট্রধর্ম)।

 উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং আল জাজিরা।

.
বর্তমানে ভারতের মোট কতটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) আছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ: 
- ভারতের প্রশাসনিক কাঠামোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- বর্তমানে ভারতে মোট ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বিদ্যমান।
- ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে পুনর্গঠন করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ-এই দুইটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
•  কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলো হলো-  
১. আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ,
২. দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ,
৩. দিল্লি (জাতীয় রাজধানী অঞ্চল),
৪. জম্মু ও কাশ্মীর,
৫. লাদাখ,
৬. লাক্ষাদ্বীপ,
৭. পুদুচেরি এবং
৮. চন্ডিগড়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
ইন্দোনেশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল? 
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন সুকর্ণো।
- প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি: মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি. কম।

১০.
মিয়ানমার ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে কবে?
  1. ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭
  2. ৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮
  3. ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০
  4. ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

- মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি প্রাচীন সভ্যতাবাহী দেশ,
- ১৮৮৬ সালে এটি ব্রিটিশ ভারতের অংশে পরিণত হয়।
- এবং ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮ ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। 
- স্বাধীনতার পর মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক শাসন টেকসই হয়নি।
- ১৯৬২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে, যা দীর্ঘমেয়াদি সামরিক শাসনের সূচনা করে।
- ২০১০-এর দশকে সীমিত গণতান্ত্রিক রূপান্তর শুরু হলেও ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আবার সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
- ফলে বর্তমানে দেশটি কার্যত সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে।

মিয়ানমার: 

- রাষ্ট্রের নাম: Republic of the Union of Myanmar.
- পুরোনো নাম: বার্মা (Burma),
- স্বাধীনতা লাভ: ৮ জানুয়ারি ১৯৪৮ (ব্রিটিশ শাসন থেকে),
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র (বর্তমানে সামরিক শাসনের প্রভাব বিদ্যমান),
- শাসনপদ্ধতি: ঐতিহাসিকভাবে সংসদীয় গণতন্ত্র; বর্তমানে সামরিক নিয়ন্ত্রণ,
- রাজধানী: নাইপিদো।
- বাণিজ্যিক রাজধানী: ইয়াঙ্গুন,
- আইনসভা: পিদাউংসু হ্লুত্তাও (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ),
- অবস্থান/প্রকৃতি: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র,
- সীমান্তবর্তী দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, চীন, থাইল্যান্ড, লাওস,
- রাষ্ট্রভাষা: বার্মিজ (Burmese)। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি নিউজ।

১১.
এলিফ্যান্ট পাস (Elephant Pass)’ শ্রীলঙ্কার কোন প্রদেশে অবস্থিত?
  1. পশ্চিম প্রদেশ
  2. দক্ষিণ প্রদেশ
  3. উত্তর প্রদেশ
  4. পূর্ব প্রদেশ
সঠিক উত্তর:
উত্তর প্রদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর প্রদেশ
ব্যাখ্যা

- শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা ১৯৭৪ সালে পক প্রণালিতে নির্ধারিত হয়।
- শ্রীলঙ্কার উত্তর প্রদেশে অবস্থিত 'এলিফ্যান্ট পাস (Elephant Pass)' একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা,
- যা গৃহযুদ্ধের সময় বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব বহন করেছিল।
- শ্রীলঙ্কার মান্নার দ্বীপ মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

শ্রীলঙ্কা:

- রাষ্ট্রীয় নাম: ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অব শ্রীলঙ্কা (Democratic Socialist Republic of Sri Lanka.
- স্বাধীনতা লাভ: ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে (ব্রিটিশ শাসন থেকে, সিলোন নামে);
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (unitary multiparty republic);
- শাসনপদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় গণতন্ত্রের সমন্বয় (রাষ্ট্রপতি নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন);
- রাজধানী: শ্রী জয়াবর্ধনপুরা কোট্টে (Sri Jayawardenepura Kotte আইনসভা); 
- কলম্বো (Colombo - নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয়);
- আইনসভা: পার্লামেন্ট (এককক্ষ বিশিষ্ট, ২২৫ আসন);
- প্রকৃতি: দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র (ভারত মহাসাগরে, ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত);
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: সিংহলী (Sinhala) ও তামিল (Tamil);
- যোগাযোগের ভাষা: ইংরেজি; জাতীয় মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি (Sri Lankan Rupee);
- জাতিগত গোষ্ঠী: সিংহলী, তামিল, মুসলিম (মুর), বার্গার;
- ধর্ম: বৌদ্ধধর্ম (প্রধানত সিংহলীদের মধ্যে প্রচলিত, রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত)।

উৎস: Britannica, এবং সরকারি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভিয়েতনাম কোন দেশের দখলে ছিল?
  1. জার্মানি
  2.  ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

ভিয়েতনাম: 
- ভিয়েতনাম দীর্ঘদিন ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল।
- এবং ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর দেশটি উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম-এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।
- বিভাজনটি করা হয় ১৭° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভিয়েতনাম জাপানের দখলে ছিল, 
- উত্তর ভিয়েতনামের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ছিলেন হো চি মিন, যিনি 'আঙ্কেল হো' নামে পরিচিত।

• ভিয়েতনাম যুদ্ধ (১৯৫৫-১৯৭৫)
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের মধ্যকার সংঘাত ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চলতে থাকে, যা ইতিহাসে ভিয়েতনাম যুদ্ধ বা দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে উত্তর ভিয়েতনামকে সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো সমর্থন করে।
- অপরদিকে দক্ষিণ ভিয়েতনামকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইনসহ কমিউনিস্ট-বিরোধী দেশগুলো সহায়তা প্রদান করে।

• মার্কিন সম্পৃক্ততা ও যুদ্ধের ভয়াবহতা: 
- ১৯৬৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকারকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সৈন্য পাঠায়, যার ফলে যুদ্ধটি ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- এই দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতে প্রায় ৩২ লক্ষ ভিয়েতনামি নাগরিক নিহত হন। পাশাপাশি যুদ্ধের প্রভাব পড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে-প্রায় ১০-১৫ লক্ষ লাওস ও কম্বোডীয় নাগরিক প্রাণ হারান।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫৮ হাজার সেনা নিহত এবং ৩ লক্ষের বেশি আহত বা পঙ্গু হন। যুদ্ধটি বিশ্ব ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ সামরিক সংঘাত হিসেবে বিবেচিত।
- দীর্ঘ যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক চাপের পর ১৯৭৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনামের পতন ঘটে।
- এর পর ১৯৭৬ সালের ২ জুলাই উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম একত্রিত হয়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে একটি একক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- এবং রাষ্ট্রের নামকরণ করাহয় 'সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অব ভিয়েতনাম'।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি. কম।

১৩.
'Discovery of India' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. আবুল কালাম আজাদ
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
ব্যাখ্যা

পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু:
- পরিচয়: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী; কংগ্রেস নেতা,
- মেয়াদকাল: ১৯৪৭–১৯৬৪,
- রাজনৈতিক দর্শন: আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রবক্তা,
- শিক্ষা বিষয়ে মত: “দেশ উন্নত হয় যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উন্নত হয়”—এই দর্শনে বিশ্বাসী,
• সাহিত্যকর্ম: An Autobiography, Glimpses of World History,
- The Discovery of India,
- পররাষ্ট্রনীতি: জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম রূপকার,
- বিশেষ উপাধি: ‘আধুনিক ভারতের রূপকার’।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৪.
মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার জনক কে?
  1. মাহাথির মোহাম্মদ
  2. আব্দুল্লাহ আহমদ বাদাবি
  3. টুংকু আব্দুল রহমান 
  4. আনোয়ার ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
টুংকু আব্দুল রহমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুংকু আব্দুল রহমান 
ব্যাখ্যা

- মালয়েশিয়া ৩১ আগস্ট ১৯৫৭ ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশের স্বাধীনতার জনক টুংকু আব্দুল রহমান । 
- স্বাধীনতার পর মালয়েশিয়া একটি ফেডারেল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও সংসদীয় গণতন্ত্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা মালয় এবং ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম।

মালয়েশিয়া:

- স্বাধীনতা লাভ: ৩১ আগস্ট ১৯৫৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে)
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও ফেডারেল রাষ্ট্র
- শাসনপদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র
- রাজধানী: কুয়ালালামপুর
- প্রশাসনিক রাজধানী: পুত্রজায়া
- আইনসভা: পার্লামেন্ট (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট)
- উচ্চকক্ষ: দেওয়ান নেগারা (Senate)
- নিম্নকক্ষ: দেওয়ান রাকইয়াত (House of Representatives)
- রাষ্ট্রভাষা: মালয় (Bahasa Malaysia)
- মুদ্রা: মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত
- রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম
- পরিচিতি/বিশেষ কর্মসূচি: “Malaysia My Second Home (MM2H)”

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি. কম।

১৫.
কম্বোডিয়ার আইনসভার উচ্চকক্ষ কী নামে পরিচিত?
  1.  সিনেট
  2. রাজসভা
  3. হাউজ অব লর্ডস
  4. পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
 সিনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সিনেট
ব্যাখ্যা

কম্বোডিয়া: 
- রাষ্ট্রীয় নাম: কিংডম অব কম্বোডিয়া (Kingdom of Cambodia).
- রাজধানী: নম পেন (Phnom Penh)
- ভৌগোলিক অবস্থান: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
- স্বাধীনতা লাভ: ৯ নভেম্বর ১৯৫৩।
-  স্বাধীনতা লাভ: ফ্রান্স থেকে।
- রাজনৈতিক পটপরিবর্তন: ১৯৭০ সালে  অভ্যুত্থানের পর সাময়িকভাবে রাজতন্ত্র বিলোপ করা হয় এবং প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা (বর্তমান: নরোদম সিহামোনি)।
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী (বর্তমান: হুন মানেত)
- আইনসভা (পার্লামেন্ট)।
- কম্বোডিয়ার আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট:
- উচ্চকক্ষ: সিনেট (Senate),
- নিম্নকক্ষ: জাতীয় সভা (National Assembly),

• ক্ষমতা হস্তান্তর: ২০২৩ সালের আগস্টে কম্বোডিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক হুন সেন পদত্যাগ করেন এবং তার পুত্র হুন মানেত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এটি দেশটির রাজনীতিতে একটি নতুন প্রজন্মের সূচনা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৬.
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর বিখ্যাত উক্তি কোনটি? 
  1. শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য
  2. এক দেশ, এক মানুষ, এক লক্ষ্য
  3. তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো
  4. সত্যের পথে চলতে হবে
সঠিক উত্তর:
তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো
ব্যাখ্যা

সুভাষ চন্দ্র বসু:
- পরিচয়: স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী নেতা; পরিচিত নাম নেতাজি।
- সামরিক অবদান: আজাদ হিন্দ ফৌজ পুনর্গঠন ও নেতৃত্ব।
- সরকার প্রতিষ্ঠা: নির্বাচিত আজাদ হিন্দ সরকার গঠন।
- যুদ্ধ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইফল ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
- সহযোগিতা: জাপানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য।
- বিখ্যাত উক্তি: “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো”।
- জাতীয় দিবস: ২০২১ সালে জন্মদিনকে জাতীয় পরাক্রম দিবস ঘোষণা।
- গুরুত্ব: সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৭.
আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. স্ট্যামফোর্ড র‍্যাফলস
  2. লি কুয়ান ইউ
  3. নরোদম সিহামোনি
  4. হু জিন্তাও
সঠিক উত্তর:
লি কুয়ান ইউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লি কুয়ান ইউ
ব্যাখ্যা

সিঙ্গাপুর
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব সিঙ্গাপুর (Republic of Singapore.
- রাজধানী: সিঙ্গাপুর সিটি (এটি একটি নগর রাষ্ট্র)
- ভৌগোলিক অবস্থান: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণে একটি দ্বীপ রাষ্ট্র)
- মুদ্রা: সিঙ্গাপুর ডলার (SGD)
- সরকারি ভাষা: ইংরেজি, মান্দারিন, মালয় এবং তামিল
- প্রতিষ্ঠাতা: আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ।
-ব্রিটিশ শাসন: ১৮১৯ সালে স্ট্যামফোর্ড র‍্যাফলস এখানে ব্রিটিশ বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করেন।
- স্বাধীনতা: ৯ আগস্ট ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়া থেকে পৃথক হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। (তার আগে ১৯৬৩ সালে ব্রিটিশদের কাছ  থেকে মুক্ত হয়ে মালয়েশিয়ার সাথে যুক্ত হয়েছিল)।
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: সংসদীয় প্রজাতন্ত্র (Parliamentary Republic)।
- আইনসভা: এক কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৮.
এশিয়ার কোন দেশটি মেমোগেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত?
  1. মালদ্বীপ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• মেমোগেট কেলেঙ্কারি (Memo gate scandal) পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত।
- এটি একটি নাম সাক্ষরবিহীন চিঠিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট ছিল,
- যা ২০১১ সালে ওবামা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছিল পাকিস্তানের সামরিক অভ্যুত্থান ঠেকানোর জন্য সাহায্য চেয়ে। 

পাকিস্তান: 
রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান (Islamic Republic of Pakistan),
- স্বাধীনতা লাভ: ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে),
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা: ২৩ মার্চ ১৯৫৬,
- রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম,
- রাষ্ট্রপতি: ডা. আরিফ আলভি,
- প্রধানমন্ত্রী: শাহবাজ শরিফ,
- আইনসভা: মজলিস-ই-শূরা (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ),
- উচ্চকক্ষ: সিনেট,
- নিম্নকক্ষ: জাতীয় পরিষদ (National Assembly),
- মূল প্রদেশ: ৪টি — বেলুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধু, পাঞ্জাব।
- প্রশাসনিক ইউনিট: মোট ৫টি (৪ প্রদেশ + গিলগিত-বাল্টিস্তান, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর, ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি),
- ভাষা (সরকারি): উর্দু,
- সীমান্তবর্তী দেশ: ভারত, আফগানিস্তান, চীন, ইরান,
- প্রধান নদী: ইন্দুস নদী (পাকিস্তানের জীবনরেখা)।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৯.
নাথু লা পাস  ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত? 
  1. অরুণাচল প্রদেশ
  2. সিকিম
  3. মিজোরাম
  4. উত্তরাখণ্ড
সঠিক উত্তর:
সিকিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিম
ব্যাখ্যা

বিরোধপূর্ণ অঞ্চল: 
• নাথু লা পাস: 

- সিকিমের উত্তর অংশে অবস্থিত, ভারত ও চীনের মধ্যে। 
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্ট, যেখানে ভারত ও চীন ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকে কিছুটা উত্তেজনা সহকারে যোগাযোগ রেখেছে।
- ২০০৬ সালে এটি পুনরায় খোলার পর থেকে ভারত ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে কিছু সময় বিরোধপূর্ণ সম্পর্কও দেখা দিয়েছে।

• কাশ্মীর: ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য এবং পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
• আকসাই চিন: চীন ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, যা চীন বর্তমানে দখল করে রেখেছে।
• শাহিদি (চীন-ভারত সীমান্ত): চীন ও ভারতের মধ্যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের ফলস্বরূপ এই অঞ্চলটি এখন চীনের নিয়ন্ত্রণে।
•শিলিগুরি করিডর: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিলিগুরি করিডর, যা ভারত ও বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান এবং চীনের সংযোগস্থল।

ডোকলাম:
- ভুটান, চীন, ও ভারতের সীমান্তে। ভারত ও চীনের মধ্যে ২০১৭ সালে ডকলাম এলাকায় সীমান্ত বিরোধ দেখা দেয়। চীন এখানে একটি সড়ক নির্মাণের চেষ্টা করেছিল, যা ভারতের জন্য নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক ছিল।

কালাপানি:
- ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের পিথোরাগড় জেলা এবং নেপাল সীমান্তের কাছাকাছি। কালাপানি অঞ্চলের সীমানা নিয়ে ভারত ও নেপালের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। নেপাল দাবি করে যে, কালাপানি তাদের ভূখণ্ডের অংশ, তবে ভারত এটি নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।