পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা, iii) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
অষ্টম সংশোধনীতে সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদে কী ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
  2. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া রাজনৈতিক সংগঠন গঠনে নিষেধাজ্ঞা
  3. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশি খেতাব গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা
  4. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

- ৩০নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রের খেতাব, পুরস্কার, অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. বরিশাল
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বসবাস করে ঢাকা বিভাগে।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ১১১৯ জন
  2. ১২৩৫ জন
  3. ৯৮৫ জন
  4. ১০৭০ জন
ব্যাখ্যা

- প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১১৯ জন মানুষ বাস করেন।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এই গণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ থেকে ২১ জুনের মধ্যে। তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে CPI পদ্ধতি। গণনার পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে Modified De-fecto পদ্ধতি। দেশের মোট জনসংখ্যা এই সময় ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।

- দেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্ণীত হয়েছে ১.১২%। সাক্ষরতার হার ছিল ৭৪.৮০%। সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকায়। 

- জেলা অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙ্গামাটিতে। বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব কম হওয়ায় এটি দেশের অন্যতম কম ঘনত্বসম্পন্ন এলাকা। বরিশাল বিভাগে মানুষের সংখ্যা অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সবচেয়ে কম।

- সার্বিকভাবে দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে পাওয়া গেছে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 

.
National Academy for Primary Education কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা
- National Academy for Primary Education ময়মনসিংহে অবস্থিত।

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট।
.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী: 
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ সরকার কোনটিকে ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. হস্তশিল্প
  2. ফার্নিচার পণ্য
  3. চামড়াজাত পণ্য
  4. ইলেকট্রনিক্স
ব্যাখ্যা
- সরকার ফার্নিচার বা আসবাবপত্র শিল্পকে ২০২৫ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে

• বর্ষপণ্য-২০২৫:
- ২০২৫ সালের জন্য ফার্নিচার বা আসবাবপত্রকে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ।
- মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ নতুন বছরের প্রথম দিন পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবাবপত্রকে ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন তিনি।
- ভারত, নেপাল ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশের ফার্নিচার রফতানি হয়ে থাকে।
- পণ্যের পাশাপাশি সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

সূত্র: প্রথম আলো এবং BANGLADESH GOVERNMENT PRESS।
.
সরাসরি সরকার গঠন করতে চায় না, বরং সরকারের নীতি প্রভাবিত করতে চায় -
  1. রাজনৈতিক দল
  2. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. উচ্চ আদালত
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure group) সরকার গঠন করে না, বরং নীতিতে প্রভাব ফেলে।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বাংলা একাডেমি পত্রিকা
  3. ধানশালিকের দেশ
  4. বাংলা একাডেমি সমাচার
ব্যাখ্যা
- 'বাংলা একাডেমি সমাচার' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
.
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৬টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 
১০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস করে না?
  1. কুমিল্লা
  2. রাজবাড়ি
  3. রংপুর
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

- রংপুরে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস করে না. 

ত্রিপুরা:
- বাংলাদেশের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে।
- তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সমতল এলাকার কুমিল্লা, সিলেট, বৃহত্তর চট্টগামের বিভিন্ন উপজেলা, রাজবাড়ি, চাঁদপুর, ফরিদপুর ইত্যাদি অঞ্চলেও বর্তমানে বসবাস করে।
- এরা ছিল বর্তমান বারীয় রাজ্য ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকার অধিবাসী।
- পরবর্তীতে এরা নিজ এলাকা ছেড়ে বাংলাদেশের মূলত কুমিল্লা, সিলেট এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপন করে।
- অনেকের মতে, টিপরারা আসাম, বার্মা এবং থাইল্যাণ্ডের অধিবাসী সাধারণ এক উপজাতির পূর্বপুরুষ বডো জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 
- এ জাতির মূল অংশ বাস করছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। ত্রিপুরা রাজ্য ছাড়াও ভারতের মিজোরাম , আসাম প্রভৃতি প্রদেশেও অনেক ত্রিপুরা বাস করে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

১১.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনবসতি কোন জেলায়?
  1. কক্সবাজার
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

- রাঙ্গামাটি জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালিত হয় ১৫-২১ জুনের মধ্যে। তথ্য সংগ্রহের জন্য CPI পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে এবং গণনার জন্য Modified De-fecto পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%। ঢাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
- রাঙ্গামাটি জেলা ঘনত্বের দিক থেকে সবচেয়ে কম জনবসতি সম্পন্ন এলাকা।
- বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব ও মানুষের সংখ্যা উভয়ই সর্বনিম্ন।
- দেশের গড় জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার।
- ঢাকা বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বোচ্চ এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২

১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা'।
- সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ'।
- সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
'কাঁচের দেয়াল' ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তারেক মাসুদ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় 'ওরাওঁ' নৃগোষ্ঠী বসবাস করে না?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বান্দরবান
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
- বান্দরবানে 'ওরাওঁ' নৃগোষ্ঠী বসবাস করে না। 

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি আদিবাসী নৃগোষ্ঠী, তাদের প্রধান বসবাস বরেন্দ্র অঞ্চলজুড়ে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল বলতে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো বোঝানো হয়, যেমন রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, জয়পুরহাট, বগুড়া, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা।
- এছাড়া তারা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমানে গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলাতেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. নির্বাচন
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬.
কে বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড মার্জনার ক্ষমতা রাখেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রপতি দণ্ড মার্জনার ক্ষমতা রাখেন।

৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।

এছাড়াও, 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা:
কেউ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না, যদি:
- তাঁর বয়স ৩৫ বছরের কম হয়,
- তিনি সংসদ-সদস্য হওয়ার যোগ্য না হন, অথবা
- তাঁকে কোনো সময় সংবিধান অনুযায়ী অভিশংসন (অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে অপসারণ) করা হয়ে থাকে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৭.
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা'র কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৩নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৬নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ – অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা: 

রাষ্ট্র—
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক ও বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য— কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদেকে: 
- ১৩নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি।
- ১৫নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- ১৬নং অনুচ্ছেদে পল্লী বিদ্যুতায়নের কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৮.
মারমা সমাজের ‘সার্কেল’ প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. কারবারি
  2. হেডম্যান
  3. রাজা
  4. মোড়ল
ব্যাখ্যা

- মারমাদের প্রশাসনিক সর্বোচ্চ স্তরের প্রধানকে “রাজা” বলা হয়।

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।  
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা। বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা।
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত।
- মারমা সমাজে তিন স্তরবিশিষ্ট একটি প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।
- এই কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকেন ‘সার্কেল প্রধান’, যাকে ‘রাজা’ বলা হয়।
- সার্কেল প্রধান মূলত একটি বৃহৎ এলাকার (যেমন একটি উপজেলাভিত্তিক অঞ্চল) প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- তার অধীনে মৌজা পর্যায়ে হেডম্যান এবং গ্রাম পর্যায়ে কারবারি কাজ করেন।
- সার্কেল প্রধানের প্রধান দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৯.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ধর্মপাল
  2. কানিংহাম
  3. জর্জ মার্শাল
  4. রাখালদাস
ব্যাখ্যা
- স্যার কানিংহাম সোমপুর বিহার আবিষ্কার করেন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২০.
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার কমপক্ষে কত শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য হতে হবে?
  1. ১০%
  2. ৫০%
  3. ৯০%
  4. ৭৫%
ব্যাখ্যা

- মন্ত্রিসভার কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সদস্য সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হয়।

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ, তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হবেন।
- বাকি সর্বোচ্চ ১০% মন্ত্রী হতে পারেন এমন ব্যক্তি, যাঁরা সরাসরি সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২১.
'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ' কোন অনুচ্ছেদের বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ২১
  2. অনুচ্ছেদ - ২২
  3. অনুচ্ছেদ - ২৩
  4. অনুচ্ছেদ - ২৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
 - অনুচ্ছেদ ২২: ‘নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’  - রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২২.
গারোদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি?
  1. বিজু
  2. ওয়ানগালা
  3. সাংগ্রাই
  4. রাস পূর্ণিমা
ব্যাখ্যা

- ওয়ানগালা উৎসবে সালজং দেবতাকে ফসল উৎসর্গ করা হয়। এটি গারোদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। 

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- ভারতে মেঘালয় ছাড়াও আসামের কামরূপ, গোয়ালপাড়া ও কারবি আংলং জেলায় এবং বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'; যাতে দেবতা মিসি আর সালজং এর উদ্দেশ্যে উৎপাদিত ফসল উৎসর্গ করা হয়।

অন্যদিকে: 
- বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

২৩.
বেসরকারি বিল কে উত্থাপন করতে পারে?
  1. মন্ত্রী
  2. সাধারণ সংসদ সদস্য
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
- বেসরকারি বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
২৪.
বাংলাদেশের কোন জেলাগুলোতে মণিপুরীদের বসতি দেখা যায়?
  1. রাজশাহী, নওগাঁ
  2. চট্টগ্রাম, বান্দরবান
  3. ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা
  4. মৌলভীবাজার, সিলেট 
ব্যাখ্যা

- বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে মণিপুরীদের ঘনবসতি রয়েছে।

মণিপুরী:
- মণিপুরী (The Manipuris)  বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল মণিপুরী নাচের জন্যে বিখ্যাত।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।

সূত্র: মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া। 

২৫.
সংবিধান অনুযায়ী 'আমার সোনার বাংলা'র কত চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত?
  1. প্রথম ৪ চরণ
  2. প্রথম ৮ চরণ
  3. প্রথম ১০ চরণ
  4. সম্পূর্ণটি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক 
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬.
PR পদ্ধতিতে আসন বণ্টন হয় কোন ভিত্তিতে?
  1. এলাকা ভিত্তিক
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিত্তিক
  3. ভোটের শতাংশ ভিত্তিক
  4. লটারির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

PR পদ্ধতিতে একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, তত শতাংশ আসন পায়।

- সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা বা PR (Proportional Representation) পদ্ধতিতে আসন বণ্টন হয় একটি রাজনৈতিক দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে তার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, এখানে ভোটাররা সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলীয় প্রতীকে ভোট দেন। একটি দল মোট বৈধ ভোটের যত শতাংশ পায়, সেই অনুপাতে তারা সংসদে আসন পায়।

- উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি ৩০% ভোট পায়, তাহলে সংসদের মোট আসনের ৩০% তারা পাবে। এতে বড় দলগুলোর পাশাপাশি ছোট দলগুলোরও প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদ গঠিত হয়। তবে দলই প্রার্থী নির্ধারণ করে, তাই ব্যক্তিগত যোগ্যতা নয়, দলীয় পছন্দই প্রাধান্য পায়।

সূত্র: ডেইলি স্টার রিপোর্ট। 

২৭.
কে সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সংসদ
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়?
  1. ২৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৯নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ – আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনায় জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে।
- রাষ্ট্র এই নীতিগুলোর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য প্রচেষ্টা চালাবে; প্রত্যেক জাতির নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের স্বাধীন অধিকারকে সমর্থন করবে; এবং সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ ও বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানাবে।

অন্যদেকে: 
- ২৭নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা,
- ২৯নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ২৬নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল। 

সূত্রে: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯.
'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' গঠনের কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১১৭নং
  2. ১২০নং
  3. ১১০নং
  4. ১১৫নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১২০নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- ১১৫নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালতে নিয়োগ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৩০০টি
  2. ৩৩০টি
  3. ৩৪৫টি
  4. ৩৫০টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০
- প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে প্রতি আসন থেকে একজন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- সাধারণত প্রতি ৫ বছর অন্তর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৩রা জুলাই, ২০১১ তারিখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ হতে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বোচ্চ আইন পরিষদকে বাংলায় ‘জাতীয় সংসদ’ এবং ইংরেজিতে ‘হাউজ অব্ দ্য নেশন’ বলা হয়েছে।

সূত্র: জাতীয় সংসদ ও বাংলাপিডিয়া।

৩১.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য কী?
  1. পুঁজিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  2. রাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  3. সাম্রাজ্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের চার মূল আদর্শ—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একটি শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
- এ সমাজে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।
- এর মাধ্যমে একটি সাম্যভিত্তিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার প্রকাশ পায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩২.
জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন কোনটি? 
  1. কক্সবাজার
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- ৩০০টি আসন থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হয়। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১ 
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় সংসদের ২৯৯নং আসন হলো রাঙামাটি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৮নং আসন হলো খাগড়াছড়ি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৭নং আসন হলো কক্সবাজার।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৬ক
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৪২ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা।
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।