পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২ মে, ২০২১সময়50 minutes৯৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক-২৬.০১.২০০৭ (গ্রেড-৯)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২ মে, ২০২১ · ১০০ প্রশ্ন

.
মেঘনাদ বধ কাব্যে সর্গ সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
- মেঘনাদবধ কাব্যের বিরাট পটভূমির মধ্যে নানা ধরনের চরিত্র এবং কাব্যের নানা রসের সমাবেশ ঘটেছে।
- এই কাব্য নয় সর্গে রচিত
- এতে তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে। 
- কবি কাব্যের প্রথমে বীররসের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত করুনরসই প্রাধান্য পেয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 

.
“পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছো?” কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) নৌকাডুবি
  2. খ) পুতুল নাচের ইতিকথা
  3. গ) কপালকুন্ডলা
  4. ঘ) চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা

- কপালকুন্ডলা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস৷
• এই উপন্যাসের 'পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছো?' উক্তিটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উক্তি।

Source: LiveMCQ Lecture.

.
“চাঁদের হাট” অর্থ কোনটি?
  1. আত্মীয় সমাগম
  2. প্রিয়জন আগমন
  3. বন্ধু সমাগম
  4. গণ্যমান্যদের সমাগম
ব্যাখ্যা

• নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে -
'চাঁদের হাট' এর অর্থ - আনন্দের প্রাচুর্য।

• বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান অনুসারে -
চাঁদের হাট (বিশেষ্য) - শিশুদের বা সুন্দরীদের একত্র সমাবেশ।

• 'প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন' বই অনুসারে -
চাঁদের হাট - সুখের সংসার/ আনন্দের প্রাচুর্য।
==================

অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর - প্রিয়জন সমাগম।
কারণ -

» আত্মীয়দের মধ্যে সবাই আমাদের পছন্দের মানুষ নাও হতে পারেন, তাই আত্মীয় সমাগম হলেও আনন্দের প্রাচুর্য নাও হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ - কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন - "এরা অনেকেই আমার আত্মীয় হয়ে উঠেছে, প্রিয় হয়ে উঠেনি কেউ।"

» পক্ষান্তরে, প্রিয়জন সমাগম হলে আনন্দের প্রাচুর্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

.
“অপলাপ” শব্দের অর্থ কি?
  1. ক) প্রলাপ
  2. খ) অস্বীকার
  3. গ) অসদালাপ
  4. ঘ) মিথ্যা
ব্যাখ্যা

অপলাপ (বিশেষ্য)
১ অবমাননা (সত্যের অপলাপ)।
২ গোপন।
৩ মিথ্যা উক্তি।
অস্বীকার (তুমি একেবারে পরিণয় পর্যন্ত অপলাপ করিতেছ-ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর)।
{(তৎসম বা সংস্কৃত)অপ+√লপ্+অ(ঘঞ্)}

.
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) ব্যথার দান
  2. খ) বাঁধন হারা
  3. গ) মৃত্যুক্ষুধা
  4. ঘ) রিক্তের বেদন
ব্যাখ্যা


কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিতঃ
• কবিতা- মুক্তি,
• গল্প - বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী
• গল্পগ্রন্থ- ব্যথার দান,
• কাব্যগ্রন্থ- অগ্নি-বীণা,
• উপন্যাস- বাঁধন হারা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ডঃ. সৌমিত্র শেখর

.
“বনফুলে”র প্রকৃত নাম কি?
  1. ক) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  2. খ) বুদ্ধদেব বসু
  3. গ) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
  4. ঘ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ‘বনফুল’ ছদ্মনামে পরিচিত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- তৃণখন্ড (১৯৩৫),
স্থাবর (১৯৫১),
অগ্নীশ্বর (১৯৫৯),
হাটেবাজারে (১৯৬১),
ত্রিবর্ণ (১৯৬৩),
ভুবনসোম (১৯৬৩),
প্রচ্ছন্ন মহিমা (১৯৬৭),
উদয় অস্ত (দুই খন্ড, ১৯৫৯ ও ১৯৭৪) প্রভৃতি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

.
“ইন্দিরা” গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা

ইন্দিরা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ে্র অণু উপন্যাস বাঁ ছোট আখ্যান।
Source: LiveMCQ Lecture.

.
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণ কয়টি?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা

• বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ পঞ্চাশটি।
• এরমধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার ৮টি।
• অর্থাৎ মোট মাত্রাযুক্ত বর্ণ ৪০টি।
• অপরদিকে, মাত্রাহীন ১০টি।
• মাত্রাহীন ১০ টি বর্ণের মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি এবং স্বরবর্ণ ৪টি।
• মাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ১১-৪ = ৭টি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
“চাঁদের অমাবস্যা” কোন শ্রেণীর উপন্যাস?
  1. ক) মনোসমীক্ষামূলক
  2. খ) রূপক
  3. গ) সামাজিক
  4. ঘ) আত্মজীবনীমূলক
ব্যাখ্যা

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত উপন্যাস চাঁদের অমাবস্যা
এই উপন্যাসের মৌল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে আরেফের মনোগত ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া। অর্থাৎ, এটি একটি মনোসমীক্ষামূলক উপন্যাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১০.
কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস?
  1. ক) বিষমাখা
  2. খ) খেচর
  3. গ) সজল
  4. ঘ) তেমাথা
ব্যাখ্যা

কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন : জলে চড়ে যা - জলচর ; জল দেয় যে - জলদ ; পঙ্কে জন্মে যা - পঙ্কজ।

কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে।
যেমন : √চর্‌ > চর (বিচরণ করা অর্থে) ; √ধর্‌ > ধর (ধরা অর্থে)

উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ + ধাতু + প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়।
যেমন : বাস্তুহারা = বাস্তু + √হার্‌ + আ ; খেচর = খ + √চর্‌ + অ।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর



উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে-সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
উপপদ তৎপুরুষের উদাহরণ : অগ্রজ, আত্মজ, পঙ্কজ; মাছিমারা , ইদুরমারা (কল); ইন্দ্রজিৎ, কুম্ভকার (কুম্ভ করে যে], জলচর, খেচর, নিশাচর, নভশ্চর৷
উৎসঃ ভাষাশিক্ষা, হায়াৎ মামুদ

১১.
“বাংলাদেশের ইতিহাস” গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) রমেশচন্দ্র মজুমদার
  2. খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. গ) মুহম্মদ আব্দুল হাই
  4. ঘ) ড. নিলীমা ইব্রাহিম
১২.
“কলসটি কানায় কানায় পূর্ণ”- “কলসটি” কোন কারকে কোন বিভক্তি
  1. ক) অপাদানে সপ্তমী
  2. খ) স্থানাধিকরণে সপ্তমী
  3. গ) আধারাধিকরণে সপ্তমী
  4. ঘ) কালাধিকরণে সপ্তমী
ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ
অধিকরণ কারক তিন প্রকার।
যথা-
১. কালাধিকরণ,
২. আধারাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।

কালাধিকরণঃ
যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে। উদাহরণ-
শরতে শাপলা ফোটে।
সকালে সে চলে যাবে।
প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ।

ভাবাধিকরণঃ
যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ‘ভাবে সপ্তমী’ বলা হয়। যেমন-
সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
হাসিতে মুক্তা ঝরে।
জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।

আধারাধিকরণঃ
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:- ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

১. ঐকদেশিকঃ
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)

সামীপ্য(নৈকট্য) অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। যেমন-
ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। (ঘাটের কাছে)
‘দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেহ তারে। (দুয়ারের কাছে)
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।

২. অভিব্যাপকঃ
উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)
কলসটি কানায় কানায় পূর্ণ। (কলসের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে আছে) 

৩. বৈষয়িকঃ
বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়। যেমন-
রাকিব অঙ্কে কাঁচা, কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
“শ্রদ্ধা” শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) শ্রৎ + √ধা + অ + আ
  2. খ) শ্রুৎ + √ধা + আ
  3. গ) শ্র + √ধা + আ
  4. ঘ) শ্রু + √ধা + আ
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ঃ
অ(অঙ্‌) + স্ত্রী প্রত্যয় যোগ -
শ্রৎ + √ধা + অ + আ = শ্রদ্ধা
√ব্যথ্‌ + অ + আ = ব্যথা
√কৃপ্‌ + অ + আ = কৃপা
সম্‌ + √জ্ঞা + অ + আ = সংজ্ঞা

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

বাংলা একাডেমী অভিধান থেকেঃ

শ্রদ্ধা (বিশেষ্য):
১. বিশেষ সম্মান; ভক্তি।
২. আস্থা; বিশ্বাস; নির্ভরতা।
৩. নিষ্ঠা; সশ্রদ্ধ ভক্তি।
৪. স্পৃহা; রুচি; আগ্রহ (খেতে শ্রদ্ধা না হওয়া)।
(তৎসম বা সংস্কৃত) শ্রৎ+√ধা+অ(অচ্‌)+আ(টাপ্‌)

১৪.
কোনটি শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ?
  1. ক) ধনু + বিদ্যা
  2. খ) ধনুঃ + বিদ্যা
  3. গ) ধনুর + বিদ্যা
  4. ঘ) ধনূঃ + বিদ্যা
ব্যাখ্যা

‘ধনুর্বিদ্যা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘ধনুঃ + বিদ্যা ’। এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
এরূপ, নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর
ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষাশিক্ষা,হায়াৎ মামুদ

১৫.
সঠিক বানান কোনটি?
  1. ক) আকাঙ্খা
  2. খ) আকাংখা
  3. গ) আকাঙ্ক্ষা
  4. ঘ) আখাঙ্খা
ব্যাখ্যা
আকাঙ্ক্ষা (বিশেষ্য) - ইচ্ছা; বাসনা; অভিলাষ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
১৬.
সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দিব কোথা? কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় সপ্তমী
  2. খ) অপাদনে তৃতীয়া
  3. গ) অধিকরণে তৃতীয়া
  4. ঘ) অধিকরণে সপ্তমী
ব্যাখ্যা

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। এ কারকে সপ্তমী অর্থ্যাৎ ‘এ’, ‘য়’ ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
কতিপয় অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণঃ
- তিলে তৈল আছে,
- নদীতে মাছ আছে,
- বনে বাঘ আছে,
- আকাশে চাঁদ উঠেছে,
- সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

১৭.
“ছাড়পত্র” কাব্যটি কার রচনা?
  1. ক) নজরুল ইসলাম
  2. খ) বুদ্ধদেব বসু
  3. গ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. ঘ) মহাদেব সাহা
ব্যাখ্যা

সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোরকবি হিসেবে পরিচিত৷
তার রচিত গ্রন্থের নামঃ
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ ইত্যাদি।
সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ হচ্ছে ‘আকাল’।
মাত্র বিশ বছর বয়সে এ কবির অকাল প্রয়াণ ঘটে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৮.
“নদী ও নারী” গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) হুমায়ুন কবীর
  3. গ) আবুল হুসেন
  4. ঘ) কাজী আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যা

• হুমায়ুন কবির রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক ছিলেন।
• ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
• একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
• এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
• ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী ও
- অষ্টাদশী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
  1. ক) শেষের কবিতা
  2. খ) শেষ লেখা
  3. গ) শেষের পরিচয়
  4. ঘ) শেষ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস - শেষের কবিতা
• শেষ লেখা - রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থ।
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস- শেষ প্রশ্ন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২০.
“জঙ্গনামা” কাব্যের বিষয় কি?
  1. ক) যুদ্ধ-বিগ্রহ
  2. খ) শোক-তাপ
  3. গ) রোমান্স
  4. ঘ) প্রেম-ভালবাসা
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।

জঙ্গনামা শ্রেণীর কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো: শেখ ফয়জুল্লাহ (ষাল’শ শতক, জয়নবের চৌতিশা), দৌলত উজির বাহরাম খান (ষোল’শ শতক, জঙ্গনামা), মুহম্মদ খান (সতের’শ শতক, মকতুল হোসেন), শেরবাজ (আঠার’শ শতক, কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা), হেয়াত মামুদ (আঠার’শ শতক, জারি-জঙ্গনামা), জাফর (আঠার’শ শতক, শহীদ-ই-কারবালা ও সখিনার বিলাপ), হামিদ (আঠার’শ শতক, সংগ্রাম হুসেন), ফকির গরিবুল্লাহ (আঠার’শ শতক, জঙ্গনামা ও সোনাভান)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
২১.
মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
  1. ক) কানা হরিদত্ত
  2. খ) বিজয় গুপ্ত
  3. গ) নারায়ণ দেব
  4. ঘ) বিপ্রদাস পিপলাই
ব্যাখ্যা

মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত, কিন্তু তাঁর গ্রন্থ পাওয়া যায়নি। তিনি ১৩শ শতকে জীবিত ছিলেন বলে অনুমান করা হয়।
এরপর আর যাঁরা মনসামঙ্গল রচনা করেন তাঁরা হলেন পুরুষোত্তম, নারায়ণদেব (আনু. ১৫শ শতক), বিজয়গুপ্ত এবং বিপ্রদাস পিপিলাই।
বিজয়গুপ্তের মনসামঙ্গলই (১৪৯৪) সর্বাপেক্ষা পরিচিত এবং সাহিত্যিক গুণসম্পন্ন।
বিপ্রদাসের গ্রন্থ মনসাবিজয় পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে রচিত বলে গবেষকদের অনুমান।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২২.
“পঞ্চতন্ত্র” গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) মুহাম্মদ আব্দুল হাই
  3. গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ঘ) রাজশেখর বসু
ব্যাখ্যা

'পঞ্চতন্ত্র' সৈয়দ মুজতবা আলীর ব্যক্তিগত প্রবন্ধ সংকলন।
- এটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত এবং দুই পর্বে বিভক্ত।
- প্রথম পর্বে ৩৪টি ও দ্বিতীয় পর্বে ৩১টি; সর্বমোট ৬৫টি রচনার সংকলন।
- রচনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - বই কেনা, মোপাসাঁ, চেখফ-রবীন্দ্রনাথ, বিদেশে ইত্যাদি।
- গ্রন্থটি রম্য ধরণের প্রবন্ধের সংকলন।

- সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য ধরণের আরেকটি গ্রন্থ - ময়ূরকণ্ঠী।

তার দুটি উপন্যাসঃ
- অবিশ্বাস্য
- শবনম

তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী - দেশে বিদেশ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
“ক্ষীয়মান” এর বিপরীত শব্দ কি?
  1. ক) বর্ধিষ্ণু
  2. খ) বর্ধমান
  3. গ) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
  4. ঘ) বৃহৎ
ব্যাখ্যা

ক্ষীয়মান – বর্ধমান
বর্ধিষ্ণু – ক্ষয়িষ্ণু।
(সূত্র: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ)

২৪.
“হ্ম” এর বিশ্লিষ্ট রূপ কোনটি?
  1. ক) ক + ষ + ণ
  2. খ) ক + হ + ম
  3. গ) হ + ম
  4. ঘ) ম + হ
ব্যাখ্যা

• হ + ম = হ্ম, যেমনঃ
-ব্রাহ্মণ,
- ব্রহ্ম ইত্যাদি।
• ক + ষ = ক্ষ, যেমনঃ
- শিক্ষা,
- রক্ষা ইত্যাদি।
• ষ্ + ম= ষ্ম।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি

২৫.
“ইউসুফ জুলেখা” কি জাতীয় রচনা?
  1. ক) নাটক
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
  4. ঘ) রম্যরচনা
ব্যাখ্যা

শাহ মুহম্মদ সগীরের হাতে রচিত হয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’
- এই কাব্য রচনার কারণে শাহ মুহম্মদ সগীরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাইবেল ও কোর’আনে ইউসুফ জুলেখার কাহিনী বর্ণিত আছে।

এই কাব্যের অংশঃ
''ব্যাধি এ পীড়িত মোর বিকল শরীর।
ঔষধ দর্শনে প্রাণ শান্ত নহে স্থির॥
এহেন নির্জন পুরী বিরল সম্ভোগ।
পরিহরি লজ্জা ভীতি কর উপভোগ॥
না জানি কেমন আছে নিষেধ কারণ।
বুঝিলু তোমার ইচ্ছা আমার মরণ॥''

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৬.
If you read, you will learn. This sentence is a -----
  1. ক) Simple sentence
  2. খ) Complex sentence
  3. গ) Compound sentence
  4. ঘ) Negative sentence
ব্যাখ্যা

একটি complex sentence এ একটি principal clause এবং একটি subordinate clause থাকে। Subordinate clause টি if, although, before, after, since, that ইত্যাদি দ্বারা যুক্ত হয়।
যেমনঃ If you read, you’ll learn.
This is the act that a wise man does.

২৭.
Go to the dogs means-
  1. ক) be estimated
  2. খ) be agreed
  3. গ) be blamed
  4. ঘ) be ruined
ব্যাখ্যা
'Go to the dogs' means be ruined অর্থাৎ রসাতলে যাওয়া, গোল্লায় যাওয়া, উচ্ছন্নে যাওয়া।
২৮.
Give the meaning of ''soft soap''.
  1. ক) To speak ill of others
  2. খ) Flattery for self motives
  3. গ) To speak high of others
  4. ঘ) To recognise others good deed
ব্যাখ্যা

• The Idioms 'Soft soap' (noun) means 'flattery for self motives' অর্থাৎ নিজের উদ্দেশ্য সাধনার্থে তোষামোদ।
• আর Soft soap (verb) means persuade by flattery মানে তোষামোদ করে কোনো কিছু করতে রাজি করানো।

২৯.
What is the meaning of the expression ''bottom line''?
  1. ক) The final step
  2. খ) The end of a rald
  3. গ) The last line of a book
  4. ঘ) The essential point
ব্যাখ্যা

Bottom line- the final total of an account or balance sheet; the fundamental and most important factor.
Source: Oxford

৩০.
Don't worry. English Grammar is not ____ to understand.
  1. ক) so difficult
  2. খ) very difficult
  3. গ) too difficult
  4. ঘ) difficult enough
ব্যাখ্যা

Too…..to এই গঠন ব্যবহার হয় খুব কঠিন কিছু বা 'এতই যে না'অর্থ প্রদান করার জন্য। এখানে too difficult ব্যবহারে ‘অনেক কঠিন’ এই অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে।

যেমনঃ
- He is too weak to walk.
- The weather is too cold for them to go out.
- Don't worry. English Grammar is not too difficult to understand.

৩১.
The Return of the Native is written by-
  1. ক) Aldous Huxley
  2. খ) Somerset Maugham
  3. গ) Alexander Dumas
  4. ঘ) Thomas Hardy
ব্যাখ্যা

- Thomas Hardy was an English novelist and poet.
- His famous writings:
The Return of the Native,
• The Mayor of Casterbridge,
• Tess of the D'Urbervilles,
• Far From the Madding Crowd,
• The Poor Man and The Lady,
• The Trumpet Major,
• Jude the Obscure,
• A Pair of Blue Eyes,
• Under the Greenwood Tree.
Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Encyclopedia of Britannica.

৩২.
Birds will ____ in the morning.
  1. ক) chirp
  2. খ) have chirped
  3. গ) chirping
  4. ঘ) be chirping
ব্যাখ্যা

Shall, will, can, could, may, might, would ইত্যাদি modal auxiliary verb ব্যবহৃত হলে মূল verb এর present form হয়, যখন তা real condition প্রকাশ করে।
যেমনঃ It might rain tomorrow.
- Birds will chirp in the morning.

৩৩.
On behalf of means-
  1. ক) Act for
  2. খ) Act upon
  3. গ) Act to
  4. ঘ) Act on
ব্যাখ্যা
Act for/on behalf of sb/sth: as a representative of someone
Example: The teacher accepted the award on behalf of the whole class.
There are few exceptions to the rule that a solicitor may not act for both seller and buyer.

Source: Cambridge, Merriam-Webster Dictionary
৩৪.
Capital punishment means-
  1. ক) imprisonment
  2. খ) freedom
  3. গ) death penalty
  4. ঘ) misery
ব্যাখ্যা
Capital punishment - punishment by death, as ordered by a legal system.
Source: Cambridge
৩৫.
Brutal means-
  1. ক) gentle
  2. খ) british
  3. গ) cruel
  4. ঘ) beush
ব্যাখ্যা
Brutal- cruel, violent, and completely without feelings:
Example - A brutal dictator.
Source: Cambridge
৩৬.
What is the synonym of ''disparity''?
  1. ক) argumentation
  2. খ) belittlement
  3. গ) difference
  4. ঘ) harmony
ব্যাখ্যা

disparity - a lack of equality or similarity, especially in a way that is not fair; a difference
Example - There is a growing disparity between rich and poor regarding social life.

৩৭.
What is the antonym of ''delete''?
  1. ক) injure
  2. খ) delay
  3. গ) insert
  4. ঘ) trap
ব্যাখ্যা
Delete - destroy, efface, eradicate, obliterate.
Antonym - add, insert
Source: Oxford, Merriam-Webster Dictionary
৩৮.
At last the beast in him got ___ upper hand.
  1. ক) an
  2. খ) a
  3. গ) the
  4. ঘ) No article
ব্যাখ্যা

Get/gain the upper hand means to get into a stronger position than someone/something else so that they are controlling a situation.
প্রশ্নের বাক্যটির মানে দাড়ায়, শেষ পর্যন্ত তার ভেতরের পশুটিরই জয় হল।

৩৯.
He worked instead of ____.
  1. ক) playing
  2. খ) play
  3. গ) played
  4. ঘ) having played
ব্যাখ্যা

পর পর দুটি verb থাকলে শেষের verb-টির সাথে ing / to+verb / participle হয়।
উপরের বাক্যটির formation অনুযায়ী verb+ing হয়েছে।
যেমনঃ He worked instead of playing.
I would rather they did something about it instead of just talking about it.
Instead of complaining, why don't we try to change things?

৪০.
Hasan is ''a man of letters''.
  1. ক) Noun phrase
  2. খ) Verbal phrase
  3. গ) Prepositional phrase
  4. ঘ) Adjective phrase
ব্যাখ্যা

Noun Phrase: a word or group of words containing a noun and functioning in a sentences subject, object, or prepositional object।
- উপরের এই সংজ্ঞাটি থেকে বোঝা যায় যে Noun Phrase হল noun সংবলিত এমন শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা কোন বাক্যের Subject, object বা Prepositional Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে a man of letters কথাটি এই বাক্যের obbject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই, এটি Noun Phrase।
Source: Oxford Languages

৪১.
Who, which, what are-
  1. ক) Demonstrative pronoun
  2. খ) Relative pronoun
  3. গ) Interrogative pronoun
  4. ঘ) Both a and b
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

Relative Pronoun:
এই pronoun দুটি বাক্যের মধ্যে relation বা সমন্ধ বুঝিয়ে দেয়। এগুলো বাক্যের মাঝে বসে।
যেমন - who, whose, whom, which, that ইত্যাদি।

Interrogative Pronoun:
এই pronoun গুলো প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো বাক্যের প্রথমে বসে।
যেমন -who, whose, whom, which, what.

Source: Applied English Grammar and Composition: P.C Das

অপশনগুলোতে ডাবল উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

৪২.
Kamal is the ''most intelligent'' boy in the class.
  1. ক) Adverb
  2. খ) Noun
  3. গ) Adjective
  4. ঘ) Pronoun
ব্যাখ্যা
এই বাক্যে boy noun-কে modify করছে most intelligent, তাই এটি এই বাক্যের adjective.
৪৩.
The word ''intolerable'' is-
  1. ক) Verb
  2. খ) Conjunction
  3. গ) Adjective
  4. ঘ) Adverb
ব্যাখ্যা

Intolerable (adjective) - unable to be endured.

Similar:
unbearable
insufferable

৪৪.
Alice in the Wonderland belongs to-
  1. ক) detective literature
  2. খ) satirical literature
  3. গ) juvenile literature
  4. ঘ) religious literature
ব্যাখ্যা
Alice's Adventures in Wonderland (commonly shortened to Alice in Wonderland), widely beloved British children's book by Lewis Carroll, published in 1865 and illustrated by John Tenniel.
Children Literature’s alternative title is juvenile literature.
Source: Britannica
৪৫.
What kind of noun is ''An army''?
  1. ক) Proper
  2. খ) Common
  3. গ) Collective
  4. ঘ) Material
ব্যাখ্যা

Collective Noun:
A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
Ex:
Crowd, mob, team, flock, herd, army, fleet, jury, family, nation etc.

Few things to be noted:
A fleet = a collection of ships or vessels.
An army = a collection soldiers.
A crowd = a collection of people.
- All of these are used as Collective Noun.

Source: High School English Grammar and Composition BY Wren and Martin.

৪৬.
Give the verb of the word ''mourning''?
  1. ক) mournful
  2. খ) mourn
  3. গ) mournfully
  4. ঘ) mourned
ব্যাখ্যা

Mourning (noun): the expression of sorrow for someone's death.
Mourn (verb): feel or show sorrow for the death of (someone), typically by following conventions such as the wearing of black clothes.

৪৭.
Who wrote ''Gulliver's Travels''?
  1. ক) R. L. Stevenson
  2. খ) Daniel Defoe
  3. গ) Jonathan Swift
  4. ঘ) D. H. Lawrence
ব্যাখ্যা

• Jonathan Swift is the greatest satirist of the 18th century.
• His famous works:
- Gulliver's Travels,
- A tale of a Tub,
- The Battle of the Books,
- A Modest Proposal,
- A Journey to Stella.
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Live MCQ lecture.

৪৮.
Animal Farm is written by-
  1. ক) George Orwel
  2. খ) George Eliot
  3. গ) Ernest Hemingway
  4. ঘ) Thomas Hardy
ব্যাখ্যা

• George Orwell is an English Novelist, Essayist, Journalist and Critic.
• His real name is Eric Arthur Blair.
• He was a police officer in Burma.
• His famous Novels:
- Animal Farm,
- Nineteen Eighty-Four,
- Burmese Days,
- Coming up for Air
- Homage to Catalonia etc.
• Shooting an Elephant is a famous Short Story of George Orwell.
Source: Live MCQ Lecture and Encyclopedia of Britannica.

৪৯.
William Wordsworth is pre-eminently -
  1. ক) a poet of liberty
  2. খ) a poet of love
  3. গ) a poet of nature
  4. ঘ) a poet of humanism
ব্যাখ্যা

- William Wordsworth is the pioneer of the Romantic Age.

- He is called 'Poet of Nature', 'Poet of Childhood', 'Lake poet'.

- His famous poems:
• The Daffodils,
• Poems in Two Volumes,
• Lyrical Ballad,
• The Excursion,
• The Prelude,
• Lucy Poem,
• Tintern Abbey,
• The Solitary Reaper,
• Ode to Duty,
• My Heart Leaps Up etc.

- John Donne is called poet of love.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman, Britannica & Live MCQ lecture.

৫০.
Which one is correct?
  1. ক) One of my friends are a lawyer
  2. খ) One of my friend is a lawyer
  3. গ) One of my friends is a lawyer
  4. ঘ) One of my friend are lawyer
ব্যাখ্যা

• Structure: One of the + superlative degree + plural noun + singular verb + extension.
• Example:
- One of the most beautiful girls has come.
- One of the problems is extremely easy to solve.
- One of my friends is a lawyer.
- One of my cousins is a doctor.

৫১.
৮,৮৮৮ টাকা বার্ষিক ১০% সুদে কত বছরে সুদ-আসলে ১৭,৭৭৬ টাকা হবে?
  1. ক) ২০ বছরে
  2. খ) ১০ বছরে
  3. গ) ৩০ বছরে
  4. ঘ) ২৫ বছরে
ব্যাখ্যা

সুদ = সুদাসল - আসল = ১৭৭৭৬ - ৮৮৮৮ = ৮৮৮৮
আমরা জানি,
সুদ = (আসল × বছর × সুদের হার)/১০০
বাঁ, বছর = (সুদ × ১০০) / (আসল × সুদের হার)
= (৮৮৮৮ × ১০০) / (৮৮৮৮ × ১০)
= ১০ বছর

৫২.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৫ মিটার এবং ৪.২ মিটার হলে তার ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) ১০.৫ বর্গমিটার
  2. খ) ২১.০০ বর্গমিটার
  3. গ) ৫.২৫ বর্গমিটার
  4. ঘ) ৫.৫ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

আমরা জানি, রম্বসের ক্ষেত্রফল = ১/২ × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= ১/২ × ৫ × ৪.২
= ১০.৫ বর্গমিটার

৫৩.
একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ ১৪৪ হলে তার বাহুর সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা

ধরি, বাহুর সংখ্যা n
সুষম বহুভুজের মোট অন্তঃস্থ কোণ = (n-2) x 180
বা, 144 x n = (n-2) x 180
বা, 144n = 180n – 360
বা, n = 360/36 = 10

৫৪.
৯৯৯ সংখ্যাটির বর্গ কত?
  1. ক) ৯৯৯৮০১
  2. খ) ৯৯০০০১
  3. গ) ৯৯৮০০১
  4. ঘ) ৯৮৮০০১
ব্যাখ্যা
৯৯৯ = ৯৯৮,০০১
৫৫.
একটি কাজ মনির করতে পারে ৬ দিনে এবং জহির করতে পারে ১২ দিনে। তারা কাজটি একত্রে শুরু করে এবং কয়েক দিন পর কাজটি অসমাপ্ত রেখে মনির চলে যায়। বাকি কাজ জহির ৩ দিনে শেষ করে। মোট কত দিনে কাজটি সম্পন্ন হলো?
  1. ক) ৯ দিনে
  2. খ) ৬ দিনে
  3. গ) ৮ দিনে
  4. ঘ) ৭ দিনে
ব্যাখ্যা

মনির ১ দিনে করতে পারে ১/৬ অংশ
জহির ১ দিনে করতে পারে ১/১২ অংশ
সুতরাং সে, ৩ দিনে করতে পারে = ৩/১২ = ১/৪ অংশ
অর্থাৎ, কাজ বাকি থাকে = ১ - ১/৪ = ৩/৪ অংশ
মনির এবং জহির দুজন মিলে ১ দিনে করতে পারে = ১/৬ + ১/১২ = (২ + ১)/১২ = ১/৪ অংশ।
∴ দুজনে ৩/৪ অংশ করতে পারে ৩ দিনে ।
কাজটি শেষ হতে মোট সময় লাগে = ৩ + ৩ = ৬ দিন।

৫৬.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ১০% বাড়ানো হলো এবং প্রস্থ ১০% কমানো হলো। এ অবস্থায় আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল---
  1. ক) ১% বাড়বে
  2. খ) ২ বাড়বে
  3. গ) ১% কমবে
  4. ঘ) একই থাকবে
ব্যাখ্যা

ধরি, দৈর্ঘ্য ক ও প্রস্থ খ
তাহলে, ক্ষেত্রফল = কখ
দৈর্ঘ্য ১০% বৃদ্ধি হলে নতুন দৈর্ঘ্য = ১.১ক
ও প্রস্থ ১০% হ্রাস হলে নতুন প্রস্থ = ০.৯খ
নতুন ক্ষেত্রফল = ০.৯৯কখ
ক্ষেত্রফল হ্রাস = কখ - ০.৯৯কখ = ০.০১কখ
শতকরা ক্ষেত্রফল হ্রাস= (০.০১ × ১০০)/১০০ = ১%

শর্টকাট নিয়মঃ
ক + খ + কখ/১০০
= ১০ - ১০ + [১০ × (-১০)]/১০০
= -১

৫৭.
একটি ত্রিভুজের দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সেন্টিমিটার এবং ৭ সেন্টিমিটার হলে তৃতীয় বাহু ____ হতে পারে না।
  1. ক) ৫ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট
  2. খ) ৮ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট
  3. গ) ৯ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট
  4. ঘ) ১৩ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
একটি ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর যোগফল সর্বদা তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হবে। ৬ এবং ৭ এর যোগফল ৫, ৮, ৯ এর চেয়ে বড় হলেও কখনো ১৩ এর চেয়ে বড় না। তাই তৃতীয় বাহু ১৩ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট হতে পারে না।
৫৮.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ ছাড়া অন্য দুই বাহুর দৈর্ঘ্য ০.২ মিটার এবং ০.৩ মিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ক) ০.০৬ বর্গমিটার
  2. খ) ০.০৩ বর্গমিটার
  3. গ) ০.০৫ বর্গমিটার
  4. ঘ) ০.০১ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

আমরা জানি, একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১/২ × সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
= ১/২ × ০.২ × ০.৩
= ০.০৩ বর্গমিটার

৫৯.
টাকায় ৬টি লেবু ক্রয় করে টাকায় ৫টি বিক্রয় করলে শতকরা লাভের হার কত?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ২০%
ব্যাখ্যা

১ টি লেবুর ক্রয় মূল্য = ১/৬ টাকা।
১ টি লেবুর বিক্রয় মূল্য = ১/৫ টাকা।
∴ লাভ হয় = ১/৫ - ১/৬ = ১/৩০
এখন,
১/৬ টাকায় লাভ হয় ১/৩০ টাকা।
১ টাকায় লাভ হয় ৬/৩০ টাকা।
১০০ টাকায় লাভ হয় (৬×১০০)/৩০ টাকা।
= ২০ টাকা।

৬০.
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার এবং প্রস্থ ২০ মিটার। বাগানের সীমানা সংলগ্ন বাহিরে ২ মিটার চওড়া রাস্তা আছে। রাস্তাটির পরিসীমা কত?
  1. ক) ১১৬ মিটার
  2. খ) ২১৬ মিটার
  3. গ) ৬০০ মিটার
  4. ঘ) ১০০ মিটার
ব্যাখ্যা

রাস্তাসহ বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩০ + (২ × ২) = ৩৪ মিটার
রাস্তাসহ বাগানের প্রস্থ = ২০ + (২ × ২) = ২৪ মিটার
∴রাস্তাসহ বাগানের পরিসীমা = ২ × (৩৪ + ২৪) = ১১৬ মিটার

৬১.
বিশেষ ক্রমানুযায়ী সাজানো ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ২২৫ সংখ্যাগুলোর পরবর্তী সংখ্যা কত হবে?
  1. ক) ২৮৯
  2. খ) ৩৬১
  3. গ) ৩২৪
  4. ঘ) ২৫৬
ব্যাখ্যা

এখানে ক্রম হলো ৩ এর গুণিতকের বর্গ
= ৯, ৬ = ৩৬, ৯ = ৮১, ১২ = ১৪৪, ১৫ = ২২৫ এবং ১৮ = ৩২৪

৬২.
যদি a = 1/2(−1 + i√3) এবং b = 1/2(−1 −i√3) হয়, তবে a6+b6 = কত?
  1. ক) -2
  2. খ) -1
  3. গ) 2
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা

এখানে তিনটি ঘনমূল হচ্ছে, 1, 1/2(−1 + i√3) এবং 1/2(−1 −i√3)
যেখানে 1 হচ্ছে বাস্তব ঘনমূল এবং বাকি দুটো অবাস্তব ঘনমূল

অবাস্তব ঘনমূলদ্বয়ের একটি ω হলে অপরটি ω2
আমরা জানি, এককের অবাস্তব ঘনমূলদ্বয়ের গুণফল 1 হয়
অর্থাৎ, ω.ω2 = 1
বাঁ, ω3 = 1

এখন, a6 + b6
= {1/2(−1 + i√3)}6 + {1/2(−1 −i√3)}6
= ω6 + (ω2)6
= (ω3)4 + (ω3)2
= 14 + 12
= 1 + 1
= 2

৬৩.
a - 1/a = 2 হলে a4 + (1/a)4 এর মান কত?
  1. ক) 40
  2. খ) 34
  3. গ) 32
  4. ঘ) 36
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে, a - 1/a = 2
এখন, a2 + (1/a)2
= (a - 1/a)2 + 2. a. 1/a
= 22 + 2
= 4 + 2
∴ a2 + (1/a)2 = 6
বাঁ, {(a2 + (1/a)2}2= 62
বাঁ, a4 + 2.a2.1/a2 + (1/a)4 = 36
∴ a4 + (1/a)4 = 36 - 2 = 34

৬৪.
30 − {5-1(2−3)-3}-2 = কত?
  1. ক) 31
  2. খ) 20
  3. গ) 5
  4. ঘ) 29
ব্যাখ্যা

30 − {5-1(2−3)-3}-2
= 30 - {1/5 (-1)-3}-2
= 30 - {(1/5 × (-1)}-2
= 30 - (- 1/5)-2
= 30 - 52
= 5

৬৫.
16x2 +px + 25 রাশিটি পূর্ণবর্গ হতে হলে p- এর মান কত হবে ?
  1. ক) 20
  2. খ) 10
  3. গ) 40
  4. ঘ) 15
ব্যাখ্যা
16x2 +px + 25
= (4x)2 + 52 + 2.4x.5 + px - 40x
= (4x - 5)2 + x(p - 40)
∴ x(p - 40) = 0
বা, p - 40 = 0
∴ p = 40
৬৬.
2nCr = 2nCr+2 হলে r -এর মান কত ?
  1. ক) n + 1
  2. খ) n
  3. গ) 2n - 1
  4. ঘ) n - 1
ব্যাখ্যা

2nCr = 2nCr+2
⇒ 2n!/{r!(2n-r)!} = 2n!/{(r+2)! (2n-r-2)!}
⇒ 1/(2n-r)(2n-r-1) = 1/(r+2)(r+1)
⇒ r² + 2r + r + 2 = 4n² -2nr – 2nr + r² - 2n + r
⇒ 2r + 4nr = 4n² - 2n – 2
⇒ r(2n + 1) = 2n² - n -1
⇒ r(2n + 1) = 2n² - 2n + n -1
⇒ r(2n + 1) = (2n+1) (n-1)
∴ r = (n-1)

৬৭.
log2√6 + log2√(2/3) = কত?
  1. ক) 3
  2. খ) 1
  3. গ) 2
  4. ঘ) 0
ব্যাখ্যা

log2√6 + log2√(2/3)
= log261/2 + log2(2/3)1/2
= 1/2 log26 + 1/2 log22/3
= 1/2 log2(6 × 2/3)
= 1/2 log24
= 1/2 log222
= 2×1/2 log22
= 1

৬৮.
কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহু বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ তিনটি কোণের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১৮০°
  2. খ) ২৭০°
  3. গ) ১৫০°
  4. ঘ) ৩৬০°
ব্যাখ্যা

ত্রিভুজের তিনটি বাহু কে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি
= (180 - 60)° + (180 - 60)° + (180 - 60)°
= 360°।

৬৯.
x6 - y6 এর উৎপাদক কোনটি?
  1. ক) (x+y)(x−y)(x2 + 2xy)(x2 − xy + y2)
  2. খ) (x3 + y3)(x3 − y3)
  3. গ) (x + y)(x − y)(x2 - xy + y2)(x2 + xy + y2)
  4. ঘ) (x2 + y2)(x2 + xy + y2)(x2 - xy + y2)
ব্যাখ্যা

x6 - y6
= (x3)2 - (x3)2
= (x3 + y3)(x3 - y3)
= (x + y)(x2 - xy + y2)(x − y)(x2 + xy + y2)
= (x + y)(x − y)(x2 - xy + y2)(x2 + xy + y2)

৭০.
mn√(xm/xn) × nl√(xn/xl) lm√(xl/xm) = কত?
  1. ক) xlmn
  2. খ) x1/lmn
  3. গ) 1
  4. ঘ) 0
ব্যাখ্যা
mn√(xm/xn) × nl√(xn/xl) lm√(xl/xm)
= (xm-n)1/mn × (xn-l)1/nl × (xl-m)1/lm
= xm-n/mn × xn-l/nl × xl-m/lm
= xm-n/mn + n-l/nl + l-m/lm
= x{l(m-n) + m(n-l) + n(l-m)}/mnl
= x(lm - nl + mn - lm + nl - mn)/mnl
= x0/mnl
= x0
= 1
৭১.
Wings of Fire গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) মাদার তেরেসা
  3. গ) অ্যালফ্রেড মার্শাল
  4. ঘ) এপিজে আব্দুল কালাম
ব্যাখ্যা

A.P.J. Abdul Kalam, in full Avul Pakir Jainulabdeen Abdul Kalam, Indian scientist and politician who played a leading role in the development of India’s missile and nuclear weapons programs. He was president of India from 2002 to 2007. He was the 11th president of India.
His famous books:
- Wings of Fire,
- Ignited Mind,
- Inspiring Thought,
- The Luminous Sparks,
- Turning Points,
- You are Born to Bloom,
- Target 3 Billion,
- Indomitable Spirit,
- My Journey.
Source: Encyclopedia of Britannica.

৭২.
বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দ্বীপ আছে সুইডেনে। সুইডেনের দ্বীপ সংখ্যা ২৬৭,৫৭০ টি।
২৩৯,০৫৭ টি দ্বিপ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নরওয়ে।

ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান এ তালিকায় ৬ষ্ঠ, এর দ্বীপ সংখ্যা ১৭,৫০৪ টি। তবে আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া।
অপশনে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দ্বীপ আছে ইন্দোনেশিয়ায় এবং এটি বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্রও।

Source: worldatlas.com

৭৩.
‘‘সুনামি” কি শব্দ?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ইংরেজি
  3. গ) জাপানি
  4. ঘ) চীনা
ব্যাখ্যা

সুনামি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি মূলত জাপানি শব্দ। এর অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সমুদ্র তলদেশে প্রচণ্ড মাত্রার ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে কিংবা অন্য কোনো কারণে ভূ-আলোড়নের সৃষ্টি হলে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়।
- ভূকম্পনে সৃষ্ট এ সমুদ্র ঢেউ সুনামি নামে পরিচিত।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪.
গভীরতম মহাসাগর-
  1. ক) ভারত মহাসাগর
  2. খ) প্রশান্ত মহাসাগর
  3. গ) উত্তর মহাসাগর
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

Source: worldatlas
৭৫.
পৃথিবীতে স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৪০
  2. খ) ২৩০
  3. গ) ১৯৩
  4. ঘ) ১৯৮
ব্যাখ্যা

বর্তমান বিশ্বে কতটি দেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ এ নিয়ে কিছুটা বিতর্কের অবকাশ আছে।
World Population Review অনুযায়ী,
- জাতিসংঘের ১৯৩ টি সদস্য দেশের সাথে আরো পর্যবেক্ষক দেশ আছে দুইটি। অর্থাৎ মোট দেশ ১৯৫ টি।

কিন্তু তাইওয়ান এবং কসাভোকে অনেক দেশ স্বীকৃতি দিলেও তারা এখনো জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে নি। দুটো দেশের কর্তৃত্ব নিয়ে চীনের সাথে তাইওয়ান এবং সার্বিয়ার সাথে কসাভোর কিছু অমিমাংসিত বিষয় আছে।
তবে ব্রিটানিকার দেশের তালিকাতে আবার এ দুটো দেশের নাম উল্লেখ আছে।

আবার, যুক্তরাষ্ট্র আবার জাতিসংঘের সদস্য প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি না দিয়ে কসাভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাদের হিসাব অনুযায়ী স্বাধীন দেশের সংখ্যা ১৯৫ টি।

অপশনগুলো দেখে মনে হচ্ছে, জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশকে চিন্তা করে প্রশ্নটি করা হয়েছে, তাই আমরাও একে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নিচ্ছি।

উৎসঃ ব্রিটানিকা, জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৬.
রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়-
  1. ক) ১৮১৭
  2. খ) ১৯১৭
  3. গ) ১৭১৭
  4. ঘ) ১৯২৭
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লবঃ ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বাধীন বলশেভিক পার্টি ও শ্রমিক সোভিয়েতরা পেট্রোগ্রাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করে রাশিয়ান সোভিয়েত ফেডারেশন সোশালিস্ট রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাসে এটি বলশেভিক বিপ্লব নামেও পরিচিত।
- সাড়া জাগানো এ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১০দিন।
- রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী দল বলশেভিক পার্টি।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৭৭.
সুন্দরবনকে World Heritage ঘোষণা করেছে-
  1. ক) ইউএনডিপি
  2. খ) আইএলও
  3. গ) ইউনিসেফ
  4. ঘ) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫)
- সুন্দরবন (১৯৯৭)।
- এর মধ্যে পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার (৩২২তম) ও ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম) হলো সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য এবং সুন্দরবন (৭৯৮তম) হলো প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য।
(সূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)

৭৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়-
  1. ক) ১৯৩৯
  2. খ) ১৯৪৫
  3. গ) ১৮৩৯
  4. ঘ) ১৯৪২
ব্যাখ্যা

- ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে মিত্রশক্তির মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ৮ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
Source: History.com

৭৯.
যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬১
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৪১
  4. ঘ) ৭১
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
এ দেশের রাজ্য সংখ্যা ৫০ টি।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।

৮০.
উরুগুয়ের রাজধানীর নাম কি?
  1. ক) মন্টিভিডিও
  2. খ) সান্টিয়াগো
  3. গ) বোগোটা
  4. ঘ) আসুনসিওন
ব্যাখ্যা

উরুগুয়ের সবচেয়ে বড় শহর এবং রাজধানী - মন্টেভিডিও
চিলির রাজধানী - সান্টিয়াগো
কলম্বিয়ার রাজধানী - বোগোটা
উৎসঃ ব্রিটানিকা।

৮১.
বিশেষ ক্ষমতা আইন কোন সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৯৯৮
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সালের ১৪ নং আইন) ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৮২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) হরিপুর
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে। এরপর সিলেট অঞ্চলে আরও বেশকিছু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার পর যখন ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে একটি বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় তখন বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে নতুন আরেক এক দিগন্তের সূচনা হয়।
১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর এ গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড নামে জন্মলাভ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করেছিল। ২০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে প্রায় ১৪টি কূপ খনন করা হয়েছে।
৬৪ বর্গকিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটির ভূগঠন গম্বুজাকৃতির যেখানে মোট অনুমিত মজুদ গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৪.১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুদ ২.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
মজুদ গ্যাসের হিসাবমতে এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র।
উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

৮৩.
বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিল কবে পাস হয়?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৪
ব্যাখ্যা

যে সব কারণে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশ ঘটেছিল সেগুলির মধ্যে দুটি কারণ প্রণিধানযোগ্য: (১) উচ্চশিক্ষার বর্ধিত চাহিদা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পক্ষে মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না, এবং (২) সরকারি তহবিলের অভাব অর্থাৎ দ্রুত বর্ধনশীল চাহিদা পূরণে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল, সরকারের পক্ষে বাজেটে তা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব না হওয়া।
এসব কারণ বিবেচনায় উচ্চশিক্ষার চাহিদা পূরণে সরকারের প্রচেষ্টার পরিপূরক ভূমিকা পালন করতে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথ আইনত উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ (১৯৯৮-এ সংশোধিত) পাস করে।
১৯৯২ ও ১৯৯৮-এর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে মানের নিশ্চয়তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সমাজসেবা ও সুশাসন-এর মতো বিষয়গুলির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। ফলশ্রুতিতে জাতীয় সংসদ ১৯৯২ সালের আইনটি বাতিল করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ পাস করে
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৮৪.
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় কোন সালে?
  1. ক) ২০০০
  2. খ) ২০০২
  3. গ) ২০০৩
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় ২০০৩ সালে। তবে এসএসসি (মাধ্যমিক) পর্যায়ে তা ২০০১ সালেই চালু হয়।
(সূত্র: শিক্ষা মন্ত্রণালয়)

৮৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ক) ১২৪
  2. খ) ১৪৮
  3. গ) ১১৮
  4. ঘ) ১৩৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ১৩৬ তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৮৬.
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার উৎস কোন খাতে সর্বোচ্চ?
  1. ক) পাট
  2. খ) চামড়া
  3. গ) পোশাক
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য (চিংড়ি)
ব্যাখ্যা

- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি পণ্যের মধ্যে,
প্রথম : তৈরি পোশাক (২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার)
দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (৮৮২.৩৫ মিলিয়ন ডলার)
তৃতীয় : কৃষিপণ্য (৮৬২.০৬ মিলিয়ন ডলার)
চতুর্থ : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৭৯৭.৬ মিলিয়ন ডলার)।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)

৮৭.
ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৬৯
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় ১৯৭৫ সালে।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে গঙ্গা প্রশ্নে জরুরি আন্তরিক আলোচনা শুরু করে। ১৯৭২ সালে গঠিত হয় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন (JRC)। ১৯৭৪ সালের ১৬ মে ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় এক যৌথ ঘোষণায় দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, ফারাক্কা প্রকল্প চালু করার আগে গঙ্গায় বছরে সর্বনিম্ন প্রবাহের সময়কালে নদীর জলবণ্টন প্রশ্নে তারা পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য একটি মতৈক্যে উপনীত হবেন। ঐ শীর্ষ বৈঠকে আরও স্থির হয় যে, শুষ্ক মৌসুমের পানি ভাগাভাগির পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে কোন চুক্তিতে উপনীত হওয়ার আগে ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হবে না। ১৯৭৫ সালে ভারত বাংলাদেশকে জানায় যে, ফারাক্কা বাঁধের ফিডার ক্যানাল পরীক্ষা করা তাদের প্রয়োজন। সে সময় ভারত ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১০ দিন ফারাক্কা থেকে ৩১০-৪৫০ কিউবিক মিটার/সেকেন্ড গঙ্গার প্রবাহ প্রত্যাহার করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অনুমতি প্রার্থনা করে। বাংলাদেশ সরল বিশ্বাসে এতে সম্মতি জ্ঞাপন করে। ভারত বাঁধ চালু করে দেয় এবং নির্ধারিত সময়ের পরেও একতরফাভাবে গঙ্গার গতি পরিবর্তন করতে থাকে যা ১৯৭৬ সালের পুরা শুষ্ক মৌসুম পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এর উদ্দেশ্য ছিল কলকাতা বন্দরের নাব্যতা উন্নয়নে পলি ধুয়ে নিতে শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গানদী থেকে পশ্চিমবঙ্গের ভাগিরথী-হুগলী নদীতে ১১৩০ কিউবিক মিটারের বেশি পানি পৌঁছে দেওয়া।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৮৮.
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৮৯.
বাংলায় “ঋণ সালিশি আইন” কার আমলে প্রণীত হয়?
  1. ক) এইচ. এস. সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) খাজা নাজিম উদ্দিন
  4. ঘ) নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা আবুল কাশেম ফজলুল হক তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার জন্য ছিলেন সুপরিচিতি। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফজলুল হক। তাঁর আপোষহীন ন্যায়নীতি ও অসামান্য বাকপটুতার কারণে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) নামে। সর্বভারতীয় রাজনীতির পাশাপাশি গ্রাম বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

প্রথম মন্ত্রিসভার আমলে (১৯৩৭-১৯৪১) এ কে ফজলুল হক কৃষকদের দুঃখকষ্ট মোচনের জন্য কিছু প্রশংসনীয় কাজ করেছিলেন।

- তিনি ‘Bengal Agricultural Debtors' Act’ (১৯৩৮) কার্যকর করে উচ্চহারে সুদ নেয় এমন মহাজনদের কবল থেকে দরিদ্র কৃষকদের রক্ষা করেন। তিনি বাংলার সব এলাকায় ঋণ সালিশি বোর্ডও স্থাপন করেছিলেন।
- ‘Money Lenders' Act’ (১৯৩৮) এবং ১৯৩৮ সালের ‘Bengal Tenancy (Amendment) Act’ কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটিয়েছিল।
- স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডিকে সভাপতি করে ১৯৩৮ সালের ৫ নভেম্বর বাংলা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ‘ল্যান্ড রেভেনিউ কমিশন’ ১৯৪০ সালের ২১ মার্চ চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করে। এটি ছিল দেশের ভূমিব্যবস্থা সম্পর্কিত সবচেয়ে মূল্যবান দলিল। ১৯৩৮ সালের আইন দ্বারা ১৮৮৫ সালের প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধন করা হয়েছিল এবং এর দ্বারা খাজনা বৃদ্ধির সকল ধারা দশ বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। এটি রায়তদের উপর প্রথাগতভাবে জমিদারগণ কর্তৃক ধার্যকৃত সব ধরনের আবওয়াব ও সেলামির (কর) বিলোপ সাধন করে। জমিদারকে কোনো হস্তান্তর-ফি না দিয়ে রায়তরা তাদের জমি হস্তান্তর করার অধিকার লাভ করে।
- এ আইন বকেয়া খাজনার সুদের হার ১২.৫০% থেকে ৬.২৫%-এ হ্রাস করে। নদীর ভাঙ্গনে হারানোর ২০ বছরের মধ্যে চারবছরের খাজনা দিয়ে রায়তরা নদী-সিকস্তি (নদীর ভাঙনের ফলে লুপ্ত জমির পুন জেগে ওঠা) জমির মালিকানার অধিকার লাভ করে।
- হক তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার সময় জনগণকে প্রতিশ্রুত ডাল-ভাতের কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত করতে না পারলেও তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রথম মেয়াদে কার্যকর রক্ষা বহু আইন কৃষকদের বোঝা কিছুটা লাঘব করতে সাহায্য করেছিল।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং পত্রিকা রিপোর্ট।

৯০.
বাংলায় মুসলিম শাসন কোন শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) অষ্টম শতাব্দী
  2. খ) দশম শতাব্দী
  3. গ) দ্বাদশ শতাব্দী
  4. ঘ) ত্রয়োদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা

- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।

তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।

লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]

৯১.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ল্যাাভয়সিয়ে
  2. খ) রবার্ট কক
  3. গ) রোনাল্ড রস
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দ্বারা যক্ষা রোগ হয়।
• যক্ষ্মার রোগের টিকা হলো- বিসিজি।
• এই রোগের জীবাণু প্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কক ১৮৮২ সালে।
• যক্ষ্মা রোগের ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।

৯২.
জন্ডিস রোগে দেহের কোন অংশ আক্রান্ত হয়?
  1. ক) লিভার
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) চোখ
  4. ঘ) কিডনি
ব্যাখ্যা

জন্ডিস কোন রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষ্মণমাত্র। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। আমাদের রক্তের লোহিত কণিকাগুলো একটা সময়ে স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙ্গে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে যা পরবর্তীতে যকৃত বাঁ লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সাথে পিত্তনালীর মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে। অন্ত্র থেকে বিলিরুবিন পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। বিলিরুবিনের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় যে কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে যায় আর দেখা দেয় জন্ডিস।
উৎসঃ ব্রিটানিকা

৯৩.
ডিপথেরিয়া রোগে দেহের কোন অংশ আক্রান্ত হয়?
  1. ক) গলা
  2. খ) নাক
  3. গ) ফুসফুস
  4. ঘ) কিডনি
ব্যাখ্যা

ডিপথেরিয়া ব্যাকটেরিয়া ঘটিত মারাত্মক রােগ যা কাশি এবং হাচির মাধ্যমে ছড়ায়।
এ রোগে গলা এবং অনেক সময় টনসিল আক্রান্ত হয়।
এতে সকল বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারেন।
উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

৯৪.
কোন ধাতু সর্বাপেক্ষা হালকা?
  1. ক) বেরিয়াম
  2. খ) সিলভার
  3. গ) লিথিয়াম
  4. ঘ) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

বেরিয়ামের পারমাণবিক ভর - ১৩৭.৩২৭
সিলভারের পারমাণবিক ভর - ১০৭.৮৭
লিথিয়ামের পারমাণবিক ভর - ৬.৯৩৮
সোডিয়ামের পারমাণবিক ভর - ২২.৯৯
উৎসঃ ব্রিটানিকা

৯৫.
কোন মৌলিক গ্যাস সবচেয়ে ভারী?
  1. ক) আর্গন
  2. খ) র‍্যাডন
  3. গ) জেনন
  4. ঘ) নিয়ন
ব্যাখ্যা

আর্গনের পারমাণবিক ভর - ৩৯.৯৫
র‍্যাডনের পারমাণবিক ভর - ২২২
জেননের পারমাণবিক ভর - ১৩১.২৯
নিয়নের পারমাণবিক ভর - ২০.১৮
উৎসঃ ব্রিটানিকা

৯৬.
নিচের কোনটি মৌল নয়, আবার যৌগও নয়?
  1. ক) গোল্ড
  2. খ) নিকেল
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) শর্করা
ব্যাখ্যা

যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, তামা, সোনা (গোল্ড), নিকেল, রূপা, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি।
যে সব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।
যেমন- পানি, লবণ, চিনি, ইস্পাত, শর্করা ইত্যাদি।
বায়ু এক ধরণের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরণের পদার্থ রয়েছে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা

৯৭.
কোনটি পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) রেডিয়াম
  2. খ) প্যারাফিন
  3. গ) ক্লোরিন
  4. ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
ডিওয়াক্সিং এর মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম থেকে প্যারাফিন পাওয়া যায়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৯৮.
ট্রানজিস্টারে সেমি-কন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) জার্মেনিয়াম
  3. গ) টাংস্টেন
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা

কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। উদাহরণ: সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টর।
উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসাবে ব্যবহৃত হয় জার্মেনিয়াম। ট্রানজিস্টর বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। জার্মেনিয়ামের পাশাপাশি সিলিকনও ব্যবহৃত হয়। (সিলিকোন নয়, সিলিকোন হল পলিসিলোক্সেন যা সিলোক্সেন এর পলিমার)।

১৯৫০ এর দিকে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে জার্মেনিয়াম ব্যবহার হতো অনেক বেশি। কিন্তু এটি অনেক কাজের জন্য অনুপযোগী হওয়ায় এর ব্যবহার কমতে থাকে। ১৯৬০ এর পর থেকে সেমিকন্ডাক্টরে সিলিকনের বহুল ব্যবহার হয়ে আসছে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা

৯৯.
এক নট = স্থল পথের কত মাইল?
  1. ক) ১ মাইল
  2. খ) ২.৪ মাইল
  3. গ) ১.৪ মাইল
  4. ঘ) ২.৫ মাইল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

1 nautical mile = 6080 feet
6080 feet = 1.15 mile
প্রশ্নে কোনো সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হলো।

১০০.
একটি লাল ফুলকে সবুজ আলোয় রাখলে কেমন দেখাবে?
  1. ক) হলুদ
  2. খ) নীল
  3. গ) কালো
  4. ঘ) সাদা
ব্যাখ্যা
সবুজ আলোতে লাল বস্তু বা লাল আলোতে সবুজ বস্তুকে কালো দেখায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি