পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়42 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬ পার্ট-১) রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পরিমিতি- সরল ক্ষেত্র, ঘনবস্তু। পার্ট-২: ১) আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি এবং UNEP, IMO, WMO, IPCC, EEA, Greenpeace, ICANW etc. ২) আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহ। ------------------ পার্ট-১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ পিডিএফ লেকচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
৩৭° কোণের বিপ্রতীপ কোণের মান কত?
  1. ৩৭°
  2. ৫৩°
  3. ১২৭°
  4. ১৪৩°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৭° কোণের বিপ্রতীপ কোণের মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বিপ্রতীপ কোণদ্বয় পরস্পর সমান হয়।

তাই ৩৭° কোণের বিপ্রতীপ কোণের মানও হবে ৩৭° অর্থাৎ সমান। 
.
একটি ত্রিভুজের দুইটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৭ মিটার এবং ১৬ মিটার হলে, নিচের কোনটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে না?
  1. ২২
  2. ১৭
  3. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের দুইটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৭ মিটার এবং ১৬ মিটার হলে, নিচের কোনটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে না?

সমাধান:
আমরা জানি, 
ত্রিভুজের ক্ষুদ্রতম দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর। 

প্রদত্ত বাহু ৭ এর  সাথে ২২ যোগ করলে হয় ২২ + ৭ = ২৯ যা ১৬ অপেক্ষা বড় । তাই ২২ মিটার দৈর্ঘ্যের বাহুটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে। 
৭ + ১৭ = ২৪ , যা ১৬ অপেক্ষা বড়, তাই ১৭ মিটার দৈর্ঘ্যের বাহুটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে। 
৭ + ১২ = ১৯ , যা ১৬ অপেক্ষা বড়, তাই ১২ মিটার দৈর্ঘ্যের বাহুটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে। 
৭ + ৯ = ১৬ , যা ১৬ এর সমান, তাই ৯ মিটার দৈর্ঘ্যের বাহুটি ত্রিভুজটির বাহু হতে পারে না।
.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু 16 মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 64√3
  2. 192
  3. 64
  4. 32√3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু 16 মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহু, a = 16 মিটার

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল,
= (√3/4)a2 বর্গমিটার 
= (√3/4)(16)2 বর্গমিটার 
= (√3/4) × 16 × 16 বর্গমিটার
= 64√3 বর্গমিটার 
.
একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৫ : ৬ : ৭ হলে ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত ডিগ্রি?
  1. ৩০ ডিগ্রি
  2. ৫০ ডিগ্রি
  3. ৬০ ডিগ্রি
  4. ৭০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৫ : ৬ : ৭ হলে ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত ডিগ্রি?

সমাধান:
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি কোণের পরিমাণ ৫ক, ৬ক এবং ৭ক

প্রশ্নমতে,
৫ক + ৬ক + ৭ক = ১৮০
বা, ১৮ক = ১৮০
বা, ক = ১৮০/১৮
বা, ক = ১০

সুতরাং, ত্রিভুজটির বৃহত্তম কোণের পরিমাণ = (৭ × ১০) ডিগ্রি = ৭০ ডিগ্রি
.
একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সেন্টিমিটার এবং 7 সেন্টিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?
  1. 8 সেন্টিমিটার
  2. 16 সেন্টিমিটার
  3. 32 সেন্টিমিটার
  4. 63 সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সেন্টিমিটার এবং 7 সেন্টিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সামান্তরিকের এক বাহু = 9 সেন্টিমিটার 
অপর বাহু = 7 সেন্টিমিটার 

সামান্তরিকের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) একক 
= 2(9 + 7) সেন্টিমিটার
= (2 × 16) সেন্টিমিটার
= 32 সেন্টিমিটার 
.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় ৬ সে.মি. ও ৮ সে.মি. হলে, রম্বসটির বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩ সে.মি.
  2. ৪ সে.মি.
  3. ৫ সে.মি.
  4. ৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় ৬ সে.মি. ও ৮ সে.মি. হলে, রম্বসটির বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
রম্বসের দুইটি কর্ণের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি. ও ৮ সে.মি. ।

আমরা জানি,
রম্বসের বাহু = ১/২ × √(রম্বসের কর্ণদ্বয়ের বর্গের যোগফল)
= ১/২ × √(৬ + ৮)
= ১/২ × √(৩৬ + ৬৪)
= ১/২ × √১০০
= ১/২ × ১০
= ৫ সে.মি.
.
3 সে.মি. ধার বিশিষ্ট একটি ঘনকের দুইটি কর্ণের সমষ্টি কত?
  1. √3
  2. 4√3
  3. 6√3
  4. 8√3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3 সে.মি. ধার বিশিষ্ট একটি ঘনকের দুইটি কর্ণের সমষ্টি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ঘনকের ধার, a = 3 সে.মি. 

আমরা জানি,
ঘনকের কর্ণ,
= a√3
= 3√3 সে.মি. 

∴ দুইটি কর্ণের সমষ্টি = (3√3 + 3√3) সে.মি. = 6√3 সে.মি. 
.
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের দ্বিগুণ। বাগানটির ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গ মিটার হলে বাগানের পরিসীমা কত?
  1. ১০ মিটার
  2. ২০ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৪৫ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের দ্বিগুণ। বাগানটির ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গ মিটার হলে বাগানের পরিসীমা কত?

সমাধান:
ধরি, বাগানের প্রস্থ = ক মিটার 
∴ দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার 

আমরা জানি,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ 

প্রশ্নমতে,
২ক × ক = ৫০
⇒ ২ক = ৫০
⇒ ক = ৫০/২
⇒ ক = ২৫
⇒ ক = ৫ 

∴ বাগানের প্রস্থ = ৫ মিটার 
এবং দৈর্ঘ্য = (২ × ৫) = ১০ মিটার 

∴ বাগানের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২(১০ + ৫) = ২ × ১৫ = ৩০ মিটার 
.
নিচের চিত্রে x কোণের মান কত?
  1. 100°
  2. 110°
  3. 130°
  4. 120°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্রে x কোণের মান কত?


সমাধান:
প্রদত্ত ত্রিভুজে,
∠A + ∠B + ∠C = 180°
⇒ 50° + 50° + ∠C = 180°
⇒ 100° + ∠C = 180°
⇒ ∠C = 180° - 100°
⇒ ∠C = 80°

∴ x° = ∠B + ∠C = 50° + 80° = 130°
১০.
একটি গোলকের আয়তন 36π ঘন সে.মি. হলে গোলকটির ব্যাসার্ধ কত?
  1. 3 সে.মি.
  2. 4 সে.মি.
  3. 6 সে.মি.
  4. 18 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গোলকের আয়তন 36π ঘন সে.মি. হলে গোলকটির ব্যাসার্ধ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
গোলকের আয়তন = 36π ঘন সে.মি.
ধরি,
গোলকের ব্যাসার্ধ = r
∴ গোলকের আয়তন = (4/3)πr3

প্রশ্নমতে,
(4/3)πr3 = 36π
⇒ (4/3)r3 = 36
⇒ r3 = (36 × 3)/4
⇒ r3 = 27
⇒ r = 3 সে.মি. [ ঘনমূল করে ]
১১.
একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য 44 সে.মি হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান পরিসীমা বিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
  1. 14 সে.মি. 
  2. 22 সে.মি. 
  3. 28 সে.মি. 
  4. 20 সে.মি. 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য 44 সে.মি হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান পরিসীমা বিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বর্গক্ষেত্রের বাহু = 44 সে.মি. 

আমরা জানি,
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × বাহুর দৈর্ঘ্য 
বৃত্তের পরিসীমা (পরিধি) = 2πr 

প্রশ্নমতে,
2πr = 4 × বাহুর দৈর্ঘ্য 
⇒ r = (4 × বাহুর দৈর্ঘ্য) /2π
⇒ r = (4 × 44)/{2 × (22/7)}
⇒ r = (2 × 44 × 7)/22
⇒ r = 28 সে.মি. 
১২.
একটি কুয়ার ব্যাস 14 মিটার ও উচ্চতা 20 মিটার হলে কুয়াটির আয়তন কত?
  1. 2240 ঘনমিটার
  2. 1540 ঘনমিটার
  3. 3080 ঘনমিটার
  4. 4080 ঘনমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কুয়ার ব্যাস 14 মিটার ও উচ্চতা 20 মিটার হলে কুয়াটির আয়তন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ব্যাসার্ধ, r = 14/2 = 7 মিটার
উচ্চতা, h = 20 মিটার

∴ কুয়ার আয়তন (বেলনের আয়তন) = πr2h = π × (7)2 × 20 = (22/7) × 49 × 20 = 3080 ঘনমিটার
১৩.
‘কিয়োটো প্রোটোকল’ কোন পরিবেশ বিষয়ক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. বন উজাড়
  4. ওজোন স্তরের ক্ষয়
ব্যাখ্যা
- ‘কিয়োটো প্রোটোকল’ জলবায়ু পরিবর্তন এর সাথে সম্পর্কিত। 

কিয়োটো প্রটোকল:

- কিয়োটো প্রটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি এটা বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (COP)-3 এ এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়।
- প্রটোকল থেকে সরে যাওয়া প্রথম দেশ ছিল কানাডা। 

সূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
১৪.
IUCN এর ক্ষেত্রে 'Red List' কী?
  1. বিপন্ন ভাষার তালিকা
  2. বিরল খনিজের তালিকা
  3. বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
  4. পরিবেশ দূষণকারী দেশের তালিকা
ব্যাখ্যা
- IUCN Red List হলো একটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রস্তুতকৃত আন্তর্জাতিক তালিকা, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

• IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে ।
- এটি নিয়ে  বিশ্বের ১৬০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্র: IUCN ওয়েবসাইট [লিংক]।
১৫.
মন্ট্রিল প্রোটোকল মূলত কিসের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য
  2. ওজোন স্তর সংরক্ষণের জন্য
  3. মিঠা পানির উৎস রক্ষার জন্য
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।

এছাড়াও অন্যকিছু প্রটোকল: 
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল - জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট ও Britannica.com
১৬.
আলজিয়ার্স চুক্তিটি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি: 
- আলজিয়ার্স চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে।
- এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি,
- এটি ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ, বিশেষ করে শাত-ইল-আরব নদী নিয়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে।
- ইরানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী, আর ইরাকের পক্ষে ছিলেন তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে হামলা চালালে চুক্তিটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।  

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
১৭.
‘কার্বন ক্রেডিট’ ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক প্রটোকলের অন্তর্গত?
  1. নাগোয়া
  2. কিয়োটো
  3. জেনেভা
  4. মন্ট্রিল
ব্যাখ্যা
- 'কার্বন ক্রেডিট' প্রোটোকলের সাথে জড়িত কিয়োটো প্রটোকল।

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় জাপানের কিয়োটোতে।
- কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত হয়,
- কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে। 
- কার্বন ক্রেডিট বা কার্বন বাণিজ্য কিয়োটো প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অন্যদিকে: 
- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার। 

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 
১৮.
Green Climate Fund গঠন করা হয় কোন আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে?
  1. COP-15
  2. COP-16
  3. COP-18
  4. COP-19
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- Green Climate Fund জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- কোপেনহেগেন সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে, এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

এছাড়াও, 
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) হলো "Conference of the Parties"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ১৯৯২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক গৃহীত হয়, এর মূল লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের COP-30 ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৯.
সিন্ধু পানি চুক্তি (১৯৬০) স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল কোন সংস্থা?
  1. ইউনেস্কো
  2. জাতিসংঘ
  3. সার্ক
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- 'বিশ্বব্যাংক' সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল।

সিন্ধু পানি চুক্তি (১৯৬০):

- সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল বিশ্বব্যাংক।
- এই চুক্তি হয়েছিল ভারতের উজানের নদীসমূহের পানি ব্যবহারে পাকিস্তানের উদ্বেগ নিরসনের জন্য।
- দীর্ঘ আলোচনার পর, বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগ ও মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়।
- পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদীর (সতলুজ, বিপাশা, ইরাবতী) পানি ভারত ব্যবহার করতে পারে এবং পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদীর (সিন্ধু, ঝিলাম, চেনাব) অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের।
- বিশ্বব্যাংক চুক্তিটির আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থাও করেছিল।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
২০.
২০২৫ সালের কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ফ্রান্স
  2. ব্রাজিল
  3. কেনিয়া
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে। 

COP:

- COP এর পূর্ণরূপ হলো Conference of the Parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে এবং
- ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- 'কপ-২৯' আগামীতে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে এবং আমাজনীয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ, ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।
২১.
'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কারটি কে প্রদান করে?
  1. UNESCO
  2. UNEP
  3. UNDP
  4. WHO
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি UNEP.
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- UNEP-এর প্রধানের পদবী নির্বাহী পরিচালক। 

উল্লেখ্য,
- UNEP-এর প্রতিষ্ঠার দিন ৫ জুন প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে UNEP বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিবেশবিষয়ক পুরস্কার 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' প্রদান করে।

অন্যদিকে: 
UNESCO - এর পূর্ণরুপ-United Nations Educational Scientific and Cultural Organization. এটি হচ্ছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNDP জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা। জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
-  WHO: World Health Organization. 

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

২২.
EEA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. European Energy Agency
  2. European Environmental Authority
  3. European Environment Agency
  4. Environmental Evaluation Association
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা: 
- EEA এর পূর্ণরূপ European Environment Agency.
- EEA-এর প্রধান কাজ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহ করা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা।
- এটি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক-এ অবস্থিত।
- সংস্থাটি ৩২টি সদস্যদেশ নিয়ে গঠিত।    
 
সূত্র: EEA ওয়েবসাইট।
২৩.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. বার্লিন শান্তি চুক্তি
  3. টোকিও শান্তি চুক্তি
  4. প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সম্পাদিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি,
- এটি ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয় এবং উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়।
- ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম দক্ষিণ ভিয়েতনামকে নিজেদের সঙ্গে একীভূত করে।
- ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান প্যারিস শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ঘটে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
২৪.
কোন দুটি সংস্থার সমন্বয়ে IPCC গঠিত হয়?
  1. UNEP ও WHO
  2. UNESCO ও WMO
  3. UNDP ও FAO
  4. UNEP ও WMO
ব্যাখ্যা
IPCC:
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC গঠিত হয়।
- IPCC এর পূর্ণরূপ হলো- The Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এই সংস্থা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে থাকে। 
- IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৫টি। [জুন- ২০২৫] 

উল্লেখ্য, 
- IPCC ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
২৫.
WWF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. World Wildlife Foundation
  2. World Wide Fund for Forests
  3. World Wide Fund for Nature
  4. World Wild Foundation
ব্যাখ্যা
WWF:
- WWF এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Fund for Nature.

- এটি প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত। 
- WWF ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund.
- ১৯৮৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে World Wide Fund for Nature রাখা হয়।
- WWF প্রায় ১০০টি দেশে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: WWF ওয়েবসাইট। 
২৬.
চীন কত সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়?
  1. ১৮৪২ সালে
  2. ১৮৪৫ সালে
  3. ১৮৩২ সালে
  4. ১৮৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি:
- চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তিটি আফিম যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়।
- আফিম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল চীনে আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে,

উল্লেখ্য, 
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
- কিন্তু ব্রিটিশরা আফিম আমদানিতে অব্যাহত ছিল, যার ফলে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীনে ব্রিটেনের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়, এর অংশ হিসেবে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
২৭.
IMO-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
IMO:
- IMO হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Maritime Organization.
- IMO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহীত হয়,
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে সংস্থাটির নামকরণ করা হয় International Maritime Organization.
- ১৯৫৯ সালে এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- IMO-এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO-এর সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: IMO ওয়েবসাইট।