পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮১: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার; স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বিচার বিভাগের অংশ নয়-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ, আইন বিভাগের অংশ।
---------------------------------
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
• নির্বাহী বিভাগ: – 
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• আইন বিভাগ: – 
- আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের দায়িত্বে। সাধারণত জাতীয় সংসদই এ কাজ করে।

• বিচার বিভাগ: – 
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে; সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বিদেশি কূটনীতিকগণ কার নিকট পরিচয়পত্র পেশ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. জাতীয় সংসদের স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
- শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
- সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
- সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
- সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• আর্থিক ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া অর্থ বিল উত্থাপন করা যাবে না।
- সংসদ অর্থ মঞ্জুর করতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদন।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
- আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।

• জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
- জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
- খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
- নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
- রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
- বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

• জবাবদিহিতা:
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের ফলে কী ঘটে?
  1. সংসদ ভেঙে যায়
  2. মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
  3. নতুন নির্বাচন হয়
  4. রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হয়
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
 - যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশে “বিশেষ ক্ষমতা আইন” কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে 
  3. ১৯৭৩ সালে 
  4. ১৯৭৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪।
- ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। 
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।
- ১৯৯১ সালের সংশোধনীতে আইনটির ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা রদ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে বিচারক নিয়োগ দেয়—
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন। প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। 
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। 
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. নিশা খন্দকার
  4. রাফা মজুমদার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা

• এভারেস্ট শীর্ষে প্রথম বাংলাদেশী নারী:- 
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ ।

.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১নং সংসদীয় আসন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়-১
  2. গাইবান্ধা-১
  3. নড়াইল-১
  4. রংপুর-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
-  জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. গোপাল চন্দ্র পাল
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

•  শহীদ মিনার:
- শহীদদের উদ্দেশে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে এই স্তম্ভ নির্মিত হয়, যা বর্তমানে ‘শহীদ মিনার’ নামে পরিচিত।
- শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। - এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। 
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভূক্ত ছিল। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ঢাকা জেলা অফিস।

.
জেলা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ৫ জন
  3. ২০ জন
  4. ১২ জন
সঠিক উত্তর:
২০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জন
ব্যাখ্যা

• জেলা পরিষদে:
- বাংলাদেশ সরকার ৬ জুলাই ২০০০ সালে 'জেলা পরিষদ আইন ২০০০' প্রবর্তন করে।
- আইনের বিধান অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলাসমূহ ব্যতীত অন্য জেলায় জেলা পরিষদ গঠনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
 - একজন চেয়ারম্যান, পনেরো জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত।
 - একটি জেলা পরিষদের মেয়াদ বা কার্যকাল থাকবে পাঁচ বছর। জেলা পরিষদ প্রধানত জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম, পাঠাগার ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১০.
’শিখা চিরন্তন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. বঙ্গভবন
  3. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ব্যাখ্যা

• শিখা চিরন্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরূক রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৯৭ সালের ২৬শে মার্চ শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ শেখ মুজিক তার ঐতিহাসিক ভাষণে এই স্থান থেকেই 'মুক্তির সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামের' ডাক দিয়েছিলেন।
- ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে এই শিখা চিরন্তন স্থাপন করাহয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১১.
A World of Three Zeros. বইয়ের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. অমর্ত্য সেন
  4. ফজলুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনুস : 
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। 
তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক। 
তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। 
মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
 শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়। 

তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

১২.
বাংলাদেশের মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো-
  1. সচিবালয়
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. জেলা প্রশাসন
  4. উপজেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুটি স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)। 
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেসারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩.
বাংলাদেশের ’নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ পাস হয় কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০:
- নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে এ আইন পাশ করা হয়।
- এ আইনের ধারা ৩৫ টি।
- পরিচিতি: এই আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ নামে অভিহিত হইবে।
- আইনের প্রাধান্য : আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪.
রাষ্ট্রপতির কতদিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদনের ক্ষমতা আছে?
  1. ৯০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• আর্থিক ক্ষমতা:
রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া অর্থ বিল উত্থাপন করা যাবে না।
সংসদ অর্থ মঞ্জুর করতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদন।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।
জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

• জবাবদিহিতা:
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।