পরীক্ষা - ২:
পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি)
পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD.
------------------
পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
অন্যদিকে, - 'তুলা' এর চলিত রূপ: 'তুলো'। - 'শুষ্ক' এর চলিত রীতি 'শুকনো'। - 'সহিত' এর চলিত রূপ: 'সঙ্গে বা সাথে'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২.
নিচের কোন শব্দে 'ম' [অঁ]-এর মতো উচ্চারিত হয়?
ক
স্মরণ
খ
জন্ম
গ
পদ্ম
ঘ
গুল্ম
ব্যাখ্যা
• ম বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]। - শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়। যেমন - শ্মশান [শশান্], স্মরণ [শঁরোন্]।
- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়। যেমন - আত্মীয় [আত্তিঁয়ো], পদ্ম [পদ্দোঁ]।
- কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন - যুগ্ম [জুগ্মো], জন্ম [জন্মো], গুল্ম [গুল্মো]।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৩.
'ফাল্গুন' থেকে 'ফাগুন' শব্দটি হওয়ার কারণ-
ক
বিষমীভবন
খ
সমীভবন
গ
অন্তর্হতি
ঘ
ব্যঞ্জনচ্যুতি
ব্যাখ্যা
• 'ফাল্গুন > ফাগুন' অন্তর্হতির উদাহরণ।
• অন্তর্হতি: পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি। যেমন - - ফাল্গুন > ফাগুন, - ফলাহার > ফলার, - আলাহিদা > আলাদা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫.
'ধ্বনির বিন্যাস' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
ক
ধ্বনিতত্ত্ব
খ
অর্থতত্ত্ব
গ
রূপতত্ত্ব
ঘ
বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• ধ্বনিতত্ত্ব: - ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। - লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত। - ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস,স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান, সন্ধি প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৬.
'ঔ' বর্ণের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
ক
ওঈ্
খ
ওই্
গ
ওউ্
ঘ
অউ্
ব্যাখ্যা
• 'ঔ' বর্ণের উচ্চারণ হবে: 'ওউ্'।
• 'ঔ' বর্ণের উচ্চারণ সম্পর্কিত কিছু শব্দ: - ঔষধ এর উচ্চারণ: ওউ্শধ্। - মৌমাছি এর উচ্চারণ: মোউ্মাছি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭.
'হাচ্ছানি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক
হাচ + ছানি
খ
হাত + চানি
গ
হাত + ছানি
ঘ
হাতঃ + ছানি
ব্যাখ্যা
• সন্ধির নিয়ম: - ত- বর্গীয় ধ্বনি ও চ- বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়। যেমন: - নাত + জামাই = নাজজামাই, - বদ্ + জাত, = বজ্জাত, - হাত + ছানি = হাচ্ছানিইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৮.
চলিত ভাষায় কোন পদের রূপ সংক্ষিপ্ত হয়?
ক
সর্বনাম
খ
ক্রিয়াপদ
গ
ক এবং খ উভয়ই
ঘ
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য: - চলিত ভাষা ব্যাকরণের সকল নিয়মের অনুসারী নয়। - এ ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার অধিক। - চলিত ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্ত হয়। - এ ভাষা বক্তৃতা, আলাপ, নাট্য সংলাপের উপযোগী। - চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। - চলিত ভাসার গতি লঘু, চঞ্চল ও সাবলীল। - চলিত ভাষায় অপনিহিতি ও অভিশ্রুতির ব্যবহার রয়েছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯.
খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি কয় প্রকার?
ক
দুই
খ
তিন
গ
চার
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সন্ধি: দ্রুত উচ্চারণের ফলে পরস্পর সন্নিহিত দুটো ধ্বনির মিলনে যে ধ্বনিগত পরিবর্তন হয় তকেই বলা হয় সন্ধি।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে -
• সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার: - খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি, - তৎসম শব্দের সন্ধি।
• খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি দুই রকমের- - স্বরসন্ধি, - ব্যঞ্জন সন্ধি।
• তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার। - স্বরসন্ধি, - ব্যঞ্জন সন্ধি, - বিসর্গ সন্ধি।
আবার, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে, • সন্ধি তিন প্রকার: - স্বরসন্ধি, - ব্যঞ্জনসন্ধি, - বিসর্গসন্ধি।
১০.
মধ্যগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কোনটি?
ক
মুলা > মুলো
খ
আখো > আখুয়া > এখো
গ
বিলাতি > বিলিতি
ঘ
মোজা > মুজো
ব্যাখ্যা
• ‘বিলাতি > বিলিতি’ পরাগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ। --------------------- • স্বরসঙ্গতি: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন - দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো ইত্যাদি।
• মধ্যগত স্বরসঙ্গতি: আদ্যস্বর ও অন্ত্যস্বর অনুযায়ী মধ্যস্বর পরিবর্তিত হলে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি হয়। যেমন: বিলাতি > বিলিতি।
• অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি: আদ্য ও অন্ত্য দুই স্বরই পরস্পর প্রভাবিত হলে অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি হয়। যেমন: মোজা > মুজো।
• চলিত বাংলায় স্বরসঙ্গতি: - গিলা > গেলা, মিলামিশা > মেলামেশা, মিঠা > মিঠে, ইচ্ছা > ইচ্ছে ইত্যাদি। - পূর্বস্বর উ-কার হলে পরবর্তী স্বর ও-কার হয়। যেমন: মুড়া > মুড়ো, চুলা > চুলো ইত্যাদি। - বিশেষ নিয়মে- উড়ুনি > উড়নি, এখনি > এখুনি হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
'ণ-ত্ব' বিধি অনুসারে কোন বানানটি অশুদ্ধ?
ক
ভূষণ
খ
রেণু
গ
খণ্ড
ঘ
লণ্ঠন
ব্যাখ্যা
• 'ণ-ত্ব' বিধি অনুসারে 'লণ্ঠন' বানানটি অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানান - 'লন্ঠন'। কারণ, 'ণ-ত্ব' বিধানের নিয়ম অনুসারে বিদেশি শব্দে ‘ণ’ লেখার প্রয়োজন নেই। 'লন্ঠন' - ইংরেজি শব্দ।
ণ-ত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়মাবলী-
১. ঋ, র, ষ—এই তিনটি বর্ণের পর তৎসম শব্দের দন্ত্য ‘ন’ মূধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, ঘৃণা, রণ, বর্ণ, ভূষণইত্যাদি। ২. ঋ, র, ষ-এর পর স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, ষ, হ থাকলে তার পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: লক্ষণ, ভক্ষণ, রেণু,পাষাণ, নির্বাণ, দর্পণ, গ্রহণ ইত্যাদি। ৩. ট বর্গের পূর্বে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ডইত্যাদি। ৪. প্র, পরা, পরি, নির—এই চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে। যেমন: প্রণাম, প্রমাণ, পরায়ণ, পরিণতি, নির্ণয় ইত্যাদি। ৫. ত, থ, দ, ধ-এর পূর্বে সংযুক্ত বর্ণে দন্ত্য ‘ন’ হয়, ‘ণ’ হয় না। যেমন: দৃষ্টান্ত, বৃন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন, বন্ধন ইত্যাদি।
সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
'অ + অ = আ' এই নিয়মে গঠিত সন্ধির উদাহরণ কোনটি?
ক
সূর্যোদয়
খ
নরাধম
গ
জনৈক
ঘ
যথার্থ
ব্যাখ্যা
স্বরসন্ধি: - স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
সূত্র: অ / আ + এ / ঐ ঐ = ঐ। যেমন: - জন + এক = জনৈক, - সদা + এব = সদৈব।
সূত্র: আ + অ = আ। যেমন: - যথা + অর্থ = যথার্থ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
১৩.
জিভের উচ্চতা অনুযায়ী 'ই' কোন ধরনের ধ্বনি?
ক
উচ্চ স্বরধ্বনি
খ
উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি
গ
নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
ঘ
নিম্ন স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
• স্বরধ্বনির উচ্চারণ: উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত। যথা - ১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ। ২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও। ৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ। ৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।
আবার, জিভের সম্মুখ - পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা - ১. সম্মুখ স্বরধ্বনি: ই, এ, অ্যা। ২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ। ৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতিউচ্চ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
কোন শব্দটিতে স্বভাবতই মূর্ধন্য 'ষ' হয়েছে?
ক
বর্ষা
খ
ভবিষ্যৎ
গ
ঊষা
ঘ
কৃষক
ব্যাখ্যা
• স্বভাবতই 'ষ' হয়েছে - ঊষা। --------------------- • ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম: ১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন - ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। ২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন - কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি। ৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ,মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি। ৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি। ৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ। ৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন - ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা,পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।
• যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়: - আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি। - সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
'পদস্খলন' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক
পদ + খলন
খ
পদস্ + খলন
গ
পদ্ + সলন
ঘ
পদঃ + খলন
ব্যাখ্যা
'পদস্খলন' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- 'পদঃ + খলন'।
সন্ধির নিয়ম: অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থালে অঘােষ মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন অ এর পরে বিসর্গঃ + ক = স + ক ---- নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গঃ + খ = স + খ------পদঃ + খলন =পদস্খলন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
'ধ্বনি বিপর্যয়' এর উদাহরণ কোনটি?
ক
জন্ম > জম্ম
খ
শরীর > শরীল
গ
পিশাচ > পিচাশ
ঘ
বড়দাদা > বড়দা
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন - ইংরেজি বাক্স > বাংলা বাস্ক, জাপানি রিক্সা > বাংলা রিস্কা ইত্যাদি। অনুরূপ - পিশাচ > পিচাশ, লাফ > ফাল।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ -
ক
অবিকৃত থাকে
খ
'শ' হয়
গ
‘ষ’ হয়
ঘ
'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত হয়
ব্যাখ্যা
• ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম: ১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন - ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। ২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন - কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি। ৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
নিচের কোন রিপোর্টটি UNCTAD দ্বারা প্রকাশিত হয় না?
ক
The Least Developed Countries Report
খ
The World Investment Report
গ
The Trade and Development Report
ঘ
The Human Development Report
ব্যাখ্যা
⇒ UNCTAD: - UNCTAD হচ্ছে জাতিসংঘের উন্নয়নশীল বিশ্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ সংস্থা। - UNCTAD এর পূর্ণরূপ- United Nations Conference on Trade and Development. - এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। - এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি। - UNCTAD শীর্ষ সম্মেলন প্রতি (৪) চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। - বর্তমান মহাসচিব কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান (Rebeca Grynspan)। - তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে UNCTAD-এর অষ্টম মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। - তিনি এই সংস্থার ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) বাৎসরিক যে রিপোর্টগুলো প্রকাশ করে সেগুলো হল: - The Commodities and Development Report, - The Economic Development in Africa Report, - The Trade and Development Report, - The Trade and Environment Review, - The World Investment Report, - The Least Developed Countries Report, - The Technology and Innovation Report, - Digital Economy Report ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) The Human Development Report প্রকাশ করে। - মানব উন্নয়ন সূচক (Human development index) হলো এমন একটি সূচক, যার দ্বারা কোনো একটি দেশের নাগরিক কতটা ভালো জীবনযাপন করে এবং সেই দেশ কতটা উন্নত তা বোঝা যায়। - কোনো একটি দেশ মানব উন্নয়ন সূচকে কতটা ভালো স্কোর করবে তা নির্ভর করে কয়েকটি নির্দেশকের উপর। - এগুলো হলো:i) মানুষের গড় আয়ু, ii) মানুষের শিক্ষার মান, iii) দেশের মানুষের মাথপিছু আয়। - যে দেশের মানুষের গড় আয়ু, শিক্ষার হার ও মাথাপিছু আয় বেশি হয়, সেই দেশের মানব উন্নয়ন সূচক স্কোর বেশি হয়।
তথ্যসূত্র: UNCTAD ওয়েবসাইট ও UN ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৯.
World Trade Organization এর বর্তমান মহাপরিচালক কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
ক
Norman Loayza
খ
Rebeca Grynspan
গ
Ngozi Okonjo-Iweala
ঘ
Eric Wyndham White
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] --------------------------- ⇒ WTO (World Trade Organization): বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) বর্তমান মহাপরিচালক এনগোজি অকোনজো-ইওয়েলা (Ngozi Okonjo-Iweala)। তিনি WTO-এর সপ্তম মহাপরিচালক হিসেবে ১ মার্চ ২০২১ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি এই পদে প্রথম নারী এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে নিযুক্ত হন। তার দায়িত্বকাল ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে শেষ হবে।
উল্লেখ্য, - WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট। - ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। - এর সর্বশেষ সদস্য: "তিমোর-লেস্টে" সদস্য পদ লাভ করে ৩০ আগস্ট, ২০২৪ (Timor-Leste — 30 August 2024)। - কমোরোস সদস্য পদ লাভ করে ২১ আগস্ট, ২০২৪ (Comoros — 21 August 2024)। - WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)। - WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ। (166 members since 30 August 2024) To get update information. [লিঙ্ক] - বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে। - General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালে।
তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট।
২০.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসা নিয়ে কাজ করেন?
ক
IFC
খ
IBRD
গ
ICSID
ঘ
MIGA
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্বব্যাংক: প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণনাম হল:- - International Bank for Reconstruction and Development (IBRD) - International Development Association (IDA) - International Finance Corporation (IFC) - Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) - International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID)।
উল্লেখ্য, - ICSID ১৯৬৬ সালে আইসিডি কনভেনশন (ICSID Convention) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। - বর্তমানে ICSID -এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মার্টিনা পোলাসেক (Martina Polasek)। - বর্তমানে ICSID -এর উপ মহাসচিব হিসেবে কর্মরত গনজালো ফ্লোরেস (Gonzalo Flores)।
তথ্যসূত্র:- বিশ্বব্যাংক ও ICSID ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] এবং ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২১.
জাতিসংঘ নামের প্রস্তাবক করেন কে?
ক
উইনস্টন চার্চিল
খ
আইসেন হাওয়ার
গ
জোসেফ স্ট্যালিন
ঘ
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
⇒ জাতিসংঘ: - জাতিসংঘ নামের প্রস্তাবক করেন - ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। - জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)। - জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় - ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ৫১ টি। - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে)। - তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত এই পদে নিযুক্ত ছিলেন। - জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব - আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল) জানুয়ারি, ২০১৭ - বর্তমান। - জাতিসংঘের মহাসচিব ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। - জাতিসংঘের দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।
উল্লেখ্য, - জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬টি। ১) সাধারণ পরিষদ (General Assembly), ২) নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council), ৩) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (Economic and Social Council), ৪) সচিবালয় (Secretariat), ৫) আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice), ৬) অছি পরিষদ (Trusteeship Council), - অছি পরিষদের কার্যক্রম ১৯৯৪ সাল থেকে স্থগিত রয়েছে।
⇒জাতিসংঘের কার্যকরি ভাষা দুইটি। - ইংরেজি - ফ্রেঞ্চ/ফরাসি।
-উল্লেখ্য, ⇒ ইরানের রাষ্ট্রভাষার নাম ফারসি। যা জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা নয়।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৩.
একাধিকবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাতিসংঘের একমাত্র সংস্থা-
ক
UNICEF
খ
OPCW
গ
UNHCR
ঘ
IPCC
ব্যাখ্যা
⇒ জাতিসংঘ এবং অঙ্গসংস্থার নোবেল পুরস্কার: - জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা, এবং জড়িত ব্যক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল পুরস্কার পেয়েছে। - জাতিসংঘের মহাসচিব দুইজন, তাদের মধ্যে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) এবং কফি আনান (২০০১) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। - জাতিসংঘের সাথে যুক্ত অঙ্গসংস্থা যেগুলি নোবেল পুরস্কার পেয়েছে: - UNHCR একমাত্র ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে মোট ২ বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে। - UNICEF → ১৯৬৫ সালে। - ILO → ১৯৬৯ সালে। - UN Peacekeeping Forces → ১৯৮৮ সালে। - IAEA → ২০০৫ সালে। - IPCC → ২০০৭ সালে। - OPCW → ২০১৩ সালে। - WFP → ২০২০ সালে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং নোবেল ওয়েবসাইট।
২৪.
ইয়াল্টা সম্মেলনে কোন রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত ছিলেন না?
ক
জোসেফ স্টালিন
খ
উইনস্টন চার্চিল
গ
চিয়াং কাইশেক
ঘ
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ইয়াল্টা সম্মেলন: -১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে “Yalta Conference” নামে পরিচিত। - এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) নির্ধারিত হয়। - এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত। - জাতিসংঘ গঠনের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। ⇒ এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন - - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট - সোভিয়েত নেতা - জোসেফ স্টালিন - যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - উইনস্টন চার্চিল
উল্লেখ্য, - চিয়াং কাইশেক (Chiang Kai-shek) এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। - তিনি চীনের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব কে ছিলেন?
ক
Kofi Annan
খ
U Thant
গ
Trygve Lie
ঘ
Kurt Waldheim
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মহাসচিব: - জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব মিয়ানমারের উথান্ট (U Thant)। - তিনি এশিয়া মহাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব। - তার সময়কাল: ১৯৬১-৭১ সাল পর্যন্ত। - তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন। - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলী (Trygve Lie)। - জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (Dag Hammarskjöld)। - তিনি সুইডেনের অধিবাসী ছিলেন। ১৯৬১ সালে তিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (Kurt Waldheim) - তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। - জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ঘানার কফি আনান (Kofi Annan)। - তিনি ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী। - নবম ও বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস (António Guterres)।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৬.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বশেষ প্রতিষ্ঠিত কোনটি?
ক
IDA
খ
MIGA
গ
IBRD
ঘ
ICSID
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠানসমূহ নাম ও প্রতিষ্ঠার তারিখ: - International Bank for Reconstruction and Development (IBRD)→ ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ আর্টিকেল অব এগ্রিমেন্টস কার্যকর। - International Finance Corporation (IFC) → ২০ জুলাই ১৯৫৬ সালে। - International Development Association (IDA) → ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ সালে। - International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID)→ ১৪ অক্টোবর ১৯৬৬ সালে। - Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) → ১২ এপ্রিল ১৯৮৮ সালে। [সর্বশেষ ]
উল্লেখ্য, - ১৯৪৮ সালে MIGA - এর ধারনা তৈরি হলেও প্রকৃতপক্ষে সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ সালে এটি বাস্তবতার মুখ দেখে। - এই সময় বিশ্বব্যাংকের Board of Governors এই সংস্থাটি গঠনের উদ্দেশ্যে MIGA convention তৈরি করে। - এই কনভেনশনের মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে MIGA প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নবীনতম সদস্য হয়। - MIGA - এর সদস্য সংখ্যা - ১৮২টি (উন্নয়নশীল দেশ - ১৫৪টি ও শিল্পোন্নত দেশ - ২৮টি)। - সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
MIGA এর বিশ্বব্যাপী কাজ ও ভূমিকা: - আন্তর্জাতিক বিনিয়োগে রাজনৈতিক ঝুঁকির বীমা (Political Risk Insurance) প্রদান। - ঋণ বর্ধন (Credit Enhancement) এর মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। - উন্নয়নশীল দেশে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা। - অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার। - অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক ও MIGA ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২৭.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশ অংশগ্রহন করে কত সালে?
ক
১৯৮৮ সালে
খ
১৯৮৯ সালে
গ
১৯৯৩ সালে
ঘ
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ: - বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সংযুক্ত হয়। - বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ১৯৮৮ সালে অংশগ্রহণ করে। - বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে ১৯৮৯ সালে। - বাংলাদেশ নারী পুলিশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে ২০০০ সালে। - বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে ১৯৯৩ সালে।
তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৮.
'International Finance Corporation' প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
ক
১৯৫৬ সালে
খ
১৯৬০ সালে
গ
১৯৬৬ সালে
ঘ
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান IFC. - IFC (International Finance Corporation) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। - এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে। - IFC ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর সদস্য সংখ্যা ১৮৬টি (সর্বশেষ সদস্য দেশ - ব্রুনাই দারুস সালাম, ২৪ নভেম্বর ২০২১)। - IFC এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ৪৫টি। - বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (Managing Director) মাখতার ডিউপ (Makhtar Diop) (সেনেগাল)। - ১ মার্চ, ২০২১ সালে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন। - বাংলাদেশ ১৮ জুন, ১৯৭৬ সালে IFC - এর সদস্যপদ লাভ করে।
এছাড়াও, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অনন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ নাম ও প্রতিষ্ঠার তারিখ: - International Bank for Reconstruction and Development (IBRD)→ ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ আর্টিকেল অব এগ্রিমেন্টস কার্যকর্ন - International Development Association (IDA) → ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ সালে। - International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID)→ ১৪ অক্টোবর ১৯৬৬ সালে। - Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) → ১২ এপ্রিল ১৯৮৮ সালে।
তথ্যসূত্র:- বিশ্বব্যাংক ও IFC ওয়েবসাইট।
২৯.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করেন?
ক
১৯৭২ সালে
খ
১৯৭৩ সালে
গ
১৯৭৪ সালে
ঘ
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়। - জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। - বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে। - ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। - স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো। - ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে। - বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
উল্লেখ্য, - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলী (Trygve Lie)। - জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব মিয়ানমারের উথান্ট (U Thant) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন। - জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (Kurt Waldheim) এর সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। - নবম ও বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস (António Guterres)।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩০.
'ব্রেটন উডস সম্মেলন' আয়োজনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন কে?
ক
John Maynard Keynes
খ
Henry Morgenthau Jr
গ
Eugene Meyer
ঘ
'A' & 'B' Both
ব্যাখ্যা
‘ব্রেটন উডস সম্মেলন’: - ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছিলো। - ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে The International Bank for Reconstruction and Development (IBRD) এবং The International Monetary Fund (IMF) জন্ম লাভ করে। - তাই এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে ‘ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশন’ বলা হয়। - এই সম্মেলন আয়োজনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব Henry Morgenthau Jr ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes. - বিশ্বব্যাংকের প্রথম প্রেসিডেন্ট - Eugene Meyer.
উল্লেখ্য, - Great Depression (১৯৩০ দশক) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা এবং সংঘর্ষের পর, অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হয়। - যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ব্রেটন উডস চুক্তি (Bretton Woods Agreement, ১৯৪৪) হয়। - যা বৈশ্বিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং পুঁজি বাজারের স্থিতিশীলতা নির্ধারণে সহায়ক ছিল। - চুক্তি অনুসারে, ডলার বিশ্বব্যাপী প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হয়, যার সাথে অন্যান্য মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করা হয়। - আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা এবং পুঁজি বাজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন বিভিন্ন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। -এই উদ্যোগগুলির উদ্দেশ্য ছিল বৈশ্বিক অর্থনীতির পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা অর্জন, যা পরবর্তী দশকগুলিতে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করে।
তথ্যসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট, History.com ও IMF ওয়েবসাইট।
৩১.
জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা-
ক
আন্ডার সেক্রেটারি
খ
সেক্রেটারি জেনারেল
গ
সাধারণ পরিষদের সভাপতি
ঘ
নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সচিবালয়/Secretariat: - সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক বিভাগ। - জাতিসংঘের দৈনন্দিন কার্যক্রম এই অঙ্গসংস্থা থেকে পরিচালিত হয়। - মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল) জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। - মহাসচিবের অধীনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচিত কর্মচারীদের নিয়ে সচিবালয় পরিচালিত হয়ে থাকে। - নিউইয়র্কে সদরদপ্তরের বাইরে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস রয়েছে — জেনেভা, নাইরোবি ও ভিয়েনাতে। - জাতিসংঘ ১৫তম অধ্যায়ে (৯৭ — ১০১ নং অনুচ্ছেদ) জাতিসংঘ সচিবালয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, - জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব হলেন অ্যান্টনিও গুতেরেস। - তিনি পর্তুগালের বাসিন্দা। - তিনি ২০১৭ থেকে বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩২.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোন দেশটির 'ভেটো' (Veto) ক্ষমতা নেই?
ক
চীন
খ
ফ্রান্স
গ
ভারত
ঘ
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের 'ভারতের' 'ভেটো' (Veto) প্রদান করার ক্ষমতা নেই।
⇒ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও ভেটো(Veto) প্রদান ক্ষমতা: - জাতিসংঘ সনদ অনুসারে বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব পালন করে থাকে। - জাতিসংঘ সনদের পঞ্চম অধ্যায় (২৩ - ৩২ নং অনুচ্ছেদ) - এ নিরাপত্তা পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। - সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি। - তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি যথা- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন। - বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে ২ বছর মেয়াদে। - স্থায়ী ৫ সদস্যের রয়েছে ভেটো (Veto - আমি মানি না) প্রদান করার ক্ষমতা। - ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে “Yalta Conference” নামে পরিচিত। - এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) নির্ধারিত হয়। এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।
উল্লেখ্য, -১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়। - নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব সদস্য দেশগুলোর নামের আদ্যক্ষর অনুসারে পরিবর্তিত হয়। - সভাপতিত্বের মেয়াদ - ১ মাস।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৩৩.
বর্তমানে জাতিসংঘের কোন মূল অঙ্গ সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত আছে?
ক
নিরাপত্তা পরিষদ
খ
অছি পরিষদ
গ
অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্থা
ঘ
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও অছি পরিষদ: - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়। - এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। - জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। - জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি: ১)জাতিসংঘ সচিবালয়। ২) সাধারণ পরিষদ। ৩) নিরাপত্তা পরিষদ। ৪) অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন। ৫) আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত। ৬) অছি পরিষদ।
অন্যদিকে,অছি পরিষদ/Trusteeship Council: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেসকল ট্রাস্ট অঞ্চল স্বাধীনতা পাওয়ার যোগ্য সেসকল অঞ্চলসমূহকে স্বাধীন বা স্বায়ত্তশাসন লাভ করার উপযোগী করার উদ্দেশ্যে অছি পরিষদ কাজ করেছে। - ১ নভেম্বর, ১৯৯৪ সালে এই পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত হয়। - তবে প্রয়োজন মনে হলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অথবা নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনক্রমে এটি আবার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। - জাতিসংঘ সনদের ত্রয়োদশ অধ্যায়ে (৮৬ - ৯১নং অনুচ্ছেদ) অছি পরিষদ সম্পর্কে বলা হয়েছে। - অছি পরিষদের অধীনে ১১টি ট্রাস্ট অঞ্চল যা জাতিসংঘের ৭টি সদস্য রাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো, সেগুলো স্বাধীনতা বা স্বায়ত্বশাসন লাভ করে। - এই পরিষদের অধীনে সর্বশেষ স্বাধীনতা লাভকারী দেশ “পালাউ” যা যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো। - ১৯৯৪ সালে পালাউয়ের স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছি অঞ্চলই স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৪.
জাতিসংঘ সনদের কোন অনুচ্ছেদ সদস্য রাষ্ট্রের আত্মরক্ষার অধিকার প্রদান করে?
ক
৫১ নং অনুচ্ছেদ
খ
৫৩ নং অনুচ্ছেদ
গ
৫৪ নং অনুচ্ছেদ
ঘ
৫৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদের সদস্য রাষ্ট্রের আত্মরক্ষার অধিকার: - জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ আত্মরক্ষার অধিকার নিয়ে আলোচনা করে। - এতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের ওপর যদি সশস্ত্র হামলা হয়, তাহলে দেশটি নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রম না আসা পর্যন্ত স্বতঃসিদ্ধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। - তবে এ ধরনের আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের বিষয়ে রাষ্ট্রগুলোকে অবিলম্বে নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করতে হবে। - এই অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং এটি জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর আত্মরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে।
[ Article 51 of United Nations Charter:- Nothing in the present Charter shall impair the inherent right of individual or collective self-defence if an armed attack occurs against a Member of the United Nations, until the Security Council has taken measures necessary to maintain international peace and security. Measures taken by Members in the exercise of this right of self-defence shall be immediately reported to the Security Council and shall not in any way affect the authority and responsibility of the Security Council under the present Charter to take at any time such action as it deems necessary in order to maintain or restore international peace and security.]
উল্লেখ্য, - সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ মোতাবেক যদি কোনো সদস্যরাষ্ট্র আক্রান্ত হয়, তবে নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক শান্তি বজায় রাখা বা পুনপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে ঐ রাষ্ট্র আত্মরক্ষার জন্য একক বা যৌথভাবে সংগঠিত হওয়ার পদক্ষেপ নিতে পারে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ সনদ।
৩৫.
GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনটি গঠিত হয়?
ক
WHO
খ
WTO
গ
UNO
ঘ
IMF
ব্যাখ্যা
World Trade Organization (WTO): - ১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল, উরুগুয়ে রাউন্ড বাণিজ্য আলোচনার সমাপ্তির সময় GATT (General Agreement on Tariffs and Trade) চুক্তি সংশোধন করা হয়। - এর মাধ্যমে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে, ১৯৯৫ সালে WTO প্রতিষ্ঠিত হয়। - যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। - WTO-এর প্রতিষ্ঠা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিয়মাবলী এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সংগঠিত এবং কার্যকর করার উদ্দেশ্যে ছিল। - GATT চুক্তি তখনকার সীমাবদ্ধতাগুলো সমাধান করতে, এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের জন্য WTO প্রতিষ্ঠিত হয়। - WTO-এর লক্ষ্য ছিল বাণিজ্য বাধা কমানো, বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা।
উল্লেখ্য, - WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট। - ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। - বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে। - WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ। (30 August 2024) - WTO এর বর্তমান মহাপরিচালক এনগোজি অকোনজো-ইওয়েলা (Ngozi Okonjo-Iweala)। - তিনি এই পদে প্রথম নারী এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে নিযুক্ত হন।
তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট।
৩৬.
আটলান্টিক চার্টার সনদ (Atlantic Charter) এ স্বাক্ষর করেন -
ক
স্ট্যালিন ও চার্চিল
খ
রুজভেল্ট ও চার্চিল
গ
স্ট্যালিন ও রুজভেল্ট
ঘ
লিটভিন ও টিভি মুং
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক চার্টার সনদ (Atlantic Charter): - ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল আটলান্টিক চার্টার সনদ (Atlantic Charter) এ স্বাক্ষর করেন। - এ সনদে বিশ্বের সকল জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, বাক স্বাধীনতা, স্থায়ী শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে আক্রমণকারীদের নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হয়েছিল। - এ ৩টি আদর্শের উপর ভিত্তি করেই পরে জাতিসংঘ সনদ রচিত হয়। এর মূলনীতি ছিল ৮ টি। - এটি ব্রিটিশ রণতরী ‘প্রিন্স অব ওয়েলস’ এবং মার্কিন রণতরী ‘অগাস্টা’য় এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। - ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এক ঘোষণাপত্রে আটলান্টিক চার্টারে বর্ণিত নীতি ও আদর্শের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছিলেন যা "United Nations Declaration" বা জাতিসংঘ ঘোষণা নামে পরিচিত। - ১৯৪২ সালের ২ জানুয়ারি আরও ২২টি রাষ্ট্র এ ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানায়।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
বাংলাদেশ কত সালে UNCTAD এর সদস্য হয়?
ক
১৯৭২ সালে
খ
১৯৭৩ সালে
গ
১৯৭৪ সালে
ঘ
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ UNCTAD: - UNCTAD হচ্ছে জাতিসংঘের উন্নয়নশীল বিশ্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ সংস্থা। - UNCTAD এর পূর্ণরূপ- United Nations Conference on Trade and Development. - এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। - এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি। - UNCTAD এর প্রথম কনফারেন্স ১৯৬৪ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়। - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNCTAD এর সদস্য হয়। - UNCTAD শীর্ষ সম্মেলন প্রতি (৪) চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। - বর্তমান মহাসচিব কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান (Rebeca Grynspan)। - তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে UNCTAD-এর অষ্টম মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। - তিনি এই সংস্থার ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তথ্যসূত্র: UNCTAD এর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৩৮.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) এর সর্বশেষ সদস্য-
ক
Comoros
খ
Liberia
গ
Timor-Leste
ঘ
Afghanistan
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] -------------------------- WTO (World Trade Organization): - WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট। - ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। - WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)। - General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালে। - বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে। - WTO এর বর্তমান মহাপরিচালক এনগোজি অকোনজো-ইওয়েলা (Ngozi Okonjo-Iweala)। - তিনি এই পদে প্রথম নারী এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে নিযুক্ত হন। - WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ। (166 members since 30 August 2024) To get update information. [লিঙ্ক] - এর সর্বশেষ সদস্য: "তিমোর-লেস্টে" সদস্য পদ লাভ করে ৩০ আগস্ট, ২০২৪ (Timor-Leste — 30 August 2024)।
উল্লেখ্য, - কমোরোস সদস্য পদ লাভ করে- ২১ আগস্ট, ২০২৪ সালে (Comoros — 21 August 2024)। - আফগানিস্তান সদস্য পদ লাভ করে -২৯ জুলাই ২০১৬ সালে (Afghanistan — 29 July 2016) - লিবেরিয়া সদস্য পদ লাভ করে ১৪ জুলাই ২০১৬ সালে (Liberia — 14 July 2016)
তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৩৯.
জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন হলো -
ক
UNEF
খ
UNFICYP
গ
UNTSO
ঘ
MINUSTAH
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন: - প্রতিষ্ঠাকাল - ২৯ মে, ১৯৪৮ সাল। - জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন প্রতিষ্ঠাকালীন 'Resolution' হচ্ছে - Security Council Resolution 50 (1948)। - জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন হলো UNTSO (United Nations Truce Supervision Organisations) - এটি ১৯৪৮ সালের ২৯ মে প্যালেস্টাইনে মোতায়েন করা হয় যা এখনো চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, ⇒ United Nations Peacekeeping Force in Cyprus (UNFICYP) - প্রতিষ্ঠিত: ১৯৬৪ সালে। - সাইপ্রাস দ্বীপের মধ্যে তুর্কি এবং গ্রীক সাইপ্রিয়টদের মধ্যে সংঘাত নিরসনে শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো হয়। ⇒ United Nations Emergency Force (UNEF) - প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫৬ সালে। - সুয়েজ সংকটের পর জাতিসংঘের প্রথম বৃহৎ শান্তিরক্ষা মিশন, যার উদ্দেশ্য ছিল মিশর এবং ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ⇒ United Nations Stabilization Mission in Haiti (MINUSTAH) - প্রতিষ্ঠিত: ২০০৪ সালে। - হাইতির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং সন্ত্রাসবাদের মোকাবেলায় শান্তিরক্ষা মিশন।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪০.
সম্প্রতি ইসরায়েলি পার্লামেন্ট বিল পাস করে জাতিসংঘের কোন সংস্থাকে নিষিদ্ধ করেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
ক
UNESCO
খ
UNICEF
গ
UNHCR
ঘ
UNRWA
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] ---------------------- জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ (UNRWA) নিষিদ্ধ: - পূর্ণরূপ: The United Nations Relief and Works Agency for Palestine Refugees in the Near East (UNRWA) - জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএকে নিষিদ্ধ করতে ইসরায়েলের সংসদ সোমবার (২৮ অক্টোবর, ২০২৪) একটি আইন পাস করেছে। - দেশটির পশ্চিমা মিত্ররা বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত, কারণ, এর ফলে গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরো করুণ হয়ে উঠতে পারে। - ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেন, 'এই আইনগুলোর কারণে ফিলিস্তিনিদের ভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবে।' - 'ইসরায়েলের সংসদের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।' -‘‘ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মানব-উন্নয়ন সহায়তা প্রদানে ইউএনআরডব্লিউএ-র ভূমিকাকে অবৈধ করতে এবং এটিকে কলঙ্কিত করতে ধারাবাহিক প্রচারণার সর্বশেষ এটি৷'' - ইসরায়েলের নতুন পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলায় ইউএনআরডব্লিউএ-র কয়েক হাজার কর্মীর মধ্যে কয়েকজন জড়িত ছিলেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ইউএনআরডব্লিউএ কর্মীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে৷''
তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
৪১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানগুলো "ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস" নামে পরিচিত?
ক
World Bank & United Nations
খ
World Bank & International Monetary Fund
গ
United Nations & International Monetary Fund
ঘ
World Health Organization & United Nations
ব্যাখ্যা
আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: - ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডস সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - এই প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে "ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস" নামে পরিচিত। - অর্থাৎ "World Bank & International Monetary Fund"সম্মিলিতভাবে "ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস" নামে পরিচিত। - আইএমএফ বৈশ্বিক মুদ্রা বিনিময় স্থিতিশীল রাখে, আর বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করে। - ঐতিহ্যগতভাবে, আইএমএফের প্রধান ইউরোপীয় এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত হন।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ): প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। উদ্দেশ্য: মুদ্রানীতি পর্যবেক্ষণ, মুদ্রামানের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, এবং বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র। - IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯১টি। [এই তথ্যটি পরিবর্তনশীল, আপডেট তথ্য পেতে আইএমএফ ওয়েবসাইটে দেখুন (লিঙ্ক)]
বিশ্বব্যাংক: প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা। সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠানসমূহ নাম ও প্রতিষ্ঠার তারিখ: - International Bank for Reconstruction and Development (IBRD)→ ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ আর্টিকেল অব এগ্রিমেন্টস কার্যকর। - International Development Association (IDA) → ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ সালে। - International Finance Corporation (IFC) → ২০ জুলাই ১৯৫৬ সালে। - Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) → ১২ এপ্রিল ১৯৮৮ সালে। - International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID)→ ১৪ অক্টোবর ১৯৬৬ সালে।
তথ্যসূত্র:- বিশ্বব্যাংক ও IMF ওয়েবসাইট এবং ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]