পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
Exam - 13 Subject: বাংলা সাহিত্য Topic: বাংলা সাহিত্য প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগ (গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাদের সাহিত্যকর্ম), কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও উপাধী (সকল যুগ), পত্রিকা, ভাষা-আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করেছেন?
  1. মৃণালিনী দেবী
  2. ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

 • 'পূরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৫ খ্রীস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে রবীন্দ্রনাথ রচিত 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থাটি উৎসর্গ করেন।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক আরো কয়েকটি উৎসর্গকৃত গ্রন্থ:
- তাসের দেশ - উৎসর্গকৃত ব্যক্তি: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।
- পূরবী - উৎসর্গকৃত ব্যক্তি: ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো।
- বসন্ত - উৎসর্গকৃত ব্যক্তি:কাজী নজরুল ইসলাম।
- খেয়া - উৎসর্গকৃত ব্যক্তি: জগদীশচন্দ্র বসু।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
-  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক। জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।

- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
চর্যাপদ কোন ছন্দে রচিত?
  1. মাত্রাবৃত্ত
  2. স্বরবৃত্ত
  3. অক্ষরবৃত্ত
  4. অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায়  হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর  পুথি আবিষ্কার করেন।
- তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে  বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- তিনি পুথির সূচনায় একটি  সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়। 
- তবে সংক্ষেপে এটি ‘বৌদ্ধগান ও দোহা’ বা ‘চর্যাপদ’ নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।
- এতে তেইশজন পদকর্তার ৪৭টি পদ আছে।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা,  কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- 'চর্যাপদ' মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'অশীতিপর শর্মা' কার ছদ্মনাম?
  1. সমরেশ বসু
  2. অমিয় চক্রাবর্তী
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি ও ছান্দসিক।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি।
- এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ-সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন - নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।
- ১৯২২ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।
- তাঁর মৃত্যুর পর রচিত 'সত্যেন-প্রয়াণ' কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম লিখেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন।

তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থরেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
  2. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. শেখ আবদুর রহিম
ব্যাখ্যা

• ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা:
• কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে ১৩২৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ (১৯২০) মাসে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ প্রকাশিত হয়।
• প্রথম বছর নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হলেও পরের বছর অনিয়মিতভাবে প্রকাশ হয়। সব মিলিয়ে মাত্র ১৭টি সংখ্যা বেরিয়েছে।
• রবীন্দ্রনাথের বাণী পত্রিকাটির প্রতি সংখ্যার সূচনাতে মুদ্রিত হতো।
• ‘মোসলেম ভারত' নজরুলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে প্রধান সহায়ক হয়েছে। প্রতি সংখ্যায় নজরুলের একাধিক রচনা এখানে মুদ্রিত হয়।
• নজরুলের কামাল পাশা, মোহররম, সাত ইল বিদ্রোহী, বাঁধন-হারা আরব, বিদ্রোহী, (উপন্যাস, কিস্তিতে) ইত্যাদি নানা ধরনের লেখা এই পত্রিকার পৃষ্ঠায় ছড়িয়ে আছে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
চর্যাপদের ভাষাকে 'আলো আঁধারি ভাষা' বলেছেন-
  1. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ড. সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা

• সন্ধ্যাভাষা:
- চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এ ভাষা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'আলো আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না। যাঁহারা সাধন-ভজন করেন, তাঁহারাই সে কথা বুঝিবেন, আমাদের বুঝিয়া কাজ নাই।' এ কারণে চর্যার ভাষা সন্ধ্যাভাষা।

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র-
  1. বিনোদনী
  2. বিমলা
  3. লাবণ্য
  4. কুমুদিনী
ব্যাখ্যা

'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনী সকরুণ, সিরিয়াস।
- উপন্যাসের চরিত্র: বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ

অন্যদিকে,
- চোখের বালি উপন্যাসের চরিত্র নগেন্দ্রনাথ, বিহারী ও বিনোদনী।
- যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র মধুসূদন ও কুমুদিনী
- শেষের কবিতা উপন্যাসের চরিত্র অমিত, লাবণ্য, কেতকা ইত্যাদি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত 'নাইট' উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে 'নাইট' উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম নয় কোনটি?
  1. শ্রীমতী কনিষ্ঠা
  2. দিকশূন্য ভট্টাচার্য
  3. ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা
  4. টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম - টেকচাঁদ ঠাকুর।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- এগুলো হলো:
- ভানুসিংহ ঠাকুর;
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর;
- আন্নাকালী পাকড়াশী;
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য;
- নবীনকিশোর শর্মণ;
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা;
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ;
- শ্রীমতী কনিষ্ঠা;
- শ্রীমতী মধ্যমা;

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস?
  1. কালান্তর
  2. শেষ লেখা
  3. মালঞ্চ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

 • 'মালঞ্চ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত - উপন্যাস।
- এটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
 কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনে রচিত একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলন
- 'শেষ লেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস:
- করুণা (অসমাপ্ত, ১৮৭৭), 
- বৌঠাকুরাণীর হাট, 
- রাজর্ষি, 
- চোখের বালি, 
- নৌকাডুবি
- প্রজাপতির নির্বন্ধ, 
- গোরা, 
- ঘরে বাইরে, 
- চতুরঙ্গ, 
- যোগাযোগ, 
- শেষের কবিতা, 
- দুই বোন, 
- মালঞ্চ, 
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন কে?
  1. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
  3.  ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ 
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃতি দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলোপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।
• ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে- চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
• ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন।
• ১৯৪৬ সালে ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যাপদের অর্ন্তনিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
• বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচর্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১০.
'কী চাহ শঙ্খচিল' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক-
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটক:

- ‘কি চাহ শঙ্খচিল’ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক। নাটকে আলোচিত হয়েছে বীরঙ্গনার গল্প।
- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজ উদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা।
- যেখানে শঙ্খচিল আসলে হয়ে উঠলো সেই একাত্তরের শকুন।যে ছিল স্বাধীনতাকালীন সময়ের অশুভ শক্তি।
- যেখানে আমরা দেখি নাটকের প্রধান চরিত্র রৌশনারা হানাদারদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আগেই সন্তানসম্ভবা হয়। আর লোভী স্বামী বীরাঙ্গনা স্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে হয় অর্থের মালিক।
- নাটকটির মাধ্যমে বোঝা যায় কতখানি আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা, এসেছে বাংলার এই মুক্তি।

• মমতাজ উদদীন আহমদ: 
- মমতাজউদদীন আহমদ মূলত একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্মগ্রহণ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক:
- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা,
- কি চাহ শঙ্খচিল,
- হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার,
- প্রেম
- বিবাহ সুটকেস,
- রাজা অনুস্বারের পালা,
- সাত ঘাটের কানাকড়ি,
- রাক্ষুসী,
- এই সেই কণ্ঠস্বর,
- পুত্র আমার পুত্র,
- হাস্য লাস্য ভাষ্য,
- ভালোবাসার দশ নাটক ইত্যাদি।

মমতাজ উদ্দীন আহমেদ (১৯৩৫-২০১৯) রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি নাটক:
- বর্ণচোর,
- বকুলপুরের স্বাধীনতা,
- কি চাহ শঙ্খচিল,
- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ‘কি চাহ শঙ্খচিল’ মমতাজউদ্দীন আহমেদ এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
”সনাতন পাঠক” কোন লেখকের ছদ্মনাম?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  3. প্রমেন্দ্র মিত্র
  4. হরিনাথ মজুমদার
ব্যাখ্যা

• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ”সনাতন পাঠক”।

• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেন।
- নীল লোহিত
- নীল উপাধ্যায়
- সনাতন পাঠক

অন্যদিকে,
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - কমালাকান্ত।
- প্রমেন্দ্র মিত্র এর ছদ্মনাম ছিলো - কৃত্তিবাস ভদ্র
- হরিনাথ মজুমদার এর ছদ্মনাম ছিলো- কাঙাল হরিনাথ।

উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।

১২.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের খণ্ড নয় কোনটি?
  1. ছত্রখণ্ড
  2. হারখণ্ড
  3. বংশীখণ্ড
  4. সর্পখণ্ড
ব্যাখ্যা

•'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন':
• বাংলা ভাষার মধ্যযুগের প্রাচীনতম নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
• ১৯০৯ সালে (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং পুঁথিশালার অধ্যক্ষ বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘরের টিনের চালার নিচ থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
• ১৯১৬ সালে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামে প্রকাশিত হয়।
• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য মোট ১৩টি খণ্ড ও ৪১৮টি পদে বিন্যস্ত।
• খণ্ডগুলো হলো:
- জন্মখণ্ড,
- তাম্বুলখণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড,
- ভারখণ্ড,
- ছত্রখণ্ড,
- বৃন্দাবনখণ্ড,
- কালিয়দমনখণ্ড,
- যমুনাখণ্ড,
- হারখণ্ড,
- বাণখণ্ড,
- বংশীখণ্ড
- বিরহখণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
'বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. সরদার জয়েন উদ্দিন
  3. মাহমুদুল হক
  4. শওকত আলী
ব্যাখ্যা

• 'বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ' উপন্যাসের রচয়িতা সরদার জয়েন উদ্দিন।

• সরদার জয়েনউদ্‌দীন:

- সরদার জয়েনউদ্‌দীন মূলত কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- ১৯১৮ সালে পাবনা জেলার কামারহাটি গ্রামের এক কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম।
- প্রকৃত নাম মুহম্মদ জয়েনউদ্‌দীন বিশ্বাস ।
- সরদার জয়েনউদ্‌দীন ছিলেন একজন জনপ্রিয় কথাশিল্পী।
- তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘নয়ন ঢুলি’ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে এবং এর মাধ্যমেই তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- সরদার জয়েনউদ্‌দীনের রচনায় গণমানুষের কল্যাণ ও মুক্তিচিন্তার পাশাপাশি সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিবিষয়ক ঘটনাবলিও প্রাধান্য পেয়েছে।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭) এবং কথাসাহিত্যে আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আদিগন্ত,
- অনেক সূর্যের আশা,
- বেগম শেফালী মির্জা,
- রোদের ঢেউ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
  1. সেঁজুতি
  2. ক্ষণিকা
  3. ফাল্গুনী
  4. সোনার তরী
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক- ফাল্গুনী। 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- মানসী
- সোনারতরী,
- আকাশ- প্রদীপ, 
- শেষ সপ্তক,  
- চিত্রা
- কল্পনা
- বলাকা
- ক্ষণিকা
- পুনশ্চ
- সেঁজুতি
- শেষলেখা
- পূরবী
- চৈতালি,
- পরিশেষ 

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
চর্যাপদের কোন কবি তার পদে পঁউয়া খালের(পদ্মা খাল) নাম উল্লেখ করেছেন?
  1. লুইপা
  2. ভুসুকুপা
  3. কাহ্নপা
  4. ঢেণ্ডণপা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের বাঙালি কবি ভুসুকুপা রচিত পদে 'পউয়া খাল' এর কথা বলা আছে।

• ভুসুকুপা:
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তাঁর রচিত আঁটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে।
- নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকুপা নামটিকে ছন্দ নাম বলে মনে করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।
- তার রচিত ৪৯ নং পদে পদ্মা নদী (পঁঊআ খাল) এবং 'বঙ্গাল' দেশ ও 'বঙ্গালী'র কথা বলেছেন।
- বাজ ণাব পাড়ী পঁউআ খালে বাহিউ।
- অদঅ বঙ্গাল দেশ লুড়িউ।
-'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী' (৬ নং পদ) পদের রচয়িতা ভুসুকপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ'- উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. সভ্যতার সংকট
  2. রাজা
  3. মানুষের ধর্ম
  4. শিক্ষা
ব্যাখ্যা

• 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ কথাটি 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে বলেছেন।

• সভ্যতার সংকট: 
- সভ্যতার সংকট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ রচনা।
- এই প্রবন্ধে ইউরোপীয় সভ্যতা ও ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের তীব্র সমালোচনা ও মানবতার প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশিত হয়েছে।
- 'ঐ মহামানব আসে' গানটি এই প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত।
- 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে তিনি বলেছেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কোন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন?
  1. ভ্রমণকারী বন্ধু
  2. পরশুরাম
  3. সত্যপীর
  4. দৃষ্টিহীন
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, সাংবাদিক।
- তিনি ১৮১২ সালে শিয়ালডাঙ্গা, কাঁচড়াপাড়া, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- তিনি প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তিনি ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম - পরশুরাম।
- ‘সত্যপীর’ - সৈয়দ মুজতবা আলী এর ছদ্মনাম।
- 'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামে লিখতেন - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৮.
'আমীর হামজা(প্রথম অংশ)’ রচনা করেন কে?
  1. ফকির গরীবুল্লাহ
  2. মুহাম্মদ কবীর
  3. সৈয়দ সুলতান
  4. সৈয়দ হামজা
ব্যাখ্যা

• পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ্‌।
- তিনি ’আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন।

• ফকির গরীবুল্লাহ রচিত কাব্য-
- আমীর হামজা (প্রথম অংশ),
- সােনাভান,
- জঙ্গনামা,
- সত্যপীরের পুঁথি ও
- ইউসুফ জোলেখা। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।

১৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে শব্দ ও ভাষা সংক্রান্ত গ্রন্থ কোনটি?
  1. বিশ্বপরিচয়
  2. শব্দতত্ত্ব
  3. ভাষাতত্ত্ব
  4. বর্ণপরিচয়
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে শব্দ ও ভাষা সংক্রান্ত গ্রন্থ: শব্দতত্ত্ব (১৯০৯)

অন্যদিকে,
• বিশ্বপরিচয়: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ 'বিশ্বপরিচয়' (১৯৩৭)।
 • 'বর্ণপরিচয়' গ্রন্থটির রচয়িতা- 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর'। 

উল্লেখ্য,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী ও চিঠিপত্র:
- জীবনস্মৃতি: ২৫ বছর পর্যন্ত ঘটনা আছে।
- চরিত্রপূজা।
- ছেলেবেলা ।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্র:
- ছিন্নপত্র (১৯১২): ১৫৩টি পত্র আছে। প্রথম ৮টি শ্রীশচন্দ্র মজুমদারকে লেখা। পরবর্তী ১৪৫টি ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লেখা।
- ভানুসিংহের পত্রাবলী : রানু অধিকারীকে লেখা।
- পথে ও পথের প্রান্তে: নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
'বানভট্ট' কার ছদ্মনাম?
  1. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  2. সমরেশ বসু
  3. নীহাররঞ্জ গুপ্ত
  4. নীহাররঞ্জ রায়
ব্যাখ্যা

 • 'বানভট্ট' — নীহাররঞ্জ গুপ্তের ছদ্মনাম।

অন্যদিকে,
- সতীনাথ ভাদুড়ীর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- সমরেশ বসুর ছদ্মনাম 'কালকূট' ও 'ভ্রমর'।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম:
- বিমল মিত্রের ছদ্মনাম 'জাবালি'।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম- বীরবল।
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম - টেকচাঁদ ঠাকুর।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
আলাওলের পদ্মাবতী অনুবাদ করা হয়-
  1. হিন্দি সাহিত্য থেকে
  2. সংস্কৃত সাহিত্য থেকে
  3. মারাঠি সাহিত্য থেকে
  4. আরাকান সাহিত্য থেকে
ব্যাখ্যা

 ‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
• পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
• কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ/ পদুমাবত’ কাব্যের অনুবাদ।
• আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।
• কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে।  প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে। 

• আলাওল: 
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। 
- 'পদ্মাবতী' কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- 'পদ্মাবতী' কবি মালিক মুহাম্মদ জয়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের অনুবাদ। 

আলাওল রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- পদ্মাবতী,
- তোহফা,
- সপ্তপয়কার,
- সিকান্দারনামা ইত্যাদি। 

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া

২২.
'মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান' কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত?
  1. মনসামঙ্গল
  2. অন্নদামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা

• অন্নদামঙ্গল কাব্য:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তাকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়। 
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যাসুন্দর, মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের ভাগ ৩টি।
যথা -
১. অন্নদামঙ্গল, 
২. বিদ্যাসুন্দর, 
৩. মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান। 
 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো - 
- 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।’
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যনাট্য কোনটি?
  1. অচলায়তন
  2. তাসের দেশ
  3. কালের যাত্রা
  4. মায়ার খেলা
ব্যাখ্যা

• 'মায়ার খেলা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যনাট্য।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত
রূপক ও সাংকেতিক নাটক:
- রাজা,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ,
- কালের যাত্রা,
- রাজা ও রাণী।

কাব্যনাট্য:
- মায়ার খেলা,
- প্রকৃতির প্রতিশোধ,
- বিদায় অভিশাপ।

গীতিনাট্য:
- বসন্ত,
- কাল মৃগয়া।
 
প্রহসন:
- বৈকুন্ঠের খাতা,
- চিরকুমার সভা,
- গোড়ায় গলদ,
- বাল্মীকিপ্রতিভা।

নৃত্যনাট্য :
- চিত্রাঙ্গদা 
- নটীর পূজা 
- চণ্ডালিকা 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৪.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কোন গ্রন্থ তৎকালীন সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
  1. একুশের গল্প(গল্প)
  2. আর্তনাদ(উপন্যাস)
  3. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ইতিহাস ও অনুষঙ্গ(ইতিহাসগ্রন্থ)
  4. একুশে ফেব্রুয়ারি(সংকলন গ্রন্থ)
ব্যাখ্যা

• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন:
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকায় যে আত্মদান করা হয় তার স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সম্পাদক ও প্রকাশক উভয়েই বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এই সংকলনে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নক্শা, ইতিহাস শিরোনামে ৬টি বিভাগে মোট ২২ জন লেখক লিখেছেন।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।
- প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে।

• হাসান হাফিজুর রহমান:

- হাসান হাফিজুর রহমান ১৯৩২ সালে জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংকলন গ্রন্থ “একুশে ফেব্রুয়ারি”। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র - এর সম্পাদকও তিনি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,
- মূল্যবোধের জন্য,
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারী ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৫.
বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল- 
  1. যাযাবর
  2. বনফুল
  3.  ক্বচিৎ প্রৌঢ়
  4. চিত্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

 • বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল ক্বচিৎ প্রৌঢ়।   
 
অন্যদিকে,
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর।  
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল।   
- সতীনাথ ভাদুড়ীর ছদ্মনাম চিত্রগুপ্ত।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬.
'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে?
  1. সিকান্দার আবু জাফর
  2. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা

• 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা:
- মোহাম্মদী একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা।
- ১৯০৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
- পরে আবার দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি ঢাকা থেকে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে।
- আকরম খাঁর পরে মুজিবুর রহমান খাঁ ও বদরুল আনাম খাঁ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, আখতারুল আলম, আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ তরুণ সাংবাদিক-সাহিত্যিক এর সম্পাদনা-সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৭.
আল মাহমুদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. খাঁচায়
  2. উপমহাদেশ
  3. ফেরারী সূর্য
  4. জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যা

 - কবি আল মাহমুদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস- উপমহাদেশ। 

আল মাহমুদ: 
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল-মাহমুদ। 
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। 
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। 

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম: 
• কাব্যগ্রন্থ: 
- লোক লোকান্তর, 
- কালের কলস, 
- সোনালী কাবিন, 
- বখতিয়ারের ঘোড়া ইত্যাদি। 

 • উপন্যাস: 
- ডাহুকী, 
- উপমহাদেশ ( মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক), 
- আগুনের মেয়ে, 
- চেহারার চতুরঙ্গ, 
- কাবিলের বোন। 

গল্পগ্রন্থ: 
- পানকৌডির রক্ত, 
- সৌরভের কাছে পরাজিত, 
- ময়ূরীর মুখ ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জীবন আমার বােন'।
- রশীদ হায়দারের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস- খাঁচায়।
- রাবেয়া খাতুন ফেরারী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - ’ফেরারী সূর্য’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৮.
'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো' কোন গ্রন্থের বিখ্যাত সংলাপ?
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. কবর
  3. স্মৃতির মিনার
  4. আর্তনাদ
ব্যাখ্যা

• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন ‘ উপন্যাসটি রচনা করেন।
- ‘আরেক ফাল্গুন ‘ উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন।
ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।
- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা  দ্বিগুণ হবো' - এই উপন্যাসের সংলাপ।

• এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হলো:
- মুমিন,
 -আসাদ,
- রসুল,

• জহির রায়হান: 
- তিনি ১৯শে আগস্ট ১৯৩৫ সালে ফেনি জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান কলকাতায় মিত্র ইনিস্টিউটে এবং পরে আলীয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করেন।
- জহির রায়হান ১৯৬১ সালে প্রথম ছবি হিসেবে ‘কখনো আসে নি’ পরিচালনা করেন।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়। 
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ করেন।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।
- তিনি কাঁচের দেয়াল ছবির জন্য অনেক পুরস্কার লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো:
- তৃষ্ণা, 
- শেষ বিকেলের মেয়ে, 
- হাজার বছর ধরে, 
- আরেক ফাল্গুন, 
- বরফ গলা নদী, 
- আর কতদিন, 
- কয়েকটি মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৯.
‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেসী, হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী’ পদটির রচয়িতা কে?
  1. কাহ্নপা
  2. ঢেণ্ডণপা
  3. ভুসুকুপা
  4. লুইপা
ব্যাখ্যা

• ‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেসী /
হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।’ - পদটির রচয়িতা ঢেণ্ডণপা। 

পদটির অর্থ:
- শহর থেকে দূরবর্তী টিলায় স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি।
হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রেমিক এসে ভিড় করে। 

- এই একটি পদে বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে ।
-ঢেণ্ডণপা রচিত ৩৩ নং পদ এটি। 

• 'ঢেণ্ডণপা':
- 'ঢেণ্ডণপা' একটি পদ রচনা করেন।
- তিনি ছিলেন নবম শতকের কবি।
- তিনি পেশায় তাঁতি ছিলেন।
- চর্যাকার 'ঢেণ্ডণপা' রচিত পদসংখ্যা ১টি (৩৩নং পদ)।
- এই একটি পদে বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩০.
'রঞ্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের চরিত্র?
  1. রক্তকরবী
  2. রাজা 
  3. ডাকঘর 
  4. চিত্রাঙ্গদা
ব্যাখ্যা

 'রক্তকরবী' নাটক:
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক।
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দে নাটকটি প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- চরিত্র - নন্দিনী, রঞ্জন। 
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 
- 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। 
- শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

অন্যদিকে,
- রাজা:  রাজা, ঠাকুরদা, সুরঙ্গমা প্রভৃতি ।
-  ডাকঘর: অমল, সুধা, ঠাকুরদা ইত্যাদি।
-  তাসের দেশ: রাজা, রাণী, তাসের সৈনিক প্রভৃতি।
 - চিত্রাঙ্গদা: চিত্রাঙ্গদা ও অর্জুনে

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।