ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩[৫ - {২ + (৬ - ৯ + ১)৪}] -এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
৩[৫ - {২ + (৬ - ৯ + ১)৪}]
= ৩[৫ - {২ + (- ২)৪}]
= ৩[৫ - {২ + - ৮}]
= ৩[৫ - {- ৬}]
= ৩[৫ + ৬]
= ৩ × ১১
= ৩৩
১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন
প্রশ্ন: ৩[৫ - {২ + (৬ - ৯ + ১)৪}] -এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
৩[৫ - {২ + (৬ - ৯ + ১)৪}]
= ৩[৫ - {২ + (- ২)৪}]
= ৩[৫ - {২ + - ৮}]
= ৩[৫ - {- ৬}]
= ৩[৫ + ৬]
= ৩ × ১১
= ৩৩
প্রশ্ন: ভাই ও বোনের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৪ : ৩ এবং ৩ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত ৫ : ৪ হবে। বোনের বর্তমান বয়স কত?
সমাধান:
ধরি,
ভাইয়ের বর্তমান বয়স = ৪ক বছর
বোনের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর
প্রশ্নমতে ৩ বছর পর,
(৪ক + ৩) : (৩ক + ৩) = ৫ : ৪
⇒ ৪(৪ক + ৩) = ৫(৩ক + ৩)
⇒ ১৬ক + ১২ = ১৫ক + ১৫
⇒ ১৬ক - ১৫ক = ১৫ - ১২
∴ ক = ৩
∴ বোনের বর্তমান বয়স = ৩ × ৩ = ৯ বছর
প্রশ্ন: একটি প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য ২৫০ মিটার। ৩২০ মিটার লম্বা একটি ট্রেনকে ঐ প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করতে কত দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে?
সমাধান:
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ৩২০ মিটার
প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২৫০ মিটার
∴ প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করতে ট্রেনকে অতিক্রম করতে হবে = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য
= ৩২০ + ২৫০ মিটার
= ৫৭০ মিটার
প্রশ্ন: ৯০ গ্যালন অকটেন মিশ্রিত পেট্রোলে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৭ : ২। এতে আরও কত অকটেন মিশালে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৫ : ৩ হবে?
সমাধান:
প্রাথমিক অনুপাত: পেট্রোল ∶ অকটেন = ৭ ∶ ২
অনুপাতের যোগফল = ৭ + ২ = ৯
∴ পেট্রোলের পরিমাণ = ৯০ × (৭/৯) = ৭০ গ্যালন
∴ অকটেনের পরিমাণ = ৯০ × (২/৯) = ২০ গ্যালন
ধরা যাক আরও x গ্যালন অকটেন মেশানো হবে।
নতুন অনুপাত হবে,
৭০ : (২০ + x) = ৫ : ৩
⇒ ৭০/(২০ + x) = ৫/৩
⇒ ৩ × ৭০ = ৫ × (২০ + x)
⇒ ২১০ = ১০০ + ৫x
⇒ ৫x = ১১০
⇒ x = ২২
∴ ২২ গ্যালন অকটেন আরও মিশালে অনুপাত ৫ : ৩ হবে।
প্রশ্ন: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১২ কি.মি ও ৩ কি.মি । স্রোতের অনুকূলে ৪৫ কি.মি পথ অতিক্রম করে পুনরায় স্রোতের প্রতিকূলে ফিরে আসতে নৌকাটির মোট কত সময় লাগবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
নৌকার বেগ = ১২ কি.মি/ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = ৩ কি.মি/ঘণ্টা
∴ স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ = (১২ + ৩) = ১৫ কি.মি/ঘণ্টা
∴ স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (১২ - ৩) = ৯ কি.মি/ঘণ্টা
∴ ৪৫ কি.মি পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে = ৪৫/১৫ = ৩ ঘণ্টা
এবং
৪৫ কি.মি পথ পুনরায় স্রোতের প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগবে = ৪৫/৯ = ৫ ঘণ্টা
∴ মোট সময় লাগবে = ৩ + ৫ = ৮ ঘণ্টা
Correct answer: Mausoleum.
Mausoleum (noun)
- English meaning: A large tomb, especially a usually stone building with places for entombment of the dead above ground.
- Bangla meaning: জাঁকজমকপূর্ণ সমাধি।
Example sentence:
1. The Taj Mahal is perhaps the world's most famous mausoleum.
2. She visited the mausoleum to pay her respects to the deceased leader.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
Correct answer: to work very hard to do something.
Move heaven and earth (Phrase)
- English meaning: to work very hard to do something.
- Bangla meaning: আপ্রাণ চেষ্টা করা, যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
Example sentence:
1. He'll move heaven and earth to get it done on time.
2. She vowed to move heaven and earth to get her children into a better school.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
Active: The workers demanded to increase their wages.
Passive: The workers demanded that their wages should be increased.
• Decide/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decided/ demand ইত্যাদি + infinitive (to) + object যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম হচ্ছে -
- প্রদত্ত active voice এর subject ও verb বসে
- এরপর that বসে
- infinitive (to) এর পরের object বসে
- এরপর should be বসে
- infinitive (to) এর পরের verb এর Past participle বসে।
Other options:
ক) The workers demanded that their wages should be increased by them.
- এটি ভুল কারণ, Decide/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decided/ demand ইত্যাদি + infinitive (to) + object যুক্ত active voice কে passive করার এ ধরনের বাক্যে 'by them' ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
খ) The workers demanded that their wages would be increased.
- এটি ভুল কারণ, Decide/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decided/ demand ইত্যাদি + infinitive (to) + object যুক্ত active voice কে passive করার এ ধরনের বাক্যে should be+ verb এর Past participle বসে।
ঘ) The workers demanded that their wages would be increased by them.
- এটি ভুল কারণ, Decide/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decided/ demand ইত্যাদি + infinitive (to) + object যুক্ত active voice কে passive করার এ ধরনের বাক্যে 'by them' ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
Correct answer: Harm watch, harm catch.
- Harm watch, harm catch.
- ভয় করলে ভয় আপনি এসে পড়ে / ডরালেই ডরে ধরে।
- অথবা পরের মন্দ করতে গেলে নিজের মন্দ আগে হয়।
• প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।
Source: Live MCQ Lecture.
Direct speech: Father said to his son, "Have you finished your homework?"
Indirect speech: Father asked his son if he had finished his homework.
• Interrogative এর ক্ষেত্রে, Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রথমে Reporting verb এর Subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে পরিবর্তিত হয়ে tense অনুযায়ী ask/asked বসে।
- তারপর Reported speech টি যদি auxiliary verb দ্বারা শুরু হয় তাহলে Inverted comma তুলে দিয়ে linker হিসেবে if/whether বসবে।
- তবে, Reported speech টি যদি "Wh" word দ্বারা শুরু হয় তাহলে তা অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ, সেই "Wh" question word টিই conjunction হিসেবে বসবে।
- reported speech এর Subject বসে।
- Direct speech এর Tense- Indirect speech এ পরিবর্তন হয়।
- বাকি অংশ বসবে।
Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে অগ্রগামী ও প্রগতিশীল ভাবনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- নজরুল ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কৈশোরে থিয়েটার ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ সালের শেষের দিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তিনি মাধ্যমিকের প্রি-টেস্ট পরীক্ষা না দিয়েই সেনাবাহিনীতে ভর্তি হন।
- নজরুল ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে একজন সাধারণ সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তাঁর কর্মস্থল ছিল করাচি সেনানিবাস।
- প্রায় আড়াই বছর তিনি সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেন।
- এই সময়ে তাঁর পদোন্নতি ঘটে; তিনি কর্পোরাল পদে উন্নীত হন এবং পরবর্তীতে কোয়ার্টার মাস্টার (হাবিলদার) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- অবশেষে ১৯২০ সালে তিনি সেনাবাহিনী ত্যাগ করেন।
- ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করার পর তিনি সাংবাদিকতা পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- পরবর্তীতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী কবিতা ও সাময়িকী প্রকাশ করা শুরু করেন।
- তাঁর কবিতায় মানুষের প্রতি অন্যায়, সামাজিক শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মূলভাব হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
- নজরুল বাংলা কাব্যে নতুন ধারার জন্ম দেন, ইসলামী সঙ্গীত (গজল), শ্যামা সংগীত ও হিন্দু ভক্তিগীতির মাধ্যমে।
- তিনি প্রায় ৩০০০ গান রচনা করেছেন, যেগুলো নজরুল গীতি নামে পরিচিত।
- তিনি মধ্যবয়সে পিক্স ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে সাহিত্যচর্চা ও মানসিক ভারসাম্য হারান।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে সপরিবারে ঢাকা আসেন নজরুল এবং এখানেই তিনি ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
• নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো —
- অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, চক্রবাক, প্রলয় শিখা, দোলনচাঁপা ও ভাঙার গান।
• তাঁর গল্পগ্রন্থ — শিউলিমালা, বেদনার দান ও পদ্মগোখরা।
• তাঁর নাটক — আলেয়া, ঝিলিমিলি, মধুমালা ও পুতুলের বিয়ে।
• তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস — বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
• তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ — যুগবাণী (যা নিষিদ্ধ হয়েছিল) ও রাজবন্দীর জবানবন্দী।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা [লিঙ্ক];
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- ‘অলৌকিক ইস্টিমার’।
-------------------------
• ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ কাব্য নিয়ে কিছু কথা:
- ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ হলো প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখক ও কবি হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মূলত প্রেম, বিরহ, ব্যক্তিগত শোক এবং অস্থির সময়ের অনুভূতি ফুটে উঠেছে। প্রচলিত রোমান্টিক কাব্যরীতির বাইরে গিয়ে হুমায়ুন আজাদ এখানে ভিন্নধর্মী ও বিমূর্ত শৈলী প্রয়োগ করেছেন, যা তার পরবর্তী কবিতার ধারার সূচনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখযোগ্য কবিতার মধ্যে আছে—"স্নানের জন্যে জল দাও বাতাস," "আত্মহত্যার অস্ত্রাবলি," ও "জ্যোৎস্নার অত্যাচার"। এই কাব্যগ্রন্থ হুমায়ুন আজাদের সাহিত্যিক জীবনের শুরু এবং প্রথাবিরোধী ধারার পরিচায়ক হিসেবে বিবেচিত।
-----------------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আবদুর রাশেদ (স্কুল শিক্ষক) এবং মাতার নাম জোবেদা খাতুন।
- তাঁর জন্মনাম ছিল হুমায়ুন কবির, যা ১৯৮৮ সালে তিনি পরিবর্তন করে হুমায়ুন আজাদ রাখেন।
- হুমায়ুন আজাদ সাহিত্যে প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক চিন্তাধারার লেখক ছিলেন।
- তিনি যা ভাবতেন তা সাহসের সঙ্গে প্রকাশ করতেন, ফলে বিতর্ক ও বিরোধের মুখে পড়তেন।
- এক পর্যায়ে মৌলবাদীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে প্রায় পঙ্গু হন।
- ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট জার্মানির মিউনিখে হুমায়ুন আজাদের মৃত্যু হয়।
- হুমায়ুন আজাদের সাহিত্যকর্ম বিস্তৃত:
• হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার (১ম),
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- আমি বেঁচেছিলাম অন্যদের সময়ে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
• ‘প্রতিদিন একদিন’ হলো সাঈদ আহমদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
-----------------------------
• ‘প্রতিদিন একদিন’ নাটকের মূলভাব:
- নাট্যকার সাঈদ আহমদ ‘প্রতিদিন একদিন’ নাটকে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে বাঙালির অর্জন, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধানকে নাট্যরূপে ফুটিয়ে তুলেছে। এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভ্রান্তি এবং আত্ম-অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে রচিত। নাটকটি স্বাধীনতার পর দেশের বাস্তবতা ও মানুষের আদর্শের সংকটের চিত্র তুলে ধরে। এখানে যুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেম কতটুকু টিকে আছে, এবং অর্জিত স্বাধীনতার আদর্শ বাস্তবায়িত হয়েছে কি না—এই প্রশ্নগুলো নাটকের মূল উপজীব্য। সাঈদ আহমদ এই নাটকে পূর্ববর্তী অ্যাবসার্ড শৈলীর পরিবর্তে বাস্তববাদী পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
------------------------------
• সাঈদ আহমদ:
- সাঈদ আহমদ (১৯৩১–২০১০) ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যকার, চিত্রসমালোচক ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন পুরানো ঢাকার ইসলামপুরে, ১ জানুয়ারি ১৯৩১।
- শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
- এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্স থেকে পোস্টগ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন।
- পেশাগত জীবনে বিভিন্ন সময়ে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে আইএমএফ-এ কাজ করার সময় তিনি জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ও ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটিতে গেস্ট লেকচারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত ও নাট্যকলা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন।
- নাট্যজগতে সাঈদ আহমদকে বলা যায় বাংলা ‘থিয়েটার অফ দি অ্যাবসার্ড’ ধারার পুরোধা।
- তাঁর নাটকগুলো ফরাসি, জার্মান, ইতালীয়, উর্দু ও পাঞ্জাবি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো—
- কালবেলা,
- তৃঞ্চায়,
- একদিন প্রতিদিন,
- শেষ নবাব,
- মাইলপোস্ট।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
• "আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে—এই বাংলায়"- উক্তিটি জীবনানন্দ দাশের সৃষ্টিকর্ম।
----------------------------
আবার আসিব ফিরে
-জীবনানন্দ দাশ।
"আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয় - হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়;
হয়তো বা হাঁস হবো - কিশোরীর - ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,
সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে
জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙ্গায়;
-----------------------------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দাশ দুজনেই সাহিত্যচর্চার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- তাঁকে বলা হয় ‘রূপসী বাংলার কবি’।
- কারণ তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ ও স্মৃতিমগ্ন সৌন্দর্য গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে—
• কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।
• উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।
• প্রবন্ধগ্রন্থ: কবিতার কথা।
-------------------------------------
• '‘আবার আসিব ফিরে’' নিয়ে কিছু কথা:
- জীবনানন্দ দাশ-এর ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি মূলত কবির গভীর স্বদেশপ্রেম ও বাংলার প্রকৃতির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে লেখা। কবি মৃত্যুর পরেও বাংলার নদী, মাঠ, শঙ্খচিল, শালিক বা ফসলের ক্ষেতের সঙ্গে মিশে থাকার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। কবিতায় ধানসিঁড়ি নদীর তীর, কুয়াশাচ্ছন্ন বিকেল, কলমি ঘেরা পুকুর—এসব সাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্যকে পরম সুন্দর হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবি মানুষ হিসেবে না হলেও, বাংলার প্রকৃতির অংশ হয়ে বারবার ফিরে আসার অমর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
উৎস:
‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতা;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
• প্রমথ চৌধুরী রচিত চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা ও গ্রন্থ হলো 'বীরবলের হালখাতা'।
--------------------
• 'বীরবলের হালখাতা':
- ‘বীরবলের হালখাতা’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ। এটি ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রবর্তন করেন এবং এই বইতে সেই রীতি পূর্ণরূপে ফুটিয়ে তোলেন। গ্রন্থটি মূলত তৎকালীন বাঙালি সমাজ, সাহিত্যচর্চা, সংস্কৃতি এবং মানসিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে লেখা একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ সংকলন। এখানে বাঙালির অতিরঞ্জিত মনোভাব, চিন্তাধারার সীমাবদ্ধতা এবং কথ্য ভাষার প্রয়োগ সহজ ও সার্থকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রমথ চৌধুরী সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত গদ্য ব্যবহার করে নিজের যুক্তিনির্ভর মত প্রকাশ করেছেন। সংক্ষেপে, বীরবলের হালখাতা হলো তৎকালীন বাঙালি জীবনের ভুলভ্রান্তি ও সাহিত্য-সংস্কৃতির অসারতা নিয়ে লেখা একটি সহজ, বুদ্ধিদীপ্ত ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধগ্রন্থ।
-------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল, এবং তিনি নিজেকে “বাংলা সাহিত্যের বীরবল” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের মেয়ে ইন্দ্রাদেবীকে বিয়ে করেন।
- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনি মাসিক সবুজপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা করেন, যা তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
• কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ।
• গল্পগ্রন্থ: নীললোহিত ও চার ইয়ারি কথা।
• প্রবন্ধগ্রন্থ:
তেল নুন লাকড়ি,
বীরবলের হালখাতা,
নানা কথা,
প্রবন্ধ সংগ্রহ,
রায়তের কথা,
বীরবলের টিপ্পনী,
আমাদের শিক্ষা ইত্যাদি।
প্রশ্ন: 64a2 + 48a এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
সমাধান:
64a2 + 48a
= 64a2 + 48a + 9 - 9
= (8a)2 + 2 ×(8a) × (3)+ (3)2 - 9
= (8a + 3)2 - 9
সুতরাং, 64a2 + 48a এর সাথে 9 যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।
প্রশ্ন: যদি a + b = 4 এবং ab = 3 হয়, তবে a3+ b3 + 4(a - b)2 এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = 4
এবং ab = 3
∴ প্রদত্ত রাশি = a3 + b3 + 4(a - b)2
= (a + b)3 - 3ab (a + b) + 4{(a + b)2 - 4ab}
= (4)3 - 3.3.4 + 4 (42 - 4.3) [মান বসিয়ে]
=64 - 36 + 4. (16 - 12)
= 64 - 36 + 4 × 4
= 64 - 36 + 16
= 44
:. নির্ণেয় মান 44
প্রশ্ন: P = x2 - 16, Q = x2 + 7x + 12, R = 4x + 16 হলে, P, Q ও R এর গ.সা.গু নির্ণয় করুন।
সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = x2 - 16
Q = x2 + 7x + 12
R = 4x + 16
∴ P = x2 - 16
= x2 - 42
= (x + 4) (x - 4)
∴ Q = x2 + 7x + 12
= x2 + 4x + 3x + 12
= x(x + 4) + 3(x + 4)
= (x + 4) (x + 3)
∴ R = 4x + 16
= 4(x + 4)
∴ P, Q ও R এর গ.সা.গু = (x + 4)
প্রশ্ন: p = 7a + 5b + 6c, q = 3a - b + 9c এবং r = - 3c + 6b + 4a হলে, 3p - 4q + 7r মান নির্ণয় করুন।
সমাধান:
দেওয়া আছে,
p = 7a + 5b + 6c
q = 3a - b + 9c
এবং r = - 3c + 6b + 4a
∴ 3p - 4q + 7r = 3(7a + 5b + 6c) - 4(3a - b + 9c) + 7(- 3c + 6b + 4a)
= 21a + 15b + 18c - 12a + 4b - 36c + 28a + 42b - 21c
= 37a + 61b - 39c
প্রশ্ন: P = x2 - 11abx + 24a2b2, Q = x - 3ab হলে, (P ÷ Q) এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = x2 - 11abx + 24a2b2
Q = x - 3ab
∴ (P ÷ Q) = (x2 - 11abx + 24a2b2) ÷ (x - 3ab)
= (x2 - 3abx - 8abx + 24a2b2) ÷ (x - 3ab)
= {x(x - 3ab) - 8ab(x - 3ab)} ÷ (x - 3ab)
= (x - 3ab)(x - 8ab) ÷ (x - 3ab)
= (x - 3ab)(x - 8ab) × 1/(x - 3ab)
= (x - 8ab)
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)
• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।
• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
তথ্যসূত্র: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।
• 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।
• প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ:
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।
- যেই সংসদ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন।
- প্রধানমন্ত্রী হলো সরকারপ্রধান এবং সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি সংসদের নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার জন্য তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা নেত্রী হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
• রাষ্ট্রের উপাদান :
- রাষ্ট্র গঠনের চারটি প্রধান উপাদান রয়েছে।
⇔ প্রথম উপাদান হলো জনসমষ্টি, যা রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।
- জনসমষ্টি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রয়োজন নেই; এটি স্বাধীনভাবে নির্ধারিত হতে পারে।
⇔ দ্বিতীয় উপাদান হলো ভূখন্ড।
- যা জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ প্রদান করে।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়, পর্বত এবং সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।
⇔ তৃতীয় উপাদান হলো সরকার, যা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় এবং এটি তিন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে :
- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত এবং বিচার সংক্রান্ত।
⇔ চতুর্থ এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সার্বভৌমত্ব ছাড়া কোনো দেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যায় না।
- উদাহরণস্বরূপ, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশের সব অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত ছিল না।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়: অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ
• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।
তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫ অনুযায়ী এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন কিংবা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনকে বাতিল, পরিবর্তন বা স্থগিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত নয়। অর্থাৎ, দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর বিধানগুলো এই তিন ধরনের আইনের উপর কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। তাই প্রশ্নে উল্লিখিত অপশন সবগুলোই সঠিক এবং উত্তর হবে “উল্লিখিত সবগুলো”।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ অনুসারে, এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন বা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনের বিধানকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য রাখে না।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 5. Certain laws not to be affected by this Act:
- Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ৮২ ধারাতে বলা হয়েছে যে, ৯ বছরের নিচে কোনো শিশুর দ্বারা সংঘটিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- আইনটি ধরে নেয় যে এত ছোট বয়সে শিশুর মানসিক পরিপক্কতা অপরাধের প্রকৃতি বা পরিণতি বোঝার মতো নয়।
- তাই তাদের কাজকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 82. Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০৩–এ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ (Dishonest misappropriation of property) অপরাধের বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অসাধুভাবে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে সে অপরাধী হবে।
- শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
ব্যাখ্যা ১: কিছু সময়ের জন্য হলেও অসাধু আত্মসাৎ এই ধারার আওতায় পড়বে।
ব্যাখ্যা ২: যদি কেউ কোনো সম্পত্তি খুঁজে পেয়ে মালিককে ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেয়, তবে তা অপরাধ নয়। কিন্তু মালিককে জানা সত্ত্বেও বা খুঁজে বের করার উপায় থাকা সত্ত্বেও যদি সে সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তা অসাধু আত্মসাৎ হিসেবে গণ্য হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করা।
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
--------
⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section.
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it.
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact.
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, তাকে আক্রমণের হুমকি দেওয়া হয়, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫১১–এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ (attempt)–এর শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে।
- প্রশ্নে বলা হয়েছে— ‘ক’ ‘খ’–কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু ‘খ’ তা না খাওয়ায় মৃত্যু ঘটে না। এখানে হত্যা সংঘটিত হয়নি, তবে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি কার্য সম্পাদিত হয়েছে। অর্থাৎ এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ।
- ধারা ৫১১ অনুযায়ী: যদি কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ নেয় এবং সেই উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে সে অপরাধী হবে।
শাস্তি: সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ধারা ৫১১।
⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section.
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ"(Unlawful assembly) বলা হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৪০–এ অবৈধ অবরোধ (Wrongful confinement) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে এমনভাবে আটকে রাখে বা নিয়ন্ত্রণ করে যে সে নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে না পারে, তবে সেটি অবৈধ বন্দীকরণ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z.
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৫৪–এ নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা সে জানে যে তার কাজের ফলে নারীর শালীনতা নষ্ট হতে পারে, তখন সে নারীর প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তবে সে অপরাধী হবে। এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩৫৪।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে-
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৩–এ “অন্যায় লাভ” (Wrongful gain) এবং “অন্যায় ক্ষতি” (Wrongful loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে:
অন্যায় লাভ (Wrongful gain): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তির আইনি অধিকার নেই।
অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা, যার উপর তার আইনি অধিকার রয়েছে।
সুতরাং, ধারা ২৩–এ উভয় ধারণাই—অন্যায় লাভ ও অন্যায় ক্ষতি—সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 'খ' এবং 'গ' উভয়ের।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
"Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০২–এ বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান হলো ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া। অর্থাৎ, ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে কিনা বা ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা, তা অপরাধ প্রমাণের জন্য অপরিহার্য নয়। শুধু ডাকাতির উদ্দেশ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৩৭ অনুযায়ী, যদি কেউ জাল মুদ্রা বলে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও তা বাংলাদেশে আমদানি বা রপ্তানি করে, তবে সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ৩ বছর কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:
-মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 237: Import or export of counterfeit coin:
- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা দেখা দেয়। অর্থাৎ, অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হওয়ার আগেই যদি কোনো ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করেন যে তার শরীরে আঘাত আসন্ন, তখন থেকেই তিনি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এই অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত বহাল থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩০–এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি (যেমন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য) স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করানোর উদ্দেশ্যে কাউকে নির্যাতন করে এবং তাতে সাধারণ আঘাত হয়, তবে এটি একটি অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডও হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ধারা ৩৩০।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section.
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section.
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section.
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩৮ক অনুযায়ী, যদি কেউ জনপথে বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে অন্য কাউকে গুরুতর আঘাত করে, যাতে মানুষের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে সে অপরাধী হবে।
- এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ২ বছর।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৬৯–এ বলা হয়েছে যে, যদি কেউ বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, এবং সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে তার কাজের ফলে সংক্রমণ ঘটতে পারে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ধারা ২৬৯।
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘A’ যদি ‘B’-কে ‘Z’-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয় কিন্তু ‘B’ খুন না করে, তবে অপরাধ সংঘটিত হয়নি। তাই এই ক্ষেত্রে ‘A’-এর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সঠিক উত্তর হলো: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115. Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪২৫–এ "ক্ষতি" (Mischief)–এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি জনসাধারণের বা কারও অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জানে যে তার কাজের ফলে অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট হতে পারে, এমন কোনো কাজ করে যার ফলে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বিনষ্ট বা অবস্থান পরিবর্তিত হয়, এবং এর ফলে সম্পত্তির মূল্য, প্রয়োজনীয়তা বা কার্যকারিতা নষ্ট হয় বা হ্রাস পায়, তবে তা "ক্ষতি" বলে গণ্য হবে।
শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ধারা ৪২৫।
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩০১–এ Doctrine of Transfer of Malice বা দূষ্প্রেচ্ছেদ হস্তান্তর নীতি বর্ণিত হয়েছে। এই নীতির মূল বক্তব্য হলো - যদি কোনো ব্যক্তি কারও মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা জেনে কোনো কাজ করে, কিন্তু সেই কাজের ফলে অন্য কারও মৃত্যু ঘটে, তবে অপরাধীর যে অপরাধমূলক ইচ্ছা বা জ্ঞান প্রথম ব্যক্তির প্রতি ছিল, তা দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত হবে। অর্থাৎ, অপরাধী দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর জন্যও ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে প্রথম ব্যক্তিকেই হত্যা করত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩০১।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয়, যার ফলে নৌকা ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভয় পায়। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪৮২ অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা ট্রেড মার্ক বা মিথ্যা মালিকানা চিহ্ন ব্যবহার করে, তবে সে অপরাধী হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। তবে অভিযুক্ত যদি প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে সে দায়মুক্ত হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ১ বছর।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না।
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৯৯ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি তিনটি উপায়ে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হতে পারে-
১) মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্যই হয় মৃত্যু ঘটানো এবং সেই কাজের ফলে মৃত্যু ঘটে।
২) মৃত্যু ঘটাতে পারে এমন দৈহিক জখম ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করা → যদি কারও উদ্দেশ্য হয় এমন আঘাত দেওয়া যা মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সেই আঘাতের ফলে মৃত্যু ঘটে।
৩) মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জেনে কাজ করা → যদি কেউ জানে যে তার কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবুও তা করে এবং মৃত্যু ঘটে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ৩টি উপায়ে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
- Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
- Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
- Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)
⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
- যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.