পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বি.সি.এস. প্রিলি সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহের উপর বিশেষ পরীক্ষা - ০৫ টপিক: বাংলাদেেশের ইতিহাস: ১৯৪৭ - মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। দ্রষ্টব্য: ১০ জুন, ২০২২ তারিখ থেকে ৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতির নতুন রুটিন শুরু হবে। ডেইলি কুইজ ও নতুনদের বি.সি.এস. বাটনে একযোগে পরীক্ষা চলবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না-
  1. ক) এএইচএম কামরুজ্জামান
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কখন?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১০ মে
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।
.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র বা সংবিধান চালু ছিল-
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ বছর
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশের পর বিভিন্ন পর্যায় হতে দ্রুত সংবিধান রচনার দাবি উত্থাপিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অনিহার কারণে এই কাজে বিলম্ব হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালে গভর্ণর জেনারেল পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়। 
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ যে সংবিধান প্রণীত ও কার্যকর করা হয়েছিল তা মাত্র ২ বছর ৮ মাসকাল চালু ছিল ।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল ঘােষণা করেন।

উৎস:- ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গঠিত জোট কোনটি?
  1. ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
  2. খ) National Democratic Front
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ডেমোক্রেটিক একশন কমিটি
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রপতি র্নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়।
- যা সম্মিলিত বিরোধী জোট (Combined Opposition party-COP) নামে পরিচিত। 
- এই জোটের শরিক দলগুলো হলো-
১। পাকিস্তান আওয়ামী লীগ
২। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)
৩। মুসলিম লীগ (কাউন্সিল)
৪। নেজাম-ই-ইসলাম
৫। জামায়াতে ইসলামী
- ‘সম্মিলিত বিরোধী জোট’ আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছোট বোন ফাতেমা জিন্নাহ্কে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়ন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।

- National Democratic Front-NDF - ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর্র নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের দ্বারা গঠিত একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট।
- নিউক্লিয়াস - ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতাকামী একটি ছাত্র সংগঠন।

সূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অপারেশন সার্চ লাইট বাস্তবায়নে ঢাকার বাহিরের দায়িত্বে ছিলো -
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
.
ছয় দফার অন্তর্গত 'কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা' কোন দফার বিষয়বস্তু ছিলো?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ষষ্ঠ দফা: প্রতিরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়-
  1. ক) প্রাদেশিক পরিষদে
  2. খ) গণপরিষদে
  3. গ) জাতীয় পরিষদে
  4. ঘ) বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়টি দফা হলো-

১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ৩ মার্চ
  3. গ) ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা - আহমদ রফিক : বাংলাদেশ প্রতিদিন।
.
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ (বাকশাল) গঠন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা বাকশাল গঠন করা হয়।
- এতে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫  জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস:-  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ।
১০.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ২৮৮ টি
  2. খ) ২৯৮ টি
  3. গ) ৩০০ টি
  4. ঘ) ৩১০ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১০ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল ৩০০ টি আসনে।
- ১০টি সংরক্ষিত আসনসহ মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১০ টি।
- এ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩১০টি আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে জয়লাভ করে।
- যার মধ্যে ২৮৮টি আসনের মধ্যে সরাসরি নির্বাচনে জয়লাভ করে।

- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি।
- আসনগুলোর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- নির্বাচনে ১৬৯টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগ ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি। 
১১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” এর সদস্য ছিলেন না-
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) মনিসিংহ
  3. গ) মনোরঞ্জন ধর
  4. ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। 

উৎস:- নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  2. খ) এ কে খন্দকার
  3. গ) কর্নেল এম এ রব
  4. ঘ) কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) কর্নেল এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কর্নেল এম এ রব
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের-
- মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি/সরকার প্রধান/মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এম.মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
১৩.
কোনটি মারী চুক্তির বিষয়বস্তু নয়?
  1. ক) পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা
  3. গ) বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে
  4. ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান দ্বিতীয় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই পশ্চিম পাকিস্তানের মারীতে।
- দ্বিতীয় গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধান প্রণয়ন সম্পর্কে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, যা মারী চুক্তি' নামে খ্যাত।

এ চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল নিম্নরুপ - 
১. পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে। একটি গঠিত হবে ‘পূর্ব বাংলা' নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান’ নামে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে নিয়ে একটি ইউনিট গঠিত হবে এবং এর নাম হবে ‘পশ্চিম পাকিস্তান।
২. প্রদেশ দুটিতে পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হবে।
৩. উভয় প্রদেশে সংখ্যাসাম্য নীতি’ (Principle of Parity) অনুসরণ ও কার্যকর করা হবে।
৪. যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
৫. বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে ।

- মারী চুক্তির ফলে পাকিস্তানের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের সুযােগ সৃষ্টি হয়।
- ছয় দফার তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।

তথসুত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১৪.
‘মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ’ জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৯ সালের ২৯ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কাদার মির্জাকে সরিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।
- নিজের ভবিষ্যৎ ক্ষমতার ভিত্তি সুদৃঢ় ও সুনিশ্চিত করার জন্য তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রধান পদক্ষেপ হলাে “মৌলিক গণতন্ত্র" নামে এক নতুন পদ্ধতি ।
- এ পদ্ধতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০ এপ্রিল ও ১ মে করাচিতে গভর্নরদের সম্মেলনে। সামরিক বিধি জারি করে প্রচলিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহ বাতিল করেন।
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি ‘মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ’ জারি করেন।

- এ অধ্যাদেশবলে তিনি যে স্থানীয় সরকারের পরিকল্পনা করেন তার নামকরণ করা হয় 'Basic Democracy’’ বা ‘মৌলিক গণতন্ত্র।'
- এই কাঠামোর আওতায় স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় পুরো পাকিস্তানে ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রীর বিধান করা হয়। এসব মৌলিক গণতন্ত্রীরা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করতেন।
- মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশে’ ৪ স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন গড়ে তােলার কথা বলা হয়। 

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
নিচের কোন সংগঠন ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন
  2. খ) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ
  4. ঘ) জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন
সঠিক উত্তর:
খ) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্র“প), জাতীয় ছাত্র ফেডারেশনের একাংশ (দোলন গ্র“প), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ঐক্যবদ্ধ হয়ে আইয়ূব বিরোধী ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।
- আওয়ামী লীগের ছয় দফা কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ সংবাদ সম্মেলন করে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। 
- এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করেছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৬.
১৯৬৯ সালের২০ জানুয়ারি ধর্মঘট চলাকালে গুলিতে নিহত হন কে?
  1. ক) ড. শামসুজ্জোহা
  2. খ) ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান
  3. গ) সার্জেন্ট জহু্রুল হক
  4. ঘ) সার্জেন্ট ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা

- ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদের যৌথ প্রচেষ্টায় পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি কুর্মিটোলা সেনানিবাসে আগরতলা মামলার আসামী সার্জেন্ট জহরুল হককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। অপর আসামী সার্জেন্ট ফজলুল হক গুরুতর আহত হন।
- পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি সারা পূর্ব বাংলায় ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। ধর্মঘট চলাকালে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান নিহত হন।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড: সামসুজ্জোহাকে সেনাবাহিনী গুলি করে হত্যা করে। কয়েকজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হন।

তথ্যসূত্র- ইতিহাস ১ম পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
বাংলাদেশে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়-
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
 - বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আতাউর রহমান খান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮ । 

এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯.
নিচের কোনটি যুক্তফ্রন্টের অন্তর্ভূক্ত রাজনৈতিক দল?
  1. ক) নেজামে-ই-ইসলাম
  2. খ) মুসলিম লীগ
  3. গ) কংগ্রেস
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) নেজামে-ই-ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নেজামে-ই-ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি । এগুলো হলো -
১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক প্রজাপার্টি (এ. কে. ফজলুল হক)
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী)
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।