পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
[For iPad Mania] --------------------------- রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
ফজল ও এরফান মাতব্বর চরিত্র আবু ইসাহাক রচিত কোন উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) সূর্য-দীঘল বাড়ী
  2. খ) জাল
  3. গ) মহাপতঙ্গ
  4. ঘ) পদ্মার পলিদ্বীপ
ব্যাখ্যা
⇒ 'পদ্মার পলিদ্বীপ' উপন্যাস:
• আবু ইসহাকের দীর্ঘ সময়ব্যাপী রচিত উপন্যাস 'পদ্মার পলিদ্বীপ'।
• ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার মুক্তধারা থেকে উপন্যাসটি প্রকাশ পেলেও ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে আবু ইশাক উপন্যাসটি রচনায় হাত দেন।
• উপন্যাসের প্রথম ষোলটি অধ্যায় বাংলা একাডেমীর 'উত্তরাধিকার' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে মে ১৯৭৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। অবশ্য তখন এর নাম ছিল ‘মধুর মাটি’।
• অনেক পরে আবু ইসাহাক উপন্যাসটি বত্রিশটি অধ্যায়ে সমাপ্ত করেন এবং এর নামবদল করে দেন ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’।
• 'পদ্মার পলিদ্বীপ' একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। পদ্মা নদীকে বলা হয় 'কীর্তিনাশা'। কারণ চাঁদ রায় - কেদারায় - রাজবল্লভ প্রমুখ বারভুঁইয়া দের কীর্তি এ নদী ধ্বংস করেছে।
• এ উপন্যাসে পদ্মা তীরবর্তী চরকেন্দ্রিক অধিবাসী, তাদের চরদখল, জীবন-সংগ্রাম মুখ্য।
ফজল এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। অন্যান্য চরিত্রগুলো হলো: এরফান মাতব্বর, আরশেদ মোল্লা, জঙ্গুরুল্লা, জরিনা, রূপজান ইত্যাদি।

• আবু ইসহাক:
- আবু ইসহাক (১৯২৬-২০০৩) কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা৷
- আবু ইসহাকের প্রথম উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ি'।
- তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'পদ্মার পলিদ্বীপ'।
- তাঁর তৃতীয় উপন্যাস জাল। এটি গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস।

• তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ:
- 'হারেম (১৯৬২) ও
- মহাপতঙ্গ (১৯৬৩) ।

• তাঁর রচিত একমাত্র নাটক:
- জয়ধ্বনি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘ভ্রমণকারী বন্ধু’ কোন লেখকের ছদ্ম নাম?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) অমীয় চক্রবর্তী
  3. গ) বন্ধুদেব বসু
  4. ঘ) অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা
⇒ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
• তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
• ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- অন্নদাশঙ্কর রায়  ‘লীলাময় রায় ছদ্মনামে লিখতেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
‘শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?’- উক্তিটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) শহরতলী
  2. খ) সোনার চেয়ে দামী
  3. গ) পুতুল নাচের ইতিকথা
  4. ঘ) দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা
• 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পুতুল নাচের ইতিকথা'। 
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস সম্পর্কে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন - " সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।" 
- এই উপন্যাসে সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োগ আছে। 
- এই উপন্যাসে 'পুতুল' বলতে সেসকল মানুষকে বোঝানো হয়েছে যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে দাড়াতে পারে না; পুতুলের মতো অন্যের অল্প ধাক্কাতেই চালিত হয়। 
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র - শশী, কুসুম, গোপাল, সেনদিদি, যাদব পণ্ডিত ইত্যাদি। 
- ‘শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?’ উক্তিটি উপন্যাসে ডাক্তার শশী কুসুমকে উদ্দেশ্য করে বলে।

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- বন্ধুদের সঙে বাজি ধরে তিনি রচনা করেন 'অতসীমামী' এবং পরবর্তীতে তা বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
- মাত্র একুশ বছর বয়সে তাঁর বিখ্যাত 'দিবারাত্রির কাব্য' রচনা করেন।
- তিনি প্রায় অর্ধশতাধিক উপন্যাস ও দুশো চব্বিশটি গল্প তিনি রচনা করেছেন।
- পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা  উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা। এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো -
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- চিহ্ন,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা, 
- আরোগ্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য (২০২০ সংস্করণ) এবং 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস।
.
মুসলিম নারী সাহিত্যিক রচিত উপন্যাস-
  1. ক) পদ্মগোখরা
  2. খ) পদ্মরাগ
  3. গ) পদ্মাবতী
  4. ঘ) পদ্মাপুরাণ
ব্যাখ্যা
⇒ 'পদ্মরাগ' উপন্যাস:
• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস 'পদ্মরাগ'। এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।

⇒ তবে একে উপন্যাস না বলে উপন্যাসপম গদ্য-আখ্যায়িকা বলাই ভালো। কেননা উপন্যাসের গাঁথুনি এখানে নেই, শিল্প হিসেবেও অসফল। তবে ‘পদ্মরাগে’র মূল্য অন্যত্র।  প্রথমত কোনো মুসলিম নারীর রচনা; দ্বিতীয়ত মুসলিম সমাজের অন্তঃস্থিত ক্লেদকে এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যা কোনো হিন্দু লেখকের পক্ষে সম্ভব ছিল না ; তৃতীয়ত অসাম্প্রদায়িকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আছে এ জন্যে।
এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
• ‘পদ্মরাগ’ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় রোকেয়ার জ্যেষ্ঠভ্রাতা আবুল আসাদ ইব্রাহিমকে।

-------------------------
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
• নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে
বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 
 
 রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),  
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা,
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, প্রভৃতি।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

অন্যদিকে,
'পদ্মগোখরা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প।
‘পদ্মাবতী’ কবি আলাওল রচিত গ্রন্থ।
এবং মঙ্গলকাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন ও আওয়ামী লীগ নেতা জামাল সাহেব কোন উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র?
  1. ক) রাইফেল রোটি আওরাত
  2. খ) নদী নিঃশেষিত হলে
  3. গ) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  4. ঘ) জাহান্নম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা
• রাইফেল রােটি আওরাত:
- 'রাইফেল রােটি আওরাত' আনােয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আনােয়ার পাশা যুদ্ধকালে যুদ্ধের ভয়াবহতা এই উপন্যাসে লিখেছেন, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা দেখতে পারেননি। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর তাকে হত্যা করে পাকিস্থানিরা। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকায় তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে।
- রাইফেল রোটি আওরাত’ নামটিতেই উর্দুর গন্ধ। যদিও শব্দগুলো বাংলা ভাষায় পরিচিত তবুও লেখক এই তিনটি শব্দে বুঝিয়েছেন পাকিস্থানিদের হীন মানসিকতাকে।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন, আওয়ামী লীগ নেতা জামাল সাহেব, কমিউনিস্টকর্মী বুলা এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে: ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত প্রমুখ।


• আনোয়ার পাশা:
- আনোয়ার পাশা কবি, কথাসাহিত্যিক, সমালোচক ও শিক্ষাবিদ।
- জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একজন সিনিয়র লেকচারার ছিলেন।

• আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস: 
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলাতা উজ্জয়িনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট বলা হয় কোন কাব্যগ্রন্থকে?
  1. ক) স্বপ্নদর্শন
  2. খ) সঙ্গীত শতক
  3. গ) বঙ্গসুন্দরী
  4. ঘ) সাধের আসন
ব্যাখ্যা
⇒ “সাধের আসন” কাব্যগ্রন্থ:
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর শেষ কাব্যগ্রন্থ ‘সাধের আসন’ (১৮৮৯)।
- ‘সাধের আসন’কে ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের পরিশিষ্ট বলা যায়।
- কোনো এক সম্ভ্রান্ত বিবাহিত নারী কবির ‘সারদামঙ্গল’ কাব্য পাঠ করে নিজ হাতে একটি আসন বুনে কবিকে প্রশ্ন করেছিলেন , “তুমি কাকে ধ্যান কর?”। এর উত্তর স্বরূপ বিহারীলাল ‘সাধের আসন’ লিখেছিলেন।
- কবি শুরুই করেছেন এভাবে: ‘ধেয়াই হাকারে দেবী নিজে আমি জানিনে/ কবিগুরু বাল্মীকির ধ্যান-ধনে চিনিনে।’

⇒ বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায়  জন্মগ্রহণ করেন। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।
- কারণ বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা কবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম। এইজন্যই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।

বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ গুলো:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক 
- বন্ধুবিয়োগ,
- প্রেম প্রবাহিণী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বঙ্গসুন্দরী,
- সারদামঙ্গল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কবি আবুল হাসানের মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যনাট্য কোনটি?
  1. ক) ওরা কয়েকজন
  2. খ) রাজা যায় রাজা আসে
  3. গ) পৃথক পালঙ্ক
  4. ঘ) যে তুমি হরণ করো
ব্যাখ্যা
• আবুল হাসান:
-  আবুল হাসান(১৯৪৭-১৯৭৫)  কবি, সাংবাদিক। ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট  গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- আবুল হাসানের প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া। 
- তাঁর সাহিত্যিক নাম আবুল হাসান। 
- তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে বিএ শ্রেণীতে ভর্তি হন, কিন্তু পরীক্ষা শেষ না করেই ১৯৬৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের বার্তাবিভাগে যোগদান করেন।
- তিনি গণবাংলা (১৯৭২-৭৩) এবং দৈনিক জনপদ-এ (১৯৭৩-৭৪) সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাজা যায় রাজা আসে,
- যে তুমি হরণ করো,
- পৃথক পালঙ্ক।

- তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যনাট্য ওরা কয়েকজন
- তাঁর প্রকাশিত গল্প সংকলন: 'আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
The famous characters 'Edward Rochester & Helen Burns' belongs to which literary work?
  1. ক) Jane Eyre
  2. খ) To the Light House
  3. গ) Mansfield Park
  4. ঘ) Pride and Prejudice
ব্যাখ্যা
♦ The famous characters 'Edward Rochester & Helen Burns' belongs to - Jane Eyre.

•  Jane Eyre:
-  Bronte এর famous novel 'Jane Eyre" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।। 
-  ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত। 

• Short Summary: 
- Story of Rochester and Jane Eyre. 
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 


• Main Characters of the novel - 
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed.

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 
- Her father was Patrick Brontë is an Anglican clergyman. Irish-born, he had changed his name from the more commonplace Brunty.

• Notable work:
- Jane Eyre
- Poems by Currer
- Ellis and Acton Bell
- Shirley: A Tale
- The Professor
- Villette

• অন্য অপশন গুলো:
- Mansfield Park: Jane Austen
- Pride and Prejudice: Jane Austen.
- To the Light House: Virginia Woolf
 
Source: Britannica & Live MCQ Lecture.
.
If a writer wrote a book about his/her own life that is called -
  1. ক) Carpe Diem
  2. খ) Epithalamion
  3. গ) A chronicle
  4. ঘ) An autobiography
ব্যাখ্যা
♦ Autobiography:
- A book about a person's life, written by that person.
লেখকের নিজের জীবনী নিয়ে লেখা বইকে বলা হয় An autobiography বা আত্মজীবনী।

• অন্য অপশন গুলো:
- A chronicle: ঘটনাপঞ্জি, ইতিহাস
- Epithalamion: A kind of lyric poem written to celebrate a wedding.
- Carpe Diem: A literary motif used in lyric poems.
১০.
"I've told you a million times not to do that!" This is an example of-
  1. ক) Metaphor
  2. খ) Allusion
  3. গ) Machinery
  4. ঘ) Hyperbole
ব্যাখ্যা
♦ Hyperbole:
- অতিরঞ্জন করা।
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- Hyperbole is a figure of speech that uses an exaggerated or extravagant statement to create a strong, emotional response. As a figure of speech, it is not intended to be taken literally. Hyperbole is frequently used for humor.

- Example:

“I'll love you, dear, I'll love you
Till China and Africa meet,
And the river jumps over the mountain
And the salmon sing in the street," (by W.H. Auden: As I Walk Out One Evening)


• উল্লেখিত প্রশ্নের বাকি অপশন গুলো হলো: 
- Metaphor: An implicit comparison between two different thing.
- Machinery: The supernatural agents used in an epic or a mock epic.
- Allusion: is an implicit or indirect reference to another work of literature, a historical or mythical person or event.

Source: ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman