পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পার্ট-১) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতি: ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনটি বিবেচনা করা হয় না?
  1. ক) সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা
  2. খ) ব্যক্তি স্বাধীনতা
  3. গ) দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা
  4. ঘ) স্বচ্ছতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক ‘Governance : The World Bank Experience’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
• সেখানে সুশাসনকে মূল্যায়নের জন্যে চারটি বিষয়ের উল্লেখ করা হয়।
এগুলো হলো:- 
১। সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা
২। দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা
৩। উন্নয়নের বৈধ কাঠামো এবং
৪। স্বচ্ছতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক। 
.
আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা AFDB এর মতে সুশাসনের উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) নিয়ন্ত্রণ গুণ
  2. খ) জনঅংশগ্রহণ
  3. গ) স্বচ্ছতা 
  4. ঘ) জবাবদিহিতা 
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা AFDB সুশাসন এর ৫টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন। যথা:- 
১। Accountability - জবাবদিহিতা 
২। Transparency - স্বচ্ছতা 
৩। Combating Corruption - দুর্নীতি দমন 
৪। Stakeholder Participation - জনঅংশগ্রহণ 
৫। Legal  and Judicial  Framework - আইন ও বিচার বিভাগীয় সংস্করণ। 

বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি। যথা-
- বাক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা,
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি,
- সরকারের কার্যকারিতা,
- নিয়ন্ত্রণ গুণ,
- আইনের শাসন,
- দুর্নীতি দমন

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট। 
.
কোনটির অভাবে সমাজে অবক্ষয় দেখা যায়?
  1. ক) মূল্যবোধের শিক্ষা
  2. খ) পারিবারিক শিক্ষা
  3. গ) অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক শিক্ষা
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ শিক্ষা হলো শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতি সম্পর্কিত শিক্ষা।
মূল্যবোধের শিক্ষার অভাবে সামাজিক অবক্ষয় দেখা দেয়
• সেজন্যে ব্যভিচার, রাহাজানি, মাদকাসক্ততা, ইভটিজিং প্রভৃতি সামাজিক অবক্ষয়জনিত কর্মকাণ্ড রোধ করতে মূল্যবোধ শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সুশাসন প্রত্যয়টি কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. ক) নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  2. খ) সমাজতন্ত্র
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• সুশাসন ধারণাটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
• সুশাসনের অন্যতম মূল বিষয় হলো কার্যকর অংশগ্রহণ।
• আর শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ একমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্ভব।
• তাছাড়া স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা প্রভৃতি মূল্যবোধসমূহ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) -তে খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. ক) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  2. খ) পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. গ) শিক্ষা
  4. ঘ) স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ:
>> পরিবহন ও যোগাযোগ; সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ২৯ শতাংশ।
>> বিদ্যুৎ ও জ্বালানি; দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা; মোট বরাদ্দের ১৬ শতাংশ।
>> শিক্ষা; তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা ৩৮ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ১২ শতাংশ।

• মন্ত্রণালয়/বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ :
>> এবার সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রায় ৩৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>>  দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এ বিভাগে প্রায় ৩১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>> তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ বিভাগে প্রায় ২৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সূত্র: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২০২২-২৩ অর্থ বছর।
.
সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন খাতে?
  1. ক) শিল্প
  2. খ) সেবা
  3. গ) তৈরি পোশাক
  4. ঘ) কৃষি
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%

• জিডিপির 
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে 
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ২০১৫ সালের ১ জুন
  2. খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
  3. গ) ২০১৬ সালের ১ জুন
  4. ঘ) ২০১৬ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
•  ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. ক) ২০২১ থেকে ২০৩১ সাল
  2. খ) ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল
  3. গ) ২০৩১ থেকে ২০৪১ সাল
  4. ঘ) ২০১১ থেকে ২০৩১ সাল
ব্যাখ্যা
• এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

• প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০ থেকে ২০২১।
– এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
- প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।

•  দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ অনুসারে, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু আয় হবে -
  1. ক) ১১,৫০০ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১২,৫০০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ১১,০০০ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ১২,০০০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এ দুটি প্রধান স্বপ্ন প্রাধান্য পেয়েছে:
- ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে আজকের মূল্যে মাথাপিছু আয় হবে ১২,৫০০ মার্কিন ডলারেরও বেশি এবং যা হবে ডিজিটাল বিশ্বের সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ।
- বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা, যেখানে দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের ঘটনা।

•  দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নীতির অপরিহার্য উপাদান হিসেবে নিম্নবর্ণিত কৌশলগত লক্ষ্যসমূহ
অনুসরণ করা হবে:
- ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নিরসন; ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্য ৩ শতাংশেরও নিচে নামিয়ে আনা।
- ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্য-আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-আয় দেশের মর্যাদা অর্জন।

সূত্র: প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
১০.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদিত জেলা কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) পাবনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায়  (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাঁও জেলায়   (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর জেলায়  (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।
• সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর জেলায় (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১১.
২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) -তে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া বিভাগ কোনটি?
  1. ক) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
  2. খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. গ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  4. ঘ) অর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• মন্ত্রণালয়/বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ :
>> এবার সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রায় ৩৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>>  দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রায় ৩১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>> তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ বিভাগে প্রায় ২৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

• খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ:
>> পরিবহন ও যোগাযোগ; সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ২৯ শতাংশ।
>> বিদ্যুৎ ও জ্বালানি; দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা; মোট বরাদ্দের ১৬ শতাংশ।
>> শিক্ষা; তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা ৩৮ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ১২ শতাংশ।

সূত্র: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২০২২-২৩ অর্থ বছর।
১২.
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় -
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) সিলেটে
  4. ঘ) রংপুরে
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১৩.
আমাদের দেশের দরিদ্র কারা?
  1. ক) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  2. খ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  3. গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
  4. ঘ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিমাপ পদ্ধতি হিসেবে দেশে প্রথম ‘খানা ব্যয় জরিপ’ (Household Expenditure Survey - HES) পরিচালিত হয় - ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে। তখন খানা ব্যয় জরিপের ভিত্তি ছিল - ২টি। যথা –
- খাদ্য শক্তি গ্রহণ (Food Energy Intake-FEI) ও
- প্রত্যক্ষ ক্যালরি গ্রহণ (Direct Calorie Intake-DCI)

• দৈনিক জনপ্রতি ২,১২২ কিলোক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে অনপেক্ষ দারিদ্র্য (Absolute Poverty)।
• দৈনিক জনপ্রতি ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য (Hard Core Poverty) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ ও খানা আয়-ব্যয় জরিপ, ২০১৬।