পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭: Full Model Test - 2
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮১ প্রশ্ন

.
"অগ্ন্যুৎপাত" - শব্দটি কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ
  2. অব্যয়ীভাব
  3. কর্মধারয়
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।  ঊন, হীন, শূন্য প্রভৃতি শব্দ উত্তরপদ হলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।

যথা:
- এক দ্বারা ঊন = একোন,
- পাঁচ দ্বারা কম = পাঁচকম,
- অগ্নি দ্বারা উৎপাত = অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ - 
  1. উৎপল
  2. দ্রুম
  3. পাদপ
  4. কুঞ্জ
ব্যাখ্যা

'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ: 
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

অন্যদিকে,
'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
 
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
তালব্য ব্যঞ্জন আছে নিচের কোন শব্দে?
  1. হাতি 
  2. ধান 
  3. ঝড়
  4. তাল
ব্যাখ্যা

তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
 যেমন:
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রর্ভতি শব্দের চ, ছ, জ, , শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন: 
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
কোনটি সংস্কৃত ধাতু?
  1. আক্
  2. কাদ্
  3. কর্ 
  4. কৃৎ
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত ধাতু:
- যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন:
- অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন:
- কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনি।' - এখানে 'চোর' কোন কারক?
  1. অধিকরণ কারক
  2. কর্তৃকারক
  3. অপাদান কারক
  4. কর্মকারক
ব্যাখ্যা

কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক। ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।

কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
প্রথমা শূন্য বা অ বিভক্তি: হামিদ বই পড়ে।
দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: বশিরকে যেতে হবে।
তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি: ফেরদৌসী কর্তৃক শাহনামা রচিত হয়েছে।
ষষ্ঠী বা র বিভক্তি: আমার যাওয়া হয়নি।
সপ্তমী বিভক্তি: চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. সমমনা
  2. জমকালো কিন্তু বেমানান
  3. বিশৃঙ্খল
  4. সামান্যতে কেঁদে ফেলে
ব্যাখ্যা

• 'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্‌ধারার অর্থ - সামান্যতে কেঁদে ফেলে

অন্যদিকে,
জবরজং - জমকালো কিন্তু বেমানান।
জগাখিচুড়ি - বিশৃঙ্খল।
ঝাঁকের কই - সমমনা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।" - এটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. ঘটমান অতীত
  2. পুরাঘটিত অতীত
  3. নিত্য অতীত
  4. পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা

নিত্য অতীত:
- অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন:
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
- আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।

অন্যদিকে,
পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 
- বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।

.
'রূপাই ও সাজু' - কোন কাব্যগ্রন্থের চরিত্র?
  1. রাখালী
  2. নক্সী কাঁথার মাঠ
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  4. রূপবতী 
ব্যাখ্যা

'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ:
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' (১৯২৯) গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল। 

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
"কাশবনের কন্যা" - উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. শওকত আলী
  3. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  4. শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা

'কাশবনের কন্যা' উপন্যাস:
- শামসুদ্দীন আবুল কালামের 'কাশবনের কন্যা' (১৯৫৪) উপন্যাসে গ্রামকে এমনভাবে তুলে আনা হয়েছে যে, দুঃখ- উ দারিদ্র্য থাকলেও গ্রামই সুখের স্বর্গ, সমস্ত বিশ্বাসের আধার।
- উপন্যাসে বরিশাল অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, লোকজীবন, গ্রামীণ দিগন্ত ফটোগ্রাফিকভাবে চিত্রায়িত।
- সিকদার, হোসেন, জোবেদা, মেহেরজান প্রমুখের মুখের আঞ্চলিক কথা, লোকসঙ্গীত, প্রচলিত লোকবচন ইত্যাদির ব্যবহার উপন্যাসটিকে সুখপাঠ্য ও বিশ্বস্ত করেছে।
- 'কাশবনের কন্যা' গুরুত্বপূর্ণ এ জন্য যে, এ উপন্যাসে ঔপন্যাসিক রোম্যান্টিক মনোভঙ্গিতে এমন এক গ্রাম, গ্রামের মানুষ ও পরিবেশ তুলে এনেছেন, যা দুঃখ অতিক্রমকারী, সুখস্বপ্ন আশা সঞ্চারী।

শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত উপন্যাস:
- আলমনগরের উপকথা, 
- কাশবনের কন্যা, 
- কাঞ্চনমালা, 
- জায়জঙ্গল,
- কাঞ্চনগ্রাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১০.
Which of the following is correct?
  1. Proceeds 
  2. Furnitures 
  3. Informations
  4. Sceneries 
ব্যাখ্যা

- প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Proceeds শব্দটিই শুদ্ধ।

Proceeds (noun):
- English Meaning: the amount of money received from a particular event or activity or when something is sold.
- Bengali Meaning: কোনো উদ্যোগ থেকে অর্জিত আয়; অর্জিত মুনাফা/আয়।

Other options:
- Furnitures: শব্দটি ভুল কেননা Furniture (আসবাবপত্র) শব্দটির কোন plural form নেই।
- Informations: শব্দটি ভুল কেননা Information (তথ্য) শব্দটির কোন plural form নেই।
- Sceneries: এই শব্দটি ভুল কেননা "Scenery" (দৃশ্য) শব্দটির কোন plural form নেই।
- Furniture, scenery, Informations ইত্যাদির গঠন সবসময় Singular হয়।

Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১১.
____ people attended the rally.
  1. Less
  2. Little
  3. Few
  4. Much
ব্যাখ্যা

শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - few.
- Complete Sentence: Few people attended the rally.
- Translation: কম মানুষ সমাবেশে এসেছে। 

- Countable noun এর ক্ষেত্রে few/fewer বসে।
- People যেহেতু countable noun সুতরাং এর পূর্বে countable determiner বসবে। অপশনে একমাত্র countable determiner এর comparative form রয়েছে fewer.
- সুতরাং, সঠিক উত্তর few.

More Examples:
- As technology advanced, fewer people relied on traditional newspapers.

Source: A passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১২.
Select the masculine gender of Doe?
  1. Mare
  2. Cow
  3. Buck
  4. Vixen
ব্যাখ্যা

Buck: (Masculine gender)
- English meaning: A male deer.
- Bangla meaning: হরিণ (পুরুষ)।
- Buck এর Feminine gender হলো: Doe.

Doe:
English meaning: A female deer.
Bangla meaning: হরিণী।

Other Options,
Mare:
- Gender: Feminine.
- Meaning: A female horse (ঘোটকী)।
- Masculine: Stallion.

Cow:
- Gender: Feminine.
- Meaning: A female cattle (গাভী)।
- Masculine: Bull.

Vixen:
- Gender: Feminine.
- Meaning: A female fox (শৃগালী)।
- Masculine: Fox.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

১৩.
An affidavit is:
  1. Oral oath-taking in the court.
  2. Written statement of a witness.
  3. Written statement made in marriage.
  4. Written statement made under oath.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Written statement made under oath.

• Affidavit
English Meaning: A written statement confirmed by oath or affirmation, for use as evidence in court.
Bangla Meaning: আইনগত প্রমাণ বা সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার্য শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি; হলফনামা; শপথপত্র।

Example sentence:
- A former employee swore an affidavit relating to his claim for unfair dismissal.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary

১৪.
I like reading poetry.
Here, reading is
  1. Present participle
  2. Past participle
  3. Gerund
  4. Infinitive
ব্যাখ্যা

- I like reading poetry.
- Here, "reading" is a gerund.

Gerund:
- Verb-এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun-এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun-এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- অর্থাৎ, Gerund হলো verb-এর-ing ফর্ম, যা বাক্যে noun হিসেবে কাজ করে।
- Gerunds don't describe action-they act as nouns.

Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin, A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১৫.
A Passage to India is written by:
  1. E.M. Forster
  2. G.B. Shaw
  3. Jane Austen
  4. Lord Byron
ব্যাখ্যা

- The character "Dr. Aziz" is created by E.M. Forster.

A Passage to India:
- Edward Morgan Forster হলেন Modern Period এর একজন Famous Novelist, Essayist, Social and Literary Critic. ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- যা ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত।
- এই Novel টিতে মূলত Racism এবং Colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book portrays the relationship between the British and the Indians in India.

এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে-
- Dr. Aziz: He is the central character of the novel.
- Adela Quested: A young and idealistic Englishwoman who travels to India with Mrs. Moore.
- Mrs. Moore: Adela's elderly traveling companion and the mother of Ronny Heaslop.
- Ronny Heaslop: Mrs. Moore's son and a British magistrate in Chandrapore.
- Cyril Fielding: The principal of the government college near Chandrapore and Dr. Aziz's friend.
- Stella Moore: Stella was Mrs. Moore's daughter, who lived in England.


E.M. Forster (1879-1970):
- তার পুরো নাম Edward Morgan Forster.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

Notable Works:
- "A Passage to India",
- "A Room With a View",
- "Aspects of the Novel",
- "Howards End",
- "Marianne Thornton",
- "Maurice",
- "The Hill of Devi",
- "The Longest Journey",
- "Where Angels Fear to Tread", etc.

Source: Britannica.

১৬.
সম্প্রতি কোন মোবাইল অপারেটর বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে? [সেপ্টেম্বর-২০২৫]
  1. বাংলালিংক
  2. গ্রামীণফোন 
  3. টেলিটক
  4. এয়ারটেল
ব্যাখ্যা

৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে।
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
-অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
-পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
-এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
-অন্যদিকে ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
-সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

১৭.
বাংলায় ইংরেজরা সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে কত সালে?
  1. ১৭৫২ 
  2. ১৭৬৩ 
  3. ১৭৫৫ 
  4. ১৭৬৫ 
ব্যাখ্যা

কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ সালে মীর জাফরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে শর্তসাপেক্ষে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়।
- শর্ত থাকে যে, তিনি তার পিতার মতো ইংরেজদের নিজস্ব পুরাতন দস্তক অনুযায়ী বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব বা খাজনা ও কর আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব অর্থাৎ দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৮.
লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে কোন প্রণালী?
  1. তাতার প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী
  3. তিরান প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

• তিরান প্রণালী:
- তিরান প্রণালী হল সিনাই উপদ্বীপ এবং আরব উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত সরু প্রণালী বা সমুদ্রপথ, যা লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে ।
- প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছে নিকটবর্তী তিরান দ্বীপ থেকে,
 
• তাতার প্রণালী: জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর কে যুক্ত করেছে।

• মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর কে যুক্ত করেছে ফ্লোরিডা প্রণালী।

• মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯.
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে কার সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আদেলউদ্দিন আহমদ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

- গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাস করে।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল।
- পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অনুমোদনের মাধ্যমে এই আন্দোলন তার লক্ষ্য অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) এক পর্যায়ে এর সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের (১৯১৩-১৯৮১) দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২০.
সম্প্রতি তরুণদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগকারী নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি কোন পার্টি থেকে নির্বাচিত ছিলেন? [সেপ্টেম্বর-২০২৫]
  1. রিপাবলিক
  2. কংগ্রেস
  3. লেবার
  4. বাথ
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি তরুণদের বিক্ষোভের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করে।
- তিনি নেপালি কংগ্রেস পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।


- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্সসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম ও বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল অলির নেতৃত্বে থাকা নেপাল সরকার।
- এরই প্রেক্ষিতে, নেপালের রাজপথে নেমে আসেন হাজার মানুষ।
- নেপালের রাজপথে নেমে আসেন হাজার মানুষ।

উল্লেখ্য,
- নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি।
- ৭৩ বছর বয়সী সুশীলা হিমালয় কন্যাখ্যাত দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন।
- দেশটির প্রথম প্রধান নারী বিচারপতিও ছিলেন তিনি।
- ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় এক বছর তিনি প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহিষ্ণু’ অবস্থান নিয়ে আলোচিত ছিলেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।

২১.
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক-২০২৮ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন, ডিসি
  3. ফ্লোরিডা
  4. লস অ্যাঞ্জেলেস
ব্যাখ্যা

• ২০২৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক:
- ২০২৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক, আনুষ্ঠানিকভাবে XXXIV অলিম্পিয়াডের গেমস এবং সাধারণত লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ বা LA ২৮ নামে পরিচিত।
- এই আসন্ন আন্তর্জাতিক বহু-ক্রীড়া ইভেন্ট যা ১৪ থেকে ৩০ জুলাই, ২০২৮ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে।

অলিম্পিক গেমস:

- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সম্মানজনক প্রতিযোগিতা।
- দুই শতাধিক দেশ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং LA28.

২২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর আব্দুর রব
  2. মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর খালেদ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টর
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
- হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।
- সেক্টরে গেরিলার সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ হাজার এবং নিয়মিত বাহিনী ছিল প্রায় ৪ হাজার।

• এই সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
- জালালপুর (মাসুদুর রব শাদী); 
- বড়পুঞ্জী (ক্যাপ্টেন এ. রব); 
- আমলাসিদ (লেফটেন্যান্ট জহির); 
- কুকিতল (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কাদের এবং পরে ক্যাপ্টেন শরিফুল হক); 
- কৈলাশ শহর (লেফটেন্যান্ট উয়াকিউজ্জামান); 
- কমলপুর (ক্যাপ্টেন এনাম)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩.
ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. নেপাল
  2. রাশিয়া
  3. ভুটান
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।
-  ফেডারেল পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষ হল প্রতিনিধি পরিষদ।
- নেপালের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর- ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪.
’হাকালুকি হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার 
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত। 
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২৪°৩৫´-২৪°৪৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০১´-৯২°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৫.
আব্রাহাম চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩
  2. ২০০০
  3. ২০২০
  4. ১৯৬২
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords):
- ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি।
- আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ (হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি)।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্র (প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)।

• প্রধান দেশগুলো:

- ইসরায়েল
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)।
- বাহরাইন।
- পরে যোগ দেয়: সুদান ও মরক্কো।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৬.
৭২ × ৭৫  × ৩ × ৪  × ২ কে নূন্যতম কত দ্বারা গুণ করলে গুণফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
  1. ৩ 
  2. ৪ 
  3. ২ 
  4. ৫ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৭২ × ৭৫  × ৩  × ৪  × ২ কে নূন্যতম কত দ্বারা গুণ করলে গুণফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৭২ × ৭৫  × ৩৩  × ৪৩  × ২৮
= ৮  × ৯  × ৩  × ২৫  × ৩ ×  (২)  × ২
= ২ × ৩  × ৩  × ৫  × ৩  × ২  × ২ 
= ২১৭  × ৩  × ৫২ 

এখানে, জোড় ঘাত বিশিষ্ট সংখ্যা পূর্ণবর্গ। প্রদত্ত সংখ্যায় ২১৭ এর ঘাত ১৭ যা বিজোড় হওয়ায় সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা গুণ করলে দাঁড়ায় ২১৮  × ৩  × ৫, যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা। 

সুতরাং ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। 

২৭.
পিতা ও তার পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল 76 বছর। 8 বছর আগে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল 7 : 3। তাহলে 12 বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. 23 : 13
  2. 37 : 23
  3. 21 : 11
  4. 31 : 19 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও তার পুত্রের বর্তমান বয়সের যোগফল 76 বছর। 8 বছর আগে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল 7 : 3। তাহলে 12 বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
ধরি
8 বছর আগে বাবার বয়স = 7x বছর,
ছেলের বয়স = 3x বছর।

এখন,
বাবার বর্তমান বয়স = 7x + 8
ছেলের বর্তমান বয়স = 3x + 8

প্রশ্নমতে, 
(7x + 8) + (3x + 8) = 76
⇒ 10x + 16 = 76
⇒ 10x = 76 - 16
⇒ 10x = 60
∴ x = 6

∴ বাবার বর্তমান বয়স = (7 × 6) + 8 = 42 + 8 = 50  বছর
∴ ছেলের বর্তমান বয়স = (3 × 6) + 8 = 18 + 8 = 26 বছর

12 বছর পরে, 
বাবা বয়স = 50 + 12 = 62 বছর 
ছেলে বয়স = 26 + 12 = 38 বছর

∴ 12 বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত = 62 : 38 = 31 : 19 

২৮.
১০% হার মুনাফায় ৬০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
  1. ৬৮ টাকা 
  2. ৩২০ টাকা
  3. ১২৫ টাকা
  4. ১৮৬ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০% হার মুনাফায় ৬০০০ টাকার ৩ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ৬০০০ টাকা
সময়, n = ৩ বছর
সুদের হার, r = ১০/১০০ = ১/১০

আমরা জানি
সরল মুনাফা,I = Pnr
= ৬০০০ × ৩ × ১/১০
= ১৮০০ টাকা 

চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় সবৃদ্ধিমূল,
C = P(1 + r)n
   = ৬০০০(১ + ১/১০)
   = ৬০০০ × (১১/১০) × (১১/১০) × (১১/১০)
   = ৭৯৮৬ টাকা 

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ৭৯৮৬ - ৬০০০ 
= ১৯৮৬ টাকা।

সুতরাং চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = (১৯৮৬ - ১৮০০)  = ১৮৬ টাকা

২৯.
ব্লিচিং পাউডার এর সংকেত কী ?
  1. KClO3
  2. NaCl
  3. Ca(OCl)Cl
  4. NaClO2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার এর সংকেত কী ?

সমাধন:
ব্লিচিং পাউডার:
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরাে হাইপােক্লোরাইট, Ca(OCl)Cl.
- বলপেন এর কালি বা অন্য কোনাে রং যেগুলাে সাবান এবং ডিটারজেন্ট দিয়ে তােলা যায় না সেগুলােকে কাপড় থেকে উঠানাের জন্য তথা বর্ণহীন করার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া মেঝে, কমােড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজেও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- 40°C তাপমাত্রায় কঠিন ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মধ্যে ক্লোরিন গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার, Ca(OCl)Cl উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি।

৩০.
একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি ২য় কোণের তিনগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ২য় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় হয় তবে প্রথম কোণটি কত ডিগ্রি?
  1. 90°
  2. 60°
  3. 120°
  4. 75°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি ২য় কোণের তিনগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ২য় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় হয় তবে প্রথম কোণটি কত ডিগ্রি?

সমাধান:
ধরি, ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণটি = x ডিগ্রি। 
প্রশ্নানুযায়ী,
প্রথম কোণটি দ্বিতীয় কোণের তিনগুণ, অর্থাৎ 3x ডিগ্রি। 
এবং তৃতীয় কোণটি দ্বিতীয় কোণের চেয়ে 30 ডিগ্রি বড়,
অর্থাৎ x + 30 ডিগ্রি।  

আমরা জানি,
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি 180°
প্রশ্নমতে,
⇒ 3x + x + (x + 30°) = 180°
⇒ 5x + 30° = 180°
⇒ 5x = 180° - 30°
⇒ 5x = 150°
∴ x = 30°

∴ প্রথম কোণটি হল  3x = 3 × 30° = 90°

৩১.
100 টি এক টাকার ও দুই টাকার মুদ্রা আছে। দুই টাকার মুদ্রার সংখ্যা এক টাকার মুদ্রার চেয়ে 20 টি বেশি। মোট টাকার পরিমাণ কত?
  1. 175 টাকা 
  2. 160 টাকা 
  3. 210 টাকা 
  4. 194 টাকা 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 100 টি এক টাকার ও দুই টাকার মুদ্রা আছে। দুই টাকার মুদ্রার সংখ্যা এক টাকার মুদ্রার চেয়ে 20 টি বেশি। মোট টাকার পরিমাণ কত?

সমাধান:
ধরি,
এক টাকার মুদ্রার সংখ্যা x এবং দুই টাকার মুদ্রার সংখ্যা y 

প্রশ্নমতে,
x + y = 100 
এবং 
y = x + 20  (দুই টাকার মুদ্রা এক টাকার মুদ্রার চেয়ে ২০ টি বেশি)

প্রথম সমীকরণে দ্বিতীয় সমীকরণের মান বসিয়ে পাই,
x + (x + 20) = 100
⇒ 2x + 20 = 100 
⇒ 2x = 80 
∴ x = 40

তাহলে, y = x + 20 = 40 + 20 = 60 
∴ y = 60

এখন,
মোট টাকা = (এক টাকার মুদ্রার মূল্য) + (দুই টাকার মুদ্রার মূল্য) = (40 × 1) + (60 × 2) 
 = 40 + 120
= 160 টাকা 

৩২.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।

শিশু আইন ২০১৩ এর ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:

কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি-
⇒ অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড; অথবা
⇒ অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা
⇒ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কার আদেশক্রমে ধ্বংস করা হবে?
  1. জব্দকারী অফিসারের
  2. থানার অফিসার ইন চার্জের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:

(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

৩৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক(১) অনুযায়ী, সরকার কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  2. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. নারী ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক- শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

৩৫.
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷

(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।

(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷

(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

৩৬.
Section 138A of Negotiable Instruments Act, 1881 states that an appeal will not lie unless-
  1. The appellant files a written explanation
  2. 50% of the dishonoured cheque amount is deposited
  3. 25% of the dishonoured cheque amount is deposited
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের 
৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

৩৭.
কারফিউ আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৪: কারফিউ (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণে, আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবেন যে—যে কোনো এলাকা বা এলাকায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, কোনো ব্যক্তি বাইরে থাকতে পারবে না, তবে যে ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত লিখিত পারমিট থাকবে তার ব্যতীত। আদেশে নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হতে পারে।

(২) এই ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে, অপরাধীকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে কখন নথিভুক্ত করা হবে?
  1. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
  3. বিচারকের অনুমতি দিলে
  4. পুলিশ সুপারের অনুমোদনের পর
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

৩৯.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৩ অনুযায়ী, অপরাধী খুন করলে তা খুন গণ্য হবে না যদি—
  1. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে
  2. মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনা থাকে
  3. সরকারী কর্মচারীর হিসেবে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
  4.  যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সেই ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:
⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৪০.
A person persuades a 17-year-old to commit suicide and it succeeds. What is the maximum legal punishment?
  1. Death
  2. Life imprisonment
  3. Imprisonment up to 10 years
  4. Imprisonment up to 7 years
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) Death.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০৫ অনুযায়ী—
যদি কোনো ১৮ বছরের কম বয়সী, বা উন্মাদ/অজ্ঞ/মদ্যপ/delirious ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
- বিকল্পভাবে আদালত আজীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডও দিতে পারে।

The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:

If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর বিধান অনুযায়ী, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড ধার্য করতে পারবেন?
  1. ১ লাখ
  2. ২ লাখ
  3. ৩ লাখ
  4. ৫ লাখ
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩২: বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে সাজা দিতে পারবেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা দিতে সক্ষম-
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব (solitary confinement) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
- সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী যে কোনো সাজা দিতে পারবে, একাধিক ধরণের সাজা একত্রিত করে।

৪২.
পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কার ইচ্ছায় করা যায়?
  1. সাক্ষীর
  2. প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের আদেশে
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৪৩.
'ক', একজন সরকারি কর্মকর্তা, যাকে আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই নির্দেশ না মানে এবং জানে যে, এর ফলে 'খ' এর ক্ষতি হবে, তাহলে 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬: আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা:
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।

৪৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, আদালত কার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. ভুক্তভোগী
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের খরচ ও সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো আদেশ থাকলে তার অন্তর্ভুক্ত, যে কোনো ফৌজদারি আদালত প্রয়োজন মনে করলে, অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে। এটি সেই ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য যারা কোনো অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমে আদালতের সামনে উপস্থিত হন এই কোড অনুযায়ী।

(২) যে কোনো আদালত, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর আবেদন বা স্বপ্রণোদিত (suo moto) ভিত্তিতে, ফৌজদারি কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে তাদের সুরক্ষা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

৪৫.
করিমকে পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করায়। আদালতে প্রসিকিউশন এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে। আইন অনুযায়ী আদালত কী করবে?
  1. বিনা শর্তে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবে
  2. স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. যদি দুইজন সাক্ষী উপস্থিতিতে করে তাহলে গ্রহণ করবে
  4. লিখিতভাবে উপস্থাপন করলে গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে।

কারণ:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ স্পষ্টভাবে বলছে—
"No confession made to a police officer shall be proved as against a person accused of any offence."
অর্থাৎ পুলিশের নিকট কোনো স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে এর ব্যতিক্রম আছে ধারা ২৬ ও ২৭-এ, যেখানের
ধারা ২৬- হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতের সামনে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রেকর্ড করা হলে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আর ধারা ২৭ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির মাধ্যমে পাওয়া তথ্য (discovery of fact) সীমিতভাবে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

৪৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে, চুক্তির পরে বিক্রেতা সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করলে-
  1. আদালতের অনুমতিসহ বিক্রেতা চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারবে
  3. ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
  4. ক্রেতা আদালতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

৪৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13 বিধির অধীন ডিক্রি বাতিল করা যাবে সর্বোচ্চ-
  1. ৩ বার
  2. বার
  3. ১ বার
  4. ৫ বার
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13:
(১) কোনো মামলায় যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে ex parte ডিক্রি জারি করা হয়, তবে সে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যা ডিক্রি জারি করেছে, যাতে সেই ডিক্রি বাতিল (set aside) করা হয়।

আদালত সেই বিবাদীকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে— সমন (summons) যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়নি, অথবা সে যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি, যখন মামলার শুনানি হয়েছে।

এই শর্ত পূরণ হলে, আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি ডিক্রি বাতিল করবে এবং প্রযোজ্য হলে খরচ (costs) সম্পর্কিত শর্ত নির্ধারণ করবে। আদালত মামলার শুনানির জন্য নতুন দিনও নির্ধারণ করবে।

Proviso (শর্তাবলী):

- যদি ডিক্রি এমন প্রকৃতির হয় যে শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত তা অন্য সকল বা যেকোনো অন্যান্য বিবাদীর বিরুদ্ধেও বাতিল করতে পারে।

- একই বিবাদী এই রুলের মাধ্যমে একাধিকবার ডিক্রি বাতিল করতে পারবে না।

(২) সাব-রুল (১) অনুযায়ী করা আবেদনগুলিতে Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে।

৪৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মোঃ রিয়াজের বিরুদ্ধে রায়ের পূর্বে ক্রোকের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোকদ্দমাটি খারিজ হয়। আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ এর বিধি ৯ অনুসারে কী আদেশ দেবে?
  1. ক্রোক বজায় রাখার
  2. মামলা খারিজের
  3. ক্রোক অপসারণের
  4. নতুন জামানত প্রদানের
ব্যাখ্যা

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.

৪৯.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী, আদালতের আসনস্থল (place of sitting) পরিবর্তন করতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা জজ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।

(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

৫০.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে-
  1. চুক্তি ভঙ্গের প্রথম দিন থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার দিন থেকে
  3. চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তি ভঙ্গ প্রমাণিত হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক-এর উদ্দেশ্য প্রধানত কী?
  1. মামলার সময়সীমা বৃদ্ধি করা
  2. নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা সীমিত করা
  3. ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক অনুসারে,
আদালত এক্সিকিউটিভ কর্তৃপক্ষ, যেমন পুলিশ বা অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
এছাড়াও, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে কতটুকু সহায়তা বা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে তার রিপোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক- আদেশ/ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশ:

যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারবে— যে কোনো নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, তাকে আদালতের নির্ধারিত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে নির্দেশ দিতে পারবে এবং আদালত সেই সহায়তা প্রদানের অনুপালনের প্রতিবেদন আদালতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে বলতে পারবে।

৫২.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি গাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে। চুক্তি সম্পাদনের পরদিন গাড়িটি নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি স্থগিত রাখবে
  2. চুক্তি অবৈধ ঘোষণা করবে
  3. 'খ'-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
  4. 'খ'- কে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।

৫৩.
যদি কোনো আইনের আওতায় জরিমানা আরোপিত হয়, এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

৫৪.
Which of the following women can be lawfully detained for execution of a money decree under Section 56 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Pregnant women
  2. Infirm women
  3. Breast-feeding women
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (ঘ) None of the above

The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56: Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money.
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

ধারা ৫৬- অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নারীকে গ্রেফতার বা আটক করার নিষেধাজ্ঞা:
এই অংশে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বৃদ্ধা, অসুস্থ, গর্ভবতী অথবা স্তন্যপান করানো নারীকে অর্থ প্রদানের জন্য প্রদত্ত কোনো ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সিভিল কারাগারে গ্রেফতার বা আটক করার আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

অর্থাৎ, আদালত বৃদ্ধা, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যপান করানো নারীদের কোনো অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সিভিল কারাগারে আটক বা গ্রেফতার করতে পারবে না।

তাই, এখানে সঠিক উত্তর হলো (ঘ) None of the above (কেউকে নয়)।

৫৫.
হেবার জন্য প্রথম আবশ্যক শর্ত কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ
  2. বিষয়বস্তুর দখল প্রদান 
  3. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
  4. দানগ্রহীতা কর্তৃক গ্রহণ
ব্যাখ্যা

হেবা:
এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

মুসলিম আইনে বৈধ দানের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer).
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance).
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। 

৫৬.
দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকার ডিক্রির জন্য পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাবে না?
  1. ১০ হাজার টাকা
  2. ২৫ হাজার টাকা
  3. ৫০ হাজার টাকা
  4. ১ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি:
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-

(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং

(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।

(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।

(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।

(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

৫৭.
ইজতিহাদ শব্দের অর্থ কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. গবেষণা করা
  3. যুক্তি নির্ণয়
  4. অনুমান করা
ব্যাখ্যা

ইজতিহাদ:
ইজতিহাদ অর্থ গবেষণা করা। ইসলামি পরিভাষায় শরিয়তের কোনো নির্দেশ সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে সর্বাঙ্গীণ চেষ্টা ও সমাধানের নাম ইজতিহাদ। সাধারণ লোকের চিন্তাধারায় ইজতেহাদ হয় না। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কিয়াস প্রয়োগ করে ইজতিহাদ করতে হয়। 

ইসতিসলাহ:
ইসতিসলাহ অর্থ জনকল্যাণ। এটা জনসাধারণের কল্যাণে সমস্যা সমাধানের সহজ মাধ্যম।

ইসতিহসান:
পরবর্তী শতাব্দীতে কোনো বিধান কিয়াসের চাহিদা থেকে পৃথক হলে তাকে ইসতিহসান বলা হতো। ইসতিহসান অর্থ বিচার-বিবেচনায় যা মঙ্গলজনক। কিয়াসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান কঠিন মনে হলে জনসাধারণের সাহায্যের জন্য ইসতিহসান করা হয়।

ইসতিদলাল:
যেসব পুরোনো ধর্মের আইনগুলো কোরআনে বাতিল ও হাদিসে নিষেধ ঘোষণা করা হয়নি, তার ওপর নির্ভর করে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা ইসতিদলাল। ইসতিদলাল হলো যুক্তি নির্ণীত সিদ্ধান্ত বা দলিল।

৫৮.
হিন্দু আইনে 'সপ্রতিবন্ধ দায়' কাকে বলে?
  1. যেখানে জন্মসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
  2. যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
  3. যেখানে সহ-উত্তরাধিকারীর জীবিত অবস্থায় অধিকার তৈরি হয়
  4. যেখানে দত্তকসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

যেমন- মিতাক্ষরা মতে পিতা পৃথক সম্পত্তি রাখিয়া মারা গেলে পুত্র পিতার পৃথক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় অথবা কোন সহ-উত্তরাধিকারী মারা গেলে অন্যান্য সহ-উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির অংশ উত্তরজীবী সূত্রে পায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় এবং সপ্রতিবন্ধ দায়, এই দুইটি শব্দেরই প্রয়োগ মিতাক্ষরা আইনে দৃষ্ট হয়। দায়ভাগ মতে এই পার্থক্যের সুযোগ নাই, কারণ দায়ভাগ মতে উত্তরাধিকার লাভের সূত্র একটাই এবং তাহা সর্বদাই সপ্রতিবন্ধ দায়।

৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ৯ ধারায় প্রদত্ত সার্টিফিকেট পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন কে?
  1. শুধুমাত্র স্বামী
  2. শুধুমাত্র স্ত্রী
  3. সালিশী কাউন্সিল
  4. স্বামী অথবা স্ত্রী
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

৬০.
শাফি-ই-জার (Shafi-e-jar) বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. সহ-উত্তরাধিকারী
  2. সুবিধাসমূহের অধিকারী
  3. সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক
  4. চুক্তি প্রদত্ত সম্পত্তির অধিকারী
ব্যাখ্যা

অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:

হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

৬১.
'ক' মারা গেলেন। তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যা রেখে গেছেন। কোনো পুত্র নেই। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কন্যাদের জন্য নির্ধারিত অংশ কত হবে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ২/৩
  4. ১/৬
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ২/৩ অংশ।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, কন্যার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে– ১/২, ২/৩ এবং অবশিষ্টাংশভোগী।

যখন ১/২ অংশ পাবে: দুটি শর্ত পূরণ করলে এই অংশ পাবে। তা হলো-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। একমাত্র কন্যা হিসেবে অংশীদার হলে

যখন ২/৩ অংশ পাবে: দুটি শর্তে এই অংশ পাবে-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। দুই বা তার অধিক কন্যা থাকলে।

যখন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পাবে:
কন্যার সাথে যদি পুত্র ও থাকে তবে কন্যা আর অংশীদার হিসেবে অংশ পায় না। তখন সে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পুত্রের সাথে ২:১ অনুপাতে অংশ পাবে। যাকে Tasib Rule বলা হয়।

৬২.
একজন হিন্দু লোক রাম মারা গেলেন। তিনি রেখে গেলেন ৪ কন্যা এবং মাতা। কন্যাদের মধ্যে একজন অবিবাহিতা, একজন বিবাহিতা ও পুত্রবতী, একজন বন্ধ্যা, একজন বিধবা, যার ২ কন্যাসন্তান আছে। এই ক্ষেত্রে কার সম্পত্তির দাবী সবার আগে থাকবে?
  1. মাতা
  2. বিধবা কন্যা
  3. অবিবাহিতা কন্যা 
  4. বিবাহিতা ও পুত্রবতী কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ এই ক্ষেত্রে অবিবাহিতা কন্যার দাবী সর্বাগ্রে, সুতরাং অবিবাহিতা কন্যা রামের সকল সম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইবে। অন্যান্য কন্যাগণ কোন অংশ পাবে না। মাতাও কিছু পাবে না। কারণ কন্যাদের স্থান ৫নং এবং মাতার স্থান ৮নং।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপিণ্ডদের ক্রমিকানুসারে তালিকা:

১-৩ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র তাহারা স্থলবর্তী নিয়ম অনুসারে সর্বাগ্রে এবং এক সঙ্গে উত্তরাধিকারিত্বের দাবীদার। এই বিষয়ে একই নিয়ম মিতাক্ষরা আইনেও প্রযোজ্য।
সকল মতপন্থীদের মতেই ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য পিতার অবৈধ সন্তান অর্থাৎ রক্ষিতার সন্তান কোন উত্তরাধিকারিত্ব দাবী করিতে পারে না। তবে সেইসব অবৈধ সন্তান পিতার ত্যাজ্যবিত্ত হইতে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। শুদ্রের বেলায় দাসী অথবা রক্ষিতার অবৈধ পুত্র বৈধ পুত্রের ভাগ পাওয়ার অধিকারী। অর্থাৎ অবৈধ পুত্র বৈধ হইলে যে অংশ পাইত তাহার অর্ধেক পাইবে।

৪। বিধবা:
১৯৩৭ সালে সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার সংক্রান্ত আইন পাশ হওয়ার পর হইতে বিধবা একের অধিক হইলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান অংশ জীবন স্বত্বে পাইবে। ১-৩ নং এর মধ্যে কেহ না থাকিলে স্বামীর ত্যাজ্যবিত্তে বিধবার জীবনস্বত্ব হইবে।

৫। কন্যা:
কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিতা কন্যার দাবী প্রথম। পরে পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যাদের দাবী। বন্ধ্যা কন্যা, পুত্র সন্তান হীনা বিধবা কন্যা এবং যে সব কন্যাদের কেবলমাত্র কন্যা সন্তান আছে তাহারা উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবে।

৬। দৌহিত্র: কন্যার পর কন্যার পুত্র সন্তানের দাবী।
৭। পিতা;
৮। মাতা;
৯। ভ্রাতা;
১০। ভ্রাতুষ্পুত্র।

৬৩.
মিতাক্ষরা আইনে কারা অসতীত্বের কারণে স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়?
  1. কন্যা
  2. বিধবা স্ত্রী
  3. মাতা
  4. সকল মহিলা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে কিছু ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন, যথা:
-  অসতীত্ব;
- ধর্মচ্যুত হলে বা ধর্ম ত্যাগ করলে;
- সন্ন্যাসী উত্তরাধিকার হয় না। সন্ন্যাসীকে সংসার ত্যাগী হিসাবে মৃত ধরা হয়;
- অন্ধ, বধির, মূক, অঙ্গহীন, পুরুষত্বহীন এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলাগণ হিন্দু আইনে উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত। এমনকি দুরারোগ্য কুষ্ঠ-ব্যধীগ্রস্ত ব্যক্তিগণও উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত;
- হত্যাকারী এবং তার ওয়ারিশ মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে।


উল্লেখ্য,
⇒ অসতীত্ব জনিত কারণে মিতাক্ষরা আইনে শুধুমাত্র বিধবাই স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত। এই কারণে অন্য কোন মহিলা সম্পত্তি পাইতে বাধাপ্রাপ্ত হন না। কিন্তু দায়ভাগ মতে শুধু বিধবাই নহে, একই নিয়মে এবং কারণে অন্যান্য মহিলারাও যেমন কন্যা অথবা মাতা উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবে। 

অসতীত্ব একজন নারীকে পুরুষের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিত্ব লাভে বঞ্চিত করিলেও অসতীত্বের কারণে একজন নারী কোন স্ত্রীলোকের উত্তরাধিকারিত্ব হইতে বঞ্চিত হয় না। নজীরে আছে, অসতীত্বের কারণে কন্যা তাহার মাতার স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারিত্ব হইতে বঞ্চিত হয় নাই। কলিকাতা হাইকোর্টে নগেন্দ্র বনাম বিনয়কৃষ্ণ মামলায় এই প্রশ্নটির মীমাংসা হয়। (30 cal 521)।

৬৪.
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কী নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইনের প্রয়োগ
  2. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার
  4. ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে

৬৫.
If the President is not kept informed about domestic and foreign policy decisions by the Prime Minister, which Article of Bangladesh constitution is being disregarded?
  1. Article 48(3)
  2. Article 56(2)
  3. Article 48(5)
  4. Article 56(3)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

Article 48: The President-
(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

৬৬.
কোনো সংসদ-সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে লিখিতভাবে জানাতে হবে?
  1. রাষ্ট্রপতিকে
  2. প্রধানমন্ত্রীকে
  3. স্পীকারকে
  4. নির্বাচন কমিশনকে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদের বিধান: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

৬৭.
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে "যথাসম্ভব শীঘ্র" দ্বারা কোন প্রেক্ষাপট বোঝানো হয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হাজির হওয়া
  2. আটকাদেশ বাতিল করা
  3. গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
  4. আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার দেওয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – "গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ":

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

৬৮.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্তকে দুইবার শাস্তি না দেওয়ার নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দুটি ভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে
  3. একাধিক কাজ যখন একই আইনের ভিন্ন ভিন্ন ধারায় অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
  4. একই কাজ যেটি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
ব্যাখ্যা

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- “যখন কোনো কার্য বা কার্যবিচ্যুতি দুই বা একাধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, তখন অভিযুক্তকে সেই কোনো এক বা একাধিক আইনের অধীনে বিচার এবং শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে, তবে একই অপরাধের জন্য দু’বার শাস্তি দেয়া যাবে না।”

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।

৬৯.
মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়:

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

৭০.
'সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষও রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে'- কোথায় বলা আছে?
  1. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(৬) ধারা
  2. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫১ অনুচ্ছেদ
  3. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(১১) ধারা
  4. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত।

Article 152: Interpretation clause-
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

৭১.
The term 'doli incapax' means:
  1. Guilty of crime
  2. Capable of crime
  3. Strict liability in crime
  4. Incapable of crime
ব্যাখ্যা

• Doli incapax – Incapable of crime Or incapable of forming the intent to commit a crime. 

Doli incapax ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো – “অপরাধে অক্ষম” বা “অপরাধ করার অভিপ্রায় গঠন করতে অক্ষম”।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছে কি না তা নির্ধারণের জন্য কেবলমাত্র কর্ম (actus reus) যথেষ্ট নয়; তার সাথে অপরাধমূলক মনোভাব (mens rea) থাকা আবশ্যক। শিশুদের ক্ষেত্রে ধরা হয় যে, নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত তারা অপরাধ করার মতো মানসিক সক্ষমতা রাখে না।

যেমন: দণ্ডবিধির ধারা ৮২ বলছে –
“৯ বছরের কম বয়সী শিশুর দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।”

অর্থাৎ, শিশু যদি ৯ বছরের কম বয়সী হয়, তবে সে যা-ই করুক না কেন, আইন অনুযায়ী তা অপরাধ ধরা হবে না। কারণ আইন ধরে নেয় যে এই বয়সে শিশু অপরাধের উদ্দেশ্য বুঝতে বা অপরাধমূলক ইচ্ছা তৈরি করতে সক্ষম নয়।

৭২.
Who has the power to determine the boundaries of Bangladesh’s territory, territorial waters, and continental shelf?
  1. Parliament
  2. Supreme Court
  3. The President
  4. The Prime Minister
ব্যাখ্যা

Article 143 of the Constitution of Bangladesh: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.

অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

৭৩.
'Lex Fori' নীতিতে কোন আইন বোঝানো হয়?
  1. যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে
  3. যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
  4. আন্তর্জাতিক আদালতের আইন
ব্যাখ্যা

Lex Fori ল্যাটিন শব্দ।
- এর অর্থ হলো “আদালতের দেশের আইন” বা “যে দেশে আদালতের কার্যক্রম চলছে সেই দেশের আইন”।

আইনে বলা হয়- “The law of evidence is lex fori.”
অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইন হচ্ছে Lex Fori।

এর মানে দাঁড়ায়, কোনো মামলার শুনানি বা বিচার যে দেশে চলছে, সেই দেশের সাক্ষ্য আইন দিয়েই প্রমাণ, সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচারকার্য সম্পন্ন হবে।

৭৪.
A voidable contract is enforceable by law:
  1. compulsorily
  2. at the option of all parties
  3. only if it is in writing
  4. at the option of one or more parties, but not others
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872: ধারা ২(ঝ)-
“যে চুক্তি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছানুসারে আইনত বলবৎ করা যায়, কিন্তু অপর পক্ষ বা পক্ষসমূহের ইচ্ছানুসারে নয়, তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) বলা হয়।”

[An agreement which is enforceable by law at the option of one or more of the parties thereto, but not at the option of the other or others, is a voidable contract]

৭৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী, ক্রেতা কোন সম্পত্তি থেকে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে?
  1. বিক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে
  2. বিক্রয় করা হয়নি এমন সম্পত্তি থেকে
  3. বন্ধকগ্রহীতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
  4. ক্রেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে
ব্যাখ্যা

• বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস মানে- যখন দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সম্পত্তিগুলো প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তিগুলোর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্যজনের নিকট বিক্রয় করে, এক্ষেত্রে ক্রেতা বন্ধকগ্রহীতাকে যেটা তার কাছে বিক্রি করা হয়নি এমন সম্পত্তিগুলো থেকে বন্ধকের টাকা যতটুকু সম্ভব পরিশোধ করে নেওয়ার জন্য বলতে পারে।

উদাহরণ
রফিক ক, খ, গ, ঘ, চ নামক ৫টি প্লটের মালিক। এই প্লটগুলি সে প্রথমে রহিমের নিকট বন্ধক দিলো। পরবর্তীতে ক ও খ প্লটের জমি রাকিবের নিকট বিক্রয় করলো। এখন রাকিব, রহিমকে অবশিষ্ট গ, ঘ ও চ প্লট হতে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নিতে বলতে পারে। এটিই হলো বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৬: পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস:
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে বন্ধকের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু এরূপ দাবি বন্ধকগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

Section 56: Marshalling by subsequent purchaser:
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.

৭৬.
'A' contracts to indemnify 'B' against the consequences of any proceedings which 'C' may take against 'B' in respect of a certain sum of 5000 Taka. This is a contract of __________.
  1. guarantee
  2. indemnity
  3. bailment
  4. agency
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity". 

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.

চুক্তি আইনের ১২৪ ধারার বিধান- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

৭৭.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত টাউটকে কোথায় উপস্থিত করতে হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. নিকটবর্তী দেওয়ানি আদালতে
  3. নিকটবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
ব্যাখ্যা

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার- 
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে। উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।

৭৮.
'Doctrine of Accumulation' কী নির্দেশ করে?
  1. সম্পত্তির ব্যবহার
  2. ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি
  3. সম্পত্তি বিক্রির সময়সীমা
  4. আয় সঞ্চয়ের সময়সীমা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ১৭ ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।

ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ নির্দেশ থাকে যে, সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে,
(ক) দাতার জীবনকাল, বা 
(খ) হস্তান্তরের তারিখ হতে আঠার বছরের অধিককালের জন্য সঞ্চিত করতে হবে, সেক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যতিক্রমের ক্ষেত্র ছাড়া এরূপ নির্দেশ উপরোক্ত মেয়াদ অপেক্ষা অধিককালের জন্য বাতিল বলে গণ্য হবে। এরূপ মেয়াদদ্বয়ের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ও এর আয় এরূপ ভাবে ব্যবহার করা যাবে, যেন যে সময়ের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা অতিবাহিত হয়ে গেছে।

(২) এই ধারা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশকে প্রভাবিত করবে না-
(অ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ববান কোন ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ, অথবা
(আ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ত্ববান কোন ব্যক্তির সন্ধান বা দূরবর্তী বংশধরগণের সম্পত্তির আয়ের অংশ লাভের ব্যবস্থা করার জন্য, অথবা
(ই) হস্তান্তরিত সম্পত্তি সংরক্ষণ বা দেখাশুনার জন্য এবং এই সকল উদ্দেশ্যে সে অনুযায়ী সঞ্চয়ের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।

৭৯.
অকৃষি প্রজা 'ক' এবং তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নে ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সরাসরি হাইকোর্টে আপিল করা যাবে
  3. ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

৮০.
রাহিম তার সমস্ত সম্পত্তি করিমকে দান করলেন। এক্ষেত্রে, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুসারে রাহিমের কোন ধরনের দেনার জন্য করিম ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে?
  1. অতীতের সকল দেনার জন্য
  2. দানের সময় বিদ্যমান সকল দেনার জন্য
  3. ভবিষ্যতের সকল দেনার জন্য
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খ) দানের সময় বিদ্যমান সকল দেনার জন্য।

• সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১২৮: সার্বজনীন দানগ্রহীতা:
দাতা তার সমস্ত সম্পত্তি কাউকে দান করে গেলে গ্রহীতাকে সার্বজনীন দানগ্রহীতা বলে। সার্বজনীন দান গ্রহীতা দাতার দানের সময় বিদ্যমান সমস্ত দেনা ও দায়ের জন্য দানের সম্পত্তির মূল্যের সমপরিমাণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে।

Section 128: Universal donee-
Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.

৮১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারায় কাকে আদেশ পর্যালোচনার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

 SAT, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।