পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes১২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) উত্তর-পূর্ব
  3. গ) দক্ষিণ
  4. ঘ) দক্ষিণ- পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ  প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২৫.১১° সেলসিয়াস
  2. খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
  3. গ) ৩০.০২° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ৩২.১৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বালাদেশের সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) গ্রীষ্মকাল, (খ) বর্ষাকাল ও (গ) শীতকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাংলাদেশে কোন সময়কাল বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচিত?
  1. ক) এপ্রিল থেকে জুন
  2. খ) মে থেকে আগষ্ট
  3. গ) মে থেকে সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) জুন থেকে অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুন থেকে অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুন থেকে অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে বর্ষাকাল বিরাজ করে।
- জুন মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে বর্ষাকালের শুরু হয়। বর্ষাকালে দেশের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল বিরাজ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) সাঙ্গু
  2. খ) হালদা
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে। 
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন কোনটি?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ (জেলা), শিবগঞ্জ (উপজেলা), মনাকাষা (স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান (জেলা), থানচি (উপজেলা), আখানইঠং( স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে-কক্সবাজার (জেলা), টেকনাফ (উপজেলা), সেন্টমার্টিন (ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ (স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড় (জেলা), তেতুলিয়া (উপজেলা), বাংলাবান্ধা (ইউনিয়ন), জায়গীর জোত (স্থান)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১০২ কিলোমিটার
  2. খ) ১১২ কিলোমিটার
  3. গ) ১২০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২০১ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার।

উৎস: parjatan.gov.bd
.
হালদা নদীর উৎপত্তি স্থল কোনটি?
  1. ক) শুভলং ঝর্ণা
  2. খ) কর্ণফুলী নদী
  3. গ) কাপ্তাই হ্রদ
  4. ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
ব্যাখ্যা
হালদা নদী (Halda River) পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- সুউচ্চ শ্রেণীমালা উত্তরে রেখে হালদা নদী দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর প্রবাহিত হয়ে আবার দক্ষিণ গতিপথে এর মূল অববাহিকা গঠনকারী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিক্রম করে গেছে।
- কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
SPARSO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৮০
  3. গ) ১৯৮৪
  4. ঘ) ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।
.
কোন নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে?
  1. ক) হালদা
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) তিস্তা
  4. ঘ) আড়িয়াল খাঁ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

মাতামুহুরী নদী  
চট্টগ্রাম থেকে আরাকানকে বিভক্তকারী পর্বতমালায় ২১°১৪´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২°৩৬´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ উদ্ভূত একটি নদী। এর উৎসস্থান সাঙ্গু নদীর উৎস থেকে মাত্র ১° উত্তর ও ১° পূর্বে অবস্থিত। মগ ভাষায় নদীটির নাম মামুরি, যার বাংলা সংস্করণ মাতামুহুরী।

সাঙ্গুর মতো মাতামুহুরীও পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর-পশ্চিম দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পূর্ব দিক দিয়ে কক্সবাজার জেলায় প্রবেশ করেছে এবং ২১°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মাতামুহুরীর মোহনায় যে চওড়া বদ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে তা ভোলাখাল থেকে খুটাখালি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বদ্বীপটি সুন্দরবনের বৈশিষ্ট্যধারী এবং জালের মতো ছড়ানো খাঁড়ি আর গরান বনের আচ্ছাদনসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এখানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা চাষাবাদের অধীনে আনা হয়েছে। এই নদী সংলগ্ন প্রধান উপজেলা হচ্ছে চকোরিয়া। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৭ কিমি।

হালদা নদী:
হালদা নদী (Halda River)  পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
সুউচ্চ শ্রেণীমালা উত্তরে রেখে হালদা নদী দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর প্রবাহিত হয়ে আবার দক্ষিণ গতিপথে এর মূল অববাহিকা গঠনকারী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিক্রম করে গেছে। কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

-------------
অতএব হালদা ও মাতামুহুরি দুটি নদীই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপন্ন ও সমাপ্ত হয়েছে।
দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

১০.
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ক) টিলা
  2. খ) ঝুপড়ি
  3. গ) ঢিবি
  4. ঘ) শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ : ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১.
মেঘনা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. ক) মনু
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) আত্রাই
  4. ঘ) শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) মনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মনু
ব্যাখ্যা
মেঘনা:
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চল হচ্ছে ২৯,৭৮৫ বর্গকিলােমিটার।
- মেঘনার উপনদী = মনু, বাউলাই, তিতাস, গােমতী। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২.
পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেটের পাহাড় সমূহ কোন যুগের সৃষ্ট?
  1. ক) মায়োসিন যুগের
  2. খ) সাম্প্রতিককালের
  3. গ) প্লাইস্টোসিনকালের
  4. ঘ) টারশিয়ারী যুগের
সঠিক উত্তর:
ঘ) টারশিয়ারী যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টারশিয়ারী যুগের
ব্যাখ্যা
উচ্চতা ও ভূমিরূপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে:
১. টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি

টারশিয়ারী যুগের পাহাড় সমূহ আবার দুইভাগে বিভক্ত। 
ক. দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা এবং চট্রগ্রাম জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত)
খ. উত্তর- পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩.
পদ্মা ও মেঘনা একত্রে কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. ক) মাওয়া
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) মুন্সীগঞ্জ
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
মেঘনা: 
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। 
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। 
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চল হচ্ছে ২৯,৭৮৫ বর্গকিলােমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।