পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes৭৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৭: Full Model Test - 7
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৫ প্রশ্ন

.
He has no authority _______ his sons.
  1. on
  2. to
  3. over
  4. for
সঠিক উত্তর:
over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
over
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) over.
Complete sentence: He has no authority over his sons.

Authority over:
- Bangla meaning: আধিপত্য
- Example: He has no authority over his sons.

Other options:
- Authority on (কিছুতে বিশেষজ্ঞ) - Dr. Shahidullah had authority on Bengali language.
- Authority to (ক্ষমতা) - Only the secretary has authority to make payments.
- Authority for (অধিকার) - What is your authority for such a statement?

Source: Advance Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

.
What does “At the eleventh hour” mean?
  1. Very early in the day
  2. Without prior warning
  3. After a long delay
  4. At the last moment
সঠিক উত্তর:
At the last moment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At the last moment
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) At the last moment

 At the eleventh hour: 
- English Meaning: at the last moment.
- Bangla Meaning: শেষ মুহূর্তে।

• Example Sentences:
- English Meaning: Still making changes at the eleventh hour.
- Bangla Meaning: এখনো শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন করা হচ্ছে।

Source: Live MCQ Lecture.

.
"The Alchemist" is a -
  1. Novel
  2. Play
  3. Poem
  4. Short story
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Novel ও খ) Play.
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------- 

The Alchemist:
- The Alchemist হলো Ben Jonson-এর একটি বিখ্যাত satire play, যা প্রথমে ১৬১০ সালে মঞ্চায়িত হয় এবং ১৬১২ সালে প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি লন্ডনের একটি বাড়ি ও তার দাসদের আশেপাশে ঘটে যাওয়া ধোঁকাবাজি ও অরাজকতার কাহিনী ঘিরে গড়ে উঠেছে।
- Lovewit বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার পর তার চালাক দাস Face নিয়ন্ত্রণ নেন।
- Face, আলকেমিস্ট Subtle এবং সহচর Dol Common-এর সঙ্গে মিলে ভুয়া জাদু এবং নকল সেবা বিক্রি শুরু করেন।
- নাটকের বিভিন্ন চরিত্র যেমন Sir Epicure Mammon, Ananias, Tribulation Wholesome, Abel Drugger, Dapper, এবং Kastril ও তার বিধবা বোন Pliant প্রতারণার শিকার হয়।
- Surly ধোঁকাবাজি বন্ধ করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
- অবশেষে Lovewit হঠাৎ ফিরে আসেন, Subtle ও Dol পালিয়ে যান, আর Face Dame Pliant-এর স্বামীর সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করে শান্তি ফিরিয়ে আনে।
- Jonson-এর এই ব্যঙ্গাত্মক নাটক সমাজে ধন, ক্ষমতা, স্বার্থপরতা, লোভ ও বিশৃঙ্খলার মতো সমস্যা তুলে ধরেছে।

আবার,
The Alchemist:
- Paulo Coelho রচিত novel. 
- It is an inspirational novel by Brazilian author Paulo Coelho that was first published in 1988.
- Paulo Coelho's masterpiece tells the mystical story of Santiago, an Andalusian shepherd boy who yearns to travel in search of a worldly treasure. 

Source: Britannica.

.
He was appointed as a justice in the Supreme Court. Here, "justice" is a/an -
  1. Proper noun
  2. Common noun 
  3. Abstract noun
  4. Collective noun
সঠিক উত্তর:
Common noun 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common noun 
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Common noun.

- এখানে "justice" শব্দটি একজন বিচারক বা আদালতের বিচারকের পদবীকে বোঝাচ্ছে।
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং সাধারণ একটি পদ বা শ্রেণি নির্দেশ করছে।
- তাই এটি Common noun।

• Common noun:
- যে সব noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সবাইকেই বোঝায় তাদেরকে Common noun বলে।
- অর্থাৎ, Common noun হলো একটি সাধারণ শ্রেণি বা জাতের নাম, যা সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণাকে নির্দেশ করে।
- কিছু common noun হলো:
- Flower, Poet, Planet, Dress, Village, City, Sheep, Children, Infant, River, Book, Boy, Girl, etc.

অন্যদিকে,
- Justice শব্দটি দ্বারা যখন ন্যায়পরায়ণতা বিচারব্যবস্থা ইত্যাদি বোঝায় তখন Abstract noun হয়।
- যেমন: Justice must be served in every case.

Source: A Passage To The English Language. S. M. Zakir Hussain.

.
Who wrote "Utopia"?
  1. William Shakespeare
  2. Thomas More
  3. Francis Bacon
  4. John Milton
সঠিক উত্তর:
Thomas More
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas More
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Thomas More

Utopia:
- Utopia হলো Thomas More-এর লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ, যা ১৫১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- মূলত এটি লাতিন ভাষায় লেখা হয়েছিল এবং পরে অন্যান্য ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- গ্রন্থটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ আকারে, পর্তুগিজ ভ্রমণকারী Raphael Hythloday-এর প্রতিবেদনের মাধ্যমে আদর্শ সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
- Hythloday-এর নাম লাতিন “hythlodaeus” থেকে এসেছে, যার অর্থ “বোকামি বিতরণকারী”।
- বইতে দেখানো হয়েছে কিভাবে ধর্মীয় সহনশীলতা, কাজ অনুযায়ী আয়, প্রয়োজন অনুযায়ী ভোগ, ব্যক্তিগত সম্পত্তির অভাব, মুক্ত শিক্ষা ও শান্তিপ্রিয় জীবন বজায় থাকে এবং প্রয়োজনে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতাও রয়েছে।
- এখানে কোনো মৃত্যুদণ্ড, দারিদ্র্য বা কঠোর আইন নেই, কারণ সবাই নৈতিকভাবে স্বশাসিত।
- গ্রন্থটি ব্যঙ্গাত্মক রীতিতে সমাজ ও নৈতিক বিষয়গুলো তুলে ধরে।

Thomas More:
- Thomas More ছিলেন ইংরেজি মানবতাবাদী ও রাজনীতিবিদ, জন্ম ৭ ফেব্রুয়ারি ১৪৭৮, লন্ডন এবং মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ৬ জুলাই ১৫৩৫, কারণ তিনি কিং হেনরি অষ্টমকে Church of England-এর প্রধান হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকার করেছিলেন।
- তাঁর সবচেয়ে পরিচিত কাজ Utopia, যা নিখুঁত ও আদর্শ সমাজের চিত্র তুলে ধরে।
- More জমি দখলের প্রচলিত প্রথা সমালোচনা করেছিলেন এবং গ্রিক অধ্যয়নের প্রচার করেছিলেন, যা ধর্মীয় শিক্ষার পুনর্নবীকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

Some other famous works of Thomas More:
-The History of King Richard the Third (book),
-The Four Last Things (book).

Source: Britannica.

.
He told me what he knew. (Passive)
  1. I was told what he known by him.
  2. What he knew told me by him.
  3. What he knew was told me by him.
  4. He was told me what he knew.
সঠিক উত্তর:
What he knew was told me by him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
What he knew was told me by him.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) What he knew was told me by him.

Passive Voice of Complex Sentence:
- Complex sentence এ একটি clause একটি subject বা object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং active এর object যদি একটি clause হয় তাহলে passive - এর subject হিসেবে ঐ clauseটি ব্যবহৃত হবে।
- কিংবা active - এর subject কোন clause হলে passive-এর object হিসেবে তা ব্যবহৃত হয়। clause এর মধ্যকার verb এর কোন পরিবর্তন হবে না। 

Examples:
Act: He showed me what he had made.
Pass: What he had made was shown me by him.

Act: I know what he thinks.
Pass: What he thinks is known to me.

Act: She said what she knew.
Pass: What she knew was said by her.

Act: We will explain why we want to do it.
Pass: Why we want to do it will be explained by us.

Act: What he has done will save his family.
Pass: His family will be saved by what he has done.

Other options
ক) I was told what he known by him. → structure ভুল।
খ) What he knew told me by him. → verb structure ভুল। 
ঘ) He was told me what he knew. → subject এবং passive structure ভুল।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

.
The synonym of “Equanimity” is -
  1. Agitation
  2. Serenity
  3. Nobility
  4. Affirm
সঠিক উত্তর:
Serenity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Serenity
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) Serenity 
- Serenity (noun) (প্রশান্তি)। 

• Equanimity (noun)
- English Meaning: The state of being calm and in control of your emotions, especially in a difficult
situation.
- Bangla Meaning: মন মেজাজের প্রশান্তি।

• Synonyms:
- Calmness (শান্ততা, বিশ্রান্ততা),
- Serenity (প্রশান্তি),
- Equilibrium (ভারসাম্য),
- Aplomb (আত্মবিশ্বাস, ঋজুতা),
- Coolness (উদ্বেগহীন)।

• Antonyms:
- Anxiety (ভয় ও অনিশ্চয়তারোধ; উদ্বেগ দুশ্চিন্তা),
- Uncertainty (অনিশ্চয়তা),
- Agitation (উত্তেজনা),
- Impatience (অধৈর্য অবস্থা),
- Nervousness (ভয়, ভীতকর অবস্থা)।

• Example Sentence:
- In spite of her financial troubles, she faced the future with equanimity.
- Alzheimer's has given her a refreshing dollop of equanimity.

Other options
- Nobility (মহত্ত্ব; মহানুভবতা)।
- Affirm (সত্যতা সমর্থন করা, নিশ্চিত করা)। 

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
He had better _______ home.
  1. go
  2. going
  3. to go
  4. went
সঠিক উত্তর:
go
উত্তর
সঠিক উত্তর:
go
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) go
Complete sentence: He had better go home.

Had better - unreal past ইহা present/ future tense এর অর্থ প্রকাশ করে। 
Had better এর পর infinitive to বসে না। সর্বদা verb এর base form বসে।
Structure: Subject + had better + verb এর base form + .......
Example:
(i)  He had better _____ (go) home.
Ans: He had better go home.
(ii) You had better ______ (leave) the place.
Ans: You had better leave the place.
(iii) I had better ____ (ring) him at once.
Ans: I had better ring him at once.

Other options:
খ) going → “had better” পরে -ing form ব্যবহার হয় না।
গ) to go → “had better” পরে infinitive with to আসে না।
ঘ) went → past tense ব্যবহার হয় না, কারণ “had better” present/future অর্থ প্রকাশ করে।

Source: Advance Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

.
A Tale of Two Cities novel is set during -
  1. World War I
  2. World War Il
  3. The French Revolution
  4. The American Revolution
সঠিক উত্তর:
The French Revolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The French Revolution
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) The French Revolution.

A Tale of Two Cities:
- A Tale of Two Cities উপন্যাসটি Charles Dickens লিখেছেন এবং এটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- গল্পের পটভূমি ছিলো ১৮শ শতকের শেষের দিকে ফরাসি বিপ্লব।
- লন্ডন এবং প্যারিসের বিপ্লবী পরিস্থিতি দক্ষভাবে চিত্রিত হয়েছে।
- রাজনৈতিক ঘটনা উপন্যাসের মূল চালিকা শক্তি হলেও, কাহিনী ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং আত্মত্যাগের গুরুত্বকেও তুলে ধরে।

Charles Dickens (1812–1870):
- Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজি উপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তার রচনায় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী, দরিদ্র ও রাজা পর্যন্ত সব ধরনের চরিত্র আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং তার সাহিত্যিক দক্ষতা তাঁর খ্যাতি বিস্তারে সহায়ক হয়েছে।

Notable works:
Novels:
- Oliver Twist,
- A Christmas Carol,
- A Tale of Two Cities,
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- Dombey and Son,
- Hard Times
Non-fiction:
- American Notes

Source: Britannica.

১০.
Which of the following is an antonym of “Magnanimous”?
  1. Meticulous
  2. Equilibrium
  3. Benevolent 
  4. Vindictive
সঠিক উত্তর:
Vindictive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vindictive
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) Vindictive 
- Vindictive (ক্ষমাহীন; ক্ষমাশূন্য; প্রতিহিংসাপরায়ণ)। 

• Magnanimous (adjective)
- English Meaning: Means very kind and generous towards an enemy or someone you have defeated.
- Bangla Meaning: মহানুভব।

• Synonyms:
- Benevolent (দয়ালু; সদাশয়),
- Altruistic (পরার্থসম্মত),
- Philanthropic (লোকহিতকর; জনসেবামূলক)।

• Antonyms:
- Vindictive (ক্ষমাহীন; ক্ষমাশূন্য; প্রতিহিংসাপরায়ণ),
- Malevolent (পরের অমঙ্গল কামনাকারী; পরশ্রীকাতর),
- Selfish (স্বার্থপর)।

• Example Sentence:
- He was magnanimous in victory and praised his opponent.
- Only a magnanimous heart can forgive a deep betrayal.

• Other options:
- Meticulous (খুঁটিনাটির ব্যাপারে অতি যত্নশীল; অতি সতর্ক),
- Equilibrium (ভারসাম্য),

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Accessible Dictionary.

১১.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক- 
  1. দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  4. শাহেদ আলী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র। 
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
Shanghai Cooperation Organisation ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. তিয়ানজিন, চীন
  2. বাকু, আজারবাইজান
  3. তেহরান, ইরান
  4. মস্কো, রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
তিয়ানজিন, চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়ানজিন, চীন
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট -১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি SCO-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলন ছিল। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

• Shanghai Cooperation Organisation (SCO):

- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

১৩.
সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(ক)
ব্যাখ্যা

৭(ক): সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ:
[৭ক। (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
(ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে; কিংবা
(খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-
তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
(খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-
তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪.
পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত 'আট স্তম্ভ' কার স্মরণে নির্মিত হয়েছে?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আবু সাঈদ
  3. মীর মুগ্ধ
  4. জাতীয় আট নেতা
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

• আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’:
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি স্মরণে আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’ বুয়েট–সংলগ্ন পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত। 
- আটটি স্তম্ভ হচ্ছে সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, দেশীয় শিল্প-কৃষি-নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদা।

- ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ‘আট স্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘আট স্তম্ভের অবয়বের চেয়ে, আট স্তম্ভে লিখে রাখা বিষয়গুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই বদ্বীপের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে।’
- আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ নির্মাণে ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে মাঝখানে অংকিত মানচিত্র কোন রঙের?
  1. লাল
  2. হলুদ
  3. সবুজ
  4. সোনালী
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।



উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

১৬.
যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

 ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি:
- গত ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর সদস্যদের মধ্যে প্রথম ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাজ্য ও কানাডা।
- ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ফ্রান্স।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে এ পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়নি।

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৭.
'মোগল' শব্দটি কোন ভাষা হতে এসেছে?
  1. ফারসি
  2. তুর্কি
  3. হিন্দি
  4. গুজরাটি
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
ব্যাখ্যা

'মোগল' শব্দটি 'তুর্কি' ভাষা হতে এসেছে।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- মঙ্গোলিয়া থেকে বাবরের নেতৃত্বে ভারতে আগত সাম্রাজ্য স্থাপন-কারী জাতিবিশেষ।
- মঙ্গোলিয়ার অধিবাসী।

কিছু তুর্কি শব্দ:
- কলগি,
- চাকু,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ - 
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে ।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় শিব প্রসাদ রায় ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। 
- তিনি প্রায় ৩০ টি গ্রন্থ রচনা করেন।

রাজা রামমোহন রায় রচিত গ্রন্থ:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'অসি' শব্দের অর্থ কী?
  1. ঝড়
  2. তলোয়ার
  3. ঢেউ
  4. যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
তলোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলোয়ার
ব্যাখ্যা

• 'অসি' শব্দের অর্থ - তলোয়ার, তরবারি, কৃপাণ, অস্ত্রবল।

অন্যদিকে,
'ঢেউ' শব্দের অর্থ - ঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী।
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - আহব, রণ, সমর।
'ঝড়' শব্দের অর্থ - ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
'অনুদিন' শব্দে উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. সাদৃশ্য
  2. পশ্চাত
  3. সঙ্গে
  4. পৌনঃপুন
সঠিক উত্তর:
পৌনঃপুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌনঃপুন
ব্যাখ্যা

'অনু' উপসর্গের ব্যব্যহার:
- পশ্চাত অর্থে = অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুচর, অনুতাপ, অনুকরণ।
- সাদৃশ্য অর্থে = অনুবাদ, অনুরুপ, অনুকার।
- পৌনঃপুন অর্থে = অনুক্ষণ, অনুদিন, অনুশীলন।
- সঙ্গে অর্থে = অনুকূল, অনুকম্পা।

তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
- তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০ টি।
 যেমন:
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

উৎস: 
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
'মাছুুয়া > মেছো' - কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. সম্প্রকর্ষ 
  2. মধ্য স্বরাগম
  3. অভিশ্রুতি
  4. বিপ্রকর্ষ 
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা

অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
অশুদ্ধ বানান -
  1. শুশ্রূষা
  2. মুমূর্ষু
  3. সর্বস্বান্ত
  4. সায়ত্ত্বশাসন
সঠিক উত্তর:
সায়ত্ত্বশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়ত্ত্বশাসন
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - সায়ত্ত্বশাসন
- শুদ্ধ বানান - স্বায়ত্তশাসন।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- স্বশাসিত রাষ্ট্র (একনায়ক-শাসিত নয়)।

অন্যদিকে,
- সর্বস্বান্ত, 
- মুমূর্ষু,
- শুশ্রূষা।
শব্দগুলো বানান শুদ্ধ।

 উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
'পদ্মার পলিদ্বীপ' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
  1. রূপজান 
  2. এরফান মাতব্বর
  3. আরশেদ মোল্লা
  4. ফজল
সঠিক উত্তর:
ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজল
ব্যাখ্যা

'পদ্মার পলিদ্বীপ' উপন্যাস:
- আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস 'পদ্মার পলিদ্বীপ'।
- ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার মুক্তধারা থেকে উপন্যাসটি প্রকাশ পেলেও ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে আবু ইশাক উপন্যাসটি রচনায় হাত দেন।
- উপন্যাসের প্রথম ষোলটি অধ্যায় বাংলা একাডেমির 'উত্তরাধিকার' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে মে ১৯৭৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। অবশ্য তখন এর নাম ছিল 'মধুর মাটি'।
- এ উপন্যাসে পদ্মা তীরবর্তী চরকেন্দ্রিক অধিবাসী, তাদের চরদখল, জীবন-সংগ্রাম মুখ্য।
- 'ফজল' এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• অন্যান্য চরিত্রগুলো হলো:
- এরফান মাতব্বর,
- আরশেদ মোল্লা,
- জঙ্গুরুল্লা,
- জরিনা,
- রূপজান ইত্যাদি।

আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।

আবু ইসহাক রচিত রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২৪.
কোন দুটি তালব্য বর্ণ?
  1. ভ, ম
  2. ঝ, শ
  3. ন, র
  4. ত, দ
সঠিক উত্তর:
ঝ, শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝ, শ
ব্যাখ্যা

তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভে ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে:
- ভ, ম - ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন। 
- ন, র - দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন।
- ত, দ - দন্ত্য ব্যঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৫.
কোথায় চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
  2. সংস্কৃত কলেজ
  3. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে  মহামহোপাধ্যায়  হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। 
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
১) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।

২৬.
নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
  1. √১৬৯
  2. ৫/৯
  3. √২৮
  4. ৩.৭৫
সঠিক উত্তর:
√২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√২৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?

সমাধান:
মূলদ সংখ্যা: যে সকল সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণসংখ্যা p ও q (যেখানে q ≠ 0) এর অনুপাত p/q রূপে প্রকাশ করা যায় সেগুলোকে মূলদ সংখ্যা বলা হয়। শূন্য, স্বাভাবিক সংখ্যা, প্রকৃত ভগ্নাংশ, অপ্রকৃত ভগ্নাংশ, সসীম দশমিক এবং পূর্ণবর্গ সংখ্যার বর্গমূল সবই মূলদ সংখ্যা। যেমন: ৫/৩, ২.৫, √৯ = ৩ ইত্যাদি।

অমূলদ সংখ্যা: যে সকল সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না অর্থাৎ সাধারণ ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় না এবং পূর্ণবর্গ নয় এমন সকল স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূলকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়। যেমন: √২, √৭, √১১ ইত্যাদি।

এখানে,
ক) √১৬৯ = ১৩ এটি একটি পূর্ণসংখ্যা এবং ১৬৯ একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা। সুতরাং এটি মূলদ সংখ্যা।
খ) ৫/৯ এটি p/q আকারে আছে। সুতরাং এটি মূলদ সংখ্যা।
গ) √২৮ =  √(৪ × ৭) = ২√৭। এখানে ৭ একটি মৌলিক সংখ্যা এবং পূর্ণবর্গ নয়।
√২৮ = ৫.২৯১৫০২৬২২১...... এটি একটি অসীম অনাবৃত্ত দশমিক। এটিকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না। সুতরাং এটি অমূলদ সংখ্যা।
ঘ) ৩.৭৫ = ৩৭৫/১০০ = ১৫/৪, এটি p/q আকারে প্রকাশ করা যায়। সুতরাং এটি মূলদ সংখ্যা।

সুতরাং, √২৮ অমূলদ সংখ্যা।

২৭.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৩: ৮ এবং তাদের ল.সা.গু. ১৬৮ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?
  1. ৫৬
  2. ৬৪
  3. ৭২
  4. ৮৪
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৩: ৮ এবং তাদের ল.সা.গু. ১৬৮ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৩ক ও ৮ক

∴ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. = (৩ × ৮)ক = ২৪ক

প্রশ্নমতে,
২৪ক = ১৬৮
⇒ ক = ১৬৮/২৪
⇒ ক = ৭

∴ বৃহত্তম সংখ্যা = ৮ × ক = ৮ × ৭ = ৫৬

২৮.
  1. 18√5
  2. 30√3
  3. 36√5
  4. 46√5
সঠিক উত্তর:
46√5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
46√5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

২৯.
রক্তে উপস্থিত কোন কণিকা ফুসফুস থেকে শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যায়?
  1. মনোসাইট
  2. লিম্ফোসাইট
  3. ইওসিনোফিল
  4. এরিথ্রোসাইট
সঠিক উত্তর:
এরিথ্রোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিথ্রোসাইট
ব্যাখ্যা

এরিথ্রোসাইট (লোহিত রক্তকণিকা) এর প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করা।

এরিথ্রোসাইট (লোহিত রক্ত কণিকা):
- এরিথ্রোসাইট বা লোহিত রক্তকণিকা হলো মানবদেহের অন্যতম প্রধান রক্তকণিকা, যা রক্তের মোট আয়তনের প্রায় ৪৫% দখল করে।
- এর প্রধান কাজ হলো হিমোগ্লোবিন নামক লৌহযুক্ত প্রোটিনের সাহায্যে ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেওয়া।
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উল্লেখ্য:
- মনোসাইট, লিম্ফোসাইট, ইওসিনোফিল:
- এই তিনটিই হলো শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell/Leucocyte) এর প্রকারভেদ। এদের প্রধান কাজ হলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অংশ নেওয়া (যেমন: জীবাণু ভক্ষণ বা অ্যান্টিবডি তৈরি করা)।
- এরা অক্সিজেন পরিবহনে সরাসরি যুক্ত নয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির __________ অনুসারে, চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ার পর আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবেন।
  1. আদেশ ১৮, বিধি-১৮
  2. আদেশ ১৮, বিধি-১৯
  3. আদেশ ১৮, বিধি-২০
  4. আদেশ ১৮, বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮, বিধি-১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮, বিধি-১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮, বিধি-১৯-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করবেন। এই সময় গণনায় শুধুমাত্র কার্য দিবস (working days) গণনা করা হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-18 Rule-19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অনুসারে মামলায় মূল বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. দখলের প্রশ্ন
  2. চুক্তির পালন
  3. স্বত্বের প্রমাণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ অনুযায়ী, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় দখল প্রধান ও মূল বিবেচ্য বিষয়। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, কোনো ব্যক্তি যাতে তার দখলকৃত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে পারে এবং অন্যায়ভাবে কেউ যেন তার দখলে হস্তক্ষেপ না করে।
- দখল প্রমাণিত হলে, স্বত্ব না থাকলেও আদালত দখল রক্ষার্থে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন। স্বত্বের প্রশ্ন গৌণ; এটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় মুখ্য বিষয় নয়।সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) দখলের প্রশ্ন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের জন্য কোন বিষয়কে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়?
  1. চুক্তির লেখার ভুল
  2. চুক্তির আর্থিক মান
  3. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধনের প্রধান ভিত্তি হলো পক্ষসমূহের অভিপ্রায়। বিশেষভাবে, আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে সকল পক্ষের অভিপ্রায় ছিল একটি "সুষম ও বিবেকসম্মত চুক্তি" (equitable and conscientious agreement) সম্পাদন করা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৩৩.
The Civil Courts Act, 1887 এর কোন ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২২ ধারা
  2. ২৩ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২ অনুসারে, জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যুগ্ম জেলা জজের কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল স্থানান্তর করতে পারেন। এছাড়া, স্থানান্তরিত আপিল প্রত্যাহার করে নিজে নিষ্পত্তি করতে বা অন্য উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-22: Power of District Judge to transfer appeals:
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.
(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it.
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতির জন্য আদেশ ৩৭ কোন আদালতে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্টে
  2. জেলা আদালতে
  3. সকল দেওয়ানি আদালতে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৩৭ বিধি-১ অনুসারে, হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে প্রযোজ্য। এটি সকল দেওয়ানী আদালতে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর সীমাবদ্ধতা নির্দিষ্ট আদালতের ক্ষেত্রে সীমিত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-Summary Procedure on Negotiable Instruments:
Rule-1: Application of Order: This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.

৩৫.
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিসের (Conciliator) কাছে অনুরোধ প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তিনি সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিস (Conciliator) এর কাছে সালিসীর জন্য অনুরোধ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে তাকে সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করতে হবে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের একটি সভা আহ্বান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) উক্তরূপ অনুরোধ প্রাপ্ত হইবার দশ দিনের মধ্যে সালিস (Conciliator) তাহার সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করিবেন, এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের সভা আহ্বান করিবেন৷

৩৬.
তামাদি আইনের অনুসারে মিথ্যা কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯ মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
- তামাদি- ১ বৎসর।
- সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।

৩৭.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ধারা ২২(৬) অনুযায়ী, আদালতের মধ্যস্থতার আদেশের কত দিনের মধ্যে পক্ষগণকে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ২২(৬) অনুসারে, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার আদেশের ১০ (দশ) দিবসের মধ্যে পক্ষগণকে লিখিতভাবে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে অবহিত করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করবে।

৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২১ অনুসারে, আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০-এর অধীনে দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল পর্যালোচনা করে যদি মনে করে যে হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯-এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশের যৌক্তিক সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু:-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

৩৯.
নিচের কোন নীতিটি ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Res judicata
  2. Actus reus
  3. Audi alteram partem
  4. Nemo judex in causa sua
সঠিক উত্তর:
Nemo judex in causa sua
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo judex in causa sua
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলায় ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট থাকেন বা মামলার একজন পক্ষ হন, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না। এটি "Nemo judex in causa sua" নীতির প্রতিফলন, যার অর্থ "কেউ নিজের মামলায় বিচারক হতে পারে না।" এটি প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Principles of Natural Justice) অন্যতম একটি মূল নীতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থে জড়িত থাকেন বা নিজেই মামলার এক পক্ষ হন, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না।
- এই নীতি “Nemo judex in causa sua” — এর অর্থ হলো: "কেউ নিজের মামলায় বিচারক হতে পারে না।"
- এটি Natural Justice (প্রাকৃতিক বিচারনীতি)-এর অন্যতম প্রধান নীতি। এই নীতি নিশ্চিত করে যে, বিচারপ্রার্থী কেউ পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বার্থযুক্ত বিচারকের সামনে বিচার পাবে না। এতে বিচারপ্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

অপশন গুলোর ব্যাখ্যা:
→ Res judicata: এটি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য একটি নীতি, যেখানে পূর্বে নিষ্পত্তি হওয়া মামলাকে পুনরায় গ্রহণ করা যায় না।
→ Actus reus: এটি একটি অপরাধের শারীরিক উপাদান বোঝায়, এই প্রশ্নের প্রাসঙ্গিক নয়।
→ Audi alteram partem: এটি Natural Justice-এর নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার মানে  “অপর পক্ষকে শুনতে হবে”। তবে এটি ৫৫৬ ধারার প্রাসঙ্গিক নয়, বরং ফৌজদারি বিচারপদ্ধতির অন্যান্য অংশে গুরুত্বপূর্ণ।

৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে আদালত রায় দানের পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারেন?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৫
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২২৭ অনুসারে, যেকোনো আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৪১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪ অনুযায়ী সরকারী দলিল (Public Document) কোনটি?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. ব্যক্তিগত চিঠি
  3. কবিতা বা উইল
  4. আদালতের রায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, সরকারী দলিল (Public Document) বলতে সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলগুলোকে বোঝায়, যেমন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনালের নথিপত্র, বিচার বা শাসন বিভাগের লিখিত রেকর্ড। এর মধ্যে আদালতের রায় অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি সরকারী রেকর্ডে রক্ষিত হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (বিক্রয় চুক্তি, ব্যক্তিগত চিঠি, কবিতা বা উইল) ধারা ৭৫-এর অধীনে বেসরকারী দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

৪২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুরুষত্বহীন করণ
  2. চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব
  3. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ৮টি ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত, যেমন পুরুষত্বহীন করণ (প্রথম দৃষ্টান্ত), চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব (দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত) এবং মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি (ষষ্ঠ দৃষ্টান্ত)। কিন্তু যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট গুরুতর আঘাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি স্থায়ী ক্ষতি বা গুরুতর প্রভাব (যেমন ২০ দিনের যন্ত্রণা বা অপারগতা) সৃষ্টি করে না; এটি সাধারণ আঘাতের (ধারা ৩১৯) আওতায় পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:
- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৪৩.
ইসলামি আইনে বিবাহকে প্রধানত কী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. সামাজিক বন্ধন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান
  3. নৈতিক দায়িত্ব
  4. দেওয়ানি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামি আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। ইসলামী আইনে বিয়ে হলো একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র বন্ধন। ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্য ছাড়াও এ বন্ধন সৃষ্টি হয় একটা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে। বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও বৈধ সন্তান জন্মদানের অধিকার লাভ করে। এ ছাড়াও বিয়ের মাধ্যমে তাদের একে অন্যের ওপর যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য জন্মায়।

- Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

৪৪.
মুসালিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কোরানিক অংশীদারদের মধ্যে পুরুষ অংশীদার কত জন?
  1. ৮ জন
  2. ৬ জন
  3. ৪ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসালিম উত্তরাধিকার আইন (শরীয়া) অনুসারে কোরানিক অংশীদার মোট ১২ জন, যার মধ্যে পুরুষ অংশীদার ৪ জন: স্বামী (Husband), বাবা (Father), দাদা (True Grandfather) এবং বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)। এই অংশীদাররা কুরআনের সুরা নিসায় উল্লিখিত নির্দিষ্ট অংশ পান।

⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদী (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)

৪৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'বৃদ্ধি নীতি' নামে কোন মতবাদ পরিচিত?
  1. রদের মতবাদ
  2. আনসাব মতবাদ
  3. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  4. আউলের মতবাদ
সঠিক উত্তর:
আউলের মতবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউলের মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (শরীয়া) অনুসারে 'বৃদ্ধি নীতি' বা Doctrine of Aul (আউলের মতবাদ) বলতে বোঝায় যখন কোরানিক অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ যোগ করলে সম্পত্তির মোট পরিমাণ (১) অতিক্রম করে (যেমন ১৩/১২), তখন অংশীদারদের অংশসমূহকে তাদের অনুপাতে কমিয়ে (যেমন ১২/১৩ করে) যোগফলকে ১-এর সমান করা হয়। এতে কোনো অংশীদারকে বাদ দেওয়া হয় না, শুধু অংশের পরিমাণ সমন্বয় করা হয়।

⇒ আউল শব্দের অর্থ বৃদ্ধি বা increase অংশীদারদের নিজেদের অংশ বন্টনের পরে, যদি মোট পরিমাণ এক না হয়ে এটা অতিক্রম করে তবে সেক্ষেত্রে বৃদ্বির বা আউলের মতবাদ প্রয়োগ হয়।
- অংশগুলো একত্রে যোগ করলে যোগ করলে যোগফলের ভগ্নাংশের 'লব' (numerator ) দ্বারা অংশের মোট সংখ্যা বোঝাবে এবং 'হর' (denomenator) দ্বারা উত্তরাধিকার যোগ্য সম্পত্তির) মোট ভাগ বা টুকরার পরিমাণ বোঝাবে।
- যদি বন্টিত অংশের পরিমাণ ১৩/১২ হয়, তখন ১৩ দ্বারা অংশের সংখ্যা বোঝাবে এবং ১২ দ্বারা সম্পত্তির বিভক্তি বা খন্ডের সংখ্যা বোঝাবে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির টুকরা বা খন্ডের চাইতে এতে প্রাপ্য অংশের পরিমাণ বেশী হয়েছে।
- অন্য কথায় অংশীদারদের অংশের পরিমানের চাইতে সম্পত্তি কম। অংশীদারদের স্ব স্ব অংশের কোনরকম পরিবর্তন না করে একে এককরার যে নীতি প্রয়োগ করা হয় তাই আউল নীতি (doctrine of Aul) নামে পরিচিত।
- এই নীতি অনুযায়ী অংশীদারদের অংশসমূহ তাদের অনুপাতে কমিয়ে এদের যোগফল এক করা হয়।

৪৬.
হানাফী আইন অনুযায়ী মোট কত শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

৪৭.
পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত ধারায় মোট কয়টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫ অনুসারে, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত মোট ৫টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে: (ক) বিবাহ বিচ্ছেদ, (খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, (গ) দেনমোহর, (ঘ) ভরণপোষণ, এবং (ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান। এই ধারা মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে এই বিষয়গুলোর মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার ও নিষ্পত্তির এখতিয়ার প্রদান করে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

৪৮.
মুসলিম আইন অনুসারে 'ক' তার ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায়, ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি কী ধরনের হবে?
  1. বৈধ বিবাহ
  2. বাতিল বিবাহ
  3. হারাম বিবাহ
  4. অনিয়মিত বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইন (শরীয়া) অনুসারে, একজন পুরুষ সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী একই সময়ে রাখতে পারে। ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি বৈধ বা বাতিল নয়, বরং অনিয়মিত (Irregular বা Fasid) বিবাহ হিসেবে গণ্য হয়। এটি ত্রুটিপূর্ণ কিন্তু সম্পূর্ণ বাতিল নয়, কারণ স্বামী অন্য স্ত্রীদের মধ্যে যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে এই বিবাহকে বৈধ করতে পারেন।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। 
- একজন মুলমানের একই সময়ে চারজন স্ত্রী থাকতে পারে, কিন্তু তার বেশি নয়। চারজন স্ত্রী থাকাকালে ঐ ব্যক্তি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করলে পঞ্চম বিবাহটি বাতিল হবে না, তবে এ বিয়েটি ফাসিদ বা অবৈধ বিবাহ হবে। এটি বাতিল বিবাহ নয়, কারণ, স্বামী অন্য স্ত্রীদের যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে পঞ্চম বিবাহকে বৈধ করতে পারে।

৪৯.
হিন্দু আইন অনুসারে, অন্যের পুত্রকে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করাকে কী বলে?
  1. পিণ্ড বণ্টন
  2. বংশ স্থাপন
  3. সন্তান দান
  4. দত্তক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহণ
ব্যাখ্যা

⇒ অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।
অর্থাৎ হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণ বলতে বোঝায় কোনো ব্যক্তির দ্বারা অন্যের পুত্রকে আইনগতভাবে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করা।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
- প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।
- পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।

৫০.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর কোন ধারায় তালাকের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭-এ তালাকের বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই ধারায় তালাক উচ্চারণের পর লিখিত নোটিশ প্রদান, সালিশী কাউন্সিল গঠন, ৯০ দিনের অপেক্ষা মেয়াদ, গর্ভবতী স্ত্রীর ক্ষেত্রে গর্ভকালের বিবেচনা এবং পুনর্বিবাহের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961, Section-7. Talaq:
(1) Any man who wishes to divorce his wife shall, as soon as may be after the pronouncement of talaq in any form whatsoever, give the Chairman notice in writing of his having done so, and shall supply a copy thereof to the wife.
(2) Whoever contravenes the provisions of sub-section (1) shall be punishable with simple imprisonment for term which may extend to one year or with fine which may extend to ten thousand taka or with both.
(3) Save as provided in sub-section (5), a talaq unless revoked earlier, expressly or otherwise, shall not be effective until the expiration of ninety days from the day on which notice under sub-section (1) is delivered to the Chairman. 
(4) Within thirty days of the receipt of notice under sub-section (1), the Chairman shall constitute an Arbitration Council for the purpose of bringing about a reconciliation between the parties, and the Arbitration Council shall take all steps necessary to bring about such reconciliation.
(5) If the wife be pregnant at the time talaq is pronounced, talaq shall not be effective until the period mentioned in sub-section (3) or the pregnancy, whichever be later, ends.
(6) Nothing shall debar a wife whose marriage has been terminated by talaq effective under this section from re-marrying the same husband, without an intervening marriage with a third-person, unless such termination is for the third time so effective.

৫১.
হিন্দু আইন অনুসারে একজন হিন্দু ব্যক্তি তার সম্পত্তির কত অংশ উইল করতে পারে?
  1. অর্ধেক
  2. সম্পূর্ণ সম্পত্তি
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. এক-তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে উইল করার ক্ষেত্রে:
- হিন্দু আইন একজন ব্যক্তিকে তার সম্পূর্ণ সম্পত্তি উইল করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়। উইলকারী চাইলে তার সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তিকে উইল করতে পারেন।

⇒ হিন্দু আইন অনুসারে:
- উইলকারীর সম্পত্তির উপর পূর্ণ মালিকানা ও হস্তান্তরের অধিকার রয়েছে।
- উত্তরাধিকারীর সম্মতির প্রয়োজন নেই।
- উইলকারীর ইচ্ছাই চূড়ান্ত।

⇒ মুসলিম আইনের সাথে পার্থক্য:
- মুসলিম আইন: সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ উইল করতে পারে (ওয়ারিশদের সম্মতি ছাড়া)।
- হিন্দু আইন: কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, সম্পূর্ণ সম্পত্তি উইল করতে পারে।

⇒ উইল হচ্ছে নিজের অবর্তমানে কাউকে সম্পত্তি দিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। তবে কোনো মুসলমান তাঁর দাফন-কাফনের ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না। অর্থাৎ উইলের ক্ষেত্রে পুরো সম্পত্তি দিয়ে যেতে পারবেন না। যদি এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা হয়, তাহলে সে উইল কার্যকর করা যাবে না।
তবে সম্পত্তির উইলের ক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের অনুমতি নিয়ে এর বেশিও উইল করা যাবে। দান সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হয়। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর। তবে নাবালক সন্তান থাকলে দানের ক্ষেত্রে সন্তান সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হবে।

- একজন হিন্দু ব্যক্তিও তাঁর সম্পত্তি উইল করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজন হিন্দু ব্যক্তি তাঁর সমুদয় সম্পত্তি উইল করতে পারেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত থেকে উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল প্রবেট করতে হয়। প্রবেট হচ্ছে আদালতের মাধ্যমে উইলের প্রমাণ। যেকোনো হেবা বা দান লিখিত আকারে হতে হবে তা রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।

৫২.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন কখন প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৯ নং আইন) ২৭ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে জাতীয় সংসদে প্রণয়ন করা হয়। এটি সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩:
- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।

- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
- কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৫৩.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুসারে রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুসারে, সরকার উপযুক্ত মনে করে সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে।
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
⇒ Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.

৫৪.
রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের বিধান কোন ধারাগুলোর সাপেক্ষে নির্ধারিত?
  1. ধারা ২০, ২১ এবং ২২
  2. ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬
  3. ধারা ১৮, ১৯ এবং ২০
  4. ধারা ২৭, ২৮ এবং ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩ অনুসারে, দলিল দাখিলকরণের সময়সীমা (যেমন উইল ব্যতীত দলিলের ৩ মাসের মেয়াদ) ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬-এর বিধানাবলি সাপেক্ষে নির্ধারিত।

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
--------
⇒ Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within three months from the date of its execution: 
Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৫৫.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় প্রতিদান ও উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ১৯ক
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩-এ প্রতিদান বা উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, আইনের বিধান ব্যর্থকারী, প্রতারণাপূর্ণ, অন্যের ক্ষতিকর বা আদালত অযৌক্তিক/জননীতির পরিপন্থী মনে করে। এরূপ বেআইনি ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৫৬.
চুক্তি আইনের ধারা ২০১ অনুসারে, নিম্নের কোনটি প্রতিনিধিত্ব (Agency) পরিসমাপ্তির কারণ নয়?
  1. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া
  2. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু
  3. প্রিন্সিপাল কর্তৃক ক্ষমতা প্রত্যাহার
  4. এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০১ অনুসারে, প্রতিনিধিত্বের (Agency) পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে প্রিন্সিপালের ক্ষমতা প্রত্যাহার, এজেন্টের পরিত্যাগ, এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া, প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু বা অপ্রকৃতিস্থ হওয়া, বা প্রিন্সিপালের দেউলিয়া হওয়ার মাধ্যমে। কিন্তু এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া কোনো কারণ নয়, কারণ ধারায় বয়সসম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।

⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.

৫৭.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় জামিনের চুক্তি (Contract of guarantee) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১২৪
  2. ধারা ১২৬
  3. ধারা ১২৭
  4. ধারা ১২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬-এ "জামিনের চুক্তি" (Contract of guarantee), "জামিনদার" (surety), "প্রধান দেনাদার" (principal debtor) এবং "পাওনাদার" (creditor)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, জামিনের চুক্তি হলো তৃতীয় ব্যক্তির অনাদায়ের ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি, এবং এটি মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

৫৮.
“Doctrine of Fixtures” বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বিক্রয়ের আইন
  2. উত্তরাধিকার নির্ধারণের নীতি
  3. ভাড়াটিয়ার অধিকার নির্ধারণের নীতি
  4. স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পার্থক্য নির্ধারণের নীতি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পার্থক্য নির্ধারণের নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পার্থক্য নির্ধারণের নীতি
ব্যাখ্যা

⇒ Doctrine of Fixtures বা স্থির সম্পত্তির নীতি হল সম্পত্তি আইনের একটি মৌলিক ধারণা যা নির্ধারণ করে যে কোন অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) কখন স্থাবর সম্পত্তিতে (immovable property) পরিণত হয়। অর্থাৎ, কোনো বস্তু যদি স্থায়ীভাবে জমি বা ভবনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে তা fixture বা স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয়। ফিক্সচারের তত্ত্ব (Doctrine of Fixtures) প্রধানত সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর অধীনে প্রযোজ্য।

এই নীতির মূল বিষয়বস্তু:
- যখন কোনো অস্থাবর বস্তু (যেমন: জানালা, দরজা, আলমারি) স্থাবর সম্পত্তির (জমি বা ভবন) সাথে এমনভাবে সংযুক্ত করা হয় যে তা স্থায়ী অংশে পরিণত হয়।
- তখন সেই বস্তুটি স্থাবর সম্পত্তির অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
নির্ধারণের দুটি প্রধান মানদণ্ড:
১. সংযুক্তির পদ্ধতি (Mode of Annexation)
- বস্তুটি কীভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে?
- যদি বস্তুটি এমনভাবে সংযুক্ত হয় যে তা সরানো গেলে সম্পত্তির ক্ষতি হয়।
২. সংযুক্তির উদ্দেশ্য (Purpose of Annexation)
- বস্তুটি সংযুক্ত করার পিছনে উদ্দেশ্য কী?
- যদি বস্তুটি স্থায়ীভাবে সম্পত্তির মান বাড়ানোর জন্য সংযুক্ত করা হয়।

৫৯.
The Bill on Transfer of Property was referred to:
  1. First Law Commission
  2. Second Law Commission
  3. Third Law Commission
  4. Fourth Law Commission
সঠিক উত্তর:
Third Law Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Third Law Commission
ব্যাখ্যা

⇒ Third Law Commission (1868–1870) প্রথমবারের মতো Transfer of Property Bill খসড়া প্রণয়ন করে।
উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সিভিল কোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তর সম্পর্কিত আইনকে একত্রিত ও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা।
পরবর্তীতে Dr. Whitley Stokes (1877) বিলটি পুনর্বিন্যাস করেন।
এরপর Fourth Law Commission (1879) এটি পর্যালোচনা করে এবং সুপারিশের ভিত্তিতে Transfer of Property Act, 1882 কার্যকর হয়।
অর্থাৎ, বিলটি প্রথমে Third Law Commission-এর কাছে রেফার করা হয়েছিল।

৬০.
Chapter II of the Transfer of Property Act shall not be deemed to effect any rule of:
  1. Parsi law
  2. Christian law
  3. Mohammedan law
  4. none of the above
সঠিক উত্তর:
Mohammedan law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mohammedan law
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882 এর Section 2-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: Section 2: Repeal of Acts, Saving: "Chapter II of this Act shall not be deemed to affect any rule of Muhammadan law."
- Chapter II (ধারা ৫ থেকে ৫৩-এ পর্যন্ত) - যেখানে সম্পত্তি হস্তান্তরের সাধারণ নীতি বর্ণিত হয়েছে। এই অধ্যায়ের কোনো বিধান মুসলিম আইনের কোনো নিয়মকে প্রভাবিত করবে না। মুসলিম পারিবারিক আইন ও উত্তরাধিকার আইন এই অধ্যায়ের আওতামুক্ত।
- এটি একটি সেভিং ক্লজ (Saving Clause) যা মুসলিম ব্যক্তিগত আইনকে (Personal Law) সুরক্ষা প্রদান করে। মুসলিম আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিশেষ বিধান যেমন: উইলের ১/৩ অংশ সীমাবদ্ধতা, হিবা (দান) এর বিশেষ নিয়ম, ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার বিধান, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ বিধান। এই সকল বিধান Transfer of Property Act-এর সাধারণ বিধান দ্বারা প্রভাবিত হয়নি।

৬১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কোন ধারায় খাজনা আদায়ের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪২
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৬২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে শিশু আদালতের বিচার কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৬৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ মার্চ, ২০০০
  2. ৮ এপ্রিল, ২০০০
  3. ১ জানুয়ারি, ২০০০
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে কার্যকর হয়েছে। এটি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নির্যাতন (যেমন ধর্ষণ, অপহরণ, যৌতুক, দহন ইত্যাদি) দমনের জন্য প্রণীত, এবং কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনটির সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৫ সালে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫) হলেও কার্যকর তারিখ পরিবর্তিত হয়নি।

৬৪.
মাদকদ্রব্যের উৎস হতে গন্তব্য পর্যন্ত অপরাধী শনাক্ত করতে কোন বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডোপ টেস্ট
  2. বিশেষ তল্লাশি
  3. নিয়ন্ত্রিত বিলি
  4. গোপন অভিযান
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery) হলো একটি বিশেষ তদন্ত কৌশল। এই পদ্ধতিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদকদ্রব্যকে তার উৎস থেকে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়, যাতে করে চোরাচালান কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধী (যেমন: সরবরাহকারী, পরিবহনকারী, গ্রাহক) শনাক্ত ও গ্রেফতার করা যায়।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-
(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।
(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।

৬৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরনের?
  1. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  3. অ-জামিনযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  4. অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, এই আইনের অধীন সকল অপরাধ—
- আমলযোগ্য (Cognizable),
- অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) এবং
- অ-আপোষযোগ্য (Non-compoundable)।
অর্থাৎ, এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশ বিনা পরোয়ানায় তদন্ত শুরু করতে পারবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণভাবে জামিন পাবে না এবং ভিকটিম ও অভিযুক্তের মধ্যে আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যাবে না।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।

৬৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, অধ্যাদেশের অধীন মামলা নিষ্পত্তির প্রাথমিক সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ গঠনের পর মামলা নিষ্পত্তির জন্য ১৮০ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
 যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৬৭.
ন্যায়পালের পদটি বাংলাদেশে কীভাবে সৃষ্টি হবে?
  1. সরকারের সিদ্ধান্তে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. সংসদের আইনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, "সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।"
- অর্থাৎ ন্যায়পাল পদটি শুধুমাত্র সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমেই সৃষ্টি হতে পারে।
- এটি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পদ নয়।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এখনও ন্যায়পাল আইন পাস হয়নি, তাই এই পদটি এখনও সৃষ্টি হয়নি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের বিষয়: ন্যায়পাল:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন। 
(৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করিবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
------------
 ⇒ Article 77 Ombudsman:
(1) Parliament may, by law, provide for the establishment of the office of Ombudsman. 
(2) The Ombudsman shall exercise such powers and perform such functions as Parliament may, by law, determine, including the power to investigate any action taken by a Ministry, a public officer or a statutory public authority. 
(3) The Ombudsman shall prepare an annual report concerning the discharge of his functions, and such report shall be laid before Parliament.

৬৮.
অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত বা পেশ করার সময় কোনটি অপরিহার্য?
  1. প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর
  2. স্পিকারের সম্মতি
  3. প্রধানমন্ত্রীর সার্টিফিকেট
  4. স্পিকারের সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল: (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills: (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters –
(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses.
(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes.
(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.

৬৯.
রাষ্ট্রপতি যদি প্রথমবার বিল ফেরত দেওয়ার পর সংসদ তা পুনরায় পাস করে, তবে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দেবেন?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১০ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০(৪) অনুচ্ছেদের অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি প্রথমবার পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ তার বার্তাসহ পুনর্বিবেচনা করে সংশোধন সহ বা ছাড়া পুনরায় গ্রহণ করলে বিলটি আবার রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিতে হবে; না দিলে সম্মতি দিয়েছেন বলে গণ্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি: (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
------------
⇒ Article 80. Legislative procedure:
(1) Every proposal in Parliament for making a law shall be made in the form of a Bill.
(2) When a Bill is passed by Parliament it shall be presented to the President for assent.
(3) The President within fifteen days after a Bill is presented to him, shall assent to the Bill or, in the case of a Bill other than a Money Bill, may return it to Parliament with a message requesting that the Bill or any particular provisions thereof be reconsidered, and that any amendments specified by him in the message be considered ; and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to the Bill at the expiration of that period.
(4) If the President so returns the Bill Parliament shall consider it together with the President's message, and if the Bill is again passed by Parliament with or without amendments, it shall be presented to the President for his assent, whereupon the President shall assent to the Bill within the period of seven days after it has been presented to him, and if he fails to do so he shall be deemed to have assented to the Bill on the expiration of that period.
(5) When the President has assented or is deemed to have assented to a Bill passed by Parliament it shall become law and shall be called an Act of Parliament.

৭০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১১১
  3. অনুচ্ছেদ ১১২
  4. অনুচ্ছেদ ১১৩ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হবে। এটি আইনের অভিন্নতা এবং বিচার ব্যবস্থার হায়ারার্কিকাল স্ট্রাকচার নিশ্চিত করে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
---------
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

৭১.
জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমিতি
  2. কোম্পানি
  3. ব্যক্তি সমষ্টি
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশু
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশু
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" (Person) বলিতে নিগমিত হউক বা না হউক, কোনো কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে (body of individuals) অন্তর্ভুক্ত করিবে। অর্থাৎ, সমিতি, কোম্পানি এবং ব্যক্তি সমষ্টি এই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু "মাতৃগর্ভস্থ শিশু" (unborn child) এই ধারায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি দণ্ডবিধির ১১ ধারা বা অন্যান্য বিশেষ আইনে (যেমন: ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট) স্বীকৃতি পায়, কিন্তু জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট-এর এই সাধারণ সংজ্ঞায় পড়ে না।

৭২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২১
  2. অনুচ্ছেদ ১২২
  3. অনুচ্ছেদ ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ ১২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২২
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার (adult franchise) এর বিধান রয়েছে। অনুচ্ছেদের (১) তে বলা হয়েছে যে, সংসদের নির্বাচন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হইবে, এবং অনুচ্ছেদের (২) তে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা (যেমন: ১৮ বছর বয়স, নাগরিকত্ব ইত্যাদি) নির্ধারিত। এটি গণতন্ত্রের সমতা নীতির উপর ভিত্তি করে জাত, ধর্ম, লিঙ্গ বা বর্ণভেদ ছাড়াই সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটের অধিকার দেয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he-
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

৭৩.
'Ubi jus ibi remedium' এর বাংলা অর্থ কী?
  1. যেখানে আইন সেখানে শাস্তি
  2. যেখানে ক্ষতি সেখানে প্রতিকার
  3. যেখানে আদালত সেখানে বিচার
  4. যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে অধিকার সেখানে প্রতিকার
ব্যাখ্যা

⇒ "Ubi jus ibi remedium" একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্সিম (Legal Maxim) যার অর্থ "Where there is a right, there is a remedy". 
- বাংলায়: "যেখানে অধিকার আছে, সেখানে প্রতিকারও আছে"।
- এটি আইনের মৌলিক নীতি, যা বলে যে কোনো আইনি অধিকারের সাথে তার লঙ্ঘনের জন্য প্রতিকারের অধিকারও যুক্ত। অন্যান্য অপশনগুলো এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

৭৪.
নিম্নের কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Prohibition 
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Quo Warranto
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য বিকল্পগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৭৫.
'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) যে ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তা হলো:
  1. Nemo debet bis vexari pro uno delicto
  2. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
  3. Nemo debet bis vexari pro duo delicto
  4. Nemo debet bis puniri pro duo delicto
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
⇒ 'দোবারা সাজা মতবাদ' (Doctrine of Double Jeopardy) এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের উপর প্রতিষ্ঠিত, যার অর্থ 'একই অপরাধের জন্য কাউকে দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না'। 
অর্থাৎ "Doctrine of Double Jeopardy" বা "দ্বিবার দণ্ড/দোবারা সাজা মতবাদ" যে ল্যাটিন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো: "Nemo debet bis puniri pro uno delicto"
- এর অর্থ: "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (No one shall be punished twice for one offence)
-এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে এবং জেনারেল ক্লজ অ্যাক্টের ২৬ ধারায় প্রতিফলিত।

⇒ "Puniri" শব্দটি 'শাস্তি' বোঝায়, এবং "uno delicto" অর্থ 'একটি অপরাধ'।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে "vexari" (যাতনা বা বিরক্তি) বা "duo" (দুটি) শব্দের ব্যবহার ভুল, যা মতবাদের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।অন্যান্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) Nemo debet bis vexari pro uno delicto - "কেউ একই অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (এটি সংশ্লিষ্ট কিন্তু সঠিক নয়)।
গ) Nemo debet bis vexari pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার উত্পীড়িত হবে না" (ভুল)।
ঘ) Nemo debet bis puniri pro duo delicto - "কেউ দুইটি অপরাধের জন্য দুবার শাস্তি পাবে না" (ভুল)।