পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান: ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান ও ভূগোল বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
কোন ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দেখা যায়?
  1. ক) কোহুটেক
  2. খ) লেক্সেল
  3. গ) হেইল-বপ
  4. ঘ) হ্যালির ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ্যালির ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ্যালির ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
• হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দেখা যায়।

ধূমকেতু (Comet): ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক।
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। যেমন: মস্তক বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ।
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে।
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন-
  1. ক) উইলিয়াম হার্ভে
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) চার্লস রবার্ট ডারউইন
  4. ঘ) হার্বার্ট স্পেন্সার
সঠিক উত্তর:
গ) চার্লস রবার্ট ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চার্লস রবার্ট ডারউইন
ব্যাখ্যা
 • প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন চার্লস রবার্ট ডারউইন
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন।
- ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি এ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এবং সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ১৮৩৯ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় ২০ বছর পরে ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' নামে একটি বইয়ে তাঁর প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব বা বিবর্তনের তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার ধারণা প্রতিষ্ঠা করা যা, বিবর্তনের যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে। 
- জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ারলেস একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ব প্রণয়ন করেন। 
- তবে বিভিন্ন এঁতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য?
  1. দক্ষিণে প্রচন্ড শীত
  2. সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
  3. মকরক্রান্তি থেকে কুমেরু পর্যন্ত সূর্যরশ্মি তির্যক বা লম্বভাবে পড়া
  4. ককটক্রান্তি থেকে সুমেরুবৃত্ত পর্যন্ত সূর্যালোক লম্বভাবে বা তির্যকভাবে পড়া
সঠিক উত্তর:
সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য-
• দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমন্ডল: দক্ষিণে ২৩১/২° হতে ৬৬১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত এলাকাটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমন্ডল বলে পরিচিত।
- এখানে সারা বছরই মধ্যম উষ্ণতা থাকে।
- এখানকার গড় তাপমাত্রা ০-২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বাযুমন্ডলীয় তাপমাত্রা কী হয়?
  1. ক) বৃদ্ধি পায়
  2. খ) হ্রাস পায়
  3. গ) সমান থাকে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বাযুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬°সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে কী বলে?
  1. ক) এন-ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) পি-ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
ব্যাখ্যা
আইসি: মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিক্স বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক্স সার্কিট বা ইন্টিগ্রেটেড সাকিট বা আইসি বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  2. খ) তুল্য আর্দ্রতা
  3. গ) কুয়াশা
  4. ঘ) শিশিরাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিশিরাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিশিরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
• যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাম্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে?
  1. ক) MSI
  2. খ) LSI
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
ব্যাখ্যা
• সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে মন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।

১. মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে ।

২. বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০টি উপাদান থাকে।

৩. অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০টির অধিক উপাদান থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বায়ূ দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ কোনটি?
  1. ক) আমাশয়
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) অ্যাজমা
  4. ঘ) টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা
- জগতের প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বায়ু। বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো- 

মানব স্বাস্থ্যের উপর বায়ু দূষণের প্রভাব:
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।

বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের আরো যেসব ক্ষতি হতে পারে:
১. অ্যাজমা
২. ব্রঙ্কাইটিজ 
৩. মাথাব্যাথা 
৪. চোখের সমস্যা 
৫. হাইপারটেনশন 
৬. রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস
৭. হৃদরোগ
৮. অবসন্নতা  
৯. মাথা ঘূন্নি 
১০. আলসার
১১. বমি বমি ভাব 
১২. খিচুনী ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) Pinus
  2. খ) Genetum
  3. গ) Cycas
  4. ঘ) Wolffia
সঠিক উত্তর:
গ) Cycas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cycas
ব্যাখ্যা
• Cycas একটি জীবন্ত জীবাশ্ম।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত। এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
তুল্য আর্দ্রতা পরিমাপ পদ্ধতি হলো-
i. হাইক্রোমিটার
ii. হাইগ্রোমিটার
iii. সাইক্রোমিটার
iv. সাইট্রোমিটার
নিচের কোনটি সঠিক ?
  1. ক) i ও ii
  2. খ) ii ও iii
  3. গ) i ও iii
  4. ঘ) i ও iv
সঠিক উত্তর:
খ) ii ও iii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ii ও iii
ব্যাখ্যা
• তুল্য আর্দ্রতা পরিমাপ পদ্ধতি হলো- ii. হাইগ্রোমিটার ও iii. সাইক্রোমিটার

• কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে ঐ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) বেশি হয়
  2. খ) কম হয়
  3. গ) খুব কম হয়
  4. ঘ) একই হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
ব্যাখ্যা
• বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়।
- ইলেকট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator) ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরানো হয় পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের (Electronic Regulator) বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. ক) শীতল
  2. খ) শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. গ) শীতল ও আর্দ্র
  4. ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।

ঘূর্ণিঝড়ের গঠন: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো হলো-
১. সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
২. মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
৩. উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বিগ ব্যাংগ তত্ত্বের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
  2. খ) একই সময়ে সকল স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
  3. গ) বিভিন্ন সময়ে একই স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
  4. ঘ) বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
সঠিক উত্তর:
খ) একই সময়ে সকল স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একই সময়ে সকল স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাংগ তত্ত্বের ক্ষেত্রে একই সময়ে সকল স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে সত্য।
- জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে।
- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, গ্যালাক্সিসমূহ পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদুর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরস্পরের খুব কাছাকাছি ছিল।
- অর্থাৎ কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুর করে।
- এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত বা বিগ ব্যাংগ তন্তু।
- সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুরু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে ঘটেছিল।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- অর্থাৎ বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
টর্নেডো কী কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ভূমিকম্প
  2. খ) অত্যধিক বৃষ্টিপাত
  3. গ) ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো বায়ুর নিম্মচাপের জন্য সৃষ্টি হয়।

টর্নেডো: টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
- টর্নেডো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা স্থলভাগে সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
- তবে চোঙ ভূমি স্পর্শ না করলে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় না।
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয়-
  1. ক) রাস্তায় বাতি জ্বালাতে
  2. খ) অসিলোস্কোপে
  3. গ) চিকিৎসা শাস্ত্রে
  4. ঘ) দোকানে নিয়ন বাতি জ্বালাতে
সঠিক উত্তর:
খ) অসিলোস্কোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অসিলোস্কোপে
ব্যাখ্যা
• ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয় অসিলোস্কোপে।

ক্যাথোড রশ্মি: ঋণাত্মক ইলেকট্রোনকে ক্যাথোড বলে এবং ধনাত্মক ইলেকট্রোনকে এনোড বলে।
- সামনে ধাতব বা অনুরূপ বস্তু রাখলে প্রতিপ্রভ পর্দায় এ বস্তুর আকৃতি অন্ধকার ও কম উজ্জ্বল দেখায়।
- চলমান ইলেকট্রন বীম বিদ্যুৎ কারেন্ট হিসেবে গমন করে বলে তার চতুর্দিকে চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়।
- অতএব চলমান ইলেকট্রন বীমের চতুর্দিকে তড়িৎক্ষেত্র ও চুস্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে ইলেকট্রন বীমের বিসরণ ঘটানো যায়।
- ফলে প্রতিপ্রভ পর্দায় ইচ্ছামত উজ্জ্বল রেখা তৈরি করা যায়।
- অসিলোস্কোপ, কম্পিউটার মনিটরে চলমান ইলেক্ট্রন বীমকে ক্যাথোড রশ্মি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কিসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিধ্বনি
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) প্রতিসরাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- ফ্যাদোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। 
- প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা, কূপের গভীরতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।