পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সংবিধান [সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিলসমূহ।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
"প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবেন" - এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ৪ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ - ৩
  3. অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ - ২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- সংবিধানের ২ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবে। 

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ৪ক - জাতির পিতার প্রতিকৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৪ - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক। 
অনুচ্ছেদ ৩ - রাষ্ট্রভাষা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. চতুর্থ ভাগ
  2. তৃতীয় ভাগ
  3. দ্বিতীয় ভাগ
  4. প্রথম ভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
সংবিধানের কোন সংশোধনীকে “First distortion of Constitution’’ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. নবম সংশোধনী
  3. পঞ্চম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

অন্যদিকে:
 
- একাদশ সংশোধনী: বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদে বৈধতা দান।
- নবম সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতির প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সীমাবদ্ধকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: সামরিক শাসনের সময়কালের সকল আদেশ বৈধ ঘোষণা।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বাকশাল গঠন
  2. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধনী: 
- প্রথম সংশোধনী আইন ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান (প্রথম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয়।
- প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো - যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদে একটি অতিরিক্ত দফা সংযুক্ত করা হয়, যা ‘গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ’-এর দায়ে যে কোনো ব্যক্তির বিচার ও শাস্তি অনুমোদন করে।
- ৪৭ অনুচ্ছেদের পরে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ৪৭ক সংযুক্ত করা হয়, যাতে সুনির্দিষ্ট করে বলা হয় যে, উপরে বর্ণিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে কতিপয় মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে না।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
.
সংবিধানের কোন অংশগুলো সংশোধনের অযোগ্য?
  1. প্রস্তাবনা
  2. জাতীয় সংগীত
  3. নাগরিকত্ব
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সংশোধন অযোগ্য: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা,
- প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ: (অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব, অনুচ্ছেদ ০৪ : জাতীয় সঙ্গীত)
- দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. দ্বিতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- দ্বিতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (দ্বিতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- এই আইনের ফলে,
→ সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়;
→ ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং
→ সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

অন্যদিকে: 
পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

চতুর্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন সাধিত হয়।
- সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতি পরিত্যক্ত হয় এবং এক-দলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।

তৃতীয় সংশোধনী: 
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন ৩টি তফসিল যুক্ত করে মোট ৭টি তফসিল করা হয়?
  1. ষোড়শ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত সংশোধনী এটি।
- ৩ জুলাই ২০১১ সালে এই সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অনেক বিধান, যেগুলো সামরিক সরকার দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুনর্বহাল করা হয়।
- যেমন প্রথম সামরিক সরকারের আমলে বিলুপ্ত ঘোষিত ৯ নম্বর ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়।
- তবে সমালোচনা রয়েছে যে, সামরিক সরকারগুলো কর্তৃক আনীত কিছু বিধান রেখে দিয়ে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনাকে বিকৃত করা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
- সংবিধানে ৭ক নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, রহিতকরণ ইত্যাদিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ৭খ নামে আরেকটি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবিধানের মৌলিক কিছু বিধান কোনোদিনও সংশোধন করা যাবে না।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের পূর্বের ৪টি তফসিলের সঙ্গে আরো ৩টি নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে, এখন সংবিধানের মোট তফসিল হলো ৭টি।

অন্যদিকে: 
- দ্বাদশ সংশোধনী: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি।
- চতুর্দশ সংশোধনী: সংরক্ষিত নারী আসন বৃদ্ধি ও বিচারপতির অবসর বয়স বৃদ্ধি।
- ষোড়শ সংশোধনী: বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে অর্পণ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
.
রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ২৪
  2. অনুচ্ছেদ - ২৫
  3. অনুচ্ছেদ - ২৩ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ - ২৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে৷

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ - ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. দশম সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. অষ্টম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১৯৮৮ সালের ৭ জুন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ২ক নং অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয় যেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম সন্নিবেশন করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদটিতে পরিবর্তন আনা হলেও রাষ্ট্রধর্মের বিধান বহাল থাকে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১০.
১৪৬নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন নামে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. বাংলাদেশ সরকার
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ
  4. মামলা করা সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।

১৪৬নং অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. ষষ্ঠ সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. তৃতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী: 
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

অন্যদিকে: 
চতুর্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন সাধিত হয়।
- সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতি পরিত্যক্ত হয় এবং এক-দলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ষষ্ঠ সংশোধনী আইন ১৯৮১ সালের সংবিধানের ৫১ ও ৬৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ কর্তৃক এই আইন কার্যকর হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "নির্বাচন" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. ষষ্ঠ ভাগে
  4. পঞ্চম ভাগে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৩.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৪ অনুযায়ী, 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম কত চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত?
  1. শেষের দশ চরণ
  2. প্রথম আট চরণ
  3. প্রথম দশ চরণ
  4. প্রথম চার চরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
 
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।