পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৮: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য, ইতিহাস ও রাজনীতি] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: [নিরস্ত্রীকরণ, নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ (অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে)] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৪:
- বর্তামান সর্বাধিক জনবহুল দেশ ভারত। [মে, ২০২৫]
- মোট জনসংখ্যা: ১,৪৬৩.৯ মিলিয়ন।
- ২য় জনবহুল দেশ: চীন।
- জনসংখ্যা: ১,৪১৬.১ মিলিয়ন।
- তৃতীয় জনবহুল দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যা: ৩৪৭.৩ মিলিয়ন।
- চতুর্থ জনবহুল দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- জনসংখ্যা: ২৮৫.৭ মিলিয়ন।
- পঞ্চম জনবহুল দেশ পাকিস্তান।
- জনসংখ্যা: ২৫৫.২ মিলিয়ন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

উৎস: World Population review. [Link]
.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. জেনেভা
  2. নিউইয়র্ক
  3. অটোয়া
  4. তাসখন্দ
ব্যাখ্যা
• ভূমি মাইন চুক্তি:
- ১৯৯৭ সালের ৩ ডিসেম্বর কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয়।
- যা সাধারণত অটোয়া চুক্তি বা মাইন ব্যান ট্রিটি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ কার্যকর হয়।
- এর লক্ষ্য হলো: অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন ব্যবহার,
- মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা এবং তাদের ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- ১৬৫টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বা অনুমোদন করেছে। [মে, ২০২৫]
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত ও পাকিস্তান সহ ৩৪টি দেশ এই চুক্তির অংশ নয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
.
ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. নিউইয়র্ক
  3. বেইজিং
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
ওয়াল স্ট্রিট:
- অবস্থান: লোয়ার ম্যানহাটন, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: ডাচ উপনিবেশিকদের নির্মিত কাঠের প্রাচীর থেকে নামকরণ (প্রাচীর নির্মিত হয় ১৬৫৩ সালে)।
- প্রাচীন প্রেক্ষাপট: প্রথমদিকে দাসবাজার, পণ্যের ক্রয়-বিক্রয়ের স্থান ও শহরের প্রশাসনিক কেন্দ্র।
• মুখ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান: নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE)।
- NASDAQ
- ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ নিউ ইয়র্ক
- ১৯২৯ সালের স্টক মার্কেট ধস, যা গ্রেট ডিপ্রেশন ডেকে আনে ২০০৮ অর্থনৈতিক সংকট।
- চলচ্চিত্র: Wall Street (1987), Wall Street: Money Never Sleeps (2010)।

উৎস: Britannica.
.
মধ্য প্রাচ্যর কোন দেশে সংবিধান নেই?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরাক
  3. ওমান
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
সৌদি আরব:
- সৌদি আরবের কোনো লিখিত সংবিধান নেই।
- ১৯৯২ সালে জারি করা "মৌলিক আইন" (Basic Law of Governance)-ই কার্যত সংবিধানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- আইনের উৎস: ইসলামী শরিয়াহ্ (শাফি মাযহাব ভিত্তিক হানবালি ফিকহ);
- কুরআন ও সুন্নাহ্ হলো প্রধান আইনগ্রন্থ।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম; বিশেষত সুন্নি হানবালি মাজহাবই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত।
- রাজতন্ত্র রাজা হচ্ছেন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নেতা।
- রাজপরিবারের ভূমিকা:  শাসনব্যবস্থার মূল ক্ষমতা রাজপরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত;
- রাজা নিজেই প্রধান মন্ত্রী নিয়োগ করেন এবং নীতিনির্ধারণ করেন।
- সংসদ (Shura Council): সৌদি আরবে প্রচলিত পশ্চিমা স্টাইলে সংসদ নেই;
- এর পরিবর্তে আছে “Majlis al-Shura” বা পরামর্শ পরিষদ।
- Majlis al-Shura এর কাঠামো: গঠিত হয় ১৫০ জন সদস্য ও একজন স্পিকারের সমন্বয়ে।

উল্লেখ্য,
- ওমান এর সংবিধান প্রণয়ন: ১৯৯৬ সালে "বেসিক ল" নামে সংবিধান প্রণীত; ২০০৩ সালে সংশোধিত।
- ইরাক সংবিধান প্রণয়ন: ২০০৫ সালে জাতীয় গণভোটের মাধ্যমে গৃহীত।
- ইরানে সংবিধান প্রণয়ন হয় ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে।

উৎস: Britannica.
.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেপটাউন
  2. পেন্টাগন
  3. কলম্বিয়া
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- পেন্টাগন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর।
- অবস্থান: আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন, ডিসি-র নিকটবর্তী।
- ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: পেন্টাগন একটি পাঁচকোণা আকৃতির ভবন, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নির্মাণকাল: ১৯৪১–১৯৪৩।
- স্থপতি: জর্জ এডউইন বার্গস্ট্রম।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ও একটি ফেডারেল জেলা (ওয়াশিংটন, ডি.সি.)।
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।

উৎস: Britannica.
.
যুক্তরাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে কী বলা হয়?
  1. ১০ ডাউনিং স্ট্রিট
  2. স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড
  3. হোয়াইট হল
  4. হোয়াইট হাউজ
ব্যাখ্যা
হোয়াইটহল:
- অবস্থান: চ্যারিং ক্রস থেকে পার্লামেন্ট স্কয়ার পর্যন্ত বিস্তৃত সড়ক।
- কার্যাবলি: প্রধান সরকারি দপ্তরসমূহের অবস্থান,
- যেমন: মন্ত্রিপরিষদ অফিস, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিস।
- ইতিহাস: ১৬শ শতকে হেনরি অষ্টমের রাজপ্রাসাদ ছিল; বর্তমানে প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত।

• হাউসেস অফ পার্লামেন্ট:
- অবস্থান: ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন।
- কার্যাবলি: যুক্তরাজ্যের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ—হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস—এখানে অধিবেশন করে।

• ১০ ডাউনিং স্ট্রিট: 
- অবস্থান: ডাউনিং স্ট্রিট, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন।
- কার্যাবলি: প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও অফিস।

• হোয়াইট হাউজ: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির বাসভবন।

উৎস: Britannica.
.
’ম্যাগনাকার্টা- ১২১৫’ কোন দেশে গৃহীত হয়?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
• ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) - ১২১৫:
- ম্যাগনা কার্টা, যার অর্থ "মহান সনদ"।
- ১২১৫ সালের ১৫ জুন ইংল্যান্ডের রাজা জন (King John) কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- এই সনদটি রাজা ও তার বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে সংঘটিত রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হিসেবে রুনিমিড (Runnymede) নামক স্থানে স্বাক্ষরিত হয়।
-
•পটভূমি ও কারণ:
- রাজা জনের শাসন: রাজা জনের অত্যাচারী শাসন, অতিরিক্ত কর আরোপ এবং ব্যর্থ যুদ্ধনীতি ব্যারনদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
- বিদ্রোহ: ব্যারনরা রাজাকে বাধ্য করে একটি সনদে স্বাক্ষর করতে, যা তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

• মূল বিষয়বস্তু:
- রাজা ও সরকার আইনের অধীন থাকবে এবং ইচ্ছামতো শাসন করতে পারবে না।
- কোনো ব্যক্তি আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া শাস্তি পাবে না।
- রাজা কর আরোপের ক্ষেত্রে ব্যারনদের সম্মতি নিতে বাধ্য।
-গির্জা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- পরবর্তী সংস্করণ : ১২১৬, ১২১৭, ১২২৫: রাজা জনের মৃত্যুর পর তার পুত্র হেনরি III.

উৎস: Britannica.
.
ল্যুভর মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিসে
  2. লন্ডনে
  3. সুইডেনে
  4. কলকাতা
ব্যাখ্যা
ল্যুভর মিউজিয়াম (Louvre Museum):
- ল্যুভর মিউজিয়াম বিশ্বের বৃহত্তম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প সংগ্রহশালা।
- যা ফ্রান্সের প্যারিস শহরের সীন নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- এটি ফরাসি জাতীয় জাদুঘর এবং একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।
- ১২শ শতকে রাজা ফিলিপ অগাস্টাস একটি দুর্গ নির্মাণ করেন।
- যা পরবর্তীতে ১৫৪৬ সালে রাজা ফ্রান্সিস প্রথমের অধীনে রাজপ্রাসাদে রূপান্তরিত হয়।
- ১৬৮২ সালে রাজদরবার ভার্সাইলে স্থানান্তরিত হওয়ার পর,
- ল্যুভরকে একটি শিল্প সংগ্রহশালায় রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- ১৭৯৩ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে "ল্যুভর আবুধাবি" উদ্বোধন করা হয়,
- যা ফরাসি ও আমিরাতি সরকারের মধ্যে একটি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.
.
NPT চুক্তিতে নিচের কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছে? [মে,২০২৫]
  1. ১৮৫ টি
  2. ১৯১ টি
  3. ১৯৫ টি
  4. ১৮৯ টি
ব্যাখ্যা
• NPT চুক্তি:
- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
 
• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। [মে,২০২৫]
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দেশের নেতা ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. চিলি
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- পূর্ণ নাম: Nelson Rolihlahla Mandela.
- জন্ম: ১৮ জুলাই, ১৯১৮ এমভেজো গ্রাম, ট্রান্সকেই, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- জাতীয়তা: দক্ষিণ আফ্রিকান।
- ধর্ম: খ্রিস্টান।
- রাজনৈতিক দল: আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC)
- ১৯৪৪ সালে ANC-তে যোগ দেন।
- বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন।
- ২৭ বছর জেল খাটেন (রোবেন আইল্যান্ডে দীর্ঘ সময়)।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- সংবিধানিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে সমতার ভিত্তিতে নতুন সংবিধান গঠন।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার: ১৯৯৩ সালে। 
- “Mandela Day” পালন: প্রতি বছর ১৮ জুলাই বিশ্বব্যাপী মানবসেবার অনুপ্রেরণা হিসেবে পালন করা হয়।
- তার আত্মজীবনী মূলক বই: Long Walk to Freedom.

উৎস: Britannica.
১১.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) স্বাক্ষর হয় কোন দেশে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW): 
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।
১২.
গ্লাসনস্ত নীতি কার সময়ে প্রণীত হয়?
  1. নিকিতা ক্রুশ্চেভের
  2. মিখাইল গর্বাচেভ
  3. নিকোলাই পদগোর্নি
  4. ইয়েলেৎসেন
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত নীতি (Glasnost Policy): 
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ "উন্মুক্ততা" বা "স্বচ্ছতা"।
- ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা মিখাইল গর্বাচেভ এই নীতিটি প্রবর্তন করেন।
- গ্লাসনস্ত ছিল তাঁর সংস্কারমূলক উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ,
- যা সোভিয়েত সমাজ ও রাজনীতিতে উন্মুক্ত আলোচনা এবং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়।
- প্রবর্তনকাল: ১৯৮৬ সালে মিখাইল গর্বাচেভ গ্লাসনস্ত নীতি চালু করেন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সোভিয়েত সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়াবলির উন্মুক্ত আলোচনা নিশ্চিত করাG
- এবং সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা।
- গ্লাসনস্ত নীতির পাশাপাশি গর্বাচেভ পেরেস্ত্রইকা (পুনর্গঠন) নামক আরেকটি নীতি চালু করেন,
- যা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করে।

উৎস: Britannica.
১৩.
রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন (CWC) নিচের কোন দেশটি অনুমোদন করেনি?
  1. মিশর
  2. কানাডা
  3. ফ্রান্স
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন (CWC)
• চুক্তির পূর্ণরূপ ও প্রবর্তন:

- পূর্ণরূপ: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on Their Destruction.
- প্রবর্তন তারিখ: ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৫টি দেশ। [মে, ২০২৫]
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৩টি দেশ। [মে, ২০২৫]
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে, তবে অনুসমর্থন করেনি।
- স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেনি: মিশর, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।

•  চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার, উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুত ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন সুবিধাসমূহ ধ্বংস করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা।
- শান্তিপূর্ণ রাসায়নিক প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: Britannica.
১৪.
'East London' কোন দেশের নদী বন্দর?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. মিশর
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
'East London:
- অবস্থান: ইস্ট লন্ডন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত একটি বন্দর নগরী।
- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশরা বাফেলো নদীর মোহনায় অবতরণ করে;
- এবং স্থানটিকে "পোর্ট রেক্স" নামে অভিহিত করে।
- ১৮৪৬ সালে সপ্তম কেপ ফ্রন্টিয়ার যুদ্ধের সময় এটি একটি সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে, ১৮৪৭ সালে এখানে ফোর্ট গ্ল্যামারগান নির্মিত হয় এবং স্থানটি কেপ কলোনির অংশ হিসেবে "ইস্ট লন্ডন" নামে পরিচিতি পায়।
- ১৮৭৩ সালে এটি একটি শহর এবং ১৯১৪ সালে একটি নগরীতে উন্নীত হয়।

উৎস: Britannica.
১৫.
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ এর ধারা কয়টি?
  1. ৫৩ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৩০ টি
  4. ৪৮ টি
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
’ভারতের সেভেন সিস্টার্স’ রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. মনিপুর
  2. ত্রিপুরা
  3. কেরালা
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
’ভারতের সেভেন সিস্টার্স’:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সম্মিলিতভাবে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়।
- এই নামটি ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া একটি রেডিও টক শোতে ব্যবহার করেন,
- যা পরবর্তীতে তাঁর লেখা "The Land of Seven Sisters" বইয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে ।
- অরুণাচল প্রদেশ: এর রাজধানী ইটানগর।
- আসাম: এর রাজধানী দিসপুর, চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত; ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিভক্ত।
- মেঘালয়: এর রাজধানী শিলং, চেরাপুঞ্জি ও মাওসিনরাম, বিশ্বের সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রাপ্ত স্থানসমূহ এখানে অবস্থিত।
- ত্রিপুরা এর রাজধানী আগরতলা।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- মিজোরাম এর রাজধানী আইজল, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং মিজো সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- বিভিন্ন উপজাতীয় সংস্কৃতি এবং হর্নবিল উৎসবের জন্য পরিচিত।
- কেরালা ভারতের সেভেন সিস্টার্স অংশ নয়।

উৎস: Britannica.
১৭.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল কবে?
  1. ৭ জুন ১৭৮৮ সালে
  2. ২৬ আগস্ট ১৭৮৮ সালে
  3. ৫ অক্টোবর ১৭৮৯ সালে
  4. ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ (Bastille):
- বাস্তিল দুর্গটি ১৩৭০ থেকে ১৩৮৩ সালের মধ্যে ফ্রান্সের রাজা চর্লস পঞ্চমের শাসনামলে প্যারিসের পূর্ব প্রান্তে নির্মিত হয়।
- প্রথমে এটি শহরের প্রতিরক্ষা দুর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- স্থাপত্য: দুর্গটি আটটি টাওয়ার নিয়ে গঠিত ছিল, যা একটি পরিখা দ্বারা বেষ্টিত ছিল।
- ১৭শ শতকে রাজা লুইস ত্রয়োদশের প্রধান মন্ত্রী কার্ডিনাল রিশেলিয়ুর অধীনে বাস্তিলকে একটি রাষ্ট্র কারাগারে পরিণত করা হয়।
- বাস্তিল দুর্গের পতন ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই, প্রায় ৯০০ প্যারিসবাসী বাস্তিল দুর্গের বাইরে জড়ো হয় এবং অস্ত্র ও বারুদের দাবিতে আক্রমণ করে। 
- দুর্গের গভর্নর বার্নার্ড-রেনে দে লোনে আত্মসমর্পণ করলেও, উত্তেজিত জনতা তাকে হত্যা করে।
- বাস্তিলের পতন ফরাসি বিপ্লবের সূচনাবিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি রাজতন্ত্রের অবসানের প্রতীক হয়ে ওঠে।
- ফ্রান্সে ১৪ জুলাই "বাস্তিল দিবস" হিসেবে জাতীয় ছুটির দিন পালিত হয়।
- বর্তমানে প্যারিসের প্লাস দে লা বাস্তিল (Place de la Bastille) চত্বরে দুর্গের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে একটি স্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে।

উৎস: Britannica.