পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
Exam - 28 Review: Test-6 Topic: • Exam- 25,26,27
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত বা আপিলকারী মৃত্যুবরণ করলে আপিল বাতিল হওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪৩০
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত বা আপিলকারী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং উক্ত আপিল কেবল তার সাজা বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণভাবে আপিল বাতিল (abate) হয়ে যায়।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায় নির্ভর করে কে আপিলকারী তার উপর। এই ধারার মূল বক্তব্য হলো:
- ধারা ৪১৭ (খালাসের বিরুদ্ধে আপিল) এবং ধারা ৪১৭ক (অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল) এর অধীন যেসব আপিল হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেলে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়।
- এই দুটি ধারায় সাধারণত পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী আপিলকারী হন, তাই আপিলকারীর মৃত্যু তেমন প্রভাব ফেলে না।
- কিন্তু অন্যান্য আপিল—যেমন ধারা ৪০৭, ৪০৮, ৪১০ ইত্যাদির অধীনে যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই আপিলকারী—সেক্ষেত্রে যদি সে মারা যায়, তবে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 431. Abatement of appeals:
- Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে মানসিকভাবে অসুস্থ আসামিকে কার দ্বারা পরীক্ষা করানো হবে?
  1. পুলিশ সার্জন
  2. সিভিল সার্জন
  3. সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার
  4. 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলাকালে আদালতের মনে হয় যে সে মানসিকভাবে অসুস্থ ও বিচার মোকাবিলা করার মত অবস্থায় নেই, তাহলে বিচারক আসামিকে একজন সিভিল সার্জন অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর: 'খ' অথবা 'গ' — অর্থাৎ সিভিল সার্জন অথবা সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা কাদের আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত
  2. নির্বোধ বা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা-কে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা মদ্যপ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে:
১. ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি (অর্থাৎ শিশু)
২. উন্মাদ ব্যক্তি (Insane)
৩. প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি (Delirious)
৪. নির্বোধ ব্যক্তি (Idiot)
৫. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি (Intoxicated person)

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারা অনুসারে কে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুসারে, দায়রা আদালত নিজে অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে নির্দেশ দিয়ে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা দিতে পারে, যদি সাক্ষ্য সংগ্রহের স্বার্থে তা প্রয়োজন হয় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় এই ক্ষমা প্রদান করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
- এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪ক (Section 304A) অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি, কোনো বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজ করে, যার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং যা দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল দরখাস্ত কাকে দাখিল করবে?
  1. পুলিশ সুপারকে
  2. সরাসরি আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার অধীনে দায়ের করা আপিলকে জেল আপিল বলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
.
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো উপাসনালয় ধ্বংস বা অপবিত্র করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী যদি কেউ কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতীক ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এমন উদ্দেশ্যে যে, এতে কোনো শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতি আহত হবে, অথবা এমন জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যে এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০-এ অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ হাইকোর্ট বিভাগকে কোন ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. তদন্তের ক্ষমতা
  2. রিভিশন ক্ষমতা
  3. আপিল শুনানির ক্ষমতা
  4. ফাঁসি অনুমোদনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
রিভিশন ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩৯ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা রিভিশন ক্ষমতা (Revisionary Power) প্রদান করে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, হাইকোর্ট ডিভিশন যে কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা তার নজরে আসা কোনো মামলার আদেশ, রায় বা কার্যক্রম খতিয়ে দেখে—
-তার সঠিকতা (Correctness)
- বৈধতা (Legality)
- যুক্তিসংগততা (Propriety)
- এবং কার্যক্রমের নিয়মিততা (Regularity)
পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে রিভিশনের মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
- এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন ধারা ৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮-এর অধীনে আপিল আদালতের যেসব ক্ষমতা রয়েছে, তা রিভিশন চলাকালেও প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা- হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপিল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
(২) আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না।
(৩) এই ধারায় সংশ্লিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামি যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশি দণ্ড দিবেন না।
(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না।
(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপিল চলে কিন্তু আপিল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপিল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section- 439. High Court Division's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by itself or which has been reported for orders, or which otherwise comes to its knowledge, the High Court Division may, in its discretion, exercise any of the powers conferred on a Court of Appeal by sections 423, 426, 427 and 428 or on a Court by section 338, and may enhance the sentence; and, when the Judges composing the Court of Revision are equally divided in opinion, the case shall be disposed of in manner provided by section 429. 
(2) No order under this section shall be made to the prejudice of the accused unless he has had an opportunity of being heard either personally or by pleader in his own defence. 
(3) Where the sentence dealt with under this section has been passed by a Magistrate, the Court shall not inflict a greater punishment for the offence which, in the opinion of such Court, the accused has committed than might have been inflicted for such offence by a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to authorize the High Court Division to convert a finding of acquittal into one of conviction, or to entertain any proceedings in revision with respect to an order made by the Sessions Judge under section 439A.
(5) Where under this Code an appeal lies and no appeal is brought, no proceedings by way of revision shall be entertained at the instance of the party who could have appealed. 
(6) Notwithstanding anything contained in this section, any convicted person to whom an opportunity has been given under sub-section (2) of showing cause why his sentence should not be enhanced shall, in showing cause, be entitled also to show cause against his conviction.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির বিচার চলাকালে মানসিক সুস্থতা এবং অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক অসুস্থতা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬৭
  2. ধারা ৪৬৯
  3. ধারা ৪৭১
  4. ধারা ৪৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯ (Section 469) নির্ধারণ করে, যখন কোনো আসামি বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ প্রতীয়মান হয়, কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণিত হয় যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল এবং তার অপরাধমূলক কাজের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম ছিল, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, আসামির বর্তমান মানসিক সুস্থতার ভিত্তিতে বিচার চলবে, অপরাধের সময় তার মানসিক অবস্থা আদালত পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করবে।
- এ ধারা মূলত মানসিক অবস্থা সংক্রান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে বিচার চালানোর নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে বিচার প্রক্রিয়া থেমে না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯- আসামিকে যখন বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হয় কিন্তু অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে প্রতীয়মান হয় সেক্ষেত্রে করণীয়
অনুসন্ধান বা বিচারের সময় আসামি যখন মানসিক সুস্থ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামি যখন অপরাধমূলক কাজটি করেছিল তখন মানসিক অসুস্থতার দরুন অপরাধমূলক কাজটির প্রকৃতি জানতে অসমর্থ ছিল, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কাজ চালিয়ে যাবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 469- When accused appears to have been insane:
- When the accused appears to be of sound mind at the time of inquiry or trial, and the Magistrate or, as the case may be, the Court is satisfied from the evidence given before him or it that there is reason to believe that the accused committed an act which, if he had been of sound mind, would have been an offence, and that he was, at the time when the act was committed, by reason of unsoundness of mind, incapable of knowing the nature of the act or that it was wrong or contrary to law, the Magistrate or, as the case may be, the Court shall proceed with the case.
১১.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুসারে বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে কোন বয়সের নিচের ব্যক্তির বিক্রয় বা বিলিব্যবস্থা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী, আঠারো (১৮) বছরের কম বয়সী কোনও ব্যক্তিকে যদি কেউ বিক্রি করে, ভাড়া দেয় বা অন্য কোনোভাবে বিলিব্যবস্থা করে, এবং এর উদ্দেশ্য হয় বা জানা সত্ত্বেও এ বিষয়ে সম্মত হয় যে সেই ব্যক্তি বেশ্যাবৃত্তি, অবৈধ সহবাস বা অন্য কোনো বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত হবে, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 372.  Selling minor for purposes of prostitution, etc.
- Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 
Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
১২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. খুন
  3. খুনের উদ্যোগ
  4. আত্মহত্যার প্ররোচনা
সঠিক উত্তর:
খুনের উদ্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের উদ্যোগ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) খুনের উদ্যোগ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ স্পষ্টভাবে "খুনের উদ্যোগ" (Attempt to murder) এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ এমন কাজ করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সেটি খুন হিসেবে গণ্য হতো, তবে সে ব্যক্তি খুনের উদ্যোগের দায়ে অভিযুক্ত হবে।
সুতরাং, ধারা ৩০৭ এর মূল উদ্দেশ্য হলো, মৃত্যুর উদ্দেশ্যে সংঘটিত কিন্তু মৃত্যুর আগেই আটকানো বা ব্যর্থ হওয়া অপরাধকে শাস্তিযোগ্য করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder Attempts by life-convicts
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় 'হাইকোর্ট ডিভিশন' অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে—
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. 'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় বলা হয়েছে, আপিল আদালত (যদি হাইকোর্ট ডিভিশন হয়) চাইলে নিজে অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে।
অথবা, চাইলে দায়রা আদালত অথবা ম্যাজিস্ট্রেট—এই দুইয়ের কোনো একজনকে তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, উত্তর ঘ (ক বা খ যেকোনো একটিকে)–ই সঠিক, কারণ হাইকোর্ট ডিভিশন চাইলে এই দুইয়ের মধ্যে যে কাউকে সাক্ষ্য গ্রহণের দায়িত্ব দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বিচারক কী সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. সাক্ষীর বিবরণ
  2. জামিনের শর্ত
  3. আপিলের সময়সীমা
  4. দণ্ড কার্যকরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭১ অনুসারে, যখন কোনো দায়রা বিচারক (Sessions Judge) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন, তখন তিনি আসামিকে অবশ্যই অবহিত করবেন যে, সে যদি আপিল করতে চায়, তাহলে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামি আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতীত অন্য যেকোনো মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।
-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপিল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপিল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost.
-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০৯
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪২৯
  4. ধারা ৪৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮-এ “Appeals on what matters admissible”, অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য—এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে: “An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.”
অর্থাৎ, ঘটনার প্রশ্ন (Question of Fact) এবং আইনের প্রশ্ন (Question of Law)—উভয়ের উপর ভিত্তি করে আপিল করা যেতে পারে।
এছাড়াও, ধারার ব্যাখ্যায় উল্লেখ আছে যে,
“The alleged severity of a sentence shall be deemed to be a matter of law.”
অর্থাৎ, দণ্ডের কথিত কঠোরতাকেও আইনের প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রাসঙ্গিক ধারাসমূহের ভূমিকা:
- ধারা ৪০৯: দায়রা আদালতে আপিলের শুনানীর পদ্ধতি
- ধারা ৪২৯: আপিল আদালতের বিচারকদের মতবিরোধে করণীয়
- ধারা ৪৩৯ক: দায়রা আদালতে রিভিশন ক্ষমতা 

→ তবে আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু ঠিক কোনগুলো হতে পারে তা একমাত্র ধারা ৪১৮-তেই নির্ধারণ করা হয়েছে।
 - তাই, প্রশ্নে চাওয়া “আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু” সম্পর্কিত ধারা হলো — ধারা ৪১৮।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
- An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
- Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১৬.
'আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনার ফলে পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত মৃত্যুকে'- দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমের আওতায় গণ্য করা হয়?
  1. প্রথম ব্যতিক্রম
  2. দ্বিতীয় ব্যতিক্রম
  3. তৃতীয় ব্যতিক্রম
  4. চতুর্থ ব্যতিক্রম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ব্যতিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ব্যতিক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০০-এর চতুর্থ ব্যতিক্রম (Exception 4) অনুযায়ী:
- আকস্মিক বিবাদ বা উত্তেজনার সময়, কোনো রকম পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে হত্যা করে, এবং অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে বা নিষ্ঠুরভাবে কাজ না করে, তাহলে সেই হত্যা খুন (Murder) হিসেবে গণ্য হবে না।
এ ধরনের হত্যা “culpable homicide not amounting to murder” অর্থাৎ খুন নয়, তবে নিন্দনীয় নরহত্যা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) চতুর্থ ব্যতিক্রম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
⇒ ব্যতিক্রম ১: -শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারা কী নিয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. বিকল্প রায় প্রদান
  3. মৃত্যুদণ্ডের আপিল
  4. পুলিশ তদন্ত ত্বরান্বিত করা
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিকল্প রায় প্রদান:
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় আলোচনা করা হয়েছে বিকল্প রায় প্রদান সম্পর্কিত। এই ধারার অধীনে, যদি আদালত কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে সন্দেহ করে যে, দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারা বা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটি অভিযুক্ত অপরাধের সাথে প্রযোজ্য, তাহলে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। অর্থাৎ, আদালত এই সন্দেহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি অপরাধের ধরন এবং সঠিক দণ্ড নিশ্চিত করতে সহায়ক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৭(৩)- বিকল্প রায়:
- দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 367(3)- Judgment in alternative:
- When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর জেরা
  2. সাক্ষীর নিরাপত্তা
  3. সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  4. সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮৫ক (Section 485A) একটি সংক্ষিপ্ত বিচারপদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অনুপস্থিতির জন্য শাস্তির বিধান প্রদান করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন সাক্ষী আদালতের সমন (summons) পাওয়ার পরও বৈধ কারণ ছাড়া আদালতে উপস্থিত না হন, কিংবা পূর্বেই আদালত ত্যাগ করেন;
তবে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি আদালত, সাক্ষীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে, সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন;
এবং এই প্রক্রিয়াটি সংক্ষিপ্ত বিচারপদ্ধতির (summary procedure) মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
→ অতএব, এটি সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি সংক্রান্ত বিধান – এবং উত্তর “ঘ” সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
- সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: -Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty.
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারায় জরিমানা আদায়ের জন্য কালেক্টর কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবেন?
  1. ফৌজদারি পদ্ধতি
  2. দেওয়ানী পদ্ধতি
  3. প্রশাসনিক পদ্ধতি
  4. সামরিক পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দেওয়ানী পদ্ধতি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬(১)(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন আদালত জেলা কালেক্টরকে জরিমানা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতিতে পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, জেলা কালেক্টর দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী জরিমানা আদায় করবে এবং এটি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিধান- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা:
(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশত সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।
(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবি সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রাখার মাধ্যমে এইরূপ পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386: Warrant for levy of fine:
(1) Whenever an offender has been sentenced to pay a fine, the Court passing the sentence may take action for the recovery of the fine in either or both of the following ways, that is to say, it may-
(a) issue a warrant for the levy of the amount by attachment and sale of any movable property belonging to the offender;
(b) issue a warrant to the Collector of the District authorising him to realise the amount by execution according to civil process against the movable or immovable property, or both, of the defaulter:
Provided that, if the sentence directs that in default of payment of the fine the offender shall be imprisoned, and if such offender has undergone the whole of such imprisonment in default, no Court shall issue such warrant unless for special reasons to be recorded in writing is considers it necessary to do so.
(2) The Government may make rules regulating the manner in which warrants under sub-section (1), clause (a), are to be executed, and for the summary determination of any claims made by any person other than the offender in respect of any property attached in execution of such warrant.
(3) Where the Courts issue a warrant to the Collector under sub-section (1), Clause (b), such warrant shall be deemed to be a decree, and the Collector to be the decree-holder, within the meaning of the Code of Civil Procedure, 1908, and the nearest Civil Court by which any decree for a like amount could be executed shall, for the purposes of the said Code, be deemed to be the Court which passed the Decree, and all the provisions of that Code as to execution of decrees shall apply accordingly:
Provided that no such warrant shall be executed by the arrest or detention in prison of the offender.
২০.
'A', 'B' এর পায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগে এবং হাঁটতে পারে না। 'A' এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. হত্যার চেষ্টা
  2. গুরুতর জখম
  3. সাধারণ জখম
  4. ইচ্ছাকৃত আঘাত
সঠিক উত্তর:
গুরুতর জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর জখম
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) গুরুতর জখম।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুযায়ী, “গুরুতর জখম” (Grievous hurt) বলতে ৮ ধরনের আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে অষ্টম শ্রেণির গুরুতর আঘাত হলো:
"যে আঘাতে ভুক্তভোগী বিশ (২০) দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণায় থাকে বা সাধারণ কার্যকলাপ করতে অক্ষম হয়" — এটি গুরুতর জখম।
→ উল্লিখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে: 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভুগেছে , হাঁটতে পারেনি, অর্থাৎ সাধারণ কাজকর্মে অক্ষম ছিল, তাই এটি ধারা ৩২০ এর অধীন গুরুতর জখম হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা জজকে হাইকোর্ট বিভাগের মত রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৩৯
  3. ৪৩৯ক
  4. ৪৪২ক
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ক (Section 439A)-এ স্পষ্টভাবে দায়রা জজকে (Sessions Judge) রিভিশনাল ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা হাইকোর্ট বিভাগের অধীনে ধারা ৪৩৯ অনুযায়ী প্রয়োগ করা যায়।
এই ধারায় বলা হয়েছে “Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439.”
অর্থাৎ, দায়রা জজ নিজেই কোনো মামলার নথি সংগ্রহ করে বা নিজ দৃষ্টিগোচরে আসলে রিভিশন করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের মতই সকল রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
এছাড়া, উপধারা (২) অনুযায়ী, দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, এবং ওই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয়বার রিভিশন করা যাবে না।
উপধারা (৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যদি কোনো রিভিশনাল মামলা সাধারণ বা বিশেষ আদেশে অর্পিত হয়, তাহলে তিনিও দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, ধারা ৪৩৯ক-ই হলো সেই নির্দিষ্ট বিধান যেখানে দায়রা জজকে হাইকোর্ট বিভাগের মত রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

⇒ রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে ঊর্ধ্বতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে- ১. হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।
- ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
- ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 - Section 439A- Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439.
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট একবারে কত দিনের জন্য রিমান্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার বিচার বা অনুসন্ধান স্থগিত করেন, এবং আসামিকে হাজির করা হয়, তখন তিনি একবারে সর্বোচ্চ ১৫ (পনেরো) দিন পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠাতে পারেন।
“…the Magistrate may by a warrant remand the accused person for a term not exceeding fifteen days at a time…”
- এখানে “at a time” শব্দগুচ্ছটি গুরুত্বপূর্ণ। এর মানে, একবারে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য রিমান্ড দেওয়া যাবে, তবে প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আবার রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামি হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন:
রিমান্ড: শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামিকে একসঙ্গে ১৫ (পনেরো) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যা: আসামি অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামিকে রিমান্ডে দেওয়ার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

২৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনী শ্রমে বাধ্য করার বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭০
  2. ধারা ৩৭২
  3. ধারা ৩৭৪
  4. ধারা ৩৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ বিধান “বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা” (Unlawful compulsory labour) বলে পরিচিত। এই ধারায় বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে, সে ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।”
এছাড়াও, যদি কেউ যুদ্ধবন্দী বা আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করে, তবেও একইরূপ দণ্ড প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায়, কোন শর্তে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে?
  1. যখন কোনো যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড প্রদান করেন
  2. যখন কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচার করেন
  3. যখন কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হন
  4. উল্লিখিত সব শর্ত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮-এ উল্লিখিত শর্তে, যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচারে দণ্ডিত করেন, তবে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
২৫.
দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা কোন অপরাধের শাস্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. চুরি
  4. অবৈধ অবরোধ
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা ধর্ষণ (Rape) অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, ধর্ষণের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
- তবে যদি ভিকটিম তার নিজ স্ত্রী হন এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয়, তাহলে শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:
- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:
-Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারা কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা আদালত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. পারিবারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ শিরোনাম: "Court of Session to send copy of finding and sentence to District Magistrate"
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে,  "In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and the District Magistrate..."
⇒ অর্থাৎ, এই ধারা "দায়রা আদালতের" (Court of Session) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যখন দায়রা আদালত কোনো মামলা বিচার করে রায় ও দণ্ড প্রদান করে, তখন তার একটি অনুলিপি:
মহানগর এলাকায় হলে → চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
অন্য এলাকায় হলে →  চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রেরণ করতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
২৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে আটক রাখার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা 340
  2. ধারা 342
  3. ধারা 343
  4. ধারা 344
সঠিক উত্তর:
ধারা 343
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 343
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ধারা 343.
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক রাখে, তবে সে ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860- Section 343. Wrongful confinement for three or more days:
- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী, অপরাধ আপস-মীমাংসা হলে তা কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. বিচার স্থগিত
  2. দণ্ড স্থগিত
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অপরাধ স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী: "যদি কোন মামলা এই ধারার অধীন আপস-মীমাংসা করা হয়, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মামলায় খালাস প্রাপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে।"
অর্থাৎ, যেসব অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable offences) হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় তালিকাভুক্ত, সেসব অপরাধে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আপস করে নেয় এবং আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমতি নেয়, তাহলে আদালত সেই মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে "acquitted" অর্থাৎ খালাস ঘোষণা করে। এটি অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কোনো বিষয় নয় বরং আপসের ফলে মামলার নিষ্পত্তি।
-  তাই "খালাস" গণ্য হওয়া একটি আইনি ফলাফল, যা বিচারের মাধ্যমে নয়, বরং আপস-মীমাংসার মাধ্যমে ঘটে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-345(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল আদালতের জজদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হলে করণীয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০৯
  2. ধারা ৪২৯
  3. ধারা ৪৩২
  4. ধারা ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯ (Section 429, CrPC) অনুযায়ী, যদি আপিল আদালতের বিচারকগণ সমসংখ্যায় বিভক্ত হয়ে যান (i.e., equally divided in opinion), তাহলে মামলাটি তাদের মতামতসহ একই আদালতের আরেকজন বিচারকের নিকট উপস্থাপন করতে হবে। সেই বিচারক, প্রয়োজন মনে করলে শুনানি গ্রহণ করে, নিজের মতামত প্রদান করবেন, এবং সেই মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত আদেশ বা রায় ঘোষণা করা হবে।
এটি আদালতের মধ্যে মতবিরোধের সমাধান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি:
আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided:
When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
৩০.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার কোন ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে “মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা নয়”?
  1. ব্যাখ্যা-১
  2. ব্যাখ্যা-২
  3. ব্যাখ্যা-৩
  4. ব্যাখ্যা-৪
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ (নরহত্যার সংজ্ঞা) এর ব্যাখ্যা-৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা (Culpable Homicide) নয়, তবে শিশুটি সম্পূর্ণভাবে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যদি তার মৃত্যু ঘটে এবং সেই মৃত্যু যদি এমন কোনো আচরণ বা অবহেলার ফলে ঘটে যা জন্মের পূর্বে বা জন্মকালীন সময়ে সংঘটিত হয়, তাহলে তা নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:
-কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কার্যকর করার এখতিয়ার কার আছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, যদি কোন মহিলা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং দেখা যায় যে তিনি গর্ভবতী, তাহলে "The High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life."
অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে।
- এছাড়া হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
- দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারা অনুযায়ী এ ধরনের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখে না।
অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) হাইকোর্ট বিভাগ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন?
  1. ৪১০
  2. ৪৩১
  3. ৪১৭
  4. ৪১৭ক
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১০ অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। এই ধারাটি সাধারণভাবে দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১০ অনুযায়ী: “একজন দণ্ডিত ব্যক্তি যিনি কোনো বিচারকের আদালতে বিচারশেষে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন...”
অর্থাৎ, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজেই যদি মনে করেন যে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় বা দণ্ড অন্যায্য হয়েছে, তবে তিনি ধারা ৪১০ অনুযায়ী যথাযথ আপিল আদালতে আপিল করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 410. Appeal from sentence of Court of Session:
Any person convicted on a trial held by a Sessions Judge, or an Additional Sessions Judge, may appeal to the High Court Division.
৩৩.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার অধীনে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক অনুযায়ী, অবহেলা বা বেপরোয়াভাবে কারো মৃত্যু ঘটালে (যা শাস্তিযোগ্য নরহত্যার আওতায় পড়ে না) অপরাধীর শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 304A. Causing death by negligence:
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীনে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে নিচের কোনটি অবশ্যই করতে হবে?
  1. পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করা
  2. পত্রিকায় দোষ স্বীকারোক্তি প্রকাশ করা
  3. অভিযুক্তের আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা
  4. দুটি জাতীয় বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
দুটি জাতীয় বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি জাতীয় বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে তাকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন দুটি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। যদি অভিযুক্ত উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির না হন, তবে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৩৫.
‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. 348
  2. 349
  3. 350
  4. 351
সঠিক উত্তর:
349
উত্তর
সঠিক উত্তর:
349
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (Section 350)–তে ‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে কাউকে বলপ্রয়োগ বলতে বোঝায় – কারো শরীরের গতির পরিবর্তন ঘটানো, থামিয়ে দেওয়া বা চলাচলের জন্য বল প্রয়োগ করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৩৬.
যদি হাইকোর্ট বিভাগ দেখে যে একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি (special leave to appeal) দেওয়া হয়েছে, তবে হাইকোর্ট কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করতে পারে
  2. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  3. জামিন বাতিল করতে পারে
  4. দণ্ড স্থগিত করে জামিন দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড স্থগিত করে জামিন দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড স্থগিত করে জামিন দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮-এর ধারা ৪২৬(২খ) অনুযায়ী, যদি হাইকোর্ট বিভাগ দেখে যে একজন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল বিভাগে special leave to appeal পেয়েছেন, তাহলে হাইকোর্ট চাইলে তার দণ্ড স্থগিত করতে পারে এবং সে কারাবন্দি থাকলে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৪২৬: আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিতকরণ এবং আপিলকারীকে জামিনে মুক্তি:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করে এবং সেই আপিল বিচারাধীন থাকে, তখন আপিল আদালত, লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যে দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তা কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি সেই ব্যক্তি বন্দী থাকে, তবে তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
(২) আপিল আদালতের উপর যে ক্ষমতা এই ধারায় আরোপ করা হয়েছে, তা হাইকোর্ট বিভাগও প্রয়োগ করতে পারে, যদি আপিল তার অধীনস্থ কোনো আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়ে থাকে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ১ (এক) বছরের বেশি নয় এমন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার থাকে, এবং যদি দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে তিনি আপিল দায়ের করতে চান, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারে যে তাকে এমন একটি সময়ের জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে যা আপিল দায়ের ও আপিল আদালতের আদেশ প্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট মনে করে, এবং যতদিন তিনি জামিনে মুক্ত থাকবেন, ততদিন তার দণ্ড স্থগিত থাকবে বলে গণ্য হবে।
(২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রতি বিশেষ অনুমতি (special leave to appeal) পেয়েছেন, সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে যা হাইকোর্ট বিভাগ প্রদান বা বহাল রেখেছে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে আদেশ দিতে পারে যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা আদেশ স্থগিত থাকবে, এবং যদি ঐ ব্যক্তি কারাবন্দী থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে।
(৩) যদি আপিলকারী শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পরিবহণে (transportation) দণ্ডিত হন, তাহলে তিনি যে সময় জামিনে মুক্ত ছিলেন, তা সেই দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না, অর্থাৎ সে সময় বাদ যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail:
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond.
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto.
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended.
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail.
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে ফৌজদারি আদালতের অধিবেশনের স্থানকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. বন্ধ আদালত
  2. উন্মুক্ত আদালত
  3. সীমিত আদালত
  4. গোপনীয় আদালত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা বলছে, "কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, সেই স্থানটিকে 'উন্মুক্ত আদালত' (open court) হিসেবে বিবেচনা করা হবে, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে স্থান সংকুলান হয়, ততক্ষণ সর্বসাধারণ সেখানে প্রবেশ করতে পারবে।"
- অর্থাৎ, ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জনগণের দৃষ্টিসীমায় রাখার জন্য আদালতের কার্যক্রম সাধারণত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- তবে, ধারা ৩৫২-এ একটি শর্ত আছে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে কোনো মামলার নির্দিষ্ট ধাপে গোপনীয়তা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি আদালতের কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ
  2. আপিলের শুনানি
  3. জামিন আবেদন
  4. পরোয়ানা কার্যকর
সঠিক উত্তর:
আপিলের শুনানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের শুনানি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯ (Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898) মূলত দায়রা আদালতে আপিলের শুনানির পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে: দায়রা আদালতে (Court of Session) বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপিল শুনানির অধিকার রাখেন,
- দায়রা জজ (Sessions Judge) অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge)।
- তবে অতিরিক্ত দায়রা জজ শুধুমাত্র সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কিংবা দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল শুনবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৩৮০
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৫
  4. ধারা ৩৭৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালতের প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, বাতিল, পরিবর্তন, কিংবা আসামিকে খালাস দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে এই অনুমোদন আপিলের সময়সীমা পার না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া যাবে না।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামিকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামিকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপিলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপিল পেশ করা হলে উহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
- In any case submitted under section 374, the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or
(c) may acquit the accused person:
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামী নিজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা নেই?
  1. শাস্তি বাতিল করা
  2. শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. আসামীকে খালাস দেওয়া
  4. পুনরায় বিচারের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, আপিল আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানাবিধ আদেশ দিতে পারে। তবে যদি শুধু দণ্ডিত আসামী নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে, সেক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নোক্ত ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস দিতে পারে, পুনরায় বিচার করার নির্দেশ দিতে পারে, শাস্তি হ্রাস করতে পারে।
কিন্তু শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা যাবে না, যদি একজন আসামী নিজেই তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে, তবে আদালত সেই আপিল শুনে তার শাস্তির পরিমাণ আরও বাড়াতে পারে না, কারণ এতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়, যা ন্যায়পরিপন্থী। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারিক নীতি।
- তবে যদি সরকার বা ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করে (ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী), তাহলে আদালত শাস্তি বাড়াতে পারে, কিন্তু তখনও আসামীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
- খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
- অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
- অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে।
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 423. Powers of Appellate Court in disposing of appeal:
(1) The Appellate Court shall then send for the record of the case, if such record is not already in Court. After perusing such record, and hearing the appellant or his pleader, if he appears, and the Public Prosecutor, if he appears, and, in case of Public Prosecutor, if he appears, and, in case of an appeal under 435[* * *] section 417, the accused, if he appears, the Court may, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, dismiss the appeal, or may-
(a) in an appeal from an order of acquittal, reverse such order and direct that further inquiry be made, or that the accused be retired or sent for trial, as the case may be, or find him guilty and pass sentence on him according to law ;
(b) in an appeal from a conviction, (1) reverse the finding and sentence, and acquit or discharge the accused, or order him to be retried by a Court of competent jurisdiction subordinate to such Appellate Court or sent for trial, or (2) alter the finding, maintaining the sentence, or, with or without altering the finding, reduce the sentence or, (3) with or without such reduction and with or without altering the finding, alter the nature of the sentence, but, subject to the provisions of section 106, sub-section (3), not so as to enhance the same; 
(bb) in an appeal for enhancement of sentence, (1) reverse the finding and sentence and acquit or discharge the accused or order him to be retired by a Court competent to try the offence, or (2) alter the finding maintaining the sentence, or (3) with or without altering the finding, alter the nature or the extent, or the nature and extent, or the sentence, so as to enhance or reduce the same;
(c) in an appeal from any other order, alter or reverse such order;
(d) make any amendment or any consequential or incidental order that may be just or proper: 
Provided that the sentence shall not be enhanced unless the accused has had an opportunity of showing cause against such enhancement: 
Provided further that the Appellate Court shall not inflict greater punishment for the offence which in its opinion the accused has committed than might have been inflicted for that offence by the Court passing the order or sentence under appeal.

৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের সহযোগীকে সাক্ষ্য প্রদানের শর্তে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯খ
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৪০৬
  4. ধারা ৪৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগী বা রাজসাক্ষীকে (Accomplice) শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকে, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করতে পারেন। তবে শর্ত হলো—
- অভিযুক্তকে সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
- তিনি আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করবেন এবং অপরাধের মূল ঘটনা প্রকাশ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৭: অপরাধে সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য, অথবা যে কোনো অপরাধ যার জন্য দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে এমন কোনো অপরাধ, যার জন্য সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাসমূহের অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহ, যথা:
ধারা ২১৬এ, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭এ —
এইরূপ কোনো অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকার্য চলাকালে, যদি কারো সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে তিনি উক্ত অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অবগত, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, এই উদ্দেশ্যে যে, তার কাছ থেকে সাক্ষ্য প্রাপ্তির মাধ্যমে অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে, তাকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন, শর্ত এই যে, তিনি অপরাধের এবং তাতে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান বা সহায়তাকারী হিসেবে) সম্পর্কে নিজ জ্ঞাত সমস্ত পরিস্থিতি পূর্ণ ও সত্যভাবে প্রকাশ করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে,
যদি অপরাধটি অনুসন্ধান বা বিচারাধীন হয়, তাহলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি নিজেই সেই অনুসন্ধান বা বিচার পরিচালনা করছেন।
এবং, যদি অপরাধটি তদন্তাধীন হয়, তাহলে এই ক্ষমতা কেবল সেই ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োগ করতে পারবেন, যিনি অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধানের জন্য এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় দায়িত্বে রয়েছেন এবং চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন গ্রহণ করেছেন।
(১ক) যে ম্যাজিস্ট্রেট ধারা (১)-এর অধীনে ক্ষমা প্রদান করবেন, তাকে অবশ্যই এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ড করতে হবে, এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি অনুরোধ করে, তাহলে এই রেকর্ডের একটি অনুলিপি তাকে সরবরাহ করতে হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, অভিযুক্তকে এই অনুলিপির জন্য মূল্য প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
(২) যে ব্যক্তি এই ধারা অনুযায়ী ক্ষমা গ্রহণ করবেন, তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করা হবে, প্রথমে সেই ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যিনি অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতে বিচার চলাকালীন প্রয়োজনে দায়রা আদালতেও।
(২ক) প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেখানে কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে এবং উপ-ধারা (২)-এর অধীনে সাক্ষ্য দিয়েছে, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে, তাহলে তাকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) যেই ব্যক্তি এই ধারা অনুযায়ী ক্ষমা পেয়েছেন, যদি তিনি আগে থেকেই জামিনে না থাকেন, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof:
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof.
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record:
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any.
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, send him for trial to the Court of Session.
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.