পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
Exam - 42 Bangla: Topic: কারক-বিভক্তি, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাচ্য ও উক্তি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
"বাঘে-মহিষে লড়াই চলছে।" - এখানে "বাঘে-মহিষে" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মকারকে দ্বিতীয়া
  2. কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
  3. কর্তৃকারকে সপ্তমী
  4. অপাদানে সপ্তমী
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারকে সপ্তমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারকে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক: 
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন:
- খোকা বই পড়ে। (কে পড়ে? খোকা - কর্তৃকারক)।
- মেয়েরা ফুল তোলে। (কে তোলে? মেয়েরা - কর্তৃকারক)।

এরূপ-
- "বাঘে-মহিষে লড়াই চলছে।" - এই বাক্যে ‘বাঘে-মহিষে’ কর্তৃকারকের উদাহরণ।
[কারণ "কে"/কাদের লড়াই চলছে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় - 'বাঘে-মহিষে'। এখানে ব্যতিহার কর্তা ‘বাঘে-মহিষে’। সুতরাং এখানে ‘বাঘে-মহিষে’ কর্তৃকারকের উদাহরণ।] 
আবার, 
সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।

তাই, বলা যায়, "বাঘে-মহিষে লড়াই চলছে।" - এই বাক্যে ‘বাঘে-মহিষে’ কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না?
  1. প্রশ্ন জিজ্ঞাসায়
  2. আবেগ প্রকাশে
  3. অনুজ্ঞা ভাবে
  4. চিরন্তন সত্যের বাক্যে
সঠিক উত্তর:
চিরন্তন সত্যের বাক্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরন্তন সত্যের বাক্যে
ব্যাখ্যা
প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- যেমন:    
• প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
• পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।   

• প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “পৃথিবী গোলাকার।” 
• পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, পৃথিবী গোলাকার।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কোন কারক বলে।
  1. করণকারক
  2. কর্তৃকারক
  3. কর্মকারক
  4. অপাদান কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা
কর্তৃকারক: 
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। 

উল্লেখ্য,
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক। 
যেমন,
- ছেলেরা ফুটবল খেলে। (এখানে কে ফুটবল খেলে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়- 'ছেলেরা'। তাই, ছেলেরা কর্তৃকারক)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২২)। 
.
প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে কোন যতিচিহ্ন দিয়ে উক্তিকে আবদ্ধ করা হয়?
  1. কমা
  2. ড্যাশ
  3. সেমিকোলন
  4. উদ্ধরণ চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
উদ্ধরণ চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ধরণ চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধরণচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

• বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে।
• উক্তি দুই প্রকার:
- প্রত্যক্ষ উক্তি ও
- পরোক্ষ উক্তি।

• প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
যেমন:
- ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।”- এটি প্রত্যক্ষ উক্তি।

• প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধারচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- রফিক হেসে বললো, “আমি আপনাকে লক্ষ করিনি।”

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
"আমারে করহ তোমার বীণা।" - এখানে 'আমারে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারক সপ্তমী
  2. কর্মকারকে সপ্তমী
  3. অপাদান কারকে সপ্তমী
  4. করণকারকে সপ্তমী
সঠিক উত্তর:
কর্মকারকে সপ্তমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকারকে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারনত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
যেমন- শিক্ষককে জানাও; অসহায়কে সাহায্য করো। 

- "আমারে করহ তোমার বীণা।" 
[বাক্যটিতে ‘কী করহ?’ দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘আমারে’।
সুতরাং, 'আমারে' কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
খোকা বলল, “বাহ! পাখিটি তো চমৎকার।” - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে কী হবে?
  1. খোকা বলল, পাখিটি খুব চমৎকার।
  2. খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।
  3. খোকা আনন্দের সাথে বলেছিল, পাখিটি অনেক চমৎকার।
  4. খোকা বলল, পাখিটি চমৎকার।
সঠিক উত্তর:
খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।
ব্যাখ্যা
• খোকা বলল, "বাহ! পাখিটি তো চমৎকার।" - এর সঠিক পরোক্ষ উক্তি - খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।

• আবেগসূচক প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তিত করার সময় নিম্নলিখিত বাক্যাংশগুলো ব্যবহার করতে হয়।
যেমন- আনন্দের সাথে/ আক্ষেপের সাথে/ দুঃখের সাথে/বিরক্তিভরে/বিস্ময়ের সাথে + বলল/বললেন/ বললাম + যে।

• অতপর খণ্ড বাক্যের ক্রিয়াকে ভাব অনুসারে পরিবর্তন করতে হয়।
যেমন-
প্রত্যক্ষ : খোকা বলল, “বাহ! পাখিটি তো চমৎকার।”
পরোক্ষ : খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ক্রিয়ার কোন কালের কোনো অনুজ্ঞা হয় না?
  1. বর্তমান কালে
  2. ভবিষ্যৎ কালে
  3. অতীত কালে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অতীত কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতীত কালে
ব্যাখ্যা
• অতীত কালে অনুজ্ঞা হয় না।
------------
অনুজ্ঞা:
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয়, তাকে অনুজ্ঞা বলে।

বর্তমান কালের অনুজ্ঞা:
যেমন:
- তোমরা কাজ করো।
- রোহান লিখুক।
- মিথ্যা কথা বলো না।
- অঙ্কটা বুঝিয়ে দেবেন?
- আমাকে তুমি রক্ষা করো, প্রভু।
- আদেশ করুন জাহাপনা।

অন্যদিকে,
ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
যেমন:
- সব সময় সত্যি বলবে।
- বড় হও, বুঝতে পারবে।
- অসুস্থ হলে ওষুধ খাবে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
"হাতে না মারিয়া ভাতে মারিব।" - বাক্যে 'হাতে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে ৭মী
  2. অধিকরণে ৭মী
  3. করণে ৭মী
  4. কর্মে ৭মী
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
ব্যাখ্যা
• "হাতে না মারিয়া ভাতে মারিব।" - বাক্যে 'হাতে' শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

• করণ কারক:
- 'করণ' শব্দটির অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন -
- নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ-কলম)। 
- 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় সাধনা)। 

• বাক্যটি - "হাতে না মারিয়া ভাতে মারিব।": 
"কীসের দ্বারা বা কী উপায়ে" প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
যেমন - ‘হাতে না মারিয়া ভাতে মারিব।’ - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে মারিব প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘হাতে’।
এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি ‘এ’ যুক্ত হয়েছে। 

সুতরাং,
এখানে বাক্যে 'হাতে' করণ কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তনের সময় কোন ধরনের শব্দের পরিবর্তন আনতে হয়?
  1. কালবাচক
  2. স্থানবাচক
  3. ক এবং খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তনের সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন,
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।” 
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন। 

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
"সামীপ্য অর্থে" কোন ধরনের অধিকরণ কারক হয়?
  1. ভাবাধিকরণ
  2. কালাধিকরণ
  3. ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক তিন প্রকার।
যথা-
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।

আধারাধিকরণ:
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। যেমন: তিলে তৈল আছে। ছেলেটি অঙ্কে কাচা। নদীতে পানি আছে।
এটি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা :
- ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

• ঐকদেশিক:
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)

সামীপ্যে অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়।
যেমন:
- ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
প্রত্যক্ষ উক্তির 'ইহা' পরোক্ষ উক্তিতে কী হবে?
  1. এই
  2. সেই
  3. তাহা
সঠিক উত্তর:
তাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহা
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তির 'ইহা' পরোক্ষ উক্তিতে হবে - তাহা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু উক্তি পরিবর্তন:
প্রত্যক্ষ  -  পরোক্ষ-
• এই  -  সেই।
• ইহা  -  তাহা/উহা।
• এখানে - ওইখানে।
• আগামীকাল - পরদিন।
• গতকল্য - পূর্বদিন।
• এ - সে।

উৎস: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
নিচের কোনটি কর্মকারকের উদাহরণ?
  1. আকাশে চাঁদ উঠেছে।
  2. ছাগলে কী না খায়।
  3. সে সম্পত্তি নষ্ট করছে।
  4. অর্থ অনর্থ ঘটায়।
সঠিক উত্তর:
সে সম্পত্তি নষ্ট করছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে সম্পত্তি নষ্ট করছে।
ব্যাখ্যা
• কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' যোগ করে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়।

"সে সম্পত্তি নষ্ট করছে।"
• উল্লেখিত বাক্যটিতে ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'সম্পত্তি'। 
অর্থাৎ বাক্যে 'সম্পত্তি' একটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
(ক) আকাশে চাঁদ উঠেছে। → এটি অধিকরণ কারক।
(খ) ছাগলে কী না খায়। → এটি কর্তৃকারক।
(ঘ) অর্থ অনর্থ ঘটায়। → এটি কর্তৃকারক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯সংস্করণ)।
১৩.
অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কালের বাক্য কোনটি?
  1. কাজটি করে ফেল।
  2. সদা সত্য বলবে।
  3. তোমরা এখন যাও।
  4. সত্য গোপন করো না।
সঠিক উত্তর:
সদা সত্য বলবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদা সত্য বলবে।
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কালের বাক্য হলো- সদা সত্য বলবে।

• ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
- আদেশ : সদা সত্য বলবে।
- সম্ভাবনায় : চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে।
- বিধান অর্থে : রোগ হলে ওষুধ খাবে।
- অনুরোধে : কাল একবার এসো (বা আসিও বা আসিবে)। 

• বর্তমান কাল:
- আদেশ : কাজটি করে ফেল। তোমরা এখন যাও।
- উপদেশ : সত্য গোপন করো না।
- অনুরোধ : অঙ্কটা বুঝিয়ে দাও না।
- প্রার্থনা : আমার দরখাস্তটা পড়ুন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
অজীব বিশেষ্য কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করেছে কর্তাবাচ্যের কোন বাক্যে?
  1. ঝরনা ছবি আঁকে।
  2. আমার যাওয়া হলো না।
  3. ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
  4. আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
সঠিক উত্তর:
ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
ব্যাখ্যা
কর্তাবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।
- যেমন:
• তারা বাড়িটি তৈরি করেছে।
• প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।
• আমরা কঠোর পরিশ্রম করি।
• একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।

- অজীব বিশেষ্যও অনেক সময়ে কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করে।
যেমন –
• ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
• শরতে শিউলি ফোটে।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
"জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।" - নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণে ৭মী
  2. কর্মে ৭মী
  3. অধিকরণে ৭মী
  4. অপাদানে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা
- "জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।" - নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।

• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। 
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যথা -
→ আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। 
→ কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।

• ক্রিয়াকে কখন / কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
- জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ। - এখানে 'কোথায় কুমির?' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'জলে'। তাই 'জলে' অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে কোন অতীত কাল বলে?
  1. সাধারণ
  2. নিত্য
  3. পুরাঘটিত
  4. ঘটমান
সঠিক উত্তর:
সাধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ
ব্যাখ্যা
• অতীত কাল:
- অতীতে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হতো তাকে অতীত কাল বলে।
- অতীত কাল চার প্রকার: সাধারণ অতীত, ঘটমান অতীত, পুরাঘটিত অতীত এবং নিত্য অতীত।

• সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন -
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

• ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 
- তারা মাঠে খেলছিল।

• পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম।
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে। 

• নিত্য অতীত:
অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন -
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
- তারা সাগরের তীরে ঝিনুক কুড়াত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
'একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।' বাক্যটির কর্তাবাচ্যের রূপান্তর কোনটি?
  1. বাইরে বেড়িয়ে আসা হোক।
  2. আমরা একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
  3. একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
  4. তুমি বাইরে বেড়াতে পারো।
সঠিক উত্তর:
একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
ব্যাখ্যা
• ভাববাচ্য থেকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তর:
ভাবাচ্যের বাক্যকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে ক্রিয়াকে কর্তার অনুসারী করতে হয়।
যেমন -
ভাববাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।
কর্তাবাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।

তেমনিভাবে,
ভাববাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজানাে হােক।
কর্তাবাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজাও।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৮.
"অগ্রহায়ণ মাসে নবান্ন উৎসব হয়।" - এখানে 'অগ্রহায়ণ মাসে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ৭মী
  2. করণে ৭মী
  3. অধিকরণে ৭মী
  4. অপাদানে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।

উল্লেখ্য,
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।

অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই। কাল (সময়) সকালে সূর্য উঠবে।

সুতরাং,
"অগ্রহায়ণ মাসে নবান্ন উৎসব হয়।" - এখানে 'অগ্রহায়ণ মাসে' অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
"তামিম সময়মতো স্টেশনে পৌঁছে গেল।" - বাক্যটিতে কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ আছে?
  1. প্রযোজক ক্রিয়া
  2. সংযোগ ক্রিয়া
  3. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
  4. যৌগিক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তামিম সময়মতো স্টেশনে পৌঁছে গেল।
- সাইরেন বেজে উঠল।

অন্যদিকে,
প্রযোজক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন: মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।

দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
- বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন: শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।

সংযোগ ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন: গরম করা, গান করা, মার খাওয়া, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২০.
"এই বাড়ি হতাে যদি রাজার বাড়ি।" - বাক্যটিতে কোন কালের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সাধারণ অতীত কাল
  2. ঘটমান অতীত কাল
  3. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
  4. পুরাঘটিত অতীত কাল
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল:
অতীতে প্রায়ই ঘটতাে এরূপ অর্থে ক্রিয়ার যে, কাল হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
- এক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে ইতাম, ইত, ইতেন, ইতে যুক্ত হয়।
যেমন- প্রতিদিন সকালে সে গান গাইত।

নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার:
১. কামনা প্রকাশে: আজ যদি মারিয়া আসতাে, কেমন মজা হতাে।
২. সম্ভাবনা প্রকাশে: তুমি যদি আসতে, তবে ভালােই হতাে।
৩. অসম্ভব কল্পনায়: এই বাড়ি হতাে যদি রাজার বাড়ি।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
"রাত বেশি হয়ে যাওয়ার আগে আমরা খেয়ে নিলাম।" - এখানে 'খেয়ে' কোন ধরনের ক্রিয়াপদ?
  1. দ্বিকর্মক
  2. প্রযোজক
  3. সমাপিক
  4. অসমাপিকা
সঠিক উত্তর:
অসমাপিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসমাপিকা
ব্যাখ্যা
ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার।
যথা- 
⇒ সমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন:
ভালাে করে পড়াশােনা করবে।
অনুরূপভাবে: আমি ভাত খাচ্ছি।

⇒ অসমাপিকা ক্রিয়া:
যে ক্রিয়া বাক্যে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং অন্য কোনো ক্রিয়ার সহায়তা নিয়ে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন,
– ভালাে করে পড়াশােনা করলে ভালাে ফল হবে।
- "রাত বেশি হয়ে যাওয়ার আগে আমরা খেয়ে নিলাম।"
(এখানে "খেয়ে" অসমাপিকা ক্রিয়া, কারণ এটি একা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারছে না।)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২২.
ভাববাচ্যের উদাহরণ কোনটি?
  1. আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
  2. আমার যাওয়া হল না।
  3. তাদের দ্বারা বাড়িটি তৈরি হয়েছে।
  4. এবার বাঁশিটি বাজাও।
সঠিক উত্তর:
আমার যাওয়া হল না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার যাওয়া হল না।
ব্যাখ্যা
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- যেমন:
• আমার যাওয়া হল না।
• কোথা থেকে আসা হলো।
• এবার বাঁশিটি বাজানো হোক।
-----------
কর্মবাচ্য:
যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
- যেমন:
• পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে।
• তাদের দ্বারা বাড়িটি তৈরি হয়েছে।
• আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে।
• আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।

কর্তাবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।
- যেমন:
• তারা বাড়িটি তৈরি করেছে।
- এবার বাঁশিটি বাজাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা বলতে বোঝায়, ভবিষ্যৎ কালের -
  1. আদেশ
  2. আমন্ত্রণ
  3. আশীর্বাদ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ:
যে ক্রিয়া দিয়ে ভবিষ্যৎ কালের বক্তার আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, অভিশাপ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন -
- বড় হও, বুঝতে পারবে।
- সব সময় সত্যি বলবে।
- খোকা সময়মতো খেয়ো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৪.
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে কোন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়?
  1. প্রযোজক ক্রিয়া
  2. সরল ক্রিয়া
  3. সংযোগ ক্রিয়া
  4. যৌগিক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তামিম সময়মতো স্টেশনে পৌঁছে গেল।
- সাইরেন বেজে উঠল।
- সে আমার কথা শুনে হেসে উঠল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।