পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেনদেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করা শুরু করে?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈ‌রি এক‌টি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজ প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে রপ্তা‌নি করা হয়েছে। 
- দে‌শীয় প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈ‌রি করা ৬ হাজার ১০০ টন ধারণক্ষমতার জাহাজ‌টি কিনেছে যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি টাকায় এ জাহাজটি বিক্রি করেছে আনন্দ শিপইয়ার্ড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ৩৫৬টি জলযান নির্মাণ করে সরবরাহ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
 
উৎস: বাংলা ট্রিবিউন, যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
.
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কোনটির অধীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে?
  1. ক) Preferential Trade Arrangements (PTAs)
  2. খ) European Free Trade Agreement (EFTA)
  3. গ) Everything but Arms (EBA)
  4. ঘ) Economic Partnership Agreement (EPA)
ব্যাখ্যা
- এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রণীত স্বল্পোন্নত দেশগুলোর শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা। 
- বাংলাদেশ বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ইবিএ স্কিমের অধীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে। 
- তবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা অর্জন করলে এই সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) সুবিধার পর জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব সম্ভাবনা দেখছে ইইউ।
- 'ইইউর এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) বাণিজ্য সুবিধা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যাত্রাকে ক্রমাগত গতিশীল করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
 
উৎস: দ্যা ডেইলি ষ্টার। 
.
"বাংলাদেশ চা বোর্ড" কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
.
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর" কয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইপিজেড কোনটি?
  1. ক) REPZ
  2. খ) KEPZ
  3. গ) CEPZ
  4. ঘ) DEPZ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইপিজেড - কোরিয়ান ইপিজেড (KEPZ)।
- এটি ১৯৯৯ সালে অক্টোবরে চট্টগ্রামে চালু হয়।
- এছাড়া রাঙ্গুনিয়ায় আরেকটি প্রাইভেট ইপিজেড চালু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এখনো স্থাপিত হয় নি।
—------------
বর্তমানে সরকারি ইপিজেড ৮টি। এগুলো হলো:
চট্টগ্রাম, ঢাকা (সাভার), আদমজী, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, মোংলা, উত্তরা (নীলফামারী) ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: BEZA ওয়েবসাইট।
.
"রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি" কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) খুলনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) ১৬টি কোম্পানি পরিচালনা করে যার মধ্যে ১৫টি চিনিকল এবং একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- চিনিকলগুলোর প্রয়োজনীয় নানা যন্ত্রাংশ তৈরির একমাত্র ভারি প্রতিষ্ঠান রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- এটি কুষ্টিয়া সদরে অবস্থিত। 
- গড়াই নদীর পাড়ে ১৮৮১ সালে ৩৯ দশমিক ৯৬ একর জায়গার উপর স্থাপিত হয় যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ। 
- দেশভাগের পর প্রতিষ্ঠানটি রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি নামে পরিচিতি লাভ করে। সরকারি মালিকানাধীন এই কারখানায় চিনিকলগুলোর জন্য মেশিন ও ২৯ ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট, একুশে টিভি 
 
.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ৩৭.০৭%
  2. খ) ২৪.০৭%
  3. গ) ৩৯.০৯%
  4. ঘ) ২০.৪%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২২।
.
"রপ্তানিসংক্রান্ত জাতীয় কমিটি" এর সভাপতি কে?
  1. ক) বাণিজ্যমন্ত্রী
  2. খ) শিল্পমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) এফবিসিসিআই সভাপতি
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে ২০২৬ সালে বের হলে বাংলাদেশকে কী ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, সে নিয়ে করণীয় নির্ধারণে ‘রপ্তানিসংক্রান্ত জাতীয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটির সদস্যসংখ্যা ৪৪। 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২২ এপ্রিল ২০২২ সালে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
-  অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রীসহ ১১ জন মন্ত্রী, অর্থসচিব, বাণিজ্যসচিবসহ ১১ জন সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা, বেজা, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই সভাপতিসহ সম্পর্কিত বিভিন্ন চেম্বার ও সমিতির সভাপতিরা এ কমিটির সদস্য।
 
উৎস: প্রথম আলো 
.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশ থেকে ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) চীন
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ওয়েবসাইট