পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়40 minutes৩৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলা সাহিত্য - প্রাচীন ও মধ্য যুগ, পত্রিকা ও সাময়িকী পার্ট-২) পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদ্পিণ্ড এবং হৃদরোগ, স্নায়ু এবং স্নায়ুরোগ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ 'চর্যাপদ'- এর রচনা কাল-
  1. ক) সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী
  2. খ) অষ্টম থেকে চর্তুদশ শতাব্দী
  3. গ) নবম থেকে চর্তুদশ শতাব্দী
  4. ঘ) দশম থেকে চর্তুদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
ধারণা করা হয় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে চর্যাপদ রচিত হয়েছিল।

​চর্যাপদের রচনা কাল:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে, ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে রচিত।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে এবং।
- ড. সুকুমার সেনের মতেও, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে চর্যাপদ রচিত। সুকুমার সেন সহ বাংলা সাহিত্যের প্রায় অধিকাংশ পণ্ডিতই সুনীতিকুমারের মতকে সমর্থন করেন।

​উৎস: বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা (১ম খণ্ড), গোপাল হালদার; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
.
'বেগম' পত্রিকার দ্বিতীয় সম্পাদিকা কে ছিলেন?
  1. ক) সুফিয়া কামাল
  2. খ) নূরজাহান বেগম
  3. গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
  4. ঘ) ফ্লোরা নাসরিন খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে নারীদের প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা বেগম। পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তৎকালীন সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদিকা ছিলেন সুফিয়া কামাল। পরে পত্রিকাটির সম্পাদনার শুরু করেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের কন্যা নূরজাহান বেগম। নূরজাহান বেগমের মৃত্যুর পর বর্তমানে এর দায়িত্বে আছে নূরজাহান বেগমের জ্যেষ্ঠ কন্যা ফ্লোরা নাসরিন খান। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
'অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস' কোন পত্রিকার স্লোগান ছিল?
  1. ক) ক্রান্তি
  2. খ) কবিতা
  3. গ) সমকাল
  4. ঘ) স্বদেশ
ব্যাখ্যা
সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় ১৯৫৭ সালে সমকাল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির স্লোগান ছিল - 'অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস'। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
ভারত ভাগের পর স্বাধীন পূর্ব বাংলার প্রথম বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ছিল-
  1. ক) লোকায়ত
  2. খ) প্রগতি
  3. গ) ক্রান্তি
  4. ঘ) নয়া সড়ক
ব্যাখ্যা
ভারত ভাগের পর স্বাধীন পূর্ব বাংলার প্রথম বাংলা সাহিত্য পত্রিকা ছিল-- নয়া সড়ক। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ইংরেজি দৈনিক কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Report
  2. খ) Bangladesh Observer
  3. গ) The Daily Star
  4. ঘ) The New Nation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ইংরেজি দৈনিক Bangladesh Observer। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
'সোনাভান' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) শেখ ফয়জুল্লাহ
  2. খ) সৈয়দ হামজা
  3. গ) ফকির গরীবুল্লাহ
  4. ঘ) দাশরথি রায়
ব্যাখ্যা
পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি, প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- আমির হামজা, ইউসুফ জুলেখা, সোনাভান, সত্যপীরের পুঁথি। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
আধুনিক যুগের কোন কবি মর্সিয়া সাহিত্য রচনা করেন?
  1. ক) মীর মশাররফ হোসেন
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) কায়কোবাদ
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
আধুনিক যুগের মীর মশাররফ হোসেন ও কায়কোবাদ মর্সিয়া সাহিত্য রচনা করেন। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
খনার বচনের প্রাধান্য পেয়েছে-
  1. ক) জ্যোতিষ ক্ষেত্র তত্ত্ব
  2. খ) মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা
  3. গ) কৃষি ও আবহাওয়ার কথা
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে কৃষি ও আবহাওয়ার কথা। আর ডাকের বচনে প্রাধান্য পেয়েছে জ্যোতিষ ক্ষেত্রতত্ত্ব ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
.
ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি নয়-
  1. ক) রূপরাম চক্রবর্তী
  2. খ) ঘনরাম চক্রবর্তী
  3. গ) খেলারাম চক্রবর্তী
  4. ঘ) বলরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
ধর্মমঙ্গলের আদি কবি ময়ূরভট্ট। ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম শ্রীধর্মমঙ্গল। রূপরাম চক্রবর্তী ও খেলারাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি। বলরাম চক্রবর্তী কালিকামঙ্গল কাব্যের কবি। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১০.
'অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ, কোন গুণ নাই তার কপালে আগুন'। পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) চন্ডীদাস
  2. খ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. গ) গোবিন্দ দাস
  4. ঘ) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা
অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ, কোন গুণ নাই তার কপালে আগুন'- পঙক্তিটির রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১১.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ভনিতা কয়টি?
  1. ক) ৪০৩ টি
  2. খ) ৪১৮ টি
  3. গ) ৩০৪ টি
  4. ঘ) ৩১৮ টি
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ১৯০৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় কর্তৃক আবিষ্কৃত হয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় এটি প্রকাশিত হয়। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চন্ডীদাস। এতে ১৩টি খন্ড রয়েছে। রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই প্রধান তিনটি চরিত্র। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ৪০৩ টি ভনিতা রয়েছে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১২.
ব্রাহ্মী লিপি থেকে কয়টি শাখা সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ব্রাহ্মী লিপি থেকে তিনটি শাখা সৃষ্টি হয়। যথা- সারদা, নাগর ও কুটিল। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১৩.
চর্যাপদের ৪৮ নং পদের রচয়িতা কে?
  1. ক) কুক্কুরীপা
  2. খ) তন্ত্রীপা
  3. গ) কাহ্নপা
  4. ঘ) ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা
চর্যাপদের ২৩ আংশিক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ পাওয়া যায় নি। ২৩ নং পদের রচয়িতা ভুসুকুপা। ২৪ নং পদের রচয়িতা কাহ্নপা। ২৫ নং পদের রচয়িতা তন্ত্রীপা এবং ৪৮ নং পদের রচয়িতা কুক্কুরীপা। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১৪.
খনার বচন এর মূলভাব কি?
  1. ক) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
  2. খ) সামাজিক মঙ্গলবােধ
  3. গ) রাষ্ট্রপরিচালনার নীতি
  4. ঘ) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত
ব্যাখ্যা

খনার বচনঃ
খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি। বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

- ডাকের বচন ‘ডাকের কথা’ বা ‘ডাক পুরুষের কথা’ নামেও পরিচিত। ডাক তাঁর বচনকে ‘ডাকর কথা’ বলেছেন, চাকমা ভাষায় যা ‘দাগর কধা’ নামে পরিচিত।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- বৌদ্ধ সমাজে যেমন ডাকের বচনের উৎপত্তি হয়েছিল তেমনি হিন্দু সমাজে খনার বচনের সৃষ্টি হয়েছিল। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।

- বচন লোকসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় শাখা। এর স্বতন্ত্র একটা প্রকৃতি, কাব্যরস ও গীতিধর্মিতা আছে। ডাক ও খনার বচনে মাঝে মাঝে ভণিতা আছে, যা লোকসাহিত্যের অন্য শাখায় সচরাচর লক্ষ করা যায় না।
- বচনে প্রাত্যহিক জীবনের মূল্যবান নীতিমালা ও নির্দেশনা পাওয়া যায়। খনার বচনের বর্তমান ভাষা তার মূল ভাষা নয়, তবে লীলাবতী আর্যার ভাষা অনেকটা মূল ভাষার কাছাকাছি।
- বাংলা ও অন্যান্য ভাষার তুলনীয় বচন-প্রবচন বিশ্লেষণ করে একটি নব ভাষাতাত্ত্বিক দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় খনার বচনের অনুপ্রবেশের প্রধান কারণ কৃষিবিজ্ঞান। কৃষিপ্রধান বঙ্গদেশে ডাকের কথা ও খনার বচন প্রাচীন বাংলা ও আসামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বুনিয়াদ রচনা করেছিল।

- ডাকের কথায় নীতিকথা বেশি।
অন্যদিকে,
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যাতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
পৃথিবীর প্রথম দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয় ____ থেকে।
  1. ক) জার্মান
  2. খ) ইংল্যান্ড
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) গ্রীস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম দৈনিক পত্রিকা ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত হয়। উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।
১৬.
প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) লাইসোজোম
  3. গ) ক্রোমোজোম
  4. ঘ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
কোনটি ডারউইনের ক্ষেত্রে মিথ্যা?
  1. ক) ডারউইন একজন প্রকৃতিবিদ ছিলেন
  2. খ) তিনি 'অরিজিন অব স্পিসিস' নামে বই লিখেন
  3. গ) ডারউইন একজন সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ছিলেন
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই সত্য
ব্যাখ্যা
ইংলিশ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন। ১৮৫৯ সালে তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ 'অরিজিন অব স্পিসিস' এ প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
ভাইরাস একটি-
  1. ক) এককোষীয় জীব
  2. খ) বহুকোষীয় জীব
  3. গ) অকোষীয় জীব
  4. ঘ) আণুবীক্ষণিক
ব্যাখ্যা
ভাইরাস অর্থ বিষ। ভাইরাস হলো এক প্রকার অতি আণুবীক্ষণিক ও অকোষীয় জীব জীব। যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের ভিতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
রাইজোবিয়াম কি?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) পরজীবী
  4. ঘ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
রাইজোবিয়াম একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া। শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে এক ধরনের গুটলি দেখা যায়, যার ভিতর রাইজোবিয়াম জাতীয় ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা বাতাসের নাইট্রোজেনকে নাইট্রেট সারে রূপান্তরিত করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. ক) বংশগতিবিদ্যা
  2. খ) শারীরবিদ্যা
  3. গ) ভ্রূণবিদ্যা
  4. ঘ) অঙ্গসংস্থান
ব্যাখ্যা
জীবদেহের নানা অঙ্গ-প্রতঙ্গের জৈব-রাসায়নিক কার্যাদি যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি জীববিজ্ঞানের শরীরবিদ্যায় আলোচিত আলোচিত হয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে জীবজগৎকে কয়টি ভাগে ভাগ করেন?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে জীবজগৎকে ২টি ভাগে ভাগ করেন। ১. উদ্ভিদ জগৎ এবং ২. প্রাণী জগৎ। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
'Copsychus saularis' কোন প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম?
  1. ক) দোয়েল
  2. খ) মৌমাছি
  3. গ) আরশোলা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
'Copsychus saularis' জাতীয় পাখি দোয়েলের বৈজ্ঞানিক নাম। Apis indica- মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম। Periplaneta americana - আরশোলার বৈজ্ঞানিক নাম। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
দ্বিপদ নামকরণের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) নামকরণ হবে ল্যাটিন ভাষায়
  2. খ) বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে
  3. গ) একই নাম দুটি পৃথক জীবের জন্য ব্যবহার করা যাবে
  4. ঘ) প্রথম অংশে গণ এবং দ্বিতীয় অংশে প্রজাতির নাম হবে
ব্যাখ্যা
দ্বিপদ নামকরণের ক্ষেত্রে, নামকরণ হবে ল্যাটিন ভাষায়, বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে, একই নাম দুটি পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি নেই, প্রথম অংশে গণ এবং দ্বিতীয় অংশে প্রজাতির নাম হবে, বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় সর্বদা ইটালিক অক্ষরে লিখতে হবে, হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতিক নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে ইত্যাদি। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
সরল টিস্যু কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. প্যারেনকাইমা, ২. কোলেনকাইমা ও ৩. স্ক্লেরেনকাইমা। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
কোনটি রক্তের উপাদান নয়?
  1. ক) রক্তরস
  2. খ) রক্তকণিকা
  3. গ) প্লাজমা
  4. ঘ) অনুচক্রিকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সবগুলোই রক্তের উপাদান। মূলত রক্তের উপাদান দুটি। যথা- ১. রক্তরস বা প্লাজমা ও ২. রক্তকণিকা। রক্তকণিকা ৩ ধরনের। যথা- ১. লোহিত রক্তকণিকা, ২. শ্বেত রক্তকণিকা ও ৩. অনুচক্রিকা। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
নিচের কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে?
  1. ক) ভিটামিন-কে
  2. খ) ভিটামিন-এ
  3. গ) ভিটামিন-ই
  4. ঘ) ক্যাপসিসিন
ব্যাখ্যা
ক্যাপসিসিন গন্ধহীন এক ধরনের অ্যালকালয়েড। যে মরিচে যত বেশি ক্যাপসিসিন থাকে সে মরিস তত বেশি ঝাল হয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭.
মৌমাছির মধু ঋতু কোনটি?
  1. ক) গ্রীষ্মকাল
  2. খ) শরৎকাল
  3. গ) হেমন্তকাল
  4. ঘ) বসন্তকাল
ব্যাখ্যা
মৌমাছি উপকারী পতঙ্গের মধ্যে অন্যতম। প্রতি তাকে একটি রানী, কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি এবং অসংখ্য কর্মী মৌমাছি থাকে। মৌমাছি মূলত বসন্তকালের ফুল হতে মধু আহরণ করে। তাই মৌমাছির মধু ঋতু বলা হয় বসন্তকালকে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
রক্ত জমাট বাধায় অংশ নেয় কোনটি?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
রক্তকণিকা ৩ ধরনের। যথা- ১. লোহিত রক্তকণিকা, ২. শ্বেত রক্তকণিকা ও ৩. অনুচক্রিকা। শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়, মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
পেশি টিস্যু কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
অবস্থান, গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে পেশি টিস্যু তিন ধরনের। যথা- ১. ঐচ্ছিক পেশি, ২. অনৈচ্ছিক পেশি এবং ৩. হৃদপেশি। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০.
কোনটি কে 'Biological Coin' বলা হয়?
  1. ক) GTP
  2. খ) NADP
  3. গ) ATP
  4. ঘ) FTP
ব্যাখ্যা
আমরা যে খাবার খাই তা জারিত হয়, সেই জারণ থেকে নির্গত শক্তি দ্বারা ফসফোরাইলেশনের মাধ্যমে আবার সেই ভাঙা দুই টুকরা জোড়া লেগে ATP তৈরি হয়। শক্তির প্রয়ােজন হলে তা আবার ভাঙে। তারপর খাদ্য থেকে শক্তি নিয়ে আবার জোড়া লাগে। এ যেন এক রিচার্জেবল ব্যাটারি। ATP শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়ােজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে। এজন্য ATP-কে অনেক সময় 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা’ (Biological coin or energy coin) বলা হয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান কয়টি?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ১২
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে, আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন -
১। ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং
২। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান।

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান (macro-nutrient বা macro-element): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। ম্যাক্রো উপাদান 9 টি, যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (০), সালফার (S)।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান (micro-nutrient বা micro-element): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট 7 টি, যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), ক্লোরিন (Cl) এবং লৌহ (Fe)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২.
একজন সুস্থ সবল পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে কত গ্রাম চর্বির প্রয়োজন?
  1. ক) ৩০-৫০ গ্রাম
  2. খ) ৪০-৫০ গ্রাম
  3. গ) ৫০-৬০ গ্রাম
  4. ঘ) ৪০-৬০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
একজন সুস্থ সবল পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫০-৬০ গ্রাম চর্বির প্রয়োজন। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩.
হাড় যেমন মানবদেহের কাঠামো তৈরি করে _____ তেমনি উদ্ভিদের কাঠামো তৈরি করে।
  1. ক) সেলুলোজ
  2. খ) খনিজ
  3. গ) রাফেজ
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
হাড় যেমন মানবদেহের কাঠামো তৈরি করে সেলুলোজ ও রাফেজ তেমনি উদ্ভিদের কাঠামো তৈরি করে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪.
মানুষের কয়টি লালাগ্রন্থির আছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৬
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
মানুষের তিন জোড়া লালাগ্রন্থি আছে। দুই কানের সামনে ও নিচে এক জোড়া প্যারোটিড গ্রন্থি। চোয়ালের নিচে একজোড়া সাব ম্যাক্সিলারি গ্রন্থি এবং চিবুকের নিচে একজোড়া সাব-লিঙ্গুয়াল গ্রন্থি। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।