পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৪: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কত বছর পর্যন্ত গৃহীত হয়েছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়:
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত সরকার।
- তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই।
- রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা।
- প্রাথমিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী নয় বলে আপাতত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরেই রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেকাফ।
.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সর্ব নিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. পৌরসভা পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার:
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- এবং সবচেয়ে নিম্ন স্তর  ইউনিয়ন পরিষদ।
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসএসসি প্রোগ্রাম, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কী?
  1. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  2. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  3. ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
  4. কূটনৈতিক দূরত্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি: 
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তিনটি অঙ্গ কোনগুলো?
  1. পুলিশ, বিচার বিভাগ, সংসদ
  2. মন্ত্রিপরিষদ, সংসদ, রাষ্ট্রপতি
  3. আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ
  4. প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার: 
- সরকার যে কোন দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- সরকারকে কেন্দ্র করে একটি রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কার্যাবলি সম্পাদিত হয়।
- মূলত: রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধিত হয় সরকারের মাধ্যমে।
- রাষ্ট্র গঠিত হয় চারটি মূল উপাদানের সমন্বয়ে যেমন, নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড, জনগণ, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- অর্থাৎ এই সরকার কাঠামোয় একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে।
- কেন্দ্রীয় সরকারই রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল সূতিকাগার হিসেবে আইন প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমিকা পালন করবে।
- সরকারের তিনটি অঙ্গ- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  2. এককেন্দ্রিক
  3. রাজতন্ত্র
  4. কেন্দ্রশাসিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার: 
- সরকার যে কোন দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- সরকারকে কেন্দ্র করে একটি রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কার্যাবলি সম্পাদিত হয়।
- মূলত: রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধিত হয় সরকারের মাধ্যমে।
- রাষ্ট্র গঠিত হয় চারটি মূল উপাদানের সমন্বয়ে যেমন, নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড, জনগণ, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক।
- এবং সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- অর্থাৎ এই সরকার কাঠামোয় একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে।
- কেন্দ্রীয় সরকারই রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল সূতিকাগার হিসেবে আইন প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমিকা পালন করবে।
- সরকারের তিনটি অঙ্গ- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ভিজিডি’ কর্মসূচির লক্ষ্য কী?
  1. পল্লী বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি
  2. গৃহঋণ বিতরণ
  3. দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
  4. দুঃস্থ পুরুষদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা
ভিজিডি কর্মসূচি:
- ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি,
- তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।

অপরদিকে,
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি,
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
নিচের কোনটি নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার?
  1. ব্যবসা পরিচালনা
  2. মুনাফা লাভ
  3. ব্যাংক ঋণ গ্রহণ
  4. ভোটাধিকার
ব্যাখ্যা
ভোটাধিকারের ভিত্তি: 
- ভোটাধিকার নাগরিকদের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক অধিকার।
- ভোটাধিকারের ভিত্তি বা শর্ত হল বয়স, নারী-পুরুষ, সম্পত্তি, বাসস্থান, শিক্ষা, মানসিক ও নৈতিক অবস্থা ইত্যাদি।
- কোন কোন দেশে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয় না।
- বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সে ভোটার হতে পারে।
- ভোটদানের পদ্ধতি দু'টি-
- (ক) প্রকাশ্য ভোটদান ও (খ) গোপন ভোটদান।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এসসি,প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন:
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে,
-  কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

অপরদিকে,
- মজিদ খান শিক্ষা কমিশন:
- ১৯৮৩ সালে গঠিত হয় মজিদ খান শিক্ষা কমিশন।
- এই কমিশন  রিপোর্ট ব্যাপক প্রচারলাভ করে নি এবং এই কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগও নেয়া হয় নি।
• শামসুল হক শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারীকৃত এক আদেশবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে।

• কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন:
- ২০০০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিকে সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী নামে পরিচিত?
  1. বাঙালী
  2. বাংলাদেশী
  3. নাগরিক
  4. বাঙালী নাগরিক
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী।
- এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে।
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
• নাগরিকতা অর্জনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে-
- (ক) জন্মসূত্রে নাগরিক, (খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।
- জন্মসূত্রে নাগরিককে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- জন্মনীতি ও জন্মস্থান নীতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
’ইপিআই কর্মসূচি’ কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. শিক্ষা
  2. বানিজ্য
  3. কর্মসংস্থান
  4. টিকাদান
ব্যাখ্যা
ইপিআই কর্মসূচি:
- ইংরেজি: Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI
- এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এ কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা।
- এটি শিশুর স্বাস্থ ও টিকাদান কর্মসূচি।
- নির্ধারিত দিনে টিকাদান কেন্দ্রে অথবা হাসপাতালে ০-১১ মাস বয়সি শিশুদের নিয়ে আসতে হয়।
- অতঃপর কর্মসূচি অনুযায়ী (প্রাপ্যতা অনুযায়ী) যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো-ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুরেলা ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী উদ্দেশ্য-
  1. মাতৃমৃত্যু হ্রাস
  2. শিশু মৃত্যু হ্রাস
  3. শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি।
-  দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।
- এর উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
- বর্তমানে ৪২৬ টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান।
- এই কর্মসূচিতে একজন দরিদ্র গর্ভবতী মা প্রথম অথবা দ্বিতীয় যে কোন এক সন্তানের জন্য এই ভাতা প্রদান কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৩৬ মাস ৮০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছে।
- প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বছরে ৫ দিন অংশগ্রহন করছেন। 

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
১২.
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু-
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- জাতীয় সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের কেন্দ্রস্থল নয়;
- মন্ত্রীরা জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ায় তা শাসন ব্যবস্থার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদ (Unicameral) রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এই আইন পরিষদই জাতীয় সংসদ।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কল্যানে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কার্যত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- সংবিধানের ৬৫ (১) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে।
- এবং সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা এ সংসদের উপর ন্যাস্ত।
- তবে জাতীয় সংসদের যে কোন আইন মানবাধিকার পরিপন্থী ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে বিচার বিভাগ তা বাতিল করতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।[লিঙ্ক]।
১৩.
নিচের কোনটি ’সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি’?
  1. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
  2. নারী পুলিশ নিয়োগ
  3. বয়স্ক ভাতা
  4. কর ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা: 
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প অথবা অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে উপার্জনক্ষম বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৮ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আংশিক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথ পাঠ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের :
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের:

- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান যাদের:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।