পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
কত সালে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিবেশগত সমস্যার ওপর বিশ্বজনীন আলোচনা শুরু করে।
- স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলন, ৫-১৬ জুন, ১৯৭২ সাল। 
- জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্মেলন (UNCED), রিও ডি জেনিরো, ৩-১৪ জুন, ১৯৯২ সাল।

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
United Nations
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে কবে?
  1. ১৪ আগস্ট, ১৯৪৫ সাল
  2. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সাল
  3. ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- সময়কাল: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫
- ১৯৩৯ সালে জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪১ সালে জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ (অপারেশন বারবারোসা) করে।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণের ফলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে প্রবেশ করে।
- ১৯৪৪ সাল: নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day) এর মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপে মিত্রশক্তির অগ্রগতি।
- ৬ ও ৯ আগস্ট ১৯৪৫: যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা হামলা করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫: জাপানের আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।

উৎস: Britannica.
.
বাস্তিল দুর্গের পতন হয় কবে?
  1. ১৭৭৯ সালের ১৪ জুলাই
  2. ১৭৮৪ সালের ১৪ জুলাই
  3. ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই
  4. ১৭৯৮ সালের ১৪ জুলাই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতন হয়। 
- বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৮৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।

উৎস: ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন সংস্থা নিয়মিতভাবে জলবায়ু সম্পর্কিত "Assessment Reports" প্রকাশ করে?
  1. UNEP
  2. UNFCCC
  3. IPCC
  4. IMO
ব্যাখ্যা
IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change):
- IPCC (আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা জাতিসংঘের আওতায় কাজ করে।
- এটি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।

উৎস: IPCC Official Website
.
UNEP এর বর্তমান প্রধান কে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. আসিম স্টেইনার
  2. মাওরিক এফ স্ট্রং
  3. ইনগার অ্যান্ডারসেন
  4. কাইটেক লিম
ব্যাখ্যা
UNEP:
- পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
- চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ পুরস্কার পরিবেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য ব্যক্তি এবং সংস্থাকে দেওয়া হয়।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ই জুন।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন। [এপ্রিল, ২০২৫]

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট
.
কোন চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি 
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. আব্রাহাম অ্যাকর্ডস 
  4. ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- এই চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে। 
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
.
IUCN এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ফন্টেইনব্লিউ, ফ্রান্স
  2. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
  3. জেনেভা  সুইজারল্যান্ড
  4. গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
IUCN:
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করে থাকে।
- পূর্ণরূপ: International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালে ফন্টেইনব্লিউ, ফ্রান্স।
- সদর দপ্তর: গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশে কাজ করে।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
.
বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ কতটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৭টি
  2. ৩০টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৪টি
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট।
- ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization) উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- ন্যাটো চুক্তির "পঞ্চম অনুচ্ছেদ" অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়, তবে তা সমগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমস্ত সদস্য একে অপরকে রক্ষা করতে বাধ্য হবে।
- বর্তমানে, ন্যাটো -তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন- ২০২৪ সালে) । [এপ্রিল, ২০২৫]
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. WTO
ব্যাখ্যা
- WTO বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সাল।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৬৬টি (৩০ আগস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত) [এপ্রিল, ২০২৫]
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা
- WTO এর পূর্বসূরি ছিল General Agreement on Tariffs and Trade (GATT), যা ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- GATT মূলত বিশ্বব্যাপী শুল্ক হ্রাস ও বাণিজ্য বাধা কমানোর লক্ষ্যে কাজ করতো।
- ১৯৮৬-১৯৯৪ সালের উরুগুয়ে রাউন্ড আলোচনার পর WTO প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- WTO আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণ ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া,
- CWC কনভেনশনের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপক্ষগুলোর রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, মজুদ, ধারণ, স্থানান্তর বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণী নির্মূল করা। 
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যার লক্ষ্য হল সকল পরিবেশে সামরিক এবং বেসামরিক উভয় উদ্দেশ্যেই সকল পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা।
- NPT পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার প্রচারের লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: Britannica.
WTO ওয়েবসাইট।
১০.
গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) কোন সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. COP9
  2. COP10
  3. COP15
  4. COP21
ব্যাখ্যা
গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF):
- গৃহীত হয়: ২০০৯ সালে, কোপেনহেগেন সম্মেলনে (COP15 সম্মেলনে)। 
- আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর ২০১০ সাল।
- উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন প্রকল্প অর্থায়ন।
- সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১১.
ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Crime Policing Office
  2. International Common Police Organization
  3. International Criminal Police Organization
  4. International Cooperative Police Operation
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (INTERPOL):
- ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization. 
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা অপরাধ তদন্ত ও অপরাধী ধরতে বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
- ইন্টারপোল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয় বরং এটি অপরাধ তদন্তে সহায়ক একটি মাধ্যম, যা বৈশ্বিক পুলিশ বাহিনীগুলোকে সংযুক্ত করে।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সালে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৬টি।
- মূল লক্ষ্য: আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমকারী অপরাধ (যেমন মানব পাচার, সাইবার ক্রাইম, মাদক চোরাচালান, ওয়ার্ল্ড ক্রাইম) প্রতিরোধ এবং দমন।
- রেড নোটিশ: ইন্টারপোলের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

উৎস: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
১২.
সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন কোনটি?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. সিনাই উপদ্বীপ
  4. গাজা উপত্যকা
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে।
- গোলান বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- কিন্তু দামেস্কে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলানসহ আরও কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছে।
- বাশার আল-আসাদের পতনের পর গোলান মালভূমির দখল করা অঞ্চল থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে সিরিয়ার নতুন প্রশাসন।
- গত ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদের পতনের দিনই এই বাফার জোন পুরোপুরি দখল করে নেয় ইসরায়েল।
- ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে ইসরায়েল।
- এরপর ১৯৭৪ সালে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণ রেখা প্রতিষ্ঠার চুক্তি করা হয়।
- নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পাশে বাফার জোন তৈরি করা হয়, যাতে টহল দিত জাতিসংঘের সেনারা।
- ইসরায়েলের এই বাফার জোন দখলকে ১৯৭৪ সালের চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে জাতিসংঘ।

উৎস: The Daily Star বাংলা (জানুয়ারি ২৯, ২০২৫)
BBC NEWS বাংলা (১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)

১৩.
সিয়াচেন হিমবাহ কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও চীন 
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। 
- সিয়াচেন হিমবাহ অ-মেরু অঞ্চলের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিমবাহ।
- এটি হিমালয়ের কারাকোরাম পর্বতমালার অন্তর্গত এবং বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত।
- হিমবাহটি ইন্দিরা কর্নেল থেকে শুরু হয়ে প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৭৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত, যা চীন-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শুরু করে প্রায় ৫,৭৫৩ মিটার থেকে নেমে এসে ৩,৬২০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তরে একটি বিশাল নিষ্কাশন বিভাজন দ্বারা ঘেরা, যা ভারতীয় উপমহাদেশ ও কারাকোরাম অঞ্চলের ইউরেশীয় প্লেটকে পৃথক করে।
- ভারত এই সমগ্র হিমবাহ অঞ্চলকে কেন্দ্রশাসিত লাদাখ অঞ্চলের অংশ হিসেবে পরিচালনা করে।
- তবে পাকিস্তানও এই অঞ্চলটির দাবি করে এবং হিমবাহের পশ্চিমাংশে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
- এই হিমবাহ কেবল ভৌগোলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল।

উৎস: World Atlas.
১৪.
নাগোয়া প্রোটোকল কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০০২ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০১২ সাল
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রোটোকল (২০১০):
- পূর্ণনাম: Nagoya Protocol on Access to Genetic Resources and the Fair and Equitable Sharing of Benefits Arising from their Utilization.
- চুক্তির স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১২ অক্টোবর, ২০১৪।
- এর উদ্দেশ্য: জৈবসম্পদ ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ন্যায্যভাবে ভাগ করে নেওয়া এবং এর মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৩৮টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রটোকল।

উৎস: CBD (Convention on Biological Diversity) Official Website.
১৫.
অপারেশন ওডিসি ডন কোন দেশে পরিচালিত অভিযানের নাম?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. লিবিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
অপারেশন ওডিসি ডন:
- ২০১১ সালের ১৯ মার্চ ‘অপারেশন ওডিসি ডন’ নামে যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৯৭৩-এর নামে অনুমোদিত ছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল, মোয়ামার গাদ্দাফির সরকারের হাতে ‘নিরীহ’ বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করা, যদিও বাস্তবে সেই সময় লিবিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘ বা পশ্চিমা শক্তিগুলোর নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না।
- এই রেজুলেশনটি মূলত পশ্চিমা মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট ও ভুল প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গৃহীত হয়।
- ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডা রেজুলেশন পাসের আগেই নিজেদের সামরিক অভিযান শুরু করে।
- পরে সব অভিযান মিলিয়ে NATO-এর নেতৃত্বে ‘অপারেশন ইউনিফাইড প্রটেক্টর’ চালানো হয়, যা সাত মাস ধরে চলে এবং হাজার হাজার বিমান হামলা হয়।
- এই ‘মানবিক হস্তক্ষেপের’ নামে বাস্তবে গাদ্দাফির সরকারকে উৎখাত করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
- এতে বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়, কিন্তু NATO ও তাদের মিত্ররা আজও কোনো দায় স্বীকার করেনি।
- গাদ্দাফির হত্যার পর লিবিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
- দেশটি হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী, মানবপাচারকারী ও মিলিশিয়াদের অভয়ারণ্য।
- জাতিসংঘের রেজুলেশন লঙ্ঘন করে অস্ত্র সরবরাহ ও বিদেশি হস্তক্ষেপ চলে।

উৎস: MIDDLE EAST MONITOR
১৬.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়?
  1. রিও সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. রিও+১০ সম্মেলন
  4. রিও+২০ সম্মেলন
ব্যাখ্যা

UNEP:
- পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
- চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ পুরস্কার পরিবেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য ব্যক্তি এবং সংস্থাকে প্রদান করে থাকে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ই জুন।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন। [এপ্রিল, ২০২৫]
- ইনগার অ্যান্ডারসেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক.
- স্টকহোম সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়। 

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
United Nations ওয়েবসাইট। 

১৭.
রামসার কনভেনশন এর উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ 
  2. গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ
  3. জাতিগত নিধন রোধ 
  4. ক্ষতিকর দ্রব্য উৎপাদন বন্ধ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭২টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
১৮.
কত সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৬৪৮ সালে
  2. ১৭৪৮ সালে
  3. ১৮৪৮ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি (Peace of Westphalia): 
- ইউরোপে দীর্ঘ সময় ধরে চলা দুটি বড় যুদ্ধ শেষ করতে ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- দুটি যুদ্ধ শেষ হয় এই চুক্তিতে:
i) আশি বছরের যুদ্ধ (Eighty Years’ War) – স্পেন এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩০ জানুয়ারি ১৬৪৮

ii) তিরিশ বছরের যুদ্ধ (Thirty Years’ War) – মূলত জার্মান অঞ্চল, ফ্রান্স, সুইডেন এবং পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ২৪ অক্টোবর ১৬৪৮

- ইউরোপে ধর্মীয় সহনশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রগুলোর আন্তর্জাতিক সার্বভৌমত্ব স্বীকৃতি পায়।
- আধুনিক জাতিরাষ্ট্র (nation-state) ধারণার ভিত্তি তৈরি হয়।
- শান্তিপূর্ণ কূটনীতিক আলোচনা ও চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের সমাধান করার রীতি গড়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
১৯.
উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে বিভক্তকারী রেখা কোনটি?
  1. ২২° উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৩৮° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ১৭° উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
৩৮তম সমান্তরাল রেখা (38th Parallel):
- এটি হল ৩৮° উত্তর অক্ষাংশ, যা উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মাঝখানে একটি কাল্পনিক রেখা হিসেবে কাজ করে।
- ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে পটসডাম সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাকারীরা এই রেখাটি নির্ধারণ করেন।
- ৩৮তম রেখার উত্তরে সোভিয়েত ইউনিয়ন (U.S.S.R.) এর নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 
- ৩৮তম রেখার দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (U.S.A.) এর নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 
- এই বিভাজন অস্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও, পরে ঠাণ্ডা যুদ্ধ (Cold War) শুরু হলে এটি স্থায়ী রাজনৈতিক বিভাজনে রূপ নেয়।
- দুই কোরিয়াতে আলাদা শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে। 
- উত্তর কোরিয়ায় কমিউনিস্ট সরকার (নেতা: কিম ইল-সাং)
- দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সরকার (নেতা: সিঙমান রি)
- এই বিভাজনের কারণে ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধ শুরু হয়, যা ১৯৫৩ সালে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়, কিন্তু আজও কোরিয়া দুই ভাগে বিভক্ত।

উৎস: Britannica.
২০.
Fridays For Future আন্দোলন কত সালে শুরু হয়?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
Fridays For Future: 
- Fridays For Future হল একটি যুব-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন যা ২০১৮ সালের আগস্টে শুরু হয়েছিল।
- জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিবাদে ১৫ বছর বয়সী গ্রেটা থানবার্গ এবং অন্যান্য তরুণ কর্মীরা তিন সপ্তাহ ধরে প্রতি স্কুল দিবসে সুইডিশ পার্লামেন্টের সামনে বসে প্রতিবাদ করেছিলেন।
- তিনি ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে তার কর্মকাণ্ড পোস্ট করেছিলেন এবং শীঘ্রই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

উৎস: Fridays For Future ওয়েবসাইট।
২১.
RAW কোন ধরনের সংস্থা?
  1. গেরিলা সংগঠন
  2. গোয়েন্দা সংস্থা
  3. জোটনিরপেক্ষ সংস্থা
  4. পরিবেশবাদী সংগঠন
ব্যাখ্যা
RAW:
- পূর্ণ রূপ: Research and Analysis Wing (RAW).
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৮ সালে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূল কাজ: ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে বিদেশি গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ও কৌশলগত গোয়েন্দা সংগ্রহ।
- RAW ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি ভারতের প্রতিরক্ষা এবং কূটনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা।

উৎস: Times of India
Britannica.
২২.
নিচের কোনটি পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা নয়?
  1. WMO
  2. ILO
  3. IMO
  4. IPCC
ব্যাখ্যা
- ILO বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা নয়। 

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO):
- প্রতিষ্ঠা: ১৯১৯ সালে বিশ্ব শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- প্রথম ও একমাত্র ত্রিপাক্ষিক জাতিসংঘ সংস্থা, যেখানে সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকরা একসাথে কাজ করে।
- উদ্দেশ্য: সামাজিক ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকার প্রচার করা।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৮৭টি।
- মহাপরিচালক: গিলবার্ট এফ. হুংবো (২০২২ সাল থেকে ৫ বছরের জন্য নিযুক্ত)।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

এছাড়া,
- WMO বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান, জলবায়ু, জলবিদ্যা এবং ভূ-পদার্থবিদ্যায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রচারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- আন্তর্জাতিক শিপিংয়ের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং পরিবেশগত কর্মক্ষমতার জন্য IMO হল বিশ্বব্যাপী মান নির্ধারণকারী কর্তৃপক্ষ।
- জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল (IPCC) হল জলবায়ু পরিবর্তন মূল্যায়নের জন্য শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক সংস্থা।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
২৩.
হিজবুল্লাহ কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ইয়েমেন
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ (Hezbollah):
- হিজবুল্লাহ বা "আল্লাহর দল", একটি শিয়া মুসলিম মিলিট্যান্ট গোষ্ঠী যা ১৯৮২ সালে লেবাননে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- একাধিক দেশ হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তবে লেবাননে এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করছে এবং দেশটির পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস:
Encyclopedia Britannica
BBC News
২৪.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে কোনটি ঘটবে?
  1. বনাঞ্চল ধ্বংস হবে
  2. বন্য জীবজন্তু হ্রাস পাবে
  3. লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে।
- সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দূষিত হবে সুপেয় পানি ও লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২৫.
ন্যাটোর কোন Article অনুসারে একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. Article 1
  2. Article 3
  3. Article 5
  4. Article 9
ব্যাখ্যা
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২৬.
OPCW কোন বিষয়ক সংস্থা?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল
  2. ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূল
ব্যাখ্যা
Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) হল রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের বাস্তবায়নকারী সংস্থা।
- OPCW রাসায়নিক অস্ত্র স্থায়ীভাবে এবং যাচাইযোগ্যভাবে নির্মূল করার বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা তত্ত্বাবধান করে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে।
- মূল লক্ষ্য: রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার, মজুদ ও স্থানান্তর নিষিদ্ধকরণ
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাসায়নিক স্থাপনায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করে ও মজুদকৃত অস্ত্র ধ্বংসের তদারকি করে।
- রাসায়নিক অস্ত্র মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।
- ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করে।
- সদস্য: ১৯৩টি রাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।