পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়40 minutes
মোট প্রশ্ন৬১
সিলেবাস
পার্ট-১) ১) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ : শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা। ২) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি : উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। পার্ট-২) 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৬১ প্রশ্ন

.
কত সালে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল’ গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সবোর্চ্চ প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনা ও সম্পদের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সক্ষমতা জোরদারকরণ বিএআরসির দায়িত্ব যা একই ছাতার নীচে দেশের সমগ্র কৃষি গবেষণা প্রয়াস সমন্বয় সাধন।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীন সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল - এর ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোনটি সবজি?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) ক্যাপসিকাম
  3. গ) কাউন
  4. ঘ) মরিচ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিকাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিকাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন সবজি -
- ঝিঙ্গা, মুলা, ঢেড়স
- বরবটি, লাউ, বাঁধাকপি
- শিম, করলা, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া
- পটল, শসা, ক্যাপসিকাম
- গাজর, চিচিঙ্গা, ফুলকপি
অন্যদিকে, পেঁয়াজ ও মরিচ মসলাজাতীয় ফসল; 'কাউন' একটি দানাদার খাদ্যশস্য।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

.
কোন ছোট দানা বিশিষ্ট শস্যটি বাংলাদেশে গরীবের খাদ্য হিসাবে পরিচিত?
  1. ক) কাউন
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তিল
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন
ব্যাখ্যা

কাউনঃ
ব্যবহারঃ
ছোট দানা বিশিষ্ট শস্যটি এ দেশে গরীবদের খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ
প্রায় সব ধরনের মাটিতে কাউনের চাষ করা যায়। তবে পানি দাঁড়ায় না এমন বেলে দোঁআশ মাটিতে এর ফলন ভাল হয়।
জাতঃ তিতাস
বপনের সময়ঃ
দেশের উত্তরাঞ্চলে অগ্রহায়ণ থেকে মাঘ মাস (মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারী) পর্যন্ত বীজ বোনা যায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে বীজ বোনা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় কতটি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার রয়েছে?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ২৮
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
ব্যাখ্যা

BADC এর আওতায় ২৪ টি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার, ২ টি পাট বীজ উৎপাদন খামার, ২ টি আলু বীজ উৎপাদন খামার, ৪টি ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার ও ১১১ টি চুক্তিবদ্ধ চাষীজোন রয়েছে, যার সাহায্যে বীজ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট - এর আঞ্চলিক শাখা কয়টি?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট। এর প্রধান কার্যালয় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে। এর অধীন গবেষণার মোট ১৭টি বিভাগ এবং ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে। জামালপুর, চট্টগ্রাম, যশোর, মৌলভীবাজার, পাবনা, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা - জেলায় এই আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রগুলো অবস্থিত।
উৎসঃ BARI website.
.
“উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র” - কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) পাবনা
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া

.
‘রূপকল্প - ২০২১’ - অনুসারে বাংলাদেশ কত সালে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
সরকার ঘোষিত ‘রূপকল্প - ২০২১’ অনুসারে বাংলাদেশকে ২০১৩ সালের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। জনসংখ্যা বৃদ্ধি স্বত্ত্বেও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই লক্ষ্য অর্জিত হয়।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-
  1. ক) ১৩.৪০%
  2. খ) ১৩.৫৬%
  3. গ) ১৩.৬০%
  4. ঘ) ১৩.৬৫%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৬৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৬৫%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৬৫% ।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের (ফসল, বন , প্রাণিসম্পদ, মৎস্যসহ) অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১৩.৪০%
  2. খ) ১৩.৫৬%
  3. গ) ১৩.৬০%
  4. ঘ) ১৩.৬৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬০%
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১০.
২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে বৃহৎ কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ২.৯৭%
  2. খ) ৩.৫১%
  3. গ) ৪.৪৪%
  4. ঘ) ৬.১৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৫১%
ব্যাখ্যা
দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান নিম্নমূখী হলেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে সার্বিকভাবে দেশের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.৫১ শতাংশ যা আগের অর্থবছরে ছিলো ২.৯৭ শতাংশ।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
১১.
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি'তে কৃষি খাতের অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
- মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - চতুর্থ
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

১২.
সবজি উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
ব্যাখ্যা

নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
দেশে সবজির উৎপাদন ১ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

১৩.
আলু - উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

আলু ও আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম। পেয়ারা উৎপাদনে - অষ্টম।
এবছর আলু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ মেট্রিক টন এবং আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

১৪.
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে ভুর্তকির পরিমাণ কত টাকা?
  1. ক) ৭,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ১১,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১২,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সার্বিক কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমান ছিলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৯,৯৩৩ কোটি টাকা এবং কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমের ভুর্তকি বাবদ ৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৫.
২০১৮ - ১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশে উৎপাদিত গম -
  1. ক) ১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১৩.১২ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১১.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বিভিন্ন অর্থ বছরে উৎপাদিত গমের পরিমাণ -
২০১৫ - ১৬ অর্থবছর - ১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৬ - ১৭ অর্থবছর - ১৩.১২ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৭ - ১৮ অর্থবছর - ১১.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৮ - ১৯ অর্থবছর - ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৬.
নিচের কোনটি সরকারি ভাবে খাদ্যশস্য বিতরনের পদ্ধতি নয়?
  1. ক) ওপেন মার্কেট সেল
  2. খ) ভলনারেবল গ্রুপ উন্নয়ন
  3. গ) গ্রাটিসাস রিলিফ
  4. ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

সরকারি খাদ্য বিতরন ব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যানেলে নির্ধারিত আয়ের সরকারি কর্মচারী ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার খাদ্য সহায়তা দিয়ে থাকে।
এর মধ্যে নগদ সহায়তায় (Monetised) আকারে -
- ওপেন মার্কেট সেল (OMS),
- ফেয়ার প্রাইজ কার্ড (FPC) ইত্যাদি
মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বা সরাসরি খাদ্য সহায়তা (Non - monetised) হিসাবে -
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা)
- টেস্ট রিলিফ (TR)
- ভলনারেবল গ্রুপ ফিডিং (VGF)
- ভলনারেবল গ্রুপ উন্নয়ন (VGD)
- গ্রাটিসাস রিলিফ (GR) ইত্যাদি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৭.
‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩’ অনুসারে কয়টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
ব্যাখ্যা

২০১০ সালে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন-২০১০'' প্রবর্তন করা হয়েছে। উক্ত আইনবলে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩'' প্রবর্তন করা হয় যাতে ১৭টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
বিভিন্ন জাতীয় পত্র পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, আরো ২টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই, পত্রিকার মতে, মোট ১৯টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
যেহেতু প্রশ্নটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ থেকে করা হয়েছে এবং অপশন গুলোতে “১৯” নেই, তাই, উত্তর পরিবর্তন করা হলো না। তবে অপশনে “১৯” থাকলে নিজের বিবেচনা থেকে উত্তর করতে পারেন।

১৮.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত ই-কৃষি সেবা কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Rice Knowledge Bank
  2. খ) Online Fertilizer Recommendation Software
  3. গ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী কৃষকদের ই-কৃষি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে -
- কৃষকের জানালা
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recommendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৯.
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকারের গৃহীত প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) Post Harvest Management
  2. খ) Agriculture Information and Communication Centre (AICC)
  3. গ) Post-Entry Quarantine Centre
  4. ঘ) Crop Zoning
সঠিক উত্তর:
গ) Post-Entry Quarantine Centre
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Post-Entry Quarantine Centre
ব্যাখ্যা
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকার Post-Entry Quarantine Centre প্রকল্প গ্রহন করেছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
২০.
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে কি পরিমাণ মৎস আহরণ করা হয়?
  1. ক) ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মৎস সম্পদ-
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় - ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ চাষকৃত - ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মোট মাছের পরিমাণ - ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
এছাড়া সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন
অর্থ্যাৎ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে আহরিত মোট মাছের পরিমান = ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২১.
বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পখাতের মোট কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
ব্যাখ্যা

বৃহৎ শিল্পের ৪টি খাত -
১. নির্মাণ খাত
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং এবং
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২২.
অর্থনীতিতে শিল্পখাতের ৪টি উপখাতের মধ্যে কোন খাতের অবদান বেশি?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৫.১৪%।
বৃহৎ শিল্পখাত ৪ টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত-
- খনিজ ও খনন;
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ;
- ম্যানুফ্যাকচারিং ও
- নির্মাণ।
এর মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। স্থির মূল্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.২১% যা গত অর্থবছরে ছিল ২২.৮৫%। ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধির হারও বেশি (১৪.৭৩%)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২৩.
কর্মক্ষম জনসংখ্যার কত শতাংশ শিল্পখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ৪০.৬%
  2. খ) ৩৯.০%
  3. গ) ২০.৪%
  4. ঘ) ২৪.০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মোট জনশক্তি - ৬.৩৫কোটি যার মধ্যে-
খাত অনুযায়ী শ্রমশক্তিতে নিয়োজিতঃ
কৃষি- ৪০.৬%
শিল্প- ২০.৪%
সেবা- ৩৯%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২৪.
বিগত অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমান অর্থবছরে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬.৫%
  2. খ) ৮.১৩%
  3. গ) ১৩.০২%
  4. ঘ) ১৫.৭৬%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.০২%
ব্যাখ্যা

২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে অর্থনীতির ৩টি বড় খাতের প্রবৃদ্ধির হার -
শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%
সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫%
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
সার্বিকভাবে জিডিপিতে খাতগুলোর অবদান -
কৃষি খাতের অবদান- ১৩.৬০%
শিল্প খাতের অবদান- ৩৫.১৪%
সেবা খাতের অবদান- ৫১.২৬%
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২৫.
ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় আয় কত?
  1. ক) $১,৮২৭
  2. খ) $১,৯০৯
  3. গ) $২,৭৫৬
  4. ঘ) $৩,৫২৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) $৩,৫২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) $৩,৫২৪
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP) - এর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০১৮ অনুসারে,
ক্রয় ক্ষমতা বা Purchasing Power Parity (PPP) - এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ৩,৫২৪ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে, স্থিরমূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ১৯০৯ মার্কিন ডলার।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

২৬.
স্থির মূল্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু জিডিপি কত টাকা?
  1. ক) ১,৮২৭
  2. খ) ৮০,৪৬০
  3. গ) ১৫৩,১৯৭
  4. ঘ) ১৬০,০৬০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৩,১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৩,১৯৭
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরে
১. স্থিরমূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি - ১,৮২৭ মার্কিন ডলার বা ১৫৩,১৯৭ টাকা
২. স্থিরমূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয়/ GNI - ১,৯০৯ মার্কিন ডলার বা ১৬০,০৬০ টাকা।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

২৭.
বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি সংস্থা/কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২৮.
নিচের কোনটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
  2. খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
  4. ঘ) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
- 'বাংলাদেশ চা বোর্ড' - বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা।
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২৯.
চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সারকারখানা কোনটি?
  1. ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
  2. খ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
  3. গ) টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  4. ঘ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী
ব্যাখ্যা

পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরীঃ
পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ - কারখানাটি বন্ধুত্বের চিহ্ন স্বরূপ চায়না-বাংলাদেশের একটি যৌথ উদ্যোগ স্থাপিত যা ১৯৮৫ সালে শীতলক্ষা নদীর তীরে পলাশ, নরসিংদী জেলায় স্থাপিত হয়।
এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৯৫,০০০ মেট্রিক টন।
Source: BCIC website.

৩০.
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড - এর প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) বালি
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) সিলিকা
সঠিক উত্তর:
গ) চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে। বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে এর উৎপাদন ক্ষমতা - ১,৯০,০০০ মেট্রিক টন এবং ''চুনাপাথর'' এর প্রধান কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
Source: BCIC website.

৩১.
জাতীয় শিল্পনীতি - অনুযায়ী বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নের প্রধান মাধ্যম কোন ধরনের শিল্প?
  1. ক) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
  2. খ) বৃহৎ শিল্প
  3. গ) বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প
  4. ঘ) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে দেশের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ''জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬'' - এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৩২.
দর্শনা কেরু এন্ড কোং লিঃ - এর উৎপাদিত মূল পণ্য কি?
  1. ক) ফরেন লিকার
  2. খ) চিটাগুড়
  3. গ) চিনি
  4. ঘ) জৈব সার
সঠিক উত্তর:
গ) চিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিনি
ব্যাখ্যা

১৯৩৮ সালে এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের অধীনে স্থাপিত হয়। সে সময় এর অধীনে একটি চিনি কারখানা, একটি ডিষ্টিলারী ইউনিট ও একটি ওষুধ কারখানা যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতা লাভের পর, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই প্রতিষ্ঠানটিকে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে।
এখানকার মূল পণ্য হচ্ছে আখ থেকে উৎপাদিত চিনি। তবে আখ থেকে চিনি বের করে নেওয়ার পর যে উপজাত-দ্রব্য (চিটাগুড়, ব্যাগাস ও প্রেসমাড) পাওয়া যায় তা থেকেও বিভিন্ন পণ্য উৎপাদিত হয়। উপজাত-দ্রব্য হতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে উলেখযোগ্য হচ্ছে দেশি মদ, বিদেশি মদ, ভিনেগার, স্পিরিট ও জৈব সার। এখানে নয়টি ব্র্যান্ডের ‘ফরেন লিকার’ বা বিদেশি মদ তৈরি হয়।
উৎসঃ দামুড়হুদা উপজেলার ওয়েবসাইট।

৩৩.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয় কত?
  1. ক) ২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪ লাখ ২০ হাজার ২৮০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ mof.portal.gov.bd এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
৩৪.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে মোট বাজেটের কত শতাংশ ব্যয় হবে?
  1. ক) ১৩.২৫
  2. খ) ১৮.২৭
  3. গ) ২৩.২৬
  4. ঘ) ১৬.৭৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৭৫
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ২৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ বাবদ মোট বরাদ্দ ৮৭,৬২০ কোটি টাকা যা মোট বাজেট বরাদ্দের ১৬.৭৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৩.০৪ শতাংশ।সূত্রঃ mof.portal.gov.bd এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
৩৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী কোন বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম এবং রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি। সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯।
৩৬.
ব্লু ইকোনমি কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) সমুদ্র
  3. গ) আকাশ
  4. ঘ) মাটি
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩৭.
কর্মক্ষম জনসংখ্যার সেবা খাতে নিয়োজিত জনসংখ্যার পরিমাণ কত?
  1. ক) ২০.৪%
  2. খ) ৩৩.৬৬%
  3. গ) ৩৯%
  4. ঘ) ৪০.৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯%
ব্যাখ্যা

দেশের মোট জনশক্তি ৬.৩৫ কোটি যার মধ্যে পুরুষ ৪.৩৫ কোটি ও নারী ২ কোটি।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনসংখ্যার পরিমান ৪০.৬%,
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তি ৩৯.০% ও
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তি ২০.৪%।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৩৮.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫০%
  2. খ) ৬.২৫%
  3. গ) ৬.৩৯%
  4. ঘ) ৬.৬৯%
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরের অর্থনীতির খাতগুলোর প্রবৃদ্ধির হারঃ
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
- সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫% ও
- শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৩৯.
উত্তরবঙ্গ কাগজ কল - প্রধান কাঁচামাল হিসাবে নিচের কোনটি ব্যবহার করে থাকে?
  1. ক) নল খাগড়া ও ঘাস
  2. খ) গেওয়া কাঠ
  3. গ) আখের ছোবরা
  4. ঘ) বাঁশ ও খর
সঠিক উত্তর:
গ) আখের ছোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আখের ছোবরা
ব্যাখ্যা

North Bengal Paper Mill was established in 1966 on 133 acres of land on the bank of the River Padma near Hardinge Bridge.
It started production in 1975. Despite its production capacity of 15000 tons per month, it was closed on December 30 in 2002, leaving around 1100 people unemployed.
''Sugarcane bagasse'', used as raw materials for producing paper, is available in the region. But the industry incurred losses due to government policy and some managerial faults. Production cost of each ton of paper was around Tk 42000 but it was sold at Tk 40000 per ton. Immediately after the closing of the mill, the price of paper shot up to Tk 70000 in the market.
Source: e-prothom alo archive (2014)

৪০.
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৮
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৬
  4. ঘ) ২৭
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা ২৬টি।
তার মধ্যে -
- ২টি মিল পরীক্ষামূলকভাবে চলমান
- ২টি নন-জুট
- ১টি মিল বন্ধ
এবং বাকি ২১টি জুট মিল পুরোদমে চলমান।
উৎসঃ BJMC website

৪১.
বাংলাদেশর বর্তমানে চায়ের উৎপাদন কত?
  1. ক) ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি
  2. খ) ৭৮.৯৫ মিলিয়ন কেজি
  3. গ) ৮২.১৩ মিলিয়ন কেজি
  4. ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
ব্যাখ্যা

২০১৯ সাল -এর হিসাব
চা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে নবম স্থানে রয়েছে।
চায়ের মোট উৎপাদন - ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
এবং চা রপ্তানি - ০.৬০ মিলিয়ন কেজি
রপ্তানি মূল্য - ১৯৪.২৬ মিলিয়ন টাকা
সূত্রঃ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৪২.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১২টি
১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ
উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

৪৩.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী - ২০২০ সালের মধ্যে দেশ কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করবে?
  1. ক) ১৮,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২০,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২৩,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২৪,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে উৎপাদন বাড়ানোর মৌল উপকরণ হিসেবে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে সমকালীন ১৩ হাজার ৫শ' মেগাওয়াট থেকে ২৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন বাড়ানোর কার্যক্রমের রূপরেখা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সুনির্দিষ্টভাবে স্থান পেয়েছে। এছাড়া - জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য মিশ্র জ্বালানি নিশ্চিত করা, সিস্টেম লস ১৩% থেকে ৯% এ নামিয়ে আনা ইত্যাদি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।

৪৪.
ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানীসহ দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ক) ১২, ৬৬৭ মেগাওয়াট
  2. খ) ১৬, ৫৪৫ মেগাওয়াট
  3. গ) ১৮, ০৭৯ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২১, ১৬৯ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১, ১৬৯ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১, ১৬৯ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পর্যন্ত) বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে-
- সরকারি খাতে ৯,০৬৫ মেগাওয়াট,
- বেসরকারি খাতে ৭,৮৫৪ মেগাওয়াট ও
- ভারত থেকে আমদানি ১১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ গ্রিডভিত্তিক মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ১৮,০৭৯ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।
যা ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ ২১,১৬৯ মেগাওয়াট।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৪৫.
বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশে কোন নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) সমুদ্রস্রোত
  2. খ) বায়ু শক্তি
  3. গ) বায়োগ্যাস
  4. ঘ) সৌর শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে সৌর শক্তি থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের।
এছাড়াও রয়েছে পানি বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, ধানের তুষ, ইক্ষুর ছোবড়া, বর্জ্য, শিল্প প্রক্রিয়ার অব্যবহৃত তাপ হতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইত্যাদি।
সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার: সূর্য রশ্মির আলো ও তাপ কে ব্যবহার করা হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এর ফটোইলেক্ট্রিক ইফেক্টকে কাজে লাগিয়ে ফটোভোল্টাইক কোষের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয় গত শতাব্দীতে।
সূত্রঃ Ministry of Power, Energy and Mineral Resource-এর ওয়েবসাইট।

৪৬.
২০১৮ - ১৯ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ - এর মোট উৎপাদন কত?
  1. ক) ১০,৯৫৮ মেগাওয়াট
  2. খ) ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
  3. গ) ১২,৫২৪ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ১৮,০৭৯ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বর্তমানে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ১৮,০৭৯ মেগাওয়াট
এবং প্রকৃত উৎপাদন - ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৪৭.
বাংলাদেশের বিগত অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৫.৬%
  2. খ) ৮.৬৫%
  3. গ) ১২.৯৮%
  4. ঘ) ১৪.২৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ১২.৯৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২.৯৮%
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় - ২৭,৫৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার;
যা আগের বছরের তুলনায় ১২.৯৮% বেশি।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৪৮.
কোন ‘প্রাথমিক পণ্য’টি বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ক) পাটজাত দ্রব্য
  2. খ) তৈরি পোশাক
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ যেসব প্রাথমিক পণ্য রপ্তানি করে সেগুলোর নাম ও রপ্তানির পরিমাণঃ (২০১৮-১৯ অর্থ বছরের হিসাব)
১. কাঁচাপাট - ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২. চা - ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৩. হিমায়িত খাদ্য - ৩৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৪. কৃষিজাত পণ্য - ৪৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৫. অন্যান্য পণ্য - ১৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
শিল্পজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ''তৈরি পোশাক'' শীর্ষ পণ্য।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৪৯.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম কি?
  1. ক) Accord
  2. খ) Aksa
  3. গ) Alliance
  4. ঘ) Frontex
সঠিক উত্তর:
ক) Accord
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Accord
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য-
- উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যালায়েন্স,
- ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যাকর্ড এবং
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনা-বেচা বিষয়ক চুক্তির নাম - আকসা (Acquisition and Cross-Servicing Agreement)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৫০.
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশন (BTMC) - এর অধীনস্ত বস্ত্র কারখানা/গার্মেন্টসের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ২৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশন (BTMC) - এর অধীনস্ত গার্মেন্টসের সংখ্যা - ২৫টি।
এর মধ্যে,
- ৮ টি ভাড়ায় পরিচালিত
- ৮ টি সাময়িকভাবে বন্ধ
- ৭ টি পুণঃ অধিগ্রহনকৃত
- ২ টি টেক্সটাইল পল্লী
উৎসঃ BTMC website.

৫১.
বাংলাদেশের শিল্পখাতের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কয়টি সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে অ-আর্থিক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থার সংখ্যা - ৪৯টি।
শিল্পখাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা ৬টি। যথা-
১. বাংলাদেশ বস্ত্রশিল্প কর্পোরেশন
২. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
৩. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
৪. বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন
৫. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
৬. বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন
এছাড়া অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা -
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি খাতে - ৬টি
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে - ৭টি
- বাণিজ্য খাতে - ৩টি
- কৃষি খাতে - ২টি
- নির্মাণ খাতে - ৬টি
- সার্ভিস খাতে - ১৯টি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৫২.
“Desk Government” কি?
  1. ক) নির্বাচিত সরকার
  2. খ) স্বৈরতান্ত্রিক সরকার
  3. গ) ছায়া সরকার
  4. ঘ) আমলাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমলাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমলাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ ''Bureaucracy''। ইংরেজি ''Bureaucracy'' শব্দটি এসেছে ফরাসি থেকে। ফরাসিতে শব্দটি এসেছে ফরাসি 'Bureau' এবং গ্রিক 'Kratos' শব্দের সমন্বয়ে। 'Bureau' শব্দের অর্থ ডেস্ক বা অফিস এবং 'Kratos' শব্দের অর্থ শাসন বা রাজনৈতিক ক্ষমতা। সুতরাং আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ''Desk government'' বা ''দাপ্তরিক সরকার''। আক্ষরিক অর্থে আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন। বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৫৩.
আমলাদের কাজ কি?
  1. ক) নীতি নির্ধারণ
  2. খ) আইন প্রণয়ন
  3. গ) নীতি বাস্তবায়ন
  4. ঘ) রাষ্ট্র পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
গ) নীতি বাস্তবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নীতি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র ছাড়া দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করা অসম্ভব। আমলাতন্ত্র রাষ্ট্রের নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ সাধন করতে পারে। আমলাদের মাধ্যমেই সরকারি আইন ও নীতি কার্যকর করা হয়ে থাকে। আমলাদের দক্ষতা আইন প্রণয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমলাদের মাধ্যমেই শাসন কার্যে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তবে একটি অসৎ অদক্ষ আমলাতন্ত্র যেকোন রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে প্রভূত পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৫৪.
নিচের কোনটি জাতীয়তার উপাদান নয়?
  1. ক) শাসন-তান্ত্রিক ঐক্য
  2. খ) ভৌগোলিক ঐক্য
  3. গ) বংশগত ঐক্য
  4. ঘ) ভাষা ও সাহিত্যের ঐক্য
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন-তান্ত্রিক ঐক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন-তান্ত্রিক ঐক্য
ব্যাখ্যা

জাতীয়তা বলতে আমরা সেই জনসমাজকে বুঝি, যারা দেশ, ভাষা ও সাহিত্য, রীতি-নীতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ। এই ঐক্যসূত্রগুলোই জাতীয়তার উপাদান। জাতীয়তার উপাদান অনেক, তবে নিম্নলিখিতগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:
(ক) বংশগত ঐক্য,
(খ) ভৌগোলিক ঐক্য,
(গ) ধর্মের ঐক্য,
(ঘ) ভাষা ও সাহিত্যের একতা,
(ঙ) রীতি-নীতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একতা,
(চ) সাধারণ রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্খা।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৫৫.
রাষ্ট্র তার সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে কিসের মাধ্যমে?
  1. ক) সেনাবাহিনী
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) সরকার
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী দল
সঠিক উত্তর:
গ) সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সরকার
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র একটি বিমূর্ত ধারণা। রাষ্ট্রকে বাস্তবে দেখা যায় না। রাষ্ট্রকে উপলব্ধি করা যায় এর অন্যতম উপাদান সরকারের মাধ্যমে। রাষ্ট্রের অন্য তিনটি উপাদান হচ্ছে নাগরিক, ভূখন্ড ও সার্বভৌমত্ব। রাষ্ট্র তার সার্বভৌম ক্ষমতা সরকারের মাধ্যমে প্রয়োগ করে। আর সরকার গঠিত হয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে। সরকার ব্যতীত কোন রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। সরকার সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি বা কৌশল তৈরি করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৫৬.
“‘Comparative Politics and Government” - গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) ম্যাকাইভার
  2. খ) হ্যারেল্ড লাসওয়েল
  3. গ) আর্নেস্ট বার্কার
  4. ঘ) অ্যালন বল
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালন বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালন বল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক পদ্ধতির ঐক্যবদ্ধকরণ ও সংরক্ষণ রাজনৈতিক দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball) তাঁর ''Comparative Politics and Government'' নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilising the political process.” রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৫৭.
সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।
- সুশাসন সম্পর্কিত প্রদত্ত সংজ্ঞাটি কার?
  1. ক) বিশ্বব্যাংক
  2. খ) আই.এম.এফ
  3. গ) এল.এফ ওয়ার্ড
  4. ঘ) বব জেসফ
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম 'সুশাসন' ধারনাটি সামনে নিয়ে আসে। বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনে ৪টি স্তম্ভ বা উপাদান। বিশ্বব্যাংক উক্ত সংজ্ঞাটি ১৯৯৪ সালে প্রদান করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র) বই।

৫৮.
চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন - কোন ধরনের আইনের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) সরকারি আইন
  2. খ) বেসরকারি আইন
  3. গ) আন্তর্জাতিক আইন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বেসরকারি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেসরকারি আইন
ব্যাখ্যা

আইনের প্রয়োগ ও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের উপর ভিত্তি করে আইনকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়ঃ
(১) সরকারি আইন
(২) বেসরকারি আইন
(৩) আন্তর্জাতিক আইন
বেসরকারি আইনঃ এ আইন রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রণীত নয় তবে সামাজিকভাবে স্বীকৃত হয়। এ আইন দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়। যেমন, কোন সংঘের আইন, চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৫৯.
ই-গর্ভনেন্সের বৈশিষ্ঠ্য নয় কোনটি?
  1. ক) আমলাতন্ত্র হ্রাস
  2. খ) মতামত প্রদানের সুযোগ
  3. গ) সেবা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রিতা
  4. ঘ) ই-সেবা
সঠিক উত্তর:
গ) সেবা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেবা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রিতা
ব্যাখ্যা

ই-গর্ভনেন্সের ধারণা থেকে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে বর্তমান যুগে সরকারি সেবাদানের এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
ই - গর্ভনেন্স মূল কাজ - সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস করা। এবং এটি করতে গিয়ে ই - গর্ভনেন্স এর নিম্নোক্ত বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করা যায় -
১. আমলাতন্ত্র হ্রাস
২. ই-সেবা
৩. আন্তর্জাতিক সেবা
৪. মতামত প্রদানের সুযোগ
৫. অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করা
৬. বৈষম্য হ্রাস ইত্যাদি
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৬০.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ কোনটি?
  1. ক) নৈতিকতা
  2. খ) সহনশীলতা
  3. গ) নির্বাচনে অংশগ্রহন
  4. ঘ) দায়িত্বশীলতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দায়িত্বশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দায়িত্বশীলতা
ব্যাখ্যা

দায়িত্বশীলতা - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ। গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্বশীল বলেই সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বই।

৬১.
সুশাসন - ধারনাটি জনপ্রিয় করে কোন সংস্থা?
  1. ক) IMF
  2. খ) জাতিসংঘ
  3. গ) UNDB
  4. ঘ) WB
সঠিক উত্তর:
ঘ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) WB
ব্যাখ্যা

১৯৮০ এর দশক থেকেই বিশ্বব্যাংক, UNDP - সুশাসন এর বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক চিন্তাভাবনা শুরু করে। ১৯৮৯ সালে প্রথম বিশ্বব্যাংক প্রথম সুশাসন বিষয়ের ধারনাটি সামনে নিয়ে আসে এবং এই সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী আগ্রহ সৃষ্টি হতে থাকে। বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে “Governance and Development” শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।
২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল−
১.দায়িত্বশীলতা,
২.স্বচ্ছতা
৩.আইনী কাঠামো ও
৪.অংশগ্রহণ।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।