পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ টপিক: ডাটাবেজ সিস্টেম, ইন্টারনেট, WWW, সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক। [ক্লাস ১৪, ১৫ ও ১৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেকগুলো চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হতে পারে?
  1. Self-referencing
  2. One-to-many
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
GSM-এ নিচের চ্যানেলগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. TDMA
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়
ব্যাখ্যা

• GSM বা Global System for Mobile Communications হলো একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা মূলত ভয়েস এবং ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। GSM সিস্টেমে চ্যানেল ব্যবস্থাপনা করার জন্য FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এই দুইটি প্রযুক্তি একত্রে ব্যবহার করা হয়। FDMA ব্যবহার করে সিস্টেম বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে চ্যানেল ভাগ করে দেয়, যাতে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সিতে যোগাযোগ করতে পারে। আর TDMA ব্যবহার করে প্রতিটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে বিভিন্ন টাইম স্লটে ভাগ করা হয়, যার ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক ব্যবহারকারী দ্বারা সময় ভাগ করে ব্যবহার করা যায়। ফলে, GSM-এ চ্যানেল ব্যবস্থাপনার জন্য FDMA এবং TDMA উভয়ই ব্যবহৃত হয়।

জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):

- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য প্রযোজ্য টপোলজি কোনটি? 
  1. স্টার টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে প্রযোজ্য টপোলজি হলো স্টার টপোলজি। এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় নোড বা বেস স্টেশন থাকে, যা সকল মোবাইল ডিভাইস বা টাওয়ারের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি মোবাইল ব্যবহারকারী সরাসরি এই কেন্দ্রীয় বেস স্টেশনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। স্টার টপোলজির সুবিধা হলো, কোনো একটি মোবাইল ডিভাইসে সমস্যা হলেও পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হয় না, কারণ অন্যান্য ব্যবহারকারীরা কেন্দ্রীয় নোডের মাধ্যমে সচল থাকে। এছাড়া, নেটওয়ার্কের পরিচালনা ও ত্রুটি শনাক্ত করা সহজ হয়। মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য এর স্থিতিশীলতা এবং সহজ রক্ষণাবেক্ষণের কারণে স্টার টপোলজি সবচেয়ে উপযোগী।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
URL-এ ‘https://’ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. সার্ভারে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের পথ
  2. ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম
  3. একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
  4. সার্চ ফলাফল দেখানোর করার জন্য এটি ব্যবহৃত
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
ব্যাখ্যা

URL-এ ‘https://’ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য হলো একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে। এটি HTTP প্রোটোকলের নিরাপদ সংস্করণ, যেখানে ‘S’ এর মানে হলো Secure। যখন আমরা কোনো ওয়েবসাইটে ‘https://’ ব্যবহার করি, তখন আমাদের ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য এনক্রিপ্টেডভাবে আদানপ্রদান হয়। ফলে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজে তথ্য পড়তে পারে না। বিশেষ করে পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা প্রেরণের সময় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘https://’ ব্যবহার করা মানে ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত এবং ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। তাই এটি নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: গ) একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য কী প্রয়োগ করা হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ (Relational Database Management System) প্রতিটি ডেটা টেবিলের রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কী (Primary Key) প্রয়োগ করা হয়। এটি এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করে এবং একই মান কোনো দুইটি রেকর্ডে থাকতে পারে না। প্রাইমারি কী সাধারণত ইউনিক এবং নাল (NULL) মান ধারণ করতে পারে না, যা ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি টেবিলের মধ্যে তথ্য অনুসন্ধান, আপডেট ও ডিলিট প্রক্রিয়াকে সহজ করে। অন্যদিকে, কম্পোজিট কী একাধিক কলামের সমন্বয়ে তৈরি হয়, ফরেন কী অন্য টেবিলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, কিন্তু একক রেকর্ড শনাক্ত করার মূল উপায় প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
IPv4-এর প্রথম অক্টেট ১২৮-১৯১ হলে, এটি কোন আইপি ক্লাস?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
সঠিক উত্তর:
Class B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Class B
ব্যাখ্যা

•  IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত পাঁচটি প্রধান ক্লাসে ভাগ করা হয়: Class A, B, C, D এবং E। এগুলি মূলত প্রথম অক্টেটের মানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। Class A-এর প্রথম অক্টেট ১ থেকে ১২৭ এর মধ্যে থাকে, Class B-এর প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে, Class C-এর প্রথম অক্টেট ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে থাকে, এবং Class D মূলত multicast এর জন্য ২২৪ থেকে ২৩৯ পর্যন্ত থাকে। যেহেতু প্রদত্ত ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে রয়েছে, এটি Class B আইপি ঠিকানা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। Class B ঠিকানা সাধারণত মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: খ) Class B

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

.
কোন মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে বোঝাতে “গ্রিন ফোন” শব্দটি ব্যবহার করা হয়?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
সঠিক উত্তর:
CDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CDMA
ব্যাখ্যা

• “গ্রিন ফোন” শব্দটি সাধারণত সেই মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা শক্তি কম ব্যবহার করে এবং পরিবেশ বান্ধব। এখানে মূলত CDMA প্রযুক্তি এর সঙ্গে এটি সম্পর্কিত। CDMA বা Code Division Multiple Access হলো একটি মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা ডেটা এবং ভয়েস ট্রান্সমিশন করার সময় কম শক্তি ব্যবহার করে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন GSM বা LTE, তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তি খরচ করে। CDMA-তে একটি বিশেষ সিগন্যালিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যা একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক কল পরিচালনা করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত চলতে পারে। এই কারণে CDMA-ভিত্তিক ফোনকে “গ্রিন ফোন” বলা হয়।
 
• CDMA:

- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

.
ডাটাবেজে রেকর্ডের সবচেয়ে ছোট উপাদানটি কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. ফাইল
  3. টেবিল
  4. রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা

•  ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সংগঠনের বিভিন্ন স্তর থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উপাদান হলো ফিল্ড। একটি ফিল্ড হলো একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণকারী একক ঘর, যেমন নাম, বয়স বা ঠিকানা। একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি রেকর্ড তৈরি করে, যা একটি সম্পূর্ণ তথ্যের ইউনিট হিসেবে কাজ করে। রেকর্ডগুলো একত্রিত হয়ে টেবিল তৈরি করে, যা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সব তথ্য ধারণ করে। আবার অনেকগুলো টেবিল মিলিত হয়ে পুরো ফাইল বা ডাটাবেজ তৈরি করে। তাই ডাটাবেজের সবচেয়ে ছোট উপাদান হিসেবে যেটিকে ধরা হয়, সেটি হলো ফিল্ড।

- সঠিক উত্তর: ক) ফিল্ড।

ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে ট্রান্সলেট করে কোনটি?
  1. TCP
  2. IP Translator
  3. Browser
  4. DNS server
সঠিক উত্তর:
DNS server
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNS server
ব্যাখ্যা

ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে ট্রান্সলেট করার কাজটি DNS সার্ভার করে। ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য আইপি অ্যাড্রেস থাকে, যা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশিত হয়। তবে ব্যবহারকারীরা সংখ্যার পরিবর্তে সহজে মনে রাখার মতো ডোমেইন নেম ব্যবহার করেন, যেমন www.example.com। যখন ব্যবহারকারী ব্রাউজারে কোনো ডোমেইন নেম লিখে সার্ভারে অ্যাক্সেস করতে চায়, তখন ব্রাউজার সেই নামটি DNS সার্ভারের কাছে পাঠায়। DNS সার্ভার সেই ডোমেইন নেমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করে এবং ব্রাউজারকে ফেরত পাঠায়। এর মাধ্যমে ব্রাউজার সঠিক সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। তাই ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তর করার মূল ভূমিকা পালন করে DNS সার্ভার।

সঠিক উত্তর: ঘ) DNS server.
 
DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
এনএফসি (NFC) কার্যকর করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. GPS
  2. Wi-Fi
  3. RFID
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা

•  এনএফসি (NFC) কার্যকর করতে মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। NFC একটি সংক্ষিপ্ত-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ পদ্ধতি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটারের মধ্যে ডিভাইস বা ট্যাগের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম। এটি RFID-এর উন্নত আকার, যেখানে একটি লো-পাওয়ার রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা স্থানান্তর করা হয়। NFC ডিভাইস সাধারণত দুটি মোডে কাজ করে: পিয়ার-টু-পিয়ার কমিউনিকেশন এবং রিডার/রাইটার মোড। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল পেমেন্ট, টিকিটিং, পরিচয় যাচাই এবং তথ্য ভাগ করার মতো কাজ করা যায়। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন GPS, Wi-Fi বা Bluetooth আলাদা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং NFC-এর জন্য প্রাথমিক ভিত্তি নয়।

- উত্তর: গ) RFID.

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
কোন সংস্থা বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ICANN
  2. Google
  3. WWW
  4. IBM
সঠিক উত্তর:
ICANN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICANN
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব একটি নির্দিষ্ট সংস্থার। এটি হল ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)। ICANN একটি আন্তর্জাতিক অ-লাভজনক সংস্থা, যা ইন্টারনেটের ডোমেইন নাম সিস্টেম (DNS) এবং আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ডোমেইন নাম ইউনিক হয় এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিক ওয়েবসাইটে যেতে পারে। Google, WWW বা IBM এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ করে না। Google মূলত সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, WWW (World Wide Web) একটি ওয়েব প্রযুক্তি, আর IBM একটি প্রযুক্তি কোম্পানি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ICANN.
 
• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
কোন মাধ্যমটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘকাল ধরে জনপ্রিয়?
  1. E-mail
  2. Telnet
  3. IRC
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
IRC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IRC
ব্যাখ্যা

• রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো IRC (Internet Relay Chat)। এটি একটি চ্যাট প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে লাইভ চ্যাট করার সুযোগ দেয়। IRC-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন চ্যানেল বা রুমে যোগ দিয়ে একে অপরের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে লেখা বার্তা বিনিময় করতে পারে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং গোষ্ঠীভিত্তিক আলাপচারিতা। যদিও ই-মেইল, টেলনেট বা FTP বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেগুলি রিয়েল টাইম চ্যাটের জন্য নয়। ই-মেইল ধীরে ধীরে বার্তা পৌঁছে দেয়, টেলনেট মূলত দূরবর্তী কম্পিউটার ব্যবস্থাপনার জন্য এবং FTP ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দীর্ঘকাল ধরে সরাসরি অনলাইনে কথোপকথনের জন্য IRC সবচেয়ে জনপ্রিয়।
 
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
এনটিটির প্রতিটি ফিল্ডকে কী নামে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি সেট
  3. ভ্যালু
  4. রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা

• তথ্যপ্রযুক্তিতে বা ডাটাবেস ডিজাইন পরিপ্রেক্ষিতে, একটি এনটিটি হলো কোনো বাস্তব বা ধারণাগত বস্তুর প্রতিনিধিত্ব। প্রতিটি এনটিটির ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এট্রিবিউট হলো সেই বৈশিষ্ট্য বা গুণ যা এনটিটির তথ্য প্রকাশ করে, যেমন “নাম”, “ঠিকানা” বা “বয়স” ইত্যাদি। অন্য বিকল্পগুলো যেমন এনটিটি সেট হলো একই ধরনের এনটিটিগুলোর সমষ্টি, ভ্যালু হলো ফিল্ডের নির্দিষ্ট মান এবং রেকর্ড হলো একটি সম্পূর্ণ এনটিটির তথ্যের সারি। তাই প্রতিটি ফিল্ডের সঠিক সংজ্ঞা হলো এট্রিবিউট, যা এনটিটির তথ্যের নির্দিষ্ট দিক বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়।

বিস্তারিত আলোকপাত: 
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্টারনেট কখন চালু হয়েছিল?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয় ১৯৯৬ সালে। এর আগে ইন্টারনেট মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থার জন্য সীমিতভাবে ব্যবহৃত হতো। ১৯৯৬ সালে দেশে বাণিজ্যিক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রবর্তনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হয়। ইন্টারনেটের আগমনের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, ব্যবসা ও তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষ এখন ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন শপিং এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায় যুক্ত হতে পারে। সুতরাং, ১৯৯৬ সালে ইন্টারনেট চালু হওয়াই দেশের জনগণের জন্য এই প্রযুক্তির প্রবেশদ্বার।

• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:

- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫.
কোন কী প্রাইমারি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. নাম
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. ঠিকানা
  4. মোবাইল নম্বর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি কী বা প্রাথমিক চাবি হলো একটি ডাটাবেস টেবিলের একটি বিশেষ কলাম যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে। এটি এমন একটি তথ্য যা একরকম কোনো রেকর্ডে পুনরাবৃত্তি হতে পারে না এবং কোনো রেকর্ডকে ভিন্ন রেকর্ড থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, নাম বা ঠিকানা একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই হতে পারে, তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার উপযুক্ত নয়। ব্লাড গ্রুপও সাধারণত একাধিক মানুষের মধ্যে একই হতে পারে। মোবাইল নম্বর প্রায়ই ব্যক্তির জন্য অনন্য হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডের সাথে একভাবে সম্পর্কিত থাকে, তাই এটি প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই মোবাইল নম্বর হলো প্রাইমারি কী।

• কী-ফিল্ড:

- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১৬.
কোন প্রযুক্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান করতে সাহায্য করে?
  1. ব্লকচেইন
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. সাইবার সিকিউরিটি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)।

ইন্টারনেট অফ থিংস বা IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইসসহ নানা যন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর, লাইট কন্ট্রোলার এবং স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। IoT প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বয়ংক্রিয়, সুবিধাজনক এবং কার্যকর করে তোলে।

• IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১৭.
কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডাটাবেজের তথ্যকে বর্ণানুক্রম বা সংখ্যানুক্রমে সাজানো হয়?
  1. সর্টিং
  2. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  3. ইনডেক্সিং
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সার্টিং (Sorting) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্যকে বর্ণানুক্রমিক (Alphabetical) বা সংখ্যানুক্রমিক (Numerical) - ভাবে বিন্যস্ত করা হয়, যাতে তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা সহজ হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবহারকারী যদি কর্মচারীর নাম বা তাদের আইডি অনুযায়ী তালিকা দেখতে চায়, তখন সার্টিং ব্যবহার করে তা দ্রুত পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোগ্রাফি তথ্যকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ইনডেক্সিং তথ্যের দ্রুত অনুসন্ধান সহজ করে এবং কুয়েরি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করার নির্দেশ। তাই তথ্য সাজানোর ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো সর্টিং।

- উত্তর: ক) সর্টিং। 

- একটি টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করার পর যে কোনো ফিল্ড বা কলামের ভিত্তিতে ডাটাবেজকে বর্ণানুক্রমিক এবং সংখ্যানুক্রমিক সাজানো বা বিন্যস্ত (Sort) করা যায়।
- ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকেই বলা হয় সর্টিং।

অন্যদিকে, 
- কোনো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
WWW-তে থাকা ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সার্ভার
  2. কম্পাইলার
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য দেখতে চায়। এই তথ্য প্রদর্শনের জন্য আমরা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করি। ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ওয়েব সার্ভার থেকে HTML, CSS, JavaScript এবং অন্যান্য ফাইল নিয়ে সেগুলোকে ব্যবহারকারীর জন্য প্রদর্শনযোগ্য আকারে রূপান্তর করে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, এবং মাইক্রোসফট এজ হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। সার্ভার মূলত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং ব্রাউজারকে তথ্য সরবরাহ করে। কম্পাইলার কোডকে যান্ত্রিকভাবে অনুবাদ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে। তাই, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য সঠিক উত্তর হলো ওয়েব ব্রাউজার।

- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব ব্রাউজার।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

১৯.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে ডাটাবেজে কোনটি গঠিত হয়?
  1. রেকর্ড
  2. তথ্য
  3. টেবিল
  4. ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের জন্য একাধিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। যখন একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি একক একক তথ্যের বিস্তারিত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রেকর্ড বলা হয়। অর্থাৎ, একটি রেকর্ড হলো ডাটাবেজের সেই ইউনিট যেখানে বিভিন্ন ফিল্ডের মান একসাথে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার এবং ইমেইল প্রতিটি একটি ফিল্ড, এবং সবগুলো ফিল্ড মিলিত হয়ে ঐ ব্যক্তির রেকর্ড তৈরি করে। সুতরাং, একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে গঠন তৈরি হয়, তা হলো রেকর্ড। এটি ডাটাবেজের মৌলিক একক এবং ডাটাবেজের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: ক) রেকর্ড। 

উপাত্ত:
- সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামালসমূহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে।

ফিল্ড:
- ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে স্টোর করার জন্য ব্যবহার করে।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।

টেবিল:
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত।

অর্থাৎ,
- একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।
- একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে টেবিল গঠিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।