পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ [মোট নম্বর - ৩০] বাংলা পরীক্ষা - ১ টপিক: ধ্বনি, বর্ণ, ভাষা, লিঙ্গ ও বচন, প্রকৃতি-প্রত্যয়, পদ প্রকরণ, কাল ও কালের প্রয়োগ, শব্দ ও বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'জুলুম' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ক) অত্যাচার
  2. খ) দয়া
  3. গ) অবিচার
  4. ঘ) শোষণ
সঠিক উত্তর:
খ) দয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দয়া
ব্যাখ্যা
- 'জুলুম' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে দয়া

• গুরুত্বপুর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:

'জনবহুল' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে জনবিরল।
'জেতা' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে হারা/ ঠকা।
'জরিমানা' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে বকশিশ।
'জোয়ার' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে ভাটা।
'জঙ্গম' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে স্থাবর।
'জলদি' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে আস্তে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'লাল থেকে নীল ভালো।'- বাক্যে 'লাল' কোন পদ?
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) অব্যয়
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
- প্রশ্নোক্ত বাক্যে 'লাল' হচ্ছে বিশেষ্য পদ।

• বিশেষ্য পদ:
- যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে।
- যেমন: নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।

• ‘লাল থেকে নীল ভালো।
- এখানে 'লাল' এটি বিশেষ্য পদ।

আবার যখন বলা হয়-
• আমি একটি লাল ফুল তুলেছি।
- এখানে ‘লাল’ বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
.
'অতিথি' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) কলেবর
  2. খ) অভ্যাগত
  3. গ) মেহমান
  4. ঘ) নিমন্ত্রিত
সঠিক উত্তর:
ক) কলেবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কলেবর
ব্যাখ্যা
- 'অতিথি' এর প্রতিশব্দ নয় 'কলেবর'।
- 'কলেবর' হচ্ছে 'অঙ্গ' শব্দের সমার্থক।

• 'অতিথি' এর প্রতিশব্দ:
- অভ্যাগত, মেহমান, নিমন্ত্রিত, আমন্ত্রিত, কুটুম, কুটম্ব, আগন্তুক ইত্যাদি।

• অঙ্গ শব্দের সমার্থক:
- দেহ, শরীর, কলেবর, গাত্র, তনুরুচি, অবয়ব, কাঠামো, অকৃতি, দেহাংশ, কায়া, ভোগায়তন, গা, গতর ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'গাড়োয়ান' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় -
  1. ক) গাড়ি + আন
  2. খ) গাড় + আন
  3. গ) গাড়ো + আন
  4. ঘ) গাড়িয়ো + আন
সঠিক উত্তর:
ক) গাড়ি + আন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাড়ি + আন
ব্যাখ্যা
- 'গাড়োয়ান' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হচ্ছে গাড়ি+আন
- এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।

• তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন:
মধুর + ষ্ণ = মাধুর্য।
গাড়ি + আন = গাড়োয়ান।
বিবি + আনা = বিবিয়ানা।
এখানে 'ষ্ণ', আন, আনা প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। 

• কৃৎ প্রত্যয়:
- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।
যেমন:
জি + অ = জয়।
পঠ্‌ + অক = পাঠক।
কপ্‌ + অট = কপট।
এখানে 'অ', অক, অট প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
.
কোনটি 'খ্যাতি' শব্দের বিপরীতার্থক?
  1. ক) অখ্যাতি
  2. খ) সুখ্যাতি
  3. গ) যশ
  4. ঘ) ক + গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক) অখ্যাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অখ্যাতি
ব্যাখ্যা
- 'খ্যাতি' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অখ্যাতি

• গুরুত্বপুর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:

'খাটুনি' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে আলসেমি।
'খুঁত' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে নিখুঁত।
'খরিদ' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে বিক্রি।
'খানিক' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে বেশি।
'খালি' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে ভরা।
'খরা' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে বাদল।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'ট্রেনটি বেশ জোরে চলছে।'- বাক্যটিতে 'বেশ' কোন ধরনের বিশেষণ?
  1. ক) গুণবাচক
  2. খ) ভাববাচক
  3. গ) উপাদানবাচক
  4. ঘ) অবস্থাবাচক
সঠিক উত্তর:
খ) ভাববাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাববাচক
ব্যাখ্যা
• ভাববাচক বিশেষণ:
- যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – 'খুব ভালাে খবর' ও 'ট্রেনটি  বেশ জোরে চলছে' – এসব বাক্যে 'খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।

অন্যান্য অপশন:

• গুণবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
- যেমন – চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।

• অবস্থাবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বােঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
- যেমন – চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে চলন্ত ও তরল অবস্থাবাচক বিশেষণ।

• উপাদানবাচক বিশেষণ: 
- যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে।
- যেমন- বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি – এখানে 'বেলে' ও 'পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
.
কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) সচিবালয়
  2. খ) কুমির
  3. গ) ঘোড়া
  4. ঘ) টোপর
সঠিক উত্তর:
ক) সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সচিবালয়
ব্যাখ্যা
- 'সচিবালয়' হচ্ছে তৎসম শব্দ।

• উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়; তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

• তৎসম শব্দ :
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

• দেশি শব্দ:
- বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
 
• বিদেশি শব্দ:
- ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে।
- এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
.
'অপবাদ' এর সমার্থক কী?
  1. ক) বেকুব
  2. খ) অনভিজ্ঞ
  3. গ) অপযশ
  4. ঘ) মূর্খ
সঠিক উত্তর:
গ) অপযশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপযশ
ব্যাখ্যা
- 'অপবাদ' এর সমার্থক হচ্ছে অপযশ

• 'অপবাদ' এর সমার্থক:
- নিন্দা, কুৎসা, দুর্নাম, বদনাম, অপযশ।

• 'অজ্ঞ' এর সমার্থক:
- বেকুব, অনভিজ্ঞ, মূর্খ, নির্বোধ, জ্ঞানহীন, বিদ্যাহীন, অশিক্ষিত, নিরক্ষর, অনবগত, জ্ঞানশূন্য ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
কোন প্রত্যঙ্গের সাহায্যে মানুষ ধ্বনি তৈরি করতে পারে না?
  1. ক) নাক
  2. খ) কান
  3. গ) গলনালি
  4. ঘ) কণ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কান
ব্যাখ্যা
- 'কান' দিয়ে মানুষ ধ্বনি তৈরি করতে পারে না।

- গলনালি, মুখবিবর, কণ্ঠ, জিভ, তালু, দাঁত, নাক প্রভৃতি প্রত্যঙ্গ দিয়ে মানুষ নানা রকম ধ্বনি তৈরি করে। 
- এক বা একাধিক ধ্বনি দিয়ে তৈরি হয় শব্দ।
- শব্দের গুচ্ছ দিয়ে বাক্য গঠিত হয়।
- বাক্য দিয়ে মানুষ মনের ভাব আদান-প্রদান করে।
- মনের ভাব প্রকাশক এসব বাক্যের সমষ্টিকে বলে ভাষা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১০.
'আহত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ক) অনাহত
  2. খ) অনাহূত
  3. গ) অসুস্থ
  4. ঘ) চটপটে
সঠিক উত্তর:
ক) অনাহত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনাহত
ব্যাখ্যা
- 'আহত' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অনাহত

• গুরুত্বপুর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হলো:

'আহূত' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অনাহূত।
'আলসে' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে চটপটে।
'অনুমোদিত' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অননোমুদিত।
'অধিক' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অনধিক।
'অভিপ্রেত' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অনভিপ্রেত।
'অবসর' এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে অনবসর।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১১.
কোনটি 'আকাশ' এর সমার্থক শব্দ?
  1. ক) দ্যুতি
  2. খ) শূন্য
  3. গ) ঔজ্জ্বল্য
  4. ঘ) প্রভা
সঠিক উত্তর:
খ) শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শূন্য
ব্যাখ্যা
- 'আকাশ' এর সমার্থক শব্দ হচ্ছে শূন্য

• 'আকাশ' এর সমার্থক শব্দ:
- গগন, শূন্য, অন্তরিক্ষ, অম্বর, ব্যোম, খ, আসমান, দ্যুলোক, অভ্র, নীলিমা, অনন্ত, অম্বরতল, খলোক, খগোল, নক্ষত্রলোক, নভোমণ্ডল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'আলো' এর সমার্থক শব্দ:
- আলোক, দ্যুতি, ঔজ্জ্বল্য, প্রভা, অংশু, কর, দীপ্তি, আভা, বিভা, ময়ূখ, ভাতি, জেল্লা, জৌলুস, নুর ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১২.
লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ -
  1. ক) সাধু রীতি
  2. খ) আঞ্চলিক রীতি
  3. গ) প্রমিত রীতি
  4. ঘ) আদর্শ কথ্য রীতি
সঠিক উত্তর:
গ) প্রমিত রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রমিত রীতি
ব্যাখ্যা
- লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ - প্রমিত রীতি

- লিখিত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শনের নাম চর্যাপদ।
- প্রায় এক হাজার পূর্বে লেখ্য বাংলা ভাষার কাব্য রীতিতে এটি রচিত।
- ব্যবহারিক প্রয়োজনে ক্রমে লেখ্য গদ্য রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের সূচনায় এই গদ্য রীতি সাধু রীতির জন্ম দেয়।
- বিশ শতকের সূচনায় সাধু রীতির পাশাপাশি চলিত রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- একূশ শতকের সূচনায় চলিত রীতির একটি আদর্শ রূপ প্রমিত রীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
- এই প্রমিত রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১৩.
কোনটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ?
  1. ক) আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
  2. খ) আমরা মাঠে খেলতে যাব।
  3. গ) ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  4. ঘ) তাড়াতাড়ি কাজটি করো। 
সঠিক উত্তর:
খ) আমরা মাঠে খেলতে যাব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমরা মাঠে খেলতে যাব।
ব্যাখ্যা
- 'আমরা মাঠে খেলতে যাব।'- এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল এর উদাহরণ।

• ভবিষ্যৎ কাল:
- ভবিষ্যতে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হবে তাকে ভবিষ্যৎ কাল বলে।
- ভবিষ্যৎ কাল তিন প্রকার।

• সাধারণ ভবিষ্যৎ:
- ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন: আমরা মাঠে খেলতে যাব।

• ঘটমান ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া ভবিষ্যৎ কালে চলতে থাকবে বোঝায়, তাকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন: আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব। এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

• অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া দিয়ে ভবিষ্যৎ কালের আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল বলে। যেমন: তাড়াতাড়ি কাজটি করো। ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১৪.
প্রত্যয় যোগে সাধিত কোন শব্দটি 'পেশা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ডাক্তারি
  2. খ) বাহাদুরি
  3. গ) জমিদারি
  4. ঘ) কানাই
সঠিক উত্তর:
ক) ডাক্তারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডাক্তারি
ব্যাখ্যা
- প্রত্যয় যোগে সাধিত 'ডাক্তারি' শব্দটি 'পেশা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই। তবে প্রত্যয় যুক্ত করলে অনেক সময় শব্দের অর্থ বদলে যায়।
যেমন:
অবজ্ঞা অর্থে: চোর → চোরা।
বৃহৎ অর্থে: ডিঙি → ডিঙা।
সদৃশ  অর্থে: বাঘ→ বাঘা।
আগত অর্থে: দখিন → দখিনা।
আদর অর্থে: কানু → কানাই।
জাত অর্থে: ঢাকা → ঢাকাই।
পেশা অর্থে: ডাক্তার → ডাক্তারি।
মালিক অর্থে: জমিদার → জমিদারি।
উপকরণ অর্থে: মাটি → মেটে।
রোগগ্রস্ত অর্থে: বাত → বেতো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১৫.
বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন -
  1. ক) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  2. খ) চর্যাপদ
  3. গ) মহাভারত
  4. ঘ) বৈষ্ণব পদাবলি
সঠিক উত্তর:
খ) চর্যাপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চর্যাপদ
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন - চর্যাপদ

• প্রায় এক হাজার পূর্বে লেখ্য বাংলা ভাষার কাব্য রীতিতে 'চর্যাপদ' রচিত।
- ব্যবহারিক প্রয়োজনে ক্রমে লেখ্য গদ্য রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের সূচনায় এই গদ্য রীতি সাধু রীতির জন্ম দেয়।
- বিশ শতকের সূচনায় সাধু রীতির পাশাপাশি চলিত রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- একূশ শতকের সূচনায় চলিত রীতির একটি আদর্শ রূপ প্রমিত রীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
- এই প্রমিত রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।