পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৩: জীব বিজ্ঞানের বিকাশ, কোষ, জীব তত্ত্ব ও অণুজীব বিদ্যা, উদ্ভিদ বৈচিত্র্য। (Live Interactive Class –25 & 26)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) বিরুৎজাতীয় উদ্ভিদ আকারে ছোট হয়
  2. খ) এদের কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা নরম হয়
  3. গ) এদের শেকড় মাটির তেমন গভীরে যায় না
  4. ঘ) উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
যে সব উদ্ভিদ আকারে ছোট এবং যাদের কাণ্ড নরম হয় তাদেরকে বিরুৎজাতীয় উদ্ভিদ বলে। যেমন – ধান, সরিষা, মরিচ, লাউ, কুমড়া, পুঁই শাক ঘাস, কচু ইত্যাদি।
বিরুৎজাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সমূহ:
বিরুৎজাতীয় উদ্ভিদ আকারে ছোট হয়।
এদের কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা নরম হয়।
এদের শেকড় মাটির তেমন গভীরে যায় না।
উদাহরণ: মরিচ গাছ, লাউ গাছ, ধান, সরিষা ইত্যাদি

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
কোনটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. ক) গোলাপ 
  2. খ) কাঁঠাল
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
যেসব উদ্ভিদের কান্ড শক্ত কিন্তু গুঁড়িহীন অর্থাৎ ক্ষুদ্র কান্ড বিশিষ্ট এবং মাটির সামান্য উপরে ঝোপের মতো শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি করে, সেসব উদ্ভিদকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে। যেমন – জবা, রঙ্গন, গোলাপ, বেলি, জুঁই,কাগজি লেবু, গন্ধরাজ ইত্যাদি

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
কোনটি শৈবালের উদাহরণ?
  1. ক) মিউকর
  2. খ) আগারিকাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা 
  4. ঘ) ইস্ট
ব্যাখ্যা
শৈবাল জলজ সুকেন্দ্রিক এককোষী বা বহুকোষী জীব, যারা সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত নয়। স্পাইরোগাইরা (সূত্রাকার শৈবাল) , ভলভক্স (উপনিবেশ গঠনকারী শৈবাল)।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) কান্ড শক্ত
  2. খ) গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়
  3. গ) উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো দেখায়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
যেসব উদ্ভিদের কান্ড শক্ত কিন্তু গুঁড়িহীন অর্থাৎ ক্ষুদ্র কান্ড বিশিষ্ট এবং মাটির সামান্য উপরে ঝোপের মতো শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি করে, সেসব উদ্ভিদকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে। যেমন – জবা, রঙ্গন, গোলাপ, বেলি, জুঁই,কাগজি লেবু, গন্ধরাজ ইত্যাদি।
গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
এ জাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত মাঝারি আকারে হয়ে থাকে।
এদের কান্ড শক্ত।
এদের শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না।
এদের গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়।
এ উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো দেখায়।
কিছু কিছু গুল্ম উদ্ভিদ ফুল ও ফল প্রদান করে।
এগুলো অত্যন্ত সহিষ্ণু এবং এরা প্রায় সব ধরণের মাটিতে জন্মায়। উদাহরণ: জবা, রঙ্গন, গোলাপ, লেবু ইত্যাদি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
বীজপত্রের সংখ্যা অনুসারে গুপ্তবীজী উদ্ভিদ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই 
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
বীজপত্রের সংখ্যা অনুসারে গুপ্তবীজী উদ্ভিদ দুধরণের হয়ে থাকে।
যথা —
একবীজপত্রী উদ্ভিদ, দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।
যেসব উদ্ভিদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে , তাদেরকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — ধান , ভুট্টা , গম , তাল , সুপারি , নারকেল ইত্যাদি একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে কোনটিতে?
  1. ক) ইস্ট
  2. খ) শৈবাল
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) রিকসিয়া 
ব্যাখ্যা
মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে মস বর্গীয় উদ্ভিদে।
এসব উদ্ভিদের দেহে কাণ্ড, পাতা ও মূল থাকে না । মূলের পরিবর্তে এদের রাইজয়েড থাকে । এদের দেহে ক্লোরােফিল থাকায় এরা স্বভােজী । সংবহন কলাতন্ত্র অনুপস্থিত এবং জননাঙ্গ বহু কোশযুক্ত হয় ।
যেমন – পােগােনেটাম, রিকসিয়া, মারক্যানসিয়া  , পলিট্রিকাম ইত্যাদি কয়েকটি সাধারণ মস ।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) তাল
  4. ঘ) আম 
ব্যাখ্যা
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
কোনটি মিথোজীবী?
  1. ক) স্বর্ণলতা
  2. খ) র‍্যাফ্লেসিয়া 
  3. গ) লাইকেন 
  4. ঘ) কলশপত্রী
ব্যাখ্যা
যেসব উদ্ভিদ পুষ্টির জন্য অপর কোনাে জীবের সাহচর্যে জীবন ধারণ করে , তাদের মিথোজীবী উদ্ভিদ বলা হয় । যেমন –  লাইকেন , রাইজোবিয়াম ইত্যাদি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
.
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট কোনটি?
  1. ক) দুইটি বীজপত্র থাকে
  2. খ) প্রধান মূল থাকে
  3. গ) পাতার শিরাবিন্যাস জালিকাকার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। উপরের সবগুলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১০.
ছোট দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) চন্দ্রমল্লিকা
  2. খ) ঝিঙ্গা
  3. গ) লেটুস
  4. ঘ) সূর্যমূখী
ব্যাখ্যা
দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হলে ছোট দিনের উদ্ভিদে ফুল ফোটে। যেমন: আলু, ইক্ষু, কসমস, শিম, ডালিয়া, তামাক, চন্দ্রমল্লিকা, রোপা আমন, পাট। এদের বড় রাতের উদ্ভিদও বলা হয়।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১১.
বড়দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) আলু
  2. খ) ইক্ষু
  3. গ) শিম
  4. ঘ) লেটুস 
ব্যাখ্যা
: দিনের দৈর্ঘ্য বড় হলে এ জাতীয় ফুল ফোটে। যেমন- ঝিঙ্গা, লেটুস, আফিম, যব প্রভৃতি । এদের ছোট রাত্রির উদ্ভিদও বলা হয়।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১২.
বায়ু পরাগায়ণ ঘটে কোনটিতে?
  1. ক) সূর্যমুখী
  2. খ) ধান 
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা
যে সকল ফুলের পরাগায়ণ বাতাসের মাধ্যমে হয়ে থাকে তাদেরকে বায়ু পরাগায়ণ বলে। যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু, ইত্যাদি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১৩.
পানি পরাগায়ণ ঘটে কোন উদ্ভিদে?
  1. ক) সূর্যমুখী
  2. খ) ধান
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) পাতা শ্যাওলা 
ব্যাখ্যা
যে সকল ফুলের পরাগায়ণ পানির মাধ্যমে হয়ে থাকে তাকে পানি পরাগায়ণ বলে। যেমন: পাতা শ্যাওলা, কাঁটা শ্যাওলা প্রভৃতি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম