পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়23 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক, শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট-২) ১) কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি। ২) কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি। ৩) কম্পিউটারের পারঙ্গমতা। ৪) দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৫) কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো -
  1. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
  2. পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. তারিখ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক, দুই, তিন ইত্যাদি।

• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। 
যেমন,
'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ' প্রথম', 'পহেলা', 'প্রথমা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে। 

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়।
যথা- 
• সাধারণ পূরণবাচক: যেমন- তৃতীয়, একাদশ;
• তারিখ পূরণবাচক: যেমন- তেসরা;
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক: যেমন- আধ, সাড়ে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
.
'ঠন' শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে কোন ধরনের শব্দদ্বিত্ব সৃষ্টি হয়?
  1. অনুকার দ্বিত্ব
  2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। 
যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনো ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।

যেমন-
সাঁ করে তির ছুটে যায়, সাঁ সাঁ করে তিরগুলো ছুটে যাচ্ছে, সাঁ সাঁ সাঁ করে অসংখ্য তির চারদিকে ছুটে গেল।

অনেক সময়ে কল্পিত ধ্বনির ভিত্তিতেও ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব তৈরি হয়।
যেমন:
- ফোরা টনটন করে,
- গা ছমছম করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
"মৃগ" শব্দটির বহুবচনে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. পাল
  2. আবলি
  3. মালা
  4. রাশি
ব্যাখ্যা
• 'মৃগ' শব্দের অর্থ- হরিণ।

• 'মৃগ' এর সাথে 'পাল' বহুবচনবোধক শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
তখন - এর বহবচন- 'মৃগপাল'।

উল্লেখ্য,
• প্রাণী বা বস্তুর নামকে বহুবচন করতে ‘সব’, ‘সমূহ’, ‘আবলি’, ‘মালা' ইত্যাদি লগ্নক যােগ করতে হয়।
যেমন:
- সব - ভাইসব, পাখিসব।
- সমূহ - গ্রন্থসমূহ, বৃক্ষসমূহ।
- আবলি - নিয়মাবলি, রচনাবলি।
- মালা - মেঘমালা, পর্বতমালা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ্), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'বর্ষীয়ান' এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. বর্ষীয়সি
  2. বর্ষিয়সী
  3. বর্ষীয়সী
  4. বর্ষিয়সি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'বর্ষীয়ান' শব্দের অর্থ - প্রবীণ ও অভিজ্ঞ, সর্বজ্যেষ্ঠ।

• 'বর্ষীয়ান' এর স্ত্রীবাচক - 'বর্ষীয়সী'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
গঠন অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. যৌগিক শব্দ
  2. সাধিত শব্দ
  3. রূঢ়ি শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে মৌলিক এবং সাধিত – এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

• মৌলিক শব্দ :
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনাে অংশ থাকে না, সেগুলােকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন – গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ :
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন – পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ।

অন্যদিকে,
 অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ:
- অর্থানুসারে শব্দ তিন প্রকার।
যথা- 
(ক) যৌগিক শব্দ,
(খ) রূঢ়ি শব্দ এবং
(গ) যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন পদের বচনভেদ হয়?
  1. বিশেষ্য
  2. সর্বনাম
  3. অব্যয়
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• 'বিশেষ্য ও সর্বনাম' দুটি পদের বচনভেদ হয়।

• 'বচন':
- 'বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ। 
- এর অর্থ সংখ্যার ধারনা।
- ব্যাকরনের বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারনা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।
- কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"পুলিশ সাহেব" কোন কোন ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ইংরেজি + তুর্কি
  2. ইংরেজি + তৎসম
  3. ইংরেজি + আরবি
  4. ইংরেজি + ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'পুলিশ সাহেব' হচ্ছে 'ইংরেজি + আরবি' ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।

• কয়েকটি 'আরবি+ফারসি' ভাষার শব্দ: 
- আদমশুমারি, ওকালতনামা, কেতাদুরস্ত, বরকন্দাজ। 

• কয়েকটি 'ইংরেজি + ফারসি' ভাষার শব্দ:
- হেডমৌলভি, ডাক্তারখানা, ডাক্তারবাবু, সিলমোহর, জেলখানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন ধরনের সংখ্যাশব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে?
  1. ক্রমবাচক
  2. তারিখবাচক
  3. ভগ্নাংশবাচক
  4. সাধারণ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• সাধারণ পূরণবাচক শব্দ:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।

এগুলো আবার সংক্ষিপ্তরূপেও লেখা যায়।
যেমন - ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।

• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন - প্রথমা, দ্বিতীয়া, অষ্টমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত কোন শ্রেণির বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃতের অনুরূপ?
  1. দেশি
  2. তৎসম
  3. তদ্ভব
  4. বিদেশি
ব্যাখ্যা
• প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। যথা:
পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

• সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
১০.
নিচের কোন শব্দটির উৎসমূল আরবি?
  1. আয়না
  2. দরজি
  3. জৌলুস
  4. দরজা
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'জৌলুস' - আরবি শব্দ।

• 'জৌলুস' বলতে বোঝায়-
- দীপ্তি, ঔজ্জ্বল্য।

• আরো কিছু আরবি শব্দ হলো :
আজান, আল্লাহ্, আদম, কোরান, ফকির, খাতা, খারাপ, নগদ, তবলা, আসামি, ইজ্জত, দৌলত, গজল, শহিদ, শুরু,  কাবাব, খারিজ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'আয়না', দরজি, দরজা- ফারসি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
"এইটুকুন" শব্দের 'টুকুন' হলো -
  1. প্রত্যয়
  2. পদাশ্রিত নির্দেশক
  3. বিভক্তি
  4. অনুসর্গ
ব্যাখ্যা
• কিছু পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার:
- তা (,দশ তা কাগজ), পাটি (একপাটি জুতো), গোটা (গোটা দেশ) পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো শব্দের আগে বসে।

আবার,
টুকুন (দুধটুকুন, এইটুকুন), গুলিন (পটলগুলিন), গাছা(লাঠিগাছা), টি (বইটি) শব্দগুলো শব্দের পরে বসে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
কোন শব্দটি অপত্নীবাচক?
  1. চাচি
  2. বোন
  3. দাদি
  4. জেলেনি
ব্যাখ্যা
• 'বোন' - অপত্নীবাচক শব্দ। 

সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের।
যথা -  
- পত্নীবাচক, 
- অপত্নীবাচক।

পত্নীবাচক:
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। 
যেমন: পিতা-মাতা, চাচা- চাচি, দাদা- দাদি, জেলে- জেলেনি, গুরু- গুরুপত্নী, নন্দাই - ননদ ইত্যাদি। 

• অপত্নীবাচক: 
স্বামী- স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। 
যেমন: খোকা- খুকি, ছাত্র- ছাত্রী, শিক্ষক- শিক্ষিকা, ভাই- বোন, নেতা- নেত্রী, পাগল- পাগলি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, দে, পা, খা, হ, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে কোন নতুন ধাতু গঠিত হয়?
  1. সংযোগমূলক ধাতু
  2. নাম ধাতু
  3. প্রযোজক ধাতু
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সংযোগমূলক ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, দে, পা, খা, হ, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তা-ই সংযোগমূলক ধাতু।
যেমন:
- যোগ (বিশেষ্য পদ) + কর্ (ধাতু) = ‘যোগ কর’ (সংযোগমূলক ধাতু)।

এরূপ-
• ভয় কর্‌, লজ্জা কর্‌, জলদি কর্‌।
• বড় হ, ছোট হ, ভালো হ।
• উত্তর দে, টাকা দে।
• সাঁতার কাট্‌, জিভ কাট্‌ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
কোন পদের সঙ্গে "-টা, -টি" নির্দেশক বসে?
  1. বিশেষ্য
  2. সর্বনাম
  3. বিশেষণ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
"-টা, -টি" নির্দেশকের ব্যবহার:
- বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে -টা, টি নির্দেশক বসে।
- এর দুটি রূপান্তর: -টো ও -টে।
যেমন,
- বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা, কিছুটা, একটা, সারাটা, করাটা; দিনটি, মেয়েটি, একটি, কয়েকটি, আরেকটি; দুটো; তিনটে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
'হাতে হাতে' কোন ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  2. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  3. অনুকার দ্বিত্ব
  4. অনুসর্গ দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমন,
– জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত:
ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
'খাওন' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ খা + ওন
  2. √ খাও + ন
  3. √ খা + অন
  4. √ খাও + অ
ব্যাখ্যা
• ‘আ’ কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত কিছু শব্দ হলো:
- √খা + অন = খাওন;
- √ছা + অন = ছাওন;
- √দে + অন = দেওন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
"এত এত কাজের চাপ, শেষ হবে কী করে!" - এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পুনরাবৃত্তি
  2. সামান্য
  3. কালের বিস্তার
  4. আধিক্য
ব্যাখ্যা
• "এত এত কাজের চাপ, শেষ হবে কী করে!" বাক্যে 'এত এত' দ্বিরুক্ত শব্দটি 'আধিক্য ' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
এখানে কাজের পরিমাণ অত্যধিক, অতিরিক্ত বা অনেক বেশি হওয়া বুঝানো হয়েছে

অব্যয় পদের কয়েকটি দ্বিরুক্তির উদাহরণ - 
- ভাবের গভীরতা বোঝাতে: সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
- পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
- অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
- বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
- ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. গাড়োয়ান
  2. তেজস্বী
  3. মেধাবী
  4. মায়াবী
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ে গঠিত কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়:
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী,
- মেধা + বিন = মেধাবী,
- মায়া + বিন = মায়াবী,
- যশঃ + বিন = যশস্বী,
- নীলিমা = নীল = ইমন ,
- গুরু + অ = গৌরব ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
- দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
- গাড়ি + ওয়ান (>আন) = গাড়োয়ান;
- কারি + গর = কারিগর;
- গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
"পড়ছে" কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ অতীত
  2. নিত্যবৃত্ত অতীত
  3. ঘটমান বর্তমান
  4. পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
ঘটমান বর্তমান কাল:
- যে কাজ শেষ হয়নি, এখনও চলছে, সে কাজ বোঝানোর জন্য ঘটমান বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়,
যথা:
- হাসান বই পড়ছে।
- তাহিয়া গান গাইছে।
- আমি স্কুলে যাচ্ছি।
- আমাদের পরীক্ষা চলছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২০.
প্রিন্ট করা লেখাকে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে কোনটি?
  1. ওএমআর
  2. বার কোড রিডার
  3. ওসিআর
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
- অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
- ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
- টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
- এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
- ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়।
- ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
২১.
কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. রেজিস্টার
  2. রম
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় "রেজিস্টার"।

• রেজিস্টার:

- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

• ক্যাশ মেমোরি:
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।

• রম (ROM):
- ROM এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাটাইল মেমোরি (Non-Volatile Memory)। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
নিচের কোনটির মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়?
  1. CPU
  2. RAM
  3. Motherboard
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি প্রথম Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৩.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. পাইলস
  2. লিভার ক্যান্সার
  3. হার্ট অ্যাটাক
  4. চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
• "হার্ট অ্যাটাকের " চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪.
নিচের কোনটি ১০২৪ জেটাবাইট (ZB)-এর সমতুল্য?
  1. ১ ইট্রাবাইট (YB)
  2. ১ পেটাবাইট (PB)
  3. ১ গিগাবাইট (GB)
  4. ১ এক্সাবাইট (EB)
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
- ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
- ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
- ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৫.
ই-লার্নিং কী?
  1. বই কেনাবেচার সাইট
  2. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা
  3. ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো
  4. স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

[ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পন্ন হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলি সীমাবদ্ধ বা ভুল কারণ:
'বই কেনাবেচার সাইট' শুধুমাত্র একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম; 'ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো' ই-লার্নিং এর একটি অংশ মাত্র এবং 'স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল' খুবই সীমিত ধারণা।

• ই-লার্নিং এ অন্তর্ভুক্ত থাকে: ভিডিও লেকচার, ইন্টারেক্টিভ কোর্স মেটেরিয়াল, অনলাইন কুইজ ও পরীক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স, অনলাইন ডিসকাশন ফোরাম ইত্যাদি]

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
সিপিইউ-এর কোন অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. স্মৃতি অংশ
  3. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। এই অংশ সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।

• সিপিইউ (CPU):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর গঠন:
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
বিসিডি কোড গঠনের জন্য কয়টি বিট প্রয়োজন হয়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড গঠনের জন্য ৪টি বিট প্রয়োজন হয়।

• বিসিডি কোড:

- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে "স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক"।

• টেলি ব্যাংকিং:

- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- এটি এমন একটি সেবা যেখানে গ্রাহকরা সশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে কল করে লেনদেন করতে পারতেন।
- টেলিফোন ব্যংকিং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮০-এর দশকে।
- প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের গিরোব্যাংক-এর হাত ধরে।
- ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও, ২০১০ সালের দিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আবির্ভাব টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে ১৯৯৭ সালের পহেলা মার্চ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং সময় নিউজ রিপোর্ট।।
২৯.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. মনিটর
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

• মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
কম্পিউটার অপারেশনে কোন ধরনের গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. দশমিক
  2. বাইনারি
  3. জ্যামিতি
  4. বুলিয়ান
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার অপারেশনে "বাইনারি" পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২।
- (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + Alt + R
  2. Ctrl + Shift + F
  3. Ctrl + Shift + C
  4. Ctrl + Shift + P
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S : একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

উৎস: Computerhope website.
৩২.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. ৬১৩
  2. ৩৮৭
  3. ৬৭
  4. ১৭১০
ব্যাখ্যা
• ৩৮৭ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:

- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৬১৩, ১৭১০, ৬৭ কিন্তু ৩৮৭ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৩৩.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে কী বলা হয়?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  3. স্টার্টআপ ডিস্ক
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককে স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।

• সিস্টেম সফট্ওয়্যারের কাজ:
- কম্পিউটারের সূইচ অন করার পর অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় কম্পিউটারের র‍্যামে কি পরিমাণ জায়গা আছে।
- এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক (Startup Disc) খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয় অংশ RAM-এ নিয়ে আসে।
- কী-বোর্ড, ডেস্ক এক্সেসরিজ ইত্যাদির প্রয়োজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় চলে আসে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য আবারও স্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসোর্সগুলো নিয়ে আসে।
- সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হলে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর নির্দেশের অপেক্ষাতে থাকে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• "PROM" ইউনিপোলার মেমরি নয়।

• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়।
যথা:
১. বাইপোলার মেমরি ও
২. ইউনিপোলার মেমরি।

• ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
(727.6) কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন-
  1. 111010111.110
  2. 110010101.110
  3. 101010011.111
  4. 11101101.1101
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (727.6) কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন-

সমাধান:
৩৬.
মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে যন্ত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  4. বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
- বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন তাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- অর্থাৎ বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৭.
সিরিয়াল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট ৯ পিনবিশিষ্ট।

• পোর্ট:

- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার- এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?
  1. 2 ন্যানো সেকেন্ড
  2. 1 ন্যানো সেকেন্ড
  3. 0.5 ন্যানো সেকেন্ড
  4. 1.50 ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?

সমাধান:
109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1 সেকেন্ড
∴ 1 ট নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1/109 সেকেন্ড
= 10-9 সেকেন্ড
= 1 ন্যানো সেকেন্ড।