পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ: ১. বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ; ২. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ; ৩. অন্ধকার যুগ ও তাঁর সাহিত্যকর্ম। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগের অবস্থান ছিল কত শতকে?
  1. ক) একাদশ শতকে
  2. খ) দ্বাদশ শতকে
  3. গ) ত্রয়োদশ শতকে
  4. ঘ) চতুর্দশ শতকে
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগের অবস্থান ছিল ত্রয়োদশ শতকের সম্পূর্ণ এবং চতুর্দশ শতকের প্রথমাংশে।
প্রশ্নের অপশন অনুসারে ত্রয়োদশ শতক অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর বলে বিবেচিত হবে।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা সাহিত্যকে তিন যুগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
• প্রাচীন যুগ (৯৫০ - ১২০০),
• মধ্যযুগ (১২০১ - ১৮০০) এবং
• আধুনিক যুগ (১৮০১ - বর্তমান)।
মধ্যযুগের প্রথম ১৫০ বছর (১২০১ - ১৩৫০) অন্ধকার যুগ ছিল।

দীনেশ্চন্দ্র সেন, সুকুমার সেন, গোপাল হালদার, মুহম্মদ এনামুল হক প্রমুখ উল্লেখিত যুগ-বিভাগ সমর্থন করেন।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের উল্লেখিত যুগ-বিভাগের মধ্যে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সময়সীমা মেনে নিলেও তাঁর মতে প্রাচীনযুগের যুগের সময়সীমা- ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক প্রমান পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?
  1. ক) Buddhist Mystic Songs
  2. খ) Sanskrit Buddhist Literature in Nepal
  3. গ) হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা
  4. ঘ) Origin and Development of Bengali Language
ব্যাখ্যা
• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL)  নামক বিখ্যাত গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রথম আলোচনা করেন। 
- তিনি তাঁর Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL)  গ্রন্থে বিস্তারিত ভাবে ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে চর্যার পদসংকলনটি আদিতম বাংলা ভাষায় রচিত।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভাষাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

- চর্যাপদ সম্পর্কিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থের নাম - Buddhist Mystic Songs।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত গ্রন্থ- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা গ্রন্থে চর্যাপদের পরিচয় পাওয়া যায়।
- ১৮৮২ সালে রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র তাঁর ‘Sanskrit Buddhist Literature in Nepal’ গ্রন্থে নেপালে বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।
.
গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত কাব্যকে বলে -
  1. ক) বটতলার পুঁথি
  2. খ) চম্পুকাব্য
  3. গ) ব্রজবুলি সাহিত্য
  4. ঘ) মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা
• গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত কাব্যকে চম্পুকাব্য বলে।
- চম্পুকাব্য অন্ধকার যুগের সাহিত্য।
- শূন্যপুরাণ চম্পুকাব্যের নিদর্শন। 
- রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থের নাম 'শূন্যপুরাণ'।
- গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
ডাকের বচনে কোনটি প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. ক) জ্যোতিষ শাস্ত্র
  2. খ) বিজ্ঞান শাস্ত্র
  3. গ) চিকিৎসা শাস্ত্র
  4. ঘ) প্রণয়কথন
ব্যাখ্যা
• ডাক ও খনার বচন বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি বলে বিবেচনা করা হয়।
- তবে এর লিখিত কোন নিদর্শন নেই। 
- প্রাচীন যুগের সৃষ্টি হলেও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আধুনিক যুগে চলে এসেছে। 
- ডাক ও খনার বচনের মধ্যে ঐক্য থাকলেও ডাকের বচনে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা প্রাধান্য পেয়েছে। 
- খনার বচনে কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য  পেয়েছে। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।