পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
টপিক: বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি। [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত - i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ, বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ; iii) উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও উপমহাদেশের ইতিহাস। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট, যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
  1. বল্লাল সেন
  2. লক্ষণ সেন
  3. কেশব সেন
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
মুসলিম শাসন:
- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।

এছাড়াও,
- তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।
- লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
কোন সম্রাট ইংরেজদের প্রথম বাংলায় কুঠি নির্মাণের অনুমতি প্রদান করে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে সনদপত্র নিয়ে একদল ইংরেজ বণিক কর্তৃক ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে তথা ভারতবর্ষে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬৩৩ সালে সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ,নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
প্রাচীনকালে ‘সুবর্ণগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিল-
  1. ময়নামতি
  2. চট্রগ্রাম
  3. গৌড়
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
প্রাচীন জনপদের নাম:
- প্রাচীনকালে ‘সুবর্ণগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিল- সোনারগাঁও
- ময়নামতি - রোহিতগিরি।
- চট্রগ্রাম - ইসলামাবাদ/পোর্টোগ্রান্ডে/শাতিলগঞ্জ।
- সিলেট - জালালাবাদ/শ্রীহট্ট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ইবনে বতুতা রচিত কোন গ্রন্থে চতুর্দশ শতকে বাংলার আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র পাওয়া যায়?
  1. ইবনে জুযাই
  2. আল রিহানুল
  3. আন-নহর আম্রাতক
  4. কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা মরোক্কোর পর্যটক ছিলেন।
- তিনি ১৩৩৪ সালে ভারতে ও ১৩৪৬ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেন।
- তাঁর লিখিত বিখ্যাত গ্রন্থ কিতাবুল রেহালা বা সফরনামা
- তাঁর ‘কিতাবুল রেহালা’ নামক গ্রন্থে সমসাময়িক বাংলায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
-  ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
.
কোন শাসকের আমলে সমগ্র বাংলা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  3. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতানি আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্রো করেন।
- সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহহের আমল থেকেই সমগ্র বাংলা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।

এছাড়াও,
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- অবশ্য ইলিয়াস শাহী বংশের শাসন সূচনার কিছু সময় আগে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগ শুরু হয়।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী হয় সোনারগাও।
- একই সময় আলাউদ্দীন আলী শাহ পশ্চিম বাংলায় স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৩৫২ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাও দখলের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্র করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বরেন্দ্র বিদ্রোহের' নেতা কে ছিলেন?
  1. ধর্মপাল
  2. দ্বিতীয় মহীপাল
  3. দিব্য
  4. প্রথম মহীপাল
ব্যাখ্যা
-পাল রাজত্বের সময় উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
- ইতিহাসে এ বিদ্রোহ ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’ বা ‘বরেন্দ্র বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্য।
- তিনি দ্বিতীয় মহীপাল কে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেন এবং নিজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- অবশেষে বারো শতকের দ্বিতীয় ভাগে বিজয় সেন পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা কী?
  1. জৈন ধর্মগ্রন্থ
  2. বৌদ্ধ পুঁথি
  3. হিন্দু ধর্মগ্রন্থ
  4. কাব্য পুঁথি
ব্যাখ্যা
পুঁথি:
- প্রজ্ঞাপারমিতা মহাযান পন্থায় বোধিসত্ত্বের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য।
- একে অবলম্বন করে মহাযানী বৌদ্ধদের পবিত্র গ্রন্থ প্রজ্ঞাপারমিতাসূত্র রচিত হয়েছে। 
- অষ্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতার হচ্ছে -  বৌদ্ধ পুঁথি।
- অষ্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতার অধ্যায় - ৩২টি। 
- গ্রন্থটিতে ছয়টি পারমিতার মধ্যে প্রজ্ঞাপারমিতা সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে। 
- প্রধান বক্তা বুদ্ধ এবং তাঁর শিষ্য সারিপুত্র ও সুভূতি প্রশ্নকর্তা।
- এতে প্রধানত মহাযানী দার্শনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- বিখ্যাত দার্শনিক নাগার্জুনের শূন্যবাদ দর্শন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রবর্তিত।
- ১৫৯ খ্রিস্টাব্দে গ্রন্থটি চীনা ভাষায় অনূদিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ইবনে বতুতা বাংলায় কার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন?
  1. হযরত শাহপরান (রহ.)
  2. হযরত শাহজালাল (রহ.)
  3. হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা মরোক্কোর বিখ্যাত পর্যটক। বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে ১৩৩৪ সালে তিনি মুহাম্মদ বিন তুঘলকের সময়ে দিল্লি আসেন।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ সফর করে ১৩৪৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তিনি বাংলায় প্রবেশ করেন। তখন বাংলার শাসক ছিলেন ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- ১৩৪৬ সালের জুলাই ও আগস্ট এই দুইমাস তিনি বাংলায় অতিবাহিত করেন। তার বাংলা সফরের উদ্দেশ্য সিলেটের হযরত শাহজালাল রহ. এর দর্শন লাভ।
- তার ভ্রমণ সংক্রান্ত বিখ্যাত বই হলো কিতাবুল রেহালা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন অঞ্চলটি প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অন্তর্গত ছিলো না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বরিশাল
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
জনপদ:
 - প্রাচীন কাল থেকে আরম্ভ করে আনুমানিক ষষ্ঠ ও সপ্তম শতকে প্রাচীন বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিলো: -
- যথা: পুণ্ড্র, গৌড়, রাঢ়, সূহ্ম, তাম্রলিপি, সমতট, বঙ্গ ইত্যাদি জনপদে বিভক্ত।

• পুণ্ড্র:- প্রাচীনকালে পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়।

• রাঢ়:- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল। জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।

বঙ্গ:- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ। অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

• সমতট:- কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট। মূলত মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল এবং এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই’এলাকা। একেবারে সঠিকভাবে সমতটের সীমা নির্ধারণ না করা গেলেও ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

• হরিকেল:- এই জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে। চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল কথা আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পান্ডু লিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উল্লেখিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নিচের কোন পরিব্রাজক রাজা চন্দ্রগুপ্তের আমলে উপমহাদেশে আসেন?
  1. ফা হিয়েন
  2. হিউয়েন সাঙ
  3. ইবনে বতুতা
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
মেগাস্থিনিস:
- তিনি ছিলেন একজন ভূগোলবিদ। ৩০২ অব্দে উপমহাদেশে আসেন। 
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন।

অপর দিকে, 
- ফা হিয়েন:  দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে  সালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন। (প্রথম চীনা পরিব্রাজক)
- ইবনে বতুতা :  মরক্কোর অধিবাসী ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন ১৩৪৬ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে।
- হিউয়েন সাঙ:  হিউয়েন সাঙ একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। তিনি সপ্তম শতাব্দীতে ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং  ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ইংরেজরা কত বছর ভারতবর্ষ শাসন করে?
  1. দুইশ বছর
  2. তিনশ বছর
  3. চারশ বছর
  4. একশ বছর
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ শাসন:
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তারপর থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত প্রায় দুইশ বছর ইংরেজরা ভারতীয় উপমহাদেশ শাসন করে।

উৎস:  নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
১২.
‘হর্ষচরিত’ গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. কলহন
  2. বানভট্ট
  3. হর্ষবর্ধন
  4. কৌটিল্য
ব্যাখ্যা
বাণভট্ট:
- বাণভট্ট ছিলেন খ্রিষ্টাব্দ সপ্তম শতাব্দীর ভারতীয় সংস্কৃত পণ্ডিত।
- তিনি বাণ নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। 
- হর্ষবর্ধন (৬০৬-৬৪৭) ছিলেন পূষ্যভূতি বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
 -হর্ষবর্ধনের সভাকবি ছিলেন বানভট্ট।
- বানভট্টের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হর্ষচরিত’

উৎস: ইতিহাস, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।