পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৩
সিলেবাস
Exam - 42 The Specific Relief Act, 1877: Subject Final Topic ➝ SRA-Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৩ প্রশ্ন

.
বর্তমানে বলবৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কত সালের?
  1. ১৮৭০ সালের
  2. ১৮৭৭ সালের
  3. ১৮৮৭ সালের
  4. ১৭৮৭ সালের
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭ সালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭ সালের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Procedural Law
  2. Adjective Law
  3. Substantive Law
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

অপরদিকে,
 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. The Contract Act, 1872
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Registration Act, 1908
  4. The Transfer of Property Act, 1882
সঠিক উত্তর:
The Registration Act, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
• Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

• এই অনুচ্ছেদটি এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।

সংক্ষেপে, এই আইন শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক বিষয়গুলিতে প্রযোজ্য হবে এবং অন্যান্য চুক্তিগত প্রতিকারের অধিকারগুলি অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে নথিপত্রের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনই কার্যকর থাকবে।
.
"Obligation" includes every duty enforceable by ______.
  1. law
  2. parties
  3. authority
  4. contract
সঠিক উত্তর:
law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
law
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:
"obligation" includes every duty enforceable by law.

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
.
কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়?
  1. ঘোষনামূলক ডিক্রি
  2. সম্পত্তি প্রত্যার্পন
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

অর্থাৎ আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়।
.
"Settlement" দলিলের মাধ্যমে কী নির্ধারন করা হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  2. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  3. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
• "settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the [Succession Act, 1925] whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of:

"settlement" শব্দটি কোনো এমন নথিকে বোঝায় (উইল বা কোডিসিল ব্যতীত যা Succession Act, 1925 এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে) যার মাধ্যমে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতির বিনিময় বা উক্ত বিনিময়ের সম্মতির বিষয়বস্তু নির্ধারিত হয়েছে।

অর্থাৎ, যে নথি উইল বা কোডিসিল ছাড়া হয়ে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতি নির্ধারণ করে বা সেরকম নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে সম্মতি প্রকাশ করে, সেটিকে "settlement" বলা হয়েছে।
.
'ক', 'খ' থেকে জমি কিনেছে, যদিও তখন 'গ' ওই জমিটি দখলে রয়েছে। 'ক', 'গ'- এর জমিতে কোন স্বার্থ আছে কিনা তা জানার জন্য কোন তদন্ত করেনি। এই আইনের অর্থে, 'গ' এর স্বার্থের পরিমাণ পর্যন্ত-
  1. 'গ' হলো 'ক' এর ট্রাস্টি
  2. 'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  3. 'খ' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  4. 'গ' হলো 'খ' এর ট্রাস্টি
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত উদহারনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারার (জ) উদহারনের অনুরূপ। এই পরিস্থিতিতে, এই আইনের অর্থে, গ-এর জমিতে যতটুকু স্বার্থ আছে, সেটুকু পরিমাণ পর্যন্ত 'ক' হলেন 'গ' এর একজন ট্রাস্টি। একজন ট্রাস্টি হলেন যে ব্যক্তি অন্য কারও স্বার্থের তত্ত্বাবধানে থাকে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-
"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।

এখানে, 'ক' জানতেন যে 'গ' জমিতে দখলে রয়েছে কিন্তু স্বার্থ সম্পর্কে জানতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায়, আইনের নজরে 'ক' হলেন 'গ'-এর স্বার্থের একজন ট্রাস্টি।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি কয়টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
.
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called _______ relief.
  1. substantive
  2. mandatory
  3. preventive
  4. temporary
সঠিক উত্তর:
preventive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preventive
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১০.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল বাতিল মোকদ্দমা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  3. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  4. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু দখল
  2. শুধু স্বত্ব
  3. দখল এবং স্বত্ব
  4. সম্পত্তি হতে আইনগত পন্থা ছাড়া বেদখল
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
১২.
'সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান'- কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার?
  1. প্রতিরোধমূলক
  2. নিষেধাত্মক
  3. আদেশাত্মক
  4. নিরোধমূলক
সঠিক উত্তর:
আদেশাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশাত্মক
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

৫ ধারার (ক), (খ), (ঘ) এবং (ঙ) অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে, ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার। অর্থাৎ 'সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান' আদেশাত্মক প্রতিকার।

Section 5- Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Cause of declaration
  2. Effect of declaration
  3. Conditions of declaration
  4. Execution of declaration
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
ব্যাখ্যা
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় আদালত কাকে ক্ষতিপূরণের সুবিধা প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. ৩য় পক্ষকে
  4. ক ও খ উভয়পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন। এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।

⇒ এই ধারা অনুসারে,
যখন একটি চুক্তিভঙ্গের ঘটনায় বাদী সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের দাবি আদায় করেন এবং আদালত তা মঞ্জুর করে, তখন আদালতের বিবেচনায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত নিজস্ব বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে পারবে।
এই নিয়মটির প্রধান উদ্দেশ্য হল চুক্তিবদ্ধ পক্ষকে চুক্তিভঙ্গের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তার প্রতিকার দেওয়া। কারণ কেবল সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দিলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি অনুসন্ধিত থাকবে। তাই আদালত উভয় দাবিই বিবেচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।
১৫.
'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'- এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রি করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রি করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই, অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' দখলের অধিকারী নয় বিধায় মামলা খারিজ হবে
  2. দখলের অধিকারী হিসেবে 'ক' এর মামলা চলমান থাকবে
  3. মালিক হিসেবে 'ক' এর মামলা চলমান থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
'ক' দখলের অধিকারী নয় বিধায় মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' দখলের অধিকারী নয় বিধায় মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার উদাহরণ (খ) এর অনুরূপ। ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী, মামলা অবশ্যই খারিজ হবে কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:

সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।

(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।


(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।

(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন চুক্তি আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।

(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
১৬.
Section 12 of The Specific Relief Act, 1877 deals with-
  1. Recovery of specific moveable property
  2. Cases in which specific performance not enforceable
  3. Cases in which specific performance enforceable
  4. Bar in other cases of specific performance of part of contract
সঠিক উত্তর:
Cases in which specific performance enforceable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cases in which specific performance enforceable
ব্যাখ্যা
Section 12- Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
১৭.
স্বত্ত্ব ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা কত দিনের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন,১৯০৮: অনুচ্ছেদ- ৩: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
১৮.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. চুক্তি বাতিলের
  2. চুক্তি সংশোধনের
  3. দলিল বাতিলের
  4. দলিল সংশোধনের
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
ব্যাখ্যা
৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
১৯.
'একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় উক্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারামতে- 
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে [specific performance of a contract may be enforced against]-

(a) either party thereto;
ব্যাখ্যা: একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
ব্যাখ্যা: চুক্তির পরবর্তীতে যদি কেউ চুক্তির পক্ষের অধিকার দাবি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে যদি কেউ সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তির বিষয়ে অবগত না থেকে মূল্য প্রদান করে সেই অধিকার অর্জন করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না।

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
ব্যাখ্যা: কখনও কখনও কোনো ব্যক্তি চুক্তির আগে থেকেই কোনো অধিকার দাবি করতে পারেন। যদি এই অধিকার বাদীর জ্ঞাতসারে থাকে এবং বিবাদীর মাধ্যমে এই অধিকার বাতিল করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
ব্যাখ্যা: প্রথম পাবলিক কোম্পানিটি যদি কোনো চুক্তি করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো পাবলিক কোম্পানির সাথে এক্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়, তাহলে সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধেও প্রথম চুক্তিটির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
ব্যাখ্যা: যদি কোনো প্রতিষ্ঠাতারা একটি প্রস্তাবিত পাবলিক কোম্পানির গঠনের আগেই কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হন, তাহলে পরবর্তীতে সেই কোম্পানি গঠিত হলে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেই কোম্পানির দ্বারা সেই চুক্তি অনুমোদন এবং গৃহীত হতে হবে।
২০.
'A' স্নেহ ও ভালবাসার কারণে প্রথমে তার ভাইদের এবং তাদের সন্তানদের প্রতি কিছু সম্পত্তি হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে 'A' ৩য় পক্ষের সাথে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে। এক্ষেত্রে বিক্রয় চুক্তি-
  1. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য
  2. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
  3. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
ব্যাখ্যা
এই চুক্তিটি 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না।

ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;

(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;

(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

(গ) এর শর্তমতে, এই চুক্তিটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। কারণ তা হলে তার পূর্বতন সমর্পণটি বাতিল হয়ে যাবে এবং যাদের উপর সেই সম্পত্তি সমর্পিত হয়েছিল তাদের স্বার্থগুলি ক্ষুণ্ণ হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে A নিজের পূর্বতন কৃত কাজকে বাতিল করে, নতুন চুক্তিটিকে নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
২১.
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায় আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করবে?
  1. পক্ষসমূহের কার্য
  2. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  3. পক্ষসমূহের পারস্পারিক সম্পর্ক
  4. পক্ষসমূহের পারস্পারিক দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে আদালত চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য ____________ এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য ________ আদেশ দিতে পারে।
  1. ক্ষতিপূরণের, নিষেধাজ্ঞার
  2. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
  3. ক্ষতিপূরণের, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের
  4. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, নিষেধাজ্ঞার
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
২৩.
'ক', 'খ'-কে একটি বাড়ি ক্রয় করার লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্যে মামলা দায়ের করল। 'খ' এই কথা প্রমাণ করে যে, সে মনে করছিল যে, চুক্তিতে বাড়ির সংলগ্ন, উঠানের কথাও অন্তর্ভুক্ত আছে এবং চুক্তি এমনভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, উঠান চুক্তির অন্তর্ভুক্ত না বহির্ভূত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থেকে যায়। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিবেন
  2. 'খ' কর্তৃক দেখানো যুক্তি অস্বীকার করবেন
  3. পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করবেন
  4. পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালত পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন।

২৬ ধারার মূল কথা হল,
কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যদি বিবাদী একটি লিখিত চুক্তিতে পরিবর্তন দেখায়, তাহলে বাদী সেই মূল চুক্তির নির্দিষ্ট পালন পাবেন না, তবে বিবাদী প্রদত্ত পরিবর্তনসহ পালন পাবেন। এগুলি হল সেই বিশেষ পরিস্থিতিগুলি:
১. প্রতারণা বা ভুলের কারণে চুক্তির শর্তাবলী বিবাদীর ধারণার চেয়ে আলাদা হলে।
২. প্রতারণা, ভুল বা আকস্মিকতার কারণে বিবাদী চুক্তির প্রভাব সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করলে।
৩. বিবাদী বাদীর মিথ্যা বক্তব্য বা অতিরিক্ত শর্তের উপর নির্ভর করে চুক্তিতে প্রবেশ করলে।
৪. পক্ষদ্বয়ের উদ্দেশ্য এবং চুক্তির মধ্যে বিসংগতি থাকলে।
৫. পক্ষদ্বয় পরবর্তীকালে চুক্তি পরিবর্তন করার সম্মত হলে।

এই ধারা বাদীকে মূল চুক্তি অনুযায়ী নয়, বরং বিবাদী দেখানো পরিবর্তনসহ নির্দিষ্ট পালন দাবি করার সুযোগ দেয়। তাই এক্ষেত্রে, আদালত 'খ' এর পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন।
২৪.
'কেবলমাত্র ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৩৭ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।

Section-36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
২৫.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি গাড়ি দশ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' বাস এক্সিডেন্টে মারা গেল।
  1. উক্ত চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'খ' এর প্রতিনি 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে
  3. 'খ' এর প্রতিনিধিকে চুক্তির অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
  4. 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী,
এক্ষেত্রে 'খ'-এর প্রতিনিধিকে (উত্তরাধিকারী/ব্যবস্থাপক) চুক্তিমোতাবেক বাকি অর্থ প্রদানে বাধ্য করা যেতে পারে। কারণ এখানে:
১. চুক্তির প্রধান বিষয়বস্তু অর্থাৎ গাড়ি বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়নি। শুধু ক্রেতার মৃত্যু ঘটেছে।
২. 'খ'-এর প্রতিনিধি থাকায় চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব।

১৩ ধারা- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে-
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

সুতরাং আইনগতভাবে, 'ক' আদালতের নির্দেশক্রমে 'খ'-এর প্রতিনিধিকে চুক্তিমোতাবেক অর্থ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন। শুধু 'খ'-এর মৃত্যুর কারণে চুক্তিটি বাতিল হবে না।
২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি কত সাল থেকে কার্যকর হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০১০
সঠিক উত্তর:
২০০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে, যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে। অর্থাৎ ১লা জুলাই, ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১ক ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় কাকে সম্পত্তির দখল হস্তান্তরের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিককে
  2. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বাধিকারীকে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
  4. স্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারায় কী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরের বিধান রয়েছে?
  1. অবৈধ চুক্তি
  2. সংশোধিত চুক্তি
  3. অনিবন্ধনকৃত চুক্তি
  4. সংশোধিত দলিল
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
২৯.
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত কখন যেটুকু সম্ভব সেই অংশের জন্য চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করলে
  2. বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি না করলে
  3. বাদী পক্ষ বাকি অংশের বাস্তবায়নের দাবি না করলে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫:
যদি একটি চুক্তির কোনো পক্ষ তার দায়িত্বের সবটুকু পালন করতে না পারে এবং যেই অংশটুকু অপূর্ণ থাকবে, সেটি চুক্তির একটি বড় অংশ হয় অথবা অর্থ প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে সেই পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য রায় পাওয়ার যোগ্য নয়। তবে অন্য পক্ষের মামলায়, আদালত বিলম্বকারী পক্ষকে যেটুকু সম্ভব তাই সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে এবং বিবাদী পক্ষের বিলম্বের কারণে হওয়া ক্ষতি বা ক্ষয়ের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে।

[Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.]

এই নীতি অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।
৩০.
নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে?
  1. বিকল্প
  2. প্রতিরোধ
  3. প্রতিকার
  4. ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
• আইনে নিষেধাজ্ঞাকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসাবে গণ্য করা হয়। নিষেধাজ্ঞা আদালতের একটি বিশেষ আদেশ যা কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করতে বা না করতে নির্দেশ দেয়। এটি নিম্নরূপ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বিবেচিত:
১. কর্মসাধক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) - একটি বিশেষ কাজ সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তি বাস্তবায়ন বা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা।
২. নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞা (Prohibitory Injunction) - কোনো কাজ করতে নিষেধ করা হয়। যেমন, সম্পত্তি দখল বা বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা।
৩. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary/Interim Injunction) - মূল মামলার বিচারকালীন সময়ে একটি অবস্থা বজায় রাখার জন্য।
৪. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) - মূল মামলা নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা যা স্থায়ীভাবে বহাল থাকে।

নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত প্রকৃতপক্ষে "প্রতিরোধ" বা "নিষেধ" প্রদান করে, "প্রতিকার" নয়। সুতরাং, নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতিকার প্রদান নয়।
৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ______ ধারামতে ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৩২.
একটি দলিলের মাধ্যমে A তার একটি বাড়ি B কে বিক্রয় করেছে; A, B কে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছে এবং B এর বাড়িতে A কে থাকার অধিকার দিয়েছে।
তৃতীয় অংশটি অর্থাৎ B এর বাড়িতে A কে থাকার অধিকার দেওয়ার অংশটি আইনগতভাবে বাতিলযোগ্য। এক্ষেত্রে-
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. সম্পূর্ণ দলিল বহাল থাকবে
  3. সকল অধিকার অবৈধ হবে
  4. অবশিষ্টাংশ বলবৎ থাকবে
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশ বলবৎ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশ বলবৎ থাকবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, এক্ষেত্রে কেবলমাত্র তৃতীয় অংশটিই বাতিল হবে। বাকি দুটি অংশ অর্থাৎ বাড়ি বিক্রয় এবং গাড়ি উপহার দেওয়ার অংশগুলি বলবৎ থাকবে। সুতরাং সমগ্র দলিলটি বাতিল হবে না, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল হবে। এভাবে দলিলের বাকি বৈধ অংশগুলি কার্যকর থাকবে।

এই আইনের ৪০ ধারা অনুসারে,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৩৩.
স্থায়ীত্বের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ১ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর, কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথা-
১/ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা; ও
২/ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।

⇒ মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Rescission for mistake
  2. Principles of rectification
  3. What instruments may be partially cancelled
  4. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
ব্যাখ্যা
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

৩৩ ধারা: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

এর বিস্তারিত অর্থ হলো: লিখিত দলিল সংশোধন বা ব্যাখ্যা করার সময়, আদালত কেবলমাত্র দলিলের শব্দগুলির অর্থ কী ছিল সে বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আদালত এ ছাড়াও অনুসন্ধান করতে পারবে যে:
১) দলিলটির মূল অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য কী ছিল;
২) দলিলটির আইনগত প্রভাব বা পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

অর্থাৎ আদালত দলিলটির শুধু শব্দগত অর্থই নয়, বরং দলিলের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য এবং আইনগত পরিণামও বিবেচনা করতে পারবে। এটি আদালতকে দলিলটির প্রকৃত অর্থ এবং উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে সহায়তা করবে।
৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করা যায় না?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মূল কথা হচ্ছে-
⇒ যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
⇒ তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগ নেই।
এই ধারার অধীন আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউর আবেদন করা যাবে না।

৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৩৬.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল-
  1. বাতিলের আদেশ পেতে পারে
  2. সংশোধনের আদেশ পেতে পারে
  3. যথাযথ ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
  4. সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদনের আদেশ পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলের আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী, যে কোনো অবৈধ বা জাল দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে আবেদন করা যায়। আর এক্ষেত্রে 'ঘ' দ্বারা প্রদর্শিত দলিলটি জাল হওয়ায়, আদালত 'গ' এর আবেদন গ্রহণ করে জাল দলিলটি বাতিল করতে পারবে।

•৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারায় বাদী মোকদ্দমা দায়ের করতে বারিত হয়-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা স্থগিত হলে
  2. চুক্তির কাজ সম্পাদনের মামলা চলমান থাকলে
  3. চুক্তি সংশোধনের মামলা বাতিল হয়ে গেলে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be
৩৮.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি _________ নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
  1. চুক্তি আইনে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  3. ব্যক্তিগত আইনে
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধিতে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৩৯.
স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফি প্রদান করতে হয়?
  1. ৩০০ টাকা
  2. মূল্যানুপাতিক
  3. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
  4. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির এক-তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মূল কথা হচ্ছে-
⇒ যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
⇒ তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগ নেই।
⇒ এই ধারার অধীন আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউর আবেদন করা যাবে না।
এই ধারার অধীন মামলায় আদালতে প্রদেয় কোর্ট ফি হবে মূল্যানুপাতিক (ad-valorem) কোর্ট ফির অর্ধেক।
৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কয় ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
৪১.
একটি চুক্তির বিষয়বস্তুর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের পর শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের প্রাপ্য হবে না। এমন অবস্থায় আদালত কী করতে পারে?
  1. অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিবে
  2. চুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিতে পারে
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
  4. কোন প্রতিকার প্রদান করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১২ ধারায় উল্লিখিত চারটি ক্ষেত্র তুলে ধরেছেন যেখানে আদালত কোনো চুক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দিতে পারবে।
এই চারটি ক্ষেত্র হলো:
ক) যদি সেই চুক্তি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
খ) যদি চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কোনো মানদণ্ড না থাকে।
গ) যদি চুক্তিভঙ্গের জন্য কেবল আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান অপর্যাপ্ত হয়।
ঘ) যদি চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই না থাকে।

এই চারটি অবস্থায়, আদালত চুক্তির পালন বা বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করতে পারবে। কারণ এসব ক্ষেত্রে কেবল আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান সমস্যার সমাধান হবে না বা চুক্তি বলবৎকরণ ছাড়া ন্যায্য প্রতিকার সম্ভব হবে না।

সুতরাং এই ক্ষেত্রেও আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে।
৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কোনো পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি রদ
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি পরিবর্তন
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৪৩.
A এবং B এর মধ্যে একটি দলিল সম্পাদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত সেই দলিলটি বাতিল করে দেয়। এক্ষেত্রে-
  1. বাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  2. বিবাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  3. কোনো পক্ষই ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী,
 আদালত নিজস্ব বিবেচনায় যে পক্ষের অনুকূলে দলিলটি বাতিল করেছে, সে পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও  প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, দলিল বাতিল করার রায়ের সময়ই আদালত এক পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।
৪৪.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণের
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের
  3. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।

Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৪৫.
নির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদনযোগ্য
  2. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
  3. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনযোগ্য
  4. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না-

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না-
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

Section 28⇒ What parties cannot be compelled to perform:
Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;

(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;

(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.
৪৬.
একজন আইনজীবী 'ক' তার মক্কেল, একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এক্ষেত্রে 'খ' এর প্রতিকার কী?
  1. ক্ষতিপূরণ পাবে
  2. হস্তান্তরের দলিল সংশোধনের
  3. হস্তান্তরের দলিল বাতিলের
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের দলিল বাতিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের দলিল বাতিলের
ব্যাখ্যা
• এই উদাহরণটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৫(খ) এর প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো চুক্তি অবৈধ হয় এবং বিবাদীর দোষ বাদীর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বাদী পক্ষ চুক্তি বাতিলের দাবি করতে পারবে। এই উদাহরণে 'ক' হলো প্রধান দোষী। সুতরাং, এক্ষেত্রে 'খ' ওই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিলের দাবি করতে পারবেন।

 ৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
৪৭.
'Solatium' অর্থ কী?
  1. অর্থদণ্ড
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. জরিমানা
  4. কোর্ট ফি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
Solatium শব্দটির অর্থ হল ক্ষতিপূরণ বা প্রতিকারস্বরূপ প্রদত্ত অর্থ। আইনগত অর্থে, solatium হল একটি অর্থপ্রদান যা আদালত কোনো অপরাধ বা দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে মানসিক যন্ত্রণা, দুঃখ-কষ্ট বা অসুবিধার জন্য প্রতিকারস্বরূপ মঞ্জুর করে থাকে। এটি শারীরিক ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের পরিপূরক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সুতরাং, solatium হল বিচারিক ক্ষমতার আওতায় প্রদত্ত এক ধরণের আর্থিক প্রতিকার যা অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত হিসাবে মানসিক যন্ত্রণা ও দুঃখ-কষ্টের প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২২ ধারায় আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদান করতে পারবে।
৪৮.
নিম্নের কোন বিষয় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট হবে?
  1. সম্পত্তির সহ-মালিকের বক্তব্য
  2. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের স্থায়ী অধিকার
  3. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের অধিকারী ব্যক্তির বক্তব্য
  4. সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৪৯.
একজন লেখক একটি প্রকাশনা সংস্থার সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি উপন্যাস লিখবেন। পরবর্তীতে অন্য প্রকাশনা সংস্থার জন্য তিনি উপন্যাস লিখেন। এক্ষেত্রে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. লেখককে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না। যথা-
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব;
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদন করা যায় না;
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য;
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত;
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত;
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা;
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়;
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নে প্রথম চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
৫০.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

[এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.]

রিভিশন দায়েরে শর্ত: কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

৯ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৫১.
নিরোধক প্রতিকার কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কোনোভাবেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়.

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
৫২.
'ক' ও 'খ' এক মালিকের বাড়িতে ভাড়াটে থাকে। ভাড়ার চুক্তিতে উল্লেখ আছে বাড়িটির যত্ন নেওয়ার। কিন্তু 'ক' ও 'খ' অবহেলা করে বাড়িটির ক্ষতি করছে। এক্ষেত্রে মালিক আদালতে গিয়ে তাদেরকে বাড়ির ক্ষতি না করতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন এবং বাড়ির প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৫৭ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার অধীন আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55: Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ৩য় পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা
  2. বাদীপক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
  3. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
  4. আদালত কর্তৃক পক্ষদ্বয়কে ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, দলিল বাতিল করার রায়ের সময়ই আদালত এক পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। ৪১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সে পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৫৪.
ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিতের জন্য আদালত কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে?
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. অন্তর্বর্তীকালীন
  4. কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটাই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটাই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;

iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;

viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
৫৫.
A একটি নির্দিষ্ট জমির Z কে বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। পরবর্তীতে তদন্ত করে দেখা গেছে যে, A দাবি করেছিল যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি সাধারণভাবে মৃত বলে বিবেচিত হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই। এমতাবস্থায় 'A', 'Z' কে-
  1. নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. চুক্তি রদের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  3. চুক্তি সংশোধনের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  4. নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-

(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

এই উদাহরণে,
A একটি নির্দিষ্ট জমির দখলদার হলেও সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহজনক। কারণ A দাবি করছে যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি কয়েক বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং সাধারণত তাকে মৃত মনে করা হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
এমতাবস্থায়, A যেহেতু সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহাতীত নয়, সেহেতু সে Z কে নির্দিষ্টভাবে সেই জমি বিক্রির চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না। একজন বিক্রেতা যদি সম্পত্তির উপর তার স্বত্বাধিকার স্পষ্ট না থাকে, তাহলে সে ক্রেতাকে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না।
৫৬.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে-
  1. 'ক' ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে
  3. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে না
  4. উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মামলা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
৫৭.
'mutatis mutandis' অর্থ কী?
  1. পরিবর্তন ছাড়া
  2. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  3. অপরিবর্তনীয় শর্তসমূহ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা
• 'mutatis mutandis' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হল- "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ।"

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩০:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.]

অর্থাৎ, চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
৫৮.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়?
  1. বাদীর ইচ্ছাধীন কাজ
  2. প্রতিবাদীর অধিকারমূলক কাজ
  3. বাদীর অধিকারের অনুকূলের কাজ
  4. বাদীর অধিকারের বিপরীত কাজ
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারের বিপরীত কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারের বিপরীত কাজ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৫৯.
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই-
  1. মৌখিক এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  2. লিখিত এবং বৈধ হতে হবে
  3. লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  4. মৌখিক এবং বাতিল হতে হবে
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
ব্যাখ্যা
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে।

৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
৬০.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ 'B'-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ এর দাবি করতে পারবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
চুক্তির এক পক্ষ 'A' যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ 'B' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে। অর্থাৎ, ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব গ্রহণ না করে 'B', আদালতে গিয়ে 'A' কে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বাধ্য করাতে পারবে। আদালত যদি বিবেচনা করে যে- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তাহলে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ গ্রহণকে বাধ্যতামূলক করে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারায় এই বিধান রয়েছে।

ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে।

এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।
৬১.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যায়?
  1. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হলে
  2. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
  3. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হলে
  4. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

এর অর্থ হলো, যদি কেবল সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করার দাবি করা হয়, তাহলে আদালত শুধুমাত্র সেই কারণেই চুক্তি বাতিল করবে না। আদালতকে এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে, যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে যেন চুক্তি করাই হয়নি। অর্থাৎ আদালতকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত শুধু ভুল বা ত্রুটির কারণে চুক্তি বাতিল করবে না। কারণ চুক্তি বাতিল হলে অন্য পক্ষটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সুতরাং চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে আদালতকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় যাতে কোনো পক্ষ অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
৬২.
বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার ক্ষেত্রে চুক্তির ______________ আদালতে জমা দিতে হয়।
  1. সম্পূর্ণ মূল্য
  2. অবশিষ্ট মূল্য
  3. উল্লেখিত মূল্যের ২৫%
  4. উল্লেখিত মূল্যের ৫০%
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৬৩.
'A', 'B'- এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ২ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে, চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৩ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ২ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।

Section 14- Specific performance of part of contract where part unperformed is small: 
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় _______ মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
  1. বিশেষ
  2. বাতিল
  3. প্রক্রিয়াধীন
  4. ফৌজদারি
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াধীন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:

প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৬৫.
No Court shall make any such declaration where the ________, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
  1. court
  2. parties
  3. plaintiff
  4. defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff
ব্যাখ্যা
Section 42: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারায় বাদী কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করতে বারিত হয়?
  1. নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  2. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  4. ফৌজদারি মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৬৭.
'A' এক মামলায় 'B' কে নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। আদালত 'B' কে 'A' এর স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে 'C' নামক এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, 'B' তার স্ত্রী এবং তিনি 'A' এর বিরুদ্ধে 'B'কে ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা করে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী রায়-
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. 'C' এর উপর কার্যকর হবে
  4. 'C' এর উপর কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
'C' এর উপর কার্যকর হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'C' এর উপর কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।

এক্ষেত্রে,
A ও B'র মামলার রায় C'র উপর বাধ্যকর নয়। কারণ C সেই মামলার পক্ষ ছিলেন না। সুতরাং তার দাবি আদালতে নতুন করে বিচার করা হবে এবং পূর্বের রায় তার উপর প্রযোজ্য হবে না।
৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় কোনটিকে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. Copyright
  2. Trademark
  3. Document
  4. Property mark
সঠিক উত্তর:
Trademark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Trademark
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

⇒ এই ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, এই ধারার প্রয়োগক্ষেত্রে "ট্রেডমার্ক" কে "সম্পত্তি" হিসাবে গণ্য করা হবে। এর অর্থ হল, ট্রেডমার্ক আইনগত অর্থে একটি বৈধ সম্পত্তি স্বত্বের আওতায় পড়বে এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত সকল আইনি সুরক্ষা ও বিধান ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইন ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে, ট্রেডমার্কের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি প্রতিকার গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এই ধরনের ব্যাখ্যা আইনের বিভিন্ন ধারায় উল্লিখিত কিছু শব্দ বা পরিভাষার অর্থ ও প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
৬৯.
চুক্তি বলবৎকরণের মামলায় কখন আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি প্রদান করবেন না?
  1. বাদীর প্রতি অন্যায় সুবিধা থাকলে
  2. বিবাদীর প্রতি কঠোরতা বা কষ্ট সৃষ্টি করবে
  3. চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীর প্রতি কঠোরতা বা কষ্ট সৃষ্টি হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, চুক্তি বলবৎকরণের মামলায়, যদি বিবাদী প্রমাণ করতে পারে যে:
১) বাদীর প্রতি তার অন্যায় সুবিধা রয়েছে; এবং
২) চুক্তি বলবৎকরণ তার প্রতি কঠোরতা বা কষ্ট সৃষ্টি করবে; কিন্তু
৩) চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীর প্রতি এরূপ কোন কঠোরতা সৃষ্টি হবে না;

তাহলে সেক্ষেত্রে আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদান করতে পারবে। এই বিধানের মাধ্যমে আইন বিবাদীর স্বার্থরক্ষা করেছে। যদি চুক্তি বলবৎকরণ বিবাদীর জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়, তাহলে আদালত ক্ষতিপূরণ বিধান দিয়ে বিবাদীকে অব্যাহতি দিতে পারবে।
৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না?
  1. সরকারের
  2. সরকারি কর্মচারীর
  3. সম্পত্তির সহ-দখলদারের
  4. উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৭১.
নিম্নের কোনটি দলিল সংশোধনের কারন নয়?
  1. কোনো পক্ষ কর্তৃক প্রতারণা
  2. পক্ষগণের পারস্পরিক ভুল
  3. উদ্দেশ্য অব্যক্ত থাকলে
  4. লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
সঠিক উত্তর:
লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।

অর্থাৎ ৩১ ধারার বিধানমতে 'লাভজনক উদ্দেশ্য থাকা' দলিল সংশোধনের কারন নয়।
৭২.
লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে আদালতকে পক্ষগণের কোন বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে হবে?
  1. অলাভজনক উদ্দেশ্য
  2. ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্য
  3. বিবেকসম্মত উদ্দেশ্য
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

⇒ সুতরাং, চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং মর্ম বুঝে একটি ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকসম্মত চুক্তি করতে চেয়েছিল, কিন্তু লিখিতভাবে তা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়নি। তাই সংশোধনের মাধ্যমে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রতিফলিত করা প্রয়োজন।
৭৩.
'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন-
  1. করার প্রয়োজন নেই
  2. দেওয়ানি আদালতে করতে হবে
  3. পারিবারিক আদালতে করতে হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
করার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কারণ শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন দায়ের করতে হয়।
৭৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১০
  2. অনুচ্ছেদ ১১২
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২০
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৭৫.
The provisions of Section 27A of The Specific Relief Act, 1877 refers to-
  1. Sale contract
  2. Lease contract
  3. Gift contract
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Lease contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lease contract
ব্যাখ্যা
Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:

Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

এই অধ্যায়ের বিধানাবলীর অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজগ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিপরীত কোন ধারা?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২ থেকে ৩০: চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-

পক্ষগণ যে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন আদালত পক্ষগনকে তাদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য অনুসারে সে কাজ সম্পাদনের আদেশ প্রদান করলে তাকে বলা যায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন।
উল্লেখ্য যে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, চুক্তি কার্যকর, চুক্তি বলবৎ, চুক্তি প্রবল ( Specific Performance of contract) শব্দগুলো একই অর্থ বহন করে। অনেকে এগুলো গুলিয়ে ফেলতে পারেন তাই উল্লেখ করা হলো।

১২ ধারার বিপরীতে ২১ ধারাতে উল্লেখ রয়েছে ৮ টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। অর্থাৎ যেসকল চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায়, তার উল্লেখ আছে ১২ ধারায় (৪ টি ক্ষেত্র)। যেসকল চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না, তার উল্লেখ আছে ২১ ধারায় (৮ টি ক্ষেত্রে)।
৭৭.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি রেজিষ্ট্রিকৃত না হলে আদালত চুক্তির কার্য সম্পাদনের-
  1. আদেশ দিবেন না
  2. প্রতিকার দিতে পারেন
  3. আদেশ দিতে পারেন
  4. আদালতের ইচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

তাই এই আইন অনুসারে,
যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি এই দুটি শর্ত পূরণ না করে, তাহলে সেই চুক্তি অন্য কোন আইনের বিপরীত বিধান থাকা সত্ত্বেও কার্যকর হবে না। লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হওয়া এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান এই দুটি শর্ত পূরণই স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিকে কার্যকর করার জন্য অপরিহার্য।
৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন
  2. নিবন্ধন আইন
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৭৯.
'A' একটি বাড়ি উদ্যানসহ একটি সম্পত্তি 'B' কে এক লক্ষ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। বাড়ি উপভোগের জন্য উদ্যানটি গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, 'A' উদ্যানটি হস্তান্তর করতে অক্ষম। এই অবস্থায়, 'A'-
  1. চুক্তি সংশোধনের রায় পাবে
  2. অবশ্যই চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
  3. অবশ্যই সম্পূর্ণ চুক্তি বাস্তবায়নের রায় পাবে
  4. শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
সঠিক উত্তর:
শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫ অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।

এই উদাহরণে দেখা যাচ্ছে যে, সম্পূর্ণ চুক্তি পালনের জন্য A যেহেতু সক্ষম নয়, সেহেতু A সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের রায় পাবে না। কারণ চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ (উদ্যান) হস্তান্তরের অক্ষমতার কারণে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। তবে যদি B বাকী অংশগুলো (বাড়ি ও সম্পত্তি) নিতে রাজী থাকে এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে আদালত A কে যেসব অংশ হস্তান্তর করতে সক্ষম, শুধু সেগুলোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে এবং A কে বাড়িটি হস্তান্তর করতে বলা যেতে পারে।
৮০.
আদালতের কোন ক্ষমতাবলে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. আইনগত
  4. আবশ্যিক
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৮১.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৮২.
Civil Courts কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. দলিল সংশোধন
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৮৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মোকদ্দমার ________ মঞ্জুর করা যেতে পারে।
  1. শেষ পর্যায়ে
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে
  3. সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে
  4. যে কোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।