পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪ প্রথম ধাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি (রংপুর, সিলেট ও বরিশাল) টপিক: বিষয়ভিত্তিক ফাইনাল পরীক্ষা: বাংলা [মোট নম্বর - ৫০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
‘সেতার' কোন সমাস?
  1. দ্বিগু
  2. তৎপুরুষ
  3. কর্মধারয়
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
 যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে।
 যেমন:
- চার ভুজ যে ক্ষেত্রের = চতুর্ভুজ,
- সে (তিন) তার যে যন্ত্রের = সেতার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
  2. আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান।
  3. ইহার আবশ্যক নেই।
  4. অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল: 
বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ কিংবা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়।

যেমন:
অশুদ্ধ: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
শুদ্ধ: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

অশুদ্ধ: আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান।
শুদ্ধ: আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।

অশুদ্ধ: ইহার আবশ্যক নেই।
শুদ্ধ: ইহার আবশ্যকতা নাই ৷

অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
শুদ্ধ: বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি একবচনের উদাহরণ?
  1. বনে বাঘ বাস করে।
  2. লোকে বলে।
  3. মানুষ মরণশীল।
  4. ডাক্তার রুগী দেখছেন।
ব্যাখ্যা
বচন:
- ‘বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ সংখ্যার ধারণা।
- ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন।
- বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার : একবচন ও বহুবচন ।
 
একবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
যেমন:
- বইটা কোথায় হারিয়ে গেল? 
- শিক্ষক পড়াচ্ছেন। 
- ডাক্তার রুগী দেখছেন। 

বহুবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহুবচন বলে।
যেমন:
- তারা গেল।
- মেয়েরা এখনও আসেনি।
- মানুষ মরণশীল।
- লোকে বলে।
- বনে বাঘ বাস করে।   

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘কুজ্ঝটিকা' - শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. কুৎ + ঝটিকা
  2. কুৎ + জটিকা
  3. কুৎ +ঝটকা
  4. কুজ + ঝটিকা
ব্যাখ্যা
• ত্ ও দ্‌-এরপর জ্ ও খ্ থাকলে ত্ ও দ্‌-এর স্থানে জ্ হয়।

যেমন:
- সৎ + জন = সজ্জন।
- বিপদ + জাল = বিপজ্জাল ।
- কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
'মরিয়া' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √মর্‌+ আ
  2. √মর্‌+ এয়া
  3. মর্‌ + য়া
  4. √মর্‌ + ইয়া
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ গঠনে ইয়া/ ইয়ে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয় ।
যেমন:
- √মর্‌ + ইয়া = মরিয়া (মরতে প্রস্তুত), 
- √বল্‌ + ইয়ে = বলিয়ে (বাকপটু)।
এরূপ- নাচিয়ে, গাইয়ে, লিখিয়ে, বাজিয়ে, কইয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘বনফুল’ কাব্যগ্রন্থ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. জ্ঞানাঙ্কুর
  2. বঙ্গদর্শন
  3. সবুজপত্র
  4. তত্ত্ববোধিনী
ব্যাখ্যা
বনফুল:
- ১৮৭৬ সালে বনফুল কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো ধারাবাহিকভাবে ‘জ্ঞানাঙ্কুর’ ও ‘প্রতিবিম্ব’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথের বয়স তখন ১৫ বছর।
- বনফুল ১৮৮০ সালে রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- তখন বয়স ছিল ১৯ বছর।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কবি-কাহিনী।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো:
- মানসী,
- চিত্রা,
- চৈতালী,
- সোনার তরী,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া। 
.
মৈমনসিংহ গীতিকায় কতটি গীতিকা স্থান পেয়েছে?
  1. ১০ টি
  2. ১৪ টি
  3. ১৮ টি
  4. ২৩ টি
ব্যাখ্যা
 মৈমনসিংহ গীতিকা: 
- এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে।
- এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে -  মৈমনসিংহ গীতিকা ১৯২৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন দীনেশচন্দ্র সেন।
- গ্রন্থটি বিষয়মাহাত্ম্য ও শিল্পগুণে শিক্ষিত মানুষেরও মন জয় করে।
-  মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।
- মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে,
 যথা:
- মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ান ভাবনা, দস্যু কেনারামের পালা, রূপবতী, কঙ্ক ও লীলা, কাজলরেখা ও দেওয়ানা মদিনা। 

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. খাঁটি বাংলা উপসর্গ
  2. আরবি উপসর্গ
  3. ফারসি উপসর্গ
  4. সংস্কৃত উপসর্গ
ব্যাখ্যা
বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
 যেমন:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊনা, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। 

• ‘কদ’ উপসর্গ নিন্দিত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• কদ উপসর্গ দিয়ে তৈরি কিছু শব্দ নিম্নরূপ:
- কদবেল,
- কদর্য,
- কদাকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ কোনটি?
  1. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  2. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  3. আখ্যান মঞ্জুরী
  4. ব্যাকরণ কৌমুদী
ব্যাখ্যা
'ব্যাকরণ কৌমুদী': 
- এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। 
- তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে,
- তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং
- চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।

অন্যদিকে:
- রাজা রামমোহন রায় রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ - 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'।
- মুহাম্মদ এনামুল হক রচিত গ্রন্থ- 'ব্যাকরণ মঞ্জুরী'।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ- 'আখ্যান মঞ্জুরী'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি কে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
- ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে মধ্যযুগের/বাংলা সাহিত্যের প্রথম ‘নাগরিক কবি’ বিশেষণে অভিহিত করা হয়।
- উল্লেখ্য, আধুনিক যুগের নাগরিক কবি হলেন শামসুর রাহমান। 

ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন। 
-  ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে  মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
'ঞ্জ' যুক্ত বর্ণে কোন দুটি বর্ণ রয়েছে?
  1. ঞ + ণ
  2. ঞ্ + ছ
  3. ঞ্ + জ
  4. ষ্ + ণ
ব্যাখ্যা
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
যেমন: 
- ঞ্ + জ = ঞ্জ

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো:
- ঞ্ + চ = ঞ্চ,
- ষ্ + ণ = ষ্ণ,
- হ্ + ম = হ্ম,
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ,
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
১২.
নিচের কোন বাক্যে বাচ্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আমি অপমানিত হয়েছি।
  2. তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে। 
  3. ঘটনা বর্ণনা হয়েছে।
  4. এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা
বাচ্যজনিত ভুল:
- কর্তৃবাচ্যে বিশেষ্য ও করা ক্রিয়ার রূপ থাকলে কর্মবাচ্যে বিশেষণ ও হওয়া ক্রিয়ার রূপ হবে।
 যেমন:

অশুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে। 
শুদ্ধ: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে। 

অশুদ্ধ: আমি অপমান হয়েছি।
শুদ্ধ: আমি অপমানিত হয়েছি।

অশুদ্ধ: ঘটনা বর্ণনা হয়েছে।
শুদ্ধ: ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

ভুল বাক্য: এ কথা প্রমাণ হয়েছে। 
শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।  

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
‘জলদ’ কোন সমাসে উদাহরণ?
  1. নিত্য সমাস
  2. প্রাদি সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. উপপদ তৎপুরুষ সমাস 
ব্যাখ্যা
উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
- যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে।
- কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
 
যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- এরূপ  সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৮ সংস্করণ)।
১৪.
শুদ্ধ বানান নির্ণয় করুন-
  1. অণ্বেষণ
  2. অন্বেষন
  3. অণ্বেষন
  4. অন্বেষণ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'অন্বেষণ'
- সংস্কৃত পদ।
- বিশেষ্য পদ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: অনু + √ইষ্ + অন।
 অর্থ: 
- তালাশ, অনুসন্ধান, খোঁজ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
'কান খাড়া করা' বাগধারাটির অর্থ-
  1. নির্লজ্জ
  2. চাটুকার
  3. কুপরামর্শ
  4. ওত পেতে থাকা
ব্যাখ্যা
• 'কান খাড়া করা' বাগধারাটির অর্থ- ওত পেতে থাকা।

অন্যদিকে: 
- 'কানকাটা' বাগধারাটির অর্থ- নির্লজ্জ।
- 'কান ভাঙানো' বাগধারাটির অর্থ- কুপরামর্শ।
- 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ- চাটুকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৬.
‘যে পুরুষের দাড়িগোঁফ গজায়নি’ তাকে কী বলে?
  1. অজাতশ্মশ্রু
  2. অজাতমিত্র
  3. বর্ণচোরা
  4. অজাতশত্রু
ব্যাখ্যা
- ‘যে পুরুষের দাড়িগোঁফ গজায়নি’ তাকে 'অজাতশ্মশ্রু' বলে।

অন্য অপশনগুলো হলো:
- যার শত্রু জন্মায় নি = অজাতশত্রু।
- যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না = বর্ণচোরা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।