পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
[For iPad Mania (Season - 2)] --------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান [পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
কোনটি জাইলেমের টিস্যুর অংশ নয়?
  1. ট্রাকিড
  2. সীভ নল
  3. প্যারেনকাইমা
  4. ভেসেল
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার।
যথা-
১. জাইলেম টিস্যু ও
২. ফ্লোয়েম টিস্যু।

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা।
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা-  ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল,  জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু।

ফ্লোয়েম টিস্যু:
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জীববিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. থিওফ্রাসটাস
  3. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের জনক: 
- বিজ্ঞানের যে কোনো শাখায় প্রথম বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা বা গবেষণার যিনি সূত্রপাত করেন তাকে বিজ্ঞানের ঐ শাখার জনক বলা হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রকৃতি নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল, তাই অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তবে এরও বেশ আগে ভারতীয় উপমহাদেশে ঋিষি অথর্বান, সুম্ভূত প্রভৃতি ব্যক্তিগণ উদ্ভিদ ও চিকিৎসা শাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে ছিলেন।
এছাড়া,
- ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণের জনক।
- থিওফ্রাসটাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতিবিদ্যার জনক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি স্বাভাবিক অঙ্গজ জননের সাহায্যে বংশবিস্তার করে?
  1. লেবু
  2. জবা
  3. পুদিনা
  4. পটল
সঠিক উত্তর:
পটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটল
ব্যাখ্যা
দেহ অঙ্গের মাধ্যমে জনন:
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটে। এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও বলা হয়। 
- এটি দুই ভাবে হতে পারে।
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং (খ) কৃত্রিম অঙ্গজ জনন।

 স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন:
- স্বাভাবিক অঙ্গজ জননে কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি।
 

- কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওল কচু ইত্যাদি। 

- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যথা- পাঁথরকুচি।

কৃত্রিম অঙ্গজ জনন:
- শাখা কলম: কতিপয় উদ্ভিদের শাখা কেটে ভেজা মাটিতে রোপন করলে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যেমন- গোলাপ, চাঁপা, জবা ইত্যাদি ।

- গুটি কলম: অনেক উদ্ভিদের শাখার চারপাশের বাকল ছাড়িয়ে নিয়ে তার চারদিকে সার ও গোবর মাটির প্রলেপ দিয়ে তার উপরে খড় বা চটের বস্তা বেঁধে রাখলে, উক্ত স্থানে শিকড় গজায়, তখন শিকড়সহ শাখাটি থেকে আলাদা করে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- গোলাপ, আম, লেবু, লিচু ইত্যাদি। 

- দাবা কলম: এক্ষেত্রে গাছের একটি শাখাকে মাটির সাথে আবদ্ধ করে প্রত্যেক দিন উক্ত স্থানে পানি দেয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যে মাটিতে আবদ্ধ শাখার পর্ব থেকে মূল গজায়। পরে মূলসহ শাখাটিকে কেটে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- চন্দ্রমল্লিকা, পুদিনা, লেবু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'তারামাছ' কোন পর্বের প্রাণী?
  1. মলাস্কা
  2. একাইনোডার্মাটা
  3. নিডারিয়া
  4. অ্যানেলিডা
সঠিক উত্তর:
একাইনোডার্মাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাইনোডার্মাটা
ব্যাখ্যা
প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস:
- সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।

একাইনোডারমাটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:

- সম্পূর্ণরূপে সামুদ্রিক।
- পানি সংবহনতন্ত্র দেখা যায়।
-  দেহ কন্টকযুক্ত।
- রেচনতন্ত্র অনুপস্থিত।
উদাহরণ - তারামাছ, সমুদ্র শসা ইত্যাদি।

মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- প্রায় সকল প্রাণী সামুদ্রিক।
- দেহ নরম কিন্তু বাইরের দিকে শক্ত খোলসে আবৃত থাকে।
উদাহরণ - শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি।

নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- অধিকাংশ প্রাণী সামুদ্রিক।
- দেহ দুটি ভ্রূণীয় কোষস্তর দ্বারা গঠিত।
- সিলেন্টেরন নামক গহবর দেখা যায়। 
- নিডোব্লাস্ট নামে বিশেষ কোষ দেখা যায়।
উদাহরণ - হাইড্রা, ওবেলিয়া ইত্যাদি।

অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- দেহ নলাকার ও খন্ডায়িত।
- প্রতিটি খন্ডে সিটা থাকে (জোক ব্যতীত)।
- নেফ্রেডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে।
উদাহরণ- কেঁচো, জোক ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
.
কোন কিংডমের প্রাণীরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে?
  1. প্রটিস্টা
  2. ফানজাই
  3. প্লান্টি
  4. অ্যানিমালিয়া
সঠিক উত্তর:
ফানজাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফানজাই
ব্যাখ্যা
সুপার কিংডম ইউক্যারিওটা:
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে সুপার কিংডম ইউক্যারিওটা কে আবার চারটি কিংডমে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-

ফানজাই:
- এরা সাধারণত বহুকোষী এবং দেহ মাইসেলিয়া দ্বারা গঠিত।
- এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
- সালোকসংশ্লেষণকারী বর্ণ কণিকা অনুপস্থিত তাই এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ফলে এরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে।
- এদের পরিবহন টিস্যু নেই।
- হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে।
উদাহরণ- মিউকর, পেনিসিলিয়াম, অ্যাগারিকাস ইত্যাদি। 

প্রটিস্টা:
- প্রটিস্টা কিংডমের অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্য প্রকৃতকোষী কিন্তু সত্যিকারের উদ্ভিদ, প্রাণী বা ছত্রাকের কোনোটিই নয়। 
- এদের প্রকৃত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিয়োলাস বিদ্যমান থাকে ।
- এরা অধিকাংশই জলজ ।
উদাহরণ- বিভিন্ন ধরনের অ্যামিবা, শৈবাল, স্লাইম মোল্ড, ওয়াটার মোল্ড, কাইট্রিডস ইত্যাদি।

প্লান্টি:
- অপর নাম মেটাফাইটা।
- এরা বহুকোষী জীব।
- এদের প্রকৃত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান।
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে।
- কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
- সকল মস্, ফার্ণ, নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদ এ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত।

অ্যানিমালিয়া:
- অপর নাম মেটাজোয়া।
- দেহে ক্লোরোফিল অনুপস্থিত তাই নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না।
যেমন- মানুষ, বাঘ, ইলিশ মাছ, গরু, মহিষ, হাঁস, মুরগী ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি C3 উদ্ভিদ নয়?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের পাথওয়ে:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড হতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেট সৃষ্টির তিনটি স্বীকৃত গতিপথ আবিষ্কৃত হয়েছে।
যথা- (ক) ক্যালভিন চক্র (খ) হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র এবং (গ) CAM পথ। 

ক্যালভিন চক্র: 
- ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাই এ চক্রকে C3 চক্রও বলা হয়। 
- যে সব উদ্ভিদে C3 চক্র বর্তমান তাদেরকে C3 উদ্ভিদ বলা হয়।
- পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদই C3 উদ্ভিদ।
যেমন- ধান, গম, পাট, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি।

হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র: 
- হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড। তাই একে C4 চক্রও বলা হয়। 
- যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
যেমন- ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি।

CAM পথ: 
- CAM চক্র C3 ও C4 চক্র হতে ভিন্নতর। 
- এটি প্রথমে ক্রাসিলুসি গোত্রের উদ্ভিদসমূহে পরিলক্ষিত হয়, তাই একে CAM চক্র বলে। 
- CAM উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র দিনে বন্ধ এবং রাতে খোলা থাকে। 
- অধিকাংশ মরুজ উদ্ভিদ CAM জাতীয় উদ্ভিদ। 
- শুষ্ক পরিবেশে আনারস গাছে C4 চক্র চলে কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পেলে C3 চক্র চলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটিকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়?
  1. সাইকাস
  2. মটরশুটি
  3. মস
  4. ফার্ণ
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- বর্তমান কালের কোনো জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোনো জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- সাইকাস কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ এটি সাইকাডালস বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে সাইকাডালস বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপী বিস্তৃত ছিল। 
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত। এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
-  এ বর্গের সাইকাস সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে। 
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাস এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির। 
- এজন্যই সাইকাস সহ বর্তমান কালের সকল সাইকাডালস বর্গের উদ্ভিদকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পতঙ্গ পরাগী ফুল কোনটি?
  1. জবা
  2. ধান
  3. কদম
  4. শিমুল
সঠিক উত্তর:
জবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবা
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 

পতঙ্গ পরাগী ফুল:
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।

বায়ু পরাগী ফুল:
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল:
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা।
যেমন- পাতা শ্যাওলা।

 প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়।
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. গোল আলু - Solanum melongena
  2. পেঁয়াজ - Allium cepa
  3. পাট - Corchorus capsularis
  4. ধান - Oryza sativa
সঠিক উত্তর:
গোল আলু - Solanum melongena
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল আলু - Solanum melongena
ব্যাখ্যা
কিছু উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম:
গোল আলু - Solanum tuberosum
বেগুন - Solanum melongena
পেঁয়াজ - Allium cepa
পাট - Corchorus capsularis
ধান - Oryza sativa
শাপলা - Nymphaea nouchali
আম - Mangifera indica
কাঁঠাল - Artocarpus Heterophyllus
জবা - Hibiscus rosa-sinensis

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১০.
দ্বিপদ নামকরণের ভাষা হবে -
  1. ল্যাটিন
  2. আরবি
  3. ফারসি
  4. ফরাসি
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
দ্বিপদ নামকরণের নীতিমালা: 
- কতগুলো সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে দ্বিপদ নামকরণ করা হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ বর্তমানে ICN - International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants এর নীতিমালা অনুযায়ী এবং প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN - International Code of Zoological Nomenclature এর নীতিমালা অনুযায়ী। 

নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন। 
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দুইটি অংশ (পদ) থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতির পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতির পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক (ডানদিকে একটু বাঁকা) বা মোটা অক্ষরে হবে।
- হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দুইঅংশে দুইটি টানা দাগ দিতে হবে।
যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
এন্ডোক্রাইনোলজি  হলো-
  1. অঙ্গসংস্থান সম্পর্কিত বিদ্যা
  2. ভ্রূণ সম্পর্কিত বিদ্যা
  3. হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
  4. শারীরতত্ত্ব সম্পর্কিত বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য শাখা:
• অঙ্গসংস্থানবিদ্যা (Morphology) - এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।

• ভ্রূণবিদ্যা (Embryology) -  ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology) - জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।


• শারীরবিদ্যা (Physiology) - জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• কোষবিদ্যা (Cytology) - জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• বংশগতিবিদ্যা (Genetics) - মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• বাস্তুবিদ্যা (Ecology) - জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১২.
আলু বংশবৃদ্ধি করে -
  1. স্টোলনের মাধ্যমে
  2. বাল্বের মাধ্যমে
  3. টিউবারের মাধ্যমে
  4. রাইজোমের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
টিউবারের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিউবারের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন:

• টিউবার - কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে।
যেমন - আলু।


• স্টোলন - কিছু কিছু উদ্ভিদের শাখা কান্ড জননের জন্য পরিবর্তিত হয়। এদের স্টোলন বলে। স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়।
যেমন - কচু, পুদিনা।

• বাল্ব - এরা অতিক্ষুদ্র কান্ড। এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।
যেমন - পেঁয়াজ, রসুন।

• রাইজোম - এরা মাটির নিচে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। পর্বসন্ধিতে শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। অনুকূল পরিবেশে মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
যেমন - আদা।

• অফসেট - জলজ উদ্ভিদের শাখাকান্ড বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
যেমন - কচুরিপানা।

• বুলবিল - কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথ না হয়ে একটি পিন্ডের আকার ধারণ করে। এদের বুলবিল বলে। এসব বুলবিল পরবর্তীতে মাটিতে খসে পড়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।
যেমন -  চুপড়ি আলু। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
১৩.
লাউ ও কুমড়া জাতীয় গাছের কাণ্ডে কি ধরনের ভাস্কুলার বাণ্ডল দেখা যায়?
  1. কেন্দ্রিক
  2. অরীয়
  3. সমপার্শ্বীয়
  4. সমদ্বিপার্শ্বীয়
সঠিক উত্তর:
সমদ্বিপার্শ্বীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমদ্বিপার্শ্বীয়
ব্যাখ্যা
ভাস্কুলার বাণ্ডলের প্রকারভেদ:
- পরিবহন টিস্যু বা ভাস্কুলার বাণ্ডলের মধ্যে জাইলেম ও ফ্লোয়েম বিভিন্নভাবে অবস্থান করে।
- এদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে ভাস্কুলার বাণ্ডলকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা- (ক) সংযুক্ত, (খ) অরীয় ও (গ) কেন্দ্রিক।

ক) সংযুক্ত: 
- জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধে অবস্থান করলে সে বাণ্ডলকে সংযুক্ত ভাস্কুলার বাণ্ডল বলে। 
- সংযুক্ত বাণ্ডল আবার দুই রকম।
যথা- 
১। সমপার্শ্বীয়:
- যে সংযুক্ত ভাস্কুলার বাণ্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধে অবস্থান করে তাকে সংযুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বাণ্ডল বলে। 

২। সমদ্বিপার্শ্বীয়:
- যখন কোন সংযুক্ত ভাস্কুলার বাণ্ডলের মাঝখানে জাইলেম থাকে এবং তার উভয় দিকে ফ্লোয়েম অবস্থান করে এবং উভয় পাশে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর মাঝে ক্যাম্বিয়াম থাকে তাকে সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বাণ্ডল বলে। 

- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ এর মধ্যে লাউ ও কুমড়া জাতীয় গাছের কাণ্ডে এ ধরনের ভাস্কুলার বাণ্ডল দেখা যায়।

(খ) অরীয়:
- যে সকল ক্ষেত্রে জাইলেম এবং ফ্লোয়েম পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন বান্ডল সৃষ্টি করে এবং পাশাপাশি অবস্থান করে তাকে অরীয় ভাস্কুলার বাণ্ডল বলে।
- মূলে এ রকম ভাস্কুলার বাণ্ডল থাকে।

(গ) কেন্দ্রিক: 
- যে ভাস্কুলার বান্ডলের জাইলেম ফ্লোয়েমকে কিংবা ফ্লোয়েম জাইলেমকে ঘিরে থাকে তাকে কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বাণ্ডল বলে।
- কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বাণ্ডল আবার দুই রকম।
যথা-
A. জাইলেম কেন্দ্রিক:
- এক্ষেত্রে জাইলেম কেন্দ্রে থাকে এবং ফ্লোয়েম তাকে ঘিরে রাখে।
যেমন- Pteris, Lycopodium।
B. ফ্লোয়েম কেন্দ্রিক:
- এক্ষেত্রে ফ্লোয়েম কেন্দ্রে থাকে এবং জাইলেম ফ্লোয়েমকে ঘিরে রাখে।
যেমন- Dracaena।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ফুলের গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয়
  2. এদের এন্ডোস্পার্ম ট্রিপ্লয়েড
  3. এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
  4. বীজ ফলের ভেতরে থাকে
সঠিক উত্তর:
এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
ব্যাখ্যা
আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১। এদের ফুল হয়।
২। ফুলের গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয়।
৩। বীজ আবৃত অবস্থায় অর্থাৎ ফলের ভেতরে থাকে ।
৪। এদের কোন অবস্থায়ই আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি হয় না।
৫। এদের দ্বিনিষেক ঘটে।
৬। এদের এন্ডোস্পার্ম (বীজের শাঁস) ট্রিপ্লয়েড, নিষেকের পর তৈরি হয়।
৭। এদের জাইলেম টিস্যুতে ভেসেল থাকে।
৮। এদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিষেকের পর রূপান্তরের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. গর্ভাশয় - ফল
  2. ডিম্বক - বীজ
  3. এক্সাইন - টেগমেন
  4. ডিম্বাণু - ভ্রূণ
সঠিক উত্তর:
এক্সাইন - টেগমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সাইন - টেগমেন
ব্যাখ্যা
নিষেকের পর রূপান্তর:
নিষেকের আগে - নিষেকের পরে:
- গর্ভাশয় - ফল
- গর্ভাশয়ত্বক - ফলত্বক।
- ডিম্বক - বীজ
- এক্সাইন - টেস্টা।
- ইন্টাইন - টেগমেন
- মাইক্রোফাইল - মাইক্রোফাইল।
- ডিম্বাণু - ভ্রূণ
- সাহায্যকারী কোষ - নষ্ট হয়ে যায়।
- প্রতিপাদ কোষ - নষ্ট হয়ে যায়।
- ডিম্বকনাড়ী - বীজবৃন্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬.
কোন উদ্ভিদের বীজে এরিল নামক স্তর পাওয়া যায় না?
  1. লিচু
  2. সফেদা
  3. জায়ফল
  4. শাপলা
সঠিক উত্তর:
সফেদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সফেদা
ব্যাখ্যা
বীজ সৃষ্টি:
- গুপ্তবীজী উদ্ভিদ ও ব্যক্তবীজী উভয় প্রকার উদ্ভিদে ডিম্বক থেকে বীজ সৃষ্টি হয়। 
- নিষেকক্রিয়ার পর ডিম্বক বিভিন্ন ধরনের বিভাজন ও পরিবর্তনের মাধ্যমে বীজে পরিণত হয়।
- ডিম্বকের ভেতরে এ ধরনের পরিবর্তনের সাথে সাথে ডিম্বকের ত্বকের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং অপেক্ষাকৃত কঠিন ও শুষ্ক হয়ে বীজত্বকে পরিণত হয়। 
- রসালো ডিম্বকটি পর্যায়ক্রমে পানি হারিয়ে শুষ্ক ও কঠিন বীজে পরিণত হয়। 
- এ ধরনের পরিবর্তনকালে অনেক ক্ষেত্রে বীজের একটি তৃতীয় স্তর সৃষ্টি হয়, একে এরিল বলে।
- লিচু ও জায়ফলে এরিল পাওয়া যায়।
- শাপলা বীজেও এরিল থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।