পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০ পার্ট-১) ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব। ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব। ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ : প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। পার্ট-২) বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: শওকত আলী, শওকত ওসমান, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: শহীদ কাদরী, শহীদুল্লা কায়সার, শামসুজ্জামান খান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন সেন, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সমর সেন, সরদার জয়েন উদ্দিন, সানাউল হক, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: বাংলাপিডিয়া, যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
'ইঁদুর' ছোটগল্পটি কে রচনা করেন?
  1. সত্যেন সেন
  2. সোমেন চন্দ
  3. সমর সেন
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সোমেন চন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমেন চন্দ
ব্যাখ্যা
'ইঁদুর' ছোটগল্প:
- সোমেন চন্দ রচিত একটি ছোটগল্প।
- জীবনের পরতে পরতে বাস্তবতার অনুশীলন যে আমরা প্রতিনিয়ত করে চলেছি , আমাদের শাণিত বোধ যেখানে আটপৌড়ে সেখানে একটি ইঁদুরের সংগ্রাম মানুষের বিরুদ্ধে।
- এই পটভূমিতে ইঁদুর একটি অসাধারন গল্প যার থেকে কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ কথাসাহিত্য রচনার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

সোমেন চন্দ:
- তিনি ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী ও সাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণ নাম সোমেন্দ্র কুমার চন্দ।
- ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে তিনি নিহত হন।
- তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘ইঁদুর’ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বেণের মেয়ে' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. শামসুজ্জামান খান
  2. সমর সেন
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. সরদার জয়েনউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।
- তিনি বাংলা ভাষার প্রথমগ্রন্থ 'চর্যাপদ' নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন।
- তিনি ১৮৯৮-তে 'মহামহোপাধ্যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট (১৯২৭) লাভ করেন।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী উপন্যাস:
- বেণের মেয়ে,
- কাঞ্চনমালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'জাহেদ এবং হুরমতি' শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. দিগন্তে ফুলের আগুন
  2. সংশপ্তক
  3. সারেং বৌ
  4. কৃষ্ণচূড়া মেঘ
সঠিক উত্তর:
সংশপ্তক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশপ্তক
ব্যাখ্যা
'সংশপ্তক' উপন্যাস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস।
- সংশপ্তক' উপন্যাস বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক বাস্তবতার এক প্রামাণ্য দলিল।
- হিন্দু-মুসলিমের সহঅবস্থানে অসাম্প্রদায়িক জীবনবােধ উপন্যাসের অন্যতম অসাধারণ বিষয়।
- এই উপন্যাস দেশ, জাতি, মানুষ বাঁচানোর সংগ্রাম শুধু নয়, মানবিক চেতনাবোধ, আমাদের হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক সমাজে গঠনের আবেদন ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে জানান দিয়েছেন লেখক ।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জাহেদ, হুরমতি, লেকু, রমজান, রাবেয়া খাতুন (রাবু), সেকেন্দার, মালু, রামদয়াল ইত্যাদি।

শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উপন্যাস:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পুরস্কার লাভ করেন?
  1. নজরুল স্বর্ণপদক
  2. মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার
  3. আলাওল সাহিত্য পুরস্কার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার
ব্যাখ্যা
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- তিনি প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ লাভ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ছোবল,
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- একগ্লাস অন্ধকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
সুকান্ত ভট্টাচার্য কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ফরিদপুর
  2. গোপালগঞ্জ
  3. কলকাতায়
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
ব্যাখ্যা
সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।
- এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে।

সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- পূর্বাভাস,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'যাত্রা' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
  4. ত্রিভুজ প্রেম
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
'যাত্রা' উপন্যাস:
- শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যাত্রা।
- এই উপন্যাসে যুদ্ধের প্রথম দিকের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
- শুরুর প্রাক্কালে দলে দলে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে; আবার পেছন ফিরে তাকাচ্ছে। এ পলায়ন শুধু চেতনাগত নয়, মানসিকভাবেও পলায়ন।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অধ্যাপক রায়হান মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছেন।
- একসময় প্রগতিশীল রাজনীতিক রায়হান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন কি নেবেন না- এ সংশয় ও দ্বিধায় শেষাবধি যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি।
- ১৯৭২ সালে রচিত হয় 'যাত্রা' উপন্যাসটি। তবে প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'আলবেরুনী' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. সত্যেন সেন
  3. সানাউল হক
  4. সরদার জয়েন উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
সত্যেন সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন সেন
ব্যাখ্যা
সত্যেন সেন:
- তিনি সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
- সত্যেন সেন ১৯০৭ সালে বিক্রমপুরের সোনারঙ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৪ সালে দৈনিক সংবাদ-এ সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু হয়। এ দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে সত্যেন সেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

সত্যেন সেন রচিত উপন্যাস:
- অভিশপ্ত নগরী,
- পাপের সন্তান,
- পদচিহ্ন,
- আলবেরুনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"বেণু ও বীণা" কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. আবুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি ও ছান্দসিক।
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন - নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট’ এই উক্তিটি করেন কে?
  1. সমর সেন
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. শামসুর রহমান
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর সেন
ব্যাখ্যা
সমর সেন:
- তিনি মূলত কবি ছিলেন। তাঁকে আধুনিক যুগের নাগরিক কবি বলা হয়।
- প্রথিতযশা গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর পিতামহ।
- ‘আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট’ - এভাবেই তিনি মার্কসবাদের প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ ঘোষণা করেন।
- তিনি রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদক ছিলেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- কয়েকটি কবিতা,
- গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা,
- নানাকথা,
- খোলাচিঠি,
- তিন পুরুষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
'আদিগন্ত' সরদার জয়েনউদ্‌দীন রচিত কোন ধরনের রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. ছোটগল্প
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
'আদিগন্ত' উপন্যাস:
- 'আদিগন্ত' সরদার জয়েন উদ্দিন রচিত একটি উপন্যাস। প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ খিষ্টাব্দে।
- সরলা ও মেহের বয়াতির প্রেমের কাহিনি বর্ণানার ভেতর দিয়ে পল্লিসমাজের জটগুলো অনাবৃতভাবে এতে প্রকাশিত হয়েছে।

সরদার জয়েনউদ্‌দীন:
- তিনি ছিলেন একজন জনপ্রিয় কথাশিল্পী।
- পাবনা জেলার কামারহাটি গ্রামের এক কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম। প্রকৃত নাম মুহম্মদ জয়েনউদ্দীন বিশ্বাস।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অনেক সূর্যের আশা,
- বেগম শেফালী মির্জা,
- রোদের ঢেউ,
- আদিগন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
কোনটি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ?
  1. অর্কেষ্ট্রা
  2. সংবর্ত
  3. উত্তরফাল্গুনী
  4. কুলায় ও কালপুরুষ
সঠিক উত্তর:
কুলায় ও কালপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুলায় ও কালপুরুষ
ব্যাখ্যা
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'মহিম ও সুরেশ' চরত্রদ্বয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যসের অন্তর্গত?
  1. দেনা-পাওনা
  2. গৃহদাহ
  3. বড়দিদি
  4. চরিত্রহীন
সঠিক উত্তর:
গৃহদাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৃহদাহ
ব্যাখ্যা
'গৃহদাহ' উপন্যাস:
- গৃহদাহ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি শ্রেষ্ঠি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়। মাসিক ‘ভারতবর্ষে’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- 'গৃহদাহ' উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
- উপন্যাসের নায়িকা অচলা। মহিম ও সুরেশ দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ বিকর্ষণ উপন্যাসের আলোচ্য বিষয়।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
প্রবন্ধ-গবেষণামূলক গ্রন্থ "স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি" রচনা করেন কে?
  1. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  2. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী:
- তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক।
- তিনি ১৯৩৬ সালের ২৩শে জুন বিক্রমপুরের বাড়ৈখালিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি লেখক সংঘ পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, লেখিকা সংঘ পুরস্কার, একুশে পদক, ঋষিজ পদক লাভ করেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণা:
- অন্বেষা,
- দ্বিতীয় ভুবন,
- নিরাশ্রয় গৃহী,
- আরণ্যক দৃশ্যাবলী,
- অনতিক্রান্তবৃত্ত,
- শরৎচন্দ্র ও সামন্তবাদ,
- বঙ্কিমচন্দ্রের জমিদার ও কৃষক,
- স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত 'চাচা কাহিনী' কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. উপন্যাস
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
'চাচা কাহিনী' গল্পগ্রন্থ:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলির মধ্যে প্রধানতম। প্রায় প্রতিটি গল্পই বিদেশের পটভূমিকা রচিত।
- বিদেশে বিশেষ করে বার্লিন প্রবাসী বাঙালী তরুণ বয়স্ক ছাত্রদের নিয়েই রচিত। অনেক গল্প। স্বয়ং লেখক যৌবনে বার্লিন প্রবাসী ছাত্র ছিলেন। সে সময়কার নানা কাহিনী গল্পাকারে পরিবেশন করেচেন চাচা কাহিনীতে।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর কলমে খাঁটি দেশী যাদু সেরা বিদেশী পলিশে সারাক্ষণ ঝকঝক করছে। চাচা কাহিনীর মতো এমন বিশুদ্ধ উপাদেয় আন্তর্জাতিক রসিকতা বাংলা ভাষায় অন্তত আগে কখনও পড়া যায়নি।

সৈয়দ মুজতবা আলী:

- তিনি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
- চাকরিসূত্রে পিতার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের পর মুজতবা আলী শেষপর্যন্ত শান্তিনিকেতন-এ ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর অধ্যয়ন করে ১৯২৬ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলাদেশে GIS কৌশলটির প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
GIS:
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার এবং সফট্ওয়‍্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।
- GIS সফট্ওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ESRI (Environmental System Research Institute).

⇒ ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

⇒ জিআইএস এর কার্যপ্রণালি (Function of GIS): 
- উপাত্ত সংগ্রহ,
- উপাত্ত আদান-প্রদান,
- উপাত্ত সংস্করণ,
- উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং,
- উপাত্ত উপস্থাপন ও ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
‘জাফলং’ কোথায় অবস্থিত?
  1. জকিগঞ্জ, সিলেট
  2. গোলাপগঞ্জ, সিলেট
  3. গোয়াইনঘাট, সিলেট
  4. জৈন্তাপুর, সিলেট
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট, সিলেট
ব্যাখ্যা
জাফলং:
- জাফলং বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার অন্তর্গত একটি এলাকা।
- জাফলং, সিলেট শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে, ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, এবং এখানে পাহাড় আর নদীর অপূর্ব সম্মিলন বলে এই এলাকা বাংলাদেশের অন্যতম একটি পর্যটনস্থল হিসেবে পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তি এলাকায় জাফলং অবস্থিত।
- এর অপর পাশে ভারতের ডাওকি অঞ্চল।
- ডাওকি অঞ্চলের পাহাড় থেকে ডাওকি নদী এই জাফলং দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।মূলত পিয়াইন নদীর অববাহিকায় জাফলং অবস্থিত।
- জাফলং-এ পাথর ছাড়াও পাওয়া গেছে সাদামাটি বা চীনামাটিও, যদিও সেখানে মাটি বা বালি পরিশোধন করার মতো কোনো অবকাঠামো নেই।
- এই এলাকায় যেমন সাধারণ বাঙালিরা বসবাস করেন, তেমনি বাস করেন উপজাতিরাও।
- জাফলং-এর বল্লা, সংগ্রামপুঞ্জি, নকশিয়াপুঞ্জি, লামাপুঞ্জি ও প্রতাপপুর জুড়ে রয়েছে ৫টি খাসিয়াপুঞ্জি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭.
বরেন্দ্রভূমির আয়তন কত?
  1. ১০,৩২০ বর্গকিলোমিটার
  2. ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার
  3. ৮,৯০৩ বর্গকিলোমিটার
  4. ৭,৯০৩ বর্গকিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
কোনটি রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলা:

- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

⇒ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
- এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
- কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
বাংলাদেশে জি. কে. প্রকল্প একটি -
  1. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  2. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  3. সেচ প্রকল্প
  4. জল পরিবহণ প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
সেচ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশে জি. কে. প্রকল্প একটি সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি. কে. সেচ প্রকল্প) বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প।

⇒ উক্ত প্রকল্প কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- জি.কে সেচ প্রকল্পের এর আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় খরিফ-২ এ সেচযোগ্য জমির পরিমান ৯০৯৩ হেক্টর লক্ষমাত্রার বিপরীতে ৯০০২ হেক্টরে ও রবি মৌসুমে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৭৭৪২ হেক্টর লক্ষমাত্রার বিপরীতে ৬০১৮ হেক্টরে সেচ প্রদান করা হয়েছে এবং খরিফ-১ এ সেচযোগ্য জমির পরিমান ৮৪২ হেক্টর লক্ষমাত্রা অর্জনে নিবিড় মনিটরিং অব্যাহত আছে।
- ফলে তৎসংলগ্ন এলাকার জনগনের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, প্রকল্প এলাকায় দারিদ্রসীমা হ্রাসকরণ সাম্প্রতিক অর্জিত সাফল্যের অন্যতম।
- অত্র বিভাগের আওতাধীন "৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোটনদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্প (১ম পর্যায়) (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৯৪.৬১০ কিঃমিঃ নদ-নদী, খাল, জলাশয় পুনঃখননের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
- এছাড়াও “ভৈরব নদ পুনঃখনন প্রকল্প (২য় পর্যায়)" এর আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় ২৫.৪০০ কিঃমিঃ এর মধ্যে ১৭.৪০০ কিঃমিঃ পুনঃখনন করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২০.
বাংলাদেশে ‘বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ কতটি রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২টি
  2. ২৩টি
  3. ২৪টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- অভয়ারণ্য শব্দটির অর্থ হলো যে জঙ্গলে প্রাণীদের নির্ভয় বিচরণ নিশ্চিত করা হয় তাকে অভয়ারণ্য বলা হয়।
- অভয়ারণ্য হলো এমন বনাঞ্চল, যেখানে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের প্রজনন ও আবাস নিরাপদ রাখতে শিকারিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

⇒ অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়:
১. ঐ এলাকার বন্যপ্রাণী যেন ধ্বংস না হয়।
২. পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেন এই বনাঞ্চল মুক্ত থাকে।
- পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারিরা যাতে এই নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশ না করতে পারে।
- অভয়ারণ্য শুধু স্থলভাগের বনাঞ্চলই হয়ে থাকে তা নয়, জলভাগের অংশও অভয়ারণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সংখ্যা ২৫টি।

উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হলো: রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ, চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, ভোলা, সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, বাগেরহাট, সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা, সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, খুলনা, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চট্টগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২১.
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে কোন পর্বতের?
  1. হিমালয়
  2. ভিসুভিয়াস
  3. ফুজিয়ামা
  4. বিন্ধ্যা
সঠিক উত্তর:
হিমালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল:
- বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে হিমালয় পর্বতের।
- বাংলাদেশে মূলত হিমালয় অঞ্চলের প্রভাবে কিছু গঠন সম্পর্কিত বিশেষত্ব রয়েছে, বিশেষত এর ভূপৃষ্ঠের অস্থিরতা এবং টেকটনিক প্লেটের সংযোগের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ ভাগ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে?
  1. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি
  2. অতিবৃষ্টি
  3. বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঐসব অঞ্চলে খরা, জমির উর্বরতা নষ্ট ইত্যাদি প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। 

ফারাক্কা বাঁধ:

- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে। ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ ও চালুর পর গত পাঁচ দশকে এটি গঙ্গা অববাহিকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছে।
- ফারাক্কার কারণে নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে সমস্ত পদ্মা অববাহিকায়। 
- শুকনো মওসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পানির স্তর অনেক নীচে নেমে যায়। 
- অন্যদিকে, বর্ষা মওসুমে ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
২৩.
বাংলাদেশের সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা -
  1. চাঁদপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. বরিশাল
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
আর্সেনিক:
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম। তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।

উল্লেখ্য,
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

উৎস: i) ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
ii) কালের কন্ঠ।

২৪.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ যার সঙ্গে যুক্ত -
  1. বন্য প্রাণী সংরক্ষণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ভূরাজনীতি
  4. গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ যার সঙ্গে যুক্ত জলবায়ু পরিবর্তন। অন্যদিকে, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, ভূরাজনীতি, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া  এগুলো পরিবেশ সংক্রান্ত হলেই ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-এর সাথে যুক্ত নয়।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:

- ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা। 
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- দেশের কাঙ্ক্ষিত আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি, মৎস্য, বনায়ন, পানি ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ নেদারল্যান্ডস সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যা ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে এনইসি কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
- এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

উৎস: i) পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২৫.
ভাওয়ালের সোপান ভূমি কোন সময়ে গঠিত হয়?
  1. প্লাইস্টোসিনকালে
  2. টারসিয়ারি যুগে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ক্যাম্পস (campos) তৃণভূমি পাওয়া যায় -
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. তুরস্ক
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
ক্যাম্পস:
- ক্যাম্পস (Campos) তৃণভূমি প্রধানত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং আর্জেন্টিনাতে পাওয়া যায়।
- এটি একটি উষ্ণমণ্ডলীয় তৃণভূমি অঞ্চল, যা পাম্পাস তৃণভূমির অংশ হিসেবেও পরিচিত।
- এই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ ঘাসের মাঠ, গুল্ম এবং কিছু গাছপালা দেখা যায়, যা বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল।
- ক্যাম্পস তৃণভূমি কৃষি ও পশুচারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: Britannica.
২৭.
রংপুর জেলার রানীপুকুর ও পীরগঞ্জে কোন খনিজ আবিষ্কৃত হয়েছে?
  1. চুনাপাথর
  2. তামা
  3. পেট্রোলিয়াম
  4. চীনামাটি
সঠিক উত্তর:
তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা
ব্যাখ্যা
তামা (Copper):
- তামা একটি অধাতব খনিজ।
- তামার তৈজসপত্র এক সময় বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে খুবই জনপ্রিয় ছিল এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি বড় ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত।
- বিভিন্ন প্রকার তৈজসপত্র, বৈদ্যুতিক তার, ক্রু-নাট, ডেকোরেশন সরঞ্জামসহ বিভিন্ন কাজে তামা ব্যবহার করা হয়। 
- রংপুর জেলার রানীপুকুর ও পীরগঞ্জ এবং দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার সঙ্গে তামার সন্ধান পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য,
⇒ কঠিন শিলা বা পাথর (Hard Rock or Stone):
- ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২১ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
- মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়।
- এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে।
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ভূগোল ও সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৮.
আপালেশিয়ান পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আপালেশিয়ান পর্বত:
- আপালেশিয়ান পর্বতমালা উত্তর আমেরিকার পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা জুড়ে বিস্তৃত।
- আপালেশিয়ান পর্বতের দৈর্ঘ্য প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি)।
- এটি অ্যালাবামা রাজ্য থেকে শুরু হয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ড পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।
- আপালেশিয়ান পর্বত খুবই প্রাচীন, এবং এটি পৃথিবীর অন্যতম পুরনো পর্বত শ্রেণী।

উৎস: Britannica.
২৯.
ভারতের বিন্ধ্যা কোন ধরনের পর্বত?
  1. আগ্নেয়
  2. সঞ্চিত
  3. ভঙ্গিল
  4. চ্যুতি-স্তূপ
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়।
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
⇒ কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে।
- ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তূপ পর্বত বলে।

⇒ ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোন দেশ সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে কত দূরত্বের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ করতে পারবে না?
  1. ১৫০ গজ
  2. ২০০ গজ
  3. ২৫০ গজ
  4. ৩০০ গজ
সঠিক উত্তর:
১৫০ গজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ গজ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আইন:
- আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনো দেশ বেড়া কিংবা স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- এই নিয়ম মূলত সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। শূন্যরেখা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা এবং অনুমতি প্রয়োজন, যাতে সীমান্তে উত্তেজনা বা অশান্তি সৃষ্টি না হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩১.
'সেন্তোসা দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কিউবা
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
সেন্তোসা দ্বীপ:
- সেন্তোসা দ্বীপ সিঙ্গাপুরে অবস্থিত।
- এটি সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ উপকূলের কাছে অবস্থিত।
- এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। 
- সেন্তোসা দ্বীপে বিভিন্ন বিনোদন পার্ক, সমুদ্র সৈকত, জাদুঘর এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে, যা পর্যটকদের জন্য খুবই আকর্ষণীয়।

উৎস: National Geographic.
৩২.
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের কততম দীর্ঘতম সীমান্ত?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের ৫ম দীর্ঘতম সীমান্ত।
- সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
পৃথিবীর দীর্ঘতম সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.