১.
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৫১ তম প্রধান বিচারপতি কে হবেন?
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------------
ভারতের প্রধান বিচারপতি:
- ভারতের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে সঞ্জিব খান্নাকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রুপদি মুর্মু।
-আগামী ১১ নভেম্বর তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির তালিকায় ৫১ তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে স্থান পাচ্ছে সঞ্জীব খান্নার নাম।
- ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনের আগে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি সঞ্জিব খান্না।
উল্লেখ্য,
প্রধান বিচারপতি পদে সঞ্জীব খান্নার মেয়াদ ৬ মাসের জন্য হবে।
তিনি ২০২৫ সালের ১৩ মে অবসর নেবেন।
এছাড়াও,
-১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসাবে উঠে আসেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।
-তিনি তিস হাজারি কমপ্লেক্সের জেলা আদালতে প্র্যাকটিস করতেন।
-পরে তিনি দিল্লির হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনালে প্র্যাকটিস করেন।
-বিচারপতি খান্না আয়কর বিভাগের সিনিয়র স্থায়ী কাউন্সেল হিসাবেও কাজ করেছেন এবং ২০০৪ সালে দিল্লির জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের স্থায়ী কাউন্সেল (সিভিল) হয়েছিলেন।
-দিল্লি হাইকোর্টে অ্যামিকাস কুরি কেসে তিনি অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটার হিসাবেও ছিলেন।
সূত্র- ঢাকা পোষ্ট এবং হিন্দুস্থান টাইম বাংলা। [লিঙ্ক]
--------------------------
ভারতের প্রধান বিচারপতি:
- ভারতের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে সঞ্জিব খান্নাকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রুপদি মুর্মু।
-আগামী ১১ নভেম্বর তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির তালিকায় ৫১ তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে স্থান পাচ্ছে সঞ্জীব খান্নার নাম।
- ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনের আগে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি সঞ্জিব খান্না।
উল্লেখ্য,
প্রধান বিচারপতি পদে সঞ্জীব খান্নার মেয়াদ ৬ মাসের জন্য হবে।
তিনি ২০২৫ সালের ১৩ মে অবসর নেবেন।
এছাড়াও,
-১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসাবে উঠে আসেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।
-তিনি তিস হাজারি কমপ্লেক্সের জেলা আদালতে প্র্যাকটিস করতেন।
-পরে তিনি দিল্লির হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনালে প্র্যাকটিস করেন।
-বিচারপতি খান্না আয়কর বিভাগের সিনিয়র স্থায়ী কাউন্সেল হিসাবেও কাজ করেছেন এবং ২০০৪ সালে দিল্লির জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের স্থায়ী কাউন্সেল (সিভিল) হয়েছিলেন।
-দিল্লি হাইকোর্টে অ্যামিকাস কুরি কেসে তিনি অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটার হিসাবেও ছিলেন।
সূত্র- ঢাকা পোষ্ট এবং হিন্দুস্থান টাইম বাংলা। [লিঙ্ক]