পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩ (নতুন রাউন্ড) টপিক জীববিজ্ঞানের বিকাশ, জুলোজিক্যাল ও বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ, কলা বা টিস্যু, জেনেটিক্স, বিবর্তন [Live Class – 26, 27 & 28]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
DNA-তে কোন নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক থাকে না? 
  1. থাইমিন
  2. ইউরাসিল
  3. সাইটোসিন
  4. অ্যাডিনিন
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত। 
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে। 
- এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 

ডিএনএ (DNA): 
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। 
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। 
- এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। 
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। 
যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক থাকে? 
  1. দেহকোষে
  2. প্রাককেন্দ্রিক কোষে
  3. জননকোষে
  4. আদিকোষে
সঠিক উত্তর:
জননকোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জননকোষে
ব্যাখ্যা
জীবকোষ: 
- জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক। 
- কোনো কোনো বিজ্ঞানী জীবকোষকে জীবদেহের গঠন ও জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 
- লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য (selectively permeable) পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য। 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। 
যথা- 
(a) আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell): 
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না, এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়। 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। 
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। 
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়। 

(b) প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell): 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। 
- এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। 
- কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের। 
যথা- 
১। দেহকোষ (Somatic cell): 
- বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। 
- মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। 

২। জননকোষ (Gametic cell): 
- যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
- মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। 
- অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। 
- পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
Mangifera indica কোন উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম? 
  1. কলা
  2. আম
  3. পেঁপে
  4. কাঁঠাল
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
• সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
• ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
• মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।
.
মনেরা রাজ্যের জীবদের কোষ বিভাজন কোন প্রক্রিয়ায় হয়? 
  1. ক্লোনিং
  2. মাইটোসিস
  3. মিয়োসিস
  4. দ্বিবিভাজন
সঠিক উত্তর:
দ্বিবিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিবিভাজন
ব্যাখ্যা
রাজ্য ১: মনেরা (Monera): 
এই মনেরা রাজ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো- 
- এরা এককোষী, ফিলামেন্টাস (একটির পর একটি কোষ লম্বালম্বিভাবে যুক্ত হয়ে ফিলামেন্ট গঠন করে), কলোনিয়াল। 
- কোষে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নেই। 
- এদের কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা ইত্যাদি নেই, কিন্তু রাইবোজোম আছে। 
- কোষ বিভাজন দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। 
- প্রধানত শোষণ পদ্ধতিতে খাদ্যগ্রহণ করে। তবে কেউ কেউ ফটোসিনথেসিস বা সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে। 
উদাহরণ: নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।
.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যুর কাজ নয়? 
  1. কোষ বিভাজন
  2. খাদ্য পরিবহন
  3. দেহ গঠন
  4. দৃঢ়তা প্রদান
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
.
ডারউইনের মৌলিক অবদান ছিল- 
  1. বিবর্তনের তত্ত্ব আবিষ্কার
  2. বিবর্তনের প্রমাণ নাকচ করা
  3. জীব কোষের গঠন ব্যাখ্যা
  4. বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
ব্যাখ্যা
ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব: 
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন। 
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন। 

উল্লেখ্য, 
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন। 
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে। জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন। 
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন ক্লোনিং পদ্ধতিতে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়? 
  1. সেল ক্লোনিং
  2. জীব ক্লোনিং
  3. জিন ক্লোনিং
  4. প্রাকৃতিক ক্লোনিং
সঠিক উত্তর:
জিন ক্লোনিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন ক্লোনিং
ব্যাখ্যা
ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত। 
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 
- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং। যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।