পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫ প্রথম ধাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি (রংপুর, সিলেট ও বরিশাল) টপিক: বিষয়ভিত্তিক ফাইনাল পরীক্ষা: বিজ্ঞান ও আইসিটি [মোট নম্বর - ৫০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন শর্করাটি প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া যায়?
  1. গ্লাইকোজেন
  2. শ্বেতসার
  3. সুক্রোজ
  4. সেলুলোজ
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন- 

উদ্ভিজ্জ উৎস: 

১। শ্বেতসার বা স্টার্চ: 
- ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। 
- এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 

২। সেলুলোজ: 
- বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 

৩। সুক্রোজ: 
- আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 

৪। ফ্রোক্টোজ: 
- আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। 
- একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে। 

৫। গ্লুকোজ: 
- এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। 
- এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 

১। ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: 
- গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 

২। গ্লাইকোজেন: 
- পশু ও পাখি জাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার জন্য কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. নাইট্রোজেন গ্যাস
  2. ক্লোরিন গ্যাস
  3. ফ্লোরিন গ্যাস
  4. হাইড্রোজেন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠে যে পানি পাওয়া যায় তাতে নানা রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, এমনকি রোগ সৃষ্টি করতে পারে এরূপ জীবন ধ্বংসকারী জীবাণুও থাকে। তাই ব্যবহারের আগে পানি বিশুদ্ধ করে নিতে হয়। 
- ভূ-গর্ভের পানি সাধারণত রোগ-জীবাণু মুক্ত থাকে, কিন্তু এই পানিতে আর্সেনিকের (As) মতো নানা রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি থাকে। 
- সাধারণত যেসব প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয় সেগুলো হলো- পরিস্রাবণ, ক্লোরিনেশন, স্ফুটন, পাতন ইত্যাদি। 
- জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার জন্য ক্লোরিন গ্যাস (Cl2) ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়াও ব্লিচিং পাউডার [(Ca(OCl)Cl] এবং আরও কিছু পদার্থ যার মধ্যে ক্লোরিন (Cl) আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। 
- আমাদের দেশে বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য যে ট্যাবলেট বা কিট ব্যবহার করা হয়, সেটি হচ্ছে মূলত সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (NaOCl) । এর মাঝে যে ক্লোরিন (Cl) থাকে, সেটি পানিতে থাকা রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে ফেলে। 
- ক্লোরিন (Cl)  ছাড়াও ওজন গ্যাস (O3) দিয়ে অথবা অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে পানিতে থাকা রোগ-জীবাণু ধ্বংস করা যায়। বোতলজাত পানির কারখানায় এ পদ্ধতি ব্যবহার করে পানিকে রোগ-জীবাণু মুক্ত করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম কোন অঞ্চলে?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. বিষুবীয় অঞ্চলে
  4. পাহাড়ের উপরে
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g -এর মান তত বাড়তে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- এই মান হচ্ছে 9.80665 ms-2 । 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2 । 

উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানবদেহের কোথায় লোহিত রক্ত কণিকা সঞ্চিত থাকে? 
  1. ফুসফুসে
  2. প্লীহায়
  3. বৃক্কে
  4. হৃৎপিণ্ডে
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)। 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্ত কণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্ত কণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১-৯২% পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- রক্ত কণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
১। লোহিত রক্ত কণিকা, 
২। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং 
৩। অণুচক্রিকা। 

লোহিত রক্ত কণিকা: 

- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি একটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার?
  1. DOS
  2. Windows
  3. Disk Drive
  4. Adobe Photoshop
সঠিক উত্তর:
Disk Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Disk Drive
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি।
- উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• সফটওয়্যার (Software):
- কম্পিউটার হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা মূলত ডেটা গ্রহণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধি নেই বা নিজ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কাজ করতে পারে না।
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- হার্ডওয়্যার সত্যিকার অর্থে কম্পিউটিং কাজ করে এবং সফটওয়্যার কম্পিউটার পরিচালনা করে।
- সফটওয়্যার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- সফটওয়্যারকে স্পর্শ করা যায় না তবে মানুষের ব্রেইনের সাথে তুলনা করা যায়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player, Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে?
  1. ৯ম
  2. ৪৭তম
  3. ৫২তম
  4. ৫৭তম
সঠিক উত্তর:
৫৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭তম
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:
- ২০১৮ সালের ১২ই মে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে।

• বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে নিম্নল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে:
১. ডিশ সার্ভিস চালু হওয়ার মাধ্যমে টিভি চ্যানেলগুলোকে আর বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া করতে হবে না।
২. এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের কাছাকাছি অন্য অনেক দেশকে কভার করবে, কাজেই সেই দেশগুলোও বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে প্রয়োজনীয় সেনা কিনতে পারবে।
৩. দেশের ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকা যেমন- দুর্গম পার্বত্য ও হাওড় অঞ্চলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং, টেলিমেডিসিন, দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানাবিধ সেবা গ্রহণে সক্ষম হবেন।
৪. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে বিপর্যয় ঘটলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সার্বিক যোগাযোগ চালু রাখা সম্ভব হবে।
৫. এছাড়াও এই স্যাটেলাইটে স্থাপিত অত্যাধুনিক ক্যামেরার মতো সূক্ষ্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের অনেক মূল্যবান তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
.
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে কি বলে?
  1. ই-কমার্স
  2. ই-মেইল
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
ই-সার্ভিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-সার্ভিস
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস:
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোন সেবা প্রদান করাকেই ই-সার্ভিস বা ই-সেবা বলা হয়।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেন বাড়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি ও আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গণনাকারী যন্ত্র অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. রাশিয়াতে
  3. জাপানে
  4. চীনে
সঠিক উত্তর:
চীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীনে
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগনো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের।
- গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।