১.
বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?
ব্যাখ্যা
Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ,
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক,
- পরিসেবা,
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি,
- খনিজ পদার্থ,
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি,
- সামুদ্রিক পণ্য,
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ,
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ,
- সামুদ্রিক বাণিজ্য,
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,
- শিক্ষা এবং গবেষণা।
বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ:
- পর্যাপ্ত নীতিমালার ও সঠিক কর্মপরিকল্পনার অভাব।
- দক্ষ জনশক্তির অভাব।
- প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব।
- সম্পদের পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যের অভাব।
- মেরিন রিসোর্সভিত্তিক পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়া।
- ব্লু-ইকোনমি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগের অভাব।
- সমুদ্রে গমন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য গবেষণা জাহাজ না থাকা।
উৎস: i) United Nation ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ,
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক,
- পরিসেবা,
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি,
- খনিজ পদার্থ,
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি,
- সামুদ্রিক পণ্য,
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ,
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ,
- সামুদ্রিক বাণিজ্য,
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,
- শিক্ষা এবং গবেষণা।
বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ:
- পর্যাপ্ত নীতিমালার ও সঠিক কর্মপরিকল্পনার অভাব।
- দক্ষ জনশক্তির অভাব।
- প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব।
- সম্পদের পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যের অভাব।
- মেরিন রিসোর্সভিত্তিক পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়া।
- ব্লু-ইকোনমি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগের অভাব।
- সমুদ্রে গমন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য গবেষণা জাহাজ না থাকা।
উৎস: i) United Nation ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।