পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
"[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি পরীক্ষা টপিক: ১. চুম্বক, ২. দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও ব্যবহারিক বিষয়; যেমন - ফিটকিরি, বেকিং পাউডার। ৩. উদ্ভিদের পুষ্টি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
ক্যাসেট প্লেয়ার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কোন চুম্বক ব্যবহৃত হয়?
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. প্রাকৃতিক চুম্বক
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• স্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- এন্টেনা, লাউডস্পিকার, টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় স্থায়ী চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

• অস্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়।
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।
- বৈদ্যুতিক কলিং বেল, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম কী?
  1. সোডিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট
  2. সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট
  3. ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইট
  4. ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট
ব্যাখ্যা
• ব্লিচিং পাউডার:
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরাে হাইপােক্লোরাইট, Ca(OCl)Cl.
- বলপেন এর কালি বা অন্য কোনাে রং যেগুলাে সাবান এবং ডিটারজেন্ট দিয়ে তােলা যায় না সেগুলােকে কাপড় থেকে উঠানাের জন্য তথা বর্ণহীন করার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া মেঝে, কমােড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজেও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- 40°C তাপমাত্রায় কঠিন ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মধ্যে ক্লোরিন গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার, Ca(OCl)Cl উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি।
.
যেসকল পদার্থকে চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়কারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাকে বলে-
  1. প্যারাচৌম্বক পদার্থ
  2. ডায়াচৌম্বক পদার্থ
  3. ফেরোচৌম্বক পদার্থ
  4. এন্টিফেরোচৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• ডায়াচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ। 
 
• প্যারাচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক বলে। প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। 
যেমন: অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, এন্টিমনি, প্লাটিনাম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, তরল অক্সিজেন প্রভৃতি প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

• ফেরোচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি হলো ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি মূখ্য পুষ্টি উপাদান?
  1. কার্বন
  2. মলিবডেনাম
  3. বোরন
  4. জিংক
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদে প্রায় 60টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে, তবে এই 60টি উপাদানের মধ্যে মাত্র 16টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।
- এ 16টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।

-ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা -
১. নাইট্রোজেন,
২. পটাসিয়াম,
৩. ক্যালসিয়াম,
৪. লৌহ,
৫. ম্যাগনেসিয়াম,
৬. কার্বন,
৭. হাইড্রোজেন,
৮. অক্সিজেন,
৯. ফসফরাস ও
১০. সালফার।

- ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
.
সাবান কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. এসিড
  2. এলডিহাইড
  3. লবণ
  4. এলকোহল
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- সোডিয়াম স্টিয়ারেট বা পটাসিয়াম স্টিয়ারেট হচ্ছে সাবানের রাসায়নিক নাম।
- সোডিয়াম স্টিয়ারেটের সংকেত C17H35COONa এবং পটাসিয়াম স্টিয়ারেটের সংকেতC17H35COOK।
- তেল বা চর্বির সঙ্গে NaOH বা KOH বিক্রিয়া করে সাবান তৈরি করা হয়।
-  সাবান তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন (saponification) বলে।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি ও রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি NaCl এর ব্যবহার নয়-
  1. বেকিং সোডা প্রস্তুতি
  2. সোডিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড তৈরি
  3. খাবার স্যালাইন তৈরি
  4. ব্লিচিং পাউডার তৈরি
ব্যাখ্যা
NaCl এর ব্যবহার:
- NaCl অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়।
যেমন:
- ভাত-এর সাথে আমরা তরকারি খাই। তরকারিতে NaCl লবণ না দিলে তরকারি সুস্বাদু হয় না।
- শিল্পকারখানায় NaOH যৌগ প্রস্তুত করার জন্য NaCl ব্যবহৃত হয়।
- ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা পূরণের জন্য ওষুধ শিল্পে স্যালাইনের মধ্যে NaCl প্রয়োজন হয়।
- বেকিং সোডা তৈরিতে NaCl ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- 40°C তাপমাত্রায় কঠিন ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মধ্যে ক্লোরিন গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার, Ca(OCl)Cl উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
বয়োবৃদ্ধ পাতা হলুদ হয়ে যায় কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. সালফার
  3. ফসফরাস
  4. পটশিয়াম
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন (N) এর অভাবজনিত লক্ষণ:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- তার কারণ ক্লোরোফিল ছাড়া অন্যান্য বর্ণকণা বা পিগমেন্ট মিলিতভাবে হলুদ দেখায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (chlorosis) বলে।
- নাইট্রোজেনের অভাবে বয়োবৃদ্ধ পাতা হলুদ হয়ে যায়।
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে কেননা এগুলোও ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত।
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
লোহার কুরী তাপমাত্রা-
  1. ৩৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ৬৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  3. ৭২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ৭৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
 কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় কোন একটি চুম্বকের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়, তাকে উক্ত চুম্বকের উপাদানের কুরি বিন্দু বলে।
- এই তাপমাত্রার নামকরণ করা হয়েছে ফরাসি পদার্থবিদদের জন্যপিয়েরে কুরি , যিনি ১৮৯৫ সালে এমন সূত্রগুলি আবিষ্কার করেছিলেন যা তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত।
- লোহার কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা ৭৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এছাড়াও, কোবাল্টের জন্য কুরি তাপমাত্রা হলো ১১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যাসর্বোচ্চ কুরি বিন্দুগুলির মধ্যে একটি।

উৎস: একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ও ব্রিটানিকা।
.
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যেকল উপাদান খুব অল্প পরিমাণে লাগে তাদের কী বলে?
  1. ম্যাক্রোমৌল
  2. মাইক্রোমৌল
  3. অ্যাক্টিভ মৌল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে, তবে এই ৬০টি উপাদানের মধ্যে মাত্র ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।
- এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।
- ১৬টি উপাদানের মধ্যে ১০টি ম্যাক্রোমৌল এবং ৬ টি মাইক্রো মৌল।

• ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
১০.
চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যে আকর্ষণ বিকর্ষণ বল সম্পর্কে সূত্র আবিস্কার করেন-
  1. মাইকেল ফ্যারাডে
  2. উইলিয়াম গিলবার্ট
  3. চার্লস অগাস্টিন কুলম্ব
  4. উইলহেলম এডুয়ার্ড ওয়েবার
ব্যাখ্যা
• কূলম্বের সূত্র:
১৭৮৫ খৃষ্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী কুলম্ব চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যে আকর্ষণ বিকর্ষণ বল সম্পর্কে একটি সূত্র আবিস্কার করেন।
তাঁর নামানুসারে এই সূত্রটিকে কূলম্বের সূত্র বলে।
সূত্র: নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি পৃথক চুম্বকের মেরুর মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বা বলের মান মেরুদ্বয়ের শক্তির গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যকার দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক এবং এই বল মেরুদ্বয়ের সংযোগ সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
ধরা যাক, মেরুদ্বয়ের শক্তি যথাক্রমে m1 ও m2 এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্ব d । মেরুদ্বয়ের মধ্যকার ক্রিয়াশীল বল F হলে,



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু থাকে ভৌগলিক-
  1. উত্তর মেরুতে
  2. দক্ষিণ মেরুতে
  3. পূর্ব মেরুতে
  4. কেন্দ্রস্থলে
ব্যাখ্যা
• ভূ-চুম্বক:
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের পারিবারিক চিকিৎসক ড. গিলবার্ট বিভিন্ন পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে পৃথিবী একটি চুম্বক।
- এই ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু, ভৌগলিক উত্তর মেরু অর্থাৎ কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে।
- উত্তর মেরু এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে অর্থাৎ ভৌগলিক দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু ভৌগলিক উত্তর মেরু থেকে প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু ভৌগলিক দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ২২০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
কোনটি উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান নয়-
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. অক্সিজেন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. লৌহ
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
-ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান:

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা -
১. নাইট্রোজেন,
২. পটাসিয়াম,
৩. ক্যালসিয়াম,
৪. লৌহ,
৫. ম্যাগনেসিয়াম,
৬. কার্বন,
৭. হাইড্রোজেন,
৮. অক্সিজেন,
৯. ফসফরাস ও
১০. সালফার।

- ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
১৩.
টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান-
  1. সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট
  2. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. সোডিয়াম কার্বনেট ডেকা হাইড্রেট
  4. সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
• টয়লেট ক্লিনার:
- টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH)।
- টয়লেট ক্লিনারে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাথে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট (NaOCl) মিশ্রিত থাকে।
- বেসিন, কমোড ইত্যাদি পরিষ্কার করার জন্য টয়লেট ক্লিনার ব্যবহার করা হয়।
- টয়লেট, বেসিন, কমোড ইত্যাদিতে চর্বি জাতীয় পদার্থ, প্রোটিন জাতীয় পদার্থ, বিভিন্ন রং এর জৈব পদার্থ, অজৈব পদার্থ, রোগজীবাণু ইত্যাদি থাকে।
- যখন টয়লেট, বেসিন, কমোড ইত্যাদিতে টয়লেট ক্লিনার যোগ করা হয়, তখন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড চর্বি জাতীয় পদার্থ, প্রোটিন জাতীয় পদার্থ ইত্যাদির সাথে বিক্রিয়া করে এবং সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট বিভিন্ন রং এর পদার্থ এবং রোগজীবাণুর সাথে বিক্রিয়া করে এদের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
নিচের কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে গাছের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়?
  1. মলিবডেনাম
  2. বোরন
  3. লৌহ
  4. ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
• বোরন (B) এর অভাবজনিত লক্ষণ:
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।

অন্যদিকে,
- মোলিবডেনাম অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম আবশ্যক।
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
১৫.
ইউরিয়া থেকে উদ্ভিদ কোন খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. সালফার
  3. ফসফরাস
  4. জিংক
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 

• ইউরিয়া সারের কাজ:
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। 
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। 
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। 
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬.
কোনটি WHO কর্তৃক অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ নয়?
  1. লবণের দ্রবণ
  2. ভিনেগার
  3. সোডিয়াম বেনজোয়েট
  4. ফরমালডিহাইড
ব্যাখ্যা
ফুড প্রিজারভেটিভ (Food preservative):
- খাদ্যদ্রব্যে অনেক সময় কিছু রাসায়নিক পদার্থ মিশানো হয় যাতে খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে না পারে, খাবার দুর্গন্ধযুক্ত না হয় এবং পচন না ধরে।
- এই রাসায়নিক দ্রব্যকে ফুড প্রিজারভেটিভ বলে।
- কিছু ফুড প্রিজারভেটিভ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) কর্তৃক অনুমোদিত।
- যে সব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং যেগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে, তাদেরকে অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলে।
- যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, ভিনেগার, লবণের দ্রবণ, ইত্যাদি অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ।

অন্যদিকে,
- যেগুলো আমাদের শরীরে গেলে আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়, সেগুলোকে অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়।
যেমন- ফরমালডিহাইড বা ফরমালিন।

উৎস: ৮ম শ্রেণি, বিজ্ঞান ও WHO ওয়েবসাইট।
১৭.
বেকিং পাউডার মূলত-
  1. বেকিং সোডা + পটাশ এলাম
  2. বেকিং সোডা + এসকরবিক এসিড
  3. বেকিং সোডা + গ্লুকোজ
  4. বেকিং সোডা + টারটারিক এসিড
ব্যাখ্যা
• বেকিং পাউডার:
- বেকিং পাউডার বেকিং সোডা বা খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3)।
- বেকিং সোডা (NaHCO3) তৈরি করে তার মধ্যে টারটারিক এসিড (C₂H₂O) মিশালে বেকিং পাউডার তৈরি হয়।
- সাধারণত কেক বানানোর কাজে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।

• বেকিং সোডা প্রস্তুতি:
- অ্যামোনিয়া গ্যাস, খাদ্য লবণ, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে বেকিং সোডা প্রস্তুত করা যায়।
- প্রথমে পানির মধ্যে NaCl কে দ্রবীভূত করে NaCl এর সম্পৃক্ত দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়।
- এবার এই সম্পৃক্ত দ্রবণের মধ্যে NH₃ গ্যাস প্রবাহিত করে NH₃ দ্বারা সম্পৃক্ত করা হয়।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে NH₃ সম্পৃক্ত NaCl দ্রবণের মধ্যে প্রবাহিত করা হয়।
- এক্ষেত্রে CO2, NH3, H2O একত্র হয়ে প্রথমে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NH4HCO3) উৎপন্ন হয়।
- এরপর অ্যামোনিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট সোডিয়াম ক্লোরাইড-এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) বা বেকিং সোডা উৎপন্ন করে।

CO2 + NH3 + H2O → NH4HCO3
NH4HCO3 + NaCl→ NaHCO3 + NH4Cl

- বেকিং সোডাকে বিক্রিয়া পাত্র থেকে পৃথক করে তার সাথে টারটারিক এসিড মেশানো হয়।
- এ মিশ্রণকে বেকিং পাউডার বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।