পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান: টপিক: [১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত] ১. ভাষা আন্দোলন ২. যুক্তফ্রন্ট ৩. শাসনতন্ত্র আন্দোলন ৪. শিক্ষা আন্দোলন ৫. উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান ৬. জুলাই গণ অভ্যুত্থান ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
অখণ্ড বাংলার প্রস্তাব প্রথম উত্থাপন করেন কে?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    • অখণ্ড বাংলার উদ্যোগ:
    - ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা শুরু হয়।
    - এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের হাতে শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়।
    - এ প্রেক্ষাপটে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একটি স্বাধীন ও অখণ্ড বাংলার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
    - এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানান বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা শরৎচন্দ্র বসু। ইতিহাসে এটি ‘বসু-সোহরাওয়ার্দী প্রস্তাব’ নামে পরিচিত।

    • ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দী অখণ্ড বাংলাকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠনের প্রস্তাব দেন এবং এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশিম এই রাষ্ট্রের একটি রূপরেখাও প্রণয়ন করেন। পরে শরৎ বসু অখণ্ড বাংলাকে একটি 'সোস্যালিস্ট রিপাবলিক' হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    ভারত বিভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন-
    1. লর্ড কার্জন
    2. লর্ড ডালহৌসী
    3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    4. লর্ড কর্নওয়ালিস
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    ব্যাখ্যা
    • অখণ্ড বাংলা প্রস্তাবের ব্যর্থতা:
    - ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের প্রাক্কালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও এ. কে. ফজলুল হক "অখণ্ড স্বাধীন বাংলা" প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যাতে বাংলা ভারত পাকিস্তানের অংশ না হয়ে হয়ে একটি স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়।

    - প্রথমদিকে এই প্রস্তাবে মুসলিম লীগের কিছু রক্ষণশীল নেতা, এমনকি মহাত্মা গান্ধী ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও মৌন সমর্থন জানান। কিন্তু কংগ্রেসের কট্টর হিন্দু নেতাদের তীব্র বিরোধিতায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে।

    - জওহরলাল নেহরু, বল্লভভাই প্যাটেলসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কোলকাতা ও আসামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ভারত থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় এই প্রস্তাবকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। হিন্দু মহাসভার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীও এর কঠোর বিরোধিতা করেন। ফলে প্রস্তাবটি কংগ্রেসের সমর্থন হারায় এবং পরবর্তীতে মুসলিম লীগও এটি থেকে সরে এসে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।

    - পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনে ১৯৪৭ সালের ৩ জুন লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
    ২০ জুন বাংলার আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন। এর ফলস্বরূপ ভারত স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী বাংলা ও পাঞ্জাব দুইটি প্রদেশে বিভক্ত হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়ে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয় এবং পশ্চিম বাংলা যুক্ত হয় ভারতের সঙ্গে।

    এইভাবে ঐতিহাসিক বাংলার সংযুক্তির স্বপ্ন চিরতরে ভেঙে পড়ে এবং “অখণ্ড স্বাধীন বাংলা” রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    পাকিস্তানে ১৯৫৮ সালে কোন শাসক সামরিক শাসন জারি করেন এবং সংবিধান স্থগিত করেন?
    1. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
    2. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
    3. জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা
    4. লিয়াকত আলী খান
    সঠিক উত্তর:
    জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা
    ব্যাখ্যা
    • ১৯৫৬ সালের সংবিধান:
    - পাকিস্তান গঠনের পর একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রণয়নের দাবি ওঠে, বিশেষ করে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষ থেকে।
    - কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তা উপেক্ষা করে।
    - ১৯৪৯ সালে গঠিত মূলনীতি কমিটিতে পূর্ব বাংলার প্রতিনিধিত্ব ছিল নগণ্য, এবং তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করায় প্রতিবাদ শুরু হয়।
    - দীর্ঘ জটিলতা ও প্রতিবাদের পর ১৯৫৬ সালে একটি সংবিধান প্রণীত হয়, যা দুই বছর কার্যকর ছিল।
    - ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা সংবিধান স্থগিত করেন এবং পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,নবম ও দশম শ্রেণি।
    .
    মুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা কী নামে প্রকাশ করে?
    1. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
    2. বাংলা ভাষা সংরক্ষণ
    3. ভাষার জন্য সংগ্রাম
    4. উর্দু না বাংলা
    সঠিক উত্তর:
    পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
    ব্যাখ্যা
    • ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
    - ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে—এ বিষয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
    - মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা তখন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মত দেন।
    - এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবদুল হক, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকরা প্রতিবাদ করেন।
    - ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ‘তমুদ্দুন মজলিস’ গঠিত হয়।
    - ‘তমুদ্দুন মজলিস’ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
    - এই সংগঠন ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশ করে।
    - পুস্তিকায় রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
    .
    ভারত বিভাগের পটভূমিতে সীমানা নির্ধারণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন—
    1. লর্ড কার্জন
    2. উইনস্টন চার্চিল
    3. মহাত্মা গান্ধী
    4. স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
    সঠিক উত্তর:
    স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
    ব্যাখ্যা
    • ভারত বিভাগের পটভূমি ও স্বাধীনতা (১৯৪৭)
    - ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ঘোষণা করেন, ১৯৪৮ সালের জুনের মধ্যে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবে। এ দায়িত্ব পালনের জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের শেষ ভাইসরয় করে পাঠানো হয়।

    - তিনি কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সঙ্গে আলোচনা করে ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেন। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঠেকাতে নেতারা দেশ বিভাগের পক্ষে সম্মত হন। ৩ জুন ১৯৪৭ মাউন্টব্যাটেন বিভাজন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। পাকিস্তান গঠনের সিদ্ধান্তে মুসলিম লীগ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

    - ১৫ জুলাই লন্ডনের কমন্স সভায় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সীমানা নির্ধারণের জন্য র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়। তিনি ৯ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেন, তবে তা তখনই প্রকাশ করা হয়নি।

    - ১৮ জুলাই ১৯৪৭ "ভারত স্বাধীনতা আইন" পাস হয়, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। এরপর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
    1. ১০ দফা
    2. ৩০ দফা
    3. ৩৫ দফা
    4. ২১ দফা
    সঠিক উত্তর:
    ২১ দফা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২১ দফা
    ব্যাখ্যা
    • যুক্তফ্রন্ট গঠনের পটভূমি ও ২১ দফা কর্মসূচি:
    - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণের অসন্তোষ ও মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে।
    - ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
    - মওলানা ভাসানীর আওয়ামী মুসলিম লীগ, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি, মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি, হাজী দানেশের গণতন্ত্রী দল এবং খিলাফত-ই-রাব্বানি মিলেই যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
    - ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া যুক্তফ্রন্ট তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা আওয়ামী মুসলিম লীগের ৪২ দফার ভিত্তিতে প্রণীত।
    - এর মূল রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
    - এই কর্মসূচিতে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি, কৃষক-শ্রমিকের অধিকার, দুর্নীতি দমন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নসহ জনগণের মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
    - এই ২১ দফা কর্মসূচিই জনগণের বিপুল সমর্থন এনে দেয় এবং মুসলিম লীগের বিপরীতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    নিচের কোন নেতার নেতৃত্বে কংগ্রেস অখণ্ড বাংলা প্রস্তাবের বিরোধিতা করে?
    1. মহাত্মা গান্ধী
    2. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
    3. জওহরলাল নেহরু ও বল্লভ ভাই প্যাটেল
    4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    সঠিক উত্তর:
    জওহরলাল নেহরু ও বল্লভ ভাই প্যাটেল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জওহরলাল নেহরু ও বল্লভ ভাই প্যাটেল
    ব্যাখ্যা
    • অখণ্ড বাংলা প্রস্তাবের ব্যর্থতা:
    - ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের প্রাক্কালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও এ. কে. ফজলুল হক "অখণ্ড স্বাধীন বাংলা" প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যাতে বাংলা ভারত পাকিস্তানের অংশ না হয়ে হয়ে একটি স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়।

    - প্রথমদিকে এই প্রস্তাবে মুসলিম লীগের কিছু রক্ষণশীল নেতা, এমনকি মহাত্মা গান্ধী ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও মৌন সমর্থন জানান। কিন্তু কংগ্রেসের কট্টর হিন্দু নেতাদের তীব্র বিরোধিতায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে।

    - জওহরলাল নেহরু, বল্লভভাই প্যাটেলসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কোলকাতা ও আসামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ভারত থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় এই প্রস্তাবকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। হিন্দু মহাসভার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীও এর কঠোর বিরোধিতা করেন। ফলে প্রস্তাবটি কংগ্রেসের সমর্থন হারায় এবং পরবর্তীতে মুসলিম লীগও এটি থেকে সরে এসে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।

    - পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনে ১৯৪৭ সালের ৩ জুন লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
    ২০ জুন বাংলার আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন। এর ফলস্বরূপ ভারত স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী বাংলা ও পাঞ্জাব দুইটি প্রদেশে বিভক্ত হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়ে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয় এবং পশ্চিম বাংলা যুক্ত হয় ভারতের সঙ্গে।

    এইভাবে ঐতিহাসিক বাংলার সংযুক্তির স্বপ্ন চিরতরে ভেঙে পড়ে এবং “অখণ্ড স্বাধীন বাংলা” রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চের ধর্মঘটে অংশগ্রহণের সময় কোন স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়?
    1. আমরা করবো জয়
    2. জয় বাংলা
    3. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
    4. বাংলা আমাদের ভাষা
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
    ব্যাখ্যা
    • ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা প্রবাহ:
    - ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দু ভাষায় কার্যক্রম শুরু হলে, পূর্ব বাংলা কংগ্রেসের কুমিল্লার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রতিবাদ জানান এবং বাংলাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যরা ঐ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

    - এর প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্রসমাজ ব্যাপকভাবে আন্দোলনে জড়ায় এবং ২৬ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট পালন করা হয়।
    এরপর ২ মার্চ ১৯৪৮ সালে শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে আবারও 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

    - রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

    - আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা।
    - ধর্মঘটের পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হন। শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩-১৫ই মার্চ আবার ধর্মঘট পালিত হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    .
    ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়—
    1. ১৮ জুলাই ১৯৪৭
    2. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭
    3. ১৫ আগস্ট ১৯৪৭
    4. ৩ জুন ১৯৪৭
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ জুলাই ১৯৪৭
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ জুলাই ১৯৪৭
    ব্যাখ্যা
    • ভারত বিভাগের পটভূমি ও স্বাধীনতা (১৯৪৭):
    - ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ঘোষণা করেন, ১৯৪৮ সালের জুনের মধ্যে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবে। এ দায়িত্ব পালনের জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের শেষ ভাইসরয় করে পাঠানো হয়।

    - তিনি কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সঙ্গে আলোচনা করে ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেন। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঠেকাতে নেতারা দেশ বিভাগের পক্ষে সম্মত হন। ৩ জুন ১৯৪৭ মাউন্টব্যাটেন বিভাজন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। পাকিস্তান গঠনের সিদ্ধান্তে মুসলিম লীগ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

    - ১৫ জুলাই লন্ডনের কমন্স সভায় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সীমানা নির্ধারণের জন্য র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়। তিনি ৯ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেন, তবে তা তখনই প্রকাশ করা হয়নি।

    - ১৮ জুলাই ১৯৪৭ "ভারত স্বাধীনতা আইন" পাস হয়, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
    - এরপর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    ১০.
    "Mother Language Lovers of the World" সংগঠনটি কোথায় গঠিত হয়েছিল?
    1. নিউইয়র্ক
    2. ভ্যাঙ্কুভার
    3. লন্ডন
    4. ঢাকা
    সঠিক উত্তর:
    ভ্যাঙ্কুভার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভ্যাঙ্কুভার
    ব্যাখ্যা
    • শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব:
    - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর থেকে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এদিন ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রভাতফেরি ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।

    - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির জন্য ১৯৯৮ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে "Mother Language Lovers of the World" নামের একটি ভাষাপ্রেমী সংগঠন জাতিসংঘে আবেদন করে। তারা জাতিসংঘের ২৭ ধারার আলোকে ভাষা ব্যবহারের অধিকার রক্ষার কথা তুলে ধরে। ১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান-এর কাছে একটি আবেদনপত্র পেশ করে।

    - আবেদনপত্রে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, বহু জাতিগোষ্ঠী মাতৃভাষা ভুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক সনদের লঙ্ঘন। এই দিবস ঘোষণার মাধ্যমে পৃথিবীর প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীকে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উৎসাহিত করা হবে।

    - ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিনটি ভাষার অধিকারের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    ১১.
    ১৯৪৭ সালে শরৎচন্দ্র বসু কোন ধরনের রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন?
    1. রাজতন্ত্র
    2. ইসলামিক স্টেট
    3. ফেডারেল ইউনিয়ন
    4. সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
    সঠিক উত্তর:
    সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
    ব্যাখ্যা
    • অখণ্ড বাংলার উদ্যোগ:
    - ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা শুরু হয়।
    - এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের হাতে শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়।
    - এ প্রেক্ষাপটে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একটি স্বাধীন ও অখণ্ড বাংলার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
    - এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানান বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা শরৎচন্দ্র বসু। ইতিহাসে এটি ‘বসু-সোহরাওয়ার্দী প্রস্তাব’ নামে পরিচিত।

    • ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দী অখণ্ড বাংলাকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠনের প্রস্তাব দেন এবং এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশিম এই রাষ্ট্রের একটি রূপরেখাও প্রণয়ন করেন। পরে শরৎ বসু অখণ্ড বাংলাকে একটি 'সোস্যালিস্ট রিপাবলিক' হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    ১২.
    লং মার্চ টু ঢাকা কত তারিখে পালিত হয়-
    1. ৫ আগষ্ট ২০২৪
    2. ৩ জুলাই ২০২৪
    3. ২ আগষ্ট ২০২৪
    4. ৫ জুলাই ২০২৪
    সঠিক উত্তর:
    ৫ আগষ্ট ২০২৪
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ আগষ্ট ২০২৪
    ব্যাখ্যা
    • রাজধানী ঢাকাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচীর একটি ’লং মার্চ টু ঢাকা’ ।
    - বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে এনে আজ ৫ আগস্ট করার ঘোষণা দেয়।
    - তখনকার সময় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় এ কর্মসূচী দেন।

    উল্লেখ্য,
    • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
    - ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
    - তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
    - কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
    - হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
    - আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।

    উৎস: প্রথম আলো ৪ মার্চ ২০১৮, ইনকিলাব লিংক।
    ১৩.
    ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে বাংলাকে অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব কে দেন?
    1. অলি আহাদ
    2. কাজী গোলাম মাহবুব
    3. আলী আজম চৌধুরি
    4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    সঠিক উত্তর:
    ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    ব্যাখ্যা
    • ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা প্রবাহ:
    - ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দু ভাষায় কার্যক্রম শুরু হলে, পূর্ব বাংলা কংগ্রেসের কুমিল্লার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রতিবাদ জানান এবং বাংলাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যরা ঐ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

    - এর প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্রসমাজ ব্যাপকভাবে আন্দোলনে জড়ায় এবং ২৬ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট পালন করা হয়।
    এরপর ২ মার্চ ১৯৪৮ সালে শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে আবারও 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

    - রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

    - আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা।
    - ধর্মঘটের পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হন। শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩-১৫ই মার্চ আবার ধর্মঘট পালিত হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    ১৪.
    ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলায় ভোটারদের ভোটদানের হার ছিল—
    1. ৩৬.১৯ ভাগ
    2. ৩৭.৩৯ ভাগ
    3. ৩৮.১৯ ভাগ
    4. ৩৭.১৯ ভাগ
    সঠিক উত্তর:
    ৩৭.১৯ ভাগ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৭.১৯ ভাগ
    ব্যাখ্যা
    • ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল :
    - ১৯৫৪ সালের ৮ই মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথমবারের মতো অবাধ ও সর্বজনীন নির্বাচনে শতকরা ৩৭.১৯ ভাগ ভোটার ভোট প্রদান করে।
    - ২রা এপ্রিল ঘোষিত ফলাফলে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে, আর শাসক দল মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন পায়।
    - এ ফলাফল বাঙালির মধ্যে মুসলিম লীগ ও অবাঙালি নেতৃত্বের প্রতি গভীর অনাস্থা প্রকাশ করে এবং স্বায়ত্তশাসনের প্রতি বাঙালি জাতির সমর্থনকে দৃঢ় করে তোলে।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
    ১৫.
    মৌলিক গণতন্ত্র কয় স্তরবিশিষ্ট ছিলো?
    1. তিন
    2. দুই
    3. চার
    4. পাঁচ
    সঠিক উত্তর:
    চার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চার
    ব্যাখ্যা
    • আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র:
    - জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতাকুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোরআমুল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন।
    - তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
    - তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।
    - মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র,
    - যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
    - ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
    - প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।