মাতামুহুরী নদী
চট্টগ্রাম থেকে আরাকানকে বিভক্তকারী পর্বতমালায় ২১°১৪´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২°৩৬´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ উদ্ভূত একটি নদী। এর উৎসস্থান সাঙ্গু নদীর উৎস থেকে মাত্র ১° উত্তর ও ১° পূর্বে অবস্থিত। মগ ভাষায় নদীটির নাম মামুরি, যার বাংলা সংস্করণ মাতামুহুরী।
সাঙ্গুর মতো মাতামুহুরীও পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর-পশ্চিম দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পূর্ব দিক দিয়ে কক্সবাজার জেলায় প্রবেশ করেছে এবং ২১°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মাতামুহুরীর মোহনায় যে চওড়া বদ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে তা ভোলাখাল থেকে খুটাখালি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বদ্বীপটি সুন্দরবনের বৈশিষ্ট্যধারী এবং জালের মতো ছড়ানো খাঁড়ি আর গরান বনের আচ্ছাদনসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এখানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা চাষাবাদের অধীনে আনা হয়েছে। এই নদী সংলগ্ন প্রধান উপজেলা হচ্ছে চকোরিয়া। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৭ কিমি।
হালদা নদী:
হালদা নদী (Halda River) পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
সুউচ্চ শ্রেণীমালা উত্তরে রেখে হালদা নদী দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর প্রবাহিত হয়ে আবার দক্ষিণ গতিপথে এর মূল অববাহিকা গঠনকারী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিক্রম করে গেছে। কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
-------------
অতএব হালদা ও মাতামুহুরি দুটি নদীই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপন্ন ও সমাপ্ত হয়েছে।
দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।