পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি --------------- টপিক: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ii) প্রাচীন জনপদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, জাতীয় অর্জন। iii) ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ। [নম্বর কাভার - ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
বঙ্গ রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ কোথায় পাওয়া গেছে?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. গোপালগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গ জনপদ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল। সেজন্যে ‘বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুদ্রা ও লিপিতাত্ত্বিক প্রমাণের আলোকে ধরা হয়, খ্রিস্টীয় ৬ শতকে স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- মুদ্রা ও লিপিমালায় এ রাজ্যের তিনজন রাজার নাম জানা যায় গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব।
- বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া এলাকা থেকেই অধিকাংশ লিপি পাওয়া গেছে।
- অন্যদিকে গোপচন্দ্রের জয়রামপুর তাম্রশাসন পাওয়া গেছে উড়িষ্যায়, মল্লসারুল তাম্রশাসন পাওয়া গেছে পশ্চিমবঙ্গে যা থেকে স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের বিস্তৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
ওয়াসফিয়ার 'সেভেন সামিট' জয়:
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করলেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন।
- ২০১২ সালে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।

⇒ ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) BBC.
.
'একাত্তরের যীশু' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন?
  1. নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
  2. নারায়ণ ঘোষ মিতা
  3. মাসুদ আকন্দ
  4. শহীদুল হক খান
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
ব্যাখ্যা
একাত্তরের যীশু:
- শাহরিয়ার কবির’র উপন্যাস অবলম্বনে ‘একাত্তরের যীশু’ নির্মাণ করেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
- মুক্তি পায় ১৯৯৩ সালে।
- অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পীয়াল, আবুল খায়ের, আনোয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ ও শহীদুজ্জামান সেলিম।

উল্লেখ্য,
- একাত্তরের যীশু নামের গল্পটি প্রথম ছাপা হয় ১৯৭৩ সালে দৈনিক বাংলা পত্রিকায়।
- তারপর বাংলা একাডেমীর একটা সংকলনে সবশেষে বইয়ে ছাপা হয়েছে ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
.
গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন সর্বশেষ কবে পাশ হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ নির্বাচনের মূল ভিত্তি সংবিধান।
- সেই সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে।
- ২০২৩ সালে সর্বশেষ সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
ii) BBC.
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'ইনোসেন্ট মিলিয়নস’-এর পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. আলমগীর কবির
  3. তারেক মাসুদ
  4. বাবুল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বাবুল চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবুল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রামাণ্যচিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ১৯৭১ সালে চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়।
- এগুলো হলো জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’, ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’; আলমগীর কবিরের ‘লিবারেশন ফাইটার্স’ ও বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’।
- এসব প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি মিলিটারির গণহত্যা ও নৃশংসতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানানো।
- এ ছাড়া শরণার্থীদের দেশত্যাগ ও আশ্রয়শিবিরের দুঃখ-যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে এসব প্রামাণ্যচিত্রে।
- জহির রায়হান চারটি প্রামাণ্যচিত্রের নাম দেন ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র’।

⇒ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ ‘মুক্তির গান’ (১৯৯৫) নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি ভ্রাম্যমাণ গানের দলের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭১ সালে মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিনের ধারণ করা ফুটেজ থেকে এটি তৈরি করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
.
সরকারি অনুদানে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. সূর্য দীঘল বাড়ি
  3. গেরিলা
  4. আমার জন্মভূমি
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা
সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সরকার মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৭৬-৭৭ সাল থেকে চলচ্চিত্রে অনুদানের প্রথা চালু করে।

⇒ সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৭৯) ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র।  ১৯৭৬ সালে আড়াই লাখ টাকা করে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়।

⇒ এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৮০) ১৯৮০ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। জার্মান লেখক এরিখ কাস্টনার রচিত ‘এমিলের গোয়েন্দা দল’ কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়েছে। 

⇒ আগুনের পরশমণি (১৯৯৪) নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে হুমায়ূন আহমেদেরই পরিচালনায় নির্মিত হয় তার প্রথম চলচ্চিত্র। ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।

⇒ গেরিলা (২০১১) নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সমকাল।
.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি -
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  2. নির্দলীয় সরকার
  3. গণতান্ত্রিক সরকার
  4. সংসদীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
নির্দলীয় সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দলীয় সরকার
ব্যাখ্যা
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) একটি অস্থায়ী ও বিশেষধরণের সরকার পদ্ধতি।
- বিশেষ রাজনৈতিক সংকটজনক পরিস্থিতিতে এ ধরণের সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- এই সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও নির্দলীয় সরকার যার মূল দায়িত্ব ও উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা অর্পন করা।

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন:
- ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতন ও পদত্যাগের সময় যে সাংবিধানিক সংকট সৃস্টি হয়-তা নিরসনে এইরূপ একটি অস্থায়ী সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
- তৎকালীন সরকার বিরোধী জোটের রূপরেখা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তখনকার মতো এই সরকারের পর্ব সমাপ্ত হয়ে যায়।
- কিন্তু খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন (১৯৯১-৯৫) বিরোধী দল কতকগুলি দাবীকে সামনে রেখে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে এবং একই সঙ্গে পরবর্তী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালনার দাবি জানায়।
- কিন্তু সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী অসাংবিধানিক বলে অগ্রাহ্য করে এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করে।
- কিন্তু সকল দল নির্বাচন বর্জনের পাশাপাশি তা প্রতিহত করারও ঘোষণা দেয়।
- কিন্তু সরকার বিরোধীদল ছাড়াই একতরফাভাবে সম্পন্ন করে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করায় এই নির্বাচন জনগণের নিকট গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করেনি।
- ফলে উদ্ভুত গণ আন্দোলনের চাপে সরকার ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" গঠন আইন পাশ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'জয় বাংলা, বাংলার জয়' গানটির সুর করেন কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. রথীন্দ্রনাথ রায়
  3. সমর দাস
  4. আনোয়ার পারভেজ
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে কালজয়ী ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটি সারা জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছে, সেই গানের সুরস্রষ্টা আনোয়ার পারভেজ।
-  গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 

উল্লেখ্য,
‘জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ এক সাথে জেগেছে অন্ধ রাতে
নতুন সূর্য ওঠার এই তো সময়...’

উৎস: প্রথম আলো।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. রেড ইন্ডিয়ান
  2. পিগমি
  3. বম
  4. ভাইকিং
সঠিক উত্তর:
বম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বম
ব্যাখ্যা
বম জনগোষ্ঠী:
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত। 
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়।
- এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত। 
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। 
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ। 
- এরা খ্রিস্টান প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

অন্যদিকে,
- পিগমি মধ্য আফ্রিকার খর্বকায় উপজাতি।
- ‘ভাইকিং’ নরওয়ের প্রাচীন কঠোর পরিশ্রমী উপজাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান আমেরিকার আদি অধিবাসী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
কোন নির্বাচনে দেশে প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে 'ইভিএম পদ্ধতিতে' ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
  2. সিটি করপোরেশন নির্বাচনে
  3. পৌরসভা নির্বাচনে
  4. উপজেলা নির্বাচনে
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা নির্বাচনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
EVM:
- EVM এর পূর্ণরূপ: Electronic Voting Machine বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১০ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সিটি করপোরেশনের ১৪টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশনের ৫৮টি কেন্দ্রে এবং ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বরে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কয়েকটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- তখনকার নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা'র নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন কেবল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে।

উল্লেখ্য,
- ইভিএম পদ্ধতি প্রথম চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬০ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৭ সালে প্রথম ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদ নির্বাচনে সনাতনী ধাঁচের পরিবর্তে ই-ভোটিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। 
- দেশে প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হয় ১৭ জানুয়ারি ২০১১ সালে নরসিংদীর পৌরসভা নির্বাচনে এবং পরবর্তী সময়ে ৫ জানুয়ারি ২০১২ সালে কুমিল্লার সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে।
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৮) ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হয়। ছয়টি আসন দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন।

উৎস: i) The Business Standard. 
ii) প্রথম আলো। [link]
১১.
হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্র মুক্তিপ্রাপ্ত হয় -
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:
- নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ ১৯৯৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটি তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’ (১৯৯৪) অবলম্বনে নির্মিত।
- এটি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। 
- এটি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হায়াত, ডলি জহুর প্রমুখ।
- চলচ্চিত্রটি আটটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১২.
ভাসানীর নেতৃত্বে কত সালে 'ন্যাপ' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি:
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, আবদুল মতিন, ওয়ালি খান প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- এ প্রশ্নে দলের ডানপন্থী নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং বামপন্থী অংশ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- ফলে আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশের উদ্যোগে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ২৪-২৫ জুলাই গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
বাংলাদেশ কোন সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।
১৪.
'Banker to the poor' নিম্নের কোন ব্যক্তির আত্মজীবনী?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. রেহমান সোবহান
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
Banker to the Poor:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি আত্মজীবনী 'Banker to the Poor'।
- এই বইটি তার মাইক্রোক্রেডিট অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) Banker to the Poor.
১৫.
১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
  2. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  3. জাতীয় পার্টি
  4. বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
ব্যাখ্যা
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন-১৯৯১:
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে সুপ্রীমকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তিন জোটের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য হতে ১৭ জন উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৯১ সালের ২৭ এপ্রিল শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- নির্বাচনে তালিকাভুক্ত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ২৩ লক্ষ।
- কিন্তু নির্বাচনে ভোটদান করে ৩ কোটি ৪৫লক্ষ এবং প্রদত্ত ভোটের হার ৫৫.৩৫%।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচনে কোন দলই নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে সরকার গঠন নিয়ে প্রথম দিকে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
- বি এন পি শতকরা ৩০.৮০টি ভোট পেয়ে ১৪০ টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আর্বিভূত হয়।
- অবশেষে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ১৯ মার্চ (১৯৯১) সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার গঠনের আহবান জানান।
- ২০ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া।

এছাড়াও,
- স্বাধীনতা-উত্তর একমাত্র পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি পরিচালিত হয় একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে। ফলে নির্বাচনী ফলাফলে দলীয় কোন প্রভাব পড়েনি।
- এই নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র রক্ষার ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ফসল।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
বাংলাদেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক দল কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি
  2. গণঅধিকার পরিষদ
  3. নাগরিক ঐক্য
  4. গণসংহতি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি
ব্যাখ্যা
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল:
- বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৯টি।
- সর্বশেষ ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি' নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধন লাভ করে।

⇒ 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি' দলের প্রতীক ফুলকপি।
- নিবন্ধন নং: ৫৪।
- চেয়ারম্যান: অ্যাড. এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান।

অন্যদিকে,
- রাজনৈতিক দল 'গণসংহতি আন্দোলন'-এর নিবন্ধন নং: ৫৩ এবং প্রতীক: মাথাল, নিবন্ধনের তারিখ: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।
- রাজনৈতিক দল 'গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)'-এর নিবন্ধন নং: ৫১ এবং প্রতীক: ট্রাক, নিবন্ধনের তারিখ: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।
- রাজনৈতিক দল 'নাগরিক ঐক্য'-এর নিবন্ধন নং: ৫২ এবং প্রতীক: কেটলি, নিবন্ধনের তারিখ: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কততম বাংলাদেশি হিসেবে বিজ্ঞানী এহসান হক 'প্রেসিডেন্সিয়াল পদক' পেয়েছেন?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্সিয়াল পদক পেলেন এহসান হক:
- যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানসূচক প্রেসিডেন্সিয়াল পদক পেলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী এহসান হক।
- পুরস্কারটির নাম ‘প্রেসিডেনশিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স’ পদক। 
- তরুণ ও সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের জন্যে এ পদক দেয় মার্কিন সরকার। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পাচ্ছেন এহসান হক। 
- এর আগে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পান বাংলাদেশি কম্পিউটার বিজ্ঞানী সাঈফ সালাহউদ্দিন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন অসাধারণ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের সম্মান জানাতে এ পুরস্কার চালু করেন।
- বর্তমানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয়ের উদ্ভাবন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক এহসান হক।
- এর আগে তিনি সৌদি আরবের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- সৌদি সরকারের তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকেন্দ্র সাডায়ায় কাজ করছেন তিনি।
- সাডায়ার পূর্ণরূপ সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথোরিটি অর্থাৎ সৌদি তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্তৃপক্ষ।
- ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অব মেডিসিন তাঁকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একজন উদীয়মান পথপ্রদর্শক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

উৎস: 
১৮.
বাংলাদেশের প্রথম ‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’ অবস্থিত -
  1. চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. ভাওয়ালন হাজীপুর
  3. চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’:
- দেশের প্রথম ‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে  অবস্থিত।
- উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় ‘প্রকল্প সোনা পাহাড়' নামের একটি ব্যক্তি উদ্যোগের প্রকল্পে এই কৃত্রিম বন তৈরি করা হয়েছে ।
- কৃত্রিম বন তৈরির প্রকল্পটির পরামর্শক ছিলেন প্রাকৃতিক কৃষিকেন্দ্রের উদ্যোক্তা ও পরিচালক দেলোয়ার জাহান এবং প্রকল্পের উদ্যোক্তা হচ্ছেন আমজাদ হোসেন।
- পরিবেশ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে পাহাড়ের কোলে টিলা শ্রেণির জায়গাটির ৪ হাজার ৪০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে "মিয়া ওয়াকি ফরেস্ট' ।

উল্লেখ্য,
- জাপানের বিখ্যাত উদ্ভিদবিদ আকিরা মিয়াওয়াকি হচ্ছেন এই ধারণার প্রবক্তা।
- এ পদ্ধতিতে ছোট ছোট জায়গায় অল্প সময়ে বয়স্ক বনের আদল তৈরি করা যায়।
- তাঁর উদ্ভাবিত এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মাত্র ৩০ বর্গফুটের মধ্যেও বন তৈরি করা সম্ভব।
- এ পদ্ধতিতে লাগানো গাছ সাধারণ বনের গাছের চেয়ে ১০ গুণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।
- বছরে অন্তত এক মিটার বাড়ে।
- মিয়াওয়াকি উদ্ভাবিত এই বন তৈরির পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো স্থানে ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে গভীর বন তৈরি করা সম্ভব।
- আর এ বনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অন্য সাধারণ বন থেকে এই বন ৩০ গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করতে পারে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৯.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের কোথায় বাস করে?
  1. রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহে
  2. কুমিল্লা ও সিলেটে
  3. দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
  4. ভোলা, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালীতে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বাস করে।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।
- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

⇒ বিভাগ অনুযায়ী, বরিশালে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা ৪ হাজার ১৮১ জন, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০, ঢাকায় ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২, রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ ও সিলেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
২০.
তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র কোনটি?
  1. মেদিনীপুর
  2. জামালপুর
  3. ফরিদপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
মেদিনীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা
তাম্রলিপ্ত:
- হরিকেলের উত্তরে ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমুলকই ছিল তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র।
- সমুদ্র উপকূলবর্তী এ এলাকা ছিল খুব নিচু ও আর্দ্র।
- নৌ চলাচলের জন্য জায়গাটি ছিল খুবই উওম।
- প্রাচীনকালে তাম্রলিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং তাম্রলিপ্তি শহরকে ‘তান-মো-লি-তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২১.
আধুনিক শিক্ষা সম্পর্কে মুসলমানদের জনমত তৈরিতে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. নওয়াব আবদুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি:
- নওয়াব আবদুল লতিফ ১৮৬৩ সালে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' বা ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আধুনিক শিক্ষা সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে জনমত তৈরি এবং তাদেরকে পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সচেতন করাই ছিল এ সমিতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ছিল না।
- তবে এর মাধ্যমে মুসলমানদের ন্যায়সংগত দাবি ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সরকারের কাছে তুলে ধরে তা পূরণের চেষ্টা করা হতো।
- ফলে মুসলিম সমাজে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।