পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬৩: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (জীববিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) গুরুত্বপূর্ণ টপিক: কোষ, মানবদেহ, রোগ-জীবানু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, খাদ্য-পুষ্টি, ভ্যাক্সিনেশন, পরাগায়ন, আধুনিক চাষবিষয়ক বিদ্যা, সালোকসংশ্লেষণ, উদ্ভিদের পুষ্টি, ইত্যাদি। আধুনিক বিজ্ঞান: গুরুত্বপূর্ণ টপিক: বিভিন্ন রশ্মি (এক্সরে, আলফা, বিটা, গামা, ইত্যাদি), স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, ডায়োড-ট্রানজিস্টর, আইসি, ট্রান্সফর্মার, নবায়নযোগ্য শক্তি, আধুনিক জ্যোতির্বিদা। উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি?
  1. ডিপিটি
  2. টিটি
  3. এমএমআর
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা:

• যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
• কারণ: সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।
• অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
• লক্ষণ: 
- রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
- সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
- খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়।
- রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে। দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
- বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
- অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।

• যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
• টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
• ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
• ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
• টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং WHO এর ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটিতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়?
  1. টেপরেকর্ডার
  2. রেডিও
  3. টেলিভিশন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফর্মার:

• ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সিকে কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।
• ট্রান্সফর্মার প্রধানত ২ প্রকার। যথা: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার (Step up Transformer): যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: দূরদূরান্তে তড়িৎ প্রেরণের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার (Step down Transformer): যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: অবরোহী বা স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষণ, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আইসি'র আবিষ্কারক -
  1. প্রেসপার একার্ট
  2. জেক কেলবি
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
সঠিক উত্তর:
জেক কেলবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেক কেলবি
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC):

• আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
• ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
• আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
• আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত কোন বিজ্ঞানী?
  1. আর্কিমিডিস
  2. নিউটন
  3. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
ব্যাখ্যা
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা: 

• গ্যালিলিও গ্যালিলিকে 'আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

• গ্যালিলিও গ্যালিলি একটি প্রতিসরণকারী টেলিস্কোপ আবিষ্ককার করেন।
• আইনস্টাইন গ্যালিলিও গ্যালিলিকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবে অভিহিত করেন।
• জন্ম: ১৫ই ফেব্রুয়ারী, ১৫৬৪ সালে ইতালির পিসাতে। 
• তার পিতা ছিলেন ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি, একজন দক্ষ ফ্লোরেনটাইন গণিতবিদ এবং সঙ্গীতজ্ঞ।
• গ্যালিলিও ১৫৮১ থেকে ১৫৮৫ সাল পর্যন্ত পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিভাগে অধ্যয়ন করেছিলেন কিন্তু কোনো ডিগ্রি ছাড়াই ফ্লোরেন্সে গণিতের শিক্ষকে ফিরে আসেন।
• তিনি ১৫৮৯ সালে পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যান তারপর জ্যামিতি, বলবিদ্যা এবং জ্যোতির্বিদ্যা শেখানোর জন্য ১৫৯২ সালে পাড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান।

উৎস: New Mexico Museum of Space History Website.
.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান?
  1. ক্যালসিয়াম (Ca)
  2. লৌহ (Fe)
  3. কার্বন (C)
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান:

• উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের সংখ্যা ১৬ টি।

• উদ্ভিদের পুষ্টির উপাদান দুই ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান
২. মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলে। যেমন: নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) ও লৌহ (Fe)।
- মনে রাখার উপায়: MgK CaFe for Nice CHOPS

• মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। যেমন: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

• পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন উদ্ভিদ বায়ু হতে শোষণ করে। অন্য পুষ্টি উপাদান গুলো মাটি হতে মূলের সাহায্যে শোষিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং উচ্চ-মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান।
.
কোন পুষ্টি উপাদানের অভাব হলে উদ্ভিদে ক্লোরোসিস ঘটে?
  1. বোরন
  2. নাইট্রোজেন
  3. ফসফরাস
  4. পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বিভিন্ন খনিজ বা পুষ্টি উপাদানের ভূমিকা এবং অভাবজনিত লক্ষণ:

• নাইট্রোজেনের অভাব হলে উদ্ভিদের ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে ফলে উদ্ভিদের পাতা হলুদ (পীত বর্ণ) হয়ে যায়। পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে। 
• বায়ুর নাইট্রোজেন মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
• ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়। এছাড়া ফসফরাসের অভাবে পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যায়।
• টাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
• বোরনের অভাবে কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং উচ্চ-মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান।
.
ভিটামিন - ই এর কাজ -
  1. জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে
  2. নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে
  3. অকাল বার্ধক্য রোধ করে
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
ভিটামিন - ই (Vitamin - E):

• ভিটামিন - ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরল।
• এটি তাপ ও অম্লে বিনষ্ট হয় না। তবে ক্ষারে সামান্য নষ্ট হয়।

- ভিটামিন - ই এর উৎস:
• সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, যেমন - নারিকেল তেল, সরিষার তেল, চালের কুঁড়ার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস। শস্যদানার ভ্রূণ, বাদাম, গোটা শস্য, শাক-সবজি, মাখন ইত্যাদিতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে।
• ডিমের কুসুম, দুধ ও যকৃতেও ভিটামিন ই পাওয়া যায়।

- ভিটামিন - ই এর কাজ:
•  ভিটামিন এ রক্তের লোহিত কণার জারণসহ অবাঞ্ছিত জারণ রোধ করে।
• জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে।
• নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।
• নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে।
• অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
• ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

- ভিটামিন - ই এর অভাবজনিত অবস্থা: 
• নারী ও পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
• ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
• গর্ভপাত হতে পারে।
• অকাল বার্ধক্য দেখা দেয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় গৌণ পুষ্টি উপাদান কোনটি?
  1. ম্যাঙ্গানিজ (Mn)
  2. অক্সিজেন (O)
  3. ক্যালসিয়াম (Ca)
  4. পটাসিয়াম (K)
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ (Mn)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ (Mn)
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান:
 
• উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের সংখ্যা ১৬ টি।

• উদ্ভিদের পুষ্টির উপাদান দুই ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বা অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, 
২. মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বা গৌণ উপাদান। 

• ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলে। যেমন: নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) ও লৌহ (Fe)।
- মনে রাখার উপায়: MgK CaFe for Nice CHOPS

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। যেমন: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

• পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন উদ্ভিদ বায়ু হতে শোষণ করে। অন্য পুষ্টি উপাদান গুলো মাটি হতে মূলের সাহায্যে শোষিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং উচ্চ-মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান।
.
আমিষের প্রধান উপাদান -
  1. নাইট্রোজেন
  2. সালফার
  3. অক্সিজেন
  4. পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন:

• আমিষের প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন (N2) । 
• আমিষ ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন ও দেহ গঠন করে। দেহে কোষ গঠনে সহায়তা করে।
• অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
• মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গিয়েছে, এর মধ্যে ৮ ধরনের অ্যামাইনো এসিডকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড বলে।
• আমিষের সহজলভ্য উৎস হলো সামুদ্রিক মাছ।
• আমিষের অভাবে শিশুদের কোয়াশিয়রকর এবং মেরাসমাস রোগ হয়।
• গরুর মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ২৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, অপরদিকে মসুরের ডালে প্রতি ১০০ গ্রামে ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
• ডিমের সাদা অংশে অ্যাালবুমিন নামক প্রোটিন থাকে।    

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।  
১০.
বাণিজ্যিকভাবে পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. Yeast
  2. Agaricus
  3. Penicillium
  4. Mucor
সঠিক উত্তর:
Penicillium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penicillium
ব্যাখ্যা
ছত্রাক:

• ছত্রাক ক্লোরোফিলবিহীন, নিউক্লিয়াসযুক্ত বহুকোষী, পরভোজী বা মৃতজীবী।
• ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন (এক প্রকার জটিল পলিস্যাকারাইড) নির্মিত।
• উদাহরণ: মিউকর (Mucor), ঈস্ট (Yeast), ব্যাঙের ছাতা/ মাশরুম (Agaricus), পেনিসিলিয়াম (Penicillium)। 
• বাণিজ্যিকভাবে পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়।
• আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
• এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক।
• Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
• পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ত্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্য দায়ী। 

- অপরদিকে, 
• রুটি শিল্পে, পাউরুটি ফোলাতে, মদ্য শিল্পে, খাদ্য উপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ঈস্ট ব্যবহার করা হয়।
• ছত্রাক বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী। ধানের পাতায় বাদামী রোগ, আলুর লেটুব্লাইট, আখের লালপচা, চা গাছের ব্লিস্টার বাইট ইত্যাদি রোগের জন্য ছত্রাক দায়ী।    

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।