পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৬: GK – বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলার সংস্কৃতি, বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।' উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• বহু ভাষাবিদ পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলাভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় একটি ভাষণে বলেছিলেন— ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ দিয়েছেন যে, তা মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই”।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ২০০১ সালের ১৭ই নভেম্বর
  2. খ) ২০০০ সালের ১৭ই নভেম্বর
  3. গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালের ১৭ই নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• ভাষার জন্য বাঙালির এই মহান আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানায় বিশ্ববাসী।
- ১৯৯৯ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
- কানাডায় বসবাসরত দু'জন বাঙ্গালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রাথমিক উদ্যোগে এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার জোরালো তৎপরতার কারণে সে বছর ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- তাই এখন প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিতে পৃথিবীর সকল জাতি নিজ নিজ মাতৃভাষাকে বিশেষ সন্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।
- সেই সাথে স্মরণ করে ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের কথা।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রদান করে নিচের কোন পুরস্কার?
  1. ক) স্বাধীনতা পুরস্কার
  2. খ) বাংলা সাহিত্য পুরস্কার
  3. গ) নজরুল পদক
  4. ঘ) একুশে পদক
সঠিক উত্তর:
ঘ) একুশে পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একুশে পদক
ব্যাখ্যা
‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক - ২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট -
  1. ক) ক্ষেত্রফল
  2. খ) বর্গ
  3. গ) বৃত্ত
  4. ঘ) ত্রিভূজ
সঠিক উত্তর:
গ) বৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃত্ত
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
অনুচ্ছেদ-৪:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ ৷ 
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত ৷ 
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা ৷ 
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে ৷

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 
.
মনসাপূজা উপলক্ষে নির্মিত কাহিনীভিত্তিক ছবি -
  1. ক) সখের হাঁড়ি
  2. খ) করন্ডিচিত্র
  3. গ) আলপনা
  4. ঘ) ঘটচিত্র
সঠিক উত্তর:
খ) করন্ডিচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করন্ডিচিত্র
ব্যাখ্যা
করন্ডিচিত্র শোলা নির্মিত ক্যানভাসে কয়েকটি প্যানেলে অঙ্কিত মনসার কাহিনীভিত্তিক ছবি। এটি করন্ডি, মেড় বা মুন্ডুস নামে হিন্দু সমাজে পূজিত হয়। মনসাপূজা উপলক্ষে মালাকাররা করন্ডিচিত্র অঙ্কন করে।

সখের হাঁড়ি চিত্রিত মৃণ্ময় পাত্র।কলস বা ঘটসদৃশ মাটির পাত্রের গায়ে সাগু ও আঠার সঙ্গে রং মিশিয়ে তুলির মোটা টানে মাছ, পাখি, পদ্ম, পাতা ও জ্যামিতিক রেখা অাঁকা হয়। 

আলপনা এ শ্রেণীর একটি জনপ্রিয় লোকচিত্র। হিন্দু রমণীদের ব্রত এর আদি উৎস। লক্ষ্মীব্রত, সেঁজুতিব্রত, মাঘমন্ডল ব্রত, হরিচরণ ব্রত, বসুধারা ব্রত ইত্যাদি উপলক্ষে ছড়া ও কথা বলা এবং আলপনা দেওয়ার রীতি আছে। সাধারণত ঐহিক সুখ-সম্পদ ও আত্মীয়-স্বজনের মঙ্গল কামনা করে ছড়া বলে ও কাম্যবস্ত্তর আলপনা এঁকে দেবতার কাছে প্রার্থনা করা হয়। হিন্দু সমাজে  অন্নপ্রাশন ও  বিবাহ উপলক্ষেও আলপনা অাঁকা হয়। 

ঘটচিত্র মাটির তৈরী কলস জাতীয় পাত্র ঘট নামে পরিচিত। মঙ্গলঘট, মনসাঘট, নাগঘট, লক্ষ্মীর ঘট, কার্তিকের ভাঁড়, দক্ষিণরায়ের বারা ইত্যাদি বিচিত্র ধরনের ঘট রয়েছে। এ ঘটগুলি হিন্দুদের বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা উপলক্ষে নির্মিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. ক) আর্য
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) মঙ্গোলীয়
  4. ঘ) নেগ্রিটো
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক 
- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত ‘অস্ট্রিক’ জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে। এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
.
বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল কখন?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ২০১১ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০১১ সালের ৩১ মে তারিখে যে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল
- ওষুধনীতির মতো ১৯৯০ সালের প্রস্তাবিত প্রথম জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির প্রাণপুরুষও ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।
.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার সর্বোচ্চ -
  1. ক) ০.৫০%
  2. খ) ১.০০%
  3. গ) ১.৫০%
  4. ঘ) ১.৭৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ১.০০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.০০%
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার সর্বোচ্চ ১.০০%
- পুরুষের ক্ষেত্রে এ হার ১.০১% এবং মহিলার ক্ষেত্রে ০.৯৯%।
- চট্টগ্রাম বিভাগের মোট জনসংখ্যার ২.৯৯% ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যা সকল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং এ হার বরিশাল বিভাগে ০.০৫% যা সর্বনিম্ন।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, মোট জনসংখ্যা -
  1. ক) ১৬৮.৮ মিলিয়ন
  2. খ) ১৭৯.৮ মিলিয়ন
  3. গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
  4. ঘ) ১৭১.৮ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১০.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি বসবাস করে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে) -
  1. ক) ঢাকা বিভাগে
  2. খ) বরিশাল বিভাগে
  3. গ) চট্টগ্রাম বিভাগে
  4. ঘ) খুলনা বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ৪৮৪ জন যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৮১ সালে ৫৯০ জন, ১৯৯১ সালে ৭২০ জন, ২০০১ সালে ৮৪৩ জন, ২০১১ সালে ৯৭৬ জন এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ১,১১৯ জনে উপনীত হয়েছে।

• বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার ঘনত্ব লক্ষ করলে দেখা যায়, জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে (২,১৫৬ জন) এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে (৬৮৮ জন)।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১১.
২০২২ সালে বাংলাদেশে মোট (পুরুষ ও মহিলা) সাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭৪.৬২%
  2. খ) ৭৪.৬৪%
  3. গ) ৭৪.৬৬%
  4. ঘ) ৭৪.৬৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা
• ২০২২ সালে বাংলাদেশে মোট (পুরুষ ও মহিলা) সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%, যা পল্লী এলাকায় ৭১.৫৬% এবং শহর এলাকায় ৮১.২৮%।
- লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায় পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬%, মহিলাদের সাক্ষরতার হার ৭২.৮২% এবং হিজড়াদের সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫%।
- মোট (পুরুষ ও মহিলা) সাক্ষরতার সর্বোচ্চ হার ঢাকা বিভাগে ৭৮.০৯% এবং সর্বনিম্ন হার ময়মনসিংহ বিভাগে 67.09%।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১২.
সংস্কৃতির প্রথম পাঠ কী?
  1. ক) ধৰ্ম
  2. খ) প্রথা
  3. গ) মাতৃভাষা
  4. ঘ) সংগীত
সঠিক উত্তর:
গ) মাতৃভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাতৃভাষা
ব্যাখ্যা
• মানুষ সংস্কৃতি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। বরং সে জন্মের পর থেকে নিজের সংস্কৃতি বিষয়ে ক্রমাগত শিক্ষালাভ করে।
• মায়ের হাত ধরেই একটি শিশু সংস্কৃতির প্রাথমিক শিক্ষা গ্ৰহণ শুরু করে।
- এরপর তার আশপাশের সব কিছু থেকে তার নিজস্ব সংস্কৃতি সম্পর্কে জানে।
- ধীরে ধীরে সেই শিশু কথা বলতে শেখে তার মাতৃভাষায়।
- শিশুটি তার নিজ পরিবারের সদস্যদের অনুসরণ ও অনুকরণ করার মাধ্যমেই তার পূর্বপুরুষের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়।
- ধারাবাহিকভাবে এই শিক্ষা গ্রহণ চলতে থাকে আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী, স্কুলকলেজ ও সমাজের অন্যদের কাছ থেকে।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।
১৩.
‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন'টি প্রণয়ন করে -
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১১ সালে
  3. গ) ২০১২ সালে
  4. ঘ) ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বা ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ বলতে মূলত অতীত ঐতিহ্যের ধারক ও প্রতিনিধিত্বকারী নৃগোষ্ঠীগুলোকে বোঝানো হয়।
- এই নৃগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অনেকাংশে ধরে রেখেছে।
- এভাবে তারা নিজস্ব সংস্কৃতির প্রাচীন ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছে। অর্থাৎ, দেশের ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাথে তারা মিশে যায়নি একেবারে।
- বরং তাদের সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানসমূহে অনেকাংশে নিজস্বতা বজায় রেখেছে।

•  সাধারণ কিছু সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। যেমন-
(১) নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে স্বতন্ত্র পরিচিতি ও জাতিসত্তার চেতনা ;
(২) অতীত ঐতিহ্য, বিশেষত প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ;
স্বতন্ত্র সামাজিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ;
(৫) বসবাসকৃত অঞ্চলের প্রকৃতির সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক;
(৬) আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর অবস্থান অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং আধিপত্যহীন ।

•  এ ধরনের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০' নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনে বাংলাদেশের ‘অ-বাঙালি’ ও অতীত ঐতিহ্যবাহী জাতিসত্তাগুলোকে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে আখ্যায়িত করা হয় ।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও nrigostisanad.gov.bd। 
১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ক) ২৩
  2. খ) ২৩ক
  3. গ) ২৩খ
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ২৩
জাতীয় সংস্কৃতি:
রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷

অনুচ্ছেদ - ২৩ক
• উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি:
রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

সূত্র গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫.
জাতীয় চার নেতা নির্মমভাবে হত্যা করা হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
  2. খ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে
  3. গ) ঢাকা সেনানিবাসে
  4. ঘ) ঢাকা সার্কিট হাউসে
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
ব্যাখ্যা
জাতীয় চার নেতার সংক্ষিপ্ত জীবনী

• সৈয়দ নজরুল ইসলাম (১৯২৫-১৯৭৫)
- ১৯২৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার যশোদল দামপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেফতারের পর সৈয়দ নজরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদে শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সৈয়দ নজরুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

• তাজউদ্দীন আহমদ (১৯২৫-১৯৭৫)
- ১৯২৫ সালে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেন।
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তাজউদ্দিন আহমদ কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

• মোহাম্মদ মনসুর আলী (১৯১৯-১৯৭৫)
- ১৯১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের ‘কুড়িপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ মনসুর আলীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

• আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (১৯২৬-১৯৭৫)
- ১৯২৬ সালের ২৬ জুন নাটোর মহকুমার বাগাতীপাড়া থানার নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ৷
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট। 
১৬.
২০১০ সালে প্রণীত আইনে বাংলাদেশের ‘অ-বাঙালি’ ও অতীত ঐতিহ্যবাহী জাতিসত্তাগুলোকে আখ্যায়িত করা হয় -
  1. ক) 'আদিবাসি' নামে
  2. খ) 'উপজাতি' নামে
  3. গ) 'বাঙালি' নামে
  4. ঘ) ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বা ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ বলতে মূলত অতীত ঐতিহ্যের ধারক ও প্রতিনিধিত্বকারী নৃগোষ্ঠীগুলোকে বোঝানো হয়। 
- এই নৃগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অনেকাংশে ধরে রেখেছে। 
- এভাবে তারা নিজস্ব সংস্কৃতির প্রাচীন ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছে। অর্থাৎ, দেশের ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাথে তারা মিশে যায়নি একেবারে। 
- বরং তাদের সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানসমূহে অনেকাংশে নিজস্বতা বজায় রেখেছে।

•  সাধারণ কিছু সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। যেমন-
(১) নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে স্বতন্ত্র পরিচিতি ও জাতিসত্তার চেতনা ;
(২) অতীত ঐতিহ্য, বিশেষত প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ;
স্বতন্ত্র সামাজিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ;
(৫) বসবাসকৃত অঞ্চলের প্রকৃতির সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক;
(৬) আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর অবস্থান অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং আধিপত্যহীন ।

•  এ ধরনের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০' নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনে বাংলাদেশের ‘অ-বাঙালি’ ও অতীত ঐতিহ্যবাহী জাতিসত্তাগুলোকে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে আখ্যায়িত করা হয় ।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও nrigostisanad.gov.bd।
১৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ক) ১১২০/বর্গ কি.মি.
  2. খ) ১১৩০/বর্গ কি.মি.
  3. গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ১১৫০/বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।