পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১২ রিভিশন [পরীক্ষা ১০ ও ১১] টপিক: কম্পিউটার প্রোগ্রাম, ডাটাবেজ সিস্টেম, ইন্টারনেট, WWW, সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ডেটাবেজ সিস্টেমে কোন কী'র সাহায্যে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়?
  1. Super Key
  2. Composite Primary Key
  3. Foreign Key
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ কী ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
যেমন- ক্লাসে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে।
যথা: 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key) ।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন: একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী। 

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোনো ডেটাবেজ ফাইলে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

• ফরেন কী:
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. সর্টিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. অ্যারেঞ্জিং
  4. সার্চিং
ব্যাখ্যা
• ইনডেক্সিং:
- ডেটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং
- কোনো ফাইলের ডেটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডেটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডেটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডেটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সার্ভার থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে/ নিজ কম্পিউটারে কপি করাকে কী বলে?
  1. প্রোভাইডিং
  2. রিসিভিং
  3. আপলোডিং
  4. ডাউনলোডিং
ব্যাখ্যা
• ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল:
- FTP এর পুরো নাম File Transfer Protocol.
- FTP এমন একটি সার্ভিস, যা ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল কপি করা যায়।
- এটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল সুট ফ্যামিলির অন্যতম সদস্য।
- ফাইল কপি করার জন্য এফটিপি ব্যবহার করা হবে যখন দুটো কম্পিউটারেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকবে। 
- লোকাল কম্পিউটার/ নিজের কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে/ সার্ভারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় আপলোডিং।
- রিমোট কম্পিউটার/ সার্ভারে থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে/ নিজের কম্পিউটারে কপি করাকে বলা হয় ডাউনলোডিং। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
SUB, ADD, DIV, MUL সাংকেতিক কোড কোন ভাষায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Machine Language
  2. খ) Assembly Language
  3. গ) Natural Language
  4. ঘ) High Level Language
ব্যাখ্যা
• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা। মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।
- অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরিত করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক এক ধরনের ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাসেম্বলি ভাষা বিভিন্ন সংকেতের সমন্বয়ে লেখা হয়ে থাকে। এজন্য অ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক ভাষাও (Symbolic Language) বলা হয়।
- কারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার ক্ষেত্রে নির্দেশ ও ডাটার অ্যাড্রেস বাইনারি বা হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যার সাহায্যে না দিয়ে বিভিন্ন সংকেতের সাহায্যে দেয়া হয়।
- যথা: ADD, SUB, MUL, DIV, JMP, INP, OUT ইত্যাদি। এগুলোকে অপকোড বা অপারেশন কোড বলে। 
- আবার এই সংকেতগুলোকে সাংকেতিক কোড (Symbolic Code) বা নেমোনিক (mnemonic) বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
GSM এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কল খরচ কম
  2. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশী। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়

• সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটা এনক্রিপশন করা হয়-
  1. ডেটা আদান প্রদানের জন্য
  2. ডেটা সংরক্ষণের জন্য
  3. ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য
  4. ডেটার মান বৃদ্ধির জন্য
ব্যাখ্যা
ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে মাধ্যমের ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্‌টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটাবেজে কুয়েরি হলো-
  1. ডেটাবেজ শেয়ার করা
  2. ডেটাবেজ ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. ডেটাবেজ আপডেট রাখা
  4. ডেটাবেজে শর্তসাপেক্ষে ডেটা অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে ব্যাপক তথ্য সংগৃহীত থাকতে পারে। এই ব্যাপক আয়তনের তথ্যের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ড বা রেকর্ডসমূহ কোন শর্ত বা বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে খুঁজে বের করাকে কুয়েরি বলা হয়
- কুয়েরিতে Expression, Operator, Filter ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডেটা কুয়েরি করার জন্য যুক্তিমূলক এক্সপ্রেশন (Logical Expression) দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- যে সকল রেকর্ড শর্ত পূরণ করে সে রেকর্ডগুলোই কুয়েরির ফলাফল হিসেবে পাওয়া যাবে। যেমন: কোনো ডেটা টেবিলে City নামক একটি ফিল্ডে বিভিন্ন শহরের নাম আছে। এক্ষেত্রে যে সকল রেকর্ডের City ফিল্ডের মান "Dhaka" আছে, সে রেকর্ডগুলো কুয়েরি করার জন্য City = "Dhaka" এ রকম এক্সপ্রেশন তৈরি করা যায়। 
- কুয়েরিতে এক্সপ্রেশন তৈরি করার জন্য বিভিন্ন অপারেটর ব্যবহার করতে হয়।
- Query বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
যথা:
১. Select Query,
২. Parameter Query,
৩. Crosstab Query, 
৪. Action Query ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IPV4 এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. IPV4 এ থাকে চারটি অকটেট
  2. প্রতিটি অকটেট . (ডট) দ্বারা পৃথক থাকে
  3. সম্পূর্ণ ঠিকানা প্রকাশের জন্য ৩২ বিটের প্রয়োজন
  4. IPV4 এ মোট 216 সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস থাকে 
ব্যাখ্যা
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হলো এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।